সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ  সাতক্ষীরায় সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ২০ গ্রামের মানুষের ঈদ উল ফিতর উদযাপনসাতক্ষীরায় শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্রসদরঘাটের মৃত্যু: দুর্ঘটনা নয়-এক নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিসাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের কমিটি গঠন: সামাদ সভাপতি, রাজীব সম্পাদককালিগঞ্জে চোরাই ভ্যানসহ আটক-০৩মোটরসাইকেলের জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রা ব্যাহত : বিপাকে বাইকাররাকলারোয়ায় ২৫০ অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণসাতক্ষীরায় নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্যের পরিচিতি সভাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটস এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সাতক্ষীরায় ৯ মাদক ব্যবসায়ীসহ আটক ৪৭, অস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৯ মাদক ব্যবসায়ীসহ ৪৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পযর্ন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি ওয়ান শুটার গান, ২ রাউন্ড গুলি, ১১১ বোতল ফেন্সিডিল, ৭০ পিচ ইয়াবা ও ৫’শ গ্রাম গাজা।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৬ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৬ জন, তালা থানা ৭ জন, কালিগঞ্জ থানা ৮ জন, শ্যামনগর থানা ১২ জন, আশাশুনি থানা ৫ জন, দেবহাটা থানা ১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফের নিহত ১৪

ন্যাশনাল ডেস্ক: রাজধানীসহ সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযানকালে র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৪ জন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত চলা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রাজধানীতে তিনজন, মাগুরায় তিনজন, কুমিল্লায় একজন, যশোরে দুজন, নড়াইলে একজন, আশুলিয়ায় একজন, কক্সবাজারে একজন, চট্টগ্রামে একজন ও চুয়াডাঙ্গা একজন নিহত হয়েছেন।

র‌্যাব ও পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রীতি ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিক; আর্জেন্টিনা ৪ হাইতি ০

খেলার খবর: বিশ্বকাপের আগে এক প্রীতি ম্যাচে দারুণ এক হ্যাটট্রিক উপহার দিলেন আর্জেন্টাইন তারাকা লিওনেল মেসি। বুধবার ভোরে প্রীতি ওই ম্যাচে হাইতিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। সতীর্থ সের্হিও আগুয়েরোকে দিয়েও করালেন গোল।

রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে দলের আক্রমণভাগের শক্তি যাচাই করে নিলেন হোর্হে সাম্পাওলি। বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে বুয়েনস আইরেসে শুরু হওয়া ম্যাচের শুরু থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হাইতির রক্ষণে চাপ দিতে থাকে আর্জেন্টিনা। কিন্তু মেসি আর গনসালো হিগুয়াইন গোলরক্ষক বরাবর শট নিয়ে সমর্থকদের হতাশ করেন দুই দফা।

সপ্তদশ মিনিটে এগিয়ে যায় দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। বলের লাইনে ঝাঁপিয়ে পড়লেও মেসির স্পট কিক ফেরাতে পারেননি গোলরক্ষক। ডি বক্সের ভেতরে জিওভানি লো সেলসো ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।

২৫তম মিনিটে মানুয়েল লানসিনি ও লো সেলসো সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি হওয়ার সুযোগ আনহেল দি মারিয়া কাজে লাগাতে পারলে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারত। কিন্তু পিএসজির এই মিডফিল্ডারের ভলি লক্ষ্যে থাকেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক গোল দিতে থাকে আর্জেন্টিনা। ৫৮তম মিনিটে লো সেলসোর হেড গোলরক্ষক ফেরানোর পর মেসি ফিরতি সুযোগ কাজে লাগালে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

দুই মিনিট পর হিগুয়াইনকে তুলে নিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড আগুয়েরোকে নামান সাম্পাওলি। ৬৬তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান পাভোনের আড়াআড়ি বাড়ানো বল লক্ষ্যে পৌঁছে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে এটি তার ৬৪তম গোল।

আগুয়েরোকে দিয়ে ৫৯তম মিনিটে গোল করিয়ে আর্জেন্টিনার জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেন মেসি।

বিশ্বকাপ মিশনে নামার আগে আগামী ৯ জুন ইসরায়েলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে আরেক দফা দলকে পরখ করে নেয়ার সুযোগ পাবেন কোচ।
রাশিয়া বিশ্বকাপে ‘ই’ গ্রুপে আর্জেন্টিনার সঙ্গে আছে আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও নাইজেরিয়া। আগামী ১৬ জুন আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে আর্জেন্টিনার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত ও পাকিস্তানের সাবেক গোয়েন্দা প্রধানদের একত্রে লেখা বই নিয়ে তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা, যথাক্রমে ‘র’ এবং ‘আইএসআই’-এর দুই সাবেক প্রধান একসঙ্গে মিলে একটি বই লেখার পর তা নিয়ে দুই দেশেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

‘দ্য স্পাই ক্রনিকলস’ নামে ওই বইটিতে কোনও গোপন তথ্য ফাঁস হয়েছে কি না, তা নিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই বইটির অন্যতম লেখক জেনারেল আসাদ দুরানির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ও তার বিদেশে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

বইটির আর এক লেখক, র- এর সাবেক প্রধান এ এস দুলাত জানিয়েছেন, তারা দুজনেই অনেক বছর আগে অবসর নিয়েছেন – তাই বইটিতে সাম্প্রতিক কোনও গোয়েন্দা তথ্য ফাঁস করার প্রশ্নও নেই।

তবে তার পরও অ্যাবোটাবাদে ওসামা বিন লাদেনের বিরুদ্ধে অভিযান থেকে শুরু করে পোখরানে পরমাণু বিস্ফোরণ – এরকম বহু বিষয়ে এই বইয়ের বক্তব্য নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানে তুমুল আলোচনা চলছে।

র এবং আইএসআই-এর দুজন সাবেক প্রধান যে মুখোমুখি বসে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করতে পারেন এবং তাদের সেই কথাবার্তা বইয়ের আকারে প্রকাশিত হতে পারে – এই ভাবনাটাই প্রায় অকল্পনীয়।

কিন্তু দিল্লির সাংবাদিক আদিত্য সিনহা সেটাকেই সম্ভব করেছেন, গত আড়াই-তিন বছর ধরে জেনারেল আসাদ দুরানি ও অমরজিৎ সিং দুলাতকে নিয়ে ব্যাঙ্কক, ইস্তাম্বুল, কাঠমান্ডুর মতো বিভিন্ন তৃতীয় দেশের শহরে তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৈঠক করিয়ে সেই আলোচনার নির্যাস প্রকাশ করেছেন ‘দ্য স্পাই ক্রনিকলস’ বইটিতে।

দুলাত জানাচ্ছেন, বৈঠকগুলোর সময়েও তিনি তার চেয়ে সিনিয়র জেনারেল দুরানিকে বস বলে ডাকতেন।

“কিন্তু বস ঠাট্টা করে বলতেন, এ এতো হারামি – যে আমাকে বস বলে ডাকে কিন্তু তার পর কোনও ব্যাপারেই আমার সঙ্গে একমত হয় না!”

অর্থাৎ বইটা হালকা আড্ডার চালে লেখা হয়েছে বলে তিনি বোঝাতে চাইলেও বিশেষ করে পাকিস্তানে এই বইয়ের বক্তব্য নিয়ে তুমুল প্রতিক্রিয়া হয়েছে।

যেমন, বইটিতে জেনারেল দুরানি লিখেছেন ‘সম্ভবত’ পাকিস্তানি গোয়েন্দারাই বিন লাদেনকে আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছিল – যা পাকিস্তানের সরকারি অবস্থানের ঠিক উল্টো।

ভারতের পোখরান পরমাণু বিস্ফোরণের নির্দিষ্ট খবর পাকিস্তানের কাছে ছিল না বলেও তিনি বইটিতে স্বীকার করেছেন।

তিনি একটি ভারতীয় চ্যানেলকে বলেন, “বিজেপি যখন প্রথমবার ভারতের ক্ষমতায় আসে তখনই আমি প্রকাশ্যে বলেছিলাম তারা পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটাবে। কারণ ঘটনাপ্রবাহ সেদিকেই এগোচ্ছে। তবে এটাও ঠিক পোখরান অঞ্চলের ওপর আমরা নজর রাখছিলাম না, আর তার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও আমাদের কাছে ছিল না।”

গতকালই পাকিস্তান সেনা সদর দফতরে জেনারেল দুরানিকে ডেকে পাঠিয়ে এই বইটির ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে – তারপর বসানো হয়েছে তদন্ত কমিটি।

আগামী সপ্তাহে দিল্লির একটি থিঙ্কট্যাঙ্কে এই বইটি নিয়ে আলোচনা করতে তার ভারতে আসার কথাও ছিল, আপাতত বাতিল সেই সফরও।

বিবিসির পাকিস্তান সংবাদদাতা সেকান্দর কিরমানি বলছেন, সে দেশের অনেক রাজনীতিকই মনে করছেন তারা এরকম কোনও বই লিখলে এতক্ষণে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা শুরু হয়ে যেত – সাবেক সেনা কর্মকর্তা আমাদ দুরানি বরং অল্পেই পার পাচ্ছেন।

ভারতে বইটির সহ-লেখক এ এস দুলাত দাবি করছেন এই বইতে গোয়েন্দা তথ্য ফাঁস করার অভিযোগটাই আসলে ভিত্তিহীন।

তার কথায়, “গোয়েন্দা সংস্থা থেকে আমি অবসর নিয়েছি আঠারো বছর আগে, ফলে আমাকে বলতে পারেন গোয়েন্দার ফসিল।”

“জেনারেল দুরানি তো আইএসআই প্রধান ছিলেন ছাব্বিশ বছর আগে – ফলে আমরা আবার কী ফাঁস করব? আমরা আড়াই বছর ধরে, তিরিশ ঘণ্টা কথাবার্তা বলে এই বইটার কাঠামো দাঁড় করিয়েছি, এই পর্যন্ত।”

ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক ও বিশ্লেষক মায়া মিরচন্দানি আবার মনে করছেন, আসলে দুই শত্রু দেশের এক সময়কার গোয়েন্দা প্রধানরা ঘরোয়া আলোচনায় দুদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নিয়ে খোলাখুলি কথাবার্তা বলছেন, এই জিনিসটাই বইটাকে নিয়ে আগ্রহ তৈরি করেছে।

“কাশ্মীরের এখন যা পরিস্থিতি, সেই টাইমিংটাও তাতে ইন্ধন জোগাচ্ছে – আর অনেকেই মনে করছেন দুই সাবেক গোয়েন্দা হয়তো কিছু গোপন সরকারি তথ্যও ফাঁস করেছেন”, বলছিলেন মিস মিরচন্দানি।
বইটি লেখার পেছনে উদ্দেশ্য যা-ই থাকুক, পাকিস্তানে জেনারেল দুরানিকে প্রায় আশি ছুঁই-ছুঁই বয়সে হেনস্থা হতে হচ্ছে – আর ভারতেও এ এস দুলাতকে চ্যানেলে চ্যানেলে গিয়ে সাফাই দিতে হচ্ছে গোপনীয়তার শর্তভঙ্গ করে, এমন কিছুই তারা তাতে লেখেননি।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে জাতিগত নিধনযজ্ঞ চলছেই- মার্কিন বিশেষ দূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারে রোহিঙ্গা, কাচিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিধনযজ্ঞ অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক অ্যাম্বাসাডর-অ্যাট-লার্জ (বিশেষ দূত) স্যাম ব্রাউনব্যাক। ২০১৭ সালের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক প্রশ্নের উত্তরে স্যাম ব্রাউনব্যাক বলেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং আরো অবনতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে আরো দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

স্যাম ব্রাউনব্যাক বক্তব্য দেওয়ার আগে ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রতিবেদন প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তিনি বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতাকে আরো এগিয়ে নেওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য। এটি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী ২৫ ও ২৬ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ইস্যুতে সমমনা দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানাবে ওয়াশিংটন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশেষ দূত স্যাম ব্রাউনব্যাক বলেন, তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারে গিয়ে দেশটির নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে দেখা করতে এবং রাখাইন রাজ্যে পরিস্থিতি সরেজমিন দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাঁকে সফরেরই সুযোগ দেয়নি। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এসে তিনি রোহিঙ্গাদের ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখেছেন। তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছেন। পাঁচজনের মধ্যে চারজনই সরাসরি হত্যাযজ্ঞ দেখার কথা তাঁকে জানিয়েছে। এক রোহিঙ্গা শিশু তার ভাইয়ের হত্যার তথ্য জানিয়েছে।

স্যাম ব্রাউনব্যাক বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ার কারণেই রোহিঙ্গারা এই নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ বিষয়ে দৃষ্টি রেখেছে। তবে তাদের আরো দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, তাঁর ধর্মীয় স্বাধীনবিষয়ক কার্যালয় বার্ষিক প্রতিবেদনে ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের তথ্যগুলো তুলে ধরেছে। এবার এটি সমাধানে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাজ করা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনে মিয়ানমারবিষয়ক অনুচ্ছেদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় ও নৃতাত্ত্বিক বিষয়গুলো প্রায়ই নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। অনেক হামলা-নিপীড়নের ঘটনা শুধু ধর্মীয় কারণেই ঘটেছে—এটি নিরূপণ করাও কঠিন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সহিংসতা, হামলা, হয়রানি ও বৈষম্য অব্যাহত রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ব্যাপক মাত্রায়

বিচারবহির্ভূত হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন, গণবাস্তুচ্যুত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে রোহিঙ্গা হত্যা-নিপীড়নকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা নিপীড়নের জন্য অন্য একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতারা উসকানি দিয়েছে। গত অক্টোবর মাসে অমুসলিম একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতা মিয়ানমারের সেনাদের উদ্দেশে বলেন, বৌদ্ধ নয় এমন ধর্মানুসারীদের হত্যা করলে খুব বেশি পাপ হবে না।

প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশেও এ দেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ এসেছে। এতে বলা হয়েছে, উদ্যোগ নেওয়ার পরও বাংলাদেশ সরকার সনাতন ও খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। ফতোয়া বন্ধের উদ্যোগও পুরোপুরি কাজে আসেনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোর শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত ৭

মোঃ রাসেল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় পরিবহন-ভডভডি (ইঞ্জিন চালিত তিন চাকার যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহিদ হোসেন (৪২) ও জিয়ারুল ইসলাম (২৮) নামে দুইজন নিহত হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছে ৭ জন। নিহত জাহিদ হোসেন ঝিকরগাছা উপজেলার জগনন্দকাটি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে ও জিয়ারুল ইসলাম একই উপজেলার কুমরী গ্রামের নুরালী সরদারের ছেলে। আহতদেরকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তী করা হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৫টার সময় যশোর-বেনাপোল হাইওয়ে সড়কের শার্শা উপজেলার নাভারন ত্রিমোহিনী মোড় নামক স্থানে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা একটি পরিবহন বাস বিপরিত মুখি ভডভডি’র (ইঞ্জিন চালিত তিন চাকার যান) সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দূর্ঘটনা ঘটে। রিপোর্ট পাঠিয়েছেন আসাদের প্রতিনিধি মোঃ আয়ুব হোসেন পক্ষী ক্যামেরায় সুমন হুসাইন।

আহতরা হচ্ছে, ঝিকরগাছা উপজেলার কুমরী গ্রামের তাজু (২৭) পিতা আবুল হোসেন, শাওন (২৬) পিতা মনিরুল ইসলাম, জাহিদ (২৪) পিতা ফারুক হোসেন, কামাল গাজী (২৯) পিতা জাকের আলী, আয়ুব আলী (২৫) পিতা জানালী সরদার, আবু বক্কও ছিদ্দিক (৩০) পিতা ইসমাইল গাজী ও ইলিশপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন (২৩) পিতা ফজের আলী।

নাভারন হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সার্জেন পলিটন মিয়া জানান, সকাল সাড়ে ৫টার সময় যশোর-বেনাপোল হাইওয়ে সড়কের শার্শা উপজেলার নাভারন ত্রিমোহিনী মোড় নামক স্থানে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা একটি পরিবহন বাস বিপরিত মুখি ভডভডি’র (ইঞ্জিন চালিত তিন চাকার যান) সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে ভডভডির ২যাত্রী নিহত হয়েছে। এবং ৭জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে শার্শা উপজলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক এককে মৃত ঘোষনা করে। পরে গুরুতর আহত দ’জনের অবস্থার অবনতি হলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে জিয়ারুল নামে আরও একজন মারা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পানির আরেক নাম যখন ‘মৃত্যু’!

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সুস্থ থাকতে প্রচুর পানি পান করেন। এই ‘প্রচুর’ ঠিক কত? সেটা জেনে নিয়েই পানি পান করা উচিত। না হলে পানির আরেক নাম ‘মৃত্যু’ হতে বেশি সময় লাগবে না!

প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পানি পান করলে হঠাত্‍‌ করে বিপজ্জনক ভাবে নেমে যায় শরীরে সোডিয়ামের লেভেল। যার নির্যাস, ব্রেন সোয়েলিং বা মস্তিষ্ক ফুলে যাওয়ার মতো মারণ রোগ হয়।

সেল জার্নালে প্রকাশিত স্টাডিতে উঠে আসছে এমনই তথ্য।

গরমকালে শরীরে পানির অভাব হবেই। ফলে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে পানি পান করতে হবে। চিকিত্‍‌সা বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তার বেশি নয়। কারণ তার বেশি পানি পান করলে ওভারহাইড্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ওভারহাইড্রেশন হলেই শরীরের সোডিয়াম লেভেল এক ধাক্কায় নেমে যায়। যার ফলে ব্রেন সোয়েলিং অনিবার্য।

ব্রেন সোয়েলিং বাড়াবাড়ি হলে তা হাইপোন্যাট্রেমিয়ায় পরিণত হয়। যাতে মৃত্যুও হতে পারে। এই রোগটি বেশি দেখা যায় বয়স্ক মানুষদের ক্ষেত্রে। সে ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় নেই।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন হলে যেমন মস্তিষ্ক সিগনাল দেয়, তেমন ওভারহাইড্রেশন হলেও একই ভাবে ব্রেন জানান দেয়। ব্রেনে ফ্লুইড জমতে থাকে। যা মারাত্মক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মাদকের পর শুরু হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ’

অনলাইন ডেস্ক: সরকারের মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসে মন্ত্রীদের কাজকর্মের হিসেব নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সব মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের বিবরণী চেয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে, তাঁদের মন্ত্রণালয়ের সাফল্যগুলো অনতিবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। সরকারের ঘনিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রণালয়ের সাফল্য ব্যর্থতা খতিয়ে দেখার পরই প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন, তিনি কিভাবে সাজাবেন নির্বাচনকালীন সরকার। আগামী চার মাসের মধ্যে এই নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, কেবল নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের লক্ষে নয়। আগামী নির্বাচনের প্রচারনায় সরকারের অর্জনগুলো তুলে ধরার জন্যেও মন্ত্রণালয়ের সাফল্যগুলো ব্যবহার করা হবে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনটি নির্দেশনা দিয়েছেন। এই তিন নির্দেশনার আলোকে কাজ করছে আওয়ামী লীগ এবং সরকার।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতির প্রথম নির্দেশনা হল, আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল মীমাংসা। আওয়ামী লীগের নিজস্ব গবেষণা টিমের জরীপে জানা গেছে অন্তত ১৫০ আসনে আওয়ামী লীগ কোন্দলে জর্জরিত। প্রধানমন্ত্রী দলীয় কোন্দল মেটাতে নিজেই উদ্যোগ নিয়েছেন। ঈদের পর থেকেই কোন্দল প্রবল এলাকার নেতৃবৃন্দদের সংগে পর্যায়ক্রমে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি কাজ শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় নির্দেশনা হলো সরকারের বিগত ১০ বছরের সাফল্য এবং উন্নয়নের ফিরিস্তি জনগনের কাছে তুলে ধরা। শুধু জাতীয় পর্যায়ে নয়, স্থানীও পর্যায় এমপিরা যেসব উন্নয়ন করেছেন তাঁর বিবরণী তুলে ধরার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে সারাদেশে উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরবে আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় নির্দেশনা হলো, সমাজের ক্ষতগুলোর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বৃহস্পতিবার রাতে বলেছেন, আমরা জাতির পিতার হত্যার বিচার করেছি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি, জঙ্গিবাদ দমন করেছি এখন মাদক মুক্ত বাংলাদেশ করবো। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং গণভবনের সূত্রে জানা গেছে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। এব্যাপারে শুন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণের জন্য তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছেন। সংশিষ্ট সূত্র গুলো বলছে, মাদকের পর আওয়ামী লীগ দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে জোর দেবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন ‘ মাদকের পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে।’ এব্যাপারে দুনীর্তি দমন কমিশনকে স্বাধীনভাবে দলমত বাছ বিচার না করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, এই তিন নির্দেশনার আলোকে কাজ করলে, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কেউ হারাতে পারবে না।

সূত্র: বাংলা ইনসাইডার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest