সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় সোহাগ পরিবহনের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যুসাতক্ষীরায় পিয়ারলেস হাসপাতালের ইনফরমেশন সেন্টারের উদ্বোধনদেবহাটায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেদের উৎপাত : উদ্বিগ্ন অভিভাবকরাভারতের উপকূলে জাহাজ ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সাতক্ষীরার মামুন : উদ্বিগ্ন পরিবারদেবহাটায় শিশু শ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণাদেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরাঅবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারি রাকেশ মেহেরপুরে বদলিভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে কলকাতার হোটেলে মারা যাওয়া সাতক্ষীরার সাজুর দাফন সম্পন্নমৎস্য খাতের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় জোর দিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিআমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন : সভাপতি প্রভাষক আরিফুল

তালায় সিকান্দার মেলায় নগ্নতার প্রদর্শনী, মঞ্চ ভেঙে দিলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: মেলার শর্ত ভঙ্গ ও যাত্রার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনের অভিযোগে অবশেষে সোমবার সকালে তালার ঐতিহ্যবাহী সিকান্দার মেলায় আগত আনন্দ অপেরা ও নিউ নিজাম পুতুল নাচের প্যান্ডেল ভেঙ্গে দিয়েছে পুলিশ। এর আগে যাত্রা ও পুতুল নাচের নামে মধ্যরাতে অর্ধ নগ্ন নারীদের উদোম নৃত্য নিয়ে ছবিসহ সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হলে তানিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এরপর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রবিবার রাতে পুতুল নাচ চলাকালীন তা বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপরও চলতে থাকে আনন্দ অপেরার নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শনী।
তবে সোমবার সকাল ১০ টার দিকে এমন অভিযোগে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে আনন্দ অপেরা, নিউ নিজাম পুতুল নাচ ও চিত্র তারকা মেলার প্যান্ডেলগুলি ভেঙ্গে দেওয়া হয়।
দেশের প্রখ্যাত কবি সিকান্দার আবু জাফরের স্মৃতি রক্ষা ও পর্বণ প্রিয় বাঙালির ঐতিহ্যের সন্ধানে ২০১৭ সাল থেকে কবির গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার তালায় সরকারিভাবে পালিত হচ্ছে সিকান্দার মেলা। এরআগে কবি পরিবারের পক্ষে ২০০১ সাল হতে ১৬’ সাল পর্যন্ত সিকান্দার মেলা চলে আসছিল। এজন্য প্রতি বছর মেলার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় হলেও তা অদ্যবধি কবির স্মৃতি সংরক্ষণ বা মেলায় দর্শনার্থীদের কবি সম্পর্কে ধারণা দিতে কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে একদিকে যেমন সিকান্দার আবু জাফর সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অজানা থেকে যাচ্ছে তেমনি চিত্ত বিনোদনে বাণিজ্যিক প্রসারতায় নানা আয়োজনে মূল লক্ষ থেকে সরে ঐতিহ্য হারাচ্ছে তালাবাসীর প্রাণের মেলা সিকান্দার মেলা। প্রতি বারের ন্যায় এবারো তালার তেঁতুলিয়াতে আয়োজিত মেলায় কবির জীবনী ও সাহিত্য সংষ্কৃতি বিষয়ক আলোচনার পাশাপাশি তাঁর লেখা বই,গান,নাটক ও কবিতা প্রদর্শনের শর্ত থাকলেও বাণিজ্যিকিকরণের নানা পসরায় এবারো চাপা পড়েছে তা। সব মিলিয়ে মেলার সার্বিক আয়োজনে প্রথম থেকেই ক্ষুব্ধ ছিল তালা অঞ্চলের মানুষ।
দেশের প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক সিকান্দার আবু জাফরের ৯৯ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বারের ন্যায় এবারো সরকারের সংষ্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমােদনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধানে জেলার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়াস্থ কবির জন্ম ভিটায় শুরু হয় সিকান্দার মেলা। এলক্ষে সম্ভাব্য সকল প্রস্তুতির পর আয়োজকরা গত ৯ মার্চ থেকে ১৫ দিন ব্যাপী শুরু হয় মেলাটি। সে অনুযায়ী ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলার কথা ছিল তা। তবে এর ৫ দিন আগেই আয়োজকদের দায়িত্বহীনতা, অবহেলা ও অব্যবস্থাপনায় নানা সংকটে মেলার এবারের প্রাণ যাত্রা ও পুতুল নাচ বন্ধ হয়ে যায়। তবে সার্কাস নির্ভর মেলা কিভাবে তা ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ইতোমধ্যে আয়োজকরা মেলার বর্ণাঢ্য বাস্তবায়নে কমিটি গঠন থেকে শুরু করে অনুষ্ঠান সূচি, সিদ্ধান্ত, উদ্ভোধন, মাঠ ইজারা, অনুমোদিত ইভেন্ট ও ব্যবস্থাপনাসহ নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে চললেও মেলার প্রায় শেষ ভাগেও শুরু করতে পারেননি ব্যবস্থাপনার থ’ ক্রমিকের কবির জীবনী ও সাহিত্য সংস্কৃতির কোন আলোচনা বা সংশ্লিষ্ট কোন আয়োজন। এমন অবস্থায় সাহিত্য ও সংষ্কৃতি প্রেমী তালার সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলছেন, অঙ্কুরেই শেষ হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী তালার প্রাণের মেলা সিকান্দার মেলা।
অন্যদিকে মেলার লাভ-ক্ষতির বিষয়টিকে সামনে রেখে তালাবাসীর মনে নতুন করে নানা আশংকা জেকে বসেছে। তাদের ধারণা, পুরনো পথেই নতুন করে এগিয়ে চলেছে সিকান্দার মেলা।
সূত্র জানায়- উপজেলার সবুজ শিক্ষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তেঁতুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দু’টিকে সামনে রেখে অনুমোদিত মেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠকে সম্পৃক্ত করলেও বাইরে রাখা হচ্ছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি। আর মেলার মূল আয়োজন থাকছে কবি পরিবারেরই নিজস্ব ফসলি প্রান্তরে। এতে মাঠ ইজারার টাকা প্রাপ্তির বিষয়টি নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
সূত্র আরো জানায়- এবার মেলার মূল মাঠ বিক্রি হয়েছে ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকায়। এতে ভ্যাট রয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা, আর সরকারি অনুদান প্রায় ২ লাখ। তবে মেলা কেন্দ্রিক আয়ের এত উৎস্য তৈরী হলেও তা কবির স্মৃতি রক্ষা বা বর্তমান প্রজন্মের কাছে সিকান্দার আবু জাফরকে পৌছে দিতে মূলত কোন প্রভাব ফেলেনি।
এদিকে দেশের একজন বরেণ্য কবির নামে শুরু হওয়া মেলাকে ঘিরে শুরু থেকেই ছিল নানা অভিযোগ। মেলায় আগত যাত্রা গান, পুতুল নাচে সংস্কৃতির নামে চলে আসছিল অশ্লীল উদোম নৃত্যের মহোৎসব। এজন্য কতৃপক্ষ অবশ্য দর্শক আকর্ষণকেই প্রাধান্য দিয়েছিল। তবে এবার মেলায় যাত্রা, পুতুল নাচ, সার্কাস, নাগর দোলা সহ বাহারি পসরায় দোকানিদের আগমনেও দর্শক সমাগম করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, অসামাজিক নানা ঘাটতি মেলায় দর্শক শূণ্যতার কারণ। তবে এলাকাবাসীর দাবি ভিন্ন। তারা বলছেন, অশ্লীলতাই শূণ্যতার জন্য দায়ী।
সিকান্দার মেলায় সিকান্দারকে নিয়ে কোন আয়োজন না থাকায় ভিঁড় নেই বর্তমান প্রজন্মের জ্ঞানপিপাসুদের। এলাকাবাসীর আশংকা, এমনটি চলতে থাকলে অনেক ঐতিহ্যবাহী মেলার ভিড়ে হারিয়ে যাবে প্রাণের সিকান্দার মেলাও।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রথমত কবি পরিবারের পক্ষে ২০০১ সাল হতে ১৬’ পর্যন্ত মেলা চালিয়ে গেলেও ব্যাপক গণ দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৭ সাল থেকে প্রথম বারের মত সরকারিভাবে কবির জন্ম বার্ষিকীকে সামনে রেখে চালু হয়েছে সিকান্দার মেলার আয়োজন।
এলাকাবাসী আরো জানায়,মেলাটির শুরুতে ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে আবাল,বৃদ্ধ,বণিতাদের ব্যাপক সমাগম পরিলক্ষিত হলেও বর্তমানে অশ্লীলতা নির্ভর মেলা রীতিমত দর্শক হারাতে বসেছে।
এ ব্যাপারে মেলার সদস্য সচিব শেখ মোসফিকুর রহমান মিলটন’র কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপ-কমিটি ও স্থানীয় সমন্বয়কারী ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব। অনিয়মের কোন সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে মেলার মাঠ ইজারাদার সাইফুল জানান,এবারের মেলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা লগ্নি করেছেন। জুয়া বা লটারী চালু না করলে কোন ভাবেই তার লগ্নির টাকা উশুল হবেনা। এরপর যাত্রা ও পুতুল নাচও বন্ধ করে দেয়ায় তার প্রায় সমুদয় লগ্নি ভেস্তে যাচ্ছে।
এব্যপারে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান- মেলায় কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা তিনি বা পুলিশ সমর্থন করেনা। তাদের কাছে মেলায় আগত যাত্রা ও পুতুল নাচের নামে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শণের অভিযোগ আসায় এবং এনিয়ে পত্রিকায় খবর প্রকাশে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে তারা ঐ প্যান্ডেলগুলি পন্ড করে দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কেন খাবেন কালো টমেটো?

টমেটো আমরা বরাবরই লাল দেখে এসেছি। এটাই যেন স্বাভাবিক। অবশ্য সবুজ বা কাঁচা টমেটো খেতেও মন্দ নয়। সালাদেও এর প্রয়োজনীয়তা কম নয়। কিন্তু এর বাইরেও ‘ব্ল্যাক টমেটো’ বা ‘কালো টমেটো’ রয়েছে। এর বাইরে কালো হলেও ভেতরে একটু লালচে। তবে এর গুণাগুণ সম্পর্কে জানলে অবাক হয়ে যাবেন।

কেন খাবেন
১. সুগারের সমস্যায় কালো টমেটো আপনার জন্য উপকারী।
২. এ ধরনের বিশেষ টমেটো ক্যান্সারের সঙ্গে লড়তেও সক্ষম।
৩. কালো টমেটো চোখের জন্য উপকারী।
৪. ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ঘাটতি পূরণ করে এটি।
৫. রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে।
৬. ওজন কমাতেও সাহায্য করে এ টমেটো।
৭. নিয়মিত কালো টমেটো খেলে হৃদয়ঘটিত সমস্যা দূর করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বছর শেষে মুক্তি পাবে ফেরদৌস-মৌসুমীর নতুন ছবি

বেশ কিছু ব্যবসা সফল ছবি উপহার দিয়েছেন ফেরদৌস ও মৌসুমী জুটি। ‘খায়রুন সুন্দরী’ হয়ে আছে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘদিন পর আবারও রুপালি পর্দায় হাজির হচ্ছেন তারা। কাটছে এই জুটির ভক্তদের প্রতীক্ষাও।

বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী ৩০ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে ফেরদৌস-মৌসুমীর ‘পোস্টমাস্টার ৭১’ নামের ছবিটি। এর প্রযোজনার দায়িত্বেও রয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

ছবিটি রাশেদ শামীম ও আবির খান পরিচালনা করছেন যৌথভাবে। ছবির কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের শেষ দিকে। এরপর ২০১৬ ও ২০১৭ সালে একাধিকবার মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেও পিছিয়ে যায় ছবিটির মুক্তি। অবশেষে চলতি বছরের শেষ মাসের ৩০ তারিখকেই বেছে নিয়েছেন নির্মাতাদ্বয়।

ছাবির গল্প নিয়ে রাশেদ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি মিষ্টি প্রেমের ছবি ‘পোস্টমাস্টার ৭১’। এর প্রেক্ষাপট শুরু হবে ১৯৬৫ সাল থেকে। একজন পোস্টমাস্টারের প্রেমের গল্প দেখানো হবে এখানে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টি-টোয়েন্টি বোলিং র‌্যাংকিংয়ে সেরা দশে মোস্তাফিজ

ভারতের বিপক্ষে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে দুর্দান্ত এক ওভারের কারিশমায় ম্যাচটা বাংলাদেশের পক্ষে নিয়ে এসেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। শেষদিকে দীনেশ কার্তিকের বীরত্বের কারণে জেতা ম্যাচটি হেরে গেছে বাংলাদেশ। তবে দল হারলেও টি-টোয়েন্টি বোলিং র‌্যাংকিংয়ে সেরা দশে ঢুকে পড়েছেন বাঁহাতি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ।

আইসিসির প্রকাশিত সর্বশেষ র‌্যাংকিংয়ে দেখা যাচ্ছে, মোস্তাফিজের সঙ্গে উন্নতি হয়েছে ফাইনালের ট্র্যাজেডি নায়ক রুবেল হোসেনেরও। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহীম এবং সাব্বির রহমানের।

ফাইনালে ৫০ বলে ৭৭ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলা সাব্বির রহমান টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান র‌্যাংকিংয়ের সেরা বিশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের রেটিং পয়েন্ট এখন ৬১৫, আছেন র‌্যাংকিংয়ের ১৮তম অবস্থানে।

নিদাহাস ট্রফিতে খুব ভালো করতে না পারলেও বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সাব্বিরের পরের অবস্থানেই আছেন সৌম্য সরকার। ৫৪১ পয়েন্ট নিয়ে ৩১ নাম্বারে তিনি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪২ এবং মুশফিকুর রহীম ৪৭তম অবস্থানে আছেন।

বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে মোস্তাফিজেরই। ৬৪৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাঁহাতি এই পেসার এখন র‌্যাংকিংয়ের ৮ম অবস্থানে। ৬০৮ রেটিং নিয়ে সাকিব আল হাসান আছেন ১৩ নাম্বারে। ৪৬৫ পয়েন্টে রুবেল হোসেনের অবস্থান ৪২তম।

এদিকে, ভারতীয় বোলারদের মধ্যে ১২ ধাপ এগিয়ে দুই নাম্বারে চলে এসেছেন স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল। ১৫১ ধাপ এগিয়ে ৩১তম অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছেন আরেক স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রিকেটারদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের ক্রিকেটাররা ভালো খেলেছেন, তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এক ম্যাচ হেরে মনোবল হারানোরও কিছু নেই। তিনি বলেন, আমাদের ছেলেরা ভবিষ্যতে আরো ভালো খেলবে। খেলা শেষে পাপনকে ফোন করে বলেছি, ওরা (খেলোয়াড়রা) যেন মনোবল না হারায়।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনির্ধারিত আলোচনায় এ প্রসঙ্গটি ওঠে আসে। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রসঙ্গটি তোলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ক্রিকেটের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শেষ বলে ছয় মেরে ভারত জিতে গেল। বাংলাদেশের আগের ম্যাচে শেষ বলে ছয় মেরে জিতেছিল।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশের পরাজয়ের বিষয়টি নিয়ে এ সময় আলোচনা হয়। সেইসঙ্গে এর আগের সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের ফাইনালে যাওয়ার প্রসঙ্গ নিয়েও মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আলোচনার এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খেলা শেষে আমি পাপনকে (নাজমুল হাসান পাপন, বিসিবি সভাপতি) ফোন করেছিলাম। আমি তাকে বলেছি, খেলোয়াড়দেরকে বলো মনোবল না হারাতে। ওদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ওরা যেনো মনোক্ষুণ্ণ না হয়। ওরা খুব ভালো খেলেছে। ভবিষ্যতে ওরা খুব ভালো করবে। শেষে একটি বল ছিল। এক বলে চারও হতে পারতো। তা না হয়ে ছয় হয়ে গেছে ভারত জিতে গেল। এতে মন খারাপ করার কিছু নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমে উঠেছে তুজলপুর হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী লড়াই

জি.এম আবুল হোসাইন : সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তুজলপুর জি.সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ মার্চ। দুই প্যানেলে অভিভাবক সদস্য পদে মোট ১০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহন চলবে। মোট ৩৯৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মো. আলী হোসেন-ডা. মোফাখ্খারুল ইসলাম পরিষদে রাজহাস প্রতিকে মো. আবুল খায়ের বিশ্বাস, দোয়াত কলম প্রতিকে মো. শরিফুজ্জামান (ময়না), চেয়ার প্রতিকে মো. ফকরুল ইসলাম, মোরগ প্রতিকে মো. জাহারুল ইসলাম ও মহিলা সদস্যা পদে মাছ প্রতিকে মোছা. ফাতিমা খাতুন প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া দাতা সদস্য একক প্রার্থী হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রভাষক রাশেদ রেজা (তরুন)। অপরদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবুল হোসেন – শাহাজান সিরাজ পরিষদে ফুটবল প্রতিকে ডা. শেখ আবুল হোসেন, ছাতা প্রতিকে মো. শাহাজান সিরাজ, বই প্রতিকে মো. মশিউর রহমান, আনারস প্রতিকে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ও মহিলা সদস্যা পদে গোলাপ ফুল প্রতিকে মোছা. আফরোজা খাতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে প্রধান শিক্ষকের অর্থ বাণিজ্য! নিম্ন মানের বই এর ফাঁদে ছফিরুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয়

শ্যামনগর ব্যুরোঃ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হলেও কতিপয় শিক্ষকের নৈতিকতা বিরোধী অর্থ বাণিজ্যের কারনে সুকৌশলে পাঠ্যক্রমে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে নিম্ন মানের খুলনার হতে প্রকাশিত ভূলে ভরা ব্যাকরণ গ্রামার ও নোট বই।এবার গুরুতর অভিযোগ নওয়াবেঁকী ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক হজরত আলী ও সহ: প্রধান শিক্ষক শচীন্দ্রনাথ মিস্ত্রী এর বিরুদ্ধে।সচেতন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শ্যামনগর এর অনলাইন এক্টিভিষ্ট ও সমাজকর্মী রেজওয়ানুল আজাদ নিপুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়,মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদন করেছেন তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ থাকে যে,অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয় অসাধু পুস্তক ব্যবসায়ী ও প্রকাশকের যোগসাজশ এ অত্যন্ত নিম্ন মানের বাংলা ও ইংরেজি ব্যাকরণ ও গ্রামার নোট বই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে যুক্ত করতে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে কৌশলে কিনতে বাধ্য করছেন।খোঁজ নিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলে।কয়েকজন শিক্ষার্থী এই প্রতিবেদকে বলেন,আজ বিদ্যালয় ছুটির আগে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীতে সহ:প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন তোমাদের যে বই দেওয়া হয়েছে তা ভালো এবং এই বই আপাতত স্কুলে আনবে না আমাদের (শিক্ষক) বিপদ হবে।অনুরুপভাবে সহ: শিক্ষক অরুপ বাবু সপ্তম শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের সামনে বলেন প্রকাশক স্কুলের কল্যাণে কিছু টাকা দিয়েছে যা পরে ব্যয় করা হবে।কয়েকজন অভিভাবক ক্ষুব্ধ কন্ঠে বলেন,১০৫০ টাকা ও ১২০০টাকায় নিম্নমানের স্কয়ার প্রকাশনির নোট গাইড ও খুলনার আজিজিয়া লাইব্রেরীর ভাষা বিন্যাসও ব্রিলিয়্যান্ট গ্রামার ব্যাকরন বই কিনতে বাধ্য হচ্ছি।কারণ স্কুলে এই বই থেকে পড়ায়।পড়া না পারলে শাস্তির ভয়ে বাধ্য হয়ে এই ব্যাকরণ ও নোট বই কিনতে বাধ্য হচ্ছি আমরা।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষক হজরত আলীর মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা। আমি দীর্ঘ বছর যাবত এ বিষয়ের সাথে জড়িত না।অথচ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষন শচীন্দ্রনাথ মিস্ত্রির সাথে কথা হলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন,আমরা অল্প কিছু গ্রামার বা ব্যাকারণ বই বাচ্চাদের কেনার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।সরকার নিষিদ্ধ বই কেনো কেনার নির্দেশ দিলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,কোন বই সরকার নিষিদ্ধ আর কোন বই নিষিদ্ধ না সেটা আমরা জানিনা তাছাড়া মাধ্যমিক অফিস থেকেও আমাদের এ বিষয়ে কোনোদিন কোনো কিছু বলেনি। অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষক বলেন,খায়না এমন কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম মোঃ রফিকুজ্জমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি বিষয়টি জানতাম না। অবশ্যই এ বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষকদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জনৈক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অভিন্ন সুরে বলেন,স্কয়ার গাইডের বাংলা দ্বিতীয় পত্রের রচনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ রচনায় স্বাধীনতার ইতিহাস এ স্বাধীনতার স্থপতির নাম উচ্চারিত হয়েছে একবার।কি শিখবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই বই পড়ে?

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক বি এম আলাউদ্দীনের চাচার ইন্তেকাল

বি এম আলাউদ্দীন ঃ আশাশুনির সাংবাদিক বি এম আলাউদ্দীনের চাচা ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজেউন)। মৃতকালে তার বয়স হয়েছিলো ৩৮ বছর। তিনি আশাশুনি থানা বড়দল ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামের শওকাত বিশ্বাসের পুত্র যুবলীগ নেতা মোঃ বিল্লাল বিশ্বাস দীর্ঘ দুই তিন মাস হৃদ রোগে ভুগছিলেন চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকা হার্ডইনিষ্টিড হাসপাতাল ও সোরওয়ারর্দী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরত দেয়। বাড়ি আসার পথে চুপনগরে এ্যম্বুলেন্সে রাত ১১:৩০ টায় শ্বাস কষ্টে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ পুত্র সন্তান রেখে যান।
সোমবার যোহরবাদ ফকরাবাদ ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে যানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে যানাজায় ইমামতি করেন মরহুমের ভাতিজা হাফেজ মোঃ আল-আমিন বিশ্বাস কাঁটাবুনি জামেমসজিদ ইমাম সাহেব।
নামাজে যানাজা শেষে মরহুমের পারিবারিক করবস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এসময় নামাজে যানাজায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম, বড়দল যুবলীগ সভাপতি মোঃ আছাদুল ফকির, চাপড়া মাধ্যমিক বিদ্যলয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আছাদুল হক, বড়দল ইউপি সদস্য হাফেজ মোঃ রুহল আমিন ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest