সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

আসাদুজ্জামান : দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকার পর বনজীবি ও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনের দুয়ার। শুক্রবার সকাল থেকে ভ্রমন পিপাসু পর্যটকরা সুন্দরবন ভ্রমণ করতে শুরু করেছেন। একই সাথে অভাব অনটনে পড়ে থাকা বনজীবীরাও তাদের কষ্ট ভুলে আবারও নতুন উদ্যমে সুন্দরবনে মাছ ও কাকড়া আহরনের জন্য বনবিভাগ থেকে পাশ নিয়ে সুন্দরবনের ভিতরে প্রবেশ শুরু করেছেন।

এর ফলে স্বস্তি ফিরেছে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সুন্দরবন নির্ভর মানুষের মধ্যে। জীব বৈচিত্র রক্ষায় ও মাছের প্রজনন বাড়ানোর লক্ষ্যে গত পহেলা জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরা সহ পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। দীর্ঘ তিন মাস পর আজ পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ায় পুরোদমে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। দীর্ঘদিন অভাব অনটনে পড়ে থাকা বনজীবীদের মাঝে এখন বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। ৯মাস পরিশ্রম করে ১২ মাসের খোরাক জোগাড় করতে হয় বনজীবিদের। যে কারণে জেলেরা নৌকা মেরামত নৌকায় রং লাগানো, জাল মেরামত ও জালে রং করা সম্পন্ন করে আবারো নেমে পড়েছেন তাদের কর্মযজ্ঞে।

কেউবা দাদন নিয়ে, কেউবা সমিটি থেকে ঋন নিয়ে চাল, ডাল, তরি তরকারি ঝাল পিঁয়াজ লবন সংগ্রহ করেছেন। তবে, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সাতক্ষীরার সাথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হওয়ায় একদিকে যেমন সুন্দর বনে পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে অন্যদিকে সুন্দরবনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পেশার মানুষের আয় বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা মো: হাবিবুর রহমান জানান, দীর্ঘ তিন মাস পর পাস পারমিট দেয়া শুরু হয়েছে। এতে জেলেদের পরিবারে সুবাতাস বইবে। দুপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিনশত পাশ পারমিট দেওয়া হয়েছে। আরো বাড়তে পারে। আমরা নিয়ম নীতি মেনে জেলেদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রউফ জানান, তিন মাস বন্ধথাকার পর সুন্দরবনের পাস পারমিট চালু হওয়ায় জেলেদের মধ্যে আনন্দ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেহেতু তিনমাস বন্ধ ছিলো এ কারনে আমরা আশা করছি জেলেরা ভালো মাছ ও কাকড়া পাবে।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) কে.এম ইকবাল হোসেন জানান, গত অর্থবছরে সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে সরকারের প্রায় সাড়ে তিন কোটি রাজস্ব আদায় হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে আরো বাড়তে পারে বলে তিনি আশাবাদী। তবে, ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞার পর প্রথম দিনে আজ সকাল থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত সহস্্রাধিক জেলে বাওয়ালী সুন্দরবনের ভিতরে ইতিমধ্যে প্রবেশ করেছে। এছাড়া শতাধিক পর্যটকও সুন্দরবনের নয়নাভিরম দৃশ্য দেখার জন্য সুন্দবনের ভিতরে প্রবেশ করেছেন বলে তিনি আরো জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৪ বছর পরে মিজানুর রহমানকে আহবায়ক করে এ কমিটি ঘোষণা করা হলো।

যুবলীগের কেন্দ্র ঘোষিত সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের কমিটিতে আহবায়ক হয়েছেন মিজানুর রহমান। তিনি সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যুগ্ন আহবায়ক তিনজন হলেন,শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক স,ম, আব্দুস সাত্তার,তালা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর হোসেন সুজন।

সদস্যরা হলেন, মীর মহিতুল হোসেন,সরদার জাকির হোসেন,শেখ নাজিমুল ইসলাম,সৈয়দ মহিউদ্দীন হাসেমি তপু,সাইফুল ইসলাম,মনোয়ার হোসেন অণু,শেখ আব্দুস সালাম,জাহিদ হোসেন,রেজা আল আমিন শুভ,হাবিবুর রহমান সবুজ,এ্যাড. তামিম আহমেদ সোহাগ,রবিউল ইসলাম,মইনুল ইসলাম,রেজাউল ইসলাম রেজা সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, শেখ ইমরান হোসেন ও বসির আহমেদ।

যুবলীগের দলীয় সূত্রে জানা গেছে,২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর আব্দুল মান্নানকে আহবায়ক করে সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তবে ২০২০ সালে বাঁকাল জেলেপাড়ায় জনৈক ব্যক্তির বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠে আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে। এসময় জেলেরা ঝাটা মিছিল করলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বহিস্কার করা হয়। সেই থেকে সাতক্ষীরায় আন্দোলন-সংগ্রামে একেবারে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে দেশের বৃহত্তম এ যুব সংগঠনটি।

দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়,আহবায়ক ও যুগ্ন আহবায়ক হতে কেন্দ্রে লবিং করছিলেন কমপক্ষে ২০ জন সাবেক নেতৃবৃন্দ। তবে শুক্রবার যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শাম্স পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান খান নিখিল স্বাক্ষরিত কমিটিতে কাঙ্খিত পদ না পেয়ে ক্ষুব্ধ অনেকেই।

পৌর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু জানান, বিরোধীদেরকে মোকাবেলা করতে এখন দরকার যোগ্য ও শক্ত নেতৃত্ব। শহরের কোন নেতাকে আহবায়ক অথবা যুগ্ন আহবায়ক করা হয়নি। তালা,শ্যামনগরসহ বাইরের কোন নেতাকে শহর বা শহর উপকণ্ঠের কর্মীরা মেনে নেবে বলে আমার মনে হয়না।

তবে জেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান জানান,যোগ্য ও স্বচ্ছ ইমেজের ব্যক্তিদেরকে কমিটিতে জায়গা হয়েছে। যারা কমিটিতে রয়েছেন, তারা সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পরীক্ষিত সৈনিক। ৯০ দিনের মধ্যে সম্মেলন করার জন্য কেন্দ্রের নির্দেশ তিনি প্রতিপালন করবেন বলে জানান। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

৩য় বারের মতো সপরিবারে পবিত্র ওমরাহ হজ্জ্ব পালনের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সাতক্ষীরা জেলার সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডাঃ মাহাবুবুর রহমান। গতকাল সকালে দুবাই এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ফ্লাইটি সৌদি আরব জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরন করবেন।

এর আগেও তিনি ২০১৭ ও ২০২২ সালে সপরিবারে পবিত্র ওমরাহ পালন করেন। তার সফর সঙ্গী হিসেবে স্ত্রী ওমরা পালন করবেন। মাহবুবুর রহমান দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক সময় সুনামের সাথে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সমস্যা জর্জরিত ও নির্যাতিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি করোনা কালীন সময়ে বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির জেলা শাখা সভাপতি হিসেবে গরিব অসহায় করোনা রোগিদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও অক্সিজেন সেবা সহ নানা সেবামূলক কাজে সক্রিয় ছিলেন।
পবিত্র ওমরা হজ্জ্ব পালন শেষে ডাঃ মাহবুবুর রহমান আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৯.৩০ টার দিকে দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছেন।
সময় স্বল্পতার কারণে তিনি বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন অনেক শুভাকাঙ্খীর সাথে দেখা করতে পারেননি সে কারণে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। এবং ওমরা পালন করে দেশে ফিরে আসতে পারে সে জন্য সকলের কাছে তিনি দোয়া চেয়েছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালায় মেলা বাজার এলাকায় কপোতাক্ষ নদে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রাথমিক ভাঙ্গনের সময় যথাউপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে মেলা বাজার-মাঝিয়াড়া সংযোগ পাকা রাস্তাসহ নদের পাড়ের কয়েকটি বাড়ি।

এলাকাবাসীর দাবি অতিসত্বর ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যে কোন সময় রাস্তা, মন্দিরসহ বাড়ীটি নদের গর্ভে বিলীন হয়ে বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হবে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, আপৎকালীন জরুরি প্যকেজে-১ এর মাধ্যমে গাছ দিয়ে পাইলিং ও মাটি দিয়ে ভরাট করার জন্য ২৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। মেসার্স তানিয়া এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ভাঙ্গন রোধে ২৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পাইলিং ও মাটি ভরাটের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। সে মোতাবেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে বাঁেধর পাইলিং ও মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু সপ্তাহ পার না হতেই পাইলিংসহ পাকা রাস্তার সিংহভাগ কপোতাক্ষ নদের গর্ভে চলে য়ায়।

পরবর্তীতে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড, (পাউবে)একই স্থান রক্ষার জন্য আবারও আপৎকালীন জরুরি প্যকেজে-২ এর আওতায় বালির বস্তার ডাম্পিংয়ে ২৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তানিয়া এন্টারপ্রাইজকে। যার কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে নিম্নমানের পাইলিং ও মাটি ভরাট করার কারণে সপ্তাহ না যেতেই পাইলিংসহ পাকা রাস্তাটি কপোতাক্ষে চলে গেছে। এখন শুনছি বালুর বস্তা দিয়ে নাকি ডাম্পিং করবে। সেখানে নাকি আরো ২৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এত টাকা বরাদ্দ দেওয়ার পরেও ঠিকাদার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে কখন যে মন্দীরসহ ঘরবাড়ী নদীতে মিশে যায় সেই আশংকায় রয়েছেন তারাসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা বলেন, বালুর বস্তায় ১শ ৭৫ কেজি করে বালু দেয়ার কথা থাকলেও দিচ্ছে অনেক কম, তাই ভাঙ্গন পয়েংন্টে এই বালুর বস্তার ডাম্পিং করলে কোনো উপকারে আসবে বলে মনে হয় না। সরকারের এত টাকা বরাদ্দের পরেও কাজের ধীরগতির ও নিম্মমানের পাইলিং এর কারণে বেড়িবাঁধটি চলে গেলো নদের মধ্যে। এখন বাঁধ যে টুকু আছে দ্রুত ডাম্পিং করে সংস্কার না করা হলে বাকি বাঁধসহ, মন্দীর, ঘরবাড়ি কপোতাক্ষ নদের গর্ভে বিলিন হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকায় দিন কাটছে তাদের।

ঠিকাদার আব্দুল মতিন বলেন, আপৎকালীন জরুরি প্যকেজের-১ পাইলিং ও মাটি দিয়ে ভরাটের কাজ করেছেন। প্রথম পর্যায়ে ভাঙ্গন এলাকায় ৫শ বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। বর্তমানে বালির বস্তা ভরাটের কাজ চলছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাকী বস্তা গুলো ফেলে ডাম্পিংয়ের কাজ শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।

সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহিরুল ইসলাম জানান, প্যাকেজের আওতায় প্রথমে ২৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গাছ ও বাঁশ দিয়ে পাইলিং করলেও সেটা টেকেনি। একই জায়গায় আবারও আপৎকালীন জরুরি প্যাকেজের ২৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৭হাজর ২শ বালুর বস্তা দিয়ে ডাম্পিং করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ ইন্টার্নশিপ বহাল ও অসংগতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম সংশোধনসহ চার দফা দাবিতে সারা দেশের ন্যায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করে ধর্মঘট ও মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ইন্টার্ন ডিপ্লোমা চিকিৎসক ও বুশরা মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে এ ধর্মঘট পালন করেন তারা।

সেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি তুলে ধরে শ্লোগান দিতে থাকেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা শহরের খুলনা রোড মোড়ে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদী মানববন্ধন করেন ও শ্লেগান দেন।

বক্তারা বলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত রাজপথে তাদের এ আন্দোলন চলবে। বক্তারা এ সময় অবিলম্বে ইন্টার্নশিপ বহাল রেখে কোর্স কারিকুলাম সংশোধন, এ্যালাইড হেলথ বোর্ড বাতিল করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামে স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রদান এবং বঙ্গবন্ধুর পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ প্রদানের জোর দাবি জানান তারা।

সাতক্ষীরার নলতা মেডিকেল এ্যসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এর শিক্ষার্থী মুজাহিদ আরেফিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও ধর্মঘটে বক্তব্য রাখেন, ম্যাটস শিক্ষার্থী ফাতেমা-তুজ-জোহরা, মিজানুর রহমান, শিমুল হোসেন, জাহিদ হাসান, মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জুলফিকার আলীঃ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশদহা ইউনিয়নের কাউনডাঙ্গা গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার আব্দুল হান্নান (৫২) আর নেই।তিনি সবাইকে কাঁদিয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। পরিবার সূত্রে জানা যায়,গতকাল বুধবার রাত ১০টায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি দীর্ঘদিন যাবত কিডনি রোগে ভুগছিলেন। তার মৃত্যুতে এক পলক দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে আত্মীয়-স্বজন ভিড় জমায় তার নিজ বাড়িতে।মৃত্যুর পরে দুই স্ত্রী, এক পুত্র সন্তান ও এক কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।জানাযা নামাজে অংশগ্রহণ করেন,মির্জানগর আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা জালাল উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক আব্দুল আহাদ,মাওলানা বাবলু, মাওলানা হাবিবুর রহমান,শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজের প্রফেসার আবু হাসান লিপু,১নং ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম রিপন,সাবেক ইউপি সদস্য রাহাতুল্লাহ ডাঃ আল মামুন, গ্রাম্য ডাঃ বাবলু রহমান, গ্রাম্য ডাঃ জাকির হোসেন সহ স্থানীয় মুসল্লীবৃন্দ।জানাযা নামাজের শেষে মরহুমের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সাতক্ষীরা’র আয়োজনে সরকারি শিশু পরিবার (বালক) সাতক্ষীরা প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মইনুল ইসলাম মঈনের সভাপতিত্বে দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন

সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এমপি রবি বলেন,“১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে যে বর্বর হত্যাকান্ডটি ঘটেছে পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। সেদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের সকল সদস্যদের হত্যা করা হয়। মহান আল্লাহর রহমতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহেনা দেশের বাহিরে থাকায় সেদিন প্রাণে বেঁচে যান। জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর খুনী ও মানবতা বিরোধী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার করে কয়েকজন অপরাধীকে ফাঁসিতে ঝুলতে হয়েছে। এসব খুনীদের বিচার করে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন কেউ বিচারের বাহিরে থাকতে পারেনা। যারা অন্যায় করে হত্যা করে তারা সকলে বিচারের আওতায় আসবে। তিনি এসময় উপস্থিত সকলের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সজীব খান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. দিলারা বেগম প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রোকনূজ্জামান, সমাজসেবা উপপরিচালক আশাশুনি (অতি:) শেখ ফারুক হোসেন, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, জেলা অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম, শহর সমাজসেবা অফিসার মো. মিজানুর রহমান,

জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এর ধর্মীয় শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ ইউনুছ আলী। সমগ্র সঞ্চালনা করেন সরকারি শিশু পরিবার (বালক) উপতত্ত্বাবধায়ক আয়েশা খাতুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তালা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা তালা উপজেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সুশান্ত বিশ্বাস মনু (৫০) নামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত সুশান্ত বিশ্বাস মনুর বাড়ি তালা উপজেলার ১২ নং খলিলনগর ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত সুধীর বিশ্বাসের ছেলে। বুধবার (৩১ আগস্ট) রাত ১২টায় সাতক্ষীরার সিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মৃত সুশান্ত বিশ্বাস মনুর ছেলে সাগর বিশ্বস জানান, ৫ দিন আগে জ্বর আসছিলো। জ্বর আসার পরে তাকে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষায় তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। ঐদিনই তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু মেডিকেলে আইসিইউ না থাকায় বাবাকে সিবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাত ১২টায় সাতক্ষীরার সিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে খলিলনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক প্রনব ঘোষ বাবালু সুশান্ত বিশ্বাস মনুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন এ বছর এই প্রথম তালায় কেউ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest