সর্বশেষ সংবাদ-
ভূমিকম্পনে কাপল সাতক্ষীরাজীবন-জীবিকা খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারসাতক্ষীরায় জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের কর্মবিরতিসাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নে কাজ করা হবে- হাবিবুল ইসলাম হাবিবসাতক্ষীরা জেলা নাগরিক ঐক্যের সভাপতির নেতৃত্বে ২১৭ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদানচ্যানেল -নাইন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মাহমুদ হাসানসাতক্ষীরায় চাকুরী মেলায় চাকুরী পেলেন ৮ জনসাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের বিজয় নিশ্চিত করতে গণসংযোগ ব্যস্ত সময় পারছেন দলীয় নেতাকর্মীরাসাতক্ষীরা-২ আসনের অলিগলিতে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন সাবেক এমপি আশুWie man bei Cipherwins Casino sicher ein- und auszahlt

দেবহাটায় ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

কে এম রেজাউল ইসলাম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার পল্লীতে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষিতা ওই ছাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরায় প্রেরণ করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর নাংলা গ্রামের মৃত শহিদুল্লা গাজীর ছেলে রাশিদুল ইসলাম (৩৭) এর নাংলা বাজারে একটি কসমেটিকসের দোকান আছে। গত ৫ মে সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে নাংলা ফাতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার পথে রাশিদুল তাকে প্রলোভন দেখিয়ে দোকানের পিছনে নিয়ে ধর্ষন করে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে রাশিদুল মিমাংসার চেষ্টা করে। কিন্তু বিষয়টি মিমাংসা না হওয়ায় ওই ছাত্রীর পিতা আলতাফ হোসেন বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং- ০৫। ধর্ষিতা ঐ ছাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরায় প্রেরন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চা-কফি পানের নানা দিক
স্বাস্থ্য ও ডেস্ক: শরীরকে চাঙ্গা রাখতে পৃথিবী জুড়ে প্রচলিত বিভিন্ন পানীয় রয়েছে; যার মধ্যে মানুষ দুই ধরনের পানীয় বেশি পছন্দ করেন। এ দুটি হলো চা এবং কফি। সকালের নাস্তায় কিংবা বিকালে কাজের ফাঁকে অনেকেই বেশ পছন্দ করে থাকে এক কাপ চা কিংবা কফি। এটা অনেকেরই প্রতিদিনের অভ্যাস। চা বা কফি পানের যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে তেমনি সঠিক সময়ে বা উপায়ে গ্রহণ না করলে সৃষ্টি হতে পারে নানা সমস্যা। দিনে ২-৩ বার চা বা কফি পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা যেতে পারে। চা বা কফিতে রয়েছে ক্যাফেইন। ক্যাফেইন এমন এক ধরনের উদ্দীপক উপাদান যা শরীরের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি করে। দৈনিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যাফেইন গ্রহণ করলে ক্লান্তি দূর হয়ে শরীরের একঘেয়েমি কাটিয়ে কর্ম ক্ষেত্রে থাকা যাবে উজ্জীবিত। চা পানে শরীর-মন সতেজ থাকবে এটি একটি সাধারণ বিষয়। তবে এগুলো ছাড়াও চায়ের অনেক স্বাস্থ্যগত উপকার রয়েছে। চা পানের কারণে মূত্রথলির ক্যান্সার, পাকস্থলীর ক্যান্সারসহ সব ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে আসে। এ ছাড়া গ্রীনটি পানে উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। ব্ল্যাকটি পানের কারণে শরীরের অবসাদ দূর হয়।
তবে অতিরিক্ত চা কিংবা কফি পানে শরীরের নানা ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। খাবার খাওয়ার আগে চা-কফি পান করলে হজম বাধাগ্রস্ত হয় এবং খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায় না। অতিরিক্ত চা-কফি সেবনে এক ধরনের অসক্তি সৃষ্টি হয়; যা ঠিক নয়। এ ছাড়া রক্তে অতিরিক্ত ক্যাফেইন রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এতে প্রতিদিনের স্বাভাবিক ঘুমের অভ্যাস নষ্ট হয়। অতিরিক্ত চা বা কফি শরীরে ক্ষুধামন্দা তৈরি করে। ফলে দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকলে শারীরিক ভাবে দুর্বলতা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া আলসার ও গ্যাস্ট্রিক-এর ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে অতিরিক্ত মাত্রায় চা-কফি গ্রহণে। তাই চা-কফি পানের সুফল পেতে প্রতিদিন স্বল্প মাত্রায় গ্রহণ করাই শ্রেয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৮, আহত শতাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অন্তত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো শতাধিক ফিলিস্তিনি। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেরুজালেমে মার্কিন কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে সোমবার ছোট পরিসরে অন্তর্বর্তীকালীন দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র।

এই দূতাবাসের কার্যক্রম উদ্বোধন করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ট্রাম্প এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার বর্তমানে জেরুজালেমে রয়েছেন।

মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর ও ইসরায়েলের দখলদারির বিরুদ্ধে পুরো সীমান্ত এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেছেন ফিলিস্তিনিরা। সীমান্ত বেড়া পেরিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করছেন তারা। ইসরায়েলি বাহিনীর গুলি ও টিয়ারগ্যাসে ১৬ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে টাইমস অফ ইসরায়েল।

১৯৪৮ সালের ১৫ মে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রত্যেক বছর এই দিনটিকে ফিলিস্তিনিরা ‘বিপর্যয়’ বা ‘নাকাবা’ দিবস হিসেবে পালন করে। ওই বছর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তাদের নিজ ভূখণ্ড থেকে বিতাড়িত হয়।

একই সঙ্গে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার বিরুদ্ধেও সোমবার প্রতিবাদ করছেন ফিলিস্তিনিরা। গত ৬ ডিসেম্বরে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকেই অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অত্যন্ত সুরক্ষিত সীমানা বেড়া পেড়িয়ে ইসরায়েলে ঢোকার চেষ্টা করেছেন। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিতে গাজায় লাখো ফিলিস্তিনি পৌঁছেছেন।

তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেয়ার প্রতিবাদে পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ ও হেবরনেও বিক্ষোভ করছেন ফিলিস্তিনিরা। জেরুজালেম থেকে উত্তরাঞ্চলের রামাল্লাহকে বিভক্তকারী কালানদিয়া সামরিক তল্লাশি চৌকির কাছেও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন তারা।

ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে এই বিক্ষোভ করে আসছে। ১৫ মে এই বিক্ষোভ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাস্ত্যুচুত হয়। ইসরায়েলি অবৈধ ভূমি দখলকে ফিলিস্তিনিরা বিপর্যয় হিসেবে মনে করে।

ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিজ ভূখণ্ড ফেরতের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে ইসরায়েল বলছে, তাদের উচিত গাজা এবং পশ্চিম উপত্যকায় ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

স্থানীয় সাংবাদিক মারাম হুমাইদ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, ‘বিক্ষোভে যতসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছেন তা নজিরবিহীন। গত সাত সপ্তাহের প্রতিবাদে এমন জনসমাবেশ দেখা যায়নি।’

গাজা উপত্যকার ২০ লাখ মানুষের ৭০ শতাংশ উদ্বাস্তু হয়ে জীবন কাটাচ্ছে। গত ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ ফিলিস্তিনি মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছে আরো অন্তত সাড়ে ৮ হাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ মাসে ‘গৃহ হিংসা’র শিকার ৮০০ পুরুষ!

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: ভারতের মধ্যপ্রদেশ পুলিশ সম্প্রতি এক সমীক্ষায় জানতে পেরেছে, গত ৪ মাসে দেশটিতে ৮০০ জন পুরুষ গৃহ হিংসার শিকার হয়েছেন। স্বামীকে মারধরসহ বিভিন্ন ধরনের গৃহ হিংসার শিকার পুরুষ ১০০ ডায়ালে ফোন করে তাদের কষ্টের কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলে মনে করছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ১০০ ডায়ালের জনসংযোগ আধিকারিক হেমন্ত শর্মা বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা সব গৃহ হিংসার ঘটনাকে একসঙ্গে রেখেছিলাম। কিন্তু এবার স্বামীর ওপর স্ত্রীর অত্যাচারের ঘটনাগুলোকে আলাদা করতে শুরু করেছি।’‌

এমনটা করতে গিয়েই দেখা যায়, গত চারমাসে ৮০০টি এরকম ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ এই সংখ্যাটা দেখে নতুন একটি বিভাগ তৈরি করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘‌স্বামীর ওপর স্ত্রীর অত্যাচার’‌।

জানা গেছে, জানুয়ারিতে ১৫৮টি, ফেব্রুয়ারিতে ১৭৯টি, মার্চে ২১২টি এবং এপ্রিলে ২৫৩টি স্বামীর ওপর স্ত্রীর অত্যাচারের ঘটনার অভিযোগ বিভিন্ন পুলিশ থানায় দায়ের হয়েছে। পুলিশ সব ঘটনাগুলোকেই গুরুত্ব সহকারে দেখছে।

অন্যদিকে সমাজতত্ত্ববিদরা জানান, চারমাসে স্ত্রীর ওপর স্বামীদের নির্যাতনের সংখ্যাটা প্রায় ২২ হাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে দু’দিনে ১৩ জেলে অপহরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুন্দরবনের মুক্তিপণের দাবিতে দুই দিনে ১৩ জেলেকে বনদস্যু কাজল বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ করা হয়েছে। গতকাল রোববার ও আজ সোমবার ভোরে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। চালতেবাড়িয়া ও পালুকাটির দুনে খাল থেকে কাঁকড়া শিকারের সময় ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে তাঁদের অপহরণ করা হয়।
আজ ভোরে অপহৃত জেলেরা হলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সিংহরতলী গ্রামের আবদুল মজিদ গাজী (৩৩), একই গ্রামের সৈয়দ আলী গাজী (৪০), বাসুরাম ভাঙি (৩৯), লিয়াকত গাজী (৪৫), মফিজুল ইসলাম (৩৫) ও সোহাগ হোসেন (২৫)।
গতকাল ভোরে অপহৃত জেলেরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের রাশেদুল ইসলাম (২৮), একই গ্রামের বিশ্বনাথ সানা (২৮), বিশ্ব মণ্ডল (২০), জয়দেব মণ্ডল (২৫), পরিতোষ মণ্ডল (২৪), মাছুম গাজী (২৩) ও দক্ষিণ কদমতলা গ্রামের রমেশ মণ্ডল (২০)।
ফিরে আসা জেলে আনিছুর রহমান বলেন, এক সপ্তাহ আগে কদমতলা বন অফিস থেকে বৈধভাবে পাস নিয়ে তাঁরা সুন্দরবনে যান কাঁকড়া শিকার করতে। গতকাল দুপুরে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদসংলগ্ন দুনে খালে কাঁকড়া শিকার করার সময় বনদস্যু কাজল বাহিনীর পরিচয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পরে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণের দাবি করা হয়। তিনি আরও জানান, অপহরণকৃত জেলেদের বাড়িতে খবর দেওয়ার জন্য তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বন বিভাগ সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বনদস্যু কাজল বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিপণের দাবিতে তাঁদের অপহরণ করেছে। জেলেদের কাছ থেকে তিনি শুনেছেন।
সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন কর্মকর্তা জি এম রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি জেলে অপহরণের কথা শোনার পর নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে টহল দল পাঠিয়েছেন। তবে জেলেদের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে কোটি টাকার সরকারি রাস্তা ধ্বংস করেছে মতির ঘের

কালিগঞ্জ প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে আইনের নীতিমালা না মেনে প্রভাব খাঁটিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কােটি টাকার সরকারি রাস্তা ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করছে এলাকায় শিল্পপতি হিসেবে পরিচিত ইটের ভাটা মালিক ও ঘের ব্যবসায়ী মতিউর রহমান মতি (ভাটা মতি)।
সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, কালিগঞ্জ সার্কেল অফিস সংলগ্ন তালেব গাজীর মোড় থেকে পাউখালী ২ কিলোমিটার রাস্তাটি মতির ৩০ বিঘা জমির মৎস্য ঘেরের কারনে হুমকির মুখে পড়েছে। ওই রাস্তাদিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষসহ যানবহন চলাচল করে। জনবহুল রাস্তার যমুনার চর কালর্ভাটের পাশে উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের মৃত কামাল হোসেনের ছেলে মতিউর রহমান মতি মাছ চাষের জন্য গভীর খনন করেছে। তবে ঘেরের আলাদা বাঁধ না থাকার কারনে রাস্তাটি ধস নেমে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এ নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই স্থানীয় প্রশাসনের। যার কারণে ওই রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ ও ছোট-বড় যানবাহন চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এব্যাপারে স্থানীয় উজ্বল, শামীম সহ অনেকে জানান মতিউর রহমান মতি প্রভাবশালী হওয়ায় সে কাউকে তোয়াক্কা করে না এজন্য সে নিজের ইচ্ছামত সরকারী রাস্তাকে ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যাবহার করে দেশের অনেক বড় ক্ষতি করছে। এছাড়া খালেক নামের একজন পথচারী বলেন তাদের চলাচলের জন্য ওই রাস্তাটি ছাড়া আর কোন রাস্তা নেই সরকার রাস্তাটি পিচ করে দিয়েছে মানুষের কষ্ট লাঘব করার জন্য কিন্তু এই ঘেরের মালিকের কারনে রাস্তাটি ধস নেমে নষ্ট হচ্ছে। এ ব্যাপারে ঘের মালিক মতিউর রহমান মতির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ১০ বছর আগে ৩০ বিঘা জমির মুল্য সমমানের টাকা দিয়ে নিজের অর্থায়নে ওই রাস্তা পিচের রোড করে দিয়েছিলেন। তবে খুব দ্রুত ঘেরের পাশের রাস্তাটি নিজের অর্থায়নে মেরামত করে দিবেন এবং ঘেরের আলাদা বাঁধ দিয়ে সরকারি রাস্তা বাঁধ হিসেবে ব্যবহার করবেন না বলে তিনি জানান। সরকারী রাস্তাকে ঘেরের বাঁধ হিসেবে ব্যাবহার করার ব্যাপারে কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহাবুল আলম বলেন রাস্তার পাশে ঘের করতে হলে সরকারি কিছু নিয়ম নীতি আছে। তবে মতি সাহেবকে অনেকবার বল্লেও উনি কোন প্রকার গুরত্ব দেননা। সে রাতের আধারে ২০ থেকে ২৫ টনের ট্রাক ওই রাস্তার পাশে রেখে ঘেরের মাছ লোড করে। যার কারণে রাস্তাটি আরও ভেঙে যাচ্ছে। তাকে আলাদা বাঁধ দেওয়ার জন্য বলতে বলতে তিনি ক্লান্ত হয়ে গেছেন তার টাকা থাকলেও কোন মান-সম্মান নেই বলে তিনি জানান। তার মৎস্য ঘেরের বাঁধ না থাকার কারণে সরকারি রাস্তার যে ক্ষতি হচ্ছে সেটা অতি দ্রুত প্রতিকারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব গৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ এবং স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী হিসেবে বাংলাদেশ ৫৭ তম দেশ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহম্মেদ ওয়াজেদ (সজীব ওয়াজেদ জয়) কে অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদে প্রস্তাব পাস হয়েছে। সোমবার (১৪ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব পাস হয়।

সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনের ১৩ তলায় মন্ত্রিপরিষদের নতুন সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন সভাকক্ষে সভা হওয়া উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে একটি অভিনন্দন প্রস্তাব ও দু’টি শোক গৃহীত হয়।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাস হয়। পাশাপাশি জাতীয় অধ্যাপক মোস্তফা নূরুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মাইদুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের বর্ষসেরা নেইমার

ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানের বর্ষসেরা পুরস্কারের খেতাব হাতে তুললেন বার্সেলোনা থেকে বিশ্ব রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে পিএসজিতে যোগ দেওয়া নেইমার। প্রথম মৌসুমেই ক্লাব সতীর্থ এডিনসন কাভানি ও কিলিয়ান এমবাপ্পেকে হটিয়ে বাজিমাত করলেন তিনি। রবিবার রাতে নেইমারের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তারই জাতীয় দল ব্রাজিলের সাবেক কিংবদন্তি রোনালদো।

এ সময় নেইমার কালো ও সোনালী রঙের মিশ্রনে একটি আভিজাত জ্যাকেট পড়ে এসেছিলেন। পুরস্কার জয়ের পর তারকা এ স্ট্রাইকার বলেন, ‘আমার সকল সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞতা রইল। এমন একটি মৌসুম শেষ করতে পেরে আমি খুবই খুশি ও সম্মানীত। আসলে সতীর্থদের ছাড়া এই পুরস্কার আমার কখনোই জেতা হতো না।’

এ মৌসুমে উনাই এমরির অধীনে পিএসজি লিগ ওয়ানের শিরোপা পুনরুদ্ধান করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে অবশ্য নেইমার মাঠে বাইরে রয়েছেন। লিগের ম্যাচে মার্শেইর বিপক্ষে খেলতে গিয়ে হাঁটুর চোটে পড়েন। তবে এর আগে লিগে ২০ ম্যাচে ১৯ গোল করে পুরস্কারটির দাবিদার হয়ে ওঠেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest