সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

তালায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিএনপি নেতা বদরুলেরমৃত্যু

তালা প্রতিনিধি:
এক সময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা সাতক্ষীরার তালা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুজ্জামান মোড়ল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৩ টার দিকে নিজ বাসায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। বদরুজ্জামান মোড়ল তালা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সরুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। সম্প্রতি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা বিএনপি থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার গ্রামের বাড়ির তালা উপজেলার তৈলকুপি গ্রামে। বদরুজ্জামানের ভাই কামরুজ্জামান মোড়ল জানান, আজ বৃহস্পতিবার যোহর বাদ পাটকেলঘাটার ছিদ্দিকিয়া কওমিয়া মাদ্রাসায় প্রথম জানাযা ও তৈয়লকুপি গ্রামের বাড়িতে দ্বিতীয় জানাযা নামাজ শেষে পারিবারিক কবর স্থানে তাকে দাফন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নেসলের সরবরাহকৃত দুধে ‘নীরব ঘাতক’ কস্টিক সোডা ও ব্লিচিং পাউডার পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভারতের তামিলনাড়ু প্রদেশের নেসলের সরবরাহকৃত দুধে এসব রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে। অভিযোগ ওঠার পর নেসলের দুধ নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার।

ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে বলছে, তামিলনাড়ুর দুগ্ধ উন্নয়ন মন্ত্রী কে টি রাজেনথ্রা বালাজি গত মাসে অভিযোগ করে বলেন, রাজ্যে নেসলে এবং রিলায়েন্সের সরবরাহকৃত দুধে কস্টিক সোডা এবং ব্লিচিং পাউডারের মতো নীরব ঘাতক রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে।

 কয়েক সপ্তাহ আগে বালাজি দাবি করে বলেন, তামিলনাড়ুতে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর সরবরাহকৃত ভেজাল দুধের কারণে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে। গত ২৭ জুন তিনি বলেন, এ ধরনের ভেজাল পণ্যের কারণে কিডনি, লিভার ও হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকি আলসার ও ডায়াবেটিসও হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

রাজ্যে এই দুই ব্র্যান্ড নিষিদ্ধ করা হবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে বালাজি বলেন, তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন। একই সঙ্গে নেসলে ও রিলায়েন্সের দুধ নিষিদ্ধের পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

তামিলনাড়ুর এই মন্ত্রী বলেন, ‘যখন আমরা মাধাভারামের অ্যাভিন ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করেছিলাম, তখন কেউ আমাদের বিশ্বাস করেনি। আমরা পরীক্ষার জন্য পুনের ল্যাবে নমুনা পাঠিয়েছিলাম; তারা আমাদের নমুনা পরীক্ষা করবে না বলে জানিয়ে দেয়। পরে এই তথ্য গণমাধ্যমে ফাঁস হয়। এমন অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত চেন্নাইয়ের একটি ল্যাবে আমরা নমুনা পরীক্ষা করি।’

এ ধরনের আরও ভেজালপণ্য বাজারজাত করা হচ্ছে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে বালাজি বলেন, কয়েকটি নমুনার পরীক্ষার ফলাফল এখনও আসেনি। ভেজাল পণ্যের পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর তা জানিয়ে দেয়া হবে।

তামিলনাড়ুর এই মন্ত্রী বলেন, আইনি ফাঁকফোকড় আছে, এ দুই কোম্পানি জরিমানা দিয়ে রেহাই পেতে পারে। আমি জনসচেতনতা তৈরি ও জনগণকে সতর্ক করার জন্য গণমাধ্যমকে বিষয়টি অবহিত করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ওরাল স্বাস্থ্য ব্রান্ড কোলগেটের টুথপেস্টে নিষিদ্ধি উপাদান ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এই টুথপেস্ট ব্যবহারের কারণে মানুষের ক্যান্সারসহ আরো একাধিক রোগ দেখা দিতে পারে।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের একদল গবেষক কোলগেটের টুথপেস্ট পরীক্ষার পর বলেছেন, কোলগেটের টুথপেস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষিদ্ধ অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান ট্রাইক্লোসনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই অভিযোগ উঠার পর নিউজিল্যান্ডে কোলগেটের টুথপেস্ট নিয়ে তদন্ত শুরু হচ্ছে।

 কোলগেট টুথপেস্টে পাওয়া ক্ষতিকর এই রাসায়নিক উপাদান সাবান, ডিটারজেন্ট এবং খেলনা সামগ্রীতে ব্যবহার হয়। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরেও ট্রাইক্লোসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) নিষিদ্ধের তালিকায় ছিল।

পণ্য-সামগ্রীতে নিষিদ্ধ ট্রাইক্লোসনের ব্যবহার পুনঃমূল্যায়নের জন্য গত বছর নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের (ইপিএ) কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কোলগেট কর্তৃপক্ষ টুথপেস্টে এই নিষিদ্ধ উপাদান ব্যবহারের পর পর্যালোচনা জমা দেয়ার কথা থাকলেও তা এখনো করা হয়নি।

কথর্ন ইনস্টিটিউটের পরিবেশগত তাত্ত্বিকবিজ্ঞানী ড. লুইস ট্রেমব্লে বলেন, এটা স্পষ্ট যে, কোলগেট টুথপেস্টের মধ্যে ট্রাইক্লোসনের উপস্থিতির অর্থ হচ্ছে; ভোক্তা পণ্য হিসেবে এটি বাজারজাত করা উচিত নয়।

তিনি বলেন, কোলগেট টুথপেস্টের বেশকিছু সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও আছে। তবে এই টুথপেস্ট সবার জন্য নয়। যথাযথ সমস্যায় রাসায়নিক উপাদান উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া এর ক্ষতিকারক ফলাফলও থাকতে পারে।

লুইস ট্রেমব্লে’র মন্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে কনজ্যুমার নিউজিল্যান্ডের গবেষক জেসিকা উইলসন বলেন, এটা প্রত্যেকদিন ব্যবহারের ভালো কোনো কারণ না থাকলে ‘কোলগেট টোটাল’ পরিহার করা উচিত।

অভিযোগ উঠলেও কোলগেট কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। কোম্পানির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ‘কোলগেট টোটাল’ ব্যবহারকারীরা প্রত্যেক দিন আমাদের টুথপেস্ট ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি আমাদের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিরাপদ ও কার্যকরী হিসাবে অনুমোদিত। এছাড়া কোলগেটের টুথপেস্ট বাজারজাত করতে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষেরও অনুমোদন রয়েছে।

অভিযোগ উঠার নিউজিল্যান্ডের অনেক পণ্য-সামগ্রী প্রস্তুতকারী কোম্পানি তাদের পণ্য থেকে ট্রাইক্লোসন সরিয়ে নিয়েছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নিষিদ্ধ এই ট্রাইক্লোসেনের কারণে ক্যানসার কোষ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। কোলগেটে ব্যবহৃত রাসায়নিক এই উপাদানের কারণে অপরিপক্ব শিশু জন্ম নিতে পারে। মাড়ির রোগ প্রতিরোধের জন্য টুথপেস্টে ট্রাইক্লোসেন ব্যবহার করার কথা বলা হলেও ক্যান্সারসহ শরীরের হাড়ের বৃদ্ধিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে ট্রাইক্লোসেনের ব্যবহার নিষিদ্ধ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় এক পালক মেয়েসহ স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে খুন করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ছৈলাগুনিয়া গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন স্বামী দেলোয়ার হোসেন মোল্লা (৫৫), স্ত্রী পারভীন বেগম (৪৪) এবং তাদের পালিত মেয়ে কাজলী বেগম (১৪)।

 পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, কুপিয়ে জখম অবস্থায় দেলোয়ার হোসেন এবং তার স্ত্রীর মরদেহ মাটিতে পাওয়া গেছে। আর গলা কাটা ও মাথা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় কিশোরী মেয়েটির মরদেহ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাতে তাদের কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চার দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন অরগানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্সের (ওআইসি) নবনিযুক্ত মহাসচিব ড. ইউসেফ বিন আহমাদ। বুধবার রাত ১২টার দিকে হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি অবতরণ করে।

এ ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার দিবাগত রাতে তাদের বহনকারী আমিরাত এয়ার লাইনসের একটি বিমান হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এসময় তাদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় ও কনস্যুলার বিষয়ক সচিব কামরুল আহসান। এছাড়া, ওআইসি মহাসচিবের সাথে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, ইউসেফ বিন আহমাদ তার চার দিনের সফরে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান ছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চিকিৎসার ক্ষেত্রে যেসব ঔষধি গাছ প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে তার মধ্য পাথরকুচি অন্যতম। এটি দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু হয়। পাতা মাংসল ও মসৃণ, আকৃতি অনেকটা ডিমের মতো। চারপাশে আছে ছোট ছোট গোল খাঁজ। এই খাঁজ থেকে নতুন চারার জন্ম হয়। অনেক সময় গাছের বয়স হলে ওই গাছের খাঁজ থেকে চারা গজায়। পাথরকুচি পাতা মাটিতে ফেলে রাখলেই অনায়াসে চারা পাওয়া যায়। কাঁকর মাটিতে সহজেই জন্মে। তবে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় দ্রুত বাড়ে।

গ্রামীণ চিকিৎসার মধ্যে এটি অন্যতম উপকারী। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদেন মতে, পাথরকুচি পাতা কিডনি রোগসহ বিভিন্ন রোগের বিশেষ উপকারে আসে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই পাথরকুচি পাতার অবিশ্বাস্য ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে।

১. কিডনির পাথর অপসারণ
পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলগণ্ডের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে। দিনে দুবার ২ থেকে ৩টি পাতা চিবিয়ে অথবা রস করে খান।

২. পেট ফাঁপা
অনেক সময় দেখা যায় পেটটা ফুলে গেছে, প্রসাব আটকে আছে, আধোবায়ু, সরছে না, সেই ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে সিকি কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এর দ্বারা মূত্র তরল হবে, আধো বায়ুরও নিঃসরণ হবে, ফাঁপাটাও কমে যাবে।

৩. মেহ
সর্দিজনিত কারণে শরীরের নানান স্থানে ফোঁড়া দেখা দেয়। যাকে মেহ বলা হয়। এ ক্ষেত্রে পাথরকুচির পাতার রস এক চামুচ করে সকাল-বিকাল একসপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৪. রক্তপিত্ত
পিত্তজনিত ব্যথায় রক্তক্ষরণ হলে দু’বেলা এক চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস দুদিন খাওয়ালে সেরে যাবে।

৫. মৃগী
মৃগী রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে। একটু পেটে গেলেই রোগের উপশম হবে।

৬. সর্দি
সর্দি পুরান হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপকারী। পাথরকুচি পাতা রস করে সেটাকে একটু গরম করতে হবে এবং গরম অবস্থায় তার সাথে একটু সোহাগার খৈ মেশাতে হবে। তিন চা-চামচের সাথে ২৫০ মিলিগ্রাম যেন হয়। তা থেকে দুই চা চামচ নিয়ে সকালে ও বিকালে দুবার খেলে পুরান সর্দি সেরে যাবে এবং সর্বদা কাশি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

৭. শিশুদের পেট ব্যথায়
শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়। তবে পেট ব্যথা নিশ্চিত হতে হবে।

৮. ত্বকের যত্ন
পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সাথে সাথেই এর মধ্যে জ্বালাপোড়া কমানোর ক্ষমতা থাকে। যারা ত্বক সম্বন্ধে সচেতন, তারা পাথরকুচি পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন। ব্রণ ও ফুস্কুড়ি জাতীয় সমস্যাও দূর হয়ে যাবে।

৯. কাটাছেঁড়ায়
টাটকা পাতা পরিমাণ মত হালকা তাপে গরম করে কাটা বা থেতলে যাওয়া স্থানে সেক দিলে আরাম পাওয়া যায়।

১০. পাইলস
পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস্ ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

১১. জন্ডিস নিরাময়ে
লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী।

১২. কলেরা, ডাইরিয়া বা রক্ত আমাশয়
তিন মিলিলিটার পাথরকুচি পাতার জুসের সাথে ৩ গ্রাম জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন খেলে এসব রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।

১৩. শরীর জ্বালাপোড়া
দু-চামচ পাথর কুচি পাতার রস, আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা খেলে উপশম হয়।

১৪. পোকা কামড়
বিষাক্ত পোকায় কামড়ালে এই পাতার রস আগুনে সেঁকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

১৫. উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে পাথরকুচি পাতা মুক্তি দেয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চলছে ভরা মৌসুম, তবু নদীতে ইলিশের দেখা নেই। এ কারণে চাঁদপুর, ভোলা, বরিশাল ও পিরোজপুরের পাড়ের হাটের ইলিশ মাছের আড়তগুলোয় ব্যবসায়ীরা এখন অলস সময় পার করছেন। স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন, জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাস ইলিশের ভরা মৌসুম। এই মৌসুমে জেলেরা দলে দলে জাল ও নৌকা নিয়ে নদীতে নামেন। এ বছরও তারা জাল-নৌকা নিয়ে নদীতে গেছেন। কিন্তু জালে ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে না। এবার তাদের খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। এ কারণেই ইলিশের মোকাম বলে পরিচিত ভোলা, বরিশাল, চাঁদপুর ও পিরোজপুরের জেলে ও ইলিশ ব্যবসায়ীরা হতাশার মধ্যে সময় পার করছেন।

জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাব, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, নদীর মধ্যে জেগে ওঠা নতুন চর– এই তিন কারণে নদীতে প্রয়োজনীয় স্রোত নেই। তাই সাগর থেকে ঝাঁক বেঁধে নদীর মোহনায় আসতে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে ইলিশ। এ কারণেই এই ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা পাচ্ছেন না জেলেরা। উপকূলীয় নদ-নদীতে আর আগের মতো ইলিশ ধরা পড়ছে না। উত্তাল মেঘনা-তেঁতুলিয়া পাড়ি দিয়েও ইলিশসহ কোনও মাছেরই দেখা মিলছে না জেলেদের জালে।

ইলিশের ‘স্বর্গরাজ্য’ খ্যাত ভোলার তেঁতুলিয়া, পটুয়াখালীর পায়রা, পিরোজপুরের বলেশ্বর ও সন্ধ্যা এবং চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় এখন ইলিশ মাছ নেই। তবে গত কয়েকদিন সাগরে কিছু ইলিশ ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে। পাড়ের হাটের ইলিশের আড়তদার আফজাল মিয়া বলেন, ‘চলতি শ্রাবণের ভরা পূর্ণিমার জোয়ারে দেশের নদ-নদীতে ইলিশের দেখা মিলতে পারে। জেলেরা এখন সেই আশায় বুক বেঁধে রয়েছেন।’

ভোলার ইলিশের ব্যবসায়ী (আড়তদার) মোকাররম হোসেন জানিয়েছেন, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কিছু জেলে নদীতে সারা বছরই বিভিন্ন মাছের পোনা ধরে। এর মধ্যে ইলিশের পোনাও জালে ধরা পড়ে। এতে ইলিশের উৎপাদন ব্যাহত হয়। ভরা মৌসুমে জেলেদের জালে ইলিশ মাছ কম ধরা পড়ার এটিও একটি কারণ বলে মনে করেন তিনি।

জানা গেছে, ইলিশ সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত পাইকারি বাজার ও ইলিশের মোকামগুলোয়। বরিশাল পোর্ট রোডের ইলিশের পাইকারি ব্যবসায়ী তোফাজ্জল হোসেন জানান, প্রতি বছরের ইলিশের মৌসুমে এই আড়তগুলোয় শ্রমিকরা ট্রলার থেকে ইলিশ মাছ ওঠানো-নামানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করে। কিন্তু এ বছরের চিত্র ভিন্ন। এ বছর প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ মিলছে না। তিনি বলেন, ‘গতকাল (০১ আগস্ট) এক থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৯০ হাজার টাকা মণ দরে। এক কেজি সাইজের ইলিশ ৫২ হাজার টাকা মণ দরে ও জাটকার চেয়ে কিছুটা বড় সাইজের ইলিশ প্রতি মণ ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।’

স্থানীয় একাধিক মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, উপকূলীয় নদ-নদীতে আর আগের মতো ইলিশ ধরা পড়ছে না। বরিশালের মোকামে গত কয়েক দিনে ইলিশ সরবরাহের পরিমাণ ব্যাপকহারে কমে গেছে। সংকট দেখা দেওয়ায় বরিশাল মোকামের অনেক শ্রমিক ইলিশ ওঠানো-নামানোর কাজ ছেড়ে অন্য কাজ করছেন। অনেকে বেকার হয়ে পড়েছেন। ইলিশ পরিবহনের ট্রলারগুলোয় এখন কাঁঠালসহ অন্যান্য সামগ্রী পরিবহন করছে বলে জানিয়েছেন তারা।

ভোলা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে চর পড়ার কারণে সাগর ও নদ-নদীতে এখন আর আগের মতো মাছ ধরা পড়ছে না। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, সাগরে প্রচুর মাছ আছে। আশা করা যায়, শিগগিরই জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়বে।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিশ্বের মোট ইলিশের ৬০ ভাগই উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। আর দেশের নদ-নদীতে ধরা পড়া মাছের ১২ শতাংশই ইলিশ। বাংলাদেশের জিডিপিতে (মোট দেশজ উৎপাদন) এর অবদান এক শতাংশ। এক মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় নদীর পরিবেশ, জাটকা সংরক্ষণ ও অভয়াশ্রম নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশে বছরে ইলিশের বাণিজ্য হতো কমপক্ষে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মা ইলিশ রক্ষা ও জাটকা বড় হওয়ার সুযোগ দিতে বছরে দু’বার ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ২০১১ সালে সংশোধিত আইন অনুযায়ী ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম আশ্বিন মাসের প্রথম চাঁদ উদয় হওয়ার আগে তিনদিন ও চাঁদ উদয় হওয়ার পরের সাত দিন মোট ১১ দিন উপকূলীয় এলাকাসহ সারা দেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখন তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৫ দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বর্তমানে সময়ের চেয়েও দ্রুত গতিতে চলছে প্রযুক্তির আবিষ্কার। সেই সাথে যেমন বাড়ছে কল্যাণের সুযোগ, তেমনই বেড়ে চলেছে সুযোগসন্ধানী মানুষের সংখ্যা। সংবাদের শিরোনামে প্রায়ই আসে প্রযুক্তির অপব্যবহারের কথা। বিশেষ করে তা যদি সেলিব্রিটি সংক্রান্ত হয়। আর এবার এমনই একটি কারণে শিরোনামে আসলো বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোনের নাম।

কে কোথায় ওয়ার্ডরোব ম্যালফাংশনের শিকার হচ্ছে কিংবা কোথায় আবার বডি শেমিং হচ্ছে এসব খবর ইদানীং
সোশ্যাল মিডিয়া মারফতই ছড়িয়ে পড়ে মানুষের কাছে। ভাইরাল হয় বিকৃত সব ছবি। নেটদুনিয়ায় এমনই ছবি বিকৃতির শিকার হয়েছেন দীপিকা। ছড়িয়ে পড়েছে তার নগ্ন ছবি। তবে আসল নয় নকল। ছবিটি ভাল করে দেখলেই বোঝা যাবে অন্য কোনো মডেলের নগ্ন দেহের উপর কারসাজি চালিয়ে বসানো হয়েছে দীপিকার মুখ।

ছবিতে দেখা গেছে, এক কৃষ্ণাঙ্গ মডেলের শরীর আঁকড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কেউ। ছবিটি আপলোড করা হয়েছে ম্যাক্সিম নামক প্রখ্যাত ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের আকারে। পাশাপাশি কভারে লেখা হয়েছে, কীভাবে পুরুষতান্ত্রিক গ্ল্যামার জগতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দীপিকা।

ছবিটি প্রকাশের পর থেকেই এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা তর্ক, বিতর্ক আর সমালোচনা। একের পর এক প্রতিক্রিয়া মিলছে নেটদুনিয়ায়। নায়িকার এমন অপমানে নিন্দার ঝড় তুলেছে নেটিজেনদের একাংশ।

যদিও এ নিয়ে দীপিকার পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest