সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতারসাতক্ষীরার সুমি খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ আটকজমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটকে জাগ্রত সাতক্ষীরার অভিনন্দন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শিল্পী-সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় পর্যায়ের সংগঠন ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’ সাতক্ষীরা জেলার নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সঙ্গে ‘জাগ্রত সাতক্ষীরা’র প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় ও অভিনন্দন জ্ঞাপন।
শনিবার শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’ সাতক্ষীরা জেলার নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সঙ্গে ‘জাগ্রত সাতক্ষীরা’র প্রতিনিধিবৃন্দের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’ সাতক্ষীরা জেলার নবনির্বাচিত সভাপতি আবু আফ্ফান রোজবাবু, সাধারণ সম্পাদক শামীমা পারভীন রতœা, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির নির্বাহী সদস্য আলমগীর হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, নির্বাহী সদস্য মনজুরুল হক, আখতারুজ্জামান কাজল। ‘জাগ্রত সাতক্ষীরা’র প্রতিনিধি ছিলেন সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান ঢাকায় অবস্থানরত জাগ্রত সাতক্ষীরার প্রধান উপদেষ্টা আ হ ম তারেক উদ্দীন ও সভাপতি সায়েম ফেরদৌস মিতুল। শেষে ‘জাগ্রত সাতক্ষীরা’র প্রতিনিধিবৃন্দ ‘সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট’ সাতক্ষীরা জেলার নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটিকে ফুলেল অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারী শিক্ষা ও নারীকে আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তুলতে কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট‘র উদ্যোগে সাতক্ষীরায় ‘নারী শিক্ষা ও নারীকে আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তোলার বিষয়ে করুণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে জেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে এ কর্মশালায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট‘র পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. শাহাদাত হোসেন মজুমদার।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট‘র সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোহম্মদ আনোয়ার হোসেন সোহাগ, জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান প্রমুখ। আরো বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিশ^াস সুদেব কুমার, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল খালেক, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাঈদ, তালা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অলোক কুমার তরফদার, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তারাময়ী মুখার্জী, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমুন নাহার, বাকী বিল্লাহ, আব্দুর রহমান প্রমুখ।
কর্মশালায় জেলার ৭টি উপজেলার কলেজ, স্কুল ও মাদ্রাসার প্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও উন্নয়ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করে মাঠপর্যায়ে নারী শিক্ষা ও নারীকে আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নানামুখী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। দারিদ্রতা যেন কোনো শিক্ষার্থীর জীবনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে। আর্থিক সমস্যার কারণে গ্রামের শিশুরা ঝরে পড়ছে। বাল্যবিবাহের হারও বাড়ছে। নারী শিক্ষাই হতে পারে বাল্যবিবাহ রোধের উপায়। বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে শিক্ষার প্রসারে কাজ করছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। দেশের নারী সমাজকে উন্নয়নের মূল ¯্রােতধারায় নিয়ে আসতে এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিসহ সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইঞ্জি. মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে কুমিরা মহিলা কলেজ’র আনন্দ র‌্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ র‌্যাংকিং এ ২০১৬ সালে সাতক্ষীরা কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজ সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে ১৫তম স্থান, বেসরকারি মহিলা কলেজের মধ্যে ২য় স্থান এবং খুলনা বিভাগের মধ্যে ৪র্থ স্থান নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে এ উপলক্ষ্যে একটি আনন্দ র‌্যালি কলেজ চত্বর থেকে বের হয়ে পাটকেলঘাটা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন, কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান।

র‌্যালিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, কলেজটির অধ্যক্ষ লুৎফুন আরা জামান, উপাধ্যক্ষ শেখ সহিদুল ইসলাম, পরিচালনা পরিষদের সদস্য বিশ্বজিত সাধু, অধ্যাপক সাবীর হোসেন, নারায়ন চন্দ্র মজুমদার, স্বপন কুমার ব্যানার্জীসহ কলেজটির সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ।
প্রধান অতিথি এ সময় কলেজটির সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করে আগামীতে এ কলেজ যাতে সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে এ জন্য কলেজটির সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণকে সেভাবে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট; সাতক্ষীরায় বিএনপি নেতা হুদাকে নিয়ে তোলপাড়

মো. বশির আহমেদ : প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেইসবুকে আপত্তিকর পোস্ট শেয়ার করায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদাকে নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ভালুকা চাঁদপুর আদর্শ ডিগ্রী কলেজে বিতর্কিতভাবে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতির আপন বড় ভাই। জ্যোতিকে বিএনপি নেতা উল্লেখ করে তার নিয়োগে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে মর্মে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জ্যোতির নিয়োগের পর এবার তার ভাই হুদার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
উল্লেখ্য, মোদাচ্ছেরুল হুদা একজন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে বেশ কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট শেয়ার করেছেন নিজের ফেইসবুক আইডি থেকে। এমনকি প্রতিবেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের বিকৃত ছবিও পোস্ট ও শেয়ার করেছেন এই বিএনপি নেতা।
শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তার ফেইসবুক আইডিতে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিয়েও গালিগালাজের কমতি করেননি। প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি আপলোড করা পোস্টও তিনি শেয়ার করেছেন। আল জাহিদ নামের একটি ফেইসবুক আইডি থেকে আপলোড করা পোস্ট মোদাচ্ছেরুল হক হুদা শেয়ার করে এই অপকর্মগুলি অনায়াসে চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে আপত্তিকর কথা লিখে শেয়ার করছেন। Modasserul Haque Huda নামের আইডি থেকে বিএনপি অনলাইন উইং, বিএনপি সমর্থকগোষ্ঠী, ইরা চৌধুরী আইডি থেকে সরকার বিরোধী ও দেশ বিরোধী আপলোড করা ছবিসহ বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করে আসছেন। সমাজের একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হয়েও তিনি কেন এসব অশ্লীলতা চালিয়ে যাচ্ছেন তা কারও বোধগম্য নয়। অনেকে বলছেন, হুদার বেহুদা কারবারের সমুচিত জবাব দেওয়া উচিত। এ নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ইতিমধ্যে হুদার এ বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে তিনি প্রশাসন থেকে সরকার দলীয় বিভিন্ন নেতাকার্মীদের কাছে নিজেকে বাঁচাতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। তবে, সচেতন মহলের দাবি হুদাকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ বিচার করা হোক।
এ বিষয়ে কলেজ শিক্ষক অধ্যাপক মোদাচ্ছেরুল হক হুদা জানান, আমি অনেক সময় কলেজে ক্লাস নেয়ার সময় মোবাইল ফোনটি অফিস রুমে রেখে যাই। এ সময় কেউ আমার মোবাইল ফোন থেকে শেয়ার করেছে কিনা তা আমি বলতে পারব না। অবশ্য দিনের পর দিন কিভাবে তার একাউন্ট থেকেই একের পর এক এসব আপত্তিকর পোস্ট শেয়ার করা হচ্ছে তার কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। জানতে পারলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা আ ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আপত্তিকর কোনকিছুই বাংলাদেশে আ ’লীগের কোন নেতা-কর্মীই মেনে নেবে না। এগুলো বিকৃত রুচির পরিচায়ক। এ ঘটনায় আমরা বিএনপি নেতা মোদাচ্ছেরুল হক হুদার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিচারপতি সিনহার সঙ্গে একই বেঞ্চে বসতে চাননি ৫ বিচারপতি

ন্যাশনাল ডেস্ক : প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে একই বেঞ্চে বসতে চাননি আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি। সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ-সংবলিত দালিলিক তথ্যাদি হস্তান্তর করলে পাঁচ বিচারপতি তাঁদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্খলনসহ সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিবৃতিতে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার দেওয়া বিবৃতিকে বিভ্রান্তিমূলকও বলা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ছুটি ভোগরত প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ১৩ অক্টোবর বিদেশ যাওয়ার প্রাক্কালে একটি লিখিত বিবৃতি উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। লিখিত বিবৃতিটি সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওই লিখিত বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ছাড়া আপিল বিভাগের অন্য পাঁচ বিচারপতিকে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানান। বিচারপতি মো. ইমান আলী দেশের বাইরে থাকায় ওই আমন্ত্রণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। অন্য চারজন অর্থাৎ, বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘ আলোচনার একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ-সংবলিত দালিলিক তথ্যাদি হস্তান্তর করেন। তার মধ্যে বিদেশে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্খলনসহ আরও সুনির্দিষ্ট গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্যে আরও বলা হয়, বিচারপতি মো. ইমান আলী ঢাকায় প্রত্যাবর্তনের পর ১ অক্টোবর আপিল বিভাগের উল্লিখিত পাঁচ বিচারপতি এক বৈঠকে বসেন। বৈঠকে ওই ১১টি অভিযোগ বিশদভাবে পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন, ওই সব গুরুতর অভিযোগ প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করা হবে। তিনি যদি ওই সব অভিযোগের ব্যাপারে কোনো সন্তোষজনক জবাব বা সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁর সঙ্গে বিচারালয়ে বসে বিচারকাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে না।

এ সিদ্ধান্তের পর ওই দিন (১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার অনুমতি নিয়ে পাঁচ বিচারপতি প্রধান বিচারপতির হেয়ার রোডের বাসভবনে সাক্ষাৎ করে অভিযোগগুলো নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেন। দীর্ঘ আলোচনার পর তাঁর কাছ থেকে কোনো ধরনের গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বা সদুত্তর না পেয়ে আপিল বিভাগের উল্লিখিত পাঁচ বিচারপতি তাঁকে সুষ্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, এ অবস্থায় ওই অভিযোগগুলোর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে একই বেঞ্চে বসে তাঁদের (পাঁচ বিচারপতি) পক্ষে বিচারকাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে না। এ পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি সুষ্পষ্টভাবে বলেন যে, সে ক্ষেত্রে তিনি পদত্যাগ করবেন। তবে এ ব্যাপারে পরের দিন ২ অক্টোবর তিনি তাঁর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। ২ অক্টোবর তিনি উল্লিখিত বিচারপতিদের কোনো কিছু অবহিত না করে রাষ্ট্রপতির কাছে এক মাসের ছুটির দরখাস্ত প্রদান করলে রাষ্ট্রপতি তা অনুমোদন করেন।
এই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে আপিল বিভাগের জেষ্ঠ্যতম বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকে দেশের প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে প্রধান বিচারপতির অনুরূপ কার্যভার পালনের দায়িত্ব প্রদান করেন।
রেজিস্ট্রার জেনারেল স্বাক্ষরিত বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, প্রধান বিচারপতির পদটি একটি প্রতিষ্ঠান। সেই পদের ও বিচার বিভাগের মর্যাদা সমুন্নত রাখার স্বার্থে ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে কোনো ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি প্রদান করা হয়নি। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশক্রমে উপরিউক্ত বিবৃতি প্রদান করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিরুদ্ধে ১১ অভিযোগ

ছুটিতে থাকা প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্বলিত দালিলিক তথ্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়েছে।

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিদেশে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্খলন প্রমূখ।

শনিবার বিকালে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষরে বিবৃতিটি আসার আগে দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা আপিল বিভাগ ও হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে বৈঠক করেন।

ছুটি নিয়ে বিচারপতি সিনহা বিদেশে যাওয়ার আগে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাকে ‘বিভ্রান্তিমূলক’ আখ্যায়িত করে সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতিটি দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ গত ৩০ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের বিচারপতিদের ডেকে নিয়ে বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে ‘১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ’ তুলে ধরেন।

“দীর্ঘ আলোচনার এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি মাননীয় প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্বলিত দালিলিক তথ্যাদি হস্তান্তর করেন। তন্মধ্যে বিদেশে অর্থ পাচার, আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্খলনসহ আরও সুনির্দিষ্ট গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একে অপরের কান কাটলেন দুই সতীন!

ভারতেল মালদার কালিয়াচক থানার মোজমপুর এলাকার বাসিন্দা সেন্টু শেখের দুই স্ত্রী। শুক্রবার দু’জনের মধ্যে পিঠে খাওয়া নিয়ে শুরু হয় ঝামেলা। ক্রমে ঝামেলা তীব্র আকার ধারণ করে। শেষ পর্যন্ত ঝগড়া গড়াল হিংসাত্মক পরিণতির দিকে।

দুই সতীন একে অপরের কান কাটলেন। একজনের কান কাটা গেল কামড়ের ফলে। অন্য জনের হাঁসুয়ার কোপে। দু’জনকেই নিয়ে আসা হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসকেরা দু’জনেরই কান জোড়া লাগিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু শল্যচিকিৎসাটি সফল হল কি না, তা জানতে এখনও অপেক্ষা করতে হবে। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলা।

জানা গিয়েছে, সেন্টু সেখ পেশায় শ্রমিক। পাশাপাশি ভুটভুটি চালিয়ে দিনযাপন করেন। ২৪ বছর আগে কালিয়াচকের বালুপুরের বাসিন্দা চাঁদমণি বিবির সঙ্গে বিয়ে হয় সেন্টুর। তাদের নয়টি সন্তানও আছে। ৮ বছর আগে সেন্টু আবার বিয়ে করেন।

মহদীপুরের বাসিন্দা কুলশুনা বিবির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। কুলশুনার অবশ্য আগেও বিয়ে হয়েছিল। প্রথম স্বামীর সঙ্গে মহদীপুরে বসবাস করতেন তিনি। সেখানে তাঁর পাঁচটি সন্তানও আছে। কিন্তু বিবাহ বিচ্ছেদের পরে মোজমপুরের সেন্টু শেখের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর।

সেন্টু দ্বিতীয় বিয়ে করার পর প্রথম স্ত্রী ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে একসঙ্গেই বাস করতেন। দুই সতীনের মধ্যে ঝামেলা লেগেই থাকত। গতকাল রাতে প্রথম স্ত্রী চাঁদমণির আত্মীয়রা বাড়িতে এলে, তাঁদের জন্য পিঠে বানান চাঁদমণি। অভিযোগ, কিছু পিঠে বেঁচে যায়। সেগুলো চাঁদমণি তাঁর স্বামী ও কুলশুনা বিবিকে না দিয়ে ফেলে দেন। ক্ষুব্ধ সেন্টু শেখ ও কুলশুনার সঙ্গে প্রথম স্ত্রী চাঁদমণির বচসা বাধে।

শেষ পর্যন্ত ঘটনা গড়ায় মারামারির দিকে। সেন্টু ও কুলশুনা দু’জনে মিলে চাঁদমণিকে মারধর করতে থাকেন। মারামারির মধ্যেই কুলশুনা চাঁদমণির কানে কামড়ে দেন। তাঁর কান দ্বিখণ্ডিত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে চাঁদমণির ছেলে হাঁসুয়া দিয়ে কুলশুনার কানে আঘাত করেন। কুলশুনারও একটি কান খসে পড়ে যায় মাটিতে।

অসহায় সেন্টু দুই স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সঙ্গে কানের কাটা অংশও নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসকেরা কান দু’টিকে জোড়া লাগালেও এখনও বিপদ কেটেছে বলা যাচ্ছে না। সময় না গেলে অপারেশন সফল হল কি না তা জানা যাবে না বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

সেন্টু শেখের দুই স্ত্রী’র কান কাটা নিয়ে সরগরম মালদার মোজমপুর। দুই সতীনের লড়াইয়ের করুণ পরিণতির কাহিনি ফিরছে এলাকার বাসিন্দাদের মুখে মুখে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেভাবে জন্ম হয়েছিল ‘ব্লু হোয়েল’ গেমটির

নেটদুনিয়ায় আপনার সরব উপস্থিতি থাকলে ইতিমধ্যে জেনে গেছেন ব্লু হোয়েল গেম সম্পর্কে বিস্তারিত অনেক কিছু। কিন্তু কেন এবং কিভাবে এই গেমের জন্ম হয়েছিল সেটা এখনও অনেকের কাছে অজানা।
বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার গেম হিসেবে পরিচিতি পাওয়া গেমটি মূলত তৈরি করা হয়েছিল হতাশাগ্রস্ত মানুষের পৃথিবী থেকে চিরদিনের জন্য বিদায় করে দেওয়ার জন্য। নির্মাতার সেই উদ্দেশ্য অনুযায়ী হতাশ, বিষণ্ণতা যাদের নিত্যসঙ্গী তারাই এখন এই গেমের প্রধান শিকার।

গত কয়েক মাসে সারা বিশ্বের শত শত কিশোর-কিশোরীর আত্মহত্যার পেছনের কুশীলব ব্লু হোয়েল গেমটির উদ্ভাবক ফিলিপ বুদেকিন (ফক্স) নামের এক রাশিয়ান তরুণ। মাত্র ১৮ বছর বয়সে এফ-৫৭ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করেন তিনি। যা সামাজিক মাধ্যম ‘ভিকে’ তে খোলা হয়েছিল। আর এই গ্রুপ থেকে প্রথমে বুদেকিন ও তার অন্যান্য অ্যাডমিনদের মাধ্যমে মাত্রাতিরিক্ত হতাশাগ্রস্ত এবং দুর্বলচিত্তের টিনএজারদের শনাক্ত করত। এরপর নিজের পাতানো ফাঁদে ফেলে তাদের আত্মহত্যার পথে এগিয়ে নিয়ে যেত।

বুদেকিন সেইন্ট পিটার্সবার্গ নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি তার উদ্ভাবিত খেলার মধ্য দিয়ে সমাজের ‘শুদ্ধিকরণ’ করছেন। তিনি গর্বের সাথে বলেন, হতাশাগ্রস্ত মানুষের পৃথিবীতে বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই, তাদের পৃথিবী থেকে বিদায় দেওয়াই তার লক্ষ্য।
যা শুনে বুদেকিনের মানসিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে পুলিশ।

তবে, ব্লু হোয়েল গেমের মাধ্যমে যে সরাসরি আত্মহত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়- সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বুদেকিন। তিনি বলেন, এই গেমে কাউকে আত্মহত্যার জন্য অনুপ্রাণিত করা হয় না। তার দাবি, গেইমটির সঙ্গে পাল্লা দিয়েই ইউজাররা নিজে থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

কিন্তু বুদেকিন শুধু কি সমাজের ‘শুদ্ধিকরণ’ করতে চেয়েছিলেন, নাকি এই গেমের পেছনে তার অন্য কোনো কারণ ছিল? বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বুদেকিনের কৈশোর অন্য দশটা রাশিয়ান কিশোরের মত ছিল না। ছোটবেলা থেকেই তাকে তার মা বাবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। তার একটা কারণ রয়েছে এই গেমটি তৈরির পেছনে। অন্যদিকে, বুদেকনি নিজেও মানসিকভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত ছিল বলে জানিয়েছে রাশিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুদেকিনের সৃষ্টি করা এই গেইমটি একবার কারো মোবাইলে ডাউনলোড হয়ে গেলে তা আর কোনোভাবেই আনইনস্টল করা যায় না। তখন খেলতে না চাইলেও অনবরত নোটিফিকেশন আসতে থাকে। তখন এক পর্যায়ে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিশোর-কিশোরীরা গেমটি খেলতে শুরু করে। প্রথম দিকে গেমটি আপনার ফোনের সিস্টেমে ঢুকে আপনার আপনার আই পি এড্রেস, মেইলের পাসওয়ার্ড, ফেসবুক পাসওয়ার্ড কনট্যাক্ট লিস্ট, গ্যালারী ফটো এমনকি আপনার ব্যাংক ইনফর্মেশান! আপনার লোকেশানও তারা জেনে নেবে। এভাবে আপনাকে কৌশলে এমনভাবে পরিচালনা করবে যে আপনি আর গেমটি থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন। কিংবা আসতে চাইলেও তারা বিভিন্নভাবে আপনাকে ক্ষতি করার হুমকি দিতে থাকবে। আর সেই পথে আপনাকে নিতে পারলে গেমটি শেষ ধাপ অর্থাৎ ৫০তম স্টেপে আপনাকে আত্মহত্যার করার কথা বলা হবে। আর এর মধ্য দিয়েই শেষ হবে গেমটি।

‘ভিকে’ নামক ওই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’ নামের পেজের অ্যাডমিন ছিলেন বুদেকিন নিজেই। সেই সূত্র ধরেই বেশ কিছুদিন তদন্ত চালিয়ে বুদেকিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর গত মে মাসে এক গোপন বিচারের মাধ্যমে তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সাইবেরিয়ার একটি কারাগারে কারাভোগ করছেন বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল। তবে বুদেকিন গ্রেফতার হলেও তার সৃষ্টি করা এই গেইম সারাবিশ্বে ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে আগের মতই ছড়িয়ে পড়ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest