সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

বিয়ের পিড়িতে বসছেন মেহজাবিন!

বিনোদন সংবাদ: প্রেম-বিয়ে ও ভাঙন নিয়ে তারকাদের লুকোচুরি খেলার জুড়ি নেই। তবে দেয়ালেরও কান আছে বলে যে প্রবাদ সেটিকে সত্য করতেই ছড়ায় নানা গুজব ও গুঞ্জন। সম্প্রতি শোবিজের বাতাসে উড়ছে অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরীর বিয়ের খবর।

গুঞ্জন উঠেছে তরুণ নির্মাতা আদনান আল রাজিবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে মেহজাবিনের। সেই সম্পর্কের জের ধরেই বিয়ে পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন তারা।

এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে দুজনেই রয়েছেন লন্ডনে। আলাদা আলাদা করে ফেসবুকে চেক ইন দিচ্ছেন। তবে তাদের কাছের মানুষদের দাবি, দুজন একসঙ্গেই রয়েছেন। সময় কাটাচ্ছেন, করছেন বিয়ের কেনাকাটাও। চলতি বছরেই সম্পন্ন হতে পারে দাম্পত্য শুরুর আনুষ্ঠানিকতা।

তবে এই দুজনের কাছের কেউই এই বিয়ের ব্যাপারে কোনো তথ্য বা প্রমাণ দিতে পারছেন না। অনেকে পুরো খবরটিকেই ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, মেহজাবিন বাংলাদেশের একজন মডেল ও অভিনেত্রী। তিনি ২০০৯ সালে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে বিজয়ী হয়ে মিডিয়া জগতে আসেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও নাটকে নিয়মিত অভিনয় করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিম্ন আদালতের বিচারকদের কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশ

দেশের খবর: যথাযথ কতৃর্পক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিত কর্মস্থল ত্যাগ না করার বিষয়ে নিম্ন আদালতে কর্মরত বিচারকদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত সার্কুলার সুপ্রিম কোর্টর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, অত্র কোর্টের গোচরীভূত হয়েছে যে, পূর্বানোমতি ব্যতিত অধস্তন আদালতের অনেক বিচারক বর্ণিত নির্দেশনা প্রতিপালন না করে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে সময়ের পূর্বেই কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এর ফলে বিচারপ্রার্থী জনগণ ন্যায়বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, অপরদিকে বিচার প্রশাসনের কাজের ধারাবাহিকতার ব্যত্যয়সহ বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিচার প্রশাসনে এরূপ অবস্থা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।

সার্কুলারে বলা হয়, অধস্তন আদালতে কর্মরত জেলা ও দায়রা জজ, জেলা জজ সমপর্যায়ের কর্মকর্তাগণ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজগণকে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে অবহিতকরণ ব্যতিরেকে কর্মস্থল ত্যাগ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। উক্ত নির্দেশ অমান্য করলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। এ সার্কুলার ইতোপূর্বে জারিকৃত এ সংক্রান্ত অন্যান্য সার্কুলার এর পরিপূরক হিসেবে গণ্য হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাঁচ দিনের রিমান্ডে কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ

দেশের খবর: মানহানিকর বক্তব্য ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খানের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ সোমবার তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় শাহবাগ থানায় দায়ের করা তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক সজীবুজ্জামান।

ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম শুনানি শেষে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল রবিবার দুপুরে মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত শনিবার রাতে শাহবাগ থানায় রাশেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ছাত্র ও ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়। এজাহারে বলা হয়, “মুহাম্মদ রাশেদ খান ২৭ জুন বুধবার সকাল ৮টা ৮ মিনিটে ‘কোটা সংস্কার চাই (সকল ধরনের চাকুরির জন্য)’ ফেসবুক গ্রুপে ‘লাইভ’ বক্তব্য দেয় এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা অবনতি ঘটাতে উসকানি দেয়; রাশেদ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করেও মানহানিকর বক্তব্য দেয়।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাসের মহাতারকা হয়েও বিশ্বকাপে যাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে

খেলার খবর: উত্তাপ-উন্মাদনার মধ্য দিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষে শনিবার থেকে শেষ ষোলোর খেলা শুরু হয়েছে। ওইদিনই বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে ছিটকে গেছেন ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা মেসি-রোনালদো। নক-আউট পর্বের প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের সামনে ৪-৩ ব্যবধানে হারে আর্জেন্টিনা। আর দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ‘কাভানি গোলায়’ বিধ্বস্ত হয় ফুটবল গ্রহের আরেক দেবতা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল পর্তুগাল। ফলে এই দুই তারকার বিদায়ে রঙ হারিয়েছে বিশ্বকাপ। একই সঙ্গে তাদের এটা অঘোষিত শেষ বিশ্বকাপ মনে করা হচ্ছে। ফলে ক্লাব ফুটবলে নিজেদের দলকে অসংখ্যবার বিভিন্ন ধরনের ট্রফি উপহার দেওয়ায় মহাতারকা বনে যাওয়া মেসি-রোনালদো নিজ নিজ দেশকে সফলতা এনে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এতে দেশ ও দেশের বাইরে কোটি কোটি দর্শক হতাশ হয়েছেন। মহাতারকা হয়েও বিশ্বকাপে দলকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে না পারায় স্বপ্নভঙ্গ মেসি-রোনালদোরও।

ফলে ‘গ্রেটেস্ট ফুটবলার নট টু উইন এ ওয়ার্ল্ড কাপ’ তকমাটা জুড়ে যাচ্ছে মেসি ও রোনালদোর নামে। এ নিয়ে হয়তো বছরের পর বছর ধরে চলবে তর্ক-বিতর্ক। এই সাধের বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁতে না পারা সেরা তারকাদের তালিকায় সবার প্রথম সারিতেই উচ্চারিত হবে মেসিদের নাম। যদিও এই তালিকায় অাগে থেকেই জায়গা নিয়ে বসে আছেন অনেক তারকা। পাঠকদের সামনে সেই তালিকা তুলে ধরা হলো।

জোহান ক্রুয়েফ : টোটাল ফুটবলের অন্যতম ধারক ও বাহক জোহান ক্রুয়েফ। ডাচ ফুটবল ঘরানাকে বিশ্বমঞ্চে প্রথম তুলে ধরেছিলেন তিনিই। তিনবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই মহাতারকা আয়াখস এবং বার্সেলোনার হয়ে ক্লাব ফুটবলে চূড়ান্ত সাফল্য পান। কিন্তু বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিতে হাত ছোঁয়াতে পারেননি। সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে আনলাকি ফুটবলার তিনিই। ১৯৭৪’-এর বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুলেও জেতাতে পারেননি ক্রুয়েফ। পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে ফাইনালে ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও হারতে হয়েছিল ডাচদের। টুর্নামেন্টের সোনার বল পেয়েছিলেন ক্রুয়েফই। কিন্তু সোনালি ট্রফি তার অধরাই থেকে যায়। এরপর একাধিকবার ফাইনালে গেছে নেদারল্যান্ডও, তবু এখনও কোনো ডাচ অধিনায়ক বিশ্বকাপ ট্রফি তোলার সুযোগ পাননি।

পাওলো মালদিনি : একসময় বলা হত ইউরোপের সবচেয়ে সহজ চাকরি হল ইতালির গোলরক্ষকের চাকরি, কারণ ইতালির গোলক্ষকদের তেমন কোনো কাজই করতে হয় না। কারণ ইতালির বিখ্যাত কাত্তানেচ্চিও রক্ষণ। সেই রক্ষণের স্তম্ভ ছিলেন মালদিনি। এসি মিলানের হয়ে ক্লাব পর্যায়ে সব টুর্নামেন্ট জিতেছেন। অথচ দেশের হয়ে কোনো খেতাবই জিততে পারেননি মালদিনি। ১৯৯৪-বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও হারতে হয়েছিল ব্রাজিলের কাছে।

আলফ্রেডো ডি স্টোফানো : রিয়াল মাদ্রিদের সর্বকালের সেরা তারকাদের মধ্যে একজন। শুধু ব্যালন ডি’অর নয়, তিনি জিতেছেন সুপার ব্যালন ডি’অর। যা শুধুমাত্র ডি’স্টেফানোকে দেওয়ার জন্যই তৈরি করেছিল ফ্রেঞ্চ ফুটবল, আর কাউকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন, খেলেছেন আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া এবং স্পেনের হয়ে। কোনো দলের জার্সিতেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি স্টেফানো।

ফেরেঙ্ক পুসকাস : বিশ্বকাপ ১৯৫৪’ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছে হাঙ্গেরির হার আজও ফুটবল বিশ্বের কাছে ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত। সেসময় ছিল হাঙ্গেরির স্বর্ণযুগ। সেরা তারকা ছিলেন ফেরেঙ্ক পুসকাস৷ পুসকাসের হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত পশ্চিম জার্মানির কোনো সম্ভাবনায় দেখছিলেন না বিশেষজ্ঞরা। অথচ সেই জার্মানিই চমকে দিল গোটা বিশ্বকে। বিশ্বকাপ অধরা রইল আরও এক মহাতারকার।

ইউসেবিও : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আগে পর্তুগালের সবচেয়ে সফল তারকা ছিলেন উইসেবিও। লুইস ফিগোর চেয়েও তার জনপ্রিয়তা বেশি ছিল অনেকাংশেই। ১৯৬৫ তে ব্যালন ডি’অর-ও জিতেছিলেন ইউসেবিও৷ ক্লাব পর্যায়ে টানা ১১ বার লিগ জিতেছিলেন বেনফিকার হয়ে। কিন্তু জাতীয় দলের জার্সি চাপিয়ে তিনিও দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। ১৯৬৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিল ইউসেবিওর পর্তুগাল। সেমিফাইনালে পেনাল্টি থেকে গোলও করেন তিনি৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত জর্জ বেস্টের ইংল্যান্ডের কাছে পরাস্ত হতে হয় পর্তুগালকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী সংসদে কর্মরতদের ‘হিমসাগর’ উপহার দিলেন

ভিন্ন স্বাদের খবর: বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের ফল আছে। তবে আমের মতো এত সুস্বাদু ফল আর নেই। আমের যেমন ঘ্রাণ, তেমনি মজাদারও বটে। তাই তো বলা হয়, ফলের রাজা আম।

পৌষে কুশি, মাঘে বোল, ফাল্গুনে গুটি, চৈত্রে আটি, বৈশাখে কাটিকুটি, জ্যৈষ্ঠে দুধের বাটি। আমের ফুল বা কুশি আসা থেকে শুরু করে দুধ দিয়ে খাওয়ার মতো মিষ্টি হওয়ার সময়কাল নিয়ে এই বচন এখন প্রায় অচল। কেননা বৈশাখের শুরুতে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে ‘পাকা’ আম পাওয়া যাচ্ছে।

আম-কাঁঠালের এ মৌসুমে গ্রামে গ্রামে চলে উৎসব। আর সেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ল ইট-পাথরের জাতীয় সংসদেও। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং সংসদে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন এই আম।

সংসদের মিডিয়া সেন্টার থেকে সোমাবার (২ জুলাই) সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এই আম বিতরণ করা হয়।

জানা যায়, সংসদে কর্মরত প্রায় এক হাজার ২০০ কর্মকর্তার জন্য দুটি করে হিমসাগর আম উপহার পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটার প্রজ্ঞাপন নিয়ে আনুষ্ঠানিক অগ্রগতি নেই : মন্ত্রিপরিষদ সচিব

দেশের খবর: কোটা সংস্কার নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোটা সংস্কার বা বাতিলের বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিবেচনাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে সময় লাগবে। বিষয়টি আসলে আপনারা যতটা সহজ ভাবছেন ততটা সহজ নয়, জটিল আছে।’

কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে এ বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে একটি কমিটি গঠন করার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা। এই কমিটি গঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে শফিউল আলম বলেন, ‘কমিটির পর্যায়ে এর আনুষ্ঠানিক কোনো কার্যক্রম নেই। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এই পর্যায়ে কোনো ঘোষণা আসেনি। এটি উচ্চপর্যায়েই রয়েছে। তবে শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’

কোটা সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তবে এপ্রিল মাসের শুরুতে এই আন্দোলন জোরদার হয়। গত ৯ এপ্রিল সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করে ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন আন্দোলনকারীরা। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। আন্দোলনকারীরা এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিলও করে। কিন্তু সেই প্রজ্ঞাপন এখনো জারি হয়নি।

প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পূর্বঘোষিত সংবাদ সম্মেলনে বাধা দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। এতে ১০ জনের মতো আহত হন। আহতরা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। তবে হামলা ও মারধরের ব্যাপারে ছাত্রলীগের নেতাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর পরই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ অধিকার ছাত্র সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বাধা ও হামলার প্রতিবাদে রোববার থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রসংশিত হচ্ছে রিয়াজ-তানিয়ার ‘কলুর বলদ’

বিনোদন সংবাদ: একটা নাটকের কথা মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। দর্শকের প্রসংশায় ভাসছে নাটকটি। মিডিয়ার আড্ডাতে উঠে এসেছে নাটকটির নাম। প্রতিদিনই অসংখ্য নাটক প্রচার হয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে। মাঝে মধ্যে কিছু কিছু নাটক হয় আলোচনার শিরোনাম। সম্প্রতি প্রচার হওয়া এমনই একটি নাটক রিয়াজ-তানিয়া অভিনীত ‘কলুর বলদ’।

এবারের ঈদুল ফিতরে চ্যানেল আইয়ে প্রচার হয় মেজবাহ উদ্দিন সুমন রচিত ও সাজ্জাদ সুমন পরিচালিত নাটক ‘কলুর বলদ’। প্রচারের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বমহলে নাটকটি এসেছে আলোচনায়। গত ২০ জুন চ্যানেল আই তাদের ইউটিউব চ্যানেলেও প্রকাশ করে নাটকটি। এরই মধ্যে সাড়ে ৭ লক্ষরও অধিক বার দেখা হয়েছে এটি।

নাটকটি কেন পছন্দ করছেন দর্শক? কী আছে এই নাটকে? কলুর বলদের গল্পে একটু চোখ বুলালেই সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। প্রবাসী এক যুবকের দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে ‘কলুর বলদ’ নাটকটির গল্প শুরু হয়। গল্পটির প্রধান চরিত্র মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় ছেলে রাজু। যে কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে পাড়ি দেয়। এদিকে চাকরি থেকে তার বাবা অবসর নিয়েছেন। অন্যদিকে এক বোনের বিয়ে হয়েছে এবং আরো দুজন ছোট ভাই-বোন আছে রাজুর।

পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বলতে বড় ছেলেটিই। যার কারণে বাধ্য হয়ে ভালো আয় রোজগারের আশায় বিদেশে পাড়ি জমায় সে। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে রাজু দেশে টাকা পাঠায়। তার উপার্জিত অর্থে বাবা দেশে বাড়ির কাজ শুরু করেন। তা ছাড়া পুরো পরিবারের খরচও বহন করে রাজু। প্রেমিকা শোভাকে না বলে বিদেশ গিয়েছিল সে। যাওয়ার সময় শোভার জন্য একটি চিঠি রেখে গিয়েছিল।

মধ্যবিত্তের অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের জন্য কাপুরুষের মতো নিজের ভালোবাসাকে বিসর্জন দেয় রাজু। দীর্ঘদিন বিদেশে থেকে দেশে ফিরেছে সে। দেশে ফেরার পর বাবা, ভাই, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই জিজ্ঞেস করে ‘আবার কবে বিদেশে ফিরে যাবি’। বাবার তাগিদ বাড়িটির আরেক তলা উঠাতে হবে, মেয়েটির বিয়ে দিতে হবে, ছোট ছেলেটিকে মেডিক্যালে ভর্তি করাতে হবে। এজন্য আরো টাকা লাগবে।

শুধু মা আর শোভা চায় রাজু বিয়ে করে দেশে সেটেল হোক। রাজু নিজেও দেশে স্থায়ীভাবে থেকে যাওয়ার ভাবনা নিয়েই দেশে ফিরেছে। কারণ দীর্ঘ সময় আপনজনদের কাছ থেকে দূরে থেকে রাজু অনেক ক্লান্ত। কিন্তু সবার চাওয়া আর রাশি রাশি সমস্যার সামনে নিজের কোনো ইচ্ছের কথাই আর বলতে পারে না। নিজের সমস্ত চাওয়া, স্বপ্ন, ভালোলাগা, হৃদয়ের খুব গোপনে লালিত কষ্ট অগোচরে জমা রেখেই আবার বিদেশে চলে যায় রাজু। তারপর কী হয়? নাটকেই দেখতে হবে।

নাটকটি সম্পর্কে নির্মাতা সাজ্জাদ সুমন বলনে, ‘‘সামাজকি দায়বদ্ধতা থেকেই এমন একটি নাটক নির্মাণ করার চেষ্টা করেছি। প্রবাসীরা আমাদের অর্থনৈতিক ভাবেেএগিয়ে নিচ্ছেন। তাদের না বলা কথাই আমি এই নাটকটির মাধ্যমে বলতে চেয়েছি । নাটকটি নিয়ে দর্শকের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।’’

নাটকটিতে রিয়াজ আহমেদ ও তানিয়া আহমেদ ছাড়াও আরও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মামুনুর রশিদ, দিলারা জামান , আজম খান,হিমি হাফিজসহ আরও অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও হামলা

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পূর্ব নির্ধারিত পতাকা ও বিক্ষোভ মিছিলে আবারো চড়াও হয়ে হামলা করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

আজ সোমবার সকালে আন্দোলনকারীদের বেধড়ক পিটুনি দেয় ছাত্রলীগ। এতে শিক্ষার্থীদের পূর্ব নির্ধারিত পতাকা ও বিক্ষোভ মিছিল পণ্ড হয়ে গেছে।

জানা যায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী পতাকা মিছিল ও বিক্ষোভ করার জন্য সোমবার সকাল ১০টা থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্দোলনকারীরা জড়ো হতে থাকে। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের বেশ কিছু কলেজের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এরা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেনকে মারধর করে এবং মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যায়।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর নাহার মিলা সাংবাদিকদের জানান, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের উপর হামলা করেছে। মেয়েদেরকেও তারা লাথি-ঘুষি মেরেছে। একজন মেয়ের মাথাও ফেটে গেছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন ডাকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। সংবাদ সম্মেলন শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল্লাহ নূরসহ সাত শিক্ষার্থী আহত হন।

এরপর গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলনের আরেক নেতা রাশেদ খানকে মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। রাজধানী শাহবাগ থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ছাত্রলীগের এক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর পরীবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে আজকের কর্মসূচির ঘোষণা দেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক লুৎফর নাহার নীলা ও শফিউল আলম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest