সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনিতে ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬দেবহাটায় সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার৫ হাজার টাকা সম্মানিসহ ৭ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় দলিল লেখক সমিতির সমাবেশসাতক্ষীরায় নতুন আঙ্গিকে চালু হলো ‘মাল্টি কম্পিউটার ল্যান্ড ও ডিজিটাল রেকর্ডিং স্টুডিও’সাতক্ষীরায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নাশকতার চেষ্টা, মামলা ও গ্রেপ্তার ৫কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুআশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে মিয়াওয়াকি বনায়নের উদ্বোধনদেবহাটায় চোর সন্দেহে ধাওয়া : মালামাল ফেলে পালালেন কয়েকজনকালিগঞ্জের মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির হেমায়েত স্থায়ী বহিষ্কার

মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ০৬ ফেব্রুয়ারি ২৪ তারিখে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসান ইমাম স্বাক্ষরিত একপত্রে এস এম সাইদ হোসেন কে আহবায়ক ও ইব্রাহিম খলিল(বাবু) কে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য পৌর কমিটির অনুমোদন দেন।

উক্ত আহবায়ক কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশ এগ্রিকালচার মেশীনারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা শাখার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধা ৭টায় এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুর রউপের সভাপতিত্বে সদরের নিউমার্কেট মোড়ে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাসির হোসেন, সহ সভাপতি কাজী কামরুল ইসলাম, ক্যাসিয়ার আব্দুর রহমান।

বক্তরা বলেন বাংলাদেশর কৃষি প্রধান দেশ। এই দেশের বেশিরভাগ মানুষ কৃষি কাজ করে তাদের জিবিকা নির্বাহ করে। বাংলাদেশ এগ্রিকালচার মেশীনারী মার্চেন্ট এসোসিয়েশন দেশের কৃষি উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আগামী দিন গুলোতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া সংগঠনের বাৎসরিক পিকনিক সহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেম আসুতোষ কুমার,সাুদুল হক,জয়ন্ত,আব্দুর রহমান,সহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম সহ আরও অনেকে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আজিজুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ২ কোটি টাকা মুল্যের এলএসডি মাদকসহ কুদ্দুস আলী নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বিজিবি।

মঙ্গলবার বিকেলে কাকডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় মাদক জব্দ ও আটকের ঘটনা ঘটে।
সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশরাফুল হক জানান, ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদক আসছে,এমন সংবাদে কাকডাঙ্গা এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকে বিজিবি’র বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদান আবু তাহের। এসময় বাইসাইকেলে আসা কুদ্দুস আলীকে আটক করে দেহ তল্লাশি চালায় বিজিবি সদস্যরা।

তল্লাশিকালে কুদ্দুস আলীর জাম্পারের পকেট থেকে ৩ বোতল এলএসডি মাদক ও ২ বোতল মদ উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত মাদকের মুল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। আটককৃত আসামীকে কলারোয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান বিজিবি অধিনায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব‍্যুরো: আশাশুনির বিভিন্ন নদ-নদীতে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী বেহুন্দি ও অন্যান্য ক্ষতিকর অবৈধ জাল নির্মূলে বিশেষ কম্বিং অপারেশন ২০২৪ বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিনভর উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীতে “বিশেষ কম্বিং অপারেশন” পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার।

এ সময় নদী হতে অবৈধ ০৬ টি বেহুন্দী জাল এবং ০৫ টি মশারী জাল আটক করা হয় যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। আটককৃত জাল দয়ারঘাট স্কুল সংলগ্ন এলাকায় আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। মৎস্য দপ্তরের ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট উজ্জ্বল অধিকারী, অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ ও এলাকার লোকজনের উপস্থিতিতে সকল কর্মকাণ্ড সম্পাদন করা হয়।

প্রসঙ্গত, শীতের শেষের দিকে নদীতে বাগদা, হরিণা ও গলদা চিংড়ির রেণু আহরণ করতে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধ নীল নেট ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা নিধন করে চলেছে। তাই মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী বেহুন্দি ও অন্যান্য ক্ষতিকর অবৈধ জাল নির্মূলে বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করে চলেছেন উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জে উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে সংসদীয় পদ্ধতিতে অমর একুশে বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্বাবধানে ও রাজস্ব অফিস গণপাঠাগারের আয়োজনে মঙ্গলবার বেলা ১০টায় সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্ত¡রে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আজাহার আলী‘র সভাপতিত্বে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ও স্পিকারের দায়িত্ব পালন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপংকর দাশ দীপু। এসময় তিনি বলেন, শুধুমাত্র পাঠ্য বইয়ে নয়, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেকে স্মার্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের জন্য বেশি বেশি পড়তে হবে, সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারলে ভবিষ্যতে তাকে আর পেছনে ফিরে দেখতে হবেনা।

সর্বপরি আজকের এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার অবশ্যই প্রসংশনীয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাহিত্যিক ও প্রবান্ধিক গাজী আজিজুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শ্যামাপদ দাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ ওয়াসিম উদ্দিন। বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে পক্ষে ও বিপক্ষে সরকারি কালিগঞ্জ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যায়ল ও নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয় নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বড়শিমলা কারবালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

বুধবার বেলা ১০টায় দ্বিতীয় দিনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চত্ত¡রে তারকনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ধুলিয়াপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং মৌতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। সংসদীয় পদ্ধতিতে বিতর্ক প্রতিযোগিতার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাজস্ব অফিস গনপাঠাগারের সদস্য সচিব এ্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহিম, সদস্য আশেক মেহেদী ও শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ। বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অমর একুশে বই মেলায় সাতক্ষীরার বিশিষ্ট চিকিৎসক গাজী নাসির উদ্দীনের উপন্যাস ‘স্বপ্নভঙ্গ’ প্রকাশিত হয়েছে। ৬ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ ঢাকায় উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। শব্দশিল্প প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটি একুশে বইমেলায় ৮৯, ৯০ ও ৯১ নং স্টলসহ সারা দেশে পাওয়া যাচ্ছে। ২০১৯ সালে লেখকের প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রস্থ ‘কবিতার ভ‚বন’ ব্যপক সাড়া জাগিয়েছিলো।

ডা. গাজী নাসির উদ্দীন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি দেবহাটা টিকেট গ্রামের আলহাজ¦ মাওলা বক্স গাজী ও আশুরা খাতুনের দ্বিতীয় সন্তান। লেখক ১৯৯০ সালে টিকেট সরকারি প্রাথমিক স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা ১৯৯৫ গাভা এ.কে.এম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা, ১৯৯৭ সনে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক, ২০০৪ সনে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ন হন। তিনি মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিশেষ কৃতিত্বের জন্য জেলা প্রশাসক গোল্ড মেডেল পুরুষ্কার লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনস্থ রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ফরেনসিক মেডিসিন বিষয়ে ২০১৪ সালে ডি.এফ.এম ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি ইন্ডিয়ান হেলথ্ সায়েন্স ইউনিভার্সিটি থেকে ফিজিক্যাল থেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন এর উপর মাস্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন বারডেম থেকে ডায়াবেটোলজিতে সিসিডি, ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের ব্যবস্থাপনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এ্যানেসথেসিওলোজী বিষয়ে ইওসি কোর্স, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সিন্সিনাটি থেকে মাস্টার্স ইন ফ্যামিলি মেডিসিন- অনলাইন কোর্স, এপোলো হাসপাতাল চেন্নাই থেকে নিউরোলজিকাল রিহ্যাবিলিটেশন বিষয়ে ফেলোশিপসহ অনেক ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন।

তিনি ২৭তম বি.সি.এস (স্বাস্থ্য ক্যাডার)এর মাধ্যমের সরকারি চাকুরিতে যোগদান করেন। ১২ জুলাই ২০০৫ সালে রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম এর আব্দুল আজিজ চৌধুরীর কনিষ্ঠ কন্য জাকিয়া সুলতানা রুমির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। গাজী নাহিদ সুলতান বাবু ও যায়রা ওয়াসেনাত নায়যা তাঁদের সন্তান। লেখক বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি ছাত্র হল সুপার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কমিটির সম্পাদক এবং টিচার্স এসোসিয়েশনের সাংস্কৃতিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

লেখক ছোট বেলা থেকেই ক্রীড়া ও সাহিত্যে চর্চায় বিশেষ করে ছন্দ কবিতা, নাটক ও ছোট গল্প রচনা সহ ফুটবল, ক্রিকেট, হাডুডু, টেবিল টেনিস ইত্যাদিতে স্কুল, কলেজ, মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ‘স্বপ্ন ভঙ্গ’ উপন্যাসটি লেখকের প্রকাশিত দ্বিতীয় লেখা। এর আগে লেখক ‘কবিতার ভূবণ’ নামক প্রথম কবিতার বই প্রকাশ করেছেন। সেই সময় কবিতার বইটি পাঠক সমাজে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মহাজনের সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় এক মুন্ডা পরিবারের বসতবাড়ি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে৷ গত বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে৷ এঘটনার পর থেকে পরিবারের চারজন সদস্যসহ নিখোঁজ রয়েছেন রনজিৎ মুন্ডা। তিনি ওই গ্রামের মৃত পূর্ন চরন মুন্ডার ছেলে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করোনা কালীন সময়ে রনজিৎ মুন্ডা ২০২০ সালে টেংরাখালী গ্রামের মৃত মান্দার গাজীর ছেলে আনিছুর রহমানের নিকট থেকে ৭৬ হাজার ৫০০টাকা গ্রহণ করেন বাৎসরিক ৪ হাজার টাকা সুদ হিসাবে। আর এই টাকা গ্রহণের সময় আনিছুর সু-কৌশলে রনজিৎ মুন্ডার নিকট থেকে ১৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে টিপ সহি নেওয়াসহ বন্দোবস্ত জমির দলিল গ্রহণ করেন। এরপর থেকে রনজিৎ মুন্ডা প্রতি বছর আনিছুর রহমানকে সুদের ৪ হাজার টাকা প্রদান করে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে আনিছুর রহমান স্ট্যামের বলে রনজিৎ মুন্ডা তাকে ১১ কাটা জমি লিখে দিয়েছে বলে তার বসত ভিটা জবর দখলসহ সেখানে পুকুর খনন করতে থাকে। এ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী আজগর বুলু , সাবেক ইউ,পি সদস্য আব্দুল গফ্ফার তরফদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশসহ বসত ভিটার মাপ জরিপ করা হয়। মাপ জরিপ করে রনজিৎ মুন্ডার বসত ঘরের বারান্দায় খোটা মারেন আনিছুর। আর এঘটনার পর ওইদিন রাত থেকে রনজিৎ মুন্ডাসহ তার ছেলে সতীষ মুন্ডা , সতীষ মুন্ডার স্ত্রী সেফালী মুন্ডা, সতীষ মুন্ডার মেয়ে স্মৃতি মুন্ডা ও তার ছেলে অভিজিৎ মুন্ডা নিখোঁজ রয়েছেন। বর্তমানে তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছেনা বলে জানান রনজিৎ মুন্ডার প্রতিবেশিরা।

স্থানীয় গ্রাম পুলিশ গোপাল মুন্ডা বলেন , রনজিৎ মুন্ডাসহ তার পরিবারের সদস্যরা নিখোঁজ হওয়ার পর হতে স্থানীয় সুদ ব্যবসায়ী আবুল কালাম, আকবার শেখ, নূরালী মোল্যা, মহরম কাগুচী, আব্দুল আজিজ সুদের টাকার জন্য রনজিৎ মুন্ডার বাড়িতে পায়তারা করছেন।

মনোরঞ্জন মুন্ডা, আবু নুর আলম মোল্যা নামে অপর দুই ব্যক্তি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে রনজিৎ মুন্ডা, সতীষ মুন্ডাসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এসময় কান্না জড়িত কন্ঠে তারা বলেন, ‘আনিছুর তাদের ভিটাবাড়ি জোরপূর্বক ভাবে নিয়ে নিয়েছে। পরিবার নিয়ে তারা কোথায় থাকবে?’ এরপর পরদিন সকাল হতে রনজিৎ মুন্ডাসহ তার পরিবারের কোন সদস্যের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।

স্থানীয় ইউ,পি সদস্য আলী আজগর বুলু বলেন, চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় আমিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রনজিৎ মুন্ডা- আনিছুরের সালিশে ছিলাম। তবে মাপ জড়িপের বিষয়টি রনজিৎ মুন্ডা মেনে না নেওয়ায় পরবর্তীতে আবাারও সালিশের দিন ধার্য্য করা হয়। আর এরপর থেকে ওই পরিবার নিখোঁজ হয়েছে বলে শুনেছি।

রমজাননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ আল মামুন বলেন , বিষয়টি আমি শুনেছি। আমরা চেষ্টা করছি তাদের সন্ধান পাওয়ার জন্য।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আনিছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন তিনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জের জমি জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মৎস্য ঘেরে বিষ দিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১ লা ফেব্রুয়ারী রাতে উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের ড্যামরাইল গ্রামে। এঘটনায় ভূক্তভোগি ঘের মালিক তারক চন্দ্র বর্মন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের ড্যামরাইল ও সেরকাটি মৌজায় ১২ একর ২০ শতক জমিতে পৃথক দুইটি অংশ তারক বর্মন (৫২) ও বাসুদেব বর্মন (৪৫) মৎস ঘেরে মাছ চাষ করিয়া আসছে। চলতি মৌসুমে বাসুদেব বর্মন মৎস্য ঘেরে আনুমানিক ৬০ লাখ টাকার মাছ ছাড়ে।

মৎস্য ঘের তাদের বসত বাড়ি সংলগ্ন হওয়ায় তারা বাড়ি থেকে ঘের দেখাশোনা করতেন। প্রতি দিনের ন্যায় মৎস্য ঘের দেখাশুনা করেন রাত ১০টার দিকে তারা বাড়িতে চলে আসেন। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে রাত অনুঃ ১টার দিকে ঘুম থেকে উঠে মৎস্য ঘেরে লাইটের আলোয় বেশ কয়েকজন ব্যাক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখতে পান। উল্লেখিত ব্যাক্তিরা হলেন, একই গ্রামের ধিরেন ঘোরামীর ছেলে শ্যামপদ ঘোরামী, মৃত অধার কয়ালের ছেলে নিখিল কয়াল, অনুকুল বৈদ্যের ছেলে নিতাই বৈদ্য, সন্তোষ কয়ালের ছেলে বিধান কয়ালসহ কয়েকজন ব্যাক্তিকে দৌড়ে পালাতে দেখতে পান। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয় মৃত সুধান্য বর্মনের ছেলে সমিত্র বর্মন, মৃত নিরঞ্জন কয়ালের ছেলে তুষার কয়াল, মৃত সন্যাসী ভাঙ্গী ছেলে নিরাপদ ভাঙ্গী, মৃত সুধান্য বর্মনের ছেলে বাসুদেব বর্মন সর্ব-সাং-ড্যামরাইল, থানা-কালিগঞ্জসহ আরো অনেকে বিষয়টি দেখতে পায়।

এসময় তারা লক্ষ্য করেন বিষ দেওয়ার ফলে ঘেরে মাছ লাফালাফি করতে করতে মারা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে জমি যায়গা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে উল্লেখিত ব্যক্তিরা (কীটনাশক) বিষ প্রয়োগ করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য এ ধনণের জঘন্য কাজ করেছে। বিষ প্রয়োগের ফলে প্রায় ৬০ লাখ টাকার মাছ মারা গেছে বলে অভিযোগে করেন। মৎস্য ঘেলে বিষ প্রয়োগের বিষয় নিয়ে এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উল্লেখ্যঃ অভিযোগকৃত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মারায় ঘটনায় মামলা হলে জীবনে আর কখনো এমন ধরণের কাজ করবেনা বলে মুচলেকা দিয়ে সে যাত্রায় রেহাই পায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest