সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩ পিচ ইয়াবা সহ ২ ব্যক্তি আটক করেছে শ্যামনগর থানা পুলিশ। শুক্রবার সকালে হাওয়ালভাঙ্গী এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, একই উপজেলার বিড়ালহ্মী গ্রামে লিয়াকত আলীর ছেলে মুসা ও হাওয়ালভাঙ্গী গ্রামের মোহর আলী ছেলে রফিকুল।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে মুসা ও মোহর আলী আটক করা হয়। এসময় তাদের দেহ তল্লাসী করে ৩ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নার তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest


নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা খুলনা মহাসড়কের ভৈরবনগরে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক ধারের বাড়িতে ঢুকে পড়ায় ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৪ জন। শুক্রবার সকাল ১০ টায় এ ঘটনা ঘটে। পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মহিবুল ইসলাম জানান বাসটি খুলনা থেকে সাতক্ষীরা অভিমুখে আসছিল। তালা উপজেলার ভৈরবনগরে পৌঁছে অপর একটি গাড়িকে পাশ কাটাতে গিয়ে বাসটি পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে ঢুকে পড়ে খুপড়ি ঘরে সজোরে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হয় তারাপদ মন্ডলের স্ত্রী গুরুদাসী মন্ডল (৫০) ও আবদুল গফফারের মেয়ে আছিয়া খাতুন (১০)। তিনি জানান আহত ৪ জনকে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরপরই সাতক্ষীরা খুলনা সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে তার স্বামী। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জনতা দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও মোটর সাইকেল আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
নিহতের নাম- লাইলী বেগম (৫২)। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার হরিনগর গ্রামের শেখ নূর ইসলামের স্ত্রী। আহতের নাম শেখ নূর ইসলাম (৬০)। তিনি নিহতের স্বামী। তার বাবার নাম মধু শেখ।
শ্যামনগর উপজেলার হরিনগর গ্রামের শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, অসুস্থ মা লাইলী বেগমকে শ্যামনগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তার দেখানোর জন্য বাবা শেখ নুর ইসলামকে নিয়ে তারা তিনজন একটি ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেলে করে শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন। সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তারা নকীপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সামনে এসে পৌঁছালে রাস্তার পাশে বিক্রির জন্য ফেলে রাখা হবিবর রহমানের বালির গাদার পাশ কাটাতে যেয়ে কালিগঞ্জের ময়না ভাটা থেকে শ্যামনগরের বংশীপুরগামি একটি ইটভর্তি ট্রাক (মুন্সিগঞ্জ-হ-০২-০০২২) তাদের মোটর সাইকেলকে (সাতক্ষীরা-হ-৯৬৫৪) ধাক্কা দেয়। এতে মোটর সাইকেল যাত্রী তিনিসহ তার বাবা ও মা রাস্তায় পড়ে যান। ট্রাকের পিছনের চাকা বাবা ও মায়ের শরীরের উপর দিয়ে চলে যাওয়ায় তারা মারাত্মক জখম হন। তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা লাইলী বেগমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত বাবা নূর ইসলামকে সেখানে ভর্তি করা হয়। জনতা দুর্ঘটনা কবলিত মোটর সাইকেল ও ট্রাকটি আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে দু’টি গাড়ির চালকরা পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ রাস্তার উপর অবৈধ বালির ব্যবসা করার ফলে এ ধরণের দুর্ঘটনা ঘটেছে। শ্যামনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মান্নান আলী সড়ক দুর্ঘটনায় লাইলী বেগমের মৃত্যু ও তার স্বামী মারাত্মক জখম হওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত মোটর সাইকেল ও ট্রাক আটক করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম.শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগে ০৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ২৫ জন,কলারোয়া থানা ০৪ জন,তালা থানা ০৩ জন,কালিগঞ্জ থানা ০৩ জন,শ্যামনগর থানা ১০ জন,আশাশুনি থানা ০২ জন,দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন-আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এক দিক দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট দুর্ভাগা। ক্রিকেটের সফলতম দলটির সঙ্গে খেলার তেমন সুযোগই হয় না টাইগারদের! ‘ক্রিকেটের সফলতম দল কারা?’ প্রশ্নের উত্তর দিতে বোধহয় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। টেস্ট-ওয়ানডে দুটোতেই সবচেয়ে বেশি জয়, ওয়ানডে বিশ্বকাপে রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া সাফল্যে অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। অথচ ক্রিকেটের সফলতম দলটির সঙ্গে টাইগারদের খুব কমই খেলার সুযোগ হয়। ২০১৫ সালে নিরাপত্তা না পাওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশে আসতে রাজি হয়নি অস্ট্রেলিয়া। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের নতুন সূচি নির্ধারণ হয় এ বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বরে। কিন্তু আবার বিপত্তি! এবার বোর্ডের সঙ্গে ক্রিকেটারদের আর্থিক ঝামেলায় সিরিজকে ঘিরে দেখা দেয় অনিশ্চয়তার কালো মেঘ। শেষ পর্যন্ত সব ঝামেলার অবসান হয়েছে, বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য দারুণ সুসংবাদ।

১৭ বছর আগে টেস্ট স্ট্যাটাস পেলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাত্র চারটি টেস্ট খেলার সুযোগ হয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে প্রথম দুটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০০৩ সালে। তিন বছর পর দুই টেস্টের সিরিজের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডেও ‍খুব বেশি খেলার সুযোগ হয়নি টাইগারদের। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ২০টি ওয়ানডে খেলেছে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। দু দলের খেলা টি-টোয়েন্টির সংখ্যাও মাত্র চারটি।

বাংলাদেশের মাটিতে অস্ট্রেলীয়দের একমাত্র টেস্ট সিরিজের স্মৃতি হয়তো এদেশের অনেক ক্রিকেটপ্রেমীর স্মৃতিতে উজ্জ্বল। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়া ছিল মহাপরাক্রমশালী দল। পন্টিং-হেইডেন-গিলক্রিস্ট-ওয়ার্নের মতো কিংবদন্তিদের সামনে বাংলাদেশের উড়ে যাওয়ার শঙ্কা করেছিল অনেকে। কিন্তু স্বাগতিকদের লড়াকু ক্রিকেট বরং বিস্মিত করেছিল সবাইকে। বিশেষ করে ফতুল্লায় প্রথম টেস্টের পারফরম্যান্সে।

শাহরিয়ার নাফীসের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪২৭ রান। ১৩৮ রান এসেছিল নাফীসের ব্যাট থেকে। ব্যাটিংয়ের পর বল হাতেও স্বাগতিকদের দারুণ পারফরম্যান্স। মোহাম্মদ রফিকের বাঁহাতি স্পিনে বিভ্রান্ত অতিথিরা অলআউট হয়ে যায় ২৬৯ রানে। ৬২ রানে রফিকের শিকার ছিল পাঁচটি।

অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে ১৫৮ রানের লিড নেওয়ার আনন্দ উবে যেতে সময় লাগেনি অবশ্য। কারণ দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং ব্যর্থতা। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ১৪৮ রানে অলআউট হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে ওঠেন রফিক। কিন্তু তার চার উইকেট বাংলাদেশকে জয়ের আনন্দে ভাসাতে পারেনি। রিকি পন্টিংয়ের অপরাজিত ১১৮ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস ৩ উইকেটের নাটকীয় জয় উপহার দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে।

জয়ের সুবাস পেয়েও হারের হতাশার জন্যই হয়তো চট্টগ্রামে পরের টেস্টে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ। অতিথিরা জিতেছিল ইনিংস ও ৮০ রানের বড় ব্যবধানে। ওই টেস্টে ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে নেমে জেসন গিলেস্পির অপরাজিত ২০১ রান নিশ্চয়ই আজও পীড়া দেয় টাইগারদের। টেস্ট ক্রিকেটে কোনও ‘নাইটওয়াচম্যানে’র সেটাই যে একমাত্র ডাবল সেঞ্চুরি!

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এরপর আর টেস্ট খেলার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের। ১১ বছর পর টেস্টে আবার ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল দলের মুখোমুখি টাইগাররা। বাংলাদেশ আর আগের সেই ‘দুর্বল’ দল নেই। বরং গত কয়েক বছরের ধারাবাহিক সাফল্যে তারা এখন সমীহজাগানো শক্তি। এমনকি স্টিভেন স্মিথের দলকে হোয়াইটওয়াশের হুমকি দিতেও ইতস্তত করে না। অস্ট্রেলিয়াও অবশ্য আগের মতো শক্তিশালী নয় এখন। দুই টেস্টের সিরিজ তাই জমজমাট হওয়ার কথা।

সে হিসেব পরে। অস্ট্রেলিয়া যে আসছে, এটাই সবচেয়ে বড় সুখবর আপাতত। ব্র্যাডম্যানের দেশকে বাংলাদেশে স্বাগতম!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গল টেস্টের পর কলম্বোয় অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও রানের ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন চেতেশ্বর পূজারা। তার এবং অজিংকা রাহানের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে ফের একবার রানের পাহাড় গড়ার দিকেই এগোচ্ছে টিম ইন্ডিয়া।

প্রথম দিন শেষে ভারতের রান তিন উইকেটে ৩৪৪। এদিকে নিজের ৫০ তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমে টেস্ট ক্রিকেটে ১৩তম শতরান করার পাশাপাশি ৪০০০ রানও পূর্ণ করলেন তিনি। অপরদিকে, টেস্ট ক্রিকেটে নিজের নবম শতরানটি করলেন অজিঙ্ক রাহানে।

সিরিজের প্রথম টেস্টেই প্রমাণিত হয়েছিল কুমার সঙ্গাকারা এবং মাহেলা জয়বর্ধনে পরবর্তীযুগে শ্রীলঙ্কা দলে সেই ঝাঁজ আর নেই। আর দ্বিতীয় টেস্টেও দেখা গেল সেই একই ছবি। এখানেও গলের মতোই শ্রীলঙ্কান বোলারদের উপর রোলার চালাল ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। গলে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন, এখানেও শতরান করলেন পূজারা। নিজের ৫০ তম টেস্টে এর পাশাপাশি আরও একটি রেকর্ডও করলেন। টেস্ট ক্রিকেটে ৪০০০ রান পূর্ণ করলেন তিনি। ৯০ ওভার বল করেও তাঁর উইকেট ফেলতে ব্যর্থ হলেন রঙ্গনা হেরাথরা। দিনের শেষে ২২৫ বল খেলে ১২৮ রান করে অপরাজিত থাকলেন তিনি। তাকে যোগ্যসঙ্গত দিলেন রাহানে। ১৬৮ বলে ১০৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার প্রথম টেস্টের দলই অপরিবর্তিত রেখেছিল ভারতীয় দল। এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক। তার সিদ্ধান্তকে ঠিক প্রমাণ করেন ভারতীয় ওপেনাররা। তবে দলের ৫৬ রানের মাথায় ফিরে যান শিখর ধাওয়ান। এরপর পূজারা এবং আরেক ওপেনার কে এল রাহুল দলের ইনিংস টেনে নিয়ে য়েতে থাকেন। তবে অর্ধ-শতরান করে পূজারার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফিরে যান কে এল রাহুল। তবে ক্রিজে আসার পর বেশিক্ষণ ক্রিজে ছিলেন না ভারত অধিনায়ক বিরাট। মাত্র ১৩ রান করে হেরাথের বলে ফিরে যান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘ওয়েসইয়াংমি… ওয়াইমি…’ ফোন করতেই মুঠোফোনের অপর প্রান্ত থেকে কানে ভেসে এলো কে যেন এসব শব্দ উচ্চারণ করছেন। মনে হলো পরীমণি কোনো বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। অন্য কথা শুরু না করে শব্দ দুটি সম্পর্কে জানতে চাইলাম। প্রথমে কিছু না বললেও পরবর্তীতে জানা গেল শব্দ দুটি চাইনিজ। এর একটি অর্থ ‘আই মিস ইউ’ এবং পরেরটি ‘আই লাভ ইউ’।

পাঠকরা নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝে গেছেন হঠাৎ করে পরীমণি কেন চাইনিজ ভাষা রপ্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আসলেও তাই, সবকিছু ঠিক থাকলে এবার চাইনিজ সিনেমায় দেখা যাবে হালের আলোচিত এ অভিনেত্রীকে। চীনের একটি বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হতে যাচ্ছে ফিচার ফিল্ম ‘চেজিং মার্ডার’। ঘটনাটি ঘটেছিল চলতি বছরের ৬ মে। যা ‘জিয়াংজিয়া শুটিং মার্ডার নামে আলোচিত। এ মার্ডারের তদন্ত উদ্ঘাটন করতে দায়িত্ব দেওয়া হয় একজন পুলিশ অফিসারকে। মাত্র ২০ দিনের মাথায় অপরাধীকে ধরা হয় আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল পুলিশের সহায়তায়। ছবিটির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে চীনের হুবে ফেঙ্গু তিয়ানজিয়া ফিল্ম কোম্পানি লিমিটেড। সেখানকার কয়েকটি প্রদেশ এবং বাংলাদেশেও ছবিটির শুটিং হবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া পুরো সিনেমাটি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন হুজিয়াহুই এবং ডেনিপ্যাং। সিনেমাতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী পরীমণি ছাড়া আরও অভিনয় করবেন চীন এবং হংকংয়ের বেশ কয়েকজন অভিনেতা-অভিনেত্রী।

এতে পরীমণিকে দেখা যাবে একজন আন্তর্জাতিক পুলিশ সদস্য হিসেবে। এদিকে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে পরীমণি বলেন, ‘আগামী মাসে অফিসিয়ালি এ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হব। সম্প্রতি চীন ভ্রমণে গিয়েছিলাম। সেখানে অনেক সোশ্যাল অ্যাপস নিষিদ্ধ। তাই উই চ্যাট ব্যবহার শুরু করি। সেখানেই পরিচয় হয় বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণ-তরুণীর সঙ্গে। একজন বাংলাদেশি তরুণ ছিলেন যিনি হুবে ফেঙ্গু তিয়ানজিয়া ফিল্ম কোম্পানিতে কর্মরত। অনেকটা আচমকা তিনি আমাকে ‘নক’ করেন। এরপর নিয়ে যান সেই প্রোডাকশন হাউসে। সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতি-নির্ধারকের সঙ্গে মিটিং হয় সেখানে। তারাও আমাকে ছবিটির স্ক্রিপ্ট পড়ে শোনান। দেশে ফিরে এলে তারা যোগাযোগ করেন। আমিও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে মতামত শেয়ার করি। তারাও সায় দেন। এভাবেই যুক্ত হয়ে গেলাম। ’ পরীমণি আরও বলেন, ‘প্রথমে আপত্তি করেছিলাম, কারণ এক থেকে দেড় মাস চীনে থাকতে হবে। তাহলে এখানকার ছবির শুটিংয়ের কী হবে? সে বিষয়ও পরিকল্পনা করেছি। তাই ব্যাটে-বলে মিলে গেল। ’ অন্যদিকে, চীনের এ প্রোডাকশন হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তারা জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে আগামী বছরের প্রথমার্ধে ছবিটি মুক্তি দিতে। শিগগিরই ক্যামেরা অন করবে। এর আগে বাংলাদেশে সংবাদ সম্মেলনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০০২ সালের ৩০ অগাস্ট সাতক্ষীরায় কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় বৃহষ্পতিবার আরো দু’জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাবেক সাংসদ প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ও জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শেখ আজাহারুল ইসলাম এ সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে সাতজন এ মামলায় সাক্ষী দিলেন। তবে বৃহষ্পতিবার প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ও অ্যাড. আজাহারুল ইসলাম যে সাক্ষী দিয়েছেন তা বিচার কার্যক্রমে মাইল ফলক হিসেবে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। মামলার বিররণে জানা যায়, ২০০২ সালের ৩০ অগাস্ট সকাল ১০টায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলি গ্রামের এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আসেন। সেখান থেকে যশোরে ফিরে যাওয়ার পথে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে রাস্তার উপর জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও তৎকালিন সাংসদ হাবিবুল ইসলামের হাবিব ও বিএনপি নেতা রঞ্জুর নির্দেশে বিএনপি ও যুবদলের নেতা কর্মীরা দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহি বাস(সাতক্ষীরা-জ-০৪-০০২৯) রাস্তার উপরে আড় করে দিয়ে তার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। হামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে এক ডজন দলীয় নেতা কর্মী আহত হয়। এ ঘটনায় থানা মামলা না নেওয়ায় ২ সেপ্টেম্বর কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমা-ার মোসলেমউদ্দিন বাদি হয়ে যুবদল নেতা আশরাফ হোসেন, আব্দুল কাদের বাচ্চুসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০/৭৫ জনকে সাতক্ষীরা নালিশী আদালত ‘ক’ অঞ্চলে একটি মামলা(সিআরপি-১১৭১/০২) দায়ের করেন। মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়। বিচারক এম আই ছিদ্দিকী তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম গোলাম কিবরিয়াকে নির্দেশ দেন। ২০০৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঘটনা মিথ্যা বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বারবার তদন্তকারি কর্মকর্তার কাছে যেয়েও তিনি জবানবন্দি না নিয়ে নিজের মনগড়া কথা ১৬১ ধারার জবানবন্দি হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এফিডেফিড দিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় হাজির হয়ে বিচারককে অবহিত করেন সাক্ষী ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, শওকত হোসেন, শহীদুল ইসলাম, প্রভাষক জাভিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম লাল্টু ও আলতাফ হোসেন লালু। বাদি মোসলেমউদ্দিন পুলিশ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে ২০০৪ সালের ২২ জানুয়ারি আদালতে নারাজির আবেদন জানালে শুনানী শেষে তা খারিজ হয়ে যায়। এ খারিজ আবেদনের বিরুদ্ধে বাদি ২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা ( ১৭/০৪) দায়ের করেন। ২২ এপ্রিল শুনানী শেষে বিচারক এ রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেন। ২০০৪ সালের ৪ অগাস্ট বাদি এ আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে ক্রিমিনাল মিস কেস (৫৮৯৩/০৪) দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানী শেষে বিচারকদ্বয় ২০১৩ সালের ১৮ জুলাই আপিল মঞ্জুর করে নি¤œ আদালতের আদেশের উপর স্থগিতাদেশ দেন। একইসাথে নি¤œ আদালতে মামলার কার্যক্রম নতুন করে শুরু করার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। আদেশের কপি দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পর ফাইলবন্দি থাকার পর ২০১৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে এসে পৌঁছায়। ১৭ সেপ্টেম্বর বাদির উপস্থিতিতে নারাজির শুনানী করার জন্য মুখ্য বিচারিক হাকিম নিতাই চন্দ্র সাহা ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। ওই দিন বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শফিকুর রহমান ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে এসটিসি ২০৭/১৫, এসটিসি ২০৮/১৫ দু’টি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২য় আদালতে বিচারাধীন। অপর টিআর ১৫১/১৫ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে বিচারাধীন মামলায় বাদি মুক্তিযোদ্ধা কমা-ার শেখ মোসলেমউদ্দিন, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, শহীদুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক সাজিদুর রহমান চৌধুরী মঞ্জুর সাক্ষী দেওয়া শেষ হওয়ার পর বৃহষ্পতিবার প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ও অ্যাড. আজাহারুল ইসলাম আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন। আগামি ১৭ অগাস্ট এ মামলার পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাড. ওসমান গনি জানান, এসটিসি ২০৭/১৫, ২০৮/১৫ এ দু’টি মামলায় বৃহষ্পতিবার সাক্ষীর জন্য অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতে দিন ধার্য ছিল। বাদি মোসলেমউদ্দিন গত ২৭ জুলাই এ আদালতে সাক্ষী দিতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন থাকায় তার সাক্ষী গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামি ১৭ অগাস্ট পরবর্তী সাক্ষীর দিন ধার্য করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার মুখ্য বিচারিক হাকিম রাফিজুল ইসলামের আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষীর কার্যক্রম পরিচালনা করেন জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. ওসমান গনি, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাড. এসএম হায়দার আলী, অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শহীদুল ইসলাম পিণ্টু, অ্যাড. আলী হোসেন, সহকারি পিপি অ্যাড. শাহানেওয়াজ মোস্তাফিজুর রহমান, অ্যাড তৌহিদুর রহমান শাহীন, অ্যাড. ওকালত আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা ও বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ম জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ বাস্তবায়ন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গত-ইং ৩১ জুলাই জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ছাইফুল করিম সাবু ও সাধারণ সম্পাদক এম.এ খালেক স্বাক্ষরিত ঢালী মো. সামছুল আলমকে আহবায়ক ও মো. হারুন অর রশিদ যুগ্ম আহবায়ক এবং মো. রবিউল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় শ্রমিকলীগ আশাশুনি উপজেলা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, নব-গঠিত কমিটির নেতৃত্বে আগামী ইং-৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest