সর্বশেষ সংবাদ-
বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিতবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ায় র‌্যালিসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতসাতক্ষীরা গ্রীন কোয়ালিশনের ষান্মাসিক পরিকল্পনা পর্যালোচনা কর্মশালা

আশাশুনিতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দু’জন আটক

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনিতে ৫৩ পিচ ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাজাসহ ২ মাদক সেবী ও ববসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার রাত অনুমান সাড়ে ১০টার দিকে সদর ইউনিয়নের দূর্গাপুরে মাদক বিক্রির সময় স্পটে হানা দিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

এসআই আব্দুর রাজ্জাক সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি সদরের মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী তফিল উদ্দিন সরদারের পুত্র সাইফুল ইসলাম (৪৪) ও অজিয়ার সরদারের পুত্র সাবেক ইউপি সদস্য রেহেনা ইসলামের স্বামী নূর ইসলাম (৪৫) কে হাতেনাতে আটক করেন। পুলিশ তাদের দেহ তল্লাসি করে ৫৩ পিচ ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাজা উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানায় ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১৯ (১) টেবিল (৭)/ক, ৯(ক)/২৫ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আখড়াখোলায় পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার সদর উপজেলার আখড়াখোলায় পানিতে ডুবে হাবিবা সুলতানা (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্রীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। সে ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের আখড়াখোলা গ্রামের আবু বকর ছিদ্দিকের বড় মেয়ে। সে ঝাউডাঙ্গা কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। বুধববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বাড়ির পাশের বেত্রাবতী নদীতে গোসল করতে করতে পানিতে ডুবে সে মারা যায়। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রতিদিনের ন্যায় কলেজ থেকে ফিরে হাবিবা সুলতানা নদীতে গোসল করার জন্য পানিতে ডুব দেয়। পানিতে ডুব দেওয়ার অনেকক্ষণ পরও তাকে উঠতে না দেখে নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরতে থাকা স্থানীয়রা তার চাচা ও বাবাকে খবর দেয়। পানিতে নেমে তারা তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। স্থানীয় এক ডাক্তারকে তাৎক্ষণিকভাবে দেখে মৃত বলে ঘোষণা করলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইতিহাসে কোহলির ভারত

ইতিহাসে কোহলির ভারত

কর্তৃক Daily Satkhira

ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা অধিনায়ক কে? প্রশ্নের উত্তরে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের নাম বলতে পারেন আপনি। তবে পরিসংখ্যান বলছে, দেশটির ইতিহাসে বিরাট কোহলির মতো সফল অধিনায়ক আর একজনও নেই। দেশকে এ পর্যন্ত ৩২টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাতে ২০টিতেই জিতেছে ভারত। কমপক্ষে পাঁচটি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন এমন ক্রিকেটারের মধ্যে কোহলির সাফল্যের হার সবচেয়ে বেশি।

ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কাকে টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে বিরাট কোহলির দল। এ নিয়ে টানা নয়টি সিরিজ জিতল ভারত। ক্রিকেট ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি সংখ্যক টানা সিরিজ জয়ের রেকর্ড নেই। আজ অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের পাশে বসল কোহলির দল। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত টানা নয়টি টেস্ট সিরিজ জিতেছিল পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। টেস্ট ইতিহাসে ইংল্যান্ডও টানা নয়টি টেস্ট সিরিজ জিতেছে। সেটি ১৮৮৪-৯২ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে সাতটি অ্যাশেজ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে দুটি সিরিজে হারায় ইংল্যান্ড।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে কোহলি অধিনায়ক হওয়ার পর প্রথম ম্যাচটাই হারে ভারত। এর পরের বছর শ্রীলঙ্কা সফরেও হারে কোহলির দল। তবে এরপরই যেন জয়ের নেশা টেপে ধরে কোহলিকে। সেই সিরিজটা ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়ে শুরুটা করেন তিনি। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জেতে ভারত।

একটা দিক দিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে আছে ভারত। ইংল্যান্ড যে নয়টি সিরিজ জিতেছিল, সেখানে ম্যাচ ছিল ২৩টি। পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া যে নয়টি সিরিজ জেতে সেখানে ২৬টি ম্যাচ ছিল তবে কোহলির দল নয়টি সিরিজ জিততে খেলেছে ৩০টি টেস্ট।

আগামী জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামবে ভারত। এই সিরিজটা জিতলে টানা দশটি সিরিজ জিতে ইতিহাস তৈরি করবে কোহলি দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আপনি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে-বিশ্বের প্রথম নাগরিকত্ব পাওয়া রোবট সোফিয়া

হ্যালো সোফিয়া, কেমন আছ?

—ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমি ভালো আছি। আমি গর্বিত। আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়া দারুণ ব্যাপার।

এই কথোপকথন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচিত রোবট সোফিয়ার। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক মেগা ইভেন্ট ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’-এর এবারের আয়োজনের বড় আকর্ষণ এই যন্ত্রমানবী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের উদ্বোধন করেন। বক্তৃতা পর্ব শেষে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও রোবোটিক্সের সমন্বয়ে গড়া রোবট সোফিয়ার সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে ট্যাব চেপে তিনি মেলার উদ্বোধন করেন।

পরের প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরব থেকে আসা সোফিয়ার কাছে জানতে চান, ‘তুমি আমাকে কীভাবে চিনলে?’ জবাবে বিশ্বের প্রথম নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট বলে, ‘আমি জানি, আপনি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মেয়ে। আপনি মাদার অব হিউম্যানিটি। আপনার নাতনির নামও সোফিয়া।’ প্রধানমন্ত্রী তখন উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা জানেন, জয়ের (প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং তাঁর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়) মেয়ের নাম সোফিয়া।’ হলুদ-সাদা রঙের জামদানির পোশাক পরা সোফিয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইংরেজিতে কথোপকথন চলে।

যার আদলে সোফিয়াকে বানানো হয়েছে সেই বিখ্যাত হলিউড অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নও বাংলাদেশে এসেছিলেন। ১৯৮৯ সালে ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হয়ে বাংলাদেশে এসে প্রায় এক সপ্তাহ ছিলেন।বাসসের খবরে বলা হয়েছে, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ এবং বাংলাদেশ সফটওয়্যার ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি ও বিজয় সফটওয়্যারের প্রবক্তা মোস্তাফা জব্বার। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সরকারের পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কম্পিউটার খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কয়েকটি আইটি সংগঠনের সহযোগিতায় আইসিটি বিভাগ ও বেসিস ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’-এর আয়োজন করেছে। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘রেডি ফর টুমরো’। ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেলা সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড দেখতে কোনো টিকিট লাগবে না, তবে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করতে হবে। মেলা প্রাঙ্গণেও নিবন্ধন করার সুযোগ থাকছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের শীতলপাটি

বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির বয়নশিল্প ইউনেস্কোর নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ২০১৭ তে (ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউমিনিটি) তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে।

আজ বুধবার ইউনেস্কোর নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণের জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় কমিটি শীতলপাটির বয়নপদ্ধতির স্বীকৃতির ঘোষণা দিয়েছে।

সিলেটের ঐহিত্যবাহী শীতলপাটির আকার-আকৃতিতে ও নকশায় রয়েছে বৈচিত্র্য। পাখি, ফুল, লতাপাতা, জ্যামিতিক নকশা, মসজিদ, চাঁদ, তারা, পৌরাণিক কাহিনীচিত্র, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার, শাপলা, পদ্ম; কী নেই? সুযোগ আছে প্রিয়জনের নাম লেখার।

বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য নিদর্শন শীতলপাটি। মুর্তা বা বেতগাছের বেতি থেকে বিশেষ বুননকৌশলে শিল্পরূপ ধারণ করে এই লোকশিল্পটি।

উল্লেখ্য, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটিকে ইউনেস্কোর Intergovernmental Committee for the Safeguarding of the Intangible Cultural Heritage এর ১২তম অধিবেশনে বিশ্বের নির্বস্তুক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (The Intangible Cultural Heritage of Humanity) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য প্রস্তাবনা উত্থাপন করে।

সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, বরিশাল, ঝালকাঠি, কুমিল্লা, ঢাকা, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল ও নেত্রকোনায় এই গাছ পাওয়া গেলেও এই পাটির বেশির ভাগ শিল্পীই বৃহত্তম সিলেট বিভাগের বালাগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জের। সিলেট অঞ্চলের এই পাটির শতবর্ষী ঐতিহ্য রয়েছে। এখানকার এক শ গ্রামের প্রায় চার হাজার পরিবার এই কারুশিল্পের সঙ্গে জড়িত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাতক্ষীরা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে সুজা ও ওয়ায়েশ

তোষিকে কাইফু : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আরিফুজ্জামান জনি, তোষিকে কাইফু, মাহমুদ হুসাইন পারভেজ, সাইফুল আলম গাজী ও অরূপ ব্যানার্জি স্বাক্ষরিত বিবৃতির মাধ্যমে জবি পরিসংখান বিভাগের ছাত্র তাহমিদ সুজা কে সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের ছাত্র ওয়ায়েশ মাহমুদ কে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী এক বছরের জন্য ৪১ সদস্য বিষিষ্ট কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, সভাপতি তাহমিদ সুজা, সহ-সভাপতি তপন কুমার, আকিব জাভেদ, কাজী মুজাহিদ আলম, বি.এম. আবু সাঈদ, হাসান আব্দুল কাইয়ুম, রুবিনা আক্তার রুবি, রাফিজা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়েশ মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ তাজ, শেখ সজিব আহমেদ, তরিকুল ইসলাম, সরদার দীপ্তি, রাফিউজ্জামান রাফি, তাপস রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুজ্জামান তৌহিদ, রাসেল কবির, অনুরাধা পাল, সৌরভ সরকার, ফারহানা নাজনীন দিয়া, সৈয়দ রিফাত, দপ্তর সম্পাদক নিরব রহমান, প্রচার সম্পাদক তামিমা নাসরিন মিমি, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাক ফারজানা সুলতানা জুই, আপ্যায়ন সম্পাদক আশরাফুজ্জামান নাদিম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক মো: শিমুল হোসেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া তুলি, শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক তাজমিন আশামনি, সদস্য শুভাশিষ মন্ডল, আরিফ হোসেন, রিয়াজুল আহসান, হুয়ায়ন কবির। নবগঠিত কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীদের ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ রাখতে এবং তাদের সহযোগিতা করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিকামী বাঙালিরা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছিলেন- কলারোয়া মুক্তদিবসে মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া ও তালা) আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ বলেছেন- ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন আর ধারণ করে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা সবার চলার পথের পাথেয়।’
বুধবার দুপুরে ৬ডিসেম্বর কলারোয়া পাক হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের স্মৃতিচারণ করে মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি বলেন- ‘তখন ফাইভে পড়ার সময় যখন স্কুলের পাশ দিয়ে মুক্তিকামী যোদ্ধারা স্লোগান দিয়ে যেতো তখন আমরা উন্মুখ হয়ে থাকতাম স্কুলের ঘন্টা পড়লেই দৌড়ে তাদের সাথে যাবো।’
তিনি বলেন- ‘স্বশস্ত্র পাকিস্তান আর্মির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র সাধারণ মুক্তিকামী বাঙালিরা কোন বেতন-ভাতা, লুঙ্গি-গামছার আশা না করে শুধুমাত্র দেশ স্বাধীনের প্রত্যাশায় জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। তাদের প্রতি আমাদের বিন¤্র শ্রদ্ধা চিরকাল।’
কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড। আলোচনা সভার আগে মুক্তিযোদ্ধা-জনতার এক বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালী কলারোয়ার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে স্মৃতিচারণ করেন যুদ্ধকালীন সময়ে এ অঞ্চলের মুজিব বাহিনীর প্রধান এবং তালা-কলারোয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান।
বিশেষ বক্তা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক সাংসদ ও সাবেক কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বিএম নজরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীন ও আব্দুল গফফার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনিরা পারভীন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন ও সেলিনা আনোয়ার ময়না, জেলা পরিষদের সদস্য রোকেয়া মোসলেম ও আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব দেব নাথ এবং   দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ ।
কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কলারোয়া পাবলিক ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক এড. শেখ কামাল রেজা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

কেএম রেজাউল করিম/আরাফাত হোসেন লিটন: দেবহাটায় ৬ই ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের এই দিনে সম্পূর্ণ রুপে পাক হানাদার মুক্ত হয় গোটা দেবহাটা। এ উপলক্ষে বুধবার বিকাল ৪টায় পারুলিয়া শহিদ আবু রায়হান চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মুনসুর আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা যুদ্ধহত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভাপতি আব্দুল মাহমুদ গাজী, দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার ইয়সিন আলী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আবু রায়হান তিতু।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামসেদ আলী, দপ্তর কমান্ডার আব্দুর রউফ, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন কমান্ডার ইদ্রিস আলী, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন কমান্ডার আব্দুর রশিদ, সখিপুর ইউনিয়ন কমান্ডার আবুল কাসেম, মুক্তিযোদ্ধা সাবুর আলী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব, দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রনি, সাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান প্রিন্স, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবু, সখিপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি হারুন অর রশিদ প্রমূখ।

এসময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ দিনের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে অবশেষে এই দিনেই দেবহাটা ছেড়ে পিছু হটে যায় পাক সেনারা। স্বাধীনতা সংগ্রামের তৎকালীন ৯নং সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার প্রয়াত ক্যাপ্টেন শাহাজান মাস্টারের নেতৃত্বে সম্মুখ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো দেবহাটার মুক্তিকামী মানুষ। একের পর এক যুদ্ধে পরাস্থ হয়ে সেদিন দেবহাটা ছাড়তে বাধ্য হয় পাক বাহিনী ও তাদের দোষররা। একাত্তরের নভেম্বর মাসের শেষ ও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের প্রতিটি দিন অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে ক্রমেই পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোষররা পিছু হটতে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest