সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভা

সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ৭ কেজি রুপার গহনাসহ কুশখালীর রবিউল আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার বৈকারি সীমান্ত থেকে সাতকেজি রুপার গহনা ও ৪০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ রবিউল ইসলাম (২৮) নামে এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
রোববার ভোররাতে বৈকারি সীমান্তের কালিয়ানি এলাকা থেকে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। আটক রবিউল ইসলাম সদর উপজেলার কুশখালি ইউনিয়নের কুশখালি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
বিজিবি বৈকারী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সিদ্দিক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যা কালিয়ানি এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ভারত থেকে নিয়ে আসা ৪০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ রবিউলকে আটক করা হয়। এ সময় পাশে পরিত্যাক্ত অবস্থায় সাতকেজি রুপার গহনা জব্দ করা হয়। রুপার গহনাগুলো রবিউলের কিনা সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেই ইমামকে ‘ভারতরত্ন’ দেয়ার দাবি কবীর সুমনের

ভারতের কলকাতার আসানসোলের নুরানি মসজিদের ইমাম ইমদাদুল রশিদিকে ভারতরত্ন খেতাবে ভূষিত করার দাবি জানিয়েছেন নন্দিত গায়ক কবীর সুমন। ইমাম রশিদির গণসংবর্ধনার আয়োজন করারও দাবি তুলেছেন, বাংলা গানের দ্রোহের বীজ বপন করা এই শিল্পী।

রাম নবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বিকেলে রেলপাড় এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় ইমাম রশিদির ১৬ বছর বয়সী ছেলে শিবতুল্লা রশিদি। বুধবার তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

বৃহস্পতিবার রাতে পুত্রের জানাজার সময় তিনি আসানসোলবাসীর কাছে শান্তির আহ্বান জানান। বলেন, কোনও প্রতিহিংসা নয়। প্রতিশোধ নিতে যদি কারোর মৃত্যু ঘটানো হয়, তাহলে আমি এই শহর ছেড়ে চলে যাব। আমি তোমাদের সঙ্গে ৩০ বছর ধরে আছি, আমাকে যদি তোমরা ভালোবাসো তাহলে আর কাউকে যেন এভাবে মরতে না হয়।

কবীর সুমন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, সাচ্চা মানুষ নুরানি মসজিদের ইমাম, যাঁর ছেলেকে ঐভাবে খুন করল হিন্দুত্বের অভিভাবকরা। এই ইমাম সাহেবকে ভারতরত্ন দেওয়া হবে না? সব রাজনৈতিক দলের, বিশেষ করে এ রাজ্যের তৃণমূল, সি পি আই এম, বিজেপি, নকশালপন্থী বিপ্লবীরা কী বলেন?

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যনার্জীর উদ্দেশ্যে সুমন বলেছেন, আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, আসানসোলের নুরানি মসজিদের ইমামের জন্য ভারতরত্ন দাবি করো, পাড়ায় পাড়ায় প্রতিরোধের ডাক দাও।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কবীর সুমন কলকাতার যাদবপুরের সাংসদ হয়েছিলেন। নির্বাচনের এক বছরের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হলে দল ছাড়েন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘কোনো বিকল্প নেই, আন্দোলন, আন্দোলন, আন্দোলন’-ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য নেতাকর্মীদের আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্রের মাতা’ আজকে কারাবন্দি। যিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর লড়াই করেছিলেন, সেই মাকে তারা বন্দি করে রেখেছে। আপনারা ফেটে পড়ুন সবাই, উঠে দাঁড়ান, সবাই জাগ্রত হন, এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সবাই রাজপথে বেরিয়ে আসুন। কোনো বিকল্প নেই, আন্দোলন, আন্দোলন, আন্দোলন।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শনিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করা হবে জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির আগে অন্য কোনো কিছু আমরা চিন্তা করবো না। আমরা এখন শান্তিপূর্ণ, একবারেই শান্তিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করছি। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আমরা এদের (সরকারের) পতন ঘটাবো।

সরকারকে অভিযুক্ত করে ফখরুল বলেন, আজ দেশের অর্থনীতি ধংস করে দিয়েছে। ব্যাংকগুলো লুট করে নিয়েছে। কয়েকদিন আগে (মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা) এফবিআই বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকে যে হ্যাকিং (রিজার্ভ চুরি) হয়েছিল, তার সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের লোকেরাই জড়িত আছে।

তিনি বলেন, আজকে প্রত্যেকটি প্রজেক্টকে তারা মেগা প্রজেক্ট বলছে। উদ্দেশ্য মেগা চুরি, মেগা লুট। ১০ টাকায় চাল খাওয়ানোর ওয়াদা করেছিল। এখন ৭০ টাকায়ও চাল পাওয়া যাচ্ছে না। গ্যাস, তেল, জ্বালানি, তেলসহ প্রত্যেকটা জিনিসের দাম তিন-চার-পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে।

‘মির্জা ফখরুল সারাদিন মিথ্যা কথা বলেন’, ঠাকুরগাঁওয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অবৈধ সরকারের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী নিজে যেটা করেন সেটাই অন্যের বেলায়ও মনে করেন। অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন আপনি এটার উত্তর দেননি কেন। আমি বলেছি, আমাদের রুচিতে বাধে। আমাদের রাজনৈতিক শিষ্টাচারে বাধে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের ঘরে ঘরে যেতে হবে। এই বাণী পৌঁছে দিতে হবে যে এখন ঘরে বসে থাকার সময় নেই। নিজের অধিকার আদায়ের জন্য, আমার ভোটকে আমিই দেবো, সেই অধিকার আদায়ের জন্য। দেশবাসীর বুকের ওপর চেপে বসা ভয়াবহ দানবকে সরানোর জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে হবে।

আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, যে চেতনা নিয়ে জিয়াউর রহমান ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ দিয়েছিলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যু্দ্ধ করেছিলেন, সেই চেতনার আজ কী অবস্থা! মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র, আজকে সেই গণতন্ত্রের কী অবস্থা তা ব্যাখ্যা করে বলার প্রয়োজন হয় না। আজকে মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। বিরোধী দলের সমাবেশ করার অধিকার নেই। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই, সত্য কথা লিখতে পারে না, কেউ সত্য কথা বলতে পারে না। এমন অবস্থা তৈরির জন্য এ দেশের লাখো মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হননি।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ফজলুর রহমান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিনা প্রয়োজনে টেস্ট না দিতে চিকিৎসকদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ বিনা প্রয়োজনে মেডিকেল টেস্ট করার জন্য রোগীদের ব্যবস্থাপত্র না দিতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অনেক রোগীর চিকিৎসা ব্যয় বহন করার সামর্থ নেই। চিকিৎসার নামে অনেক রোগী হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন। এক শ্রেণীর চিকিৎসক বিনা প্রয়োজনে রোগীদের মেডিকেল টেস্ট করাতে দেন।

রাষ্ট্রপতি আজ বিকেলে নগরীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ চিকিৎসক সমিতি (এপিবি) আয়োজিত ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা এবং আন্তর্জাতিক সাইন্টিফিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসা পেশাকে একটি মহৎ পেশা হিসেবে উল্লেখ করে যথাযথ স্বাস্থ্য সেবা ও পেশার মান নিশ্চিত করতে মেডিকেল এথিক্স কোড মেনে চলতে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি চিকিৎসা সেবা প্রদানের সময় রোগীর সক্ষমতা বিবেচনায় রাখতে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যের প্রতি আহ্বান জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক রোগী বিভিন্ন ডায়াগোনস্টিক সেন্টারের অপ্রয়োজনীয় টেস্টের ব্যয়ভার বহন করতে সক্ষম নন।

রাষ্ট্রপতি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরের উল্লেখ করে বলেন, কিছু কিছু ঘটনায় দেখা যাচ্ছে, জনগণ চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসা অথবা তার চিকিৎসা অবহেলার শিকার হচ্ছে। এতে চিকিৎসকের এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা কেন্দ্রের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের ভুল চিকিৎসার ব্যাপারে সর্তক হতে হবে। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থা ও ওষুধ দিন দিন আধুনিকায়ন হচ্ছে। তিনি সর্বশেষ প্রযুক্তি ও আবিষ্কার সম্পর্কে নিজেকে আরো বেশি জ্ঞানী হতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ ও অঞ্চল ভেদে রোগের ধরণ ভিন্ন হবার পাশাপাশি জলবায়ু পরির্বতনের কারণে রোগের ধরণ পরিবর্তন হতে পারে। এ সব বিষয় বিবেচনায় রেখেই মেডিকেল চিকিৎসা ও গবেষণা কার্য পরিচালনা করতে হবে।

তিনি জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের উল্লেখ করে আগামী দিনগুলোতে জনগণের জন্য কাক্সিক্ষত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের যৌথ প্রচেষ্টা সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একজন রোগী হলেন হাসপাতালের অতিথি। এ জন্য রোগীদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে, যেন কেউ আপনার আচরণে কষ্ট না পান। তিনি পেশাদারিত্ব মনোভাব নিয়ে কাজ করতে এবং সাধারন জনগণকে স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদানে সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিতে চিকিৎসকদের পরামর্শ দেন। তিনি সুনির্দিষ্টভাবে রোগীদের উত্তম সেবা প্রদানের মনোভাব নিয়ে পেশাদারিত্ব দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫০০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকায় এইচএসসির প্রশ্ন!

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার বিকেল ৪টায় র‌্যাব-১ এর একটি দল রাজধানীর তেজগাঁও লিংক রোড এলাকা থেকে তাদের আটক করে।

আটকরা হলেন- মিজানুর রহমান মিলন (২৪) ও রাফসান চৌধুরী (২৮)। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রশ্ন ফাঁসে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন চেক করে প্রশ্ন ফাঁসের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতার মিজানুর রহমান ২০১৫ সালে কুড়িগ্রাম থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়। এরপর থেকেই সে এ কাজে জড়িয়ে পড়ে। ২০১৫ সালে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ছাড়াও পরীক্ষার রেজাল্ট পরিবর্তনের কথা বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।

আটক মিজান নিজেকে ঢাকা বোর্ডের কর্মচারী এবং বকশিবাজার এলাকায় বসবাস করত বলে জানাত। সে ফেসবুকের একাধিক একাউন্ট থেকে প্রশ্ন সরবরাহ করবে বলে আগাম পোস্ট দিত এবং এজন্য অগ্রিম টাকা বিকাশের মাধ্যমে চাইত। অনেক পরীক্ষার্থী প্রশ্ন পাওয়ার আশায় বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন করত। এ ক্ষেত্রে মিজান কাউকে পূর্বের বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কাটছাঁট করে সরবরাহ করত। আবার মাঝে মাঝে ফেসবুকের বিভিন্ন লিংক থেকে প্রাপ্ত প্রশ্ন সরবরাহ করত। প্রশ্নপত্র বাবদ সে ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা নিত বলে স্বীকার করেছে। এ পর্যন্ত আনুমানিক সে ৮/৯ লাখ টাকা প্রশ্ন সরবরাহের নামে গ্রহণ করেছে।

অপর আটক রাফসান চৌধুরী এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই এক নিকট বন্ধুর মারফতে এ কাজে জড়ায়। সে প্রশ্ন ফাঁসসহ রেজাল্ট পরিবর্তনের জন্য মোটা অংকের টাকা বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করত।

মিজানের মতো একই কৌশলে সে প্রথমে ফেইসবুকে প্রশ্ন সরবরাহের আশ্বাস দিয়ে অগ্রিম টাকা নিত। সে ২০১৬ সাল থেকে এই পর্যন্ত আনুমানিক ৩-৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানায়।

রাফসানকে ২০১৬ সালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে আটকের পর সাত মাস কারাভোগ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আসছে আসিফ-আঁখির ‘টিপ টিপ বৃষ্টি’

মুষল ধারার বৃষ্টিতে নয়, টিপ টিপ বৃষ্টিতে ভিজেছেন বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর ও সুকন্ঠী গায়িকা আঁখি আলমগীর। না, বাস্তবে নয়। ‘টিপ টিপ বৃষ্টি’ শিরোনামের নতুন একটি গানের সুরে ভিজেছেন তারা। গানটি সুর-সঙ্গীত করার পাশাপাশি লিখেছেন তরুন মুন্সী। গানটি প্রকাশ করছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন।

এবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছেন গানটি। ইতিমধ্যে পুবাইলে শেষ হয়েছে এ গানের শুটিং। এতে অংশগ্রহণ করেছেন আঁখি ও আসিফ। ভিডিও পরিচালনায় ছিলেন ভাস্কর জনি।

গানটির অডিও এবং ভিডিও প্রসঙ্গে কণ্ঠশিল্পী আসিফ বলেন, ‘আঁখির সঙ্গে এর আগেও বহু গানে কণ্ঠ দিয়েছি। এবারও দিলাম। আমাদের গাওয়া প্রায় সবগুলো গানই শ্রোতারা গ্রহণ করেছেন। এ গানটির কথাগুলো চমৎকার। সুরেও দারুণ ভেরিয়েশন রয়েছে। সব মিলিয়ে গানটি দারুণ হয়েছে। ভিডিওতে ভক্তরা আমাকে আর আঁখিকে দেখতে পাবে। আশা করি, আমাদের ভক্ত ও শ্রোতাদের কাছে গানটি উপভোগ্য হবে।’

আঁখি আলমগীর বলেন, ‘আসিফ ভাইয়ের সঙ্গে গান গাওয়া মানেই দারুণ কিছু। তার গায়কীতে আলাদা একটা ব্যাপার রয়েছে। সম্প্রতি যে গানটিতে কণ্ঠ দিলাম এটিও তার ব্যতিক্রম নয়। গানটি গাওয়ার সময়ই মনে হয়েছে ভালো কিছু হবে। শ্রোতাদের জন্য আরও একটি ভালো গান প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এখন কিছু বলব না। গানটি প্রকাশ হওয়ার পর শ্রোতারাই গানটির বিচার করবে’।

ধ্রুব মিউজিক স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার তাদের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্ত করা হবে ‘টিপ টিপ বুষ্টি’। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে ডিএমএস ওয়েব সাইট, জিপি মিউজিক এবং বাংলালিংক ভাইবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রদ্ধা-ভালবাসায় স্টিফেন হকিংয়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন

ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে শনিবার ক্যামব্রিজের সড়কে শুভাকাঙ্ক্ষীদের ঢল নামে। প্রিয় বিজ্ঞানীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তারা জড়ো হন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার্চের বাইরে। সেখানে হকিংয়ের কফিন পৌঁছানোর পর অভিবাদন জানাতে সবাই হাততালি দেন। চার্চে শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার আগে সাদা পদ্ম ও ‘পোলার স্টার’ খ্যাত সাদা গোলাপ ঢাকা কফিনটি নেওয়া হয় তার কর্মস্থল ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে।

৭৬ বছর বয়সী বিজ্ঞানীর শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তার সন্তান রবার্ট, লুসি ও টিমথি। এছাড়া নাট্যকার অ্যালান বেনিট, ব্যবসায়ী এলোন মুস্ক ও মডেল লিলি কোলেও এতে যোগ দেন। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া হকিংয়ের জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘দ্য থিওরি অব এভরেথিং’ সিনেমায় প্রফেসর হকিংয়ের ভূমিকায় অভিনয়কারী এডি রেডমাইন অনুষ্ঠানে শোকবাক্য পাঠ করেন। তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয়কারী ফেলেসিটি জোনস এতে যোগ দেন।

হকিংয়ের এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম থেকে নেওয়া কিছু উক্তি ও একটি কবিতা এবং মহাশূন্যে ধারণকৃত শব্দ অবলম্বনে বিশেষ তার জন্য একটি সংগীত রচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে সেটিকে থিম-মিউজিক হিসেবে বাজানো হয়। হকিংয়ের বন্ধু ও নভোচারী রয়্যাল মার্টিন রিস অনুষ্ঠানে প্লেটোর ‘অ্যাপোলজি ফোরটি’ বইয়ের ‘দ্য ডেথ অব সক্রেটিস’ পাঠ করেন। সেখানে মৃত্যুর পরও জ্ঞানচর্চা অব্যাহত রাখার কথা বলা আছে।

এই মাসের শুরুত এক স্মৃতিচারণায় রিস বলেছিলেন, মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর জীবনের বেশিরভাগ সময়ই হুইল চেয়ারে আবদ্ধ থাকা হকিংয়ের সুউচ্চ বুদ্ধিমত্তা ও অধ্যাবসায় তাকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মনে জায়গা করে দিয়েছে।  তিনি বলেন, ‘কেন তিনি এমন ধ্রুব চিত্র হয়ে উঠলেন? কারণ মহাকাশ ঘুরে বেড়ানো একটি বন্দি মনের ধারণা মানুষের কল্পনাকে ধরতে পেরেছিল।’

বিজ্ঞানের অ্যাখ্যানে তার নাম চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার সবচেয়ে বিক্রিত বইয়ের মাধ্যমে বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের মহাকাশ ধারণার দিগন্ত উন্মোচন করেছে। সব বাধা অতিক্রম করার এমন অদ্বিতীয় উদাহরণ বিশ্বের আরও অনেক মানুষকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। তিনি ছিলেন ইচ্ছাশক্তি ও সংকল্পের চমৎকার প্রকাশ।

স্টিফেন  হকিং কৃষ্ণ গহ্বর এবং আপেক্ষিকতা তত্ত্ব নিয়ে তার কাজের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বিরল ধারার মোটর নিউরনের সঙ্গে লড়তে থাকা স্টিফেন হকিং হয়ে উঠেছিলেন তার কালের সবচেয়ে পরিচিত আর সম্মানিত বিজ্ঞানী। রসবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে হয়ে উঠেছিলেন বিজ্ঞানের জনপ্রিয় শুভেচ্ছাদূত। নিজের কাজের প্রতি সাধারণ মানুষ যেন সংলগ্নবোধ করতে পারেন তার প্রতি সবসময় নজর রেখেছেন তিনি। ১৯৮৮ সালে তার এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বই প্রকাশের পর বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান।

১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্ম নেওয়া হকিং গত ১৪ মার্চ মারা যান।  মৃত্যুর পর হকিংয়ের সন্তান লুসি, রবার্ট ও টিমের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের প্রিয় বাবা আজ পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। একজন মহান বিজ্ঞানী ছিলেন তিনি। ছিলেন অসাধারণ একজন মানুষ। তার কাজ আর গ্রহণযোগ্যতা অটুট থাকবে বহু বছর। সাহস আর দৃঢ়তার পাশাপাশি তার মেধা আর রসবোধ বিশ্বজুড়ে মানুষকে প্রেরণা দিয়েছে।’

আগামী জুন মাসে হকিংয়ের দেহভস্ম ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবেতে প্রোথিত করা হবে। সেখানে আইজ্যাক নিউটন ও চার্লস ডারউইনসহ বিভিন্ন মহান বিজ্ঞানীদের দেহভস্মও রয়েছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগে দলীয় কোন্দল-গ্রুপিং অনুসন্ধানে কমিটি

সারাদেশে দলীয় কোন্দল-গ্রুপিং এবং কি কারণে নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীরা পরাজিত হচ্ছেন তা অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় আলোচনার পর এ কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহর নেতৃত্বে এ কমিটিতে রয়েছেন- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মো. আব্দুর রহমান।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, দলের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ দলীয় কোন্দলের প্রসঙ্গ টেনে সভায় বক্তব্য উত্থাপন করেন। এরপর পুরো বৈঠকে দলের বিভিন্ন স্তরে কোন্দল নিরসনের বিষয় নিয়েই আলোচনা করেন প্রায় সব কেন্দ্রীয় নেতারা। কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনেও কোন্দলের কারণে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে নেতাদের বক্তব্যে উঠে আসে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজয়ের বিভিন্ন দিক।
পরে অনুসন্ধান কমিটিকে সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধান করে দলীয় প্রধানের নিকট প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা।

নেতাদের বক্তব্য শুনে দলের ও নৌকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় যেসব নেতা ও এমপি অবস্থান নিয়েছে তাদেরকে ভবিষ্যতে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহকে প্রধান করে চার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের সমন্বয়ে গঠিত কমিটিকে সারাদেশে দলের গ্রুপিংয়ে জড়িতদের চিহ্নিত ও তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ প্রধান।

একই সঙ্গে সারাদেশের এ সকল কোন্দল-গ্রুপিং নিরসনে কাজ করার পাশাপাশি মে মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বার কাউন্সিল নির্বাচন তদারকি করার নির্দেশ দেয়া হয় কমিটিকে। অপর দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক সম্পাদকদের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এদিকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদানের বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান। পরে একে একে এ প্রসঙ্গে আলোচনায় যোগ দেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, এস এম কামাল হোসেনসহ সভায় উপস্থিত অধিকাংশ নেতারা।

সভায় উপস্থিত ওই নেতারা জানান, কোন তারিখে সংবর্ধনা দেয়া হবে তা নির্ধারণ হয়নি। কারণ আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কয়েকটি সরকারি সফরে লন্ডন, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করবেন। তবে আগামী ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের দিন এ সংবর্ধনা আয়োজনা করা হতে পারে বলেও সভায় আলোচনা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest