সর্বশেষ সংবাদ-
এখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিবদেবহাটার আলোচিত শামীম হত্যা: দুই আসামি গ্রেপ্তারআশাশুনিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ ওসি শাহিদুরেরসাতক্ষীরা সদরের বড়খামার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের জমির গাছ কাটার অভিযোগতালায় মাছ চুরির অভিযোগে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগসাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস উদযাপিতশ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন

উড়ন্ত বিমানে যৌন কর্ম করে ধরা পড়লেন পাইলট

পুরো যাত্রীবাহী বিমান নিয়ে পাইলট যখন আকাশে ছুটে চলছে, তখনকি কল্পনা করা যায় এইরকম একজন দায়িত্বশীল পাইলটই ওই মুহূর্তে কোন অসামাজিক কাজে লিপ্ত আছেন? সম্প্রতি জার্মানির বেশ পরিচিত ‘কন্ডার এয়ারলাইন্স’ এর এক পাইলট উড়ন্ত বিমানে আরেক সহকর্মীর সাথে অসামাজিক যৌনমিলন করেন। বিমানের সেই পাইলট তাদের সেই চরম উত্তেজনা মূলক সেক্স ভিডিওটি ঐ এয়ারলাইন্সের বাকি সহকর্মীদেরও বেশ আগ্রহ সহকারে দেখান।

একপর্যায়ে তাদের এই যৌনমিলনের ভিডিওটি এয়ারলাইন্সের কর্তৃপক্ষের কাছেও চলে যায়। এর পর জার্মানির কন্ডার এয়ারলাইন্সের কর্তৃপক্ষ কঠিন সিদ্ধান্ত নেন, আর যদি তাদের এয়ারলাইন্সের কাউকে এভাবে বিমানের ভেতর কোনো অসামাজিক কর্মকাণ্ড করতে দেখেন তাহলে আইন অনুযায়ী তাকে দু বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। জার্মানির কন্ডার এয়ারলাইন্সটি ১৯৫৬ সালে নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এই এয়ারলাইন্সের বিমান, ইউরোপ, আমেরিকা এবং এশিয়া সহ বিশ্বের মোট ৮০টি দেশে ফ্লাই করে।

সূত্র: দ্য সান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রিয়া সেনের যৌন হেনস্থার শিকার অভিনেতা!

বিয়ের আগে যতটা না লাইমলাইটে ছিলেন, বিয়ের পর ততই আলোচিত হচ্ছেন রিয়া সেন। এর প্রধান কারণ ‘রাগিণী এমএমমএস রিটার্নস’ নামের ওয়েব সিরিজ। এতে অসংখ্য যৌন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। কিন্তু এতে অভিনয় করতে গিয়ে নাকি অভিনেতাকে যৌন হেনস্তা করেছেন রিয়া!

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাগিণী এমএমএস রিটার্নসের যে দৃশ্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে সেটা নিয়ে মুখ খোলেন নিশান্ত মালকানি। তিনি জানান, ওই দৃশ্যের শুটিং-এর আগে রিয়া এসে তাকে বলেন, তার উচিৎ প্যান্টটা নিচে নামিয়ে দেওয়া, যাতে অভিনেতার পশ্চাৎদেশ দেখা যায়। তাতে নাকি মেয়েরা বেশি আকৃষ্ট হবে। ঠিক যেমন জন আব্রাহাম করেছিলেন ‘দোস্তানা’ ছবিতে। তবে রিয়ার ওই কথাটি নেহাত মজা বলেই উড়িয়ে দেন নিশান্ত। কিন্তু হঠাৎ রিয়া একরকম জোর করেই তার প্যান্ট টেনে নামিয়ে দেন। চমকে যান নিশান্ত। রিয়ার এই আচরণ সত্যিই তাকে অবাক করে দেয়।

শুটিং সেটে কোনো অভিনেত্রী কোনো অভিনেতার সঙ্গে এমনটা করছেন, এমন কথা আগে শোনা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘জাতীয় সংসদ কোটিপতিদের ক্লাবে পরিণত হয়েছে’

জাতীয় সংসদ কোটিপতিদের ক্লাবে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়া নির্বাচনকালীন প্রশাসন ও আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করলে এবং কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না দিলে, সবচেয়ে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা প্রায় অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সুজন নেতারা।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন-এর উদ্যোগে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সুস্পষ্ট করণীয় শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে সুজন নেতারা এ মন্তব্য করেন।

সুজন সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশ নেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন, সুজন নির্বাহী সদস্য সৈয়দ আবুল মকসুদ, আলী ইমাম মজুমদার, ইঞ্জিনিয়ার মুসবাহ আলীম ও আক্কাস হোসেন, সহ-সম্পাদক জাকির হোসেন, আবুল হাসান চৌধুরী, বিশ্বাস লুৎফর রহমান, মুহাম্মদ আব্দুল ওদুদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপকুমার সরকার।

মূল প্রবন্ধে দিলীপকুমার সরকার বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, অর্থাৎ সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ২৮ জানুয়ারি ২০১৯-এর মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। আর সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তবে নির্বাচন মানেই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। শুধু তাই নয়, নির্বাচন বলতে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনও। তাই প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার দায়িত্বও নির্বাচন কমিশনের এবং এ লক্ষ্যে কমিশনকে সব প্রতিযোগীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, নির্ভুল ভোটার তালিকা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রধানতম পূর্বশর্ত। আর এই ভোটার তালিকা প্রণয়ন নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। আমরা দেখছি, ২০০৮-এর পরে ভোটার তালিকায় হালনাগাদ প্রক্রিয়ায় অপেক্ষাকৃত কমসংখ্যক নারী  অন্তর্ভুক্ত হতে থাকে, যার ফলে জেন্ডার-গ্যাপ নারীর জন্য ক্রমাগতভাবে প্রতিকূল হয়ে পড়ে। যেমন, ২০১৫-১৬ সালের তথ্যানুযায়ী পুরুষের তুলনায় ২৬ শতাংশ কম নারী ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন। ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও তালিকাভুক্তির কথা থাকলেও, সাম্প্রতিক অতীতে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি যাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকা দিয়ে নির্বাচন হলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কয়েকটি সুস্পষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে তা করা হয়, যার একটি হলো সংসদীয় আসনগুলোতে জনসংখ্যায় যতদূর সম্ভব সমতা আনা। তবে গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে আমরা জানতে পেরেছি, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণের জন্য একটি আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে। এই আইনটি  বাস্তবায়িত হলে বিদ্যমান সীমানাতেই অর্থাৎ ২০১৩ সালের নির্ধারিত সীমানার ভিত্তিতেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুর্ভাগ্যবশত ২০১৩ সালের পুনঃনির্ধারিত সীমানা নিয়ে অনেক গুরুতর অভিযোগ ও সমস্যা রয়েছে। তাই ২০১৩ সালের নির্ধারিত সীমানার ভিত্তিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হতে বাধ্য।

ভোটারদের তথ্যভিত্তিক ক্ষমতায়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের আইনে হলফনামার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হলেও, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে তা বাদ রাখা হয়েছে। আমরা মনে করি, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও প্রার্থী কর্তৃক হলফনামা দেয়ার বিধান যুক্ত হওয়া উচিত। হলফনামার বিধানটি সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, যদি নির্বাচন কমিশন এগুলোর সঠিকতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয়; এবং সে ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে। নির্বাচন কমিশন হলফনামার তথ্য খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিলে অনেক বসন্তের কোকিল ও অবাঞ্ছিত ব্যক্তিকেই নির্বাচনী অঙ্গন থেকে দূরে রাখা যাবে। তাই আমরা মনে করি, হলফনামায় প্রদত্ত তথ্য কঠোরভাবে  যাচাই-বাছাই করা আবশ্যক। এছাড়া হলফনামার ছকটিও অসম্পূর্ণ এবং এতে গুরুতর সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচনী ব্যয় হ্রাস ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, নির্বাচনী ব্যয়ের বৈধ সীমা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বিগত কমিশন এ ব্যয়সীমা ১৫ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা করেছে। এর ফলে সাধারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার থাকলেও তারা প্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই কমিশনকে নির্বাচনী ব্যয়ের লাগাম টেনে ধরতে হবে এবং একইসঙ্গে নির্বাচনী ব্যয়ের বৈধ সীমা কমাতে হবে।

পরিশেষে তিনি বলেন, এটি সুস্পষ্ট যে, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ করণীয় রয়েছে। তবে নির্বাচনকালীন প্রশাসন ও আইনশৃংলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করলে এবং কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না দিলে, সবচেয়ে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা প্রায় অসম্ভব।

এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই হবে না, নির্বাচন হতে হবে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য এবং নির্বাচনে সব নাগরিকের ভোটাধিকারও থাকতে হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবার করণীয় রয়েছে, সবচেয়ে বেশি ভূমিকা নির্বাচন কমিশনের।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যেই পরবর্তী মেয়াদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা বর্তমান সংসদ বহাল রেখেই। এই বিধান বহাল রেখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে লেভেল প্লেইং ফিল্ড বা সবার জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা দুরূহ হবে। আর সেক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান হবে সুদূরপরাহত।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন, প্রশাসনের রাজনীতিকরণ, নির্বাচন কমিশন গঠন, নিরাপত্তা ইস্যুতে যতদিন পরিবর্তন না আসবে ততদিন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রায় অসম্ভব। কেননা আমাদের বাজেটের ৭৫ শতাংশ ব্যয় হয় নিরাপত্তা খাতে। ২০১৪ সালে যে নির্বাচন হয় সেখানে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিল, সেই নির্বাচনেও নিরাপত্তা খাতে ৩৩০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য।

ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনী ব্যয়ের বৈধসীমা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বিগত কমিশন এ ব্যয়সীমা ১৫ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা করেছে। ফলে সাধারণ নাগরিকদের ভোটাধিকার থাকলেও প্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আর জাতীয় সংসদ পরিণত হয়েছে কোটিপতিদের ক্লাবে। বস্তুত আমাদের বর্তমান ব্যবস্থা হয়ে পড়েছে বেস্ট ডেমোক্রেসি মানি ক্যান বাই। তাই কমিশনকে নির্বাচনী ব্যয়ের লাগাম টেনে ধরতে হবে এবং একইসঙ্গে নির্বাচনী ব্যয়ের বৈধসীমা কমাতে হবে।

তিনি আরো বলেন, নির্ভুল ভোটার তালিকা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রধানতম পূর্বশর্ত। আর এজন্য প্রয়োজন ভোটার সংখ্যার মধ্যে যতদূর সম্ভব সমতা আনা। ২০০৮ ও ২০১৩ সালের মধ্যে ভোটার সংখ্যার পার্থক্য বেড়ে গেছে। সুতরাং বিদ্যমান ভোটার তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন হলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সবার অংশগ্রহণে সংসদ নির্বাচন আয়োজনে কমিশনকে কী কী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে, তা তাদেরই অনুধাবন করতে হবে এবং সবাইকে তা জানাতে হবে। নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের উচিত জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সংলাপ করা।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আমরা দেখছি, নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই করে না, কিন্তু তারা যদি এটি যাচাই-বাছাই নাই করবে, তাহলে তারা এটি জমা নেয় কেন?

তিনি ভারতের নির্বাচন কমিশনের জনবলের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, আমাদের নির্বাচন কমিশনের জনবল প্রায় সাত হাজার ছাড়িয়ে গেছে, তাহলে নির্বাচনী কর্মকর্তারা কেন হলফনামা বা ব্যয়ের রিটার্ন যাচাই-বাছাই করতে পারবে না, তা আমার বোধগম্য নয়।

নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতার প্রয়োজন মনে করে তা তারা চাইতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আবুল হাসান চৌধুরী বলেন, গণতন্ত্র মানে শুধু সরকার ও বিরোধী দল নয়। গণতন্ত্রের প্রতি সবার আনুগত্য ও মমত্ববোধ থাকতে হবে। আমরা একটি সত্যিকারের নির্বাচন চাই। তিনি নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট-এ যাওয়া যায় কি না- সে ব্যাপারে সুজন-এর প্রতি আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে পারি: আইনমন্ত্রী

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাওয়া যায় বলে মনে করছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। একই সঙ্গে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের মানবিক দিক বিবেচনা করে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করার পক্ষে মত দেন আইনমন্ত্রী।

শনিবার রাতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল’র ‘মুখোমুখি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চান উপস্থাপক। আইনমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আমরা যেতে পারি, বা যাওয়া যায়। সেটা সম্বন্ধে আমি নিশ্চয় দ্বিমত পোষণ করব না। তবে আমাদের প্রথম কাজ হলো তাদের (রোহিঙ্গা) মানবিক দিকটা দেখা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যেকোনো সময় যাওয়া যাবে। সেখানে সময় বেঁধে দেয়া নেই।

আইনমন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের প্রথম কাজটা কী? তাদের যে মানবেতর অবস্থা, শুধু যারা একাত্তর দেখেছি, তারা বুঝতে পারি। সে জন্যই এত দুর্বলতা তাদের প্রতি। উচ্চ আদালতে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা নিয়ে এত চেষ্টা কিন্তু নিয়োগ নিয়ে সে রকম দেখা যায় না- উপস্থাপকের এমন মন্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান,  বিচারপতিদের নিয়োগের বিষয়ে একটি নীতিমালা তিনি লিখছেন। তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটা আইনের খসড়া প্রস্তুত করছি।’

ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা চাইব রায়ে যে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো বলা হয়েছিল, সেগুলো এক্সপাঞ্চ করা হোক। তবে রিভিউর যেকোনো রায় সরকার মেনে নেবে বলে জানান আইনমন্ত্রী। বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সেখানে যদি রিভিউ খারিজ হয়ে যায় তাহলে আমাদের সেটা মেনে নিতে হবে। রিভিউ আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। রিভিউ করার সুযোগ রয়েছে, তাই আমরা সুযোগটা নিচ্ছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিশরে মুরসির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল

মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শনিবার দেশটির সর্বোচ্চ আদালত মুরসির বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের দেওয়া ওই রায় বহাল রাখেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, মুরসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি অর্থের বিনিময়ে কাতারের কাছে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি পাচার করেছেন। ২০১৩ সালে মুরসির ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০১৪ সালে তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছিল।

এরপর ২০১৬ সালের জুন মাসে তথ্য পাচারের এই মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে নিম্ন আদালত। আদালত দেশের গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচারের অভিযোগে মুরসিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। ওই রায়ে তাঁর আরো ছয় সঙ্গীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এঁদের মধ্যে তিনজন সাংবাদিক, দুজন সরকারি আমলা ও একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। এঁরা কাতারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নথি হস্তান্তরে সাহায্য করেছিলেন বলে অভিযোগ।

এরপর মুরসি আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতে যান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখলেন উচ্চ আদালতও।

মিশরের সেনাশাসক হোসনি মোবারক ২০১১ সালে আরব বসন্তে গণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর ২০১২ সালে জনগণের ভোটে মিশরের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন মোহাম্মদ মুরসি।

দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুসলিম ব্রাদারহুডের এই নেতা তাঁর মেয়াদের এক বছরের মাথায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন এবং ২০১৩ সালের জুলাইয়ে মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সামরিক বাহিনী। একইসঙ্গে মুরসির নেতৃত্বাধীন মুসলিম ব্রাদারহুড নিষিদ্ধ করা হয়। এর হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বিভিন্ন অভিযোগে অনেককে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খ্রীষ্টান এ্যাসোসিয়েশন তালার সভাপতি শান্ত , স্বপন সম্পাদক

তালা প্রতিনিধি: বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এ্যাসোসিয়েশন’র তালা উপজেলা শাখার ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়েছে। তালার নেহালপুর এসডিএ মিশন কক্ষে এক সভার মাধ্যমে শুক্রবার সকালে এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে এক সভা বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এ্যাসোসিয়েশন এর তালা উপজেলা শাখার আহবায়ক পালক গাব্রিয়েল সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। পালক রুবেল বারিকদারের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে পালক রঘুনাথ সরকার ও পালক বাসুদেব অধিকারী বক্তৃতা করেন। সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে পালক শমুয়েল সরকার শান্তকে সভাপতি, পালক আনন্দ দাশকে সহ-সভাপতি, পালক স্বপন সরকারকে সাধারন সম্পাদক, পালক বিশ্বজিৎ সরকারকে সহ-সম্পাদক, পালক গ্রাব্রিয়েল সরকারকে কোষাধ্যক্ষ, পালক বিকাশ সরকার রানাকে সহ কোষাধ্যক্ষ এবং সদস্য হিসেবে পালক নিমাই সরকার, সুমন সরকার, ভবেন সরকার, সোনাতন সরকার, সুকুমার সরকার, বিকাশ সরকার ও বিপ্লব সরকারকে নির্বাচিত করা হয়। এসময় বিভিন্ন মিশনের পালক এবং খ্রীষ্টান নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিউইয়র্কের দিকে এবার ধেয়ে আসছে হারিকেন ‘জোস’

যুক্তরাষ্ট্রের দিকে যেন সারি বেঁধে আসছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রথমে ঘুণিঝড় ‘হার্ভে’। এরপর হারিকেন ‘ইরমা’। এবার দেশটির নিউইয়র্কের দিকে এগিয়ে আসছে আরেকটি প্রবল শক্তির হারিকেন ‘জোস’।

চলতি সপ্তাহেই এই হারিকেনটি নিউ জার্সি ও নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে দেশটির ‘ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার অ্যাডভাইসরি’ দপ্তরের বরাতে জানিয়েছে সিএনএন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, আটলান্টিকে কেপ ভার্দে এলাকার ৫৫০ মাইল দূরে রয়েছে ঘুর্ণিঝড় জোস। এখন প্রতি ঘণ্টায় ৭০ মাইল গতিবেগ রয়েছে এই হারিকেনের। তবে প্রতি মূহুর্তে এর শক্তি বাড়ছে। আগামী বুধবার এটি নিউ জার্সি ও নিউ ইয়র্কের উপকূলে পৌঁছাবে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের (এনএইচসি) আবহাওয়াবিদদের বরাতে সিএনএন আরো জানায়, জোস শক্তিশালী হারিকেন হলেও এর প্রভাব উপকূলে খুব বেশি পড়বে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ আবহাওয়ার প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টি ঝরাচ্ছে জোস। আর এই কারণেই উপকূলে পৌঁছানোর আগেই দূর্বল হয়ে পড়বে এই হারিকেনটি।

তবুও এই ঝড়টি আসার আগেই ব্যাপক সাবধানতা নিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর।

এর আগে গত সপ্তাহে দেশটির ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের উপকূলে আরেকটি হারিকেন ইরমার আঘাতে প্রায় ৪০ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। পানির নিচে তলিয়ে যায় মিয়ামি শহর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া প্রেসক্লাবের নতুন সভাপতি কালাম, সম্পাদক মোসলেম

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়া প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শুক্রবার এ উপলক্ষে কলারোয়া জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল মার্কেটের ২য় তলায় প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়।
কলারোয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের সর্ব সম্মিতিক্রমে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সমঝোতার ভিত্তিতে কণ্ঠ ভোটে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক এমএ কালামকে সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোসলেম আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে এ কার্যনিবার্হী কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহ.সভাপতি শেখ জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আরিফ মাহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম মনি, দপ্তর সম্পাদক সুজাউল হক, সাহিত্য ও প্রচার সম্পাদক আবু রায়হান মিকাঈল, কার্যনির্বাহী সদস্য সাবেক সভাপতি গোলাম রহমান, আব্দুর রহমান (দৈনিক সংবাদ), তাওফিকুর রহমান সনজু।
উলে¬খ, বিগত কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় প্রেসক্লাবের সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্র মোতাবেক ৯০ দিনের মধ্যে সমঝোতা বা নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নিয়মিত কমিটি গঠনের লক্ষে ক্লাবের সদস্য আব্দুর রহমানকে আহবায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সে মোতাবেক আহবায়ক কমিটি কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ অহিদুল আলমকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে তিন সদস্য বিশিষ্ঠ একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশিন দুই দুই বার নির্বাচনের তফশিল ঘোষনা করলেও বিভিন্ন কারণে ভোট গ্রহণ করতে পারেননি। বিধায় তারা পর্যায়ক্রমে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন।
এদিকে আহবায়ক কমিটির মেয়াদও গত ২৫/৮/২০১৭ ইং তারিখে শেষ হয়ে যায়।
কলারোয়া প্রেসক্লাব ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত। এই ঐতিহ্যবাহি প্রতিষ্ঠানের ভাবমুক্তি অক্ষুণœ রাখার স্বার্থে ক্লাবের সাবেক সভাপতি জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক গোলাম রহমানের আহবানে ৮/৯/১৭ তারিখে একটি সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের সর্বসম্মিতক্রমে ক্লাবের নিয়মিত কমিটি গঠন লক্ষ্যে জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক গোলাম রহমানকে ১৫/৯/১৭ ইং তালিখে আরেকটি সাধারণ সভা ডাকার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই মোতাবেক গত শুক্রবার ১৫ সেপ্টেম্বর গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যেদের সর্ব সম্মতিক্রমে এ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে ক্লাবের জৈষ্ঠ্য সাংবাদিক গোলাম রহমান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest