ইমরান খানের পর এবার তার আক্রমণের লক্ষ্য শরিফ পরিবার। আবারও বোমা ফাঁটালেন বিতর্কিত মহিলা নেত্রী আয়েশা গুলালি।
তার দাবি, গোপনে হবু প্রধানমন্ত্রীর ছেলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

পাকিস্তানের হবু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়ে আছেন শাহবাজ শরিফ। তার ছেলে হামজা শাহবাজের সঙ্গে গোপনে বিয়ে করার বিষয়টি সামনে এনে আরও বিতর্কের জালে আয়েশা গুলালি। পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যমকে উদ্ধৃত করে পিটিআই এই তথ্য জানিয়েছে।

বর্তমানে পাকিস্তানের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আসিফ খাকান আব্বাসি। নির্দিষ্ট সময় শেষে (৪৫ দিন) তিনি কুর্সি ছেড়ে দেবেন। তার স্থানে পূর্ণাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হবেন শাহবাজ শরিফ।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী শরিফ পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে আয়েশা গুলালির দাবি, ২০১০ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ছেলে হামজা গোপনে বিয়েটা সেরে ফেলেছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এই বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

যার বিরুদ্ধে আয়েশার অভিযোগ, সেই হামজা শাহবাজ সদ্য কুর্সি হারানো নওয়াজ শরিফের ভাইয়ের ছেলে। পানামা পেপারসে ফাঁস হওয়া আর্থিক কেলেঙ্কারির ধাক্কায় সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরখাস্ত হয়েছেন নওয়াজ শরিফ। পাকিস্তানের পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তার ভাই শাহবাজ।

সম্প্রতি আয়েশা অভিযোগ করেন, একদিকে অশ্লীল এসএমএস পাঠিয়ে তাকে উত্ত্যক্ত করেছিলেন অন্যতম বিরোধী নেতা তথা তেহরিক ই ইনসাফ প্রধান ইমরান খান। আয়েশা গুলালি নিজেও তেহরিক ই ইনসাফ দলের নির্বাচিত এমপি। তার দলনেতা ইমরান খান। অথচ দলের সুপ্রিমোর প্রতি চরম অভিযোগ এনেছেন। ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়েছে পাকিস্তান। ইমরান খানকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বলেই দাবি করেছেন আয়েশা।

পিটিআই আরও জানিয়েছে, আয়েশা গুলালি এক সময় পিএমএল (এন) দলের নেত্রী ছিলেন। পরে দল ত্যাগ করে যোগ দেন বিরোধী তেহরিক ই ইনসাফে। দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান থেকে নির্বাচিত হন তিনি। পাকিস্তানের জাতীয় আইন সভায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ মুখ। শুধু তাই নয়, দলের প্রধান ইমরান খানের সঙ্গেও আয়েশার সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ ছিল। সূত্র: কলকাতা.২৪।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘কথাবন্ধু মিথিলা’ কিংবা ‘বিপ্রতীপ’ নাটকে অভিনয় করা অগ্নিলার কথা নিশ্চয়ই দর্শক-শ্রোতার মনে থাকার কথা। নিজস্ব অভিনয়গুণে সবার কাছে সুপরিচিত তিনি।
বেশ কিছু টিভি নাটকের পাশাপাশি টিভি বিজ্ঞাপনেও তিনি অভিনয় করেছেন। বর্তমানে তিনি কানাডা প্রবাসী।

সংবাদ সূত্রে জানা যায়, আসছে কোরবানীর ঈদের জন্য নির্মিত একটি নাটকে দীর্ঘদিন পর অভিনয় করবেন অভিনয়শিল্পী প্রিয়াংকা অগ্নিলা ইকবাল। নাটকটির রচনা ও পরিচালনায় মিজানুর রহমান আরিয়ান। জানা যায়, রোমান্টিক গল্পনির্ভর এই নাটকে অগ্নিলার সাথে জুটি বাধবেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। তবে নাটকের নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

নাটকে অগ্নিলার অভিনয় নিশ্চিত করে নির্মাতা আরিয়ান বলেন, ‘অগ্নিলা শুধু এ নাটকে অভিনয় করার জন্যই অচিরেই কানাডা থেকে দেশে আসবেন। তবে নাটকের নাম, শুটিং কবে থেকে শুরু, কোন টিভিতে প্রচার হবে-এসব বিষয় পরে জানানো হবে। তবে সব কিছুই চূড়ান্ত। ’

প্রসঙ্গ, গত রোজার ঈদে অগ্নিলা অভিনয় করেছিলেন আরিয়ানের ‘তোমার আমার প্রেম’ নামে একটি টেলিছবিতে। তার বিপরীতে ছিলেন সিয়াম আহমেদ। টেলিছবিটিতে অর্থি চরিত্রে অভিনয় করছিলেন অগ্নিলা আর সিয়ামকে দেখা গিয়েছিল জীবন চরিত্রে। সেই সময় টেলিছবিটি বেশ দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ইরাকের শিরাকাত শহরের কাছে কয়েক দফা বিমান হামলায় জঙ্গি সংগঠন আইএসের ১৭০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের এক বিবৃতিতে থেকে জানা যায়, রাজধানী বাগদাদ থেকে ২৮০ কিলোমিটার উত্তরে শিরকাত শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত তাসনেই আসকারি এলাকায় ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর ওপর ইরাকি সেনাবাহিনীর কয়েক দফা কার্যকর বিমান হামলায় ১৭০ জনের বেশি জঙ্গি নিহত হয়।

জানা গেছে, সালাহউদ্দিন প্রদেশের অপারেশন কমান্ডের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর কয়েকটি হেলিকপ্টার গানশিপ এ হামলায় চালায়।

প্রসঙ্গত, জঙ্গিসংগঠনের দু’টি ট্রাকসহ অস্ত্র ও আইএস জঙ্গি বহনকারী ১১টি যানবাহনের ওপর ভারি মেশিনগান হামলা চালানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

লটকনকে ইংরেজিতে বলা হয় বার্মিজ গ্রেপ। টক-মিষ্টি ফল লটকন আমাদের দেশে অনেকের কাছে প্রিয় একটি ফলে পরিণত হয়েছে।
লটকন এখন শুধু অতি পরিচিত ফলই নয় বরং অতি প্রয়োজনীয় ফলে পরিচিতি লাভ করেছে। লটকন খেলে মুখে রুচি আসে। লটকন গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় বুনো গাছ হিসেবে জন্মালেও বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে বাণিজ্যিক চাষ হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি বেশ উপযোগী লটকন উৎপাদনের জন্য।

লটকন উৎপাদন এলাকা
বাংলাদেশের সর্বত্র এ ফলের চাষ হলেও নরসিংদী, গাজীপুর, নেত্রকোনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেটে বেশি চাষ হয়। বেশি লাভের কারণে নরসিংদীর শিবপুর, বেলাব ও মনোহরদী উপজেলার শত শত চাষি বর্তমানে লটকন চাষ করে অর্থনৈতিক সাফল্য ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন।

লটকন ফলের পুষ্টিগুণ
লটকনে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে আমিষ, চর্বি, লৌহ এবং খনিজ পদার্থ। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের খাদ্যশক্তি প্রায় ৯২ কিলোক্যালরি, ভিটামিন বি-২: ০.২০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি-১: ১০ দশমিক ০৪ মিলিগ্রাম। লটকনে ভিটামিন ‘সি’ আছে প্রচুর। সিজনের সময় প্রতিদিন ২-৩টি লটকন খেলে দৈনন্দিন ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। লটকন খেলে বমি বমি ভাব দূর হয়। গরমে তৃষ্ণাও নিবারণ হয়। এটি খেলে মানসিক অবসাদ দূর হয়। লটকন গাছের ছাল এবং পাতা খেলে চর্মরোগ দূর হয়ে যায়। লটকন গাছের শুকনো ও গুঁড়া পাতা ডায়রিয়া উপশম করে। গাছের পাতা ও মূল খেলে পেটের পীড়া এবং পুরানো জ্বরও নিরাময় হয়। গনোরিয়া রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে এই লটকনের বীজ। লটকন মুখের রুচি বাড়ায়। লটকন শিশু এবং মেয়েদের একটি প্রিয় ফল। তবে লটকন বেশি খেলে ক্ষুধামন্দা দেখা দিতে পারে।

উল্লেখ্য, লটকন এখন আর অবহেলিত ফল নয়। লটকন রফতানি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে। ফলচাষি ও ভোক্তা সাধারণের কাছে ফলটির পরিচয়, পুষ্টিগুণ, চাষ প্রণালি ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব যদি সঠিকভাবে তুলে ধরা যায়, তবে সারা দেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লটকনের চাষ সম্প্রসারণ করা যাবে এবং দেশে ফল ও পুষ্টি চাহিদার সামান্য অংশ হলেও পূরণ করা সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ন্যাশনাল ডেস্ক : রাজধানীর পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় দু’জনের মৃত্যুদ- বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে রোববার বিকেলে ঘোষিত রায়ে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আটজনের মধ্যে দু’জনের দ- বহাল, চারজনের যাবজ্জীবন, চারজনকে খালাস এবং বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে দ- দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত সঠিক রিপোর্ট প্রদানে ব্যর্থতায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তেরও নির্দেশ দেন।
২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত ওই হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত আটজনকে মৃত্যুদ- এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেন। ওই রায় ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যে ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতে মৃত্যুদ-ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। দীর্ঘ শুনানি শেষে রোববার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রফিকুল ইসলাম শাকিল ও রাজন তালুকদারের মৃত্যুদ- বহাল রাখেন। খালাসপ্রাপ্ত চারজন হলেন- সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপু, এ এইচ এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা।
নিম্ন আদালতের আদেশে মৃতুদ-প্রাপ্তরা হলেন- রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জিএম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপু, রাজন তালুকদার ও মীর মো. নূরে আলম লিমন। যাবজ্জীবন দ-প্রাপ্তরা হলেন- এ এইচ এম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হকপাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদ-েও দ-িত করা হয়।
গত ১৭ জুলাই ওই দুই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আপিল শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৬ আগস্ট দিন ধার্য করেন। ওইদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নজিবুর রহমান এবং আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট শাহ আলম। গত ১৬ মে বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি।
২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগ ক্যাডাররা নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেন দর্জি বিশ্বজিৎ দাসকে। শাখারী বাজারে বিশ্বজিতের দর্জির দোকান ছিল। তিনি থাকতেন লক্ষ্মীবাজার। তার গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মো: আতাউর রহমান, তালা : তালায় অপরিকপ্লিতভাবে ঘের করায় বিভিন্ন এলাকায় জলা বদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে তালার ইসলামকাটি ও তেঁতুলিয়া ইউনিয়ানের কাজীডাঙ্গা, খরাইল, ভবানীপুর, দেওয়ানী পাড়া, মুড়াখুলি ও নওয়াপাড়া এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বিভিন্ন এলকার পুল, কালভার্টের মুখে মাটি ও ইটের দেওয়াল দিয়ে আটকিয়ে রেখেছে অসাধু কিছু ঘের ব্যাবসায়ী। যার ফলে মোহনার বাজার থেকে আতাউর এর কাঠের দোকান পর্যন্ত পাকা রাস্তার উপর দুই থেকে তিন ফুট পানি জমে আছে যার ফলে বারাত, কাজীডাঙ্গার ছেলে মেয়েদের ঘোনা হাইস্কুল তালা কলেজ এ যাতাতের সময় খুবই দুর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছে, পথচারীরাও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
এদিকে খরাইল ভবানীপুর অর্ধে শতাধিক পরিবার জলবদ্ধতা হয়ে আছে এবং খরাইল প্রথমিক বিদ্যালায় ও দেওয়নি পাড়া হাইস্কুল এর ভিতরে এক থেকে দুই ফুট পানিতে তলিয়ে আছে ছাত্র-ছাত্রী শ্রেণিকক্ষে ক্লাস নিতে পারছে না শিক্ষাকরা, যে কারণে তাদের খুলা আকাশের নিচে ক্লাস নিতে দেকা যায়, এব্যাপারে অভিভাবকের ও এলাকার লোকদের সাথে কথা বল্লে তারা বলে যে, পুল কালভার্ট এর মুখে মাটি ও অল বা বিভিন্ন স্থানে বাধের জন্য আমরা পানিবন্দি হয়ে আছি আমাদের কাজ কাম না থাকায় আমরা অধ্য অনা হারে জীবন জাপন করছি অনেকে এলাকা ছেড়ে জীবিকার তাগিদে বাহিরে চলে গিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন প্রতিবন্ধী ভাতার প্রবর্তন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে প্রতিবন্ধী ভাতার বই বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভার কনফারেন্স রুমে পৌরসভা ও শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে ভাতার বই বিতরণ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ জননেত্রী শেখ হাসিনা সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবন্ধীরা যেন সমাজের বোঝা হয়ে না থাকে সে জন্য তাদের কল্যাণে এই প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করেছেন এবং দিনে দিনে এর পরিমান বৃদ্ধি পাবে। সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুবর্ণ নাগরিক পরিচয় পত্র দিয়েছে। এসময় তিনি ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করে দোষীদের দৃষ্ট্রান্তমূলক শাস্তি ও বিচার দাবী করেন’।
সাতক্ষীরা পৌর এলাকার নতুন ও প্রতিস্থাপন করা ৭৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাঝে এই ভাতার বই বিতরণ করা হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, মো. শফিকুল আলম বাবু, কাজী ফিরোজ হাসান, জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, শাহিনুর রহমান শাহিন, শেখ আব্দুস সেলিম ও শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : গাছ আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। গাছ বাঁচিয়ে রেখে গাছের সাথে বন্ধত্ব অটুট থাকুক। গাছ কাটবো না। গাছের ও মানুষের কোন ক্ষতি করব না। এ কথা বলে হাত উচু করে গাছ ধরে শপথ নিয়েছে সাতক্ষীরার তুজুলপুরের দুশতাধিক শিক্ষার্থী। রবিবার দুপুরে সদর উপজেলার তুজুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের পাঠশালার আয়োজনে তুজুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে গাছের সাথে বন্ধুত্ব গড়ার শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাথে শপথ বাক্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। পরিবেশের ভার ভারসাম্য রক্ষায় বেশি বেশি করে গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। আমরা জঙ্গিবাদ, মাদক, বাল্যবিবাহ কে না বলে বেশি বেশি গাছ লাগাবো।
শপথ পাঠ করাণ গাছের পাঠশালার সাংবাদিক পরিচালক ইয়ারব হোসেন। পরে ফলজ গাছের চারা বিতরণ শেষে শিক্ষার্থীরা এই শপথ নেয়। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঝাউডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, তুজুলপুর জিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, উক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. মৌলুদা খাতুন, কৃষক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রহমান, ঝাউড়াঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রমজান আলী বিশ্বাস, আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি, ফারুক হোসেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু মোত্তালিব প্রমুখ।
সাংবাদিক ইয়ারবের নিজ উদ্যোগে দ’ুশতাধিক ফলজ গাছের চারা বিতরণের ব্যবস্থা করেন। তুজুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় দ’ুশতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে ডালিম গাছের চারা তুলে দেন প্রধান অতিথি মীর মোন্তাক আহমেদ রবি এমপি।
গাছের চারা পেয়ে ইমানুর হোসেন, আলী হোসেন, শিক্ষার্থী অনুভূতি ব্যক্ত করে বলে, আমরা গাছ পেয়ে খুব খুশি। এই গাছ আমরা আমাদের বাড়িতে লাগাবো। আমরা নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করবো। আমরা গাছ নষ্ট বা কাটবো না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest