সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২

ভারতে তীব্র তাপদাহে ২০০ মানুষের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তীব্র তাপদাহে পুড়ছে ভারতের দিল্লি, হায়দরাবাদ, লক্ষ্ণৌ ও আহমেদাবাদ। এ মাসে প্রচন্ড গরমে মারা গেছে প্রায় দুইশো মানুষ। জুন পর্যন্ত গরমের তীব্রতা স্থায়ী হবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। এসব রাজ্যের মানুষকে সতর্ক করেছে প্রশাসন।

সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশ, রাজস্থানসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে ধূলিঝড় আর বজ্রবৃষ্টিতে মারা গেছে দেড়শো মানুষ।

এবার উত্তরাঞ্চলে শুরু হয়েছে তাপদাহ। কয়েকটি রাজ্যে ৪০ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। আদ্রতার পরিমাণ বেশি হওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন। তাপদাহে পুড়ে যাচ্ছে ক্ষেতের ফসল, মারা যাচ্ছে বন্যপ্রাণীও। প্রচণ্ড গরমে ব্যাঙ্গালুরুতে দেখা দিয়েছে পানির সংকট।

গরমে পানি শূন্যতা, আমাশয়, ডায়রিয়া ও হিটস্ট্রোকসহ নানা কারণে মহামারী দেখা দেওয়ার আশংকা করছেন চিকিৎসকরা। এ পরিস্থিতিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা। সুপেয় পানি ও হাসপাতালে জরুরি ব্যবস্থা করা এবং জনগণকে সচেতন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে ৩০টি ডপলার রাডার বসিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ। যেগুলো দুর্যোগের দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে সতর্কবার্তা দেবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর থেকেই বিজ্ঞানীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় ২১০০ সালের মধ্যে কোটি কোটি মানুষ মারা যাবে। তারই প্রাথমিক নমুনা হয়তো এই তাপদাহ ও মৃত্যুর ঘটনা। ২০১৩ সাল থেকেই ভারতে তীব্র তাপদাহে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর ঘটনা শুরু হয়েছে। ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে।

গত মাসে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের নবাবশা শহরে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বিজ্ঞানীদের ধারণা বিশ্বের ইতিহাসে এপ্রিল মাসে পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে এটা।

৪ আগস্ট ২০১৭ তারিখে,‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন ৮০ বছর পর দক্ষিণ এশিয়ায় যে গরম পড়বে তা মানুষের বেঁচে থাকার সহ্যসীমা অতিক্রম করতে পারে। তাতে লাখ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে কিংবা এলাকাছাড়া হতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ার সঙ্গে ওই সময় আর্দ্রতার মাত্রা বেড়ে এমনটা ঘটবে।

ওই সময় সারা বিশ্বেই এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও দক্ষিণ এশিয়ার ৩০ শতাংশ মানুষের জন্য এ হুমকি প্রবল। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারতের উত্তরাঞ্চল ও পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ এই ঝুঁকির মধ্যে থাকবে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, কার্বন নিঃসরণের হার না কমানো হলে দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ওয়েট বাল্ব তাপমাত্রার সীমা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে। বিশেষ করে গঙ্গা অববাহিকা, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বাংলাদেশ, চীনের পূর্ব উপকূল, শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চল এবং পাকিস্তানের সিন্ধু অববাহিকায় ওয়েট বাল্বে তাপমাত্রার সীমা চরমে পৌঁছাতে পারে।

মানবজাতির জন্য এই ‘ওয়েট বাল্ব’ রিডিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষের শরীরের ভেতরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর শরীরের ত্বকের তাপমাত্রা থাকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে দেখা যায়, ত্বকের বাইরের তাপমাত্রা কম। এটি কম হওয়ার কারণ শরীরের ভেতরের ‘বিপাকক্রিয়াজনিত তাপ’ (মেটাবলিক হিট) ঘামের মাধ্যমে বাষ্প হয়ে বের হয়ে যায়। কিন্তু বাতাসে যদি ওয়েট বাল্ব টেম্পারেচার বা আর্দ্রতাজনিত তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর বেশি হয়ে যায়, তাহলে শরীর থেকে তাপ বের হওয়ার হার দ্রুত কমতে থাকবে। কারণ ত্বকের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতাজনিত তাপমাত্রা তখন সমপরিমাণ হয়ে যাবে। এমনটি ঘটলে ছয় ঘণ্টার মধ্যে একজন সুস্থ মানুষও মারা যেতে পারে, যেটিকে হিটস্ট্রোক বলে। এর কারণ আর্দ্রতাজনিত তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছার অর্থ হলো মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সর্বোচ্চ সীমা। এ ছাড়া আর্দ্রতাজনিত তাপমাত্রার ক্ষেত্রে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসকেই বিপজ্জনক মাত্রা বলে মনে করা হয়।

এ যাবৎকালে বিশ্বে তাপমাত্রার রেকর্ডের ইতিহাসে ওয়েট বাল্ব বা আর্দ্রতাজনিত তাপমাত্রার সীমা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করার ঘটনা খুবই বিরল। ২০১৫ সালে ইরানে তা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। আর ওই বছরের গ্রীষ্মকালে ভারত ও পাকিস্তানে তীব্র দাবদাহে সাড়ে তিন হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই আশঙ্কা দূর করতে হলে প্যারিস জলাবায়ু চুক্তি মেনে চলতে হবে, যাতে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির পরিমাণ ২ ডিগ্রির নিচে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এক হাজার মণ আম ও ৪০ টন খেজুর ধ্বংস

ন্যাশনাল ডেস্ক: কৃত্রিমভাবে আম পাকানোয় ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই সঙ্গে এক হাজার মণ আম ও ৪০ টন খেজুর জব্দের পর ধ্বংস করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র‍্যাব সদর দপ্তর এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সারওয়ার আলম এবং র‌্যাব-১০ এর পরিচালনায় বিএসটিআই’র ফিল্ড অফিসার মোঃ সহিদুল ইসলাম ও ফরহাদ হোসেনদের সহযোগিতায় বিএসটিআই এর মিনিল্যাব, মেজারিং ডিভাইস স্থাপন করতঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা কালে সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন জেলা হতে অপরিপক্ক কাঁচা আম নিয়ে এসে আমের ঝুড়িতে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকারক ইথোফেন, কার্বাইড ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান দিয়ে পাকানো হচ্ছে। এছাড়াও ক্ষতিকারক অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান দিয়ে দ্রবণ তৈরি করে আমের ঝুড়িতে স্প্রে করে আম দ্রুত পুরোপুরি হলুদ রং ধারণ পূর্বক পাঁকানোর ব্যবস্থা করে যা শিশু ও জন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

যাত্রাবাড়ী ফলের আড়তের মোট ৯টি ফলের দোকানে অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ১০০০ টন কেমিক্যাল যুক্ত অপরিপক্ক আম জব্দ করতঃ ফলের আড়তের সামনে পাকা রাস্তার উপর জন সম্মুখে সে সব আম বুলডোজার দ্বারা ধ্বংস করা হয়।

যে সকল কেমিক্যাল ব্যবহার করে ফল পাকানো হয় সে সব রাসায়নিক বোতলের গায়ে সতর্কীকরণ লেখা থাকে ‘ফল পাকানোর কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ’। গুদামজাতকৃত খেজুরে কোন ধরণের কেমিক্যাল এর উপস্থিতি পাওয়া না গেলেও মেয়াদোর্ত্তীর্ণ হওয়ায় প্রায় ৪০ টন খেজুর জব্দ পূর্বক জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।

র‌্যাবের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সারওয়ার আলম আটককৃতদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও ১টি ফলের আড়তের মালিককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে তাঁতীলীগের একাংশের র‌্যালি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ তাঁতীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার একাংশের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাটিয়া টাউন বাজারে সাতক্ষীরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের নিজস্ব কার্যালয়ে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনাসভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের সাবেক সভাপতি মীর আজহার আলী শাহীন। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক জহিরুল ইসলাম নান্টু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসান ইমাম, পৌর তাঁতীলীগের সভাপতি নুর জাহান সাদিয়া, সাধারণ সম্পাদক শেখ ফিরোজ হোসেন, সৈয়দ ইমাম হোসেন, পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এড. নজরুল ইসলাম, কাজী ওবায়েদ, আলমগীর খান, হুমায়ন কবীর, ৩নং ওয়ার্ড দেলওয়ার হোসেন, আজিজুল ইসলাম, নুর ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড আকাশ হোসেন, পৌর তাঁতীলীগের সম্পাদিকা সাহিদা বেগম ময়না, সাংবাদিক মাসুদ আলী, নেতা নুর ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে অর্থের বিনিময়ে বিবাহিত ও মাদকাসক্তদের দিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার অভিযোগ

মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ : মোটা অর্থের বিনিময়ে মনগড়া উপজেলা ও কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি প্রকাশের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে আশাশুনি উপজেলা কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজনে আশাশুনি কলেজ এলাকা থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। এ সমাবেশে সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘নব-গঠিত কমিটির সভাপতি আসমাউল বিবাহিত। সে আশাশুনি উপজেলার আদালতপুর গ্রামের আজিজ সানার মেয়েকে বিবাহ করিয়াছে। শুধুমাত্র কমিটি নেওয়ার জন্য এই বিবাহকে গোপন রেছেছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে গঁজা, ফেনসিডিল, চাঁদাবাজীসহ একাধিক মামলা আছে। যার নং- টিআর-২৭০/১৫, টিআর-১৮১/১৪, এসটিসি ফেনসিডিল এছাড়াও সে এলাকায় একটি চাঁদাবাজীর চক্র গড়ে তুলেছে। এছাড়াও কমিটির শীর্ষ পদে মাদকাসক্ত ও অছাত্রদের স্থান দেয়া হয়েছে। বক্তারা আরো বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি নির্দেশ থাকা সত্বেও টাকার বিনিময়ে জেলা ছাত্রলীগ তড়িঘড়ি করে কমিটি দিয়েছে। নতুন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটি এখনও প্রকাশ করা হয়নি। সেখানে তড়িঘড়ি করে অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে কমিটি দেওয়া হয়েছে। অছাত্র, বিবাহিত, মাদকাসক্তদের নিয়ে কমিটি বাতিল করা না হলে কঠোর আন্দোলন এবং কঠোর হুশিয়ারী জানান। আশাশুনি ছাত্রলীগের বৃহত্তম অংশটিকে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অছাত্র চাঁদাবাজ মাদকাসক্তদের নিয়ে যে কমিটি দেওয়া হয়েছে অবিলম্বে তা বাতিল করে নতুন করে মেধাবী ছাত্রদের নিয়ে বিভিন্ন সময়ে যারা আন্দোলন সংগ্রামে জড়িত ছিল তাদেরকে দিয়ে কমিটি প্রদানের জন্য এই সমাবেশ থেকে জেলা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।’ এসময় বক্তব্য রাখেন আনুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুজ্জামান বাবু, প্রতাপ নগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মিলন হোসেন, শ্রীউলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল, ছাত্র নেতা আনিছুর রহমান চঞ্চল, মাসুদ রানা, রাসেল, রাজু ও সেলিম প্রমুখ। এসময় আশাশুনি উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরমাণু অস্ত্র কেন্দ্র ভাঙার কাজ শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র ভাঙার কাজ শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবিতে এমনটা দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ এপ্রিলে দুই কোরিয়ার নেতার শীর্ষ সম্মেলনের সময় উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো ভেঙে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। আর সেই মত পারমাণবিক ঘাঁটিগুলোর ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে।

বেশ কয়েকটি সংস্থা জানিয়েছে, ৭ মে থেকে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট তোলা কিছু ছবি বিশ্লেষণ করে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হওয়ার প্রথম সুনির্দিষ্ট কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে। আর এই খবরে স্বস্তিতে বিশ্ব।

অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে বিস্ফোরক দিয়ে বিভিন্ন সুড়ঙ্গ ধ্বংস করে ফেলা হবে। কেন্দ্রটিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা ছাড়াও সরিয়ে নেওয়া হবে পর্যবেক্ষণ এলাকাসহ গবেষণা কেন্দ্রগুলো। তুলে নেওয়া হবে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

আর সেই মতো বিভিন্ন সংস্থা জানাচ্ছে, পরীক্ষা কেন্দ্রটিতে এরই মধ্যে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার জন্য ব্যবহৃত কিছু বস্তু ধ্বংস করা হয়েছে এবং অন্য কয়েকটি ছোট ভবন সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে পরিষদের ইউ ডি সি পরিচালক আহত

পলাশ দেবনাথ নুরনগর: বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০মিনিটের দিকে শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে আহত হয়েছে। সে নুরনগর ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের রব্বানী গাজীর বড় ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নুরনগর পুরাতন মাছের সেট সংলগ্ন আজিজ মার্কেটের নিচ তলায় রাশেদের নিজের প্রতিষ্ঠান সকাল বস্ত্রালয়ে প্রতি দিনের ন্যায় দোকান খোলেন তিনি। ঘটনার আগের দিন রাতে বৃষ্টি হওয়ায় ৩য় তলা ভবনের ছাদে পানি জমে থাকায়, দোকানের সামনে ছাদ থেকে পাইপ দিয়ে পানি পড়তে থাকে এসময় সে ৩য় তলার ছাদে উঠে পাইপের ভিতর লাঠি দিয়ে পরিস্কার করতে গিয়ে ভবনের গা ঘেসে থাকা বিদ্যুতের মেইন লাইনে স্পৃষ্টে মারাত্বক ভাবে ঝলসে যায়। প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানায় ছাদে পানি জমার কারনে শেওলা জমে জুতা পিছলে বিদ্যুতের তারের উপরে মাথা লেগে ছিটকে পড়ে যায় সে। সাথে সাথে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পল্লি চিকিৎসক আয়ুব আলীর চেম্বারে নিয়ে যায় এবং পরে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনাস্থ গাজী মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত তার স্বজনরা জানায় রাশেদ খুলনা গাজী মেডিকেলে ভর্তি আছে এবং তার শারীরিক অবস্থ’ার উন্নতি হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার দাবিতে স্বাগত র‌্যালি

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: দিনের বেলা হোটেল রেস্তরা বন্ধ রাখতে, দ্রব্য মুল্যের উর্দগতি রোধসহ সকল প্রকার অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে ইসলামী অন্দোলন বাংলাদেশ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার দাবিতে স্বাগত র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টায় কালিগঞ্জ বাঁশতলা মোড় থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফুলতলা মোড়ে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী অন্দোলন বাংলাদেশ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক তাইজুল ইসলাম যুগ্ন আহবায়ক নুর আলম, মুফতি মাওলানা আবুল হোসেন ইসলামী অন্দোলন বাংলাদেশ কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য মো:হাবিবুল্লাহ,আজিজুর রহমান,আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জোরালো হচ্ছে মার্কিন ইহুদিদের ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব-বিবেকের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে ইসরায়েলের ফিলিস্তিন-নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে মার্কিন ইহুদিরা। ট্রাম্প-নেহানিয়াহুকে মধ্যপ্রাচ্যের ‘শান্তির শত্রু’ আখ্যা দিয়ে আখ্যা দিয়ে জায়নবাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হচ্ছে তারা। উদার ইহুদি সংগঠনগুলো ইসরায়েলি দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনিদের ওপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পথে পথে প্রতিবাদে নেমেছে। ৪ বছর আগের এক জরিপে আভাস মিলেছিল, মার্কিন ইহুদিদের মাত্র ৩৮ শতাংশ ইসরায়েলি নীতি সমর্থন করেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, সেই সমর্থন ক্রমেই আরও কমে আসছে। বিপরীতে জোরালো ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান নিয়ে সংগঠিত হচ্ছে মার্কিন ইহুদিরা।

ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে ১৯৪৮ সালের ১৫ মে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসরায়েল নামের রাষ্ট্র। ১৯৭৬ সালের ৩০ মার্চ ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে ইহুদি বসতি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় ছয় ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়। পরের বছর থেকেই ৩০ মার্চ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত পরবর্তী ছয় সপ্তাহকে ভূমি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে ফিলিস্তিনিরা। এবারের কর্মসূচির শেষ ২ দিনে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ জোরালো হয়ে উঠলে ৬০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। কেবল সোমবারের বিক্ষোভেই ৫৮ ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়। আহত হয় ২৭০০ মুক্তিকামী।এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ইফনটনাউ, জেউইশ ভয়েস ফর পিস, জে স্ট্রিট, জিউস ফর রেসিয়াল এন্ড ইকোনোমিক জাস্টিসসহ বিভিন্ন উদার ইহুদী সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করছে।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের একক রাজধানীর স্বীকৃতি দেন। এর বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে তুমুল নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়ে সামিল হন ইহুদি ধর্মাবলম্বী হলিউড তারকারাও। সোমবারের সহিংসতার আগেই  গত মাসে ‘জেনেসিস প্রাইজ’ গ্রহণে ইসরায়েল যাওয়ার কথা থাকলেও তাদের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন নাটালি পোটর্ম্যান। তিনি বলেছিলেন, সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনাবলী খুবই হতাশ করেছে তাকে। সোমবারের ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে  কমেডিয়ান সারাহ সিলভারম্যান এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘ইহুদিদের এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা করা উচিত।’

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, তারা গাজার উগ্র ফিলিস্তিনিদের কাছ থেকে তাদের নাগরিককে রক্ষা করছে।। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালিসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য কর্মকর্তার নীতিগত অবস্থানও একই ধরনের। তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সাধারণ ইহুদিদের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যরকম। ইফনটনাউ সংগঠনের মুখপাত্র এথান মিলার বলেন, ‘আমাদের নাম করে সহিংসতা করা হচ্ছে। সেই হত্যাযজ্ঞে নিহত হয়েছে অর্ধশতাধিক। আমরা  চুপ বসে থাকতে পারি না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সংগঠিত প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে জানাতে চাই, আমরা কোনভাবেই এই দখলদারিত্বের পক্ষে নই। আমরা এর বিরুদ্ধে।’

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের একক রাজধানীর স্বীকৃতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় শ্বজুড়ে তুমুল নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উপেক্ষা করে সোমবার জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তর করে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১শ ইহুদি ঘটনার প্রতিবাদে ওয়াশিংটনের ট্রাম্প টাওয়ার সংলগ্ন রাস্তা আটকে ২ ঘণ্টা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। ‘সহিংসতা বন্ধ করো’, ‘ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার মধ্যেই ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নিহিত’, ‘আমরা একটি ভালোবাসার বিশ্ব গড়তে চাই’ লেখা টি শার্ট পড়ে বিক্ষোভে অংশ নেয় তারা। তারা দাবি তোলে দখলদারিত্বের দূতাবাসের বিপরীতে একটি স্বাধীনতার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার। এদিকে মার্চের শেষ দিকে দেশজুড়ে ৪৫টি আন্দোলন করতে সাহায্য করেছে জেউেইশ ভয়েস ফর পিস। সোমবার নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, মন্টচেয়ার নিউ জার্সি, ফিলাডেলফিয়া, বোস্ট, ওহাইও, ওয়াশিংটন ও নিউ ইয়র্কেও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে তারা।  সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রেবেকা ভিকোমারসন জেরুজালেমে দূতাবাস উদ্বোধনের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছিলো এদিনটা ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সম্পর্কে ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে দিন। লজ্জার দিন। ফিলিস্তিনিরা যখন তাদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হচ্ছে তখন ইসরায়েল অনুষ্ঠান করছে। এটা সত্যি লজ্জার। রেবেকা বলেন, ‘আমাদের নাম নিয়ে যা করা হচ্ছে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

উল্লেখ্য, ইহুদি ধর্মের নামে, ‘জায়নবাদ’ নামের মতবাদের মধ্য দিয়েই ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসরায়েল রাষ্ট্র। জায়নবাদ ইহুদি ধর্মের দর্শন নয়, এটি একটি রাজনৈতিক মতবাদ; অলীক রূপকথায় যে মতবাদের শরীর গড়ে উঠেছে। জায়নবাদের ভাষ্য, জেরুজালেমসহ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত পবিত্র নগরীতে স্রষ্টা তাদের অধিকার ফিরিয়ে নিতে বলেছিল! ইতিহাসে নজর ফেরালে দেখা যায়, ১৮ শতক থেকে জায়নবাদ নামের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ইউরোপসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ইহুদিরা তাদের বর্ণবাদী ধারণার বিস্তার ঘটিয়ে দখল হওয়া ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম দেন। জায়নবাদের মাধ্যমে তখন থেকে আজ পর্যন্ত ইহুদি জনগণের মনে ফিলিস্তিনবিরোধী বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান।

২০১৩ সালে করা পিউ রিসার্চের এক জরিপ বলছে, গত এক দশকে মার্কিন ইহুদিরা ইসরায়েল রাষ্ট্রের জায়নবাদী নীতির বিরুদ্ধে ক্রমেই অবস্থান জোরালো করছে।   মাত্র ৩৮ শতাংশ মার্কিন ইহুদি মনে করেন ফিলিস্তিনের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যথাযথ ভূমিকা নিচ্ছে ইসরায়েল। আর চলতি বছরে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎস-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ইসরায়েলি নীতির বিরুদ্ধে মার্কিন ইহুদিরা ক্রমেই বিরক্ত হয়ে উঠছেন। তারা মনে করছে, দখলদারিত্ব আর হত্যাযজ্ঞের কারণে খোদ তাদের ধর্ম নিয়ে বিশ্ববাসীর নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে। তারা কমবেশি সবাই মনে করছেন, ট্রাম্প-নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি বিঘ্নিত করে চলেছেন।

দ্য ফেইলার অব দ্য আমেরিকান জিউশ এস্টাবলিশমেন্ট শীর্ষক প্রবন্ধের লেখক পিটার বেনার্ট বলেন, ‘কয়েক দশক ধরে জিউশ এস্টাবলিশমেন্ট মার্কিন  ইহুদিদের উদারপন্থা ত্যাগ করে জায়নবাদের পথে আসতে প্ররোচিত করেছে। তবে এখন দেখা যাচ্ছে, সেই জিউশ এস্টাবলিশমেন্ট-এর পক্ষের তরুণদের মধ্যেও  জায়নবাদবিরোধী অবস্থানই দিনকে দিন প্রবল হচ্ছে।’ যুক্তরাষ্ট্রের উদারপন্থী ইহুদিদের সংগঠনগুলো ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, তারা জায়নবাদের সমর্থক মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈরিতার মুখোমুখি হয়ে থাকেন প্রায়শই। রেবেকা বলেন, ‘প্রায়ই আমাদের মতো সংগঠনকে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো চাপ দেয়। কারণ আমরা ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলি। অনেকে ইসরায়েলের এমন আচরণে নিজেদের ইহুদি ধর্মের উদারবাদী আলো থেকেও বিচ্ছিন্ন  হয়ে যাচ্ছে। আমাদের সংগঠনের মাধ্যমে আবারতাদের উদারবাদী ইহুদি চৈতন্যের পথে ফেরানোর চেষ্টা করছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest