এম.শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস,নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ আভিযানে ৭৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ সময় ৩৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট,পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ বোতল ফেন্সিডিল ও ২৫০ গ্রাম গাঁঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৩২ জন, কলারোয়া থানা ০৮ জন, তালা থানা ০৯ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৫ জন, শ্যামনগর থানা ০৬ জন, আশাশুনি থানা ০৭ জন, দেবহাটা থানা ০৬ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন-আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঝাং জেতিয়ান। বয়স মাত্র ২৪ বছর।
তিনি একজন সফল ইন্টারনেট ব্যক্তিত্বও বটে। জনপ্রিয়তার দিক থেকে যেকোনো তারকার চেয়ে কোন অংশে কম নন তিনি। তবে ঝাং জেতিয়ানের আরও একটি পরিচয় রয়েছে। সেই পরিচয় হল চীনের সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নেয়ার বলা হয় তাকে।

সম্প্রতি চীনের ফরচুন ম্যাগাজিন ৫০০ ধনী নারীর তালিকা করেছে। সেই তালিকায় সবচেয়ে কম বয়সী ধনী নারী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে ঝাং জেতিয়ানকে। তবে তার সবচেয়ে ধনী নারীর তালিকায় আসার পেছনে তার বিলিয়নেয়ার স্বামী লিউ কুইংডং’র ভূমিকা রয়েছে।

চীনারা প্রথমবারের মতো ঝাংকে চিনতে পারে ২০০৯ সালে । এ সময় তার একটি ছবি অনলাইনে ভাইরাল হয়। ২০১৪ সালে তাকে দেখা যায় সামার ইয়ুথ অলিম্পিকসের প্রমোশনাল ভিডিওতে মডেল হিসেবে। পরে অবশ্য কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। তবে সে প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

সোমবার রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুই ঘণ্টার অনির্ধারিত আলোচনায় রায়ের বিষয়ে সরকারের পক্ষে প্রতিক্রিয়া জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

পরে ২০১৬ সালের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন। একই বছর ১১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

চলতি বছরের গত ৩ জুলাই বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে আনা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

ওই রায় প্রকাশ পাওয়ার পর সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকের অনির্ধারিত আলোচনায় সদস্যরা এর প্রতিক্রিয়া জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইনসভার কাছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। দেশের সংবিধানেও শুরুতে এই বিধান ছিল। তবে সেটি ইতিহাসের দুর্ঘটনা মাত্র। রায়ে আরো বলা হয়, কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ৬৩ শতাংশের অ্যাডহক ট্রাইব্যুনাল বা ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের বিধান রয়েছে।

আদালত রায়ে আরো বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদের ফলে দলের বিরুদ্ধে সাংসদরা ভোট দিতে পারেন না। তাঁরা দলের হাইকমান্ডের কাছে জিম্মি। নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা নেই। ৭০ অনুচ্ছেদ রাখার ফলে সাংসদদের সব সময় দলের অনুগত থাকতে হয়। বিচারপতি অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও তাঁরা দলের বাইরে যেতে পারেন না। যদিও বিভিন্ন উন্নত দেশে সাংসদদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা আছে।

রায়ে বলা হয়, মানুষের ধারণা হলো, বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হবে। সে ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে যাবে। মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কিবোর্ডে এফ-১ থেকে এফ-১২ পর্যন্ত ১২টি চাবি বা কি দেখা যায়। এগুলোকে বলা হয় ফাংশন কি। কিবোর্ডের অন্য কিগুলো ব্যবহার করা হলেও ফাংশন কিগুলো অব্যবহৃত থাকে বেশিরভাগ সময়। অনেকে জানেনই না এগুলো কী কাজে লাগে। তাই ব্রাইটসাইটের সৌজন্যে আজ থাকছে ফাংশন কি-এর কাজ।

ফাংশন কি-১ (এফ-১)

কম্পিউটারে কাজ করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়েছেন? তাহলে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে এফ-১। যেকোনো প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ফাংশন কি-১ চাপলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘হেল্প’ বা সাহায্য অপশনটি খুলে যাবে।

ফাংশন কি-২ (এফ-২)

নির্বাচিত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারকে ‘রিনেম’ করতে, অর্থাৎ পুনরায় নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে ফাংশন কি-২ হতে পারে সহজ একটি সমাধান।

ফাংশন কি-৩ (এফ-৩)

সার্চ ফিচারের জন্য আর অন্য কোথাও খোঁজ করতে হবে না, কারণ চালু থাকা অ্যাপ্লিকেশনের সার্চ ফিচার আপনাকে অনায়াসেই খুঁজে দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেবে ফাংশন কি-৩।

ফাংশন কি-৪ (এফ-৪)

কিবোর্ডের অল্টার কির সঙ্গে ফাংশন কি-৪ চাপলেই আপনার চালু থাকা উইন্ডোটি বন্ধ হয়ে যাবে।

ফাংশন কি-৫ (এফ-৫)

ডেস্কটপ বা ল্যাপটপকে রিফ্রেশ বা রিলোড করতে এখন আর মাউসের কোনো প্রয়োজন নেই। ফাংশন কি-৫ই যথেষ্ট।

ফাংশন কি-৬ (এফ-৬)

মাউসের কার্সরকে সরাসরি অ্যাড্রেস বারে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে ফাংশন কি-৬-এর কাঁধে।

ফাংশন কি-৭ (এফ-৭)

কম্পিউটারে লিখতে গিয়ে বানান ভুল? ব্যাকরণের কোনো বালাই নেই? আপনার এই সমস্যা দূর করবে ফাংশন কি-৭। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড অ্যাপ্লিকেশনে বানান বা ব্যাকরণগত ভুল বের ফাংশন কি-৭-এর জুড়ি নেই।

ফাংশন কি-৮ (এফ-৮)

কম্পিউটার চালু করার সময় বুট মেন্যুতে ঢোকার রাস্তা আপনি খুঁজে পাবেন ফাংশন কি-৮ চাপলেই।

ফাংশন কি-৯ (এফ-৯)

ফাংশন কি-৯-এর কাঁধে দায়িত্ব রয়েছে দুটি। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টেকে রিফ্রেশ করার জন্য আপনি ফাংশন কি-৯ ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া মাইক্রোসফট আউটলুকে ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্যও ফাংশন কি-৯-এর ব্যবহার করা যায়।

ফাংশন কি-১০ (এফ-১০)

কম্পিউটারে মেন্যুবার খোলার অন্যতম সহজ উপায় হচ্ছে ফাংশন কি-১০। তবে শুধু ফাংশন কি-১০ চাপলেই মেন্যুবার খোলা যাবে না। কিবোর্ডের শিফট বাটন চেপে ফাংশন কি-১০ চাপতে হবে।

ফাংশন কি-১১ (এফ-১১)

কম্পিউটারকে ফুলস্ক্রিন বা পূর্ণ পর্দায় রূপান্তরিত করার সবচেয়ে সহজ উপায় ফাংশন কি-১১।

ফাংশন কি-১২ (এফ-১২)

শুধু অভ্র সফটওয়্যার দ্রুত চালু করতেই ফাংশন কি-১২ ব্যবহার করা হয় না। কম্পিউটারে ‘সেভ অ্যাজ’ ডায়লগ বক্স চালু করতেও সমান পারদর্শী ফাংশন কি-১২।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর নিয়ে আর কোনো শঙ্কা নেই। পারিশ্রমিক সংক্রান্ত ঝামেলা শেষে আবার মাঠে ফিরেছেন স্টিভ স্মিথ-ডেভিড ওয়ার্নাররা। ২০০৬ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া দল। স্বভাবতই দারুণ উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তরা। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজটা নিয়ে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট জানিয়েছে ছয়টি কারণে উত্তেজনা ছড়াবে এবারের অস্ট্রেলিয়া সফর। আসুন জেনে নিই কোন সেই ছয়টি কারণে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ নিয়ে আশাবাদী ক্রিকেটপ্রেমীরা।

আগেই বলা হয়েছে, ২০০৬ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলেবে অস্ট্রেলিয়া। সর্বশেষ রিকি পন্টিংয়ের অভিনায়কত্বে বাংলাদেশে সিরিজ জয় করেছিল অসিরা। এরপর মাইকেল ক্লার্কের দীর্ঘ অধিনায়কত্বের সময়ে বাংলাদেশে আসতে পারেনি দলটি। ২০০৬ সালে টেস্টে বাংলাদেশ ছিল আনাড়ি প্রতিপক্ষ। তারপরও সিরিজটা জমিয়ে দিয়েছিল টাইগাররা। গত এক যুগে অনেক বদলে গেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। বিশেষ করে ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা, পরের বছর এশিয়া কাপের ফাইনাল এ ছাড়া এ বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালে খেলেছে তামিম-সাকিবরা। ঘরের মাটিতে ভারত-পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের মতো প্রতিপক্ষকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেই কারণেই এবারের অস্ট্রেলিয়া সফরটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ঘরের মাটিতে এবার অসি-বধ কাব্য রচনা করতে চায় বাংলাদেশ।

সিরিজটা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার দ্বিতীয় কারণ হলো, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ ভাবনা। বাংলাদেশ ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ খেলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজে মাঠে নামবে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজটা তাই অ্যাশেজের প্রস্তুতি মঞ্চ হিসেবে দেখছে সফরকারী দলটি। এই সিরিজ দেখেই অ্যাশেজের জন্য দল নির্বাচন করবেন নির্বাচকরা। চোটের কারণে মিচেল স্টার্ক ও জেমস প্যাটিনসন না থাকায় প্যাট কামিন্স ও জ্যাকসন বার্ডের জন্য এই সিরিজটাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভারত সফরের জন্যও অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সিরিজটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

সিরিজটা জমার তৃতীয় কারণ হচ্ছে, এই কয়েক বছরে দারুণ ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ। গত বছর ঘরের মাঠে টেস্টে ইংল্যান্ডকে দারুণভাবে পরাস্ত করে টাইগাররা। এরপর এই বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে মুশফিকের দল। তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসানরা ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন। এ ছাড়া ঘরের মাঠে বাংলাদেশ অন্য যে কোনো দেশের জন্যই হুমকির নাম। বাংলাদেশের অচেনা কন্ডিশনে দারুণ সমস্যায় পড়বে অস্ট্রেলিয়া।

র‍্যাংকিং নিয়েও বেশ ভীতি রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। বাংলাদেশে বিপক্ষে সিরিজ হারলে র‍্যাংকিংয়ের তলানিতে নেমে যাবে অস্ট্রেলিয়া। হোয়াইটওয়াশ হলে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাত নম্বরে অবস্থান করবে স্মিথের দল। তেমনটা হলে ভারত সফর ও অ্যাশেজের আগে সেটা তাদের জন্য বড় একটা ধাক্কা হবে।

এ ছাড়া ভারত উপমহাদেশে অস্ট্রেলিয়ার বাজে পারফরম্যান্সও সিরিজটাকে প্রভাবিত করছে। উপমহাদেশীয় আবহাওয়ায় অসিদের রেকর্ডটা একেবারে বাজে। এখানে সর্বশেষ চার সিরিজেই হেরেছে দলটি। ১৩ টেস্ট খেলে জিতেছে মাত্র একটিতে। ‘পুঁচকে’ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে দলটিকে। ২০১১ সালে সিরিজজয়ের পর এই উপমহাদেশে আর সিরিজ জিততে পারেনি দলটি। এবার বাংলাদেশ সিরিজ দিয়ে দীর্ঘ অর্ধযুগের খরা মেটাতে চায় অস্ট্রেলিয়া।

মোস্তাফিজ বনাম ওয়ার্নারের লড়াইটা আলাদাভাবে সিরিজটাকে প্রভাবিত করছে। আইপিএলে একই দলে খেলেন এই দুজন। এবার এই দুই ক্রিকেটার হয়ে যাবেন প্রতিপক্ষ। ইনিংসের শুরুতেই ওয়ার্নারকে ফেরাতে চাইবেন মুস্তাফিজ। সেটা হলে শুরুতেই চাপে পড়ে যাবে অস্ট্রেলিয়া। আর অসিরাও চাইবে মুস্তাফিজকে ভড়কে দিতে। বোলিংয়ে বাংলাদেশ দলের প্রধান সেনানীকে নিরস্ত্র করা গেলে সিরিজ জেতাটা কঠিন হবে না অসিদের জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হঠাৎ ফেসবুকে একটি ছবি ভাইরাল। কোনো এক অনুষ্ঠানে সপরিবারে টেবিলে বসে খাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। তাঁদের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে একটি মেয়ে। তাঁকে কাজের মেয়ে ভেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি নজরে আসে সাকিবের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাকিবকে নিয়ে এমন সমালোচনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন তিনি। নিজের ফেসবুক পেজে সাকিবের হয়ে কড়া জবাব দিয়েছেন তিনি। সাকিবের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমানও।

রোববার উম্মে আহমেদ শিশির নিজের ফেসবুকে পেজে লিখেছেন, “এটা খুবই অদ্ভুত ব্যাপার! সাকিব আল হাসানের জন্য কি একটিও ভালো শব্দ নেই! কেন? কারণ তিনি মিষ্টি ভাষায় কথা বলতে পারেন না… তাই তাঁকে ‘খারাপ ব্যক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে! এখন ঘটনা হলো, আপনারা যদি মানুষ হয়েও তাঁর সম্পর্কে এভাবে হাস্যকর খবর ছড়াতে থাকেন, যেখানে সত্যিটা জানার উপায় আছে! নিচে কিছু প্রমাণও দিলাম। আমি এসব অর্থহীন খবর নিয়ে মাথা ঘামাই না। এগুলো মানুষকে আনন্দ দেয়। তা ছাড়া আমরা জানি আমরা কে, আমরা কী! কিন্তু দয়া করে এমন একজন মানুষকে নিয়ে এসব খবর ছড়াবেন না, যে কি না বিশ্বব্যাপী আপনার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে, যে কি না আপনার দেশের গর্ব হিসেবে পরিচিত। এটা শুনতে আসলেই খুব লজ্জা লাগে যখন ক্রিকেট ফলো করে এমন কোনো বিদেশি আমাদের বলে, ‘তোমাদের নিজের দেশের লোকই তোমাদের প্রতি প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয় না।’ নেতিবাচক খবর যথেষ্ট হয়েছে। দয়া করে এবার আপনার পেজকে বুস্ট করানোর মতো অন্যকিছু খুঁজুন। যাহোক, সে (মেয়েটি) আমাদের সঙ্গে খেতে বসার জন্য হাত ধুয়ে ফিরেছিল মাত্র।”

নিজের ফেসবুক পেজে সাব্বির লিখেছেন, ‘আপনারা হাজার হাজার শেয়ার দিচ্ছেন। কড়া সামালোচনা করছেন। কিন্তু পরের ছবিটা দেখলেন না। আশা করি নিচের ছবি দেখে সাকিব ভাইয়ের প্রতি ভুল ধারণা থাকবে না।’ পরে অবশ্য সাব্বির তাঁর পোস্টটি সরিয়ে নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা শিশু পরিবারের এতিম শিশুদের উপর দীর্ঘদিন চলা যৌন শারিরীক ও মানষিক নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত কমিটি জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করেছেন। তদন্তে একজনকে সাসপেন্ড ও বিভাগীয় মামলার সুপারিশ, তিনজনকে বদলি, শিক্ষক ও বাবুর্চিকে জেলার বাহিরে বদলির সুপারিশ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন জানান, তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর শিশু পরিবারের কর্মাচারি ও যৌন নিপীড়নকারী কর্মচারি বিমান বৈরাগীকে সাসপেন্ড ও বিভাগীয় মামলার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া কর্মচারি তানভির হোসেন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, কৌশিক ফারহানকে জেলার বাহিরে বদলির সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া বাবুর্চি ও শিক্ষক মোস্তফা নুরুজ্জামানকে বদলির সুপারিশ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরো ও বলেন, খাদ্যের যে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে সেখানে শিশু পরিবারের যে কমিটি আছে তারা যখন তখন তদন্ত করতে পারবেন। এবং জেলা প্রশাসক প্রতি এক মাস অন্তর তদন্ত করবেন। এবং জেলা শিক্ষা অফিসারকে বলা হয়েছে একজন ভালো শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার জন্য।
জেলা প্রশাসক আরো বলেন, শিশু পরিবারের ভিতরে ১৮ বছরের বেশি বয়সী কিছু ছাত্র আছে তাদেরেকে চলে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া কিছু অতি উৎসাহী ছাত্র শিশু পরিবারের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মারধর করেছে তাদেরকে বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ৩০ জুলাই রাতে শিশু পরিবারের শিশুরা একত্রিত হয়ে যৌন নির্যাতন, মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন এবং নি¤œমামের খাবার সরবরাহের অভিযোগে শিশু পরিবারের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মারধর করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পদোন্নতি পেয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ হয়েছেন ১১২ জন সহকারী জজ।
সোমবার সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে আইন মন্ত্রণালয় থেকে তাদের পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন হওয়ার কথা জানানো হয়।
এতে বলা হয়, “বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সহকারী জজ ও সমপর্যায়ের ১১২ জন কর্মকর্তাকে সিনিয়র সহকারী জজ বা সমপর্যায়ের পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে।”
পদোন্নতি পাওয়া বিচার বিভাগীয় এই কর্মকর্তাদের পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের কর্মস্থলেই থাকতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest