প্রকাশিত হলো বিশ্বকাপের থিম সং

স্পোর্টস ডেস্ক: অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশিত হলো ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের থিম সং। অন্যান্যবার আরো আগে থিম সং প্রকাশিত হলেও এবার একটু দেরিতে থিম সংটি প্রকাশিত হয়েছে।

এবারের থিম সংটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ Live It Up’। গানটি গেয়েছেন নিকি জ্যাম এবং ইরা ইস্ত্রেফি। গানটির ফিট দিয়েছেন উইল স্মিথ। গানটির প্রোডাকশনের দায়িত্বে ছিলেন ডিপলো। এ চার জনের নিরলস পরিশ্রমে অবশেষে গানটি এখন বিশ্বকাপ মাতিয়ে দিতে এসেছে। আগামী দুই মাস ‘ Live It Up ’ জ্বরেই কাঁপতে যাচ্ছে ফুটবল দুনিয়া।

থিম সং বিশ্বকাপে সবসময়ই নতুন মাত্রা যোগ করে। পুরো ফুটবল দুনিয়াকে গেঁথে ফেলে একই সুরে, একই উন্মাদনায়। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের ‘Cup of Life’ কিংবা ২০১০ বিশ্বকাপের ‘Waka Waka’ ও ‘Wavin Flag’ এখনো ফুটবলপ্রেমীদের অন্তরে গেঁথে রয়েছে। এবার পালা ‘Live It Up’ এর। এ গানটি ফুটবলপ্রেমীদের মন কতটুকু জয় করতে সক্ষম হয়, তা সময়ই বলে দিবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলায় বরখাস্ত টেলিভিশন উপস্থাপিকা

ভিন্ন স্বাদের খবর: টিভিতে লাইভ সম্প্রচারের সময় পুরুষ সহকর্মীকে ‘হ্যান্ডসাম’ বলেছিলেন টেলিভিশনের উপস্থাপিকা। আর তাতেই বেজায় চটেছেন মন্ত্রীমশাই। গণমাধ্যমে এ ধরনের ঘটনা নাকি একেবারেই শোভনীয় নয়। তাই শেষমেশ চাকরিই খোয়াতে হল ওই উপস্থাপিকা। দিন কয়েক আগে ঘটনাটি ঘটেছে কুয়েতে।

দেশটিতে পৌরসভা নির্বাচন চলছে। সেখানকার সরকারি টিভি চ্যানেলে ওই নির্বাচনেরই লাইভ সম্প্রচার করছিলেন বাসিমা আল-শামার নামের এক উপস্থাপিকা। সংবাদ সংস্থা আল আরাবিয়া ইংলিশ সূত্রের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রচার চলার সময় স্থানীয় রিপোর্টার নওয়াফ অল-শিরাকির সঙ্গে কথোপকথন শুরু হয় বাসিমার। সঞ্চালিকার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে কিছুটা সময় নিজের ‘গুত্রা’ (মধ্যপ্রাচ্যে পুরুষদের ঐতিহ্যবাহী মাথা ঢাকার বস্ত্র) ঠিক করে নিচ্ছিলেন নওয়াফ। ততক্ষণে ক্যামেরা রোল করা শুরু করে দিয়েছে। বাসিমা তাকে বলেন, ‘গুত্রা ঠিক করার প্রয়োজন নেই। তুমি এমনিতেই খুব হ্যান্ডসাম।’

পুরো ঘটনাকে ‘অশালীন’ আখ্যা দিয়ে বাসিমাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে কুয়েতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। মহম্মদ অল-হায়াফ নামের এক বিধায়ক টুইটারে লিখেছেন, ‘একজন সরকারি টিভি চ্যানেলের উপস্থাপিকার এ ধরনের মন্তব্য কখনওই শোভনীয় নয়। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না।’

সৌদি আরবের দৈনিক আরব নিউজ জানিয়েছে, বাসিমার ওই মন্তব্যের পর পুরো দেশের সংবাদ মাধ্যম মোটামুটি দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। ক্ষোভ ছড়িয়েছে জনগণের মধ্যেও। একদলের দাবি, এটা নিছক কৌতুক ছাড়া আর কিছুই নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ওই মন্তব্য করেননি উপস্থাপিকা। আবার অন্য পক্ষ বাসিমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন। তাদের দাবি, লাইভ অনুষ্ঠানে সহকর্মীকে এই ধরনের মন্তব্যের অর্থ ‘ফ্লার্ট’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

তবে কোনওরকম উদ্দেশ্য ছাড়াই ওই মন্তব্য করেছিলেন বলে জানিয়েছেন বাসিমা। তিনি বলেন, ‘নওয়াফকে আমি শুধু বলতে চেয়েছিলাম, তোমার গুত্রা খুবই সুন্দর আর সেটা পড়ে তোমাকে খুব ভাল লাগছে। তাই আলাদা করে কোনও কিছু ঠিক করার দরকার নেই। তুমি বলতে শুরু কর। আমরা তোমার কথা শুনব বলে অপেক্ষা করে আছি।’ সহকর্মীকে পুরোপুরি সমর্থন করেছেন নওয়াফও। তিনি বলেছেন, ‘মানুষ হিসেবে বাসিমার তুলনা হয় না। সবচেয়ে বড় কথা, তার মতো দক্ষ উপস্থাপিকাও হয় না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিসপি চিকেন ফ্রাই তৈরির রেসিপি

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ইফতারে ভাজাপোড়ার পদ থাকেই। কিন্তু বাইরে থেকে কিনে আনা সেসব খাবার মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করুন ঘরেই ইফতার তৈরি করার। আজ রইলো ঘরে বসে ক্রিসপি চিকেন ফ্রাই তৈরির রেসিপি…..

উপকরণ: ৮ টুকরো চামড়া সহ মুরগি (লেগ/ড্রামস্টিক/ব্রেস্ট/উইংস), ১ কাপ ময়দা, আধা চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ আদা বাটা, আধা চা চামচ পেঁয়াজ বাটা, লবণ পরিমাণমতো, আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়ো, আধা চা চামচ পাপরিকা পাউডার, ১ টি ডিম, আধা কাপ তরল দুধ, ১ কাপ ব্রেডক্রাম।

প্রণালি: প্রথমে একটি পাত্রে ডিম ও দুধ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এতে সামান্য লবণ, আদা বাটা, পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মুরগির টুকরোগুলো ১০-১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখুন। একটি পাত্রে ময়দা নিয়ে সব গুঁড়ো মসলা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এতেও সামান্য লবণ দিয়ে দিন। খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। মুরগির টুকরোগুলো একে একে ডিমের মিশ্রণ থেকে তুলে ময়দার মিশ্রণে দিয়ে ভালো করে ওপরে কোট করে নিন। এরপর আবার বেঁচে যাওয়া ডিমের মিশ্রণে চুবিয়ে হালকা করে ময়দায় গড়িয়ে নিয়ে ব্রেডক্রামে গড়িয়ে নিন ভালো করে। একটি বড় কড়াইয়ে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে মাঝারি আঁচে লালচে করে ভেজে তুলুন। একটি কিচেন পেপারের উপর রাখবেন। এতে অতিরিক্ত তেল ঝরে যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় পায়েল, কক্সবাজারে শাকিব-বুবলী

বিনোদন ডেস্ক: ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শাকিব খান। এই থাইল্যান্ড, কলকাতা, বাংলাদেশ ছুটোছুটি লেগেই আছে। এবার দেশেই কক্সবাজারে ‘ক্যাপটের খান’ ছবির দ্বিতীয় লটের শুটিয়ে অংশ নিচ্ছেন শাকিব খান। শনিবার থেকে দ্বিতীয় লটের শুটিং শুরু করতে শুক্রবার কক্সবাজার গেছে ছবির পুরো টিম। ছবির দুই নায়িকা শবনম বুবলী ও কলকাতার পায়েল মুখার্জিও থাকছে এবারের লটে শাকিব খানের সঙ্গে।

ছবির দ্বিতীয় নায়িকা পায়েল মুখার্জি শুক্রবার রাতে একটি ফ্লাইটে কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছান। শনিবার সকাল ৭টার ফ্লাইটে কক্সবাজার যাবেন এবং ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবেন কাল থেকেই।

মাস্ক ছবির শুটিংয়ে এতদিন কলকাতায় ছিলেন শাকিব। ক্যাপ্টেন খান ছবির শুটিংয়ে অংশ নিতে গবৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় ফিরেছেন এবং শুক্রবারই কক্সবাজার গেছেন তিনি।

এফডিসির ৯নং ফ্লোরে গেল মার্চের ২১ তারিখে ‘ক্যাপ্টেন খান’-ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। মহরতের পর বেশ কয়েকদিন ছবিটির শুটিংয়ে অংশ নেন শাকিব খান। এ ছবির মাধ্যমে মনোমালিন্য ভুলে ফের একসঙ্গে কাজ করছেন শাকিব-মিশা। এদিকে ছবিটির প্রথম লটের শুটিং শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে।

এছাড়াও ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবিতে বাড়তি চমক হিসেবে থাকছেন বলিউড অভিনেতা আশীষ বিদ্যার্থী। আগামী ২৭ তারিখ থেকে শুটিংয়ে অংশ নেবেন তিনি।

ছবির পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন বলেন, শনিবার থেকে কক্সবাজারে শুটিং শুরু হবে। সেখানে টানা ১৫ দিন শুট করব এবং সিকোয়েন্সের দৃশ্যায়নগুলো শেষ করব। এরপর গানের শুটিংয়ে থাইল্যান্ড যাব। ক্যাপ্টেন খান প্রযোজনা করেছে শাপলা মিডিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তি পেল ‘রেস থ্রি’-র ‘সেলফিস’

বিনোদন ডেস্ক: মুক্তি পেল ‘রেস থ্রি’-র ‘সেলফিস’। ওই সিনেমার নতুন গানে সালমন খানের সঙ্গে জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে দেখা যাচ্ছে। সালমন এবং জ্যাকলিনের সঙ্গে ওই গানে রয়েছেন ববি দেওলও। মুক্তি পাওয়ার পর পরই ভাইরাল হয়ে যায় আতিফ ইসলামের গলায় ‘রেস থ্রি’-র এই গান।

প্রসঙ্গত, আতিফ ইসলামের পাশাপাশি এই গানে শোনা যাবে সালমনের ‘প্রাক্তন’ বান্ধবী ইউলিয়া ভানতুরের গলাও।

‘সেলফিস’-এ জ্যাকলিনের সঙ্গে ববি দেওলের দেখা মিললেও, সালমনের সঙ্গে শ্রীলঙ্কান সুন্দরীর যে রসায়ন, তা কিন্তু বার বার ফুটে উঠেছে। শুনুন ‘রেস থ্রি’-র সেই গান..

এদিকে সালমন খানের সিনেমায় কেন আতিফ ইসলামকে দিয়ে গান গাওয়ানো হচ্ছে, তা নিয়ে বিতর্কের মুখেও পড়তে হয় পরিচালক, প্রযোজককে। যদিও তা নিয়ে মাথা ঘামাননি পরিচালক রেমো ডি’সুজা। প্রসঙ্গত, ‘রেস থ্রি’-তে সালমন খানের পাশাপাশি রয়েছেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, ববি দেওল, ডেইজি শাহ, সাকিব সালিম এবং অনিল কাপুর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইডেনে নতুন বিস্ময় আফগানিস্তানের রশিদ খান!

স্পোর্টস ডেস্ক: বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগ স্পিনার। আইপিএলের এবারের আসরের প্রথম দিকে হায়দরাবাদের কম পুঁজি থাকার পরও তার ঘূর্ণিতে অনেক ‘হারা ম্যাচ’ জিতে গিয়েছে হায়দরাবাদ। পুরস্কারস্বরূপ একাধিকবার ম্যান অব দ্য ম্যাচও হয়েছেন তিনি।

আজ হায়দরাবাদের মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে সেই রশিদ খানই অবিশ্বাস্য এক ইনিংস খেললেন। মাত্র ১০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে হায়দরাবাদকে তিনি নিয়ে যান ১৭৪ রানে। শেষ ওভারে আসে ২৪ রান। যার পুরোটাই রশিদের কৃতিত্বে।

কিন্তু তখনও দেখার অনেক বাকি। প্রথম ১০ ওভারে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দলীয় রান ছিল দুই উইকেটে ৯৩। সেই দল হেসেখেলে জিতে যাবে এমনটাই ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেনের দর্শকদের। কিন্তু রশিদ খান অবিশ্বাস্য নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসলেন।

১৭৫ রানের টার্গেটে খেলতে নামা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ১৬১ রানেই বেঁধে ফেলেন রশিদ -সাকিবরা। কলকাতার সঙ্গে ১৪ রানে জয়ী হয়ে আইপিএলের স্বপ্নের ফাইনালে গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

চার ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে তিন উইকেট শিকার করেন। উথাপ্পা, লিন ও আন্দ্রে রাসেলের মতো ম্যাচ জয়ী ব্যাটসমানরা তার হাতেই বধ হয়।।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১০ বলে ৩৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস উপহার দেন এ আফগান তরুণ। তার ঝড়ো ইনিংসটি ছিল দুই চার ও চারটি নান্দনিক ছক্কায় সাজানো। তার ইনিংসটিই ছিল আজকের আইপিএলের হায়দরাবাদের ইনিংসে টক অব দ্য নিউজে পরিণত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেট নিয়ে কলকাতার ইনিংস জুড়ে আলোচনায় সেই রশিদ খান। ম্যাচে দুরন্ত ব্যাট ও বোলিং তাণ্ডবের সঙ্গে অসাধারণ ফিল্ডিংও করেছেন এ আফগান তরুণ। দুটি অনবদ্য ক্যাচ ও গুরুত্বপূর্ণ একটি রান আউটও করেন এই রশিদ। একথা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, এ ম্যাচটিই ছিল রশিদময়!

রশিদের বোলিং নিয়ে, তার গুগলি নিয়ে সারা বিশ্বের ক্রিকেটামোদীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা হয়। কিন্তু আজ যা করে দেখালেন তাতে দর্শকরা তাকে চিনেছে নতুনভাবে, নতুন রূপে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলকাতাকে হারিয়ে ফাইনালে সাকিবের হায়দরাবাদ

স্পোর্টস ডেস্ক: শেষমেষ নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়াল ১০ বলে রশিদ খানের সেই ৩৪ রানের ইনিংস৷ আফগান স্পিনারের ব্যাটিং ঝড়ই কেকেআরকে ১৩ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠল সানরাইজার্স৷ এই নিয়ে দু’বার ফাইনালে উঠল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ৷ শেষবার ২০১৬ সালে আইপিএল ফাইনালে উঠেছিল তারা। ফাইনালে মুম্বাইয়ে চেন্নাইয়ের মুখোমুখি হবে হায়দরাবাদ৷

চলতি আইপিএলে সেরা বোলিং লাইন আপ যে হায়দরাবাদেরই, সে কথা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই বলে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। যে দলে ভুবনেশ্বর কুমার, সাকিব-আল-হাসান এবং অবশ্যই রশিদ খানের মতো বোলার থাকেন, সে দলে বোধহয় অধিনায়কের কাজটাও সহজ হয়ে যায় অনেকটা। এদিনও কেকেআরকে হারানোর কৃতিত্ব নিঃসন্দেহে সানরাইজার্স বোলারদেরই প্রাপ্য।

শুক্রবার টস হেরে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ব্যাট করতে নেমে ঋদ্ধিমান সাহা ও শিখর ধাওয়ান দলকে এনে দেন ভালো শুরু। ঋদ্ধিমান ২৭ বলে করেন ৩৫ ও আরেক ওপেনার ধাওয়ান ২৪ বলে ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন।দারুণ ছন্দে থাকা হায়দরাবাদ অধিনায়ক উইলিয়ামসন ফিরে যান মাত্র ৩ রান করে। মিডল অর্ডারে দলকে টানেন সাকিব।

সুনিল নারাইনকে টানা দুই চার হাঁকিয়ে ঝড়ের আভাস দেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু ২৪ বলে চারটি চারে ২৮ রান দুর্ভাগ্যজনক রান আউট হন এই অলরাউউন্ডার। শেষের দিকে রশিদ খান খেলেন টর্নেডো এক ইনিংস। রশিদ খানের মাত্র ১০ বলে চারটি ছক্কা আর দুটি চারে অপরাজিত ৩৪ রানের সেই ইনিংসের ওপর ভর করে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে হায়দরাবাদ।

১৭৫ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই লিন ও নারাইনের ঝড়ে এলোমেলো হয়ে যাওয়া হায়দরাবাদের বোলিং। তবে সাকিব আল হাসান ও রশিদ খানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিজ ছন্দে ফিরে আসে তারা। সব মিলিয়ে সাকিব ৩ ওভারে ১৬ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। লেগ স্পিনার রশিদ ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন সিদ্ধার্থ কাউল ও ব্র্যাথওয়েট।

কলকাতার পক্ষে লিন ৩১ বলে ৪৮, নারাইনের ১৩ বলে ২৬ রান করেন। এরপর পর দলকে টানেন শুভমান গিল। তিনি ফিরে যান ২০ বলে ৩০ রান করে। আগামী রবিবার ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে খেলবে হায়দরাবাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজব কারণে সাতক্ষীরায় যথাসময়ে ভাতার টাকা পাচ্ছেন না ৪ হাজার বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি’র সাতক্ষীরায় না থাকা এবং তার সময়ের অভাবে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী কার্ডধারীদের টাকা মে মাসের ২৬ তারিখেও বিতরণ করা হয়নি। গত এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখ থেকে উক্ত তিন মাসের টাকা ব্যাংকে পড়ে আছে। জেলার অন্যান্য স্থানে কার্ডধারীদের নিজ ব্যাংক এ্যাকাউন্টে টাকা বিতরণ করা হলেও সদর উপজেলায় ভাতার টাকা নগদে হাতে হাতে বিতরণ করা হয় বলে জানা গেছে।
পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা মেহরুন (ছদ্মনাম)। স্বামীকে হারানোর কয়েক বছর পর অনেক কষ্টে একটি বিধবা ভাতা কার্ড পেয়েছেন। পৌরসভা ও উপজেলা সমাজসেবা অধিপ্তরের আওতায় কার্ডধারীদের তিন মাস পরপর তাদের ১৫শ’ টাকা করে প্রদান করা হয়। কিন্তু চলতি বছরের মার্চ মাসের টাকা মে মাসের শেষেও তারা পাননি। টাকা নিতে পৌরসভায় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের অফিসে একাধিকবার ধর্না দিলেও কোন লাভ হয়নি। সেখানে গেলে বলা হচ্ছে এমপি সাহেব এখন ঢাকায় আছেন। তিনি সাতক্ষীরায় আসলে কার্ড প্রদান করা হবে। কখনও আবার বলা হচ্ছে এমপি সাহেবের এখন সময় কম, সেজন্য টাকা দিতে দেরি হচ্ছে। তিনি সময় দিলে আপনাদের টাকা দেওয়ার তারিখ জানানো হবে।
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সমাসেবা অফিসের আওতায় ১৯৮৮ জন বয়স্ক ভাতাভোগীর তিন মাসের ১৫শ’ টাকা হারে ২৯ লাখ ৮২ হাজার টাকা। বিধবা ভাতা কার্ডের আওতায় ২৯১ জনের ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতিবন্ধী কার্ডে ৬০১ জনেক ১২ লাখ ৬২ হাজার ১শ’ টাকা গত মার্চ মাসে বিতরণ করার কথা থাকলেও সেটি বিতরণ করা হয়নি।
পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের ভাতা ভোগীদের ২৭ মে ও ৪, ৫ ও ৬ ওয়ার্ডের ভাতা ভোগীদের ২৮ মে পিটিআই স্কুলে এবং ৭, ৮ এবং ৯ ওয়ার্ডের ভাতা ভোগীদের নবজীবন স্কুলে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
সদর উপজেলার ৮২৯ জন বয়স্ক ভাতাভোগীর তিন মাসের ১২ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা। বিধবা ভাতার সুবিধাভোগীর তিন মাসের ৩৩৮ জনের ৫ লাখ ৭ হাজার টাকা এবং ১৭৬ প্রতিবন্ধীর তিন মাসের ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৬০০ টাকা আটকে আছে। এই টাকা সুবিধাভোগীদের নিজ এ্যাকাউন্টে দেওয়ার কথা থাকেলও এমপি রবির সময়ের অভাবে সেগুলো বিতরণ করতে পারছেন না কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভা ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারা বলেন, সদর উপজেলায় গত মাসের ১৮ তারিখে বরাদ্দ আসলেও এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি সাতক্ষীরায় না থাকার কারণে কার্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি।
সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের একজন কর্মকর্তা দাবি করেন, সুবিধাভোগীদের অধিকাংশ কম শিক্ষিত। সে কারণে অনেক সময় দেরি হয়। তালিকা প্রস্তুত করতে দেরি হওয়ার কারণেও টাকা দিতে দেরি হয়। টাকা কবে বিতরণ হবে সেটা আমরা জানতে পারি না।
সমাজসেবা অফিসের অপর একজন কমকর্তা বলেন, পৌর এলাকায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের ভাতার টাকা মেয়র ও কাউন্সিলদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়। এপ্রিলের ৫ তারিখে বরাদ্দ হলেও ব্যাংকে টাকা আসে ১৮ তারিখে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যস্ততার কারণে টাকা দিতে দেরি হচ্ছে। এছাড়া সদর এমপি সাহেব বলেছেন, এবার কার্ড বিতরণের সময় তিনি উপস্থিত থাকবেন। তিনি ঢাকা ছিলেন এবং সময় দিতে পারছেন না বলে কার্ড বিতরণে দেরি হয়েছে। অনেক কার্ডধারী ব্যক্তি ব্যাংক এ্যাকাউন্ট খোলেননি। সে কারণে অনেক সময় হাতে হাতে টাকা বিতরণ করা হয়। উক্ত দুই কর্মকর্তা রাতে টেলিফোন করে তাদের নাম প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সাংসদ মীর মোস্তাক আহমেদ রবির মন্তব্য জানতে শুক্রবার সন্ধ্যায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ফোন দিলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest