সর্বশেষ সংবাদ-

বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। অথচ চেহারার তার কোনো লক্ষণ নেই।

উল্টো বয়স যেন দিন দিন। এদের মধ্যে কাউকে আবার টিনএজারের মতোও দেখতে। আবার কাউকে দেখলে মনে হয় যেন নিজের মেয়ের বয়সি! মার্কিন শোবিজ অঙ্গনের এই সব তারকাদের দেখে মানুষের মধ্যে অনেক প্রশ্ন, কীভাবে তারা বার্ধক্য আটকে নিজেদের সৌন্দর্য ধরে রাখেন। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।

সিন্ডি ক্রফোর্ড
গত ৩০ বছর ধরে যেন একই চেহারা ধরে রেখেছেন আমেরিকার এই মডেল-অভিনেত্রী। দুই সন্তানের মা সিন্ডি ক্রফোর্ড তাঁর রূপ-রহস্য নিয়ে কথা বললেই তিনি বলেন, ‘‘দ্য সিক্রেট ইজ, দেয়ার ইজ নো সিক্রেট’’। যেগুলো সবাই জানে, সেই নিয়মগুলো মেনে চললেই হয়। যেমন পানি বেশি পান করা, ধূমপান না করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম, খোশমেজাজ ইত্যাদি। তবে নিজের তৈরি প্রডাক্ট লাইনের বিউটি প্রডাক্ট ব্যবহার করেন সিন্ডি। সকালে উঠেই সুপারফুড স্মুদি খান আর চাইনিজ মেডিসিনের উপর ভরসা রাখেন। তবে তিনি এও বলেছেন, কম সময়ের মধ্যে এই নিয়মগুলো কাজে দেবে না। ৩০ বছর বয়স থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু করলে তাঁর ফল পঞ্চাশের পর পাওয়া যাবে। তাই ধৈর্য হারালে চলবে না।

 

জেনিফার অ্যানিস্টন
রুপচর্যায় যেসব শোবিজ তারকা সবচেয়ে বেশি খরচ করেন, তাদের মধ্যে প্রথম দিকেই থাকবেন জেনিফার অ্যানিস্টন। অনেকেই মনে করেন, ৪৮ বছর বসয়ী মার্কিন এই অভিনেত্রীর ত্বক আগের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল। নানা রকম লেজার ট্রিটমেন্ট, ফেশিয়াল, বিউটি ট্রিটমেন্ট করাতেই থাকেন তিনি। যোগ ব্যায়াম, এক্সারসাইজ আর ডায়েটের মধ্যে থাকেন সব সময়।

 

হ্যালি বেরি
হাজার হাজার টাকা খরচ করে হাই-এন্ড বিউটি প্রডাক্ট কেনার পক্ষপাতী নন আমেরিকার অভিনেত্রী হ্যালি বেরি। তার চেয়ে পেশাদারদের সাহায্য নেওয়াই পছন্দ করেন ৫০ বছর বয়সী এই শোবিজ তারকা। তাই সারা বছর তিনি ক্লিনজিং-টোনিং-ময়েশ্চারাইজিং করেন। কিন্তু বছরে অন্তত চার বার তাঁর প্রিয় বিউটি ক্লিনিকে গিয়ে যাবতীয় ট্রিটমেন্ট করিয়ে নেন। সারাদিন প্রচুন পরিমাণে পানি পান করেন। আর ডায়েটে চিনি একেবারেই রাখেন না।

জেনিফার লোপেজ
বয়স পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই সেটা। তার একটা বড় কারণ অবশ্য জেনিফার লোপেজের ঈর্ষণীয় ফিগার। হলিউড তারকার মতে, ওয়ার্কআউটই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রায়োরিটি। তাছাড়া কঠিন ডায়েটের মধ্যে থাকেন জেনিফার লোপেজ। নিজের তৈরি হেল্থ ফুড আর সাপ্লিমেন্টসের উপরই তার ভরসা করেন। ত্বকের জন্য নাকি আর পাঁচজনের মতোই সামান্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করেন। তবে ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিয়ম করে মেকআপ তুলে ফেলেন প্রতিদিন।

রিজ উইদারস্পুন
আমেরিকান এই অভিনেত্রী বয়স চল্লিশ পেরিয়ে গেছে। তিন সন্তানের জননী রিজ উইদারস্পুন কোনো কোনো ইভেন্ট মেয়েকে নিয়ে হাজির হন। কিন্তু পাশাপাশি দাঁড়ালে কে মেয়ে আর কে মা এটা আলাদা করা যেকোনো মানুষের পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন ‘লিগালি ব্লন্ড’ তারকা। আর স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলেন নিয়মিত। তাঁর বিউটি রেজিমও খুব একটা জটিল না। একসঙ্গে অনেক প্রডাক্ট ব্যবহার না করে শুধু শ্যানেলের হাইড্রেটিং ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত ব্যবহারে বিশ্বাসী তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খেতে খুব তেতো, কিন্তু করলার গুণ অনেক৷ যা কিনা দূর করতে পারে অনেক কঠিন রোগ৷ চলুন জেনে নেওয়া যাক, প্রতিদিন করলা খেলে কী কী উপকার পাবেন!

১। এ ক্ষেত্রে চার চা-চামচ করলা বা করলার পাতার রস একটু গরম করে সেই সঙ্গে এক-দেড় চা চামচ বিশুদ্ধ গাওয়া ঘি মিশিয়ে ভাতের সাথে খেতে হয়।
বাতের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি এই পদ্ধতি ৷

২। অনেক সময় ম্যালেরিয়া জ্বরেও পিত্ত শ্লেষ্মার বিকার হয়। এর প্রধান উপসর্গ হলো, পিপাসা ও বমি; এ ক্ষেত্রে করলার পাতার রস এক চা চামচ একটু গরম করে অথবা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে সারা দিনে ২-৩ বার করে খেলে জ্বরের উপসর্গগুলো চলে যাবে ও জ্বরের প্রকোপও কমে যাবে।

৩। গুঁড়ো কৃমি এ ক্ষেত্রে করলার পাতার রস বয়স্ক হলে ১-২ চা চামচ এবং শিশু হলে আধা চা চামচ সকালে ও বিকেলে অল্প পানিতে মিশিয়ে খেতে হয়।

৪। এ রোগের লক্ষণ হলো বিকেলে চোখ-মুখ জ্বালা করা, নাক-মুখ দিয়ে গরম নিঃশ্বাস-বের হওয়া, মুখে স্বাদ না থাকা। নোনা স্বাদ ও ভাজাপোড়া জিনিসে রুচি বেশি এ ক্ষেত্রে বুঝতে হবে, রক্তবহ স্রোত দূষিত হচ্ছে এবং এর আধার প্লীহা বিকারগ্রস্থ হচ্ছে। এ সময় করলা বা করলা পাতার রস দুই চা চামচ একটু গরম করে সিকি কাপ পানিতে মিশিয়ে দিনে দু-তিন বার খেতে হয়। এভাবে পাঁচ-ছয় দিন খেলে অসুবিধাগুলো আস্তে আস্তে চলে যাবে।

৫। পিত্ত শ্লেষ্মাজনিত এ বাত রোগের লক্ষণ হলো অমাবস্যা, পূর্ণিমা এবং একাদশী এলে হাত-পা-কোমর, সারা শরীরে ব্যথা যন্ত্রণা হয়; ব্যথা নিবারক বড়ি খেয়ে চলাফেরা করতে হয়; শীতকাল এলে কথাই নেই, তবে গরম বেশি পড়লে ব্যথা-বেদনা ও যন্ত্রণা একটু কম হয়। এ ক্ষেত্রে করলা বা তার পাতার রস ৩ চা চামচ গরম করে অল্প জলে মিশিয়ে দিনে ২ বার করে খেলে এ অসুবিধা চলে যায়।

৬। বৈদিক শাস্ত্র মতে, পিত্ত শ্লেষ্মার বিকার না হলে অরুচি রোগ হয় না। এ ক্ষেত্রে এক চা চামচ করে করলার রস সকাল ও বিকেলে খেলে দোষটা চলে যায়।

৭। যাদের কোনো জ্বালা-যন্ত্রণা ছাড়াই পায়খানার সাথে টাটকা রক্ত পড়ে, অথচ অর্শ্বরোগ নেই এ ক্ষেত্রে রক্ত পিত্ত যে আছে তা নিশ্চিত করে বলা যায়। এতে করলা বা করলার ফুল ৮-১০টা নিয়ে দিনে ৩ বার খেতে হয়।

৮। বীজ বাদ দিয়ে পুরো শাঁসের রস ছেঁকে একটু গরম করে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে খেলে অগ্নিমান্দ্য রোগ সেরে যায়।

৯। পোড়া ঘায়ে করলা পাতার রস লাগালে তা সারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর এক সদস্যকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক আমেরিকান নাগরিককে অভিযুক্ত করেছে দেশটির আদালত। খবর রয়টার্স।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম নীলাশ দাশ (২৫)। তার বিরুদ্ধে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামী স্টেটকে সহযোগিতা করারও অভিযোগ এনেছে আদালত। আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অপরাধেও অভিযুক্ত করা হয়েছে তাকে।

 ২০১৬ সালে এক মার্কিন সেনাকে আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়ার সময় নীলাশকে আটক করে এফবিআই।

বিচার বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, নীলাশ দাশ একজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রেরও বৈধ নাগরিক। ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইসলামী স্টেটকে সহযোগিতা করার অপরাধে তিনি অভিযুক্ত।

এফবিআই সদস্যকে হত্যাচেষ্টায় নীলাশ দাশের বিরুদ্ধে কি ধরনের চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি আদালতের বিবৃতিতে।

আটকের পর নীলাশ এফবিআইকে বলেন, তিনি সামরিক বাহিনীর একজন সদস্যকে আক্রমণ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং এটাই তার জীবনের লক্ষ্য।

বর্তমানে নীলাশ দাশ পুলিশ হেফাজতে আছেন। যদি এই তিন অভিযোগে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন তাহলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এ বিষয়ে নীলাশের আইনজীবী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকদের দুর্নীতি, অফিসের নাম করে সরকারি রাজস্বের অতিরিক্ত অর্থ আদয় করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিদিন ৫/৬ লক্ষ টাকারও অধিক আদায় করছেন জমির ক্রেতারদের নিকট থেকে। দলিল লেখক সমিতির নামে এবং অফিসের নাম ভাঙিয়ে এই অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা রসুলপুর গ্রামে আলিম উদ্দীন, বাঁকাল গ্রামের মাগফুর হোসেন, লাবসা গ্রামের মফিজ উদ্দীন, ঘোনা মাঝেরপাড়া গ্রামের তকিমউদ্দীন, মাহম্মুদপুর গ্রামের ফজর আলী জানান, তারা নিজেরা এবং তাদের আত্মীয় স্বজনদের জমি ক্রয় করতে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে দলিল লেখকরা পৌর এলাকার বাহিরে দলির রেজিস্ট্রি করার জন্য প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে ১২ হাজার টাকা আদায় করছে। অথচ সরকারি রাজস্ব প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে ৯ হাজার টাকা। অতিরিক্ত প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে ৩ হাজার টাকা করে তারা আদায় করছে। পৌর এলাকার বাহিরে প্রতি বিঘার জমির দাম ১০ লক্ষ টাকা হয় সে ক্ষেত্রে সরকারি রাজস্ব আসে ৯০ হাজার টাকা। দলিল লেখকরা আদায় করছে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। অতিরিক্ত ৩০ হাজার টাকা তাদের সমিতি এবং অফিস খরচের নামে আদায় করা হচ্ছে বলে তারা জানায়। তারা আরোও জানায় পৌর এলাকার জমি প্রতি ১ লক্ষ টাকার দলিলে সরকারি রাজস্ব আসে ১১ হাজার টাকা। সেখানে ক্রেতারদের কাজ থেকে আদায় করা ১৪ হাজার টাকা। সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ১ কাটা জমির মূল্য (এলাকা ভেদে) ১০/১৫ লক্ষ টাকা। সপ্তাহে ৪ কার্য্য দিবসে ৬ থেকে ৮ কোটি টাকার জমি বেচা-কেনার দলিল রেজিস্ট্রি হয় (কোন কোন দিন এর বেশিও হয়)। সেই হিসাবে সপ্তাহে ৪ কার্যদিবসে ১৮ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত আদায় করছে দলিল লেখকরা। সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সাব-রেজিস্ট্র্রার বদলি অফিস করেন।
দানপত্র দলিলে ১% বাদে সমপরিমাণ টাকা আদায় করা হয় বলে তারা জানায়। এছাড়াও প্রতিটি দলিলে ৩৪০ টাকা সরকারি রেভিনিউ জমা দিতে হয়। প্রতিটি হেবানামা দলিলে সরকারি রাজস্ব স্ট্যাম্পসহ ৯০০ শত টাকা, দলিল লেখকরা আদায় করছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে কয়েকজন দলিল লেখক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, অতিরিক্ত আদায়কৃত টাকায় একটি বড় অংশ তাদের সমিতিতে জমা দিতে হয়। অফিসে কোন খরচ দিতে হয় কি না জানতে চাইলে তারা কোন উত্তর দেয়নি। দলিল লেখকরা জানায় তাদের সমিতির সদস্য সংখ্যা ১০৯ জন। ৭০ জন প্রতিদিন দলিল রেজিস্ট্রির করে থাকেন এবং ৭০ জনের নামে সমিতির পক্ষ থেকে ডিপিএস করা আছে। ডিপিএস এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। সমিতিতে কত টাকা জমা আছে জানতে চাইলে তারা কোন টাকা জমা নেই বলে জানায়। তবে এখন থেকে ব্যাংকে টাকা জমা হওয়ার কথা আছে বলে তারা জানায়। সমিতির ইতিপূর্বে লক্ষ লক্ষ টাকার কোন হিসাব নেই বলে তারা জানান। এ ব্যাপারে সদর দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি তথ্য গোপন করে বলেন, ৭০ জনের মতো দলিল লেখক আছে সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। কোন অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় না বলে তিনি দাবি করেন। সমিতির কোন টাকা তারা আত্মসাৎ করেননি বলেও তার দাবি। কেউ যদি অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কোন অভিযোগ করেন তাহলে সেই সমস্ত দলিল লেখকদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে সদর সাব-রেজিস্ট্রির লুৎফর রহমান মোল্ল্যার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, অফিস কোন টাকা গ্রহণ করে না। দলিল লেখকরা কোন ক্রেতার কাছ থেকে কত টাকা আদায় করছে এটা অফিসের জানার বিষয় না। সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কোন কর্মচারী অবৈধ অর্থে গ্রহণ করে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ডেস্ক : শ্যামনগর উপজেলায় প্রেমিকের বাড়ি থেকে রুপালী মণ্ডল নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার বিকেলে শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ গ্রামের জেলেপাড়া থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রুপালী জেলেপাড়ার বাঘ বিধবা বুলি দাসীর মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে বিয়ের দাবিতে জেলেপাড়ার বিকাশ মণ্ডলের ছেলে রাজু মণ্ডলের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন তার প্রেমিকা রুপালী। পরে স্থানীয়রা রাজু ও রুপালীকে বিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। এক পর্যায়ে রাজু বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। রাজুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জানতে পেরে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন রুপালী। বিকেলে পুলিশ তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান, রুপালীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চ্যাম্পিয়নস লিগের পর ‍উয়েফা সুপার কাপেও শিরোপা নিজেদের হাতে রেখে দিলো রিয়াল মাদ্রিদ। ১৯৯০ সালে এসি মিলানের পর প্রথম কোনও দল টানা দ্বিতীয়বার এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো। মঙ্গলবার মেসিডোনিয়ার স্কোপজের দ্বিতীয় ফিলিপ স্টেডিয়ামে রিয়াল ২-১ গোলে জিতেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে।

২০০২, ২০১৪ ও ২০১৬ সালের পর আরেকবার সুপার কাপের শিরোপা দেশে নিয়ে গেল রিয়াল। ইউরোপিয়ান ফুটবলের সুপার কাপ সবচেয়ে বেশি ৫ বার করে জিতেছে বার্সেলোনা ও মিলান। এবার এ তালিকায় লিভারপুলকে (৩) টপকে দুই নম্বরে উঠে এলো রিয়াল।

ফিট ঘোষণা করলেও ইউরোপা লিগজয়ী ম্যানইউর বিপক্ষে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়েছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে। দলের প্রাণভোমরাকে বেশি ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়েনি। শেষ ৭ মিনিট তিনি খেলেছেন করিম বেনজিমার বদলি হয়ে। বেনজিমার সঙ্গে একাদশে নেমেছিলেন প্রতিপক্ষ কোচ হোসে মরিনহোর নজরে থাকা গ্যারেথ বেল। জিদান ম্যানইউ কোচকে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ছাড়ছেন না ওয়েলস তারকাকে। আক্রমণভাগের অন্যজন ছিলেন ইসকো। রিয়ালের মাঝমাঠ সাজানো হয়েছিল টনি ক্রুস, লুক মোডরিচ ও কাসেমিরোকে নিয়ে। অন্যদিকে মরিনহো শুরু করেন নেমাঞ্জা মাতিচ, ভিক্টর লিনডেলোফ ও ক্রিস স্মলিংকে দিয়ে।

ইংলিশ জায়ান্টদের পেছনে ফেলতে খুব বেশি সময় নেয়নি রিয়াল। ২৪ মিনিটে দানি কারভাহালের মাপা ক্রস ম্যানইউর রক্ষণ দেয়ালের উপর দিয়ে চলে যায় কাসেমিরোর কাছে, পা বাড়িয়ে দিয়ে সহজেই বল জালে পাঠান তিনি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে রিয়াল। ৫২ মিনিটে বেলের সঙ্গে ওয়ান-টু পাসে ম্যানইউর রক্ষণ ভেদ করেন ইসকো। এর পর ডান পায়ের শটে ডেভিড ডি গিয়াকে পরাস্ত করেন এ স্প্যানিশ।

রোমেলু লুকাকু ম্যানইউতে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক ম্যাচ খেলতে নেমে বেশ উজ্জ্বল ছিলেন। একবার সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও ৬২ মিনিটে তিনি রিয়ালকে এক গোল শোধ দেন। মাতিচের শট রিয়াল গোলরক্ষক কেইলর নাভাস পাঞ্চ করেন, এবার আর লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি লুকাকুর। ওই গোলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল ম্যানইউ। কিন্তু গতবারের মতো এবার অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ গড়ায়নি। ১৯৯৯ ও ২০০৮ সালের মতো দুর্ভাগ্যকে বরণ করে নিতে হয় ১৯৯১ সালের চ্যাম্পিয়ন ম্যানইউকে। গোল, ইএসপিএনএফসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বন্ধু থেকে শত্রু বনে যাওয়া কাজল ও করণ জোহরের ঝগড়ার ইতি ঘটার আভাস মিলছিল কয়েকদিন ধরে। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে ইনস্টাগ্রামে করণের যমজ সন্তান যশ ও রুহির ছবিতে কাজল লাইক দেওয়ায় তাদের মধ্যে মিটমাট হয়ে যাওয়ার অনুমান ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, ছবি শেয়ারিংয়ের এই প্ল্যাটফর্মে কাজলকে ফলো করেন করণ।

ফিল্মফেয়ারের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, করণের সঙ্গে কাজিয়ার ইতি টানার সিদ্ধান্তটা কাজলের পক্ষ থেকেই আগে এসেছে। ম্যাগাজিনটির ওয়েবসাইটের দাবি, গত সপ্তাহে ঘরোয়া পার্টিতে করণকে নিমন্ত্রণ করেন কাজল। মূলত তখনই তাদের মধ্যে মিটমাট হয়ে যায়।

জানা গেছে, কাজলের নিমন্ত্রণ রক্ষা করে পার্টিতে গিয়েছিলেন ৪৫ বছর বয়সী করণ জোহর। সেখানে দূরত্বকে পাশ কাটিয়ে বন্ধুর মতো তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। এরপরই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়।
গত দিওয়ালিতে কাজলের স্বামী অজয় দেবগন পরিচালিত ও অভিনীত ‘শিবায়’ ছবির সঙ্গে নিজের ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ মুক্তি দেন করণ জোহর। বক্স অফিসে লড়াইয়ে নামায় তাদের বন্ধুত্বে ফাটল ধরে। এরপর তাদের মনোমালিন্যকে কেন্দ্র করে বিস্তর খবর বেরিয়েছে।
এ ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যে নিজের ছবির ইতিবাচক পর্যালোচনা লেখার জন্য কামাল আর খানকে করণের ২৫ লাখ রুপি দেওয়ার ভিডিও শেয়ার করেন অজয় দেবগন। ওই পোস্টে ৪৩ বছর বয়সী কাজল মন্তব্য করেন, ‘শকড!’
ব্যস, শুরু হয়ে যায় ঝগড়া। কাজল ও করণ সব অনুষ্ঠানেই একে অপরকে এড়িয়েই গেছেন। নিজের আত্মজীবনীতে করণ জোহর উল্লেখ করেন, কাজলের জন্য তার কোনও আবেগ নেই। এমনকি করণের সঙ্গে আবার কাজ করবেন কিনা এক সাক্ষাৎকারে জানতে চাওয়া হলে কাজল পরোক্ষভাবে সমালোচনা করে জানান, স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যায় এমন মানুষের সঙ্গেই কেবল কাজ করা যায়।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হিন্দু ধর্মে গরুকে দেবতা হিসাবে দেখা হয়, তাই ভারতের অনেক রাজ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গো-রক্ষকরা রাস্তাঘাটেও পাহারা দেন যাতে কেউ গরু, এমনকি গরুর চামড়াও বহন করতে না পারে।

কিন্তু গরু-মহিষ নির্বিশেষে চামড়া দেখলেই তাদের নির্বিচার হামলার কারণে এখন পরিবহন কোম্পানীগুলোও আর চামড়া বহন করতে চাইছে না।

আর এর জের এসে পড়ছে দেশটির বৃহৎ চামড়া শিল্পের উপর। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন বিবিসির রাহুল ট্যান্ডন।

বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে এখনো কিছু চামড়া ব্যবসায়ী ক্রেতাদের কাছে নিজেদের তৈরি পণ্য তুলে ধরছেন। যেমনটা করছেন চামড়া ব্যবসায়ী ইমরান আহমেদ খান।

যদিও এ ধরনের ঘটনা এখন খুবই কম ঘটছে ভারতে।

কারণ গরু নিয়ে ভারতে যে তুলকালাম চলছে, তার মারাত্মক প্রভাব পড়েছে দেশটির অন্যতম বড় এই শিল্পখাতে। ফলে এখন ব্যবসা ভিয়েতনামে সরিয়ে নেয়ার কথা ভাবছেন ইমরান।

“লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারানোর ভয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। আমাদেরও ছাঁটাই করতে হবে, কর্মীদের সংখ্যা কমাতে হবে, কারণ আমরা আর ব্যবসা চালাতে পারছি না। সরকারের যে নীতি, তা এই শিল্পের জন্য ক্ষতিকর। তারা যেন এই শিল্পকে মৃত্যুসনদ দিয়ে দিয়েছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষের রুটিরুজি রয়েছে”- বলছিলেন ইমরান আহমেদ খান।

কলকাতার যেসব বড় চামড়া কারখানা রয়েছে সেখানে এখনো কাজ চললেও আগের তুলনায় মেশিনগুলো এখন খুবই কম ব্যবহৃত হয়।

কারণ ভারতের অনেক রাজ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে আর চামড়া নিয়ে যেসব ট্রাক এখানে আসছে, তার উপরেও ঘটছে হামলার ঘটনা।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest