সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় ৩ শতাধিক দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বিএনপির বিনামূল্যে সবজি বিতরণবল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধনশাখরা কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠনসাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ : ডিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশকালীগঞ্জে তাঁতীদলের বিক্ষোভ মিছিলহাওয়ালখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের নিয়ে পিআইবির তিনদিনব্যাপি প্রশিক্ষণ শুরুনিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ কর্মীদের প্রতিহত করতে সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের মোটর সাইকেল শোডাউনসাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জেলা কমিটি গঠনএবার সাতক্ষীরায় ২লক্ষ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

Willkommen zum detaillierten Leitfaden für Pistolo Casino, eine Plattform, die sich auf das deutsche iGaming-Publikum spezialisiert hat. In dieser Anleitung erfahren Sie alles von der Registrierung bis zu fortgeschrittenen Strategien, um Ihr Spielerlebnis zu optimieren. Besuchen Sie https://pistolo-casino-de.com.de/, um loszulegen. Diese Ressource folgt Protokoll M und bietet eine umfassende, technische Perspektive für erfahrene Spieler.

Bevor Sie beginnen

Stellen Sie sicher, dass Sie diese Punkte überprüfen, um reibungslos zu starten:

  • Altersverifizierung: Sie müssen mindestens 18 Jahre alt sein und in Deutschland ansässig, um legal spielen zu können.
  • Dokumente bereithalten: Halten Sie einen gültigen Personalausweis oder Reisepass für die Kontoüberprüfung bereit.
  • Zahlungsmethoden prüfen: Informieren Sie sich über akzeptierte Optionen wie Kreditkarten, E-Wallets oder Banküberweisungen.
  • Bonusbedingungen lesen: Verstehen Sie die Umsatzanforderungen und Einschränkungen, um Konflikte zu vermeiden.

Registrierung bei Pistolo Casino

Folgen Sie diesen Schritten, um ein Konto zu erstellen:

  1. Besuchen Sie die offizielle Website über den bereitgestellten Link.
  2. Klicken Sie auf “Registrieren” und füllen Sie das Formular mit persönlichen Daten wie Name, E-Mail und Geburtsdatum aus.
  3. Bestätigen Sie Ihre E-Mail-Adresse durch einen Aktivierungslink, der an Ihr Postfach gesendet wird.
  4. Laden Sie nach der Anmeldung erforderliche Identitätsdokumente hoch, um die Kontoüberprüfung abzuschließen und Einschränkungen aufzuheben.
  5. Machen Sie Ihre erste Einzahlung, um Bonusanforderungen zu nutzen und mit dem Spielen zu beginnen.

Die Mobile App von Pistolo Casino

Für Spieler unterwegs bietet Pistolo Casino eine optimierte mobile Erfahrung. Laden Sie die App über die Website oder offizielle Stores herunter. Sie unterstützt iOS und Android, mit Features wie Touch-ID-Login, Push-Benachrichtigungen für Aktionen und einem responsiven Design für Slot-Spiele und Live-Casino. Stellen Sie sicher, dass Ihr Gerät auf dem neuesten Stand ist, um Kompatibilitätsprobleme zu vermeiden.

Pistolo Casino Spieleauswahl
Abbildung 1: Die vielfältige Spielebibliothek von Pistolo Casino, darunter Slots, Tischspiele und Live-Dealer-Optionen.
Spezifikation Details
Lizenz Malta Gaming Authority (MGA) oder ähnlich reguliert
Spieleanbieter NetEnt, Microgaming, Play’n GO, Evolution Gaming
Zahlungsmethoden Kreditkarten, PayPal, Skrill, Banküberweisung
Mindesteinzahlung €10
Auszaehlungsdauer 1-3 Werktage für E-Wallets, 3-5 für Banküberweisungen
Kundensupport 24/7 Live-Chat, E-Mail, Telefon

Bonus-Strategie und Mathematik

Bonusangebote können lukrativ sein, erfordern aber strategische Planung. Nehmen wir ein Beispiel: Ein 100% Einzahlungsbonus bis zu €100 mit 30x Umsatzanforderungen. Wenn Sie €50 einzahlen, erhalten Sie €50 Bonus, insgesamt €100 Spielguthaben. Um die Bedingungen zu erfüllen, müssen Sie €100 * 30 = €3000 umsetzen. Berücksichtigen Sie, dass Slots oft 100% zum Umsatz beitragen, während Tischspiele wie Blackjack nur 10% zählen. Planen Sie Ihre Wetten, um die Anforderungen effizient zu erfüllen und Verluste zu minimieren. Überprüfen Sie immer die spezifischen Bedingungen auf der Website.

Häufig gestellte Fragen (FAQ)

F: Wie behebe ich Login-Probleme bei Pistolo Casino?
A: Stellen Sie sicher, dass Sie die richtigen Anmeldedaten verwenden. Falls vergessen, nutzen Sie die “Passwort zurücksetzen”-Funktion. Deaktivieren Sie Browser-Erweiterungen, die den Zugriff blockieren könnten, oder versuchen Sie es mit einem anderen Gerät.

F: Ist Pistolo Casino sicher für deutsche Spieler?
A: Ja, die Plattform operiert unter renommierten Lizenzen wie der MGA, die strenge Sicherheitsprotokolle wie SSL-Verschlüsselung und faire Spielprüfungen gewährleisten. Halten Sie sich an die lokalen Glücksspielgesetze.

F: Wie lange dauern Auszahlungen bei Pistolo Casino?
A: Auszahlungen variieren je nach Methode: E-Wallets wie Skrill nehmen 1-3 Werktage in Anspruch, während Banküberweisungen 3-5 Werktage dauern können. Stellen Sie sicher, dass Ihr Konto vollständig verifiziert ist, um Verzögerungen zu vermeiden.

F: Gibt es Limits für Gewinnausschüttungen?
A> Ja, Pistolo Casino kann monatliche oder wöchentliche Auszahlungslimits haben, die in den Geschäftsbedingungen festgelegt sind. Überprüfen Sie diese, um Überraschungen zu vermeiden, insbesondere bei großen Gewinnen.

Video: Ein Überblick über die Features und Spielmöglichkeiten bei Pistolo Casino.

Zusammenfassend bietet Pistolo Casino eine solide Plattform für deutsche Spieler, mit einer breiten Spieleauswahl und robusten Sicherheitsmaßnahmen. Indem Sie diese Schritte befolgen—von der Registrierung über Bonusberechnungen bis zur Fehlerbehebung—können Sie Ihr Spiel optimieren und potenzielle Fallstricke vermeiden. Denken Sie daran, verantwortungsbewusst zu spielen und die offiziellen Ressourcen für aktuelle Updates zu konsultieren.

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

12ডেস্ক রিপোর্ট: বিশ্বের বিপজ্জনক প্রাণীদের মাঝে এমন কিছু প্রাণী যা আপাতদৃষ্টিতে আমরা তেমন বিপজ্জনক বলে মনে না করলেও এসব প্রাণীর অনেকগুলোই বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কয়েকটি প্রাণীর তালিকা। এক প্রতিবেদনে বিজনেস ইনসাইডার বিষয়টি জানিয়েছে।

১. মশা
সামান্য মশার কামড়কে অনেকে কোনো গুরুত্বই দেন না। যদিও মশা আমাদের কত ক্ষতি করে তা জানলে আপনি হয়ত মশার দিকে আর সেভাবে তাকাবেন না। পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী প্রাণীর নাম মশা। এ প্রাণীটি প্রতি বছর সাড়ে সাত লাখ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া ইত্যাদি রোগ হয়। আর এসব রোগেই মূলত মানুষের মৃত্যু ঘটে।

২. মানুষ
মানুষই মানুষের বড় শত্রু। আর এ কথাটি যে মোটেই ভুল নয় তার প্রমাণ পরিসংখ্যান। প্রতি বছর মানুষ প্রায় ৪ লাখ ৩৭ হাজার মানুষকে খুন করে।

৩. সাপ
প্রায় সারা পৃথিবীতেই রয়েছে বিপজ্জনক প্রাণী সাপ। এ প্রাণীটির কামড়ে বছরে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটে। আর এ কারণে সাপ মানুষের মৃত্যুর জন্য তৃতীয় দায়ী প্রাণী।

৪. কুকুর
কুকুরের বহু রূপ রয়েছে। আপনি কিভাবে প্রাণীটিকে পুষছেন কিংবা রাখছেন তার ওপর বহু বিষয় নির্ভর করে। কুকুর নিরাপত্তার কাজসহ নানা ধরনের জীবন রক্ষাকারী কাজে পারদর্শী। তবে এ কুকুরই আবার সঠিকভাবে যত্ন না নিলে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। আর এ অবস্থায় মানুষকে কামড়ালে মানুষেরও মৃত্যু ঘটে। জলাতংক রোগে প্রতি বছর ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, যার ৯৯ শতাংশই কুকুরের মাধ্যমে ছড়ায়।

৫. স্বাদুপানির শামুক
স্বাদুপানির শামুক প্রতি বছর বহু মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। এটি মূলত প্যারাসাইটিক পরজীবী বহন করে। এটি মানুষের দেহে চলে এলে পেটের মারাত্মক ব্যথা তৈরি হয় এবং মানুষের মৃত্যু হয়। এ রোগে বছরে প্রায় ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

৬. খুনী ছারপোকা
অ্যাসাসিন বাগ নামে এক ধরনের ছারপোকা খুবই বিপজ্জনক। একে কিসিং বাগও বলা হয়। এটি চ্যাগাস ডিজিজ নামে একটি রোগ বহন করে। এ রোগে বছরে প্রায় ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

৭. টিসেটসি মাছি
আফ্রিকার মাছি টিসেটসি মারাত্মক একটি রোগের জন্য দায়ী। স্লিপিং সিকনেস নামে এ রোগে মারাত্মক মাথাব্যথা, জ্বর, অস্থিসন্ধী ব্যথা, চুলকানী ইত্যাদি দেখা যায়। পরবর্তীতে মস্তিষ্কের আরও কিছু জটিলতা তৈরি হয়, যা থেকে রোগীর মৃত্যু হয়। এ রোগে বছরে ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, যেজন্য দায়ী এ মাছি।

৮. গোলকৃমি
গোলকৃমি মানুষের দেহের অভ্যন্তরে বাস করে এবং প্রচুর মানুষের মৃত্যু ঘটায়। প্রতি বছর প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী এ গোলকৃমি।

৯. কুমির
আফ্রিকায় প্রতি বছর প্রচুর মানুষের মৃত্যু ঘটায় কুমির। এ সংখ্যা প্রায় এক হাজার।

১০. ফিতাকৃমি
ফিতাকৃমি এমন এক প্রাণী, যার দেখা পাওয়া মুস্কিল। কিন্তু অন্তরালে থেকে এটি বহু মানুষের মৃত্যু ঘটায়। পেটের ভেতর এটি সংক্রমণ ঘটায় এবং বছরে প্রায় ৭০০ মানুষের মৃত্যু ঘটায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2ডেস্ক রিপোর্ট: পেছনে আইএস এর পতাকা আর সঙ্গে অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিম হাসান খান ও জুনায়েদ হোসেন খান নামের দুই যুবক উঁকি দিয়ে গেছেন ফেইসবুকে আসা এক ছবিতে, যাদের নাম রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রকাশিত নিখোঁজদের তালিকায়।

গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পর নিখোঁজ ১০ যুবকের যে প্রথম তালিকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রকাশ করেছিল, সেখানে ওই দুই ভাইয়ের নাম আসে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়েছিল, ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা এই দুই ভাই এবং তার পরিবারের সদস্যরা প্রায় এক বছর ধরে নিরুদ্দেশ।

বাংলাদেশ সময় বুধবার রাতে ইব্রাহিম হাসান খানের ফেইসবুক পৃষ্ঠায় ওই ছবি প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তা সরিয়ে অথবা গোপন করে ফেলা হয়। অবশ্য ততোক্ষণে ওই ছবির স্ক্রিনশট নিয়ে রেখেছেন অনেকেই।

ওই ফেইসবুক পেইজ যে ইব্রাহিমের এবং ছবিতে যে তাদের দুই ভাইকেও দেখা গেছে, তা নিশ্চিত করেছেন তাদের পরিচিত একজন।

“সকালে ফেইসবুকের টাইমলাইনে ইব্রাহিম আর ওর বড় ভাই জুনায়েদের ছবি দেখে চমকে উঠেছিলাম। ইব্রাহিমের ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে গিয়ে দেখলাম ছবিতে আরেকজন আছে। পেছনে আইএসের মতো পতাকা। কখনো ভাবিনি এমন কিছু ঘটেছে,” বলেন মালয়েশিয়ার সুইনবার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফারহান ইসলাম, যিনি এক সময় সৌদি আরবে ইব্রাহিমের সঙ্গে একই স্কুলে পড়েছেন।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ কমিশনার মহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছেন।

ওই ছবিতে তিন তরুণের গায়েই দেখা যায় কালো পোশাক; প্রত্যেকের হাতে পানীয়র গ্লাস। সামনের টেবিলে ও চেয়ারের পাশে দেখা যায় রাইফেল ও পিস্তলের মত অস্ত্র।

ছবিতে তিনজনের মাঝে সানগ্লাস পরা যে যুবককে দেখা যায়, তিনি ইব্রাহিম এবং তার পাশে লাল পাগড়ি পরিহিত যুবক জুনায়েদ বলে ফারহান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারের নজরদারিতে রয়েছে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সর্বোচ্চ দণ্ডপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যরা। যেকোন সময়ে যেকোনও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারেন এসব পরিবারের সদস্যরা বলে মনে করছেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতি-নির্ধারকরা।

জানা গেছে, পরিবারগুলোর সদস্যদের অতীত ও বর্তমান সব তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এদের কে কোথায় লেখাপড়া করেছেন। কোথায় ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন। আত্মীয়-স্বজনদের কার কোথায় অবস্থান। তাদের যোগাযোগ কার সঙ্গে এবং বিদেশি কোন কোন দেশে যাতায়াত বেশী ও কী কাজে বিদেশ যাতায়াত করেন। এসব খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। এসব পরিবারের শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধু কারা এসবেরও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারগুলোর আর্থিক ভিত্তি দুর্বল করারও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

জানাগেছে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের ওপর নজরদারি ও তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।

সরকারের নীতি-নির্ধারকরা মনে করেন, মীর কাসেম আলীর পরিবার যথেষ্ট সম্পদশালী। অর্থ-বিত্ত দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে যেকোনও ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে পারে এ পরিবারটি। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী যেহেতু রাজনৈতিক পরিবারের ও পাকিস্তানপন্থী, ফলে রাজনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র করতে পারে এই পরিবার, এমন আশঙ্কা রয়েছে সরকারের ভেতরে। আর গোলাম আযমের সন্তান একটি বিশেষ বাহিনীতে বড় কর্মকর্তা ছিলেন। তাই তার ‘নেটওয়ার্ক’ রয়েছে মনে করে এ পরিবারটিও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে সরকারে।

সরকারের নীতি-নির্ধারকরা মনে করেন, এসব পরিবারের সদস্যরা বসে থাকবেন না। সময় সুযোগ পেলেই তারা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে উৎখাতের যেকোনও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারেন। তাই তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘সাজাপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের পরিবারের সদস্যরা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত, এমন কিছু তথ্য আমাদের কাছে এসেছে। আমরা এগুলো খতিয়ে দেখছি।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের পরিবারগুলোর সদস্যদের ওপর সরকারের নজরদারি রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, তারা সুযোগ পেলেই ছোবল মারবে এবং কিছু ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য ইতোমধ্যে সরকারের নজরে এসেছে।’

তিন পরিবারের নজরদারিতে যারা

গোলাম আযম: সদ্যপ্রয়াত শীর্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত গোলাম আযমের ছয় ছেলে। বড় সন্তান আব্দুল্লাহ হিল মামুন আল আযমী, দ্বিতীয় ছেলে আব্দুল্লাহ হিল আমিন আল আযমী তিনি দেশের বাইরে রয়েছেন, তৃতীয় ছেলে আব্দুল্লাহ হিল মোমেন আল আযমী, চতুর্থ ছেলে আব্দুল্লাহ হিল আমান আল আযমী ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ২০০৯ সালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে কর্মরত অবস্থায় অবসরে যান। পঞ্চম ছেলে আব্দুল্লাহ হিল নোমান আল আযমী, ছোট ছেলে আব্দুল্লাহ হিল সালমান আল আযমী।

মীর কাসেম আলী: সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতের অর্থ যোগানদাতাদের শীর্ষনেতা ছিলেন মীর কাসেম আলী। তার দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। ছেলে মোহাম্মদ বিন কাসেম (সালমান), তিনি পাকিস্তান ডেন্টাল কলেজে পড়েছেন। আরেক ছেলে মীর আহমেদ বিন কাসেম (আরমান), তিনি লন্ডনে বার এট ল’ সম্পন্ন করেছেন। মেয়ে হাসিনা তাইয়্যেবা মাস্টার্স করেছেন হোম ইকোনমিকস কলেজ থেকে। অপর মেয়ে সুমাইয়া রাবেয়া, আরেক মেয়ে তাহেরা হাসনিন।

সালাহ উদ্দীন কাদের চৌধুরীর পরিবার: সাকার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী। ছেলে ফজলুল কাদের চৌধুরী ফাইয়াজ ও হুম্মাম কাদের চৌধুরী। মেয়ে ফারজিন কাদের চৌধুরী। দুই বোন জোবায়দা কাদের চৌধুরী ও হাসিনা কাদের চৌধুরী। ফাইয়াজের স্ত্রী দানিয়া খন্দকার, মেয়ের জামাই জাফর খান এবং সাকার ভাই জামালউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

b
নিজস্ব প্রতিবেদক: সুলতানুল ইসলাম তারেক। গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলায়। বাবার সরকারি চাকরির সুবাদে এক সময় সাতক্ষীরায় থাকতেন তিনি। ১৯৮৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হওয়ার পর বদলীজনিত কারণে সাতক্ষীরা ছাড়তে হয় তাকে। তা প্রায় ৩০ বছর আগের কথা। এতোদিন পরে সাতক্ষীরার মাটিতে পা রেখে বাল্য বন্ধুদের পেয়ে প্রাণের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন তারেক। শুধু কি তারেক, ১৯৮৬ (এসএসসি) ব্যাচের বন্ধু ও তাদের পরিবার-পরিজনের সাড়ে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণের উল্লাসে মেতে উঠেছিল সাতক্ষীরার তুফান কনভেনশন সেন্টার। ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৯৮৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বিকিরণ ৮৬ নামে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আগত বন্ধুদের দেওয়া হয় টি-শার্ট, মগ, কলম ও ডায়েরি। এ উপলক্ষ্যে বিকিরণ ৮৬ নামে একটি স্মরণিকাও বের করেছে তারা। সারাদিন চলে আড্ডা। এরই মধ্যে আরাধনা শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় কানে আসে ‘মন শুধু মন চেয়েছে’, ‘আমার হাড় কালা করলাম রে’, ‘নিঝুম সন্ধ্যা’সহ ৮০’র দশকের বিভিন্ন জনপ্রিয় গান। সন্ধ্যার পর অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র। রাত ৭টার দিকে যখন এই মিলন মেলা ভাঙছিল, তখন অনেকেরই নিজের অজান্তে চোখের কোনে জল জমে। কিছুতেই যেন যেতে চাইছিল না কেউ। তাই বার বার বিদায় নিতে দেখা যায় অনেককে। এই মিলন মেলায় অংশ নেয়া বিকিরণ ৮৬’র এক সদস্যের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়–য়া ছেলে জানায়, বন্ধুত্ব যে এমন মধুর হয়, তা আগে জানতাম না। আবক্ষুদের সকলকে দেখলাম এক সাথে কত মজা করতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

picture-kaliganj-satkhira-15-sepকালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জের ‘পারুলগাছা প্রগতি সংঘ’ আয়োজিত চার দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টায় পারুলগাছা ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর প্রান্তিক সংঘ ও পি ডি কে মিতালী সংঘের মধ্যকার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালের নির্দ্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে অমিমাংসিত ভাবে শেষ হয়। পরবর্তীতে টাইব্রেকারে বিষ্ণুপুর প্রান্তিক সংঘ ৪-৩ গোলের ব্যবধানে পি ডি কে মিতালী সংঘকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পিডিকে মিতালী সংঘের জহুরুল ইসলাম এবং ফাইনালের সেরা হয়েছেন বিষ্ণুপুর প্রান্তিক সংঘের এনামুল হোসেন। প্রচুর সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে খেলা পরিচালনা করেন ফিফা রেফারী শেখ ইকবাল আলম বাবলু এবং সহকারী হিসেবে ছিলের সৈয়দ মোমিনুর রহমান ও রাশেদুজ্জামান। প্রগতি সংঘের সভাপতি আব্দুর রাশেদ ঢালীর সভাপতিত্বে এবং প্রগতি সংঘের কর্মকর্তা অসীম রায় ও শাহআলম ঢালীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে পুরস্কার (ফ্রিজ) তুলে দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিগঞ্জ ইউনিটের কমান্ডার আলহাজ্জ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রানার্স আপ দল ও সেরা খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি, পারুলগাছা প্রগতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, মৌতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল হক সরদার, সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন কুমার পাল বাচ্চু, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোবিন্দ মন্ডল, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা কবিরুজ্জামান মন্টু, বিষ্ণুপুর ইউপি’র মেম্বর আফছার উদ্দীন মোড়ল, সাবেক মেম্বর জিএম রফিকুল ইসলাম, উপজেলা তরুণলীগ সভাপতি শেখ শাহজালাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ সরদার, পারুলগাছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মৃণাল মন্ডল, ওয়ার্ড পুলিশিং কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম ঢালী, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সামাদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1465740417582কালিগঞ্জ ব্যুরো: কালিগঞ্জে জুয়া খেলার অপরাধে আটক তিন জুয়াড়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। থানা সূত্রে জানা যায়, কালিগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আমল কুমার রায়ের নেতৃত্বে পুলিশ বুধবার বিকেল সাড়ে ৫ দিকে উপজেলার তারালী ইউনিয়নের মাওলার কাছারি নামক স্থান থেকে জুয়া খেলা অবস্থায় তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো তারালী ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের মাওলা কারিকরের ছেলে আলম কারিকর (৪৫), একই ইউনিয়নের জাফরপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ওরফে ভদো গাজীর ছেলে মোজাফ্ফার হোসেন (৪০), একই গ্রামের মৃত কাংলা কারিকরের ছেলে ফজর আলী কারিকর ওরফে নুনু (৪৬)। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিমুল কুমার সাহা ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের ৩/৪  ধারায় প্রত্যেকে একশত শত টাকা করে জরিমানা আদায় করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেলা প্রশাসকের নির্দেশ উপেক্ষা করে তালায় সরকারি খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, তালার রাজাপুর মৌজায় ১নং খাস খতিয়ানে ১৪১৭ নং দাগে ০৭ একর সরকারি জমি রয়েছে। ওই জমি দখল করে অবৈধ ভাবে তালা উপজেলার মেশারডাংগা গ্রামের প্রফুল্ল ব্যানার্জীর ছেলে আদিত্য ব্যানার্জী, কার্তিক ব্যানার্জী, অর্জুন ব্যনার্জী অবৈধ স্থাপনা নির্মান করে। সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা বন্ধের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এলাকাবাসী।
অভিযোগটি আমলে নিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) গত ৭ এপ্রিল’১৬ তারিখে ৭৫২ নং স্মারকে আগামি ৩০ দিনের মধ্যে ওই জমি উপর থেকে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু নোটিশ প্রদানের প্রায় ৬মাস অতিবাহিত হলেও ওই স্থাপনা সরানো হয়নি। বরং ওই স্থাপনাটি আরো মজবুদ করার কার্যক্রম চলছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশ উপেক্ষা করে স্থাপনা করায় এলাকাবাসী হতাশ হয়ে পড়েছেন। কিভাবে তারা জেলা প্রশাসকের নির্দেশ অমান্য করে এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ওই সরকারি জমি থেকে অবিলম্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest