সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভাশ্যামনগরে দুই সাংবাদিকে হত্যার হুমকি ও মিথ্যা মামলা প্রতিবাদে মানবন্ধনশ্যামনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় বাল্কহেড জব : দুইজনের কারাদণ্ডসাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যুতুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুলিহরে এক যুবক পিটিয়ে জখম:থানায় মামলাসাতক্ষীরা প্রাণসায়রের ধারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকলারোয়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুসুন্দরবনের নদীতে জেলের জালে ধরা পড়ল ১০ কেজির বিরল কচ্ছপসাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরনতালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো সবুজ জ্বালানি ও জলবায়ু সম্মেলন ২০১৬। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিম ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক শ্যামনগরে উপজেলা পরিষদে ‘নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করি পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ভালো রাখি’ শ্লোগানে র‌্যালি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকালে দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম। এরপর একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শ্যামনগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিমের সহ-সভাপতি শিউলী রানী মন্ডল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গবেষক ও লেখক পাভেল পার্থ, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবার কবীর, শ্যামনগর সদর ইউপি চেয়ারম্যান জহরুল হায়দার বাবু, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল, শ্যামনগর উপজেলা জনসংগঠন সমন্বয় কেন্দ্রের সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম, বারসিক’র সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম, সুন্দরবন স্টুডেন্টস সলিডারিটি টিমের সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান প্রমুখ। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। আর এ কাজে নেতৃত্ব দিতে হবে যুব সমাজকে। কারণ যুব সমাজ সবুজের প্রতিনিধি। সবুজ পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে যুব সমাজকে শপথ নিতে হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে অবশ্যই বৈশ্বিক উষ্ণতা কমানো সম্ভব। আর তাতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় রোল মডেল হবে শ্যামনগর। সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে জ্বালানি ও পরিবেশ বিষয়ক গান, কৌতুক ও নাটক মঞ্চস্থ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কুলিয়া প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া লাবণ্যবতী যুব সংঘের কমিটির গঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে কুলিয়া বালিয়াডাংগায় ক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে ক্লাবের শতাধিক সদস্যের উপস্থিতিতে সর্ব সম্মতিক্রমে কুলিয়া ২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শাহাদাৎ হোসেন কে সভাপতি ও আ’লীগ নেতা সুজয় মন্ডল কে সাধারণ সম্পাদক করে ২১সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলো সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম, জামাল হোসেন, দুর্লভ মন্ডল, যুগ্ম সম্পাদক আরিফ হোসেন, সাদিকুর রহমান, মিলন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক বিদুর মন্ডল, সহ-সাংগঠনিক আরাফাত হোসেন রাজা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইউসুফ আলী সুইট, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক সুমন দাশ, দপ্তর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান, সমাজকল্যান সম্পাদক জিয়ারুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য রিয়াদ হোসেন, ইসমাইল হোসেন, শান্তনু দাশ, মনিরুল ইসলাম, মনিরুল সরদার। উক্ত কমিটিতে কুলিয়া ইউপি এর সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আছাদুল হক কে প্রধান উপদেষ্টা করে ৫সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সোনাবাড়ীয়া প্রতিনিধি : কলারোয়া উপজেলাধীন ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বেলী গ্রামে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় অগ্রগতি সংস্থার বাস্তবায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায়, হত দরিদ্র জনগণের সামাজিক সুরক্ষার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করণ প্রকল্পের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক সচেতনতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ৭নং ওয়ার্ড বেলী গ্রামে ছাদেক আলী আমবাগানে প্রদর্শণী করা হয়। নাটকের মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা সেবা (বয়স্কভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি, ভিজিএফ, কর্মসৃজন কর্মসূচী, মাতৃত্বকালীন ভাতা) সমূহ গরিব মানুষের প্রাপ্য ও অধিকার তুলে ধরা হয়। এ সকল সেবা গরিব মানুষের অধিকার, দান নয় তাও তুলে ধরা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মোঃ লেয়াকত আলী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চন্দ্র শেখর হালদার, ইউনিয়ন ফ্যাসিলিটেটর অগ্রগতি সংস্থা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট: যত যোগ্য ব্যক্তিকেই নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দেওয়া হোক না কেনো নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আদর্শ নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনে নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী।নির্বাচনকালীন সরকার পুরোপুরি নিরেপক্ষ না হলেও ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় সরকার গঠনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ‘নিরপেক্ষ প্রায় সরকার’ গঠন সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘যদি একটা নিরপেক্ষ সরকার থাকে…তার অধীনে যতবার নির্বাচন হয়েছে সেগুলো মোটামুটি প্রশ্নবিদ্ধ নয়। তাহলে কোনটা আগে বেশি দরকার? প্রথম যেটা দরকার সেটা হলো নিরপেক্ষ সরকার। কী ধরনের নিরপেক্ষ সরকার সেটা অন্য কথা। নির্বাচন কমিশনে যেই যায় তারা হুকুম অনুসরণ করে।’আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে সার্চ কমিটি গঠন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলে তাতে সরকারের প্রভাব থাকবেই। এ সময় নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী।এ ছাড়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জামায়াতের এক কর্মীসহ ৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৬ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৫ জন, তালা থানা ২ জন, কালিগঞ্জ থানা ৬ জন, শ্যামনগর থানা ৩ জন, আশাশুনি থানা ২ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ১ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শীতে ঠান্ডা ও হাঁপানির সমস্যায় অনেকে ভোগেন। শীতে ঠান্ডা ও হাঁপানি থেকে রক্ষা পেতে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।   ঠান্ডা খাবার ও পানীয় পরিহার করুন।কুসুম কুসুম গরম পানি পান করুন। হালকা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করতে পারেন।প্রয়োজনমতো কাপড় পরুন। তীব্র শীতের সময় কান ঢাকুন, টুপি পরুন এবং গলায় মাফলার ব্যবহার করুন।ধুলাবালি এড়িয়ে চলুন।ধূমপান পরিহার করুন।ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।হাঁপানি রোগীরা শীত শুরুর আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ইনহেলার ও অন্যান্য ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন।যাঁদের অনেক দিনের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা আছে, তাঁদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিমোকক্কাস নিমোনিয়ার টিকা দেওয়া উচিত।তাজা পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। এগুলো দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে। হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন। বিশেষ করে চোখ ও নাক মোছার পরপর হাত ধোন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট: সিলেটের তারাপুর চা বাগানের সরকারি কাগজ জালিয়াতির মামলায় শিল্পপতি রাগীব আলীকে ভারতের করিমগঞ্জে আটক করেছে সে দেশের পুলিশ। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজ্ঞান চাকমা এ খবর নিশ্চিত করেছেন। সুজ্ঞান চাকমা জানান, রাগীব আলীর কাছে ভারতে থাকার বৈধ কাগজপত্র ছিল না। এ জন্য আজ সকালে তাঁকে আটক করে পুলিশ। জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে তারাপুর চা বাগানের দেবোত্তর সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার ভূমি আত্মসাৎ এবং প্রতারণার আলোচিত দুটি মামলায় রাগীব আলী ও তাঁর ছেলেমেয়েসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ১০ আগস্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ওই দিন তিনি সপরিবারে পালিয়ে ভারতে চলে যান। ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারক (চিঠি) জালিয়াতির মামলায় রাগীব আলী ও তাঁর ছেলে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।অন্যদিকে প্রতারণার মামলায় রাগীব আলী, তাঁর ছেলে আবদুল হাই, জামাতা আবদুল কাদির, মেয়ে রুজিনা কাদির, রাগীব আলীর আত্মীয় মৌলভীবাজারের দেওয়ান মোস্তাক মজিদ ও তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।এ মামলার আসামি রাগীব আলীর আত্মীয় দেওয়ান মোস্তাক মজিদ গত ১০ অক্টোবর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।৪২২ দশমিক ৯৬ একর জায়গার ওপর তারাপুর চা বাগান পুরোটাই দেবোত্তর সম্পত্তি। আশির দশকে এটি দখলে নেন রাগীব আলী। এ নিয়ে চলা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ জানুয়ারি তারাপুরে রাগীব আলীর দখলদারিত্বকে অবৈধ ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট: নাইকো দুর্নীতি মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এতে করে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে আর কোনো বাধা নেই।আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মির্জা হোসাইন হায়দার। এর আগে গত ২১ নভেম্বর শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। গত ২০ নভেম্বর এ বিষয়ে শুনানি শুরু হয়েছিল।আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।আদালতের আদেশের বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাহবুবউদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, ‘নাইকো দুর্নীতি মামলা বাতিলে খালেদা জিয়ার আপিল ডিসমিস (বাতিল) করা হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম, এ মামলায় জিতব। কেননা, এ মামলায় প্রথম চুক্তি করেছিলেন শেখ হাসিনা। খালেদা জিয়া সরকার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছিল। অথচ একই অভিযোগে শেখ হাসিনাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’‘কিন্তু খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম চলছে। আইন অনুযায়ী, কোনো মামলার মূল আসামি যদি খালাস পেয়ে যায়, তাহলে অন্য আসামিরাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে খালাস পেয়ে যাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। তবে আপিল বিভাগ বলেছে, মামলার মেরিটে আমরা হাত দেব না। আপনারা যখন রিটে আসবেন, তখন বেনেফিট (সুফল) পাবেন।’২০১৫ সালের ১৮ জুন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম বিচারিক আদালতে চলবে বলে রায় দেন বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি জাফর আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ। মামলাটি বাতিলে খালেদার রিট আবেদন ও এ-সংক্রান্ত রুল খারিজ এবং বিচারিক কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে দুই মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।গত বছরের ৩০ নভেম্বর হাইকোর্টের আদেশে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন বিচারিক আদালত।এরপর ৭ ডিসেম্বর আপিল বিভাগে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন খালেদা জিয়া।হাইকোর্টের রায়ে সচল হওয়ার পর নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচারিক কার্যক্রম ফের শুরু হয় ঢাকার বিশেষ জজ-৯ আমিনুল ইসলামের আদালতে।কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলাটি করেন।২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান।অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৫ জুলাই নাইকো দুর্নীতির মামলার কার্যক্রম দুই মাসের জন্য স্থগিত ও রুল জারি করেন আদালত। পরে স্থগিতাদেশের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। এ রুলের শুনানি শেষে গত বছরের ১৮ জুন তা খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।


0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest