খেজুর কতটা খাবেন, কেন খাবেন?

স্বাস্থ্য ডেস্ক: খেজুর বেশ প্রচলিত পুষ্টিকর একটি খাবার। খেজুরের গুণের বিষয়ে কথা বলেছেন স্কয়ার হসপিটাল লি.-এর পুষ্টিবিদ নুজহাত মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘খেজুর অত্যন্ত ক্যালরিবহুল একটি খাবার। এটি বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেলস ও আঁশসমৃদ্ধ। এই ভিটামিনগুলোর মধ্যে রিবোফ্লাবিন, নায়াসিন, থায়মিন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।’

পুষ্টিবিদ নুজহাত মঞ্জুর বলেন, ‘মিনারেলসগুলোর মধ্যে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম উল্লেখযোগ্য। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটি আমাদের সবাইকে দৈনন্দিন ২০ থেকে ৩৫ গ্রাম আঁশজাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে। এটি আমরা খেজুর থেকেই গ্রহণ করতে পারি। এ ছাড়া সারা দিনে একটি খেজুর খাওয়া আমাদের চোখের সুস্থতা দান করে।’

‘খেজুর উচ্চ মাত্রার সলিউবল ফাইবার সমৃদ্ধ। এটি প্রাকৃতিক ল্যাক্সাটিভ হিসেবে কাজ করে আমাদের বাউয়েল মুভমেন্টে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে,’ বলেন তিনি।

খেজুরে প্রচুর পরিমাণ মিনারেলস রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেমন : সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিংক ইত্যাদি থাকায়, এটি হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরনের হাড়ের অসুখ, অস্টিওপরোসিস থেকে রক্ষা করে। নিকোটিন নামক উপাদান খেজুরে থাকায় এটি আমাদের অন্ত্রের বিভিন্ন অসুখ থেকে রক্ষা করে।’

এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা দূর করতে খেজুরের জুড়ি নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খেজুরে প্রচুর আয়রন রয়েছে। এ ছাড়া একটি উপাদান খেজুরে রয়েছে, যেটি সচরাচর অন্যান্য খাবারে আমরা কম পাই। আর সেটি হলো অর্গানিক সালফার। এটি আমাদের বিভিন্ন সিজনাল অ্যালার্জি থেকে রক্ষা করে।’

পুষ্টিবিদ নুজহাত মঞ্জুর বলেন, ‘এ ছাড়া ওজন বাড়াতে খেজুরের জুড়ি নেই। একটি খেজুর থেকে আমরা ২৩ কিলোক্যালরি পেয়ে থাকি। ১০০ গ্রাম খেজুর থেকে আমরা ২৮২ কিলোক্যালরি পাই। এই থেকে আমরা বুঝতে পারি যে অল্প পরিমাণ খাবার থেকে যথেষ্ট ক্যালরি পেতে পারি। যাঁরা ওজন বাড়াতে চান বা পেশি বৃদ্ধি করতে চান, তাঁরা খেজুর খেতে পারেন।’

নুজহাত মঞ্জুর আরো বলেন, ‘খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক সুগার। যেমন : গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ, সুক্রোজ। এটি কম সময়ে আমাদের শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ডায়রিয়া হলে খেজুর একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। খেজুরে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে। এটি আমাদের ডায়রিয়া-পরবর্তী সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।’

রমজান মাসে সারা দিনের ক্যালরির ঘাটতি খেজুর দিয়েই পূরণ করতে পারি জানিয়ে তিনি বলেন, ডায়াবেটিসের রোগীরাও অনায়াসে দুটো খেজুর খেতে পারেন। তাই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় খেজুর রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিবপুরে উন্মুক্ত বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুরে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে সোমবার সকালে উন্মুক্ত বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স ও সেভ দ্য চিলড্রেন’র টেকনিক্যাল সহযোগিতায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হাই, রওশন আরা বানু, মজনুর রহমান গাজী, মহাদেব চন্দ্র সরকার, আজহারুল ইসলাম, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স’র সিএফএলজি প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান, উপজেলা ফ্যাসিলিটিটর মো. মাসুম বিল্লাহ সোহাগ প্রমুখ।

শিশু বান্ধব স্থানীয় সুশাসন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে জনপ্রতিনিধিরা ৯টি ওয়ার্ডের উপস্থিত শিশু সদস্য ও এলাকাবাসীর বিভিন্ন চাহিদা ও দাবী উপস্থাপনার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে ওয়ার্ডবাসী ও ৯টি ওয়ার্ডের শিশু প্রতিনিধিরা তাদের নিজ এলাকার রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিশু নির্যাতন, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি প্রভৃতি উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের উপর উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। জনগণের মুখোমুখি হয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সকলের প্রস্তাবনা ও আলোচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

শিশু ও প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ রেখে পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে, বাল্যবিবাহ ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধে ইউনিয়ন পরিষদের অগ্রনী ভূমিকা রাখতে সভায় জনপ্রতিনিধিদের সাথে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। শিশুসহ এলাকাবাসী রাস্তাঘাট, স্যানিটেশন, স্কুল, কমিউনিটি ক্লিনিক এর অব্যবস্থাপনা সহ আরো নানা ধরনের সমস্যা ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

সমগ্র সভাটি উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আমিনুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবীর জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে পুলিশের অভিযানে আটক মকবুল হোসেন (৫০) নামে এক মাদকসেবীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলার চাম্পাফুল ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের মৃত ছবেদ আলী গাজীর ছেলে।
থানা সূত্রে জানা যায়, উপ-পরিদর্শক হেকমত আলীর নেতৃত্বে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে উজিরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মকবুল হোসেনকে নিজ বাড়ি থেকে মাদকসেবনরত অবস্থায় আটক করেন। পরবর্তীতে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদক সেবনের অপরাধে মকবুল হোসেনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ক্যান্সার আক্রান্ত মাকে বাঁচাতে দুই অবুঝ সন্তানের আবেদন

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় ক্যান্সার আক্রান্ত মাকে বাচাতে অসহায় ২ অবুঝ সন্তান সাহায্যের হাত বাড়াতে সকলের নিকট আবেদন জানিয়েছেন। মায়ের চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে অসহায় সন্তানেরা সমাজের বিত্তবান ও সকলের কাছে আকুল আবেদন করেছেন। দেবহাটা উপজেলার কাজী মহল্লা গ্রামের শেক শামছুর রহমানের স্ত্রী শেক ইসরাকুল ইসলামের মেয়ে শামিমা ইয়াসমিন ইরানী (৩০) এর অবুঝ ২ সন্তানেরা জানান, তাদের মা শামিমা ইয়াসমিন ইরানী গত ৩ বছর আগে থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। সেসময় থেকে তাদের পিতা সহায় সম্পত্তি বিক্রয় করে তাদের মাকে চিকিৎসা করিয়েছেন। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের মায়ের অবস্থার অবনতি হলে তাদের মাকে ভারতের এ্যাপোলো হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবৎ চিকিৎসা করানো হয়। সেখানে চিকিৎসা করাতে গিয়ে তাদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি হারিয়ে তাদের পিতা পাগল প্রায়। বর্তমানে তাদের মায়ের অবস্থা সংকটাপন্ন। এমতাবস্থায় একদিকে তাদের মায়ের চিকিৎসা আর অন্যদিকে তাদের পিতার পাগল অবস্থার জন্য সংসার জীবন দূর্বীষহ অবস্থা। এখন তারা তাদের নানা বাড়ি অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে। কিন্তু তাদের মায়ের ঔষধপত্র কিনতে না পারার জন্য তাদের মায়ের অবস্থা খুবই খারাপ। তারা গরীব মানুষ হলেও সহায় সম্পদ বিক্রয় করে তার মায়ের আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন বলে তারা জানিয়েছে। কিন্তু এতো টাকা তাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। তাই অসহায় অবুঝ ছেলেরা তাদের মাকে বাচাতে সমাজের বিত্তবান সহ সকল মানুষের প্রতি সাহায্যের জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছে। যদি কোন সহ্নদয়বান মানুষ সাহায্য করতে চান তাহলে শেখ জসিমউদ্দীন, ইসলামী ব্যাংক, মিরপুর ১০ নং শাখা, সেভিংস একাউন্ট নং- ৫৬১২৯ এবং তাদের নানীর নিজের বিকাশ নং- ০১৭২৭-৯৬৫৪২৩ তে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হলেন মাদুরো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারো ছয় বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন নিকোলাস মাদুরো। তিনি পেয়েছেন শতকরা ৬৭.৭ ভাগ ভোট।

মাদুরোর কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী হেনরি ফ্যালকন পেয়েছেন ২১.২ ভাগ ভোট। এছাড়া, নির্বাচনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা হাভিয়ার বারতুসি পেয়েছেন শতকরা ১০ ভাগ ভোট। রোববার নির্বাচন কাউন্সিলের প্রধান তিবিসে লুসিনা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে মাদুরো দ্বিতীয়বারের মতো দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলেন। তবে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচনকে অবৈধ উল্লেখ করে পুনঃনির্বাচন দাবি করেছেন। তিনি চলতি বছরের শেষ নাগাদ নতুন ভোট অনুষ্ঠানের দাবি করেন।

ভেনিজুয়েলার প্রধান বিরোধীদলগুলো এবারের নির্বাচন বয়কট করেছে। তারপরও শতকরা ৪৬.১ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন যার অর্থ হচ্ছে আড়াই কোটি বৈধ ভোটারের মধ্যে ৮৬ লাখ ভোটার নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে; এর ফলে ভোট দেয়া দ্রুততর ও সহজ হয়েছে। এরপরও ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য ভোট কেন্দ্রগুলোতে সেনা মোতায়েন করা হয়। ৩০টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে ১৫০ জন পর্যবেক্ষক এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন। নির্বাচনের ফলাফলকে ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেছেন নিকোলাস মাদুরো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মতিয়া চৌধুরী শেরপুরের জন্য ক্ষতিকর : জেলা আ. লীগ

রাজনীতির খবর: কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী শেরপুরের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেছে জেলা আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার দুপুরে শহরের চকবাজারে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এ কথা জানান।

শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরীকে প্রত্যাহার এবং আরো পাঁচ আওয়ামী লীগ নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ও সুপারিশকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুটি অংশের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকে জেলা আওয়ামী লীগ।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্য পড়েন সহসভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে খন্দকার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীকে শেরপুর জেলা থেকে প্রত্যাহার না করলে শেরপুরের উন্নয়নের পরিবর্তে ক্ষতি হবে। মতিয়া চৌধুরী শেরপুর জেলা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। অথচ তিনি জেলা সদরে আসেন না। শেরপুরের কোনো উন্নয়ন করেন না। কিছু প্রতিষ্ঠান জেলা সদরে হওয়ার কথা থাকলেও তিনি নকলা-নালিতাবাড়ীতে (মতিয়া চৌধুরীর সংসদীয় এলাকা) ওই প্রতিষ্ঠানগুলো করেছেন। জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও একটি সভাতেও তিনি উপস্থিত হননি। এসব কারণেই জেলা আওয়ামী লীগ সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে মতিয়া চৌধুরীকে প্রত্যাহারের সুপারিশ জানানো হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার নজরুল আরো বলেন, ‘জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভার সিদ্ধান্ত দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের চিঠির আলোকেই নেওয়া হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কার্যকলাপ মেনে নেবে না শেরপুরবাসী।’

সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মজদুল হক মিনু ও ফকরুল মজিদ খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম উৎপল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খোরশেদ আলম চেয়ারম্যানসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত শনিবার শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভায় কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীকে প্রত্যাহার ও শেরপুর ৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফজলুল হক চাঁনসহ আরো চার আওয়ামী লীগ নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বহিষ্কৃত বাকি চার নেতা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সামসুন্নাহার কামাল, নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউল হক ও সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক এবং নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ।

এ ছাড়া নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার সিদ্ধান্তও নেন শেরপুর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। পরে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানিয়ে কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠানো হয়।

পরে গতকাল রোববার আওয়ামী লীগের আরেকটি অংশ জেলা শহরের খরমপুরে আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা কমিটির এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে আখ্যা দেয়। এই অংশটির নেতৃত্বে রয়েছেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুর কবির রুমান ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু।

এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হুইপ আতিউর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে তারা ঝাড়ু মিছিল বের করেন এবং তার কুশপুত্তুলিকা পোড়ান। আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জেলা আওয়ামী লীগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুদকের দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

দেশের খবর: দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দূর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এসএম শামীম ইকবালকে বরখাস্ত ও বীর কান্ত রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগেও তাকে দায়িত্বে অবহেলা, ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এসএম শামীম ইকবালকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

সূত্র জানায়, ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার এলজিইডির খুলনার কয়রা অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক এসএম হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চার্জশিট যথাসময়ে আদালতে পেশ করেননি শামীম ইকবাল। অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দশ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা ওই মামলার অভিযোগ তদন্ত করেছেন এই কর্মকর্তা। তদন্ত শেষে ঘুষের প্রমাণসহ প্রতিবেদন পেশ করা হয় কমিশনে।

জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৪ জুন কমিশন থেকে অনুমোদন দেওয়ার পর দীর্ঘদিনেও চার্জশিটটি আদালতে পেশ না করে গুরুতর অপরাধ করেছেন শামীম ইকবাল। এ ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তাকে ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে বদলি করে দুদক কর্মচারী চাকরি বিধিমালা-২০০৮ এর ৩৯(ক),(খ), (ঙ) বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কমিশনে ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করার পর আসামি হাবিবুল্লার সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা এসএম শামীম ইকবালের গোপন আঁতাত হয়। এই সময়ে অবৈধ অর্থ লেনদেনও হয় বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বিগত দিনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অভিযুক্তকে মামলার ভয় দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ আদায়, মনগড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ আড়াল করে অব্যাহতির সুপারিশ করে অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে শামীম ইকবালের বিরুদ্ধে।

তখন বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তের পর তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করবে। দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনের প্রথম বেসরকারি মহাকাশ প্রতিষ্ঠানের রকেট উৎক্ষেপণ

আন্তর্জাতিক সংবাদ: চীনের প্রথম মহাকাশ গবেষণায় নিয়োজিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়ানস্পেস। বেইজিংভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি মহাকাশে তাদের প্রথম রকেট পরীক্ষামূলকভাবে নিক্ষেপ করেছে।

মহাকাশ গবেষণা এখন আর শুধু নাসার মতো সরকারি সংস্থাগুলোর হাতেই থাকছে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্পেসএক্সের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দেখিয়ে দিয়েছে কিভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আরো গতিশীল গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে মহাকাশে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।

চীনের ওয়ানস্পেস গত বৃহস্পতিবার নয় মিটারের রকেটটি মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে। উত্তর-পশ্চিম চীনের একটি ঘাঁটি থেকে রকেটটি নিক্ষেপ করা হয়।

ওয়ানস্পেসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের মিশনের উদ্দেশ্য গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহ করা। এটি চীনের এভিয়েশন ইন্ডাস্টির জন্য প্রয়োজন হবে।

২০১৫ সালে ওয়ানস্পেস প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায়ই এ প্রতিষ্ঠানটিকে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স-এর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সম্প্রতি স্পেসএক্স তাদের ফ্যালকন ৯ ব্লক ফাইভ সর্বাধুনিক রকেট মহাকাশে পাঠিয়েছে। এতে বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে নিয়ে যাওয়া হয়।

চীনের এই স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা প্রাথমিকভাবে ৭৮ মিলিয়ন ডলার তহবিল গঠন করেছে মহাকাশ গবেষণার জন্য। এ তহবিল দিয়েই তারা সম্পূর্ণভাবে চীনে তৈরি রকেটটি উৎক্ষেপণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest