সর্বশেষ সংবাদ-

দাঁতে যদি ব্যথা হয়

দাঁত থাকলে ব্যথাও হবে এটাই যেন অলিখিত নিয়ম। বিভিন্ন কারণে হতে পারে দাঁতে ব্যথা। এর মধ্যে প্রথম কারণটি হলো, দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে গিয়ে দাঁতের ভেতর যে স্নায়ুর সংযোগ থাকে তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা। ফলে একপর্যায়ে দাঁতে ব্যথা হয়। মনে রাখবেন, দাঁত বা মাঢ়ির যে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতার কারণে দাঁতে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। যদি আমাদের দাঁতে স্হাপিত কোনো ফিলিং ক্রাউন অর্থাৎ ক্যাপ হঠাৎ করে পড়ে যায় কিংবা নষ্ট হয়ে যায়, তবে দাঁতের ভেতরের অংশের নার্ভ বা স্নায়ু উন্মুক্ত হয়ে যায়।

দাঁতে খাদ্যকণা আটকে যাওয়ায় সৃষ্ট পরিস্হিতিকে ডেন্টাল সার্জনরা ডেংব্রিজ লস বলে থাকেন। দাঁতে প্রচন্ড ব্যথা হলে প্রথমেই আপনাকে একজন ডেন্টাল সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে আপনার দাঁতের ব্যথা তো আর থেমে থাকবে না। তাই ব্যথা কমানোর জন্য আপনি শুধু নিয়ম পালন করতে পারেন।

দাঁতের ব্যথা সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই একটা ভুল ধারণা রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো দাঁত পোকায় খাওয়া বা পোকা লাগা। দাঁতে কোনো ধরনের পোকা থাকে না। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। আর তাই বেদে-বেদেনীদের দ্বারা দাঁতের তথাকথিত চিকিৎসায় আমাদের নিশ্চিত কোনো মুক্তি মেলে না। বরং এতে আমরা দাঁতের অকাল মৃত্যুকেই ডেকে আনি।

এ অবস্থায় দাঁতে অকল্পনীয় ব্যথা হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে গরম কিংবা ঠান্ডা পানি, এমনকি বাতাসের সংস্পর্শে দাঁতের ব্যথা বেড়ে যায়। কারণ সেলুলোজ জাতীয় আঁশযুক্ত খাবার খুব সহজে দাঁতের ফাঁকে ও মাঢ়িতে আটকে যায়। দীর্ঘ সময় খাবার আটকে থাকার ফলে মাঢ়ি ও দাঁত দুটোই ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে। আর তখনই দাঁতে প্রচন্ড ব্যথা অনুভুত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃটিশ সমকামী সেফ হাউজে প্রথম বাংলাদেশি

সমকামী আশ্রয়প্রার্থী ও শরণার্থীদের জন্য বিশ্বের প্রথম সেফ হাউজ (নিরাপদ আশ্রয়) খোলা হয়েছে বৃটেনে। সেফ হাউজটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর আগেই অক্টোবরে।
নতুন এই সেফ হাউজে সবার আগে বাংলাদেশি রশিদ ও এল সালভাদরের মারিয়া আশ্রয় পেয়েছেন। এ খবর দিয়েছে জি-সিন।

খবরে বলা হয়, সমকামী, উভকামী, ট্রান্সজেন্ডার ও উভলিঙ্গতাবিশিষ্ট মানুষদের নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান মাইক্রো রেইনবো ইন্টারন্যাশনাল (এমআরআই) সেফ হাউজটি তৈরি করেছে। নভেম্বরে আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা ওয়েইল, গটশাল অ্যান্ড ম্যাঞ্জিস এলএলপির লন্ডন কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সেফ হাউজটির উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য, আইন সংস্থাটি এমআরআইকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এখন পর্যন্ত ২৩০ ঘণ্টার বেশি সময় প্রো-বোনো (কম খরচে বা বিনা খরচে দেয়া আইনি সেবা) সেবা দিয়েছে।

খবরে আরও বলা হয়, যুক্তরাজ্যে আসা অনেক সমকামী আশ্রয়প্রার্থী এখনো নিরাপদ নয়। বাংলাদেশি রশিদ যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর বেশ কয়েক মাস গৃহহীন অবস্থায় ঘুরে বেড়ায়। মারিয়াকেও সম্মুখীন হতে হয়েছে নানা দুর্ভোগের। মারিয়া বলেন, ‘আমাকে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে থাকার জন্য যেই জায়গা দেয়া হয়েছিল, সেখানে আমি প্রায় প্রতিদিনই শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হতাম।
একবার একজন আমার ওপর একটি পাত্র ছুড়ে মারে। আমি কখনোই নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারতাম না। কেউ আমাকে আঘাত করার চেষ্টা করছে কিনা এ নিয়ে আমি সব সময় উদ্বিগ্ন থাকতাম। ’

এমআরআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মী সেবাস্টিয়ান রক্কা বলেন, বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশে সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। ওইসব দেশ থেকে প্রতি বছর এক হাজারের বেশি সমকামী আশ্রয়প্রার্থী আসে যুক্তরাজ্যে।

এমআরআই প্রতি বছর ১৫০ জন এমন আশ্রয়প্রার্থী ও শরণার্থীকে সহায়তা দান করে থাকে। তাদের গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়, বিভিন্ন সাপোর্ট গ্রুপে যোগ দেয়ার ব্যবস্থা করে দেয়, চাকরি পেতে সহায়ক এমন প্রোগ্রামের আয়োজন করে থাকে। এমআরআইয়ের এই পদক্ষেপগুলোকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে শুধু একটি সেফ হাউজের অভাব ছিল। আর আমরা এ বিষয়টি নিয়ে খুবই আনন্দিত যে, যুক্তরাজ্যে প্রথম সেফ হাউজটি কার্যকর হয়েছে। ’

এমআরআইয়ের সমকামীদের জন্য নির্মিত এই সেফ হাউজ নিয়ে মারিয়া বলেন, আমি এখানে আসার পর সবার আগে কিছুক্ষণ পরিত্রাণের কান্না করি। এরপর আমি আমার কাপড়-চোপড় ও হাই-হিল জুতাগুলো বের করি। আমি কয়েক মাস ধরে এগুলোর ওপর একবারও চোখ বুলাতে পারিনি।

এমআরআইয়ের হাউজিং প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মৌদ গোবা বলেন, মারিয়া এক বছরের বেশি সময় আগে আশ্রয় চায়। এখনো সে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। রশিদ দুই সপ্তাহ আগে তার আশ্রয়প্রার্থিতার জন্য সাক্ষাৎকার দিয়েছে। আশ্রয় পাওয়ার জন্য আবেদন করার তারিখ নির্ধারণ করতে তাকে এক বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। তাদের আরো অনেক কঠিন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে এখন অন্তত তাদের আর ঘুমানোর জায়গা বা কারো নির্যাতনের শিকার হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। এমআরআইতে তারা এমন কাউকে পেয়েছে যারা তাদের সঙ্গে আশ্রয়ের এই যাত্রার সঙ্গী হবে। ’

ওয়েইল এর প্রো বোনো অ্যান্ড সিএসআর বিভাগের প্রধান রবার্ট পওয়েল বলেন, এমআরআইকে তাদের এই অসাধারণ প্রকল্পে প্রো বোনো আইনি পরামর্শ দেয়াটা আমাদের জন্য একটি আনন্দময় অভিজ্ঞতা ছিল। এটা নিশ্চিত যে, আমাদের আইনজীবীরা সমকামীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় তৈরিতে বাস্তব ও ইতিবাচক একটি সামাজিক কর্মকা-ে সহায়তা করেছে। আমরা এমআরআইকে ২০১৮ সালে এমন আরো সেফ হাউজ নির্মাণে সহায়তা করবো।

প্রথম সেফ হাউজটিতে মাত্র চারজন মানুষের থাকার জায়গা আছে। একটি দ্বিতীয় সেফ হাউজও নির্ধারিত করা হয়েছে। এটি আগামী ডিসেম্বরে খোলা হবে। ২০১৯ সালের আগে কমপক্ষে ১৫০ জন সমকামী আশ্রয়প্রার্থীকে এমআরআইয়ের এরকম বিভিন্ন সেফ হাউজ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উত্তাপ ছড়াচ্ছে সানির ‘বার্বি গার্ল’ (ভিডিও)

সানি লিওন ফের নতুন অবতারে, লয়লা, বেবি ডল, হয়ে এবার তিনি বার্বি গার্ল। রাজীব ওয়ালিয়া নির্দেশিত ‘তেরা ইন্তেজার’ ছবিতে সানিকে বার্বি গার্ল বলে গান তৈরি হয়েছে।
পিঙ্ক ঘাঘরায় লাস্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন শাহরুখ খানের ‘লয়লা’।

তবে অনেকেই বলছেন, এই ভিডিওতে সেভাবে হট লাগেনি সানিকে। লাস্যের জাদুতে দুনিয়া কাঁপানো সানি নাকি হট হয়ে উঠতে পারেননি। আসলে তেরা ইন্তাজার ছবি-র এই গানে সানির সঙ্গে ডান্স ফ্লোরে এসেছেন আরবাজ খান। আসলে এতেই চটেছেন সানি ফ্যানরা তাদের মতে আরবাজের উপস্থিতিতেই পুরো ব্যাপরটা ছানা কেটে গেছে।

স্বাতী শর্মা এবং লিল গোলুর গান গেয়েছেন এই ভিডিওতে। তবে যেভাবে সানি উত্তাপ ছড়িয়ে থাকেন এই গানে নাকি তার দেখা মেলেনি। বেবি গার্ল, লায়লা তো দূরের কথা নিদেনপক্ষে ইমরান হাশমির সঙ্গে বাদশাহোতে ‘পিয়া মোরে’ গানে যেভাবে দেখা গিয়েছিল সানিকে, আরবাজের সঙ্গে অন স্ক্রিন কেমিস্ট্রিতে তার ছিটে ফোঁটাও আনতে পারেননি তিনি। তবে এটা সানির আইটেম নাম্বার নয়, এই ছবিতে আরবাজের বিপরীতে অভিনয় করেছেন লাস্যময়ী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০ হাজার নারীর সাথে রাত কাটিয়েছেন তিনি

রেসলিং দুনিয়ায় তিনি কিংবদন্তি। তবে রেসলিংয়ের রিংয়ে তিনি পরিচিত ‘দ্য ন্যাচার বয়’ নামে।
তিনি আর কেউ নন, আমেরিকান রিক ফ্লেয়ার। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একজন পেশাদার রেসলিং ম্যানেজার। জন্ম তার ১৯৪৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারি।

তবে এ সব বিষয়ে নয়, তিনি এবার সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন অন্য কারণে। তাকে নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি বানানো হয়েছে। আর তা বানিয়েছেন পরিচালক রোরি কার্পফ। এতে বলা হয়েছে, ২০ বছরে রিক ফ্লেয়ার কমপক্ষে ১০ হাজার নারীর সাথে রাত কাটিয়েছেন। এ সময়ে পান করেছেন দিনে কমপক্ষে ১০ ক্যান বিয়ার। সাথে থাকতো ৫টি ককটেল।
রিক ফ্লেয়ারের বয়স এখন ৬৮ বছর।

পরিচালক রোরি কার্পফ তার ডকুমেন্টারিতে যুক্তরাষ্ট্রের রেসলিং ব্যবসায় সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অন্যতম এই ফ্লেয়ারের জীবন তুলে ধরেছেন। এতে বলা হয়েছে, রিক ফ্লেয়ার চারবার বিয়ে করেছেন। তার ব্যক্তিজীবন আর বাইরের জীবন এক নয়।

ইউএসএ টুডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তিনি কমপক্ষে ১০ হাজার নারীকে শর্যাসঙ্গী করেছেন। আর তার ছিল অসীম মাদকের নেথা।

ফ্লেয়ার নিজেই দাবি করেছেন, তিনি দিনে ১০ ক্যান বিয়ার ও ৫টি ককটেল ব্যবহার করতেন। এ অবস্থা তার একটি শো থেকে আরেকটি শো-এর মধ্যে রাস্তায় থাকা অবস্থায় সেবন করতেন। একজন মনোবিজ্ঞানীর কাছে গিয়েছিলেন তিনি। তাকে তার মাদক গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।

জবাবে ওই মনোবিজ্ঞানী বলেছেন, এভাবে মাদক সেবন করা সম্ভব নয়। ১৯৮৯ সালে তিনি ওই মনোবিজ্ঞানীকে বলেছিলেন, প্রতিদিন আমি কাজে থাকি। তাই গাড়িতে বসে বিয়ার পান করি। হোটেলে যাই। পান করি ভোদকা। তবে অতি মাত্রায় মাদক সেবনের ফল তিনি পেয়েছেনও। গত আগস্টে তিনি কোমায় চলে যান। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তারপর অপারেশন করা হয়।

দেখা যায় অনেক আগেই তার কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। এ সময় চিকিৎসকরা তাকে বলে দেন, তার আর বেঁচে থাকার সুযোগ আছে শতকরা ২০ ভাগ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যানসার রোধে বেদানা

ফলের রাজা আম হলেও চিকিৎসকরা কিন্তু বলেন ফলের রাজা বেদানা। খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সুস্বাদু ফল।
টাটকা বেদানা দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও মিষ্টি। জেনে নিন বেদানার স্বাস্থ্যগুণ।

১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : বেদানার মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি। প্রতি দিন বেদানার রস খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণও গ্রিন টি বা রেড ওয়াইনের থেকে প্রায় তিন গুণ বেশি। এর মধ্যে রয়েছে তিন প্রকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ট্যানিন, অ্যান্থো সিয়ানিন ও এলাজিক অ্যাসিড। অ্যান্থোসিয়ানিন দেহ কোষ সুস্থ রাখার ফলে ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে পারে।
ফোলা ভাব কমে, ক্ষয় রুখতে পারে।

২। রক্তচাপ : প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে বেদানা সিস্টোলিক ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ফলে স্ট্রেস, টেনশন কমে। হার্টের সমস্যা থাকলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে।

৩। কোলেস্টেরল : আর্টারি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে বেদানা। বেদানার রস তাই রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুণ উপযোগী। এর পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি হলে রোজ খান বেদানার রস।

৪। ব্যথা ও পেশি : বাত, অস্টিওআর্থারাইটিস, পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে বেদানা। তরুণাস্থির ক্ষয় রুখতেও উপকারী বেদানা।

৫। ক্যানসার : অ্যাপপটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যানসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে বেদানা। প্রস্টেট ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসারে ভাল কাজ করে বেদানার অ্যান্টিক্যানসার এজেন্ট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভার্জিনিয়া-নিউ জার্সিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার শীর্ষে ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রে ধারাবাহিকভাবে কমতে শুরু করেছে তার জনপ্রিয়তা।
আর তারই জের ধরে যে মুহূর্তে এশিয়া সফরে রয়েছেন সেই সময় ভার্জিনিয়া এবং নিউজার্সির ভোটে ভরাডুবি ঘটেছে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির। আর এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ভার্জিনিয়া ও নিউজার্সির শহর ও শহরতলিগুলো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টিকে মার্কিন কংগ্রেসে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে রাজ্য দুটির কলেজ পড়ুয়া শিক্ষিত ভোটের ও সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর জনগণ রিপাবলিকান পার্টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিন অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয় বুধবার। এতে ভার্জিনিয়ার গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী র‌্যালফ নর্থহ্যাম। তিনি হারিয়েছেন রিপাবলিকান এড গিলেসপিকে।

অন্যদিকে, নিউজার্সিতে রিপাবলিকান প্রার্থী কিম গুয়াডাগনোকে হারিয়ে গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিপ মারফি।

উভয় দলের নেতারাই বলছেন, ২০১৮ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এই নির্বাচন রিপাবলিকানদের জন্য একটা নির্ভুল বিপদ সংকেত।
এ ব্যাপারে পেনসিলভানিয়া রাজ্যের রিপাবলিকান প্রতিনিধি চার্লি ডেন্ট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ভোটারদের বিরাট ক্ষোভ রয়েছে। আর রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে সেই ক্ষোভ তারা শুধু ব্যালটের মাধ্যমেই প্রকাশ করতে পারে।

এর আগে ওয়াশিংটন রাজ্যে এক বিশেষ নির্বাচনে জয় পেয়েছে ডেমোক্রেটরা। এই জয়ের মাধ্যমে রাজ্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা। ফলে ওয়েস্ট কোস্ট তথা যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল পর্যন্ত ডেমোক্রেটদের প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এমনকি সর্বদক্ষিণের রাজ্য জর্জিয়াতে ডেমোক্রেটরা দু’টি আসন দখল করে যেখানে আগে তারা কোনো প্রার্থীই দিতে পারত না। অন্যদিকে আটলান্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল বাকহেডে একটি সিনেট আসন ডেমোক্রেটদের দখলে এসেছে। এদিকে পরপর তিন নির্বাচনে জয় পাওয়ায় ডেমোক্র্যাট শিবিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। আগামী বছরের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনের আগে এ তিন নির্বাচনে জয় পাওয়ায় আশান্বিত ডেমোক্রেটরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য নিয়ে এমপি রবির উঠান বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে সদরের ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে দহাকুলা এলাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সাফল্য তুলে ধরে উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, আপনাদের সহযোগিতায় দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। ২০০৯ সালে যখন আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে তখন ছিল বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা, চরম খাদ্যাভাব। বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং পরের দুই বছরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দমননীতির ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল বিপর্যস্থ, বিশৃঙ্খলাপূর্ণ। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করে সবক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনছেন। মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস ফিরে এসেছে। সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শেষ হয়েছে। এখন শুরু হয়েছে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন জিডিপির ভিত্তিতে বিশ্বে ৪৫তম এবং ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে ৩৩তম স্থান অধিকার করেছে। দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক তৃতীয় জাতিসংঘ বিশ্ব সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন : ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে অধিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক থেকে পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বের খুব কম দেশই একটানা এত দীর্ঘ সময় ধরে ৬ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। অচিরেই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। চলতি ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বাজেটের আকার দুই লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। বিএনপি-জামাতের শেষ বছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ মার্কিন ডলার। এখন বেড়ে হয়েছে এক হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলারে। পাঁচ কোটি মানুষ নিম্ন-আয়ের স্তর থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ৪১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোটকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে বিএনপি-জামাতের দুঃশাসনের চরম জবাব দেয়। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই জনগণের নিকট নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ শুরু করেন। তিন মাসের মধ্যেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসেন। বিশ্বমন্দার নেতিবাচক প্রভাব সফলভাবে মোকাবেলা করেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেন। বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেন। দারিদ্র দ্রুত হ্রাস করতে সমর্থ হন। জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করেন। সরকার বিগত পৌনে পাঁচ বছরে সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, শিক্ষার হার ও মান উন্নয়ন, শিশু ও নারীসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সড়ক, রেল, নৌ-যোগাযোগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষির বিকাশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই রূপকল্পে দেয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করেছেন। সরকার বিগত পৌনে পাঁচ বছরে সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, শিক্ষার হার ও মান উন্নয়ন, শিশু ও নারীসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, সড়ক, রেল, নৌ-যোগাযোগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষির বিকাশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই রূপকল্পে দেয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সাফল্য অর্জন করেছেন।’ এসময় সাধারণ মানুষ সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য তুলে ধরেন। এসময় বিভিন্ন এলাকার মানুষ বর্তমান সরকারের উন্নয়নের প্রশংসা করেন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা কামনা করেন ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের সদস্য পৌর কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, নির্বাহী সদস্য জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এড. আব্দুল লতিফ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুলেখা দাস, দপ্তর সম্পাদক তহমিনা ইসলাম, জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মীর আজহার আলী শাহিন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগ নেতা শেখ শফি উদ্দিন সফি, ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউপি সদস্য মর্জিনা খাতুন লিলি, শেখ ইলিয়াছ হোসেন, রন শেখ কামরুজ্জামান, রিয়াজ ইখতেখার বনি ও মুস্তাসিমসহ দলীয় নেতা-কর্মী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কপোতাক্ষ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন; বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বসে পড়ার আশংকা

কৃষ্ণ দাস, তালা : ছেলে পুলিশের সার্জেন্ট পরিচয়ে প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই অবৈধভাবে কপোতাক্ষের পাটকেলঘাটার আচিমতলা এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করছেন একই থানার লাল চন্দ্রপুরের নূরুল ইসলাম শেখ। এতে অদূর ভবিষ্যতে বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বসে পড়ার পাশাপাশি সর্বশেষ সরকারের ২৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খনন প্রকল্পে বিরুপ প্রভাব পড়ার আশংকায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন ঐ এলাকার সাধারণ মানুষ।
কপোতাক্ষ নদের সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সরুলিয়া ইউনিয়নের আচিমতলা এলাকা থেকে সরকারি অনুমোদন না নিয়েই বালু উত্তোলন করছেন ঐ এলাকার লাল চন্দ্র পুরের মৃত মাহাতাব উদ্দীনের ছেলে নূরুল ইসলাম শেখ। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ১টার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে এর সত্যতা মেলে।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, যশোরের কেশবপুরের বাউশোলা গ্রামের জনৈক শফিকুল ইসলাম নামের এক ঠিকাদারকে প্রতি ঘন ফুট ৩ টাকা চুক্তিতে নূরুল ইসলাম তার নিচু জমিতে বালু উত্তোলন করে উঁচু করছেন। তিনি জানান, গত প্রায় ১০ দিন ধরে তারা সেখান থেকে বালু উত্তোলন করছেন। কথা হয় সেখানে উপস্থিত জমি মালিক নূরুল ইসলামের সাথে। এব্যাপারে তিনি জানান, তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই তারা বালু উত্তোলন করছেন।
তাৎক্ষণিক এব্যাপারে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, বালু উত্তোলনের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। এসময় তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান। তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) অনিমেষ বিশ্বাসের নিকট মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণে ঢাকায় অবস্থান করছেন। এনিয়ে সরুলিয়া ইউনিয়নের তহশীলদার তারক চন্দ্র মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউএনও স্যার তাকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধের আশ্বাস দেন।
এদিকে সাংবাদিকরা বালু উত্তোলনের তথ্য সংগ্রহে ঘটনাস্থলে গেলে বালুর মালিক নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নানা আস্ফোলন করতে থাকেন এবং বলেন,তারা ছেলে যশোরের সার্জেন্ট মনিরুল সব কিছু সেই মিটিয়ে ফেলবেন। এসময় তিনি তার ছেলে মনিরুলের মোবাইল নং দিয়ে তার সাথে কথা বলতে বললে তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে ফোন ব্যাক করে তিনি সাংবাদিকদের সম্পর্কে কটুক্তি করেন।
প্রসঙ্গত,এক কালের ¯্রােতসীনি কপোতাক্ষ নদ গত কয়েক বছরে পলি জমে নব্যতা হারিয়ে দির্ঘ দিন বর্ষা মৌসুমে উপকূলীয় এলাকা জলাবদ্ধতার শিকার হচ্ছিল। এর পর এলাকাবাসীর আন্দোলনের ফলে সরকার ২৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে কপোতাক্ষ নদ খননের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় সেখান থেকে বালু উত্তোলন গোটা প্রকল্পকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে বলে মনে করছেন নদী সংশ্লিষ্টরা।
এলাকাবাসী জানান,মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে ঐএলাকার পার্শ্ববর্তী ভূমির তলদেশ থেকে জালের ন্যায় বালু সরে যায়। এতে কয়েক বছরে আক্রান্ত এলাকা ধ্বসে পড়তে পারে। আর এমনটি হলে আগাম আশংকায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসী। এব্যাপারে তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি স্থায়ী সমাধানের জোর দাবি জনিয়েছেন।
সর্বশেষ সরুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহকারী নাজিম উদ্দিন মোবাইলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন যে,ইউএনও’র নিদের্শে তারা ঘটনাস্খলে গিয়ে মৌখিকভাবে সেখান খেকে বালু উত্তোলন বন্ধ করেও দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest