কালিগঞ্জে স্বপ্ন প্রকল্পের ২য় চক্রের যাত্রা শুরু

কালিগঞ্জ ব্যুরো : সম্মিলিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ গুলো গ্রামীন দরিদ্র মহিলা ও অসহায় জনগোষ্ঠির কাছে পৌছে দেয়া ও তাদেরকে আকস্মিক সংকট থেকে রক্ষা করা হয়। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলার গ্রামীণ হতদরিদ্র মহিলাদের ভাগ্য উন্নয়নে স্বপ্ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের শুরু হয়েছিল ২০১৫ সালের ১৬ আগস্ট। এলজিডি ও ইউএনডিপি‘র যৌথ সহযোগিতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পের প্রনীত স্বপ্ন প্রকল্প সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির একটি অগ্রসর ধারা। এই প্রকল্পের দ্বিতীয় চক্রের কার্যক্রম রোববার সকাল ১১টায় কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্ভোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার। রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম খোকনের সভাপতিত্বে এসময় অনুষ্ঠানে প্রকল্প কর্মকর্তা রাজ প্রসাদসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, গ্রাম পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া একই দিনে মথুরেশপুর ইউনিয়ন পরিষদে স্বপ্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ ওয়াহেদ্জ্জুামান। কুশলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মেহেদী হাসান সুমন, এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, সদস্যা, গ্রাম পুলিশ, এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষে এসব হতদরিদ্র গ্রামীণ মহিলাদের দক্ষ কর্মী অথবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে প্রকল্পটির ১৮ মাস মেয়াদ কালে উপকারভোগী মহিলাদের নেতৃত্ব উন্নয়ন, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও পুষ্টি, নারী অধিকার, জেন্ডার উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা, সহজ হিসাব শিক্ষণ ও কারিগরী বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। ফলে এ সকল হতদরিদ্র পরিবার তাদের চাকুরীর মেয়াদ শেষে খাদ্য নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মান সমুন্নত রাখতে সক্ষম হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্বপ্ন প্রকল্পের ২য় চক্রের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : উৎপাদনশীল ও সম্ভাবনাময় কর্মের সুযোগ গ্রহনে গ্রামীণ হত-দরিদ্র মহিলাদের ভাগ্য উন্নয়নে সাতক্ষীরায় স্বপ্ন প্রকল্পের দ্বিতীয় চক্রের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে দেবহাটা উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউএনডিপির আর্থিক সহযোগিতায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের আযোজনে প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল গণি। সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন রতনের সভাপতিত্বে উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেবিনেট ডিভিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি মোহাম্মদ খালেদ হাসান, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ আল আসাদ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, ইউনএনডিপি প্রতিনিধি বেলায়েত হোসেন, সুশীলনের উপ-পরিচারক মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টু, শ্রমজীবি নারী রোজিনা আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ ও ইউনএনডিপির আর্থিক সহযোগিতায় ৫ বছর মেযাদী এ প্রকল্পটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর, কালিগঞ্জ, আশাশুনি, দেবহাটা ও তালা উপজেলার ৫২টি ইউনিয়নে কাজ করে আসছে। এ প্রকল্পের দ্বিতীয় চক্রে ১,৮৭২ জন দুঃস্থ বিধাব তালাকপ্রাপ্ত, স্বামী পরিত্যাক্তা মহিলাদের সার্বক্ষনিক কর্মসংস্থাপনসহ সম্ভাবনাময় উৎপাদনশীল কর্মের সুযোগ সৃষ্টি ও নারীর সামর্থ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। বক্তারা আরো বলেন, উপকারভোগী মহিলারা দৈনিক ২০০ টাকা করে মজুরি পাবে যার মধ্যে ৫০ টাকা তারা সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখবে এবং পরবর্তীতে এই সঞ্চয় ভবিষ্যতে উৎপাদনশীল বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার হবে। প্রকল্পটি ২০১৫ সাল থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সাল পর্যন্ত দুই পর্বে বাস্তবায়িত হবে।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় জামায়াতকর্মী ও ৫ ইয়াবাসেবি আটক

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় ১ জামায়াতকর্মী ও ইয়াবাসহ ৫ জন মাদকসেবী আটক হয়েছে। আটককৃত জামাত কর্মীর নাম ইউনুস আলী মোল্লা (৪৫) সে দেবহাটা উপজেলার গরানবাড়িয়া গ্রামের আদর আলী মোল্লার ছেলে। দেবহাটা থানার এসআই মাজরিহা হোসাইন তাকে আটক করেন। তিনি নিয়মিত মামলার আসামী এবং ইতিপূর্বে হত্যা সহ ২ টি মামলার আসামী বলে পুলিশ জানায়। এছাড়া এসআই মাজরিহা হোসাইনের নেতৃত্বে এএসআই আব্দুল গনি ও এএসআই মাসুদ ও এএসআই আলআমিন উপজেলার কোমরপুর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (২৪) কে ৫ পিচ ইয়াবা সহ শনিবার সন্ধ্যার পরে শাখরা ব্রীজ এলাকা থেকে আটক করেন। তাকে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৭ মাসের কারাদ- দেয়া হয়েছে। এছাড়া একই পুলিশ দল অপর পৃথক পৃথক অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে পারুলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ফয়েজুল্লাহ (২৬) কে আটক করেন। তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ হাজার টাকা, দক্ষিন পারুলিয়া গ্রামের হোসেন ঢালীর ছেলে মেহেদী হাসান সুইটস (২৮) কে ২ হাজার টাকা, উত্তর সখিপুর গ্রামের সেছারউদ্দীনের ছেলে সবুজ ইসলাম (২৩) কে ১ হাজার টাকা ও দেবহাটা সদরের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে সাব্বির হোসেন (২২) কে ১ হাজার টাকা ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায় করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদরের শিয়ালডাঙ্গায় গৃহবধূকে পিটিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের শিয়ালডাঙ্গায় পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। গৃহবধূর নাম নার্গিস নাহার(৩০)। সে শিয়ালডাঙ্গা গ্রামের মাহবুবার ইসলামের স্ত্রী। এ ঘটনায় ঐ গৃহবধদূর এক চোখের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে মাহবুবার রহমান বাদি হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিকসূত্রের জের ধরে শনিবার সকাল ৬টার দিকে শিয়ালডাঙ্গা গ্রামের মৃত ইরাজ সরদারের ছেলে আঃ আজিজ, তার ছেলে আবু দায়ান, মনিরুল ইসলাম ,দায়ানের স্ত্রী ঝর্ণা বেগম, আব্দুস সোবহানের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন দলবদ্ধ হয়ে মাহবুবার রহমানের বাড়িতে যায়। এস সময় মাহবুবার রহমান বাড়িতে না থাকার সুযোগে তারা নার্গিস নাহারের শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তাকে উপর্র্যুপুরি পিটাতে থাকে। এ সময় তারা নার্গিসের নাহারের বাম চোখে মারাত্মক আঘাত করলে চিৎকার করতে করতে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় এলাকাবাসীর উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। পরে সংবাদ পেয়ে মাহবুবার রহমান বাড়ি এসে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হ্সাপাতালে ভর্তি করে। তার বামচোখটির অবস্থা খুবই খারাপ। নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে আব্দুল আজিজ সরদারের ছেলে দায়ান সরদারের ০১৭৩৯০০৪১৭৯ মারপিটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমাদের ইচ্ছা হয়েছে তাই মেরেছি। ওরা যা পারে তাই করুক। এছাড়া আমি ব্যস্ত আছি বলেই মোবাইলের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহম্মেদ বলেন, এ ব্যাপারে কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাল চা না দুধ চা খাবেন?

অনেকের দিন শুরু হয় এক কাপ চা দিয়ে। অনেকের আবার চা না হলে যেন দিনই শুরু হতে চায় না। এজন্য দিনের শুরুতে এক কাপ চা লাগবেই।

সেই এক কাপ চা যদি দুধের হয় তাহলে কিছু সময়ের জন্য হলেও মনটা চনমনে হয়ে ওঠে। কিন্তু সেটা শরীরের কোনো উপকারই হয় না। আর যদি লাল চা খেতে পারেন তাহলে তো কোনো কথাই নেই।

চিকিৎসকদের মতে, লাল চা তে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরে ক্লান্তি দূর করে এবং এর পাশপাশি হার্টের ও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

লাল চা তে থিয়োফিলাইন নামে একটি উপাদান থাকে। যা শরীরকে চাঙা রাখতে দারুণ কাজ করে।

এই প্রতিবেদনে লাল চায়ের উপকারিতা প্রসঙ্গে আরো বিস্তর আলোচনা করা হলো:

মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: লাল চায়ে ক্যাফিনের পরিমাণ কম থাকায় এই পানীয়টি মস্তিষ্কে রক্তচলাচলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে স্ট্রেস কমে।

হার্ট চাঙা হয়ে ওঠে: লাল চায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমিয়ে দেয়। প্রসঙ্গত, স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমাতেও লাল চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওজন হ্রাস করে: লাল চা হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার সুযোগই পায় না। তাই আপনি যদি ওজন কমাতে বদ্ধপরিকর হন, তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন এই পানীয়।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: লাল চা-তে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপাটিজ সহ এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা লাং, প্রস্টেট, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

হাড়কে শক্তপোক্ত করে: লাল চায়ে উপস্থিত ফাইটোকেমিকালস হাড়কে শক্ত করে। ফলে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: লাল চায়ে টেনিস নামে একটি উপাদান রয়েছে, যা নানা ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে সহজে কোনো রোগ ছুঁতে পারে না।

স্ট্রেস কমায়: লাল চায়ে রয়েছে অ্যামাইনো এসিড, যা স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে মনকে চনমনে করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: প্রতিদিন লাল চা খেলে হজম ক্ষমতা ভাল হতে শুরু করে। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশপাশি গ্যাস্ট্রিক এবং নানা ধরনের ইন্টেস্টিনাল রোগ সরাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বল্লী মুজিবুর রহমান হাইস্কুলের সুবর্ণজয়ন্তীর প্রস্তুতি সভা ও নিবন্ধন শুরু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বল্লী মোঃ মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বয়স ৫০ বছর পূর্তিতে সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা ও প্রাক্তন ছাত্র- ছাত্রীদের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন কার্যক্রম ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর সভাপতিত্বে প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নুর হোসেন সজল ও ১২ নং বল্লী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, ইউপি সদস্যবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দ, প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ও এলাকার সুধীজন। প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে মোঃ আব্দুর রহিম অনুষ্ঠান উদযাপনের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ১ম ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র ও বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের মাধ্যমে নিবন্ধান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করেন। প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রধান সম্বনয়কারী আব্দুর রহিম, মঈনদ্দীন, শিক্ষক অরুপ, শফিক, আব্দুল কাদের, আব্দুল আলিম, মনিরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান, সিরাজুল ইসলাম, উত্তম কুমার গাইন, আনোয়ার হোসেন, রবিউল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমানসহ প্রাক্তণ ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। উল্লেখ্য, আগামী ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার বিদ্যালয়টির ৫০ বছর পুর্তিতে সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে র‌্যালি, আলোচনা সভা, কেক কাটা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্মরনিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন সকল ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের যথাসময়ে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরাক-ইরান সীমান্তে ভূমিকম্পে নিহত দেড় শতাধিক

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প দেশটির উত্তরাঞ্চলের বড় অংশ ধসে গেছে। এছাড়া এ ভূমিকম্প ইরান সীমান্তজুড়ে ৮টি গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সময় রবিবার রাত ৯টার দিকে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে।

পশ্চিমা গণমাধ্যম বিবিসি-এর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ হাজার জন। ইতোমধ্যে আহতদের জরুরি চিকিৎসা সেবা দেওয়া শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এর আগে ২০০৩ সালে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিলো ইরানে। সেসময় ২৬ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে দীর্ঘদিনের হারানো মাকে খুঁজে পেলেন সন্তানেরা

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সুব্রত কুমার দাশের সহায়তায় দীর্ঘদিন হারানো মাকে খুঁজে পেলেন সন্তানেরা। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের নারিকেলবাড়ি গ্রামের মৃত প্রমানন্দ বৈদ্যের স্ত্রী, গোলাপী বৈদ্য(৮০) মানসিক প্রতিবন্ধী। গত৫ ই ফেব্রুয়ারি পাশের গ্রামে মেয়ের বাড়ীতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য বাহির হন আর বাড়িতে ফেরেননি। গোলাপীর পরিবার দীর্ঘদিন অনেক খোঁজাখুজি করে তাদের মাকে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন। হারিয়ে যাওয়া মাকে কাদাকাটিতে দেখে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার রাজাপুর ইউ,বি,আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক( বিজ্ঞান) পত্রদূত সাংবাদিক সুব্রত দাশের প্রচেষ্টায় তার ছেলে সুশান্ত বৈদ্য ও প্রশান্ত বৈদ্যে জননীকে ফিওে পেয়েছেন । সাংবাদিক সুব্রত দাশ বলেন, গত শনিবার সাতক্ষীরা থেকে ফিরে যখন সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি বাজারে পৌঁছে তখন একটি দোকানের সামনে বসে থাকতে দেখে এগিয়ে যায় তার পাশে।জানার চেষ্টা করি ঐ বৃদ্ধার নাম পরিচয়।তিনি প্রথমে কিছু না বলে শুধু কাঁদতে থাকেন এবং বলতে লাগেন আমি বাড়ি যাব।বৃদ্ধার কান্নায় ব্যাথিত হয়ে অনেক চেষ্টায় ঐ বৃদ্ধার কিছু পরিচয় জোগাড় করতে সক্ষম হই। তিনি আরও বলেন, ঐ বৃদ্ধার কথামত গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে মোবাইলে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি গুরুত্বের সাথে বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত করে রাতেই তার পরিচয় নিশ্চিত করেন। রবিবার সকালে বৃদ্ধার দুই পুত্র কাদাকাটি বাজারে শত শত লোকের মাঝে হাজির হয়ে দীর্ঘদিন পর মাকে খুঁজে পেয়ে আবেগপ্লুত হয়ে যান। বৃদ্ধার পুত্রদ্বয়ের মাতৃভক্তি দেখে শত শত জনতা তাদের সাধুবাদ জানান। পরে তারা তাদের মাকে বাড়িতে নিয়ে যান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest