আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের কয়েকটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে জোট গঠনের তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে ঘন ঘন বৈঠকও করছেন কয়েকটি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। তবে এ নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কোনও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া নেই। দলটি বরং এমন উদ্যোগকে স্বাগতই জানাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, একাদশ সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখতে চায় দলটি। নিবন্ধিত সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এটাই চাওয়া আওয়ামী লীগের। এ জন্য প্রয়োজন স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জোট গঠনকে এই স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই দেখছেন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা।

এছাড়াও আগামী নির্বাচনে বিএনপির আসা না আসার বিষয়টি মাথায় রেখেই জোট চায় ক্ষমতাসীনরা। বিএনপি ভোটে না এলেও নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক রূপ দিতে অন্যান্য দলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। জোটবদ্ধ হলে দলগুলোর নির্বাচনের আসার সম্ভাবনাও বাড়বে। আবার বিএনপি এলেও দলটি যাতে কম আসন পায় সেই কৌশল থেকেও জোট প্রয়োজন বলে মনে করেন ক্ষমতাসীনরা। তাই জোট যতই হোক, দুশ্চিন্তায় নেই আওয়ামী লীগ। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জোট সম্পর্কে এমন আভাস মিলেছে।

সম্প্রতি বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট ড. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার জোট গঠনের লক্ষ্যে বৈঠক করেন। এরপর এর প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের ইতিবাচক মন্তব্য করেন।এর আগে জাতীয় পার্টিও একটি জোট গঠন করে। ইসলামী কয়েকটি দলও জোট গঠনের চেষ্টায় রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা হলেও প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, ভোটের আগে হিসাব-নিকাশ ওলট-পালট না হলে জোট প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয় এমন কিছু ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে করা হবে না। জোট প্রক্রিয়া নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা হয়,তাদের কারও কাছ থেকে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নেতিবাচক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও সাধুবাদ জানিয়ে বক্তব্য রেখেছেন।

জোট গঠনের প্রক্রিয়া বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অধিকার আছে জোট গঠন করার। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই। এটা তাদের অধিকার।’ প্রায় একই রকমের মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ ও ড. আব্দুর রাজ্জাক। এই দুই নেতাও বলেন, রাজনৈতিক দলের গণতন্ত্রিক অধিকার রয়েছে রাজনীতি করার। তারা যদি জোটবদ্ধ হয়ে রাজনীতি করতে চায় আমাদের কী বলার আছে।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা চান বিএনপি নির্বাচনে না আসলেও একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরে যাতে দেশে-বিদেশে কোনও ধরনের প্রশ্ন উঠতে না পারে। আগামী নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো নানা ভাগে বিভক্ত হয়ে যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তাহলে বিএনপি ছাড়াও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়েছে বলে দেখানো যাবে। আগামী নির্বাচনে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকও থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা যাতে নির্বাচনী উৎসবে বিএনপির অনুপস্থিতি টের না পায়। আর নির্বাচন উৎসবমুখর হয়েছে বলে সবাইকে বোঝানোও সহজ হয়। ফলে লাভ আসবে আওয়ামী লীগের ঘরে। আওয়ামী লীগের ভাবনা হলো-জোটবদ্ধভাবে হোক আর পৃথকভাবে হোক যত বেশি দল অংশ নেবে, নির্বাচন তত বেশি উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক হবে।

আওয়ামী লীগের মধ্যম সারির নেতারা এই মুহূর্তে বিভিন্ন দলের জোট গঠনের দৌড়ঝাঁপকে নিজেদের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতাও জানান, জোট গঠনের প্রক্রিয়ায় থাকা এসব নেতারা কেউ-ই শেখ হাসিনার শুভাকাঙ্ক্ষী নন, তবুও নির্বাচনে তাদের অংশ নেওয়া নিশ্চিত করা গেলে সুফল পাবে আওয়ামী লীগই।

আর বিএনপি নির্বাচনের বাইরে থাকলেও নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল যদি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশ নেওয়ার মতো ক্ষেত্র ও পরিস্থিতি তৈরি করে দেয় সেক্ষেত্রে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে কোনও মহল সুবিধা নিতে পারবে না। সেই চিন্তা থেকেও রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে জোট গঠন প্রক্রিয়াকে সাধুবাদ জানাচ্ছে আওয়ামী লীগ। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে মাইনাস বিএনপি নির্বাচন করতে গেলেও আওয়ামী লীগ ক্ষতির সম্মুখীন হবে না।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল মতিন খসরু বলেন, ‘জোট গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের কোনও আপত্তি নেই। প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই আলাদা পরিকল্পনা থাকে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পান খাওয়ার রীতি বাংলাদেশে বেশ পুরানো। নিশ্বাসকে সুরভিত করা এবং ঠোঁট ও জিহবাকে লাল করার জন্য মানুষ পান খায়। প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া, উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষ পান খায়। কেবল স্বভাব হিসেবেই নয়, বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে সামাজিক রীতি, ভদ্রতা এবং আচার-আচরণের অংশ হিসেবেই পানের ব্যবহার চলে আসছে।

স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ উপকারি পান। চলুন জেনে নেওয়া যাক পানের উপকারী ও অপকারী দিকগুলো:-

উপকারিতা সমূহ:

১) পান খেলে মুখের স্বাদ ফিরে আসে।

২) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পান সাহায্য করে।

৩) গলার সমস্যায় পান খুব উপকারী। আওয়াজ পরিস্কার করতে পান সাহায্য করে।

৪) পান হজম শক্তি বাড়ায়।

৫) পান খেলে পেট পরিষ্কার হয়।

৬) হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে পান।

৭) সর্দি কাশি হলে পানের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৮) পানের সাথে গোলমরিচ, লবঙ্গ মিশিয়ে খেলে কাশি কমে যায়।

৯) মুখে ঘা হলে পানের মধ্যে কর্পুর দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে বার বার পিক ফেললে সুফল পাওয়া যায়।

১০) পান খাওয়ার ফলে মুখে যে লালার সৃষ্টি হয় তা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

পানের বেশ কিছু অপকারিতাও রয়েছে। পান খাওয়ার সময় এসব বিষয় ও খেয়ালে রাখতে হবে-

অপকারিতা সমূহ:-

১) খাওয়ার পরে পান খাওয়া উচিত। খালি পেটে পান খাওয়া উচিত নয়।

২) পানের সঙ্গে জর্দা মিশিয়ে খেলে পানের সব গুণ নষ্ট হয়ে যায়।

৩) বেশি পান খেলে মুখ ও চোখের রোগ হতে পারে। পানের সঙ্গে বেশি সুপারি খাবেন না।

৪) পানের সঙ্গে বেশি খয়ের খেলে ফুসফুসে ইনফেকশন হয়।

৫) পানে বেশিমাত্রায় চুন খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়।

৬) যাদের জ্বর এবং দাঁতের সমস্যা রয়েছে তাদের পান খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় টিয়ারশেলই (কাঁদানি গ্যাস) তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুরের চোখে লেগেছে বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশের তদন্ত কমিটি। এই ঘটনায় সাত পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়ী করা হয়েছে।

এর আগে গত ২০ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় চোখে গুরুতর আঘাত লাগে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমানের। ঘটনার পর প্রথমে তাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং পরবর্তীতে সরকারি খরচে চেন্নাই পাঠানো হয়।

এদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের দেখানো ভিডিও ফুটেজে পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেল লেগে সিদ্দিকুরের পড়ে যাওয়ার চিত্র দেখা গেলেও বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ঘটনার অধিকতর তদন্তে পৃথক দুটি কমিটি তৈরি করা হয়। এদের মধ্যে একটি কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রতিবেদনটি সোমবার সকালে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার কাছে জমা দেয়ার কথা রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সুপার (এসপি) সমমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, সংঘর্ষে পুলিশের চড়াও হওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু জাফর আলী বিশ্বাস ও পরিদর্শক (অভিযান) আবুল কালাম আজাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এছাড়াও সেদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের বিভিন্ন সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ ও ভিডিও ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে পুলিশের দাঙ্গা দমন বিভাগের (পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট (পিওএম) পাঁচ কনস্টেবলের আক্রমণাত্মক ভঙ্গি লক্ষ্য করা গেছে। কমিটি তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আলম।

এ ঘটনায় পুলিশের রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রশাসন) নাবিদ কামাল শৈবালকে প্রধান করে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় চেয়েছে।

আহত সিদ্দিকুর বর্তমানে ভারতের চেন্নাইয়ের শংকর নেত্রালয়ে চিকিৎসাধীন। গত শুক্রবার তার অপারেশন করা হয়। শনিবার তার চোখের ব্যান্ডেজ খুললে বাম চোখে কিছুটা আলো দেখতে পান তিনি। তবে তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসেনি। তার দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসা না আসার ব্যাপারে আরও দুই মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ভারতের চিকিৎসকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কালোজিরার ইংরেজি নাম Fennel flower। এর বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa Linn। এই গাছের স্ত্রী, পুরুষ দুই ধরণের ফুল হয়। সাধারণত নীলচে সাদা রং হয়। এই ফুল পাঁচটি পাঁপড়ি বিশিষ্ট। কিনারায় একটা রাড়তি অংশ থাকে। তিন-কোনা আকৃতির কালো রং এর বীজ হয়। গোলাকার ফল হয় এবং প্রতিটি ফলে ২০-২৫ টি বীজ থাকে। কালোজিরা আয়ুর্বেদীয় , ইউনানী, কবিরাজী ওলোকজ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। মশলা হিসাবেও ব্যাপক ব্যবহার হয়ে থাকে। নিমকি বা কিছু তেলে ভাজা খাবারে ভিন্ন ধর্মী স্বাদ আনতে কালোজিরা বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া অনেকেই কালজিরার ভর্তা খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার কালোজিরা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু কালোজিরার ব্যবহারে খাবারে একটু ভিন্ন ধরনের স্বাদ নিয়ে আসে। যা কোন সীমাবদ্ধতা নেয়। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। বীজ থেকে পাওয়া তেল। কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়। যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী।

ইসলাম ধর্মে গুরুত্ব: ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা কালোজিরাকে একটি অব্যর্থ রোগ নিরাময়ের উপকরণ হিসাবে বিশ্বাস করে। এর সাথে একটি হাদিসজড়িত আছে। হাদিসটি হলো— ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহিওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “এ কালোজিরা সাম ব্যতীত সমস্ত রোগের নিরাময়। আমি বললাম: সাম কি? তিনি বললেন: মৃত্যু!” আমাদের আধুনিক ডাক্তারিশাস্ত্র আর ধর্মীয় অনুভূতি যাই বলি না কেন কালোজিরা সবখানে স্বমহিমায় উজ্জ্বল।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কালোজিরা মধ্যে লুকিয়ে হাজারো রহস্যময় গুনাগুনঃ

কি উপকার আছে কালোজিরায়:
কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি। কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করাও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, টাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি। এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদানসমূহ। এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নতুন প্রেমে শখ!

কর্তৃক Daily Satkhira

হুট করে অভিনেতা নিলয়কে বিয়ে করেছিলেন আলোচিত মডেল-অভিনেত্রী আনিকা কবির শখ। এক ছাদের নিচে থাকা আর হয়নি। আলাদাই থাকছেন তিনি। তবে এখন শোনা যাচ্ছে ফের প্রেমে মজেছেন শখ! তবে তার এই প্রেমের কাহিনী বাস্তবে নয়। টেলিছবির গল্পে দেখা যাবে শখের এই নয়া প্রেম রসায়ন। এর নাম ‘থ্রি স্কয়ার’। টেলিছবিটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন তানিন রহমান। এতে শখের বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও শামিম হাসান সরকার।

গল্প প্রসঙ্গে শখ বলেন, একটি ভিন্ন ধারার প্রেমের কাহিনী নিয়ে তৈরি টেলিফিল্মটি। ইরফান সাজ্জাদ, জোভান ও শামিম সরকার তিন বন্ধু। একসঙ্গে থাকেন, আড্ডা, ঘোরাফেরা সব হয়। তাদের মধ্যে আমি ইরফানের প্রেমে পড়ি। এদিকে ঈশিকাকে পছন্দ করেন জোভান। ঝামেলা হয়ে যায় আমাকে নিয়ে। ইরফান ও শামিম দুজনই আমাকে পেতে চায়। এ নিয়ে চলে নানা নাটকীয়তা। শেষ পর্যন্ত না দেখলে বোঝা যাবে না। বেশ দারুণ একটা থিম নিয়ে গল্পটি তৈরি হয়েছে। এমন একটা টেলিছবিতে কাজ করতে পেরে আমি সত্যিই খুব আনন্দিত। আশা করছি দর্শকও উপভোগ করবেন।

টেলিছবিটি কোরবানির ঈদে একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচারিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফ। সালমান খানের হাত ধরেই বলিউডে পা রাখেন। এই জনপ্রিয় নায়িকা অভিনেত্রী হিসেবে বলিউডে বেশ কিছু বছর বেশ সফলতার কাটিয়ে ফেললেন। সালমান খানের সঙ্গে তার একটা সময় প্রেমের সম্পর্ক ছিল এটা সবাই জানে।

কিন্তু এখন আর সেই সম্পর্কটা নেই। দুজনেই সেই সম্পর্ক থেকে বেড়িয়ে এসেছেন। তবে প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক এখনও বেশ মজবুত। সালমান খানের সঙ্গে তার এই বিশেষ সম্পর্কের কারণ জানালেন ক্যাটরিনা কাইফ ।

ভারতীয় এক গণমাধ্যমকে ক্যাটরিনা বলেন, ‘সালমানের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কী, তা শেয়ার করা বেশ কঠিন কাজ। পৃথিবীর যেকোনও বিষয় নিয়ে আমি সালমানের সঙ্গে কথা বলতে পারি। আমাদের একে অপরের প্রতি সম্মানও রয়েছে। যা একটা সম্পর্কের জন্য খুবই জরুরি। ’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভয়াবহ জঙ্গি হামলা রুখে ৪ জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে- এমনই দাবি করল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। রবিবার বিতর্কিত বেলুচিস্তানে ৪ সন্দেহভাজনকে গুলি করা হয়।
পরে পাক সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডেরা বুগতি এলাকার কোহলুতে অভিযান চালানো হয়। এখানেই সন্দেহভাজনদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলে।

পাক সেনার জনসংযোগ বিভাগ আইএসপিআর জানিয়েছে, নিহত চারজন অপরহণ, নাশকতা ছড়ানোর কাজে জড়িত ছিল৷ পাশাপাশি তারা সেনা কর্মীদের উপর হামলাতেও জড়িত। অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে একটি জঙ্গি শিবির৷

বেলুচিস্তান এলাকা পাকিস্তানের বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। এখানে স্থানীয় বিদ্রোহীরা সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই সংঘর্ষ জারি রেখেছে। অভিযোগ আছে, বেলুচিস্তানের বিদ্রোহ দমনে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে ইরানের সঙ্গে। বেলুচিস্তান লাগোয়া ইরানের অংশটির নাম সিস্তান-বেলুচিস্তান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় ‘সারে পুল’ প্রদেশে উগ্র তাকফিরি জঙ্গিদের হামলায় অন্তত ৫০ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। প্রাদেশিক গভর্নর মোহাম্মাদ জহির ওয়াহদাত জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীরা প্রথমে প্রদেশের মির্জাওয়ালাং এলাকার একটি পুলিশ চেকপয়েন্টে হানা দেয়। এরপর তারা পার্শ্ববর্তী শিয়া অধ্যুষিত একটি গ্রামে অনুপ্রবেশ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ নির্বিশেষে সবাইকে গুলি করে হত্যা করে।

প্রাদেশিক গভর্নরের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, চেকপয়েন্টে হামলার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কয়েক জঙ্গি ও সাত পুলিশ নিহত হয়। তালেবান ও দায়েশ জঙ্গিদের সম্মিলিত একটি দল এই হামলায় অংশ নিয়েছে। তালেবান অবশ্য বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যার কথা অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা মির্জাওয়ালাং এলাকায় সরকার সমর্থিত একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠীর ২৮ সদস্যকে হত্যা করেছে।

প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি এ বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “অপরাধী সন্ত্রাসীরা আরেকবার বেসামরিক ব্যক্তি, নারী ও শিশুকে হত্যা করেছে। এই বর্বরোচিত হামলা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং যুদ্ধাপরাধের শামিল। ”

জাতিসংঘের হিসাব মতে, আফগানিস্তানে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১,৬৬২ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest