বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ও ভারতে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার অভিযুক্ত জেএমবির সালাউদ্দিন সালেহীনকে নিয়ে দুশ্চিতায় ভারতীয় গোয়েন্দারা। তারা বলছে, সালাউদ্দিন সালেহীনই এখন জেএমবি আমির তথা সর্বময় প্রধান এবং তিনি দক্ষিণ ভারতে কোনো এক জায়গায় অবস্থান করছেন।

গত জুলাইয়ে সোহেল মাহফুজ ওরফে হাতকাটা নাসিরুল্লা বাংলাদেশে গ্রেফতার হওয়ার পর কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ও এনআইএ -এর অফিসাররা ঢাকায় এসে পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করেন। তখনই সালাউদ্দিন সালেহীনের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

এদিকে এনআইএ-এর এক সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় বলা হয়েছে, সালাউদ্দিন এখন দক্ষিণ ভারতে পলাতক রয়েছেন। তবে কোথায়, সেটা এনআইএ নির্দিষ্টভাবে জানতে পারছেন না।

গত বছর সেপ্টেম্বরে কলকাতা পুলিশের এসটিএফের হাতে জেএমবির ছয় সদস্য ধরা পড়ে। তাদের জেরা করে সালাউদ্দিনের বেঙ্গালুরুর একটি ডেরার সন্ধান পান। তবে গোয়েন্দারা সেখানে পৌঁছনোর আগেই সালাউদ্দিন পালিয়ে যায়। এনআইএ -এর দাবি, সালাউদ্দিনের সঙ্গে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার আর এক অভিযুক্ত রয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এনআইএ-এর এক কর্তা বলেছেন, সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করতে না পারলে ভয় শুধু আমাদের (ভারতের)। কারণ হিসেবে বলেন, গত বছর সেপ্টেম্বরে জেএমবির ছয়জনকে গ্রেফতার করার পর কলকাতা পুলিশ জানতে পারে, তারা উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। ফলে সালাউদ্দিন অধরা থাকা মানে এখানে নাশকতার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে ময়মনসিংহ আদালতে নেওয়ার পথে হামলা চালিয়ে জঙ্গিরা সালাউদ্দিন সালেহীনসহ তিন জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেয়। এর পর থেকেই তিনি ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছেন। বলা হচ্ছে, এক সময়ের জেএমবির শূরাসদস্য সালাউদ্দিন সালেহীন বর্তমানে আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, গত রোববার ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগর থেকে ‘আনসারুল্লা বাংলা টিম’র সদস্য সন্দেহে আবদুল্লাহ নামের এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের জঙ্গি দমন শাখা এটিএস’র সন্দেহ, আবদুল্লাহ আল-কায়দার আদর্শে অনুপ্রাণিত বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চাকরি না ছাড়ায় পাকিস্তানের করাচিতে স্ত্রীর শিরশ্ছেদ করেছেন স্বামী। করাচির সাদ্দার ডিভিশনের মঙ্গা মন্ডি এলাকায় রোববার নির্মম এ ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক সম্মান রক্ষায় ওই ব্যক্তি স্ত্রীকে চাকরি ছাড়ার আহ্বান জানালেও এতে সাড়া দেয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীর শিরশ্ছেদ করেন তিনি।

পুলিশ বলছে, নিহত ৩৭ বছর বয়সী নাসরিন; তিন সন্তানের মা। সাদ্দার ডিভিশনের শ্যামকে ভাট্টিয়ান এলাকার একটি বাড়িতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এসময় তার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন ছিল।

খুনের তথ্য পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহরের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সাদ্দার ডিভিশনের পুলিশ সুপার (এসপি) মাহের মুমতাজ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই নারীকে তার স্বামী আফরাহিম সম্মান রক্ষার নামে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, রাইউইন্ড এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায় চাকরি করতেন ওই নারী। কিন্তু তার স্বামী এটি পছন্দ করতেন না এবং তাকে চাকরি ছাড়তে বলেছিলেন। স্বামীর বিরোধিতা সত্ত্বেও, নাসরিন চাকরি অব্যাহত রেখেছিলেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা নিহত নারীর সন্তানের বরাত দিয়ে বলেন, বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন ওই নারী। এ সময় তার স্বামী রুমের দরজা বন্ধ করে দা দিয়ে কুপিয়ে শিরশ্ছেদ করে।

এ ঘটনার পর ওই ব্যক্তি বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে তার প্রতিবেশিদের সহায়তায় রুমের দরজা খুলে নাসরিনের মরদেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় শরীর থেকে তার মাথা বিচ্ছিন্ন ছিল। অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশের দুটি দল কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

সূত্র : ডন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের নার্সিং ৩৭তম ব্যাচ এবং মিডওয়াইফারী ৫ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শিরা বরণ, প্রতিক ধারণ ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৭ আগষ্ট) সকালে সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের হলরুমে সেবা ইনস্টিটিউটের নার্সিং ইনট্রাক্টর ইনচার্জ মঞ্জুরাণী দেবনাথের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ তওহীদুর রহমান।
এসময় তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট একটি পরিবার। একই সূত্রে গাঁথা এ প্রতিষ্ঠানের সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেবার মানসিকতার নিয়ে কাজ করবে। আগামী দিনে সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট একটি মডেল ইনস্টিটিউট হিসেবে গড়ে উঠবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নার্সদের উন্নয়নে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা দিতে তিনি সচেষ্ট আছেন। সকলকে দক্ষ নার্স হিসেবে গড়ে উঠার আহবান জানান তিনি।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেডিকেল অফিসার (এমওডিসি) ডাঃ আশিকুর রহমান, নার্সিং সুপারভাইজার আনোয়ারা খাতুন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী আশেক নেওয়াজ, মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট (ল্যাব) রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, সিনিয়র স্টাফ নার্স শিরিন সুলতানা, রোকেয়া খাতুন, দিথিকা রাণী মাধুকা, লাভলী ইয়াসমিন, সেলিনা খাতুন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চঞ্চলা রাণী সরকার, দিপালী সরকার, আমিনা আখতার বানু, সুরাইয়া ইয়াসমিন, অর্চনা প্রভাসহ নার্সিং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নার্সিং ও মিডওয়াইফারী কোর্সের শিক্ষার্থীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের ১৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে এবং ৫ দফা দাবিতে সংগঠনটির সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালিত হয়। হরিজন ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বাবু লাল হেলার সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, উপদেষ্টা চন্দন হেলা, সাধারণ সম্পাদক জঙ্গি লাল ডোম, সাংগঠনিক বাবু লাল, সহ-সভাপতি বাদল ডোম, যুগ্ন-সম্পাদক জীবন কুমার প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশে বসবাসরত হতদরিদ্র পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক হরিজন জন গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক, জীবন মান ও মানবাধিকার মর্যাদা উন্নয়নের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। এই জনগোষ্ঠী বংশ পরস্পরায় আদি পেশাজীবী হিসেবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জাত-পেশা হিসেবে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। এই জনগোষ্টির মানউন্নয়নে জাতীয় বাজেটে ৮০ পার্সেন্ট কোটা বরাদ্দ দিলেও বাস্তবায়নে তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। তাই হরিজন সম্প্রদায়ের মান উন্নয়নে তাদের স্থায়ী নিয়োগ, ৮০ পার্সেন্ট কোটা বরাদ্দসহ ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।
মানববন্ধন শেষে বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম. শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ আভিযানে জামায়াতের দুই নেতা-কর্মীসহ ৮৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ সময় একটি প্রাইভেট কার, একটি মোটর সাইকেল, ১৩০ ভারতীয় শাড়ি, ৪৬৭ থান কাপড়, ২৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৬ বোতল ফেন্সিডিল ও ৮৫ গ্রাম গাঁঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং বিভিন্ন অভিযোগে ১৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ৩৩ জন, কলারোয়া থানা ০৭ জন, তালা থানা ০৬ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৮ জন, শ্যামনগর থানা ০৫ জন, আশাশুনি থানা ০৫ জন, দেবহাটা থানা ১৩ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন-আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মিজানুর রহমান পিকুলের বিরুদ্ধে ঢাকার ইডেন কলেজের বর্তমান ও সাবেক দুই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে তাকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
রবিবার (৬ আগস্ট) চকবাজার মডেল থানায় পিকুলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ গৃহীত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন চকবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম অর রশিদ তালুকদার। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (সোমবার) পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে মামলা নেওয়া হবে।’
লিখিত অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী ইডেন কলেজের সাবেক ছাত্রী বলেন, ‘আজ (রবিবার) রাত ৮টায় আমি, আমার স্বামী ও ছোট বোন পলাশী মোড়ের মাছবাজারে মাছ কিনতে গিয়েছিলাম। আমার ছোট বোন ইডেন কলেজে ইংরেজি বিভাগে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। সেই সময় মিজানুর রহমনা পিকুলও বাজারে ছিলেন । একপর্যায়ে হাঁটতে গিয়ে তার সঙ্গে আমার স্বামী রুহুল আমিনের ধাক্কা লাগে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পিকুল আমার স্বামীকে গালিগালাজ করতে থাকে এবং মারধর করতে উদ্যত হয় ।’
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়— ‘আমি ও আমার ছোট বোন প্রতিবাদ করায় পিকুল আমাদের ওপর চড়াও হয়। এরপর সে মোবাইল ফোনে তার অনুসারীদের ডেকে এনে আমাদের দুই বোনের শ্লীলতাহানি করে এবং আমার স্বামীকে মেরে রক্তাক্ত করে। মাছ বাজারের ব্যবসায়ীরা আমাদের সহযোগিতা করতে এলে পিকুল এবং তার অনুসারীরা তাদের ওপরও ক্ষিপ্ত হয়। পরে ঢাবি’র সাবেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক রাসেল আহমেদ আমাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।’
এদিকে রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিকুলকে সাময়িক বহিষ্কারের তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এতে স্বাক্ষর করেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস. এম. জাকির হোসাইন। তারা বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। অপরাধ করলে সংগঠনের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে— বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিজানুর রহমান পিকুলকে (পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ) দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো। সেই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার কেন করা হবে না তা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে।
এদিকে পিকুলের বিরুদ্ধে এর আগে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং সাংবাদিক নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে জানা যায়। সাময়িক বহিষ্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার জন্য চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা সমানতালে লড়ছে ওল্ড ট্রাফোর্ডে। তৃতীয় দিন বৃষ্টিতে আগেভাগে খেলা শেষ হওয়ার আগে দুই দলই সমানে সমান অবস্থান করছে। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেট হাতে রেখে ইংলিশদের লিড ৩৬০ রানের। ৮ উইকেটে ২২৪ রান নিয়ে সোমবারের খেলা শুরু করবে তারা।

আগের দিন ৯ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান করা দক্ষিণ আফ্রিকা রবিবার সকালে সুবিধা করতে পারেনি। মাত্র ৬ রান যোগ করে অলআউট হয় প্রোটিয়ারা। স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দেন তাদের শেষ ব্যাটসম্যান দুয়ান্নে অলিভিয়ের (৪)। ইংল্যান্ডের ৩৬২ রানের জবাবে ২২৬ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথম ইনিংসে ব্রডের ঝুলিতে যায় তিন উইকেট। সবচেয়ে বেশি ৪ উইকেট নেন জেমস অ্যান্ডারসন।

১৩৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয় ইংল্যান্ড। ৭২ রানে ৪ উইকেট হারায় তারা। বেন স্টোকসের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়ে ওই ধাক্কা সামলান জো রুট। কিন্তু মাত্র ১ রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি বঞ্চিত হন তিনি। অলিভিয়েরের কাছে বোল্ড হওয়ার আগে ১০৬ বলে ৬ চারে ৪৯ রান করেন স্বাগতিক অধিনায়ক।

২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে আবার বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা। এবার হাল ধরেন মঈন আলী। টোবি রোল্যান্ড-জোন্সকে নিয়ে ৫৮ রানের জুটি গড়েন তিনি। জোন্স আউট হলে ২১১ রানে ৮ উইকেটের পতন ঘটে ইংলিশদের। এখনও দলের হাল মঈনের হাতে, ৬৭ রানে অপরাজিত তিনি। বৃষ্টিতে দিন শেষ হওয়ার আগে ব্রড ৫ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি।

অলিভিয়ের ৩টি উইকেট নেন। দুটি করে পেয়েছেন মরনে মরকেল ও কাগিসো রাবাদা। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হাইকোর্টের দেওয়া বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার রায়ে কেবল দু’জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বয়ে যাচ্ছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। নিম্ন আদালতে আট জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হলেও হাইকোর্টের রায়ে মাত্র দু’জনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এই শাস্তি বহাল থাকায় ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন অনেকে।

রায়ের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গুলাম ফারুক হামিম নামের এক প্রবীণ ব্যক্তি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিশ্বজিৎ-এর ভয়ার্ত মায়াবী মুখ, তার রক্তাক্ত শরীরে হামলে পড়া কিরিচ, লোহার রড হাতে দৃশ্যমান সমস্ত জারজ পশুর ছবিটি এখনও যন্ত্রণাবিদ্ধ করে তোলে, প্রবলভাবে ক্ষুদ্ধ করে। বিশ্বজিৎ, তোমার কাছে ক্ষমা চাইতেও লজ্জা হচ্ছে এখন।’

বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের সময়ের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সাংবাদিক গোলাম মর্তুজা। তার স্ট্যাটাসে বলা হয়েছে, ‘মানুষ ভিডিওচিত্রে তাদের হত্যাকারী হিসেবে দেখলেন; অথচ তাদের কারও শাস্তি কমে গেলো, কেউ খালাস পেয়ে গেলো, পলাতকদের ধরার চেষ্টাই হলো না!’

সাজিদা ইসলাম পারুল নামের এক নারী লিখেছেন, ‘একটা প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড। সীমাহীন বর্বরতা ও নৃশংসতা। ভিডিও ফুটেজ। স্টিল ফটোগ্রাফ। অসংখ্য প্রত্যক্ষদর্শী। তাহলে তদন্ত জিনিসটা কী আর বিচার বস্তুটাই বা কী?’

বিশ্বজিতের ওপর হামলার সময়ের একটি ছবি শেয়ার দিয়ে আব্দুল আওয়াল লিখেছেন, ‘এই যে ছবিটা দেখছেন— এটা আসলে ফটোশপ, বিশ্বজিৎ নামের কোনও ব্যক্তিকে কেউ মারেনি, বিশ্বজিৎ বলে কেউ কোনোদিন ছিল না। সব সোনার ছেলেদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র!’

‘বিশ্বজিৎ হত্যার নারকীয় উল্লাস ছিল এক দানবীয় শাসনের প্রত্যক্ষ ফল! সেই চলমান বীভৎসতা কবে থামবে জানি না। তবু বিশ্বজিৎ হত্যার এ রায় মানি না!’—ফেসবুকে লিখেছেন রাখাল রাহা।

গণসংহতি আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী রুবেল আবুল হাসান স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘বিশ্বজিতের রায় দেখে মনে পড়ে গেলো, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও পলাতকের ফাঁসি দিয়ে শুরু হয়েছিল।’

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধ চলাকালে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের কাছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে ছাত্র শিবিরের কর্মী সন্দেহে কুপিয়ে ও পিটিয়ে বিশ্বজিৎ দাসকে হত্যা করা হয়।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর নিম্ন আদালত এ হত্যা মামলায় ৮ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও বাকি ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। রবিবার (৬ আগস্ট) বিশ্বজিৎ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ে দু’জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া চার জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দু’জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest