সর্বশেষ সংবাদ-
সেতু-রাস্তাঘাট-শিক্ষা উন্নয়নের ঘোষণা ধানের শীষে ভোট চাইলেন – হাবিবুল ইসলামইসলামী শ্রম নীতি প্রতিষ্ঠা হলে শ্রমিকরা তাদের অধিকার ফিরে পাবে: মুহা: আব্দুল খালেককলারোয়ায় বাড়ি ঘর ভাংচুর ও চার লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরায় সাংবাদিকের উপর নকল সার সিন্ডিকেট হোতার হামলার প্রতিবাদ নতুন বাংলাদেশ গড়তে ধানের শীষের বিকল্প নেই- আব্দুর রউফসাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানানো ব্যানারেও গণভোট সফল করার আহ্বানকলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরসাতক্ষীরার ৩২৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারশ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় জামরুল!

স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের দেশে ফল হিসেবে জামরুলের চাহিদা খুব একটা বেশি নয়। কিন্তু এই ফলটিতে রয়েছে অসাধারণ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান। আর ডায়বেটিসসহ আপনার বেশ কিছু রোগের প্রতিষেধক হিসেবেও এর অবদান কম নয়।

বলা হয়ে থাকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের ফল জামরুল। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডে প্রচুর জামরুল হয়। আমাদের দেশেও এখন বাণিজ্যিকভাবে জামরুলের চাষ হচ্ছে। সাধারণত মাঘ মাস থেকে চৈত্র মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসে আর চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাসের মধ্যে পাকা জামরুল পাওয়া যায়।

দেখতে ছোট ফল হলেও কাজ করে সাইজে বড় ফলের সমান! এতে আছে তরমুজ ও আনারসের সমান খনিজ পদার্থ। আম ও কমলার চেয়ে তিনগুণ! ক্যালসিয়াম ধারণের দিক থেকেও আঙুরকে হার মানিয়েছে জামরুল। একটি লিচুর সমান ক্যালসিয়াম পাবেন আপনি একটি জামরুলে। এখানেই শেষ নয়, জামরুলে আছে পেঁপে ও কাঁঠালের চেয়ে বেশি আয়রন এবং আম, কমলা ও আঙুরের চেয়ে বেশি ফসফরাস। তাই দেখতে ছোটখাটো হলেও জামরুলকে হেলাফেলায় নেয়ার কোনো কারণ নেই।

কেন খাবেন :
১. ক্যান্সার প্রতিরোধের উপাদান সমৃদ্ধ জামরুল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
২. জামরুলে আছে ভিটামিন সি এবং ফাইবার, যা হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।
৩. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে জামরুল খুবই উপকারী একটি ফল।
৪. জামরুল ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৫. জামরুল মস্তিষ্ক ও লিভারের যত্নে টনিক হিসাবে কাজ করে।
৬. জামরুল ভেষজগুণ সমৃদ্ধ ফল। বাত নিরাময়ে এটি ব্যবহার করা হয়।
৭. চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতেও জামরুলের ভূমিকা অনন্য।
৮. প্রতিদিন একটি তাজা জামরুল খেলে আপনার পুষ্টিহীনতা কিছুটা হলেও পূরণ করা সম্ভব

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায় লবঙ্গ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রাকৃতিক শক্তির দিক থেকে লবঙ্গের কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে।  বেশ কিছু আধুনিক গবেষণাতেও এই কথাটি প্রমাণিত হয়েছে।  শুধু তাই নয়, একথাও প্রমাণিত হয়েছে যে এই প্রকৃতিক উপাদানটি ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করে।

লবঙ্গে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম।  এই সবকটি উপাদানই নানাভাবে শরীরে কাজে লেগে থাকে।  বেশ কিছু আধুনিক গবেষণাতে দেখা গেছে, প্রাকৃতিক শক্তির দিক থেকে লবঙ্গের কোনো বিকল্প নেই।

১. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ: 
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত একাধিক অ্যান্টি-অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ যেকোনো ধরনের জীবাণুকে মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো সংক্রমণের থেকে দূরে থাকতে অনেকেই নিয়মিত লবঙ্গ খেয়ে থাকেন।

২. লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:
লবঙ্গে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের মধ্যে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩. দাঁতের ব্যাথা নিমেষে কমে:
লবঙ্গতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু বিক্রিয়া করে যে নিমেষে দাঁতের যন্ত্রণা কমে যায়। তাই তো এবার থেকে দাঁতে অস্বস্তি বা মাড়ি ফোলার মতো ঘটনা ঘটলে কয়েকটা লবঙ্গ চা খেয়ে নেবেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৪. ত্বকের সংক্রমণ সারাতে কাজে আসে:
এবার থেকে কোনো ধরনের ত্বকের সংক্রমণ হলেই চোখ বুজে ক্ষতস্থানে লবঙ্গের রস বা এই প্রকৃতিক উপাদানটি দিয়ে বানানো চা লাগাতে ভুলবেন না। এমনটা করলে দেখবেন কষ্ট কমতে একেবারে সময়ই লাগবে না।  আসলে লবঙ্গে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে জীবাণুদেরও মেরে ফেলে।  ফলে সংক্রমণজনিত কষ্ট কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
লাঞ্চ বা ডিনারের আগে লবঙ্গ দিয়ে বানানো এক কাপ গরম গরম চা খেলে হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেটের দিকে রক্ত প্রবাহেরও উন্নতি ঘটে। ফলে খাবার হজম হতে সময় লাগে না। তাই যাদের কম ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার খেলেও বদ-হজম হয়, তারা লবঙ্গ চা পান করে একবার দেখতে পারেন।

৬. জ্বরের প্রকোপ কমায়:
লবঙ্গে থাকা ভিটামিন কে এবং ই, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাসেরা সব মারা পরে। ফলে ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।  প্রসঙ্গত, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার হয়ে যাওয়ার পর সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে বৃষ্টি-বজ্রপাতে নিহত ৪০

ভারতজুড়ে ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও ঝড়ো আবহাওয়ায় কমপক্ষে ৪০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

শক্তিশালী ধুলিঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাতে উত্তর প্রদেশ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৮ জনের। অন্ধ্র প্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। রাজধানী দিল্লীতে মারা গেছেন ৫ জন ও পশ্চিমবঙ্গে ১১ জন।

বেশিরভাগ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে স্থানীয় সময় গতকাল রোববার রাতে। এতে প্রাণহানীসহ বাড়িঘর ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তরগুলো বলছে, আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এই বিরূপ অবস্থা জারি থাকবে। ভারী বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে।

ভারতের স্থানীয় নৌবন্দরগুলোকে মধ্যম মাত্রার (অরেঞ্জ ক্যাটাগরি) সতর্কতা দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এতে উত্তরের পাহাড়ি এলাকা, উত্তর –পূর্ব ও ওড়িশা এলাকার আবহাওয়া মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে।

সূত্র আরও জানায়, এই শক্তিশালী ধুলিঝড়ে উত্তর প্রদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উত্তর প্রদেশের সামবালপুরে বজ্রপাতের কারণে প্রায় ১০০ ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। ঝড়ে অন্ধপ্রদেশে কমপক্ষে আটজন প্রাণ হারিয়েছে, যার বেশিরভাগ মানুষ ছিল শ্রীকাকুলাম জেলার। তেলেঙ্গানায় তিনজন কৃষক নিহত হয়েছে।

এ ছাড়া দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গে বজ্রপাত ও ঝড়ে চার শিশুসহ মোট নয়জনের প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছে। দিল্লির ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিওনে পাঁচজন নিহত হয়েছে। এর মধ্য বৃহত্তর নয়দায় বিলবোর্ডের নিচে চাপা পড়ে একজন স্কুটারচালক মারা গেছেন এবং তাঁর ছেলে আহত হয়েছেন।

বিমান বন্দরের একজন মুখপাত্র বলেন, রোববার সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়। প্রায় ৭০টিরও বেশি বিমান বাতিল করা হয়।

এই ঝড়ে দিল্লির মেট্রো রেল সেবাও বাধাপ্রাপ্ত হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট হাজার হাজার যাত্রী ব্লু লাইনে আটকে থাকে। ঝড়ের সতর্কতাস্বরূপ মেট্রো রেল স্বাভাবিক গতির চাইতে ধীরে চলেছে।

বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর আকাশ কালো হয়ে যায়। তারপরই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ে রাস্তায় গাছ পড়ে দিল্লির রাস্তায় বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়।

আবহাওয়া অফিস বলছে, জম্মু ও কাশ্মীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে হরিয়ানায় ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়। হরিয়ানা থেকে নাগাল্যান্ডের পূর্ব-পশ্চিমমুখী বাতাস এবং বঙ্গোপসাগরের পূর্বমুখী বাতাস ঝড়ের গতিকে আরো বেগবান করছে।

মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় বলেন, ঝড়ে প্রাণহানির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সাহায্য প্রদান করা হবে।

গত সপ্তাহে আবহাওয়া কার্যালয় থেকে দেশটির ১৩টি রাজ্যে বড় ধরনের ঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। এই সতর্ককতার কারণে দিল্লি, চন্ডিগড় এবং হরিয়ানার সব বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও জরুরি সেবার জন্য সবাইকে প্রস্তুত রাখা হয়।

এর আগে এই মাসের শুরুতে বৃষ্টির সঙ্গে ধুলিঝড়ে উত্তর প্রদেশ ও রাজস্থানসহ পাঁচটি রাজ্যে ১০০ জনেরও বেশি প্রাণহানি ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বেবি জান’ এ নজর কাড়লেন শাকিব (ভিডিও)

পোস্টার, টিজারের পর শাকিব খানের ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির একটি পূর্ণাঙ্গ গান প্রকাশ করা হয়েছে। গানের শিরোনাম ‘বেবি জান’। এরইমধ্যে প্রায় ১০ লাখ বার গানটির ভিডিও দেখা হয়েছে। গানে শাকিবের সঙ্গে ছবির দুই নায়িকা শ্রাবন্তী ও পায়েল সরকারকেও দেখা গেছে।

‘বেবি জান’ গানে কোরিওগ্রাফি করেছেন আদিল শেখ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন নাকাশ আজিজ এবং অন্তরা মিত্র। গানের কথা লেখার পাশাপাশি সংগীত পরিচালনা করেছেন দোলান মৈনাক।

‘ভাইজান এলো রে’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন জয়দীপ মুখার্জি। ছবিটি প্রযোজনা করেছে কলকাতার এসকে মুভিজ। সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ঈদে ছবিটি মুক্তি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রথমবারের মতো মুখোমুখি অপু-বুবলী

বিনোদন ডেস্ক: প্রথমবারের মতো অপু বিশ্বাস আর শবনম বুবলী মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। তাও আবার খুশির ঈদে। না, বাস্তবে নয়, পর্দায়। মানে আসন্ন রমজানের ঈদে মুক্তি পেতে পারে এই দুই নায়িকার ছবি। ছবিগুলো হলো শাকিব-অপুর ‘পাঙ্কু জামাই’ আর শাকিব-বুবলীর ‘চিটাগাইংগ্যা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’।

দুটি ছবির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, তারা তাদের ছবি দুটি ঈদে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। বিশেষ করে ‘পাঙ্কু জামাই’ ছবির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানায় ২০১৬ সালে শুটিং শুরু হওয়া এই ছবিটি তারা কোনো এক উৎসবে মুক্তি দিতে চাচ্ছিল। কিন্তু মধ্যে শাকিব-অপুর সম্পর্কের নানা জটিলতায় ছবিটির কাজ শেষ করতে দেরি হয়। গত বছর অপু তার শুটিং আর শাকিব ডাবিং শেষ করে দেওয়ার পর ছবিটির নির্মাণ কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়। এরপর তারা গত পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ছবিটি মুক্তি দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তখন ‘একটি সিনেমার গল্প’ ও ‘বিজলী’ ছবি দুটির মুক্তি পূর্ব থেকে প্রস্তুত থাকায় এবং সিনেমা হল স্বল্পতার কারণে ‘পাঙ্কু জামাই’ আর মুক্তি দেওয়া হয়নি। এরপর এ ছবির প্রযোজক কোনো একটি উৎসবের দিনে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার জন্য আবার অপেক্ষা করছিলেন। ঈদে ‘ভাইজান এলোরে’, ‘সুলতান’, ‘সুপার হিরো’ ‘চিটাগাইংগ্যা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’, ‘পোড়ামন টুুসহ বেশ কটি ছবি মুক্তির তালিকায় থাকায় এই উৎসবে ‘পাঙ্কু জামাই’ নিয়ে আর এগোতে চাননি এর নির্মাতা। কিন্তু সম্প্রতি ‘ভাইজান এলোরে’ আর ‘সুলতান’ শিরোনামের কলকাতার ছবিগুলো উৎসবে মুক্তি পেতে পারবে না এমন আইনি নিষেধের কবলে পড়ায় এবং ‘সুপার হিরো’ ছবিটির কাজ এখনো শেষ না হওয়ায় এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ঈদে ছবিটি মুক্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে পাঙ্কু জামাইয়ের নির্মাতা ছবিটি ঈদে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। সেই হিসেবে এবারের ঈদে এখন পর্যন্ত মুক্তি পেতে পারে এমন ছবির তালিকায় আছে ‘পোড়ামন টু’, ‘চিটাগাইংগ্যা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’ ও ‘পাঙ্কু জামাই’। আর তাই যদি হয় তা হলে এবারই প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন শাকিবের দুই টানাপড়েনের নায়িকা অপু বিশ্বাস আর শবনম বুবলী। আর এই দুই ছবির নায়কই হলেন শাকিব খান। যদিও বাস্তবে নয়, তারপরেও দর্শক এখন অধীর আগ্রহে মুখিয়ে আছেন এই শত্রু শত্রু ভাবাপন্ন দুই নায়িকার পর্দা লড়াই দেখতে। ঈদে দেখা যাবে পর্দা লড়াইয়ে অপু নাকি বুবলী, মহা উৎসবের এই দিনে কে জিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় বিশ্ব মা দিবসে প্রশাসনের র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় বিশ্ব মা দিবসে প্রশাসনের আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় র‌্যালীটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই রকেট। প্রধান অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা আঃলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসরাঈল হোসেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের দিপুয়ার রহমানসহ সাংবাদিক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শেষে বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাঁদলেন আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীর এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞে নিহত দুই ভাই শেখ কামাল এবং শেখ জামালের সেনা বাহিনীতে কাজ করা এবং ছোট ভাই শেখ রাসেলের সেনাবাহিনীতে কাজ করার ইচ্ছার কথা বলতে গিয়ে কণ্ঠ ধরে আসে তার।

১৯৯৬ সালে সেনা সদরদপ্তরে গিয়ে তাদের দুপুরে ভাতের দাবি পূরণে উদ্যোগ নেয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। জানান, সেনাবাহিনীকে দুপুরে ভাতের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত দুই বছর তিনি নিজেও দুপুরে ভাত খাননি।

রবিবার (১৩ মে) ঢাকা সেনানিবাসে ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী। কিছুক্ষণ তিনি কোনো কথা বলতে পারেননি। এ সময় সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্যেও নেমে আসে নিরবতা।

সেনাবাহিনীকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তার সার্বিক উন্নয়ন করা আমাদের দায়িত্ব বলে মনে করি।’

‘আর আমি করি এ কারণে যে আমার সঙ্গে সেনাবাহিনীর একটা পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। আমার ভাই শেখ কামাল মুক্তিযোদ্ধা, সে একজন ক্যাপ্টেন ছিল। আমার দ্বিতীয় ভাই শেখ জামাল সে একজন লেফটেন্যান্ট এবং এমআরএফ থেকে ট্রেইনিং নিয়ে সে সেনাবাহিনীতে যোগ দান করেছিল। এমনকি আমার ছোট ভাই, সে মাত্র ১০ বছরের। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হতো, সে বড় হলে কী হবে, তার একটাই কথা ছিল, সেও সেনাবাহিনীতে যোগদান করবে।’

‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে ১৫ আগস্ট সবাই শাদাহাৎ বরণ করেছে। কিন্তু আমি মনি করে এই পরিবারের সদস্য হিসেবে এই বাহিনীর উন্নয়ন করা আমার একটি কর্তব্য। সেই সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার ক্ষেত্রে আমরা আরও বেশি উন্নত, সমৃদ্ধ হব সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করি।’

এটুকু বলার পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ কথা বলতে পারেননি। চুপ থাকার পর আবার যখন তিনি বক্তব্য শুরু করেন তখনও তার কণ্ঠ কাঁপছে।

১৯৭৫ সালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে হত্যার দিন খুন করা হয় মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল ও শেখ জামাল এবং দুই ভাইয়ের স্ত্রীকেও। বাদ যায়নি শিশু শেখ রাসেলও।

সেনাবাহিনীর উন্নয়নে তার সরকারের নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। আর ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনাতেই এই আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

‘তিনি (বঙ্গবন্ধু) যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সেই নির্দেশনার আলোকেই আমরা (সেনাবাহিনী) গড়ে তুলছি। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি, সে কারণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ দেশ ও দেশের বাইরে এক সম্মানজনক অবস্থানে উন্নীত হতে পেরেছে।’

ফোর্সেস গোল ২০৩০ অনুসারে পদাতিক ডিভিশন, ব্রিগেড, ইউনিট, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানসহ গড়ে তোলা, সব ইনফ্রেনট্রি ব্যাটালিয়ানকে প্যারা ব্যাটালিয়ান ও ম্যাকানাইজড ব্যাটালিয়ানেও রূপান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ সুবিধার উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণের মেয়াদকাল বৃদ্ধি, নোয়াখালীর স্বর্ণদীপে সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, শিক্ষার সুযোগ তৈরি, সেনা-নৌ ও বিমানবাহিনীতে নারী অফিসার ও সৈনিক পদ সৃষ্টিসহ নানা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীকে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড গঠন, আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও সুসংহত করতে এনএলআরএস ও মিসাইল রেজিমেন্ট সংযোজন, অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র, হেলিকপ্টার, মডার্ন ইনফ্রেনট্রি গেজেটসহ সংযোজন করে অপারেশনাল সক্ষমতাকে বৃদ্ধির কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে গ্রামে ৪০০ বছর ধরে জন্ম নেয়নি কোন শিশু!

দেখতে আর পাঁচটা সাধারণ গ্রামের মতোই। নাম শঙ্ক শ্যাম জি গ্রাম। কিন্তু এই গ্রামের রয়েছে অদ্ভুত এক রীতি। এখানে নাকি ৪০০ বছর ধরে কোন শিশু জন্ম নেয়নি। ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলায় অবস্থিত এই গ্রামটি।

গ্রামের প্রবীণদের দাবি অনুযায়ী, ষোড়শ শতক থেকেই এমন রীতি চলে আসছে এখানে। গ্রামের লোকেদের বিশ্বাস, এই গ্রামে ঈশ্বরের অভিশাপ রয়েছে। এই গ্রামে যদি কোনও শিশু জন্ম নেয়, তাহলে সেই শিশুটি বিকলাঙ্গ হয়ে যাবে, না হলে শিশুটির মা মারা যাবেন।

গ্রামের প্রবীণদের কথায়, ষোড়শ শতকের গ্রামে একটি মন্দির নির্মাণের কাজ চলছিল। সেই সময়ে এক মহিলা গম ভাঙতে শুরু করেন। সেই আওয়াজের ফলে নির্মাণকাজে ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষুব্ধ হন স্বয়ং ঈশ্বর। অভিশপ্ত হয় গোটা গ্রাম।

ফলে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য গ্রামের সীমানার বাইরে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রাম প্রধান নরেন্দ্র গুর্জর। তিনি আরও বলেন, মন্দির নির্মাণের সময় ঈশ্বর এক মহিলা ওপর রেগে গিয়েছিলেন। যার ফল ভুগতে হচ্ছে গোটা গ্রামকে।

সেই সঙ্গে তিনি আরও জানান, ৯০ শতাংশ মহিলা সন্তান প্রসব করেন হাসপাতালে। জরুরি পরিস্থিতির সময় গ্রামের সীমানার বাইরে যে ঘরটি তৈরি করা হয়েছে, সেখানেই সন্তান জন্ম দেন প্রসূতিরা।

গ্রামের আর এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, গ্রামের মধ্যে মদ কিংবা মাংসও খাওয়াও হয় না। ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট রাখতেই না কি এই রীতি চালু রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest