সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

পর্ন ভিডিও তৈরির একটি চক্রের হোতা সন্দেহে গ্রেপ্তার ফুয়াদ বিন সুলতানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।
ফুয়াদ (৩৩) পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুলতান আহমেদের ছেলে। সুলতান প্রায় এক দশক আগে মারা যান।
মঙ্গলবার রাতে ঢাকার উত্তরা থেকে গ্রেপ্তারের পর ফুয়াদকে উত্তরা পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়।
থানার ওসি আলী হোসেন জানান, ১০ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়েছিল। আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
র‌্যাব জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা বাবার রেখে যাওয়া ছয়তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় দুটি ফ্ল্যাট পর্ন ভিডিও তৈরিসহ অপরাধমূলক নানা কাজে ব্যবহার করে আসছিলেন ফুয়াদ। তিনি আগে বিভিন্ন অভিজাত হোটেলের ব্যবস্থাপনা বিভাগে কাজ করতেন।
বাংলাদেশে ফুয়াদই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে পর্নসাইট চালু করেন বলে র‌্যাবের দাবি।
তাকে গ্রেপ্তারের পর বাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “২০১৫ এবং ২০১৬ সালে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সে পর্নগ্রাফির ব্যবসা শুরু করে। এই ওয়েবসাইটগুলোর মাধ্যমে সে বিভিন্নভাবে সংগৃহিত মেয়েদের আপত্তিকর ছবি, মোবাইল নম্বর এবং দৈহিক মিলনের নির্ধারিত মূল্য উল্লেখ করে বিভিন্নজনকে আকৃষ্ট করত।”
র‌্যাব জানায়, ফুয়াদের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ পাইরেটেড সিডি, পর্নগ্রাফি তৈরিতে ব্যবহৃত ল্যাপটপের পাশাপাশি ইয়াবা ট্যাবলেটও পাওয়া যায়।

র‌্যাব দাবি করেছে, এই যুবক বিভিন্ন তরুণকে শারীরিক সম্পর্ক করতে তার ফ্ল্যাটে জায়গা করে দিত। তাদের জন্য মজুদ রাখত ইয়াবাসহ নানারকম নেশাদ্রব্য।

ফুয়াদ নিজেও বিভিন্ন নারীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে গোপনে তার ভিডিও ধারণ করে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন বলে র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান।
র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক কাসিম বিন সারোয়ার বলেন, ফুয়াদের খোলা পর্নসাইটগুলো তার বন্ধ করে দিয়েছেন।
ফুয়াদের কয়েকজন সহযোগীর নামও পেয়েছে র‌্যাব। তাদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানান কাসিম। ২০১৪ সালের দিকে ইন্টারনেট ব্যবসা শুরুর পর ফুয়াদ পর্নগ্রাফিতে ঝোঁকেন বলে র‌্যাব জানিয়েছে। বাবার বাড়ির দ্বিতীয় তলার দুটি ফ্ল্যাট ফুয়াদ ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করেন। ষষ্ঠ তলায় স্ত্রী-সন্তান ও মাকে নিয়ে থাকেন তিনি। ওই বাড়ির চতুর্থ তলায় একটি নারী হোস্টেল। তৃতীয় তলায় এক পাশে একটি বিদেশি পরিবার থাকে, অন্য পাশও ভাড়া দেওয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামণির অবস্থা অস্ত্রোপচার করার মতো নেই বলে জানিয়েছেন সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা। তাঁরা বলছেন, মুক্তামণির অসুখ আরোগ্যযোগ্য নয়। তবে এরপরও তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া শুরু করতে চান বাংলাদেশের চিকিৎসকরা। আর এ জন্য অনুমতিও দিয়েছে মুক্তামণির পরিবার। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্প্রতি মুক্তামণিকে ভিডিওতে দেখে এবং তার বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন দেখে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল ই-মেইলের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে জানায়, মুক্তামণির রোগটি আরোগ্যযোগ্য নয়। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, মুক্তামণির বায়োপসি করার প্রয়োজন ছিল। তবে তার রক্তের প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা বারবার কমে যাওয়ার কারণে বায়োপসি প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হচ্ছিল। একথা জেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিৎসার ব্যাপারে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। গত ২৭ জুলাই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সঙ্গে বোর্ড মিটিং করা হয়। পরবর্তীকালে ই-মেইলের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল জানায়, মুক্তামণির এই রোগটি ভালো হওয়ার নয়। অস্ত্রোপচারের মতোও নয়। তারা রোগটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে কিন্তু মুক্তার রোগের চিকিৎসা করতে পারবে না। এরপর বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৈঠক করে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করে শনিবার মুক্তামণির বায়োপসি করার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তামণির জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন ডা. সামন্ত লাল সেন। এ সময় সেখানে মুক্তামণির মাও উপস্থিত ছিলেন।
মুক্তার হাতটি কেটে ফেলতে হবে কি না জান চাইলে মেডিকেল বোর্ড প্রধান ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম বলেন, এই রোগ শুধু চামড়ায় সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। মাংসে ছড়িয়ে যেতে পারে। সব কিছু বিবেচনা করেই চিকিৎসা করা হবে। তবে তাঁরা হাতটি রেখে দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।
ডা. আবুল কালাম আরো বলেন, এই চিকিৎসার অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। দুই সপ্তাহ আগে মুক্তামণিকে যখন ভর্তি করা হয়, তখন দুর্গন্ধের কারণে সেখানে কেউ থাকতে পারত না। এখন সেই গন্ধও অনেক কমেছে। তবে এই চিকিৎসা একটিমাত্র অস্ত্রোপচারে শেষ হবে না, ছয় থেকে সাতটি অস্ত্রোপচার লাগবে। মুক্তামণির শরীর স্বাভাবিক রেখেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মাংস ও চামড়া প্রতিস্থাপন করা হবে। মুক্তামণির চিকিৎসার ব্যাপারে তাঁরা যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী বলে জানান এই চিকিৎসক। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তামণির মা বলেন, তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসায় খুবই খুশি। চিকিৎসা শেষে সুস্থ মেয়েকে নিয়ে যেন বাড়ি ফিরতে পারেন, সবার কাছে সেই দোয়াই চাইলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest


নিজস্ব প্রতিবেদক : ভারতে পাচারের নামে ৬০ ভরি সোনা গায়েব করে দিয়েছে সাতক্ষীরার তলুইগাছার সোনা বাহক জিয়ারুল ইসলাম। এ ঘটনায় তার একদিনের কারাবাস হয়েছে। তবে গায়েব হওয়া সোনা উদ্ধার হয়নি। সোনার মালিক ভারতের ২৪ পরগনা জেলার স্বরুপনগর থানার আমুদিয়া গ্রামের বাপ্পা। তিনি তার সোনা অথবা তার পরিবর্তে টাকা ফিরে পেতে এখন মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তবে সোনা গায়েবকারী জিয়ারুল ইসলাম জানান ‘তিনি ভারতের বাপ্পার হাতে তুলে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে সোনা নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ফুটো থলে থেকে তা পড়ে হারিয়ে যায়’। এ খবর জানাজানি হলে ‘বাপ্পা ও তার বাংলাদেশি সহযোগীদের তোপের মুখে আমি মাস তিনেক বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে ছিলাম। হঠাৎ খবর পেয়ে সাতক্ষীরা থানার পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে। একদিন পর অবশ্য আমি আদালতের নির্দেশে ফিরে এসেছি’। ‘বড় জায়গা থেকে আমার পক্ষে ফোন এসেছিল। তাই কোনো টাকা ঘুষ লাগেনি’। ভারতীয় নাগরিক বাপ্পার ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে জানা গেছে মাস তিনেক আগে বাহকরা ৬০ তোলার ৬ পিস সোনা তার কাছে দিয়ে যায়। সীমান্ত পার করে এই সোনা বাপ্পার হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। দুই দেশের নাগরিক হলেও বাপ্পা ও জিয়ারুলের বাড়ি খুব কাছাকাছি। সীমান্তের একই আইলে তাদের জমিও রয়েছে। ফলে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠেছে। বাপ্পা মাঝে মাঝে পাসপোর্টে অথবা বিনা পাসপোর্টে বাংলাদেশে আসে। বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে সে ভারতে সোনা পাচার করে থাকে। সেই সুবাদে সে টাকার তাগিদ দিতেও আসে বাংলাদেশে। সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই ইউসুফ আলি জানান ‘জিয়ারুলের বিরুদ্ধে আমরা চোরাচালানের অভিযোগ পেয়েছিলাম। ২৯ জুলাই তাকে ধরেও এনছিলাম। কিন্তু অভিযোগের প্রমান মিলাতে না পারায় আমরা তাকে ৩৪ ধারায় আদালতে পাঠাই। আদালতের নির্দেশে জিয়ারুল বাড়ি গেছে’ বলে জানান তিনি।
স্থানীয় বাঁশদহা ইউনিয়নের সদস্য আবদুস সামাদ জানান ‘জিয়ারুল বাপ্পার সোনা মেরে দিয়েছে বলে খবর পেয়েছিলাম। পরে জানলাম পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গেছে। ওর মা আমাকে অনুরোধ করে বলেছিলেন ছেলেটিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনতে। একদিন পর দেখি সে আদালতের নির্দেশে বাড়ি এসেছে’। একই কথা জানান ওই এলাকার যুবলীগ সভাপতি আবদুল খালেক। তিনি বলেন ‘ আমিও ওর সোনা গায়েবের খবর শুনেছি। এ নিয়ে এলাকায় বেশ তোলপাড় হয়েছিল। জিয়ারুল পালিয়েছিল। পরে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়’। পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ আলি আরও জানান ‘ সোনা গায়েবের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল না। তবে চোরাচালানের অভিযোগ পেয়ে গ্রেফতার করা হয় তাকে’। সোনা গায়েবের বিষয় জানতে জিয়ারুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে ‘ তিনি বলেন আমি ইচ্ছা করে সোনা গায়েব করিনি। আমার ফুটো ব্যাগ থেকে তা পড়ে হারিয়ে গেছে’।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest


নিজস্ব প্রতিবেদক : কলারোয়ায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে হামলা মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীনকে দেখতে গেলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আফম রুহুল হক এমপি। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে অসুস্থ্য মোসলেম উদ্দীনকে দেখতে যান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ সাহিদ উদ্দীন, কলারোয়া উপজেলা চেয়াম্যান কাজী আহম্মেদ স্বপন, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন, জেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগের সভাপতি মারুফ হাসান মিঠু, সাবেক ছাত্রনেতা কামরুজ্জামান সোহাগ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। এসময় তিনি মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীনের চিকিৎসার বিষয়ে সার্বিক খোজখবর নেন এবং তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশ দেন। এছাড়া প্রয়োজনে তার সুচিকিৎসার সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
উল্লেখ্য গত ২৭ জুলাই জননেত্রী গাড়ী বহরে হামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ছিল। তিনি সাক্ষ্য দিয়ে হটাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এসময় তাকে দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের করোনারী কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ্য আছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কলারোয়া ও তালা উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ক্লাবের মাঝে সংসদ সদস্য কর্তৃক ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রসুলপুরস্থ জেলা ওয়ার্কাস পাটির অফিসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে প্রদত্ত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন সাতক্ষীরা তালা কলারোয়া ১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ ।এ সময় তিনি বলেন, ‘দেশের ক্রীড়াঙ্গণকে উজ্জীবিত করতে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রি বিতরণ করছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ক্লাব গুলির মাঝে এ ক্রীড়া সামগ্রি বিতরণ করা হচ্ছে। তাই আমাদের যুব সমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখতে খেলা ধুলার বিকল্প কিছু নেই। এ জন্য লেখা পড়ার পাশাপাশি খেলা ধূলায় ও মনোযোগি হতে হবে। এভাবে মাদকের ভয়াভব সোবল থেকে আমাদের যুব সমাজ রক্ষা করা সম্ভব। এছাড়া ক্রীড়াঙ্গনের অভূতপূর্ব সাফল্যের কারণে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে অনেক বেশি পরিচিতি এনে দিয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম তৈরীর উদ্যোগ নিয়েছে’। তালা কলারোয়ার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ক্লাবের মাঝে ক্রিকেট সেট, ভলিবল সেট, ব্যাডমিন্টন, দাবা সেট, ক্যারাম সেট, ফুটবল, বিতরণ করা হয়। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা ক্রিড়া অফিসার খালিদ জাহাঙ্গীর, জেল যুব মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীরসহ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ক্লাবের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাবি উপাচার্য প্যানেল স্থগিত

ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য নির্বাচনের জন্য সিনেটের মনোনীত তিন সদস্যের প্যানেলের পরবর্তী সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই বিচারপতি হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও মির্জা হোসাইন হায়দার। উপাচার্য নির্বাচনের জন্য সিনেটের বিশেষ অধিবেশন ডাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে আদালত রিটটি চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তিরও আদেশ দিয়েছেন। এ সময় দায়িত্ব পালন করবেন বর্তমান উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন। গত ২৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উপাচার্য নির্বাচনের জন্য প্যানেলের তিন সদস্য হলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক এবং বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন এবং থিওরিটিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটেশনাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আজিজ। যে সিনেট অধিবেশনে এই উপাচার্য প্যানেল মনোনীত করা হয়, সেই সিনেটের বিশেষ অধিবেশন নিয়ে রিটটি করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ ১৫ জন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট। আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন বরিশালের আনোয়ার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুস সামাদ, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী, অধ্যাপক ড. হারুনুর রশিদ খান, অধ্যাপক ড. সিতেশ চন্দ্র বাচার, অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার, অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক মো. আবদুর রহিম, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল আলম খান, ঢাকার এ কে এম আতিকুর রহমান, ফরিদপুরের ড. আবদুল জব্বার মিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মো. হুয়ায়ন কবির। রিটে আবেদনকারীরা জানান, গত ১৬ জুলাই ঢাবির রেজিস্ট্রার একটি চিঠি দেন সিনেট সভার জন্য। যাতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ আর ২১(২) ধারার অর্পিত ক্ষমতাবলে উপাচার্য ২৯ জুলাই বিকেল ৪টায় সিনেটের বিশেষ সভা আহ্বান করেছেন। উক্ত বিশেষ সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ১৯৭৩, ১১(১) ধারা অনুযায়ী চ্যান্সেলর কর্তৃক ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের জন্য তিনজনের একটি প্যানেল মনোনয়ন করা হবে। ভাইস চ্যান্সেলরের প্যানেলে যাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রস্তাব করা হবে, নাম প্রস্তাবকালে তাঁদের লিখিত সম্মতি সিনেট চেয়ারম্যানের কাছে পেশ করতে হবে। ওই সভায় উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই রিটটি করা হয়। গত ২০ জুলাই রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি এম ফারুকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ ২৯ জুলাই ডাকা সিনেটের বিশেষ অধিবেশনের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। আদালত রুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশ ১৯৭৩ সালে ২০(১) ধারা অনুযায়ী সিনেট গঠন না করে ২৯ জুলাই ডাকা সভা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভিসি, প্রোভিসি (একাডেমিক), প্রোভিসি (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছিলেন চেম্বার আদালত। এই আদেশের পর সিনেট অধিবেশন করে কর্তৃপক্ষ। আদালতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ এফ এম মেজবাহ উদ্দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইনের ৫৭ ধারায় মামলা রুজু করার আগে পুলিশ সদর দপ্তরের আইন শাখার সঙ্গে আইনগত পরামর্শ নিতে হবে। বুধবার পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক ওই নির্দেশ দেন। তাঁর স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় চারটি বিষয়ের দিকে লক্ষ রাখতে বলা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, ‘আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনয়ন এবং নিরীহ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিতকল্পে এ ধারায় (৫৭ ধারা) মামলা রুজুর পূর্বে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ অনুসরণ করতে হবে।

ক. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০১৩-এর ৫৭ ধারায় সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্তে মামলা রুজুর ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

খ. অভিযোগ সম্পর্কে কোনোরূপ সন্দেহের উদ্রেক হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি এন্ট্রি করে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে যাচাই বাছাই করতে হবে।

গ. মামলা রুজুর আগে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের আইন শাখার সঙ্গে আইনগত পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

ঘ. কোনো নিরীহ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’

নিদের্শনার শুরুতে বলা হয়, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০১৩-এর ৫৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধ সংঘটন সংক্রান্তে মামলার রুজুর বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত ও প্রকাশিত হচ্ছে। কতিপয় ক্ষেত্রে বিভিন্ন থানায় এ ধারায় রুজুকৃত মামলার ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না এ মর্মে অভিযোগ উত্থাপিত হচ্ছে।’ সম্প্রতি এ ধারায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার আসামিদের মধ্যে সাংবাদিকদের সংখ্যাই বেশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারী স্বাস্থ্যের চার সমস্যায় সতর্ক হোন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: নারী স্বাস্থ্য অনেক ক্ষেত্রেই বেশ উপেক্ষিত থাকে। এই জন্য অনেক সময় রোগ দেরিতে ধরা পড়ে; অকাল মৃত্যু হয়। তাই সচেতনতা জরুরি। কিছু রোগ রয়েছে যেগুলো বর্তমানে নারীদের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত। এগুলোর বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এ ধরনের চারটি নারীস্বাস্থ্য সমস্যার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি। হার্টের রোগ; হার্টের রোগের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ দুজনেই ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে এটি নারীদের জন্য একটি বড় সমস্যা। এই সমস্যায় খুব অল্প বয়সে নারীদের মৃত্যু হয়; জীবন যাপন ব্যহত হয়। বুক ব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি, ছোট শ্বাস ইত্যাদি এর লক্ষণ। ধূমপান, বয়স বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, শরীরে বাজে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, কায়িকশ্রম না করা, বেশি ওজন, ডায়াবেটিস ইত্যাদি হৃদরোগের কারণ। স্তন ক্যানসার: স্তন ক্যানসার নারীদের ক্ষেত্রে বেশ প্রচলিত একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। নারী মৃত্যুর একটি বড় কারণ স্তন ক্যানসার। সাধারণত ক্যানসারের নির্দিষ্ট কারণ না জানা গেলেও কিছু বিষয়কে ঝুঁকির কারণ বলা হয়। যেমন : বয়স বৃদ্ধি, পারিবারিক ইতিহাস, ব্যক্তিগত রোগের ইতিহাস, বাড়তি ওজন, বেশি মদ্যপান, ঋতুস্রাব আগে (১২ বছরের আগে) অথবা মেনোপজ দেরিতে (৫৫ বছর পরে) হওয়া ইত্যাদি।অস্টিওপরোসিস: অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয় প্রবীণ নারীদের অন্যতম বড় সমস্যা। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, পাতলা হাড়, পারিবারিক ইতিহাস, ধূমপান, মদ্যপান, ব্যায়াম না করা ইত্যাদি কারণে হাড় ক্ষয় হতে পারে। বিষণ্ণতা: পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি বিষণ্ণতায় ভোগেন। কখনো কখনো হরমোনের পরিবর্তন অবস্থাকে বাড়িয়ে দেয়। বিষণ্ণতার পারিবারিক ইতিহাস, অসুস্থতা, বিবাহিত জীবনের সমস্যা, এবিউজ, মানসিক চাপযুক্ত জীবন, অ্যাক্সাইটি ডিজঅর্ডার, কারো মৃত্যু ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে বিষণ্ণতা হতে পারে। অনেক সময় এটি থেকে আত্নহত্যার প্রবণতা তৈরি হয়। তাই একে এড়িয়ে না গিয়ে মনোচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest