খেলার খবর: অদ্ভুত শহর এই সেন্ট পিটার্সবার্গ। যা কখনো ডুবে যায় না রাতের আঁধারে। দিনের আলো কমে যেতে যেতে রাত ১২টা। এর পরও আকাশ থেকে বিচ্ছুরিত মায়াবী নীলে রূপকথার রাজ্য হয়ে থাকে নেভা নদী ও বাল্টিক সাগরসেঁচা এ জনপদ। আবার রাত দুটো বাজতে বাজতেই ফুটে যায় সকালের আলো।
ব্রাজিলের ফুটবলও যেন তেমনি। অন্ধকারে যা হারিয়ে যায় না কখনো। সাফল্যের আলো কখনো-সখনো মলিন হয় বটে। তবু ভালোবাসায় ওই হলুদ প্রদীপ জ্বলতে থাকে সাঁঝবাতির মতো; যেন দাউদাউ করে জ্বলে ওঠা সকালের সূর্যের অপেক্ষায়। এই যে ২০০২ সাল থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে আড়ি, সেটিকে বন্ধুতায় রূপান্তরের চ্যালেঞ্জই তো এবার সেলেসাওদের! না হয় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ ড্র করেছে, তবু আজ কোস্টারিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে আশার আলো কমছে না এতটুকুন।
সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরের মতোই!
রোস্তভ-অন-ডনে নিজেদের প্রথম ম্যাচ শেষে বেইসক্যাম্প সোচিতে চলে গিয়েছিল ব্রাজিল। সেন্ট পিটার্সবার্গে এসে পৌঁছেছে পরশু রাতে। রাত বলাটা হয়তো ঠিক না, কারণ রাতই তো হয় না। বছরের দীর্ঘতম দিন এখানে পরিচিত ‘হোয়াইট নাইট’ নামে। উৎসবের মাদল বাজছে তাই অহর্নিশ। সে উৎসবকে আরো রাঙিয়ে দেওয়ার জন্যই শহরে পা রেখেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ‘রাত যে হচ্ছে না, এমন কিছুর সঙ্গে আমাদের পরিচয় ছিল না। ব্যাপারটা অদ্ভুতুড়ে। তবে আমরা মানিয়ে নিয়ে প্রস্তুত কোস্টারিকার জন্য’—কাল সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন এ ম্যাচের অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা।
সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারের ঠিক পাশেই সংবাদ সম্মেলন কক্ষ। দুপুর ৩টায় সেখানে আসার কথা কোচ লিওনার্দো বাচ্চি তিতে ও অধিনায়ক সিলভার। ঘণ্টাখানেক আগে গিয়েই অপেক্ষা তাঁদের জন্য। প্রথম ম্যাচ হারের পর গণমাধ্যমের তোপের মুখে পড়বেন বলে ধারণা ছিল। কিসের কী! দারুণভাবে সামলালেন কোচ। কথার পিঠে কথা বলছেন, হালকাচালের কথা বলে হাসির ফোয়ারাও ছোটালেন। সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে হারের পর কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছেন তিতে, অমনটা তো মনে হলো না একবারও।
নেইমারের খেলা, না খেলা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ছিল অনেক। তিতে তা উড়িয়ে দেন এক ফুত্কারে। শুধু তা-ই নয়, ম্যাচের আগের দিন একাদশ পর্যন্ত ঘোষণা করে দেন, ‘সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে যে ১১ জন খেলেছে, কোস্টারিকার বিপক্ষেও শুরু করবে তারা। নেইমারও খেলবে। ও পুরোপুরি ফিট।’ কথাগুলো বলছিলেন পর্তুগিজ ভাষায়; কানে থাকা অনুবাদক যন্ত্রে তা রূপান্তিত ইংরেজিতে। তাহলে যে সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচের পর এক দিন অনুশীলন করেননি। পরের দিন ফিরলেও মিনিট দশেক পর উঠে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপের মঞ্চ না হয়ে সাধারণ ম্যাচ হলে কি এই অবস্থায় খেলতেন নেইমার; এ স্যাক্রিফাইস করা হতো? ধৈর্য ধরে প্রশ্নটি শুনে দার্শনিকের মতো জবাব দেন তিতে, ‘এটি কোনো স্যাক্রিফাইস না। নেইমার সুস্থ রয়েছে বলেই খেলবে। আমরা অবশ্যই জিততে চাই। কারণ এটি বিশ্বকাপের ম্যাচ। তাই বলে কোনো কোচ তাঁর ফুটবলারের সঙ্গে অসৎ হতে পারেন না; তাঁর স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারেন না। এই সুস্বাস্থ্য ও সততার সঙ্গে কোনো আপস করতে পারি না আমি। আর আপনি কী যেন বললেন, স্যাক্রিফাইস। নাহ, নেইমারকে আমরা স্যাক্রিফাইস করছি না।’
এমনভাবে বুঝিয়ে বলার পর ব্রাজিলিয়ান গণমাধ্যমের না বুঝে উপায় কী!
তবে প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পর কোস্টারিকার বিপক্ষে সেন্ট পিটার্সবার্গের ম্যাচটি যে ব্রাজিলের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেটিও ভালোভাবে বোঝেন তিতে। আরাধ্য সে জয়ের জন্য করণীয়টাও জানেন তিনি, ‘এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ খেলা কেননা প্রথম ম্যাচ আমরা ড্র করেছি। জিততে হলে ওই খেলার মতোই জমাট হতে হবে আমাদের রক্ষণভাগ এবং আক্রমণভাগকে হতে হবে আরো কার্যকর।’ সুইসদের চেয়ে কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচের আবহের পার্থক্যটাও ব্রাজিলকে সাহায্য করবে বলে বিশ্বাস কোচের, ‘প্রথম ম্যাচে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ ছিল অনেক বেশি। খেলোয়াড়দের ছিল; কোচ হিসেবে আমারও ছিল। এখন তা চলে গেছে। সে কারণে আরো ভালোভাবে মনোযোগ দিতে পারছি।’ সেই গভীর মনঃসংযোগের মধ্যেও রসিকতা ঠিকই করেন তিতে। সংবাদ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক শেষ ঘোষণার পর পাশে থাকা কোচিং স্টাফের সদস্য সিলভিনহোকে দেখিয়ে হাসতে হাসতে বলেন তাই, ‘ওকে কোনো প্রশ্ন করছেন না কেন? আমি অপেক্ষা করছি, ওকে একটা কঠিন প্রশ্ন করুন।’
গণমাধ্যমের সঙ্গে জাতীয় দলের কোচের সম্পর্কটা কার্লোস দুঙ্গার সময়ের চেয়ে কতই না বদলে গেছে! সংবাদ সম্মেলন থেকে বেরোতে বেরোতে সে কথাই বলছিলেন ব্রাজিলের সাংবাদিকরা।
সংবাদ সম্মেলন শেষে সেন্ট পিটার্সবার্গের স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের অনুশীলন দেখার সুযোগ ছিল ১৫ মিনিট। মাঝমাঠের বৃত্ত ঘিরে দাঁড়িয়ে খেলোয়াড়রা অনুশীলন করলেন শুরুতে। এরপর মূল একাদশের সঙ্গে বাকিদের আলাদা করে ফেলেন তিতে। ১১ জন দাঁড়িয়ে যান একেবারে ৪-৩-৩ ছকে। মাঠের সবুজে ফরমেশন অনুযায়ী ওই তিনটি লাইন দেখা যাচ্ছিল স্পষ্ট। এরপর ফরোয়ার্ড লাইন নিয়ে তিতের কিছু কাজ দেখার সুযোগ হলো। ডানে উইলিয়ান, মাঝে গাব্রিয়েল জেসুস, বাঁয়ে নেইমার। নিজে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার সেজে জেসুসের সামনে থেকে বল নিয়ে দেন ডানে। সেখানে থাকা নেইমারকে চিত্কার করে বলেন কিভাবে দৌড়ে এই ফাঁকা জায়গা ভরাট করতে হবে। সেন্ট পিটার্সবার্গের ফাঁকা গ্যালারিতে তিতের পর্তুগিজ ভাষার চিত্কার প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। সে ভাষা না বুঝলেও ফুটবলের সর্বজনীন ভাষা বুঝতে তো সমস্যা হয় না এতটুকুন।
বিশ্বকাপের মঞ্চে সহজ প্রতিপক্ষ বলে তো কিছু নেই। তবু খেলাটি কোস্টারিকার বিপক্ষে হওয়ায় ইতিহাসের প্রেরণার অনেক বুদ্বুদ উড়তে পারে ব্রাজিল ক্যাম্পে। মুখোমুখি সর্বশেষ ১০ দেখায় ৯ বারই জিতেছে ব্রাজিল; পরাজয় শুধু ১৯৬০ সালের প্রীতি ম্যাচে। বিশ্বকাপের দুই দেখার মধ্যে ১৯৯০ সালে ১-০ এবং ২০০২ সালে ৫-২ গোলে জয় সেলেসাওদের। চলতি টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে সার্বিয়ার কাছে ০-১ গোলে হেরেছে কোস্টারিকা। আর ব্রাজিল সুইসদের সঙ্গে ড্র করলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে না যাওয়াটা তাদের জন্য অচিন্তনীয়। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সর্বশেষ ১৩ ম্যাচে অজেয় দলটি; ১৯৮২ থেকে শুরু করে প্রতি বিশ্বকাপে হয়েছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। আজ কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলের পক্ষে বাজি তাই ধরা যায় নিশ্চিন্ত নির্ভরতায়।
সেন্ট পিটার্সবার্গের ‘হোয়াইট নাইট’ উৎসব আজ তাহলে বদলে যাবে ‘ইয়েলো নাইট’-এ। বাসন্তী উৎসবে হলুদের রং ছড়াবে ছবির মতো সুন্দর এ শহরে। পুরো পৃথিবীতেও নয় কি!
খেলার খবর: আইসল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করেছে আর্জেন্টিনা। আর ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উড়ে গেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অনেকের ধারণা হতে পারে, এক ড্র ও এক হারে বিদায় ঘটে গেছে তাদের। কিন্তু না! শুধু বিদায়ের ঘণ্টা বেজেছে, আশা এখনো বেচেঁ আছে।
‘ডি’ গ্রুপ থেকে আজ মুখোমুখি হবে নাইজেরিয়া ও আইসল্যান্ড। পরের ম্যাচে মোকাবেলা করবে ক্রোয়েশিয়া ও আইসল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডিকরা জিতলে এবং পরে ম্যাচ ড্র হলেই কেবল আর্জেন্টিনার বিদায় নিশ্চিত হবে। দুই ম্যাচে বিপরীত ঘটলে আশা বেঁচে থাকবে লিওনেল মেসিদের।
রাশিয়া বিশ্বকাপ অভিযাত্রাটা ভালো হয়নি আর্জেন্টিনার। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দলটি। আর দ্বিতীয় ম্যাচে ক্রোয়াটদের কাছে স্রেফ বিধ্বস্ত হয়েছেন তারা। এখন সামনে রয়েছে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ।
আজ নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আইসল্যান্ড না জিতলে এবং ক্রোয়েশিয়া-আইসল্যান্ড ম্যাচ ড্র না হলে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ থাকবে মেসি-দিবালাদের। এক্ষেত্রে শেষ ম্যাচে সুপার ঈগলদের হারাতে হবে তাদের।
এখন দেখার বিষয় আর্জেন্টাইনদের কপালের জোর কতটা?
খেলার খবর: আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল আর্জেন্টিনা। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সেরকম কিছু হলেও হয়তো মান বাঁচত দলটির। সেখানে ৩-০ গোলে হেরে লজ্জার শিকার সাদা-আকাশি জার্সিধারীরা। যে যার মতো পারছেন খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফদের ধুয়ে দিচ্ছেন। তবে সব দোষ মাথা পেতে নিলেন কোচ হোর্হে সাম্পাওলি।
আর্জেন্টিনার যে একাদশ মাঠে নেমেছিল, তাই বেখাপ্পা ঠেকেছে সবার কাছে। ছিলেন না অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। তার জায়গায় যাকে খেলানোর গুঞ্জন চাউর হয়েছিল, সেই ক্রিস্টিয়ান পাভনকে নামানো হয়নি। হাতে পাওলো দিবালার মতো অস্ত্র থাকলেও তাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে না। ডিফেন্সের প্রতি নজর নেই। নেই মাঝমাঠ চাঙ্গা করার কোনো উদ্যোগ। এত অগোছালো পরিকল্পনা কেন?
আত্মসমর্পনের সুরে সাম্পাওলি বলেন, সিদ্ধান্ত নেয়ার সর্বময় কর্তা আমিই ছিলাম। সব সিদ্ধান্ত একা নিয়েছি। তবে আমার সবকিছুই ভুল ছিল। ম্যাচটি ঘিরে অনেক আশা ছিল। সব উবে গেছে। পরাজয়ের তিক্ত যন্ত্রণা অনুভব করছি। এমন পরিস্থিতির জন্য আমিই দায়ী।
দলে রয়েছেন লিওনেল মেসির মতো ফুটবলার। অথচ তাকে খুজেঁ পাওয়া যাচ্ছে না। খুজেঁ পাওয়া যাবে কী করে? মিডফিল্ড থেকে তো বলই সরবরাহ পাননি তিনি। আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, আমরা এখনো দল হয়ে উঠতে পারিনি। কোনো জায়গায় কোনো সমন্বয় নেই। আমরা তাদের হারাতে চেয়েছিলাম। তবে প্রথম গোল হজমের সঙ্গে আমরা হেরে গেছি। কারণ, এরপর ছেলেরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল।
তিনি বলেন, লজ্জার পারফরম্যান্স বলেন, আর যাই বলেন, এর দায় একজন নেতার। অনুসারীরা দেখানো পথ বুঝতে না পারলে দায়ভার নেতাকেই নিতে হবে। হয়তো শিষ্যরা আমার রণকৌশল বুঝতে পারেনি। আমি ক্রোয়েশিয়াকে ঠিকমতো পড়তে পারিনি। কর্তা হিসেবে সব দায় আমাকে নিতে। সবকিছুর জন্য আমিই দায়ী।
বিনোদন ডেস্ক: ইসলামের শান্তির বিষয়টি নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের বিষয়ে ইরানের ফারাবি সিনেমা ফাউন্ডেশনের পরিচালক আলিরেজা তাবেশের বৈঠক করেছেন সিনেমা অভিনেতা, নির্মাতা এবং প্রযোজক অনন্ত জলিল
সোমবারের সেই বৈঠকে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে ফারাবি ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতা চেয়েছেন অনন্ত জলিল। এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছে ফারাবি ফাউন্ডেশন।
বিবৃতিতে আলিরেজা তাবেশ বলেন, “আমরাও বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ সিনেমা প্রকল্পে কাজ করতে আগ্রহী। তবে প্রথমেই এমন একটি চিত্রনাট্য লিখতে হবে যেটা দুপক্ষকেই সন্তুষ্ট করবে। এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে বাংলাদেশের অনন্ত জলিল বর্তমান বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে কাজ করতে চান। বিশ্ব চলচ্চিত্র এবং আমাদের আঞ্চলিক চলচ্চিত্র শিল্পেরও উচিত এই বিষয়ে কাজ করা।”
এ প্রসঙ্গে অনন্ত জলিল বলেন, “তিনি বিশ্বের কাছে ইসলামের সত্যিকার চিত্র এবং শান্তির ইসলামের চেহারাটি তুলে ধরতেই একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চান। ইয়েমেন ও সিরিয়ায় অসংখ্য মুসলিম যন্ত্রণায় ভুগছে। অথচ ইসলাম হলো একটি শান্তি ও বন্ধুত্বের ধর্ম। আমি আমার ধারণা এবং চিন্তাগুলো ইরানের কাছে নিয়ে এসেছি, সেগুলোকে একটি চলচ্চিত্রে রুপদানের জন্য।”
খেলার খবর: ঘুরে দাঁড়াতে পারল না আর্জেন্টিনা। উল্টো বড় ব্যবধানে হেরে পড়ে গেল গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ার শঙ্কায়। দুর্দান্ত জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ ষোলোতে উঠে গেছে ক্রোয়েশিয়া।
প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও গোল পায়নি আর্জেন্টিনা ও ক্রোয়েশিয়ার কেউই।
আর্জেন্টিনার সবচেয়ে ভালো সুযোগটি পেয়েছিলেন এনসো পেরেস। ৩১তম মিনিটে ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে জালে পাঠাতে পারেননি এই মিডফিল্ডার।
পরের মিনিটে ক্রোয়েশিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেন মানজুকিচ। খুব কাছে থেকেও অরক্ষিত এই ফরোয়ার্ড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি হেড।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে প্রতি আক্রমণ থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ আসে আন্তে রেবিচের সামনে। অনেক ওপর দিয়ে মেরে দলকে হতাশ করেন এই ফরোয়ার্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে কাবাইয়েরো করলেন ওই মারাত্মক ভুল। গাব্রিয়েল মের্কাদোর ব্যাকপাস ধরে আবার বাড়াতে চেয়েছিলেন তাকে। কিন্তু বল উঠলো উপরে একেবারে রেবিচের কাছে। নিখুঁত ভলিতে কাবাইরোর মাথার উপর দিয়ে বল জালে পাঠালেন এই ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধেও এ রকম অহেতুক ঝুঁকি নিচ্ছিলেন কাবাইয়েরো। শেষ পর্যন্ত গোল খেয়ে দিতে হলো এর মাশুল।
৬৪তম মিনিটে গনসালো হিগুয়াইনের কাটব্যাকে মাক্সিমিলিয়ানো মেসার শট ফিরিয়ে ক্রোয়েশিয়ার ত্রাতা গোলরক্ষক দানিয়েল সুবাসিচ।
৮০তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে ক্রসবার ঘেঁষে বল জালে পাঠান ক্রোয়েশিয়া অধিনায়ক মদ্রিচ।
ছয় মিনিট পর ইভান রাকিতিচের ফ্রি-কিকে বল ক্রসবারে লেগে ফিরলে ব্যবধান বাড়েনি।
বিনোদন সংবাদ: বেশ কয়েক মাস হলো বড় পর্দায় উপস্থিতি নেই টালিগঞ্জের জনপ্রিয় অভিনেতা অঙ্কুশের। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেনিংয়ের বিভিন্ন ছবি বা ভিডিও শেয়ার করাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন তিনি। তবে এবার ভক্তদের মাঝে আবার ফিরে আসছেন অঙ্কুশ। টালিগঞ্জের নায়িকা মিমি চক্রবর্তীকে নিয়ে বড় পর্দায় ফিরছেন তিনি। খবর: আনন্দবাজারের।
হঠাৎ করে সিনেমা থেকে নিজেকে আড়ালে রাখার বিষয়ে অঙ্কুশের দাবি, লুক চেঞ্জ করার জন্যই স্বেচ্ছা বিরতি নিয়েছিলেন তিনি।
বাবা যাদবের পরিচালনায় আগামী ১৫ জুলাই থেকে শুরু হতে চলেছে ‘ভিলেন’ ছবির শুটিং। সেই ছবি দিয়েই আবার ফিরছেন অঙ্কুশ। অঙ্কুশের ভাষ্য, এটা আমার ইমেজ চেঞ্জিং ফিল্ম বলতে পারেন। রমকম ছবি বা নেক্সট ডোর বয় ইমেজে শেষ কয়েকটা সিনেমায় আমাকে দেখেছেন দর্শক। কিন্তু এ ধরনের কাজ আমি অনেক দিন করিনি। অনেক শেড রয়েছে। এটা একটা ক্রাইম থ্রিলার। টলিউডের ফাইনেস্ট ক্রাইম থ্রিলার বলতে পারেন।
রমন জানওয়াল এই ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন। কনসেপ্টও তার। মুম্বাইতে আব্বাস মাস্তানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে রমনের। তবে বাংলায় এই প্রথম কাজ করছেন তিনি।
অন্যদিকে কোরিওগ্রাফার হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর এখন পরিচালক হিসেবেও টালিপাড়ার নিজস্ব জায়গা তৈরি করে ফেলেছেন অঙ্কুশের বাবা যাদব। তার ভাষ্য, এটুকু বলতে পারি, ছবিটা কমন নয়। আলাদা ফ্লেভার পাবেন দর্শক। অনেক টুইস্ট অ্যান্ড টার্নস রয়েছে। অঙ্কুশ এবং মিমি কাজ করছেন। তবে আরও একজন নায়িকা রয়েছেন। সেই কাস্টের খোঁজ চলছে এখনও।
শোনা যাচ্ছে, এই ছবিতে নাকি হিরো এবং ভিলেন- এই দুই চরিত্রেই দেখা যাবে অঙ্কুশকে। তবে ক্রাইম থ্রিলার বলে এখনই ছবির গল্প নিয়ে বেশি কিছু বলতে নারাজ ‘ভিলেন’ সংশ্লিষ্টরা।
বিনোদন সংবাদ: জানা গেল দীপিকা-রণবীরের বিয়ের দিনক্ষন। এই বিয়ে ঘিরে নানা সময়ে বহু কথা শোনা গেলেও এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি দুই তারকা। তবে এ বছরের শেষের দিকে দীপিকাকে যে বিয়ে করতে চলেছেন রণবীর, সেখবর সকলেরই জানা। এবার প্রকাশ্যে এল বিয়ের দিনক্ষণ।
জানা গেছে, আগামী ১০ নভেম্বর সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন দীপিকা-রণবীর। এমনই দাবি এক ইংরেজি ফিল্ম ম্যাগাজিনের। তাই ১০ নভেম্বরের আগে যাবতীয় শ্যুটিং শিডিউল সেরে ফেলছেন দুই তারকা।
ভারতীয় ফিল্ম ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী নভেম্বরের আগে শ্যুটিং ডেট রাখছেন দীপিকা-রণবীর। যদিও এ বিষয়ে দীপিকা বা রণবীরের তরফে কোনও ভাবেই মুখ খোলা হয়নি।
তবে জানা গেছে, বিয়ের আগের কিছু বিশেষ প্রথা ইতিমধ্যেই সেরে ফেলেছে দুটি পরিবার।
এছাড়াও বহু মাস আগে দীপিকার জন্মদিনে মালদ্বীপে দুই পরিবার একত্রিত হয়। ফলে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বিয়ে ঘিরে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার।
আশাশুনি প্রতিনিধি: “সবাই মিলে সচেতন হই, জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিহত করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আশাশুনিতে…
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ আসনে এবি পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন জি এম সালাউদ্দিন শাকিল (এমএ,…
অনলাইন ডেস্ক : ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রধান কিছু অংশে সম্মতি জানানোর পর…