আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার শ্যামনগরের চাঞ্চল্যকর জেসমিন নাহার হত্যা মামলায় মৃত্যুন্ড প্রাপ্ত আসামি নিহতের স্বামী আরশাদ আলী মিস্ত্রী (৫৩) কে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের সদস্যরা। দীর্ঘ ২২ বছর পালিয়ে থাকার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলার দিঘুলিয়া থানাধীন বারাকপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আরশাদ আলী মিস্ত্রী আশাশুনি উপজেলার কল্যানপুর গ্রামের মৃত আদম আলী মিস্ত্রীর ছেলে। র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা কোম্পানি সদর থেকে রাত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেসমিন নাহারের সাথে মৃত্যুর ১১ বছর পূর্বে আরশাদ আলীর সাথে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আরশাদ আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে কাজের সুবাদে শ্যামনগর উপজেলার নোয়াবেকী গ্রামে বসবাস করতো। পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০০২ সালের ২২ জুন সেখানে যৌতুকের টাকা নিয়ে স্ত্রীর সাথে আরশাদ আলীর বাকবিতন্ডা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আরশাদ আলী ক্ষিপ্ত হয়ে চেরা কাঠদিয়ে তার স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি পেটানো শুরু করলে জেসমিন নাহার মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার বোন বাদী হয়ে আরশাদ আলীর বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে, এ ঘটনার পর থেকে আরশাদ আলী পলাতক ছিলেন। এ মামলায় ইতিমধ্যে আদালত আসামি আরশাদ আলীর মৃত্যুদ্বন্ড দেয়।

র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের অধিনায়ক এএসপি নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সম্প্রতি র‌্যাব সাতক্ষীরা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরশাদ আলী মিস্ত্রীর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে মঙ্গলবার খুলনা জেলার দিঘুলিয়া থানাধীন বারাকপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত মৃত্যুদ্বন্ড প্রাপ্ত আসামী আরশাদ আলীর বাড়ি আশাশুনি উপজেলার মধ্যে হওয়ায় তাকে আশাশুনি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পরিচিতি ও প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেলা সৈনিক লীগের আহবায়ক মাহমুদ আলী সুমন।

প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা প্রমুখ।

বক্তব্য রাখেন, জেলা সৈনিক লীগের অন্যতম সদস্য হাসানুজ্জামান ডাবলু, আমজাদ হোসেন শোভন, মারুফ আহমেদ খান শামীম, অহিদুজ্জামান বকুল, তাহিয়াতুল হক মুকুল,শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু, শেখ আব্দুল আলিম, মেহেদীআলী সুজয়, আমজাদ হোসেন আমু, আসাদুল ইসলাম লিটু, সাইফুল ইসলাম রঞ্জু, দেলোয়ার হোসেন টিটু, মহাসিন কবির জোনাকি, মোমিনুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, শাহাদাত আলম রিপন, এড. সুরাইয়া পারভীন, শাহীনুর ইসলাম, শাহানারা খাতুন শীলা, আকলিমা খাতুন লিমাসহ অন্যরা।
সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, জেলা সৈনিকলীগের যুগ্ম আহবায়ক এড. একেএম তৌহিদুর রহমান শাইন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি সকলকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া সভার মধ্যভাগে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তামজীদ বীন রহমান ত‚র্য, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় জেলা সৈনিক লীগের সকল নেতৃবৃন্দকে দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, বিভ্রান্ত হবেন না। এটাই সৈনিক লীগের বৈধ কমিটি। কারণ গত ২/৩/২৪ তারিখে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ৪র্থ সভায় সাতক্ষীরা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ফলে আপনাদের কমিটির বৈধ কমিটি। দলীয় সকল কর্মসূচিতে স্বত;স্ফুর্ত অংশগ্রহণ করুন। আমরা আপনাদের সাথে আছি। সাথে সাথে বৈধ কমিটির সাথে যোগাযোগ রেখে সহযোগিতার জন্য জেলা আওয়ামী লীগের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। সভা শেষে জেলা সৈনিক লীগের নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং সাতক্ষীরা জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের ৪১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির তালিকা ও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ড. এ কে আজদ কর্তৃক প্রদত্ত জরুরী নোটিশ হস্তান্তর করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৭ তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২৪’ উদযাপন উপলক্ষ্যে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় র‍্যালী পরবর্তী দেবহাটা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জি,এম,স্পর্শ।

এসসয় বীর মুক্তিযোদ্ধা নফর বিশ্বাস, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল বাশার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অধীর কুমার গাইন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরায় এক শিক্ষককে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর প্রতিবাদ,নিঃশর্ত মুক্তি ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তিমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনয়নবাসীর ব্যানারে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় তালা উপজেলা পরিষদের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মহান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবঃ প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বাওখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবঃ প্রধান শিক্ষক রণজিৎ ঘোষ, জেঠুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সনজিত দেবনাথ, কারাবন্দী সুভাষ দাসের মেয়ে বাওখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রেখা দাস,তার বোন রমা দাস, মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, গনেশ দাস,জ্যোতিষ দাস, বিষ্ণুপদ দাস,মন্টু দাস,ভবেন দাস,সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গত বছরের ১৬ জানুয়ারি ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সুভাষ দাসের মেয়ে রমা দাসকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে চাকুরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে এক লাখ টাকা নেন ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইষ্টম দাস। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে ইষ্টম দাস ও তার স্ত্রী অঞ্জলি দাসের সঙ্গে সুভাষ দাসের সম্পর্কের অবনতি হয়। ১০ মার্চ সকালে প্রধান শিক্ষকের অফিসকক্ষে ডেকে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে সুভাষ দাসকে পেটান ইষ্টম দাসের কাছের লোক আকাশ দাস। এঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়ে তালা হাসপাতালে ভর্তি হন সুভাষ দাস। এ মামলা থেকে ইষ্টম দাস ও আকাশ দাস বাঁচার জন্য সুভাষ দাস গত ৭ মার্চ সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ২৫ জন শিক্ষকের সাথে গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কাউটের রিহার্সালে থাকার পরও ওইদিন দুপুর সোয়া ১২ টায় আকাশ দাসের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগে ১৫ নভেম্বর রাত ১১ টায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরদিন মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়। এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে সুভাষ দাসকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। একইসাথে ষড়যন্ত্রকারি ইষ্টম দাস,অঞ্জলী দাস ও তাদের দোসর আকাশ দাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ইষ্টম দম্পতির বিরুদ্ধে এলাকার বহু মানুষের কাছ থেকে চাকুরি দেওয়ার কথা বলে কোটি কোটও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
তবে আকাশ দাস জানান,তার মেয়েকে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করতে যেয়ে ১০ মার্চ সুভাষ স্যারের সাথে তার ধ্বস্তাধস্তি হয়।

তবে ইষ্টম দাসকে বাড়িতে পাওয়া না গেলে তার স্ত্রী অঞ্জলি দাস বলেন,আকাশ দাস বিদ্যালয়ের মধ্যে সুভাষ দাসকে তিন চারটি থাপ্পড় মেরেছিল। কয়েকটি মামলা থাজায় ইষ্টম দাস পালিয়ে ঢাকায় আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্লীলতাহানির বিষয়টি আকাশ দাস জানে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গাজী শফিকুল ইসলাম বলেন, ৭ জানুয়ারি গোপালপুর প্রাথমিক বিদ্যালযে সরকারি প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকার বিষয়টি ২৫ জন শিক্ষকের কাছ থেকে জেনে সুভাষ দাসের পক্ষে গত ২৫ মার্চ তিনি একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে মারপিটের ঘটনায় আকাশ দাসের বিরুদ্ধে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছিলন তিনি।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম জানান,তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন আবু সুফিয়ান রস্তমের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়োগের দুনীতি ও অনিয়মসহ বানিজ্য পাতানো নিয়োগ স্থগিতের দাবিতে তিন সংগঠনের যৌথ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা কমিটি, জেলা ভুমিহীন সমিতি ও জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির আয়োজনে জেলা ভুমিহীন সমিতির সভাপতি কওছার আলীর সভাপতিত্বে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়োগের দুনীতি ও অনিয়মের প্রতিবাদ এবং বানিজ্য পাতানো নিয়োগ স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। মানববন্ধনে জেলা ভুমিহীন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ গাজীর সঞ্চলনায় বক্তব্যে রাখেন জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফারুক হোসেন, আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম হোসেন, যুবলীগ নেতা মনোয়ার হোসেন অনু, ভুমিহীন সমিতির নেত্রী নাজমা আক্তার নদী প্রমূখ। বক্তারা বলেন সাতক্ষীরা জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়োগ সীমাহীন দুনীতি ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পাতানো নিয়োগ পরিক্ষার ফলাফল করেছেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন আবু সুফিয়ান রস্তম। বক্তারা আরো বলেন, গত ২৯ মার্চ সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন আবু সুফিয়ান রস্তমের অধীনে স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়োগ পরিক্ষা হয়। উক্ত নিয়োগ পরিক্ষায় অংশগ্রহনের মধো শতাধিক নিয়োগ পরিক্ষার্থীরা প্রশ্ন উত্তর না লিখে সাদা কাগজ জমা দেয়। উক্ত বিষয়ের ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। তার মানেই স্পষ্ট বোঝা যায় যারা সাদা কাগজ জমা দিয়েছেন তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা বানিজ্য নিয়ে তাদেরকে নিয়োগ দিয়েছেন সিভিল সার্জন আবু সুফিয়ান রস্তম। বক্তারা আরো বলেন, পুলিশের নিয়োগ প্রতি ১২০ টাকায় চাকুরী দিয়েছেন সাতক্ষীরা পুলিশ সপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী। অথচ স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়োগ প্রতি ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ পরিক্ষায় অংশগ্রহণের মধ্যে সিভিল সার্জন আবু সুফিয়ান ও তার সহকারী কর্মকর্তা আশেক (বড় বাবু) সহ একটি সিন্ডিকেট দালাল চক্রদের ১২৮ জন মনোনীত প্রার্থীদেরকে গত ১ এপ্রিল তারিখে নিয়োগ পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন আবু সুফিয়ান রস্তম।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়োগের দুনীতি ও অনিয়মসহ বানিজ্য করায় উক্ত নিয়োগ স্থগিত করার জন্য মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাবর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার প্যাডে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একে এম ফজলুল হক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

উক্ত মানববন্ধনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে অবিলম্বে সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ও সিন্ডিকেট দালাল চক্রদের মোটা অংকের বানিজ্য বিনিময়ে পাতানো নিয়োগ পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ স্থগিতসহ দুনীতিবাজ সিভিল সার্জন আবু সুফিয়ান রস্তম ও তার সহকারী কর্মকর্তা আশেক(বড় বাবু) কে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন, জেলা ভুমিহীন সমিতি ও জেলা নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটিরসহ সাতক্ষীরার সচেতন নাগরিক সমাজ। মানববন্ধনে বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ নাগরিক অংশ গ্রহন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: দেবহাটা ইউনিয়নের রত্নেশ্বরপুর ভায়া ভাতশালা অভিমুখের ২ কিলোমিটার খাল খননের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১ এপ্রিল) এ কাজের উদ্বোধন করেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবর রহমান।

এসময় উদ্বোধন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, এলজিইডির দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফ আহমেদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী খাল প্রকল্প মসগুল ইসলাম, স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম বড়বাবুসহ স্থানীয় নেতৃৃবৃন্দ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাগন।

উল্লেখ্য যে, রত্নেশ্বরপুর ভায়া ভাতশালা অভিমুখের খালটি দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে পানি প্রবাহ বন্ধ থাকায় এলাকার পানি নিস্কাশন না হওয়ায় ব্যাপক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের কল্যাণের কথা চিন্তা করে খালটি খননেন উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। খালটি খনন শেষ হলে এলাকার কৃষি, মৎস্য চাষে কল্যাণ বয়ে আনবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : দেবহাটায় জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের আওতায় নগদ অর্থ সহায়তার চেক ও গরু প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (০১ এপ্রিল) উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে গরীব, অসহায় ও ভিক্ষুকদের মাঝে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত থেকে উক্ত চেক ও গরু বিতরণ করেন খুলনা বিভাগীয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক (উপ-সচিব) অনিন্দিতা রায়, অতিরিক্ত পরিচালক সমীর কুমার মল্লিক, দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবর রহমান, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপা রানী সরকার, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, জেলা সহকারী পরিচালক রোকনুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অধীর কুমার গাইন,পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার শফিউল বশার প্রমুখ।

এসময় ১০ জনকে ৪ হাজার টাকা হারে সহায়তার চেক প্রদান করা হয়। একই সাথে ভিক্ষুক পূর্নবাসন হিসেবে এক নারীকে একটি বকনা বাছুর ও নগদ ৩ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরায় মধু আহরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২৪ জন হরিনশিকারী আত্মসমর্পণ করেছেন। সোমবার সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের আয়োজনে বুড়িগোয়ালিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে মধু আহরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হরিণ শিকারী দলের নেতা আনারুল ইসলাম সকলকে নিয়ে আত্মসমর্পণের ঘোষনা দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ডাঃ আবু নাসের মহসিন। প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম আতাউল হক দোলন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী কর্মকর্তা চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক প্রথম আলোর কল্যাণ ব্যানার্জি,শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত রফিকুল ইসলাম।

এ সময় বক্তারা সকলকে নিয়ম মেনে মধু সংগ্রহের আহ্বান জানিয়ে সুন্দরবনের মধুকে বিশ্বের দরবারে সেরা মধু হিসেবে তুলে ধরতে মৌয়ালদের ভেজাল মুক্ত মধু সরবরাহের আহবান জানান।

পরে সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো ৫জন নারীকে খাদ্য এবং নগদ সহায়তা প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।

এবছর সাতক্ষীরা রেঞ্জে ৯৫০ কুইন্টাল মধু ও ২৮৬ কুইন্টাল মোম সংগ্রহের আশা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest