সর্বশেষ সংবাদ-
জেলা ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিকী নির্বাচনসাতক্ষীরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক চোরাচালানের হোতাসহ তিনজন গ্রেফতারScopri le ultime promozioni su wyns casino e inizia a vincere oggiAlles Wat Je Moet Weten Over Getlucky Casino Nederland Uitbetalingenনাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভদৈনিক আমাদের মাতৃভূমি পত্রিকার ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা  দেবহাটায় জাতীয় প্রাণি সম্পদ সপ্তাহ ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনীর উদ্বোধনসাতক্ষীরায় জাতীয় দৈনিক রুপালী বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনসাতক্ষীরার মিঠু খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল বিএনপিকালিগঞ্জে পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মৃত্যু

আসামির সাথে গোপনে যোগাযোগ: যুদ্ধাপরাধ মামলা থেকে তুরিন আফরোজকে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক: যুদ্ধাপরাধ মামলার এক আসামির সঙ্গে গোপন বৈঠক ও মামলার স্বার্থবিরোধী ভূমিকার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে ট্রাইব্যুনালের সব মামলা পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তার কাছে থাকা যুদ্ধাপরাধ মামলার সব নথিও প্রসিকিউশনে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ২৪ এপ্রিল গ্রেপ্তার পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে তুরিন আফরোজ গোপনে বৈঠক ও টেলিফোনে আলাপ করেছেন বলে অভিযোগ প্রসিকিউশনের। এখন কারাবন্দি ওয়াহিদুল হক (৬৯) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থারও (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক।
একাত্তরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে রংপুর ক্যান্টনমেন্টে চালানো গণহত্যায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তুরিন আফরোজ এ মামলা পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর গত বছর নভেম্বরে ওয়াহিদুল হককে ফোন করে কথা বলার পর পরিচয় গোপন করে ঢাকার একটি হোটেলে তার সঙ্গে দেখা করেন বলে অভিযোগ।
তাদের কথোপকথনের রেকর্ড ও বৈঠকের অডিওরেকর্ডসহ যাবতীয় তথ্য-প্রমাণ এরইমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে একজন প্রসিকিউটর জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সরাসরি কোনো জবাব দেননি তুরিন আফরোজ। এক ফেইসবুক পোস্টে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও ওই গোপন বৈঠকের কথা অস্বীকার করেননি তিনি।
যুদ্ধাপরাধের বিচারে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের তিন বছরের মাথায় প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তুরিন আফরোজ। জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম আযমের মামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি মামলা পরিচালনায় ভূমিকা রাখেন তিনি।
সব মামলা থেকে তাকে অব্যাহতির কথা জানিয়ে গত মঙ্গলবার তুরিন আফরোজকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, “আইসিটি বিডি মিস কেস নং ১/২০১৮ এর প্রসিকিউটর হিসেবে আপনার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত ও প্রত্যাহারের ধারাবাহিকতায় আজ (৮ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সকল মামলা থেকে বিরত ও প্রত্যাহার এর আদেশসহ আপনার নিকট ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলার সকল ডকুমেন্টস প্রসিকিউটর অফিসে জমা দেওয়ার আদেশ দেওয়া হল।”
চিঠিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে বলা হয়েছে, “গত বছরের ১৮ নভেম্বর আসামি মেজর (অব.) মোহাম্মদ ওয়াহিদুল হকের সাথে টেলিফোনে আলাপের এবং ১৯ নভেম্বর গুলশানের অলিভ রেস্টুরেন্টে আপনার সাথে আপনার সহযোগী ফারাবিসহ মেজর (অব.) মোহাম্মদ ওয়াহিদুল হক, তার স্ত্রী ও অন্য একজন মুরুব্বির আলাপের মোবাইলে ধারণকৃত প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টার রেকর্ড তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে প্রসিকিউশন অফিসে প্রাপ্তির আলোকে প্রসিকিউশন তথা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়ার ভাবমূর্তি রক্ষা ও স্বচ্ছতার জন্য জনস্বার্থে এ আদেশ দেয়া হল।”
গত বছরের ১১ নভেম্বর এ মামলার দায়িত্ব পেয়েছিলেন তুরিন আফরোজ।
তাকে অব্যাহতির চিঠি পাঠানোর আগের দিন প্রসিকিউশন অফিসের এক আদেশে এই মামলা থেকে তুরিন আফরোজ ও তাপস কান্তি বলকে প্রত্যাহার করে প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম, মোখলেসুর রহমান বাদল, সুলতান মাহমুদ, মো. সাহিদুর রহমান, মো. জাহিদ ইমাম ও রেজিয়া সুলতানা বেগমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি অর্থাৎ তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দেওয়ার দিন রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বুধবার খবর প্রকাশ করে ‘আমাদের সময় ডটকম’ নামে একটি অনলাইন পোর্টাল। এরপর এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে ফেইসবুকে একটি পোস্ট দেন তুরিন আফরোজ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তুরিন আফরোজ বলেন, ফেইসবুকে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে বক্তব্য দিয়েছেন। সেটিই আপাতত তার বক্তব্য।
ফেইসবুকে তিনি লিখেছেন, “আমাকে নিয়ে একটি অতি উৎসাহী দৈনিক পত্রিকাতে একটি বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হলে সোশ্যাল মিডিয়াতে তা ভাইরাল করে আমাকে নিয়ে নানা কুৎসা রটনা করা হচ্ছে। এটাও বলা হচ্ছে যে আমাকে প্রসিকিউটর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এই বিষয়ে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য:

১। আমি এখনও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদে বহাল আছি। আমাকে কেউ বরখাস্ত করেনি।

২। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে ৮(২) ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটারের একজন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেব কাজ করার এখতিয়ার রয়েছে। সুতরাং যে কোন মামলাতে তদন্ত করার এখতিয়ার আমার আছে। আর তদন্ত করতে গেলে নানা রকম কৌশল অবলম্বন করতে হয়। সুতরাং আমি তদন্তের স্বার্থে যে কোন প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহন করতে পারি।

৩। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আমি এই পর্যন্ত প্রসিকিউটর হিসেবে যা কিছুই করেছি তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত ছিলেন।

৪। আমাকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সত্য নয়। যেহেতু বিষয়টি এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছেন তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না।

“তদন্ত শেষ হলে আমি আমার বক্তব্য সর্ব সম্মুখে প্রকাশ করবো। আশা করি সেই পর্যন্ত আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমালোচকগণ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করবেন।”

তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত ছিলেন বলে তুরিন আফরোজ দাবি করলেও ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক সানাউল হক বলেন, এ বিষয়ে কিছু জানতেন না তারা।
প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুমও বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রসিকিউশনের কোনো ধারণাই ছিল না।
তদন্তাধীন মামলার আসামির সঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের কোনো আইনজীবীর গোপনে দেখা বা সাক্ষাৎ নৈতিকতাবিরোধী মন্তব্য করে সানাউল বলেন, “প্রথমত কথা হচ্ছে উনি এ মামলা তদন্ত করেন না। তদন্ত করেন তদন্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান। ফেইসবুকে দেখলাম উনি (তুরিন আফরোজ) গোপনে তদন্ত করতে চেয়েছিলেন আমাদের জানিয়েছেন। কিন্তু এ রকম কোনো নিয়ম নেই আমাদের তদন্তে।
“আর তদন্ত যদি উনাকে করতে হয় তাহলে তো আমাদের জানিয়ে তা করতে হবে। কিন্তু তিনি তা করেননি।”
ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে তুরিন আফরোজের কথপোকথনের অডিও রেকর্ড তদন্ত সংস্থা কীভাবে পেয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আসামিকে গ্রেপ্তার করার সময় গুলশান থানার ওসি তার মোবাইল ফোন জব্দ করেছিল। ওই মোবাইলে কথোপকথনের কিছু রেকর্ড ছিল। কথোপকথনের দুটি রেকর্ড আছে সেখানে। একটি কথোপকথন হয়েছে টেলিফোনে। এটা তিন-চার মিনিট হবে। এই কথপোকথনে তুরিন আফরোজ আসামি মোহাম্মদ ওয়াহিদুল হককে দাওয়াত দিয়েছেন দেখা করার অনুমতি চেয়ে। তুরিনই ফোনটা দিয়েছিল।
“তার পরেরটা দুই ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের। এই কথপোকথনে মামলা সংক্রান্ত অনেক কথা রয়েছে এবং মামলার ডকুমেন্ট হস্তান্তরের কথোপকথন রয়েছে। ওসি এটা পাওয়ার পর সে মনে করল যে, আমাদের জানানো দরকার। আমরা এটা হাতে পাওয়ার পর প্রসিকিউশনকে দিয়েছি।”
কথোপকথনে কী আছে- জানতে চাইলে সানাউল হক বলেন, “অন্য একজনকে স্বামী সাজিয়ে বোরকা পরে তিনি আসামির সঙ্গে দেখা করতে গেছেন বলে অডিও রেকর্ডে আছে। ফারাবী নামের একজনকে তিনি স্বামী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এ রকম কথা আছে রেকর্ডে। এছাড়া এ মামলার বিরুদ্ধে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। বলা হয়েছে এ মামলাটি টোটালি মোটিভেটেড। এমন কথাও বলা হয়েছে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে এটা নৈতিকভাবে ঠিক না।”
ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে তুরিন আফরোজের গোপনে বৈঠকের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত বুধবার সকালে আইন মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে বলে প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম জানিয়েছেন।
ফেইসবুকে দেওয়া তুরিন আফরোজের বক্তব্যের বিষয়ে জেয়াদ আল মালুম বলেন, “প্রসিকিউশনের কাছে যেসব তথ্য-উপাত্ত এসেছে তাতে প্রসিকিউটর হিসেবে তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের প্রমাণ মেলে।
“কারণ ট্রাইব্যুনালের কোনো মামলা তদন্তে তদন্ত সংস্থা তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে ৮ (২) ধারা অনুযায়ী একজন প্রসিকিউটর কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করতে পারেন। মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে যদি কোনো কৌশল অবলম্বন করতেই হয় সেটিও চিফ প্রসিকিউটরকে না জানিয়ে করা যাবে না। কিন্তু প্রসিকিউশন এ ব্যপারে কিছুই জানত না।”
অভিযোগ প্রমাণ হলে তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে জানতে চাইলে মালুম বলেন, “এটা সম্পূর্ণ আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয় সরকার। অভিযোগ প্রমাণ হলে প্রসিকিউশন থেকে তাকে বরখাস্ত করা হতে পারে। এছাড়া অভিযোগ গুরুতর হলে বার কাউন্সিলের সনদও বাতিল হতে পারে। আবার ফৌজদারি মামলাও হতে পারে। তবে তা ঠিক করবে আইন মন্তওণালয়।”
এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, “এটা সত্যি হলে মন্ত্রণালয় অবশ্যই পদক্ষেপ নেবে। আমিতো আর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাই না বা তাদের মামলাও পরিচালনা করি না। কাজেই এ বিষয়ে আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। এটি মন্ত্রণালয় দেখবে।”
বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও। তিনি বলেন, তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযোগ সংক্রান্ত নথি দেখে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘরের মাঠে মুম্বাইয়ের কাছে কলকাতার লজ্জাজনক হার

ঘরের মাঠে লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। ২১১ রানের লক্ষ্য দিয়ে স্বাগতিক কেকেআরকে মাত্র ১০৮ রানে অলআউট করে দিয়েছে মুম্বাই। ফলে ১০২ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

কলকাতাকে সমর্থন দিতে এদিন ইডেন ছিল দর্শকদের আনাগোনায় মুখর। নিজ দলের খেলা দেখতে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন শাহরুখ খানও। আর সেই কিং খানের সামনেই লজ্জায় ডুবল কলকাতা। এতে করে রোহিত শর্মাদের কাছে লজ্জাজনকভাবে হেরে প্লে-অফের রাস্তা কঠিন করে ফেলল কিং খানের দল।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইশান কিশানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে ২১০ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। মাত্র ২১ বল খেলে ৫টি বাউন্ডারি আর ৬টি ছক্কায় ৬২ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন কিশান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মুম্বাইয়ের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে কেকেআর। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে তাদের। শেষ পর্যন্ত ১০২ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ে কলকাতা। কলকাতার হয়ে ক্রিস লিন আর নিতিশ রানা- দু’জনই খেলেন সর্বোচ্চ ২১ রান করে দুটি ইনিংস। ১৮ রান করেন টম কুরান।

১১ ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার চার নম্বরে উঠে এল মুম্বাই। আর বিরাট ব্যবধানে হারায় একই পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে চলে গেল কেকেআর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভাষা সংগ্রামী জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম নেই

ভাষা সংগ্রামী জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম মারা গেছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিজের বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস জানিয়েছেন।

অধ্যাপক নূরউল ইসলামের বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন বলে তার নার্স সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন।

তার মৃত্যুতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর শোক জানিয়েছেন।

‘সাহিত্যিক’ ও ‘সুন্দরম’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম সাহিত্যে অবদানের জন্য একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন।

নূরউল ইসলামের জন্ম ১৯২৭ সালে ১ মে, বগুড়ায়। পাঁচ বছর বয়সে ১৯৩২-৩৩ সালে কলকাতায় কবি কাজী নজরুল ইসলামের হাতে তার লেখাপড়ায় হাতেখড়ি। পুলিশ কর্মকর্তা বাবার কর্মস্থল পরিবর্তনের কারণে ঘন ঘন স্কুল বদলাতে হয় তার।

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে গ্রাজুয়েশনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। পরে লন্ডন ইউনিভার্সিটির প্রাচ্যভাষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্র সোয়াস থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেন তিনি।

করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের যাত্রা শুরু হয়েছিল অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের হাতে। এরপর রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন তিনি।

মুস্তাফা নূরউল ইসলামের কর্মজীবনের শুরু সাংবাদিকতা দিয়ে, দৈনিক আজাদ পত্রিকায় প্রতিবেদক হিসেবে। এরপর ১৯৫১ সালে তিনি সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। দুই বছর পর চলে যান শিক্ষকতায় করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

স্বাধীনতার আগে কয়েক বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন অধ্যাপক নূরউল ইসলাম। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়ে বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৭৪ সালে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে যোদ দেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। ১৯৭৫ সালে হন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক। তবে সামরিক সরকারের সঙ্গে মতভিন্নতার কারণে বাংলা একাডেমির চাকরি ছেড়ে জাহাঙ্গীরনগরে ফিরে যান। ১৯৯২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার আগে-পরে জাতীয় জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের তিন মেয়াদের চেয়ারম্যান, নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের তিন মেয়াদের সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবনেই দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলের তেভাগা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। বাহান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির প্রায় প্রতিটি আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭১ সালে লন্ডনে পিএইচডি করার সময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

৩০টির বেশি প্রবন্ধ সংকলন ও গবেষণা গ্রন্থ রয়েছে অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের। তার বইয়ের মধ্যে ‘সমকালে নজরুল ইসলাম’, ‘সাময়িকপত্রে জীবন ও জনমত’, ‘আমার বাংলা’, ‘বাঙালির আত্মপরিচয়’, ‘সেরা সুন্দরম’, ‘পূর্বমেঘ’, ‘আমাদের মাতৃভাষার চেতনা ও ভাষা আন্দোলন’, ‘আবহমান বাংলা’, ‘মুসলিম বাংলা সাহিত্য’, ‘সময়ের মুখ: তাহাদের কথা’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

টেলিভিশনে উপস্থাপনার জন্যও অনেকের পরিচিত মুখ ছিলেন মুস্তাফা নূরউল ইসলাম। বিটিভিতে ‘মুক্তধারা’ অনুষ্ঠানটি একাধারে ১৫ বছর উপস্থাপনা করেন তিনি।

মুস্তাফা নূরউল ইসলামের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। তার মেয়ে আতিয়া ইয়াসমিন ও নন্দিতা ইয়াসমিন এবং ছোট ছেলে রাজন দেশের বাইরে আছেন।

ছেলে-মেয়েরা আলোচনা করে বাবার দাফনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে সাজেদুর রহমান জানান।

মুস্তাফা নূরউল ইসলামের মরদেহ অ্যাপোলো হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মালেশিয়ায় ফের শুরু হচ্ছে মাহাথির যুগ

মালয়েশিয়ায় ১৪তম সাধারণ নির্বাচনের শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের পাকাতান হারাপান জোট।

দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের মধ্যে মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফর

এ বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অস্ট্রেলিয়া সফরটি হচ্ছে না।

ওই সফরের সময় দুটি টেস্ট এবং তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ হবার কথা ছিল।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডকে উদ্ধৃত করে ক্রিকিনফো ওয়েবসাইটের এক রিপোর্টে বলা হচ্ছে, সেখানকার ফুটবল মওসুমের মাঝখানে টিভি চ্যানেলগুলো বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ম্যাচগুলো দেখাতে আগ্রহী নয় – তাই এই সফরটি ‘বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হবে না’ বলে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে জানিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, “আমরা এটুকুই বলতে পারি যে অস্ট্রেলিয়া সফরটি এ মুহূর্তে হোস্ট করতে চাচ্ছে না বলার পর আমরা একটি বিকল্প সময় প্রস্তাব করেছিলাম – তবে এখনো কোন জবাব পাই নি।”

বিকল্প প্রস্তাবে কখন সফরের কথা বলা হয়েছিল, জানতে চাইলে তিনি তা বলতে রাজী হন নি।

তবে ক্রিকিনফোর রিপোর্টে বলা হচ্ছে, বিকল্প প্রস্তাব গুলোর মধ্যে একটিতে ২০১৯ বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়া দলের বাংলাদেশে সফরের কথা বলা হয়েছিল।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড ক্রিকিনফোকে বলেছেন, বাংলাদেশ সফরটি বাতিল করার সাথে যে সময় এটি হবার কথা ছিল তার সম্পর্ক আছে।

তিনি আরো বলেন, সেই সময়টায় ভারত, ইংল্যান্ড, এবং দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়া বাংলাদেশ সহ অন্য দেশগুলো অস্ট্রেলিয়ায় খুব কমই খেলে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিল্লিতে সম্রাট আকবরের নামে সড়কের নাম বদলের চেষ্টা

ভারতের রাজধানী দিল্লির বুকে মুঘল সম্রাট আকবরের নামাঙ্কিত একটি প্রধান রাস্তার নাম জোর করে বদলে দিয়ে সমসাময়িক রাজপুত হিন্দু রাজা বীর মহারানা প্রতাপের নামে রাখার চেষ্টা হয়েছে।

কট্টরপন্থী হিন্দু সংগঠন বজরং দলের বেশ কিছু সদস্য বুধবার আকবর রোডের নাম মুছে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে অবশ্য দিল্লির পুর কর্তৃপক্ষ রাস্তার আগের নামই ফিরিয়ে দিয়েছে।

ক্ষমতাসীন বিজেপিরও বেশ কিছু নেতা বহুদিন ধরেই আকবর রোডের নাম বদলের দাবি জানিয়ে আসছেন।

প্রায় সাড়ে চারশো বছর আগে হলদিঘাটের যুদ্ধে মুঘল সম্রাট আকবরের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন চিতোরের রাজা মহারানা প্রতাপ।

সেই আকবরের নামে কেন দিল্লির বুকে একটি রাজপথ থাকবে, এ নিয়ে বেশ কিছু রাজপুত ও হিন্দু সংগঠন কিছুদিন ধরেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। বুধবার সকালে রানা প্রতাপের জন্মজয়ন্তীতে তারা নিজেরাই আ

রোডের সব নামফলক বদলে দিয়ে জানায়, “যে মুসলিম শাসকরা ভারতকে আক্রমণ করে লুন্ঠন করেছেন তাদের নাম দিল্লি থেকে মুছে দেওয়া হবে। এটা রানা প্রতাপের দেশ, অতএব তার নামই থাকবে।”

আকবর রোড দিল্লির একটি আইকনিক রোডই শুধু নয়, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সদর দফতরও এই রাস্তার ওপরেই। শীর্ষ কংগ্রেস নেতারা এই পদক্ষেপের কড়া নিন্দা করেছেন। কংগ্রেস নেতা রাজ বব্বর বলেন, “আমাদের দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাসের সঙ্গে এভাবে ছেলেখেলা করা কিছুতেই মানা যায় না।” এমপি রেনুকা চৌধুরীর আক্ষেপ, সব কাজ ফেলে শাসক দল কেন রাস্তার নাম বদলানোর পেছনে পড়েছে এটাই তার মাথায় ঢুকছে না।

বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এর আগেই বলেছেন, কেন্দ্রীয় দিল্লিতে ৩৫ শতাংশ রাস্তাই না কি মুসলিম শাসকদের নামে, যা অবিলম্বে পাল্টানো দরকার।

হরিয়ানার বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভি কে সিং পর্যন্ত আকবর রোডের নাম বদলের প্রস্তাব দিয়েছেন।

এর আগে বিজেপি সরকার দিল্লিতে আওরঙ্গজেব রোডের নামও বদলেছে। সমাজবাদী পার্টির মুনাব্বর সেলিমের মতে মুঘল বাদশাহদের মধ্যে শুধু আকবরকেই ভারত আজও সম্রাট নামে চেনে, কারণ তার মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তাবহ আর কেউই ছিলেন না।

“মহারানা প্রতাপও ভারতের মহান বীরত্বের প্রতীক। কিন্তু এত বড় ভারতে তার নামে রাখার মতো আর কোথাও কোনও রাস্তা মিলবে না, এই আকবর রোডের নামই বদলাতে হবে – এটা কি হতে পারে?” – প্রশ্ন তুলছেন তিনি।

কিন্তু আজকের বিজেপি-শাসিত ভারতে নামবদলের চেষ্টায় কোপ পড়ছে সব মুসলিম রাজাবাদশাহদের ওপরেই – তাতে রেহাই পাচ্ছেন না আকবরও।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আম পাড়তে গিয়ে সাতক্ষীরার তৌফিকের মৃত্যু

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: দুই হাতভর্তি আম নিয়ে গত ৩ মে নিজের ফেসবুকে দুটি ছবি পোস্ট করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের ছেলে শেখ ওমর তৌফিক। ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘আম আর আম। আমের রাজ্যে পৃথিবী মোহ ময়। তবে আমের কথা আর নাহি লিখি। এবার আপনারা বলুন, কে কোন হাতের আম চান?’
সেই আম পাড়তে গিয়েই প্রাণ গেল তৌফিকের। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদের একটি আমগাছ থেকে পড়ে আহত হন তিনি। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তৌফিকের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদদীন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।
তৌফিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই হলের জ্যেষ্ঠ আবাসিক শিক্ষক মাহামুদুল হাসান।
তৌফিকের বন্ধু হোসেন আলী জানান, মঙ্গলবার রাতে ঢাবির কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন একটি গাছে আম পাড়তে ওঠেন তৌফিক। এ সময় হঠাৎ পা পিছলে নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা খারাপ দেখে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার দুপুরে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
তৌফিকের বন্ধু জানান, তৌফিক একা একা আম পাড়তেন না। সঙ্গে বন্ধুরাও থাকতেন। আম পাড়া শেষে সেগুলো হলের বড় ভাইদেরও দিতেন।
এ নিয়েও ৩ মে রাতে ফেসবুকে চারটি ছবিসহ আরেকটি পোস্ট দেন তৌফিক। সেখানে লিখেন, ‘মধ্যরাতে আম পাড়ার মজাই আলাদা। আজ সাতজন বন্ধু মিলে এক মণ প্লাস আম পেড়ে হলের সব ভাইদের দিয়েছি এবং অনেকে তাদের ইয়ে মানে ইয়েদের জন্য আম সংরক্ষণ করে রেখেছে। যদি তাদের ইয়ে মানে ইয়ে এই পোস্টটি পড়ে থাকেন, তবে আপনার প্রাপ্য আম চেয়ে নিতে ভুলবেন না!!!
বি: দ্র: ঢাবিতে আমের বাম্পার ফলন!!!!! (তৌফিক)’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট যাচ্ছে আজ

দেশের প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ আজ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হচ্ছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, ‘উৎক্ষেপণের জন্য স্যাটেলাইট প্রস্তুত। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কাল মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।’

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ টেলিফোনে বুধবার বাসসকে বলেন, ‘মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট পাঠাতে আমরা প্রস্তুত। ইনশাল্লাহ আগামীকাল আমরা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবো।’

বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক এম জাকির হোসেন খান এর আগে বাসসকে জানান, মার্কিন কোম্পানি স্পাসেক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাবেরাল উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে।

জাকির হোসেন বলেন, ‘ফ্যালকন-৯ রকেটের উৎক্ষেপণ পরীক্ষা সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষা থেকে প্রাপ্য ডাটা বিশ্লেষণের পর উৎক্ষেপেণের চূড়ান্ত তারিখ ঠিক করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মেজবাহউজ্জামান বলেন, উৎক্ষেপেণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রাউন্ড স্টেশনের প্রয়োজনীয় কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।

মেজবাহউজ্জামান বলেন, ‘ফ্যালকন-৯ রকেট ৩ দশমিক ৫ টন ওজনের বঙ্গবন্ধু-১ যোগাযোগ স্যাটেলাইটটি মহাকাশে নিয়ে যাবে। মহাকাশে নির্দিষ্ট স্লটে এটির পৌঁছাতে ৮ দিন সময় লাগবে।

গত ৪ মে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপেণের কথা ছিল। কিন্তু কারিগরি কারণে তা পরবর্তীতে ৭ মে উৎক্ষেপেণের সিদ্ধান্ত হয়। এখন নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ মে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest