সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

fou7wZ_lonআন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনের ২৪ তলা ল্যানচেস্টার ওয়েস্ট এস্টেট ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২তে পৌঁছেছে। এছাড়া, কয়েক ডজন মানুষ আহত অবস্থায় হাসাপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

লন্ডন পুলিশ বলছে, অনেকের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। কোনো কোনো রিপোর্টে বলা হয়েছে, আহতদের ২০ জনের অবস্থা গুরুতর।

গতকাল (বুধবার) সকালের দিকে লন্ডনের ২৪ তলা ল্যানচেস্টার ওয়েস্ট এস্টেট ভবনে আগুন লাগে। সে সময় ভবনের ভেতরে ৬০০’র বেশি মানুষ ছিল এবং তাদের বেশিরভাগই ঘুমিয়ে ছিল। ভবনের ভেতরে বেশ কয়েকজন আটকা পড়ে এবং ভবনটি ধ্বসে পড়তে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন। তবে সরকারি কর্মকর্তারা ভবনের কাঠামোগত অবস্থা যাচাই করে দেখছেন।

আগুন নেভানোর জন্য ৪৫টি গাড়ি, ২০০ দমকল কর্মী এবং ২০টি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হয়। ল্যানচেস্টার ওয়েস্ট এস্টেট ভবনে ১২০টি ফ্ল্যাট রয়েছে এবং ভবনটি ১৯৭৪ সালে তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি ঘঁষামাজা ও ভবনটিতে সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। লন্ডনের মেয়র সাদিক খান বলেছেন, অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনাকে বড় দুর্ঘটনা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, দমকল কর্মীরা মাত্র ১২ তলা পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম হয় এবং এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1195094023_1497441439.jpg.pagespeed.ic.RJtkml4NMGডেস্ক: এই গরমে সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে মন চাই ঠান্ডা কিছু খেতে। তাই ভাজাপোড়ার বদলে ইফতারিতে রাখতে পারেন ফ্রুট সালাদ। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই সালাদের জুড়ি নেই। আবার খাবারের সাথে খেলে এর স্বাদ বেড়ে যায় বহুগুণে। এক বাটি সালাদ আমাদের সারাদিনের ক্লান্তি দূর করার সাথে সাথে শরীরে যোগাবে শক্তি। তাই চলুন এই রমজানে ইফতারের জন্য নানা রকম মজাদার সালাদের রেসিপি দেখে নেই।

# টক-মিষ্টি ফ্রুট সালাদ

উপকরণ :
আপেল কুচি ১ কাপ, আনারস কুচি ১ কাপ, কলা কুচি ১ কাপ, কমলা কুচি ১ কাপ, আঙুর কুচি ১ কাপ, আম কুচি ১ কাপ, স্ট্রবেরী কুচি ১ কাপ, আনার ১ কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, বিট লবণ গুঁড়া আধা চা চামচ, মধু ১ কাপ, লবণ ১ চা চামচ, লেবুর রস ২ চা চামচ, পুদিনাপাতা কুচি ১ চা চামচ।

প্রণালি :
বাটিতে সব ফল নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস, লবণ দিয়ে ভালো করে মাখুন। এবার ফলের মিশ্রণের ওপর একে একে গোলমরিচ গুঁড়া, বিট লবণ, মধু, পুদিনা পাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল মজাদার ফ্রুট সালাদ।

# ফলের সাধারণ সালাদ :
উপকরণ-
আম, আপেল, কলা,আনারস, পেঁপে, আঙুর, কনডেনসড মিল্ক বা ফুল ক্রিম মিল্ক, মধু বা চিনি, ভ্যানিলা আইসক্রিম।

প্রণালি :
সব ফল একই রকম ছোট ছোট টুকরোয় কেটে নিন। একটা বড় কাচের বাটিতে সব ফল একসঙ্গে দিয়ে কনডেনসড মিল্ক বা ফুল মিল্ক মেশান। এবারে পছন্দমতো চিনি বা মধু দিয়ে একসঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন। ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন। খাওয়ার সময় ওপরে এক স্কুপ ভ্যানিলা আইসক্রিম দিয়ে নিলে এর স্বাদ বেড়ে যাবে কয়েকগুণ।

# ছোলা ফলের সালাদ

উপকরণ:
কাবলি ছোলা ১ কাপ, পছন্দমতো ফলের কুচি ২ কাপ (আম, আপেল, আমড়া, পেয়ারা, আঙুর, আনারস, আনার ইত্যাদি) পানি ঝরিয়ে টকদই ২ কাপ, তেঁতুলের মাড় ২ টেবিল-চামচ বা ইচ্ছেমতো, লেবুর রস ২ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো, চিনি ১ টেবিল-চামচ, বিটলবণ ১ চা-চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ চা-চামচ বা ইচ্ছেমতো, আলু বড় ১টি, গাজর মাঝারি ১টি, পেঁয়াজ মোটাকুচি আধা কাপ, পুদিনাপাতা বা ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, শসা কুচি সিকি কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি সিকি কাপ, চাট মসলা ২ টেবিল চামচ, বেসনের চিকন ঝুরি ভাজা আধা কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ।

প্রণালি :
ছোলা পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সিকি কাপ ছোলা রেখে বাকি ছোলা ডুবোপানিতে লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। আলু ও গাজর আলাদা সেদ্ধ করে ছোট কিউব করে কেটে নিতে হবে। ফুটন্ত গরম পানিতে পেঁয়াজ এক মিনিট রেখে পানি ঝরিয়ে নিন।

এবার বড় বাটিতে বেসনে ঝুরি ভাজা বাদে বাকি সব উপকরণ পর্যায়ক্রমে দিয়ে হালকা হাতে মাখিয়ে ফ্রিজে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। ফ্রিজ থেকে বের করে সার্ভিং ডিশে ঢেলে ওপরে ঝুরি ভাজা ছিটিয়ে দিয়ে মজাদার কাবলি ছোলা ও ফলের সালাদ পরিবেশন করতে হবে।

# দই সালাদ

উপকরণ:
টক দই/মিষ্টি দই ২৫০ গ্রাম, ফল ৫০০ গ্রাম (কলা, আপেল, আঙ্গুর, কমলা, পেপে, আনার, কিসমিস ইত্যাদি), মধু দুই টেবিল চামচ, গোল মরিচের গুড়া (পরিমাণ মত), লবণ পরিমাণ মত, জিরা গুড়া ১/২ চা চামচ এবং পেস্তা বাদাম।

প্রণালি :
সব ফল ধুয়ে কিউব করে কেটে নিন। এবার ফলের সাথে সব উপকরণ ভালো করে মাখিয়ে নিন। বাটিতে ঢেলে পরিবেশন করুন দই ফলের সালাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

xfull_1620174957_1497501682.jpg.pagespeed.ic.kuYQCKpj2Yডেস্ক: সারাদিন রোজা রাখার পর স্বাভাবিকভাবেই পানির প্রচণ্ড তৃষ্ণা থাকে। তাই ইফতারে আমরা নানা ধরনের জুস পান করে থাকি। ইফতারে তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি আপনাকে প্রাণ দিতে পারে জুস। তাই আজ জেনে নিই কয়েক প্রকার জুসের রেসিপি।

আম ও পুদিনা পাতার জুস :
একটি আম কুচি করে নিন। একমুঠো পুদিনা পাতা ও কিছু বরফের টুকরো ঠান্ডা পানিতে দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। আম-পুদিনার এই পানীয়টি আপনাকে শীতলতা দান করার পাশাপাশি তৃপ্তও করবে।

তরমুজের জুস :
সবচেয়ে সহজভাবে তৈরি করা যায় যে সুস্বাদু পানীয়টি তা হচ্ছে তরমুজের জুস। এর জন্য আপনাকে কিছু তরমুজের টুকরো, কয়েক টুকরো বরফ ও সামান্য পানি ব্লেন্ডারে নিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সাথে এক চিমটি বিট লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন।

লেবু ও তোকমার শরবত :
সাধারণ লেবু পানিকে একটু ভিন্ন স্বাদ দিতে পারেন এর সাথে তোকমার বীজ মিশিয়ে। যা আপনাকে শীতলতা দেয়ার পাশাপাশি হাইড্রেটেড থাকতেও সাহায্য করবে। লেবু পানির সাথে কয়েক চামচ তোকমা বীজ যোগ করে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে পান করুন ইফতারের সময়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

asar-220170615085741ঋতু পরিক্রমায় বাংলার বুকে এসেছে প্রেমময়, কবিতাময়, উচ্ছল বর্ষা। আজ পহেলা আষাঢ়। গ্রীষ্মের খরতাপের ধূসর নাগরিক জীবন আর প্রকৃতিতে প্রাণের স্পন্দন জাগায় বর্ষা। বর্ষার আগমন যদিও এবার একটু আগে হয়েছে। তবু বর্ষাকালকে আরো একবার স্বাগত জানাই। স্বাগতম মেঘবতী জলের দিন।

রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে/আসে বৃষ্টির সুবাস বাতাস বেয়ে। কবিগুরুর এই বন্দনা বৃষ্টির। গ্রীষ্মের ধুলোমলিন জীর্ণতাকে ধুয়ে ফেলে গাঢ় সবুজের সমারোহে প্রকৃতি সেজেছে পূর্ণতায়। নদীতে উপচে পড়া জল, আকাশে মেঘের ঘনঘটা এরই মাঝে হঠাৎ মেঘরাজের গর্জন। মেঘের ডাকে যেন বৃষ্টি কাঁদছে। যে কথাটি বলি বলি করেও বলা হয় না, বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল নিয়ে যেন তারই আসার অপেক্ষা।

বর্ষা ঋতু তার বৈশিষ্ট্যের কারণে স্বতন্ত্র। বর্ষা ঋতু কাব্যময়, প্রেমময়। বর্ষার প্রবল বর্ষণে নির্জনে ভালোবাসার সাধ জাগে, চিত্তচাঞ্চল্য বেড়ে যায়। কদম ফুলের মতো তুলতুলে নরম, রঙিন স্বপ্ন দুই চোখের কোণে ভেসে ওঠে, ঠিক যেমন করে আকাশে সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়।

অন্যান্য মাসের মতো আষাঢ়ের নামকরণও হয়েছে তারার নামে। সে তারার নাম ‘আষাঢ়’। অথৈ পানি তার বৈভব। ‘বাদল দিনের প্রথম’ ও ‘আষাঢ়স্য’ কদম ফুলসহ নিসর্গ চেতনা প্রতিটি প্রকৃতিপ্রেমিক মনকেই আলোড়িত করে। শিল্পীর বেলায় তো এর আবেদন আরও বেশি হয়। কবিরা কবিতার ফুল ফোটাতে থাকেন এই বর্ষায়। বিখ্যাত সব কবিতাও রচিত হয়েছে এই বর্ষায়।

বর্ষার সতেজ বাতাসে জুঁই কামিনি, বেলি, রজনীগন্ধা, দোলনচাঁপা, কদম নাম না জানা আরও কত ফুলের সুবাস। লেবু পাতার বনেও যেন অন্য আয়োজন। প্রকৃতি থেকে শুরু করে গান, কাব্য, কবিতায় বাঙালি জীবন প্রবাহের প্রতিটি পরতে রয়েছে বর্ষার প্রত্যক্ষ প্রভাব।

অবশ্য বর্ষার কিছুটা ক্ষতিকর দিকও আছে। ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল গ্রামের পর গ্রাম যে ভাসিয়ে নেয়, এই বর্ষা। বন্যাকবলিত নিচু এলাকার মানুষ তাই আতঙ্কে পার করে বর্ষা। তারপরও বর্ষা বাঙালির জীবনে প্রেমের বারতা নিয়ে আসে। তারা অভিবাদন জানায় বর্ষাকে।

প্রতিবারের মতো এবারো বর্ষাবরণের নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। আজ সকালে বর্ষা উৎসবের আয়োজন করছে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী। এছাড়াও বর্ষার আগমনে রাজধানীজুড়ে রয়েছে নানা অনুষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

444444ডেস্ক রিপোর্ট : ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে প্রস্তুত হচ্ছেন আ.লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের নভেম্বরের প্রথমে তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষভাগে নির্বাচন হতে পারে বলে মনে করছে  নির্বাচন কমিশনও। সেই অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা তৈরির জোর প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইত্তেফাককে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দশম সংসদের মেয়াদ শেষের ৯০ দিন আগে নির্বাচন করতে হবে। সেই হিসাবে আগামী বছরের ডিসেম্বর মাসকে টার্গেট করে নির্বাচনের প্রস্তুত গ্রহণ করা হচ্ছে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে পুনরায় সরকার গঠনের সুযোগ পায়। নির্বাচিত সংসদের মেয়াদ হয় সংসদ সদস্যরা শপথ নেয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৫ বছর। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করা হয়। সেই হিসাবে বর্তমান সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হবে ২০১৯ সালের ১১ জানুয়ারি। সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের ১১ জানুয়ারির পূর্বের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা আছে। সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

এদিকে, সাতক্ষীরার চায়ের দোকানে, হাঁটে-বাজারে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারা হবেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থ তা নিয়ে। ইন্টারনেট তথা অন্তর্জালেও আগামী নির্বাচনে সাতক্ষীরা’র কোন আসনে কে আ. লীগের প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়ে রীতিমত আলোচনা-পর্যালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আ. লীগ দলীয়ভাবে নিয়মিত মাঠ জরিপ করছে। সরকারও তার বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নিকট থেকে মাঠ পর্যায়ে প্রার্থীদের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন নিচ্ছে নিয়মিত। কোন প্রার্থীর জনপ্রিয়তা কেমন, ভাবমূীর্ত কেমন, জনগণের সাথে, দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ কেমন ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়গুলো কেন্দ্র জেনে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।
আ. লীগ প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন আগামী নির্বাচনে তিনি কেমন প্রার্থীদের নমিনেশন দিতে চান।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলার ০৪টি আসনে ১৯জন সম্ভাব্য প্রার্থীর সম্পর্কে, তাদের জনপ্রিয়তা ও গতিবিধি সম্পর্কে নিয়মিত খবারখবর নিচ্ছেন। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এসব প্রার্থীর কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে। জনসমর্থনে যার অবস্থান সবচেয়ে ভালো হবে তিনিই হয়ত পাবেন একাদশ নির্বাচনের মনোনয়ন।
গত নির্বাচনে ০৪টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে ০৩টি আসনে। বাকি আসনটিতে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন। স্বতন্ত্ররাও এবার নৌকায় উঠেছেন।
এবার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে প্রচার-প্রচারণাও। ডেইলি সাতক্ষীরা সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন পড্রকাশের কাজ শুরু করেছে। আজ থাকছে জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী তালিকা।

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া)

সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, সাবেক এমপি ও সাবেক কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বিএম নজরুল ইসলাম, সাবেক এমএলএ শহীদ স ম আলাউদ্দিনের মেয়ে ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ নুরুল হক, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, জেলা আ. লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ এর কেন্দ্রীয় নেতা সরদার মুজিব।

সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর)

জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম শওকত হোসেন।

সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা, আশাশুনি ও কালীগঞ্জের চারটি ইউনিয়ন)

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী,  দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনসুর আহমেদ, নর্দান ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. ইউসুফ আবদুল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান ও আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালীগঞ্জের আটটি ইউনিয়ন)

শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম জগলুল হায়দার এমপি, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি শফিউল আযম লেলিন, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী।

আ.লীগ নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটাররাও সম্ভাব্য এসব প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন। এসব প্রার্থীরা যে যার মত করে নিজেদের নির্বাচন করার আগ্রহের কথা কেন্দ্রকে জানান দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।এখন দেখার অপেক্ষার করিা পান আগামী নির্বাচনের নৌার টিকেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

image-20141নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানে ৫৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় ৮০ কেজি কিচমিস, ১ কেজি একশো গ্রাম গাঁজা ও ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা ১০ জন, তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন, শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০৮ জন, দেবহাটা থানা ০৯ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খুলনা বিভাগে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় ৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

BGliM8_bangladeshচ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার মুখোমুখি হতে চলেছে দুই প্রতিবেশী – ভারত এবং বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মূলধারার গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যম – দুই জায়গাতেই এই দুই দেশের ম্যাচ নিয়ে গোটা উপমহাদেশেই ব্যাপক চর্চা হয়ে থাকে।

এই সেমিফাইনাল ম্যাচ নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই চর্চা চলছে।
একদিকে যেমন ক্রিকেট লিখিয়েরা বিশ্লেষণ করছেন গণমাধ্যমে, যেখানে ভারতকে শক্তিশালী দল হিসাবে দেখানো হলেও বাংলাদেশ সাম্প্রতিক কালে যেসব ইন্দ্রপতন ঘটিয়েছে, উল্লেখ থাকছে সেগুলোরও।

অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমে গত কয়েকবারের মতোই এবারও শুরু হয়েছে একে অপরকে ব্যঙ্গ করা এবং কুকথা বলা।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত খেলতে যাওয়ার পর থেকেই সংবাদমাধ্যমে ম্যাচ রিপোর্ট বা বিশ্লেষণ তো থাকছিলই, কিন্তু বেশী গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল – এমন কি অনেক সময়ে প্রথম পাতাতেও জায়গা করে নিচ্ছিল ভারতের কোচ আর ক্যাপ্টেন – কুম্বলে এবং কোহলির মনোমালিন্য।

সংবাদসংস্থা আই এ এন এসের পূর্ব ভারতের সম্পাদক ও সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক শীর্ষেন্দু পন্থ বলছিলেন, “বৃহস্পতিবারের ম্যাচটাকে একটা মহারণ হিসাবেই দেখছে ভারতের সংবাদমাধ্যম। ভারত ইংল্যান্ডে খেলতে যাওয়ার পর থেকেই কুম্বলে বনাম কোহলির খবরই বেশী দেখা যাচ্ছিল। ”

“কিন্তু গত কয়েকদিনের সংবাদপত্রে দেখা যাচ্ছে যে বৃহস্পতিবারের ম্যাচের ক্রিকেটীয় বিশ্লেষণই বেশী থাকছে। ফেভারিট হিসাবে অবশ্যই নিজের দেশকেই দেখাচ্ছে ভারতের মিডিয়া, কিন্তু বাংলাদেশের সাফল্যগুলোকেও খুবই গুরুত্ব দিয়ে লেখা হচ্ছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের কাছে ভারতের সিরিজ পরাজয়, বা গতবছর টি২০ ওয়ার্ল্ড কাপে একরানের জয় – এসব তথ্যও দেওয়া হচ্ছে। ”

ভারত আর বাংলাদেশ – দুই দল কে কোথায় সবল, কোথায় তাদের দুর্বলতা সেগুলো যেমন থাকছে বিশ্লেষকদের কলমে, তেমনই উল্লেখ করা হচ্ছে যে বাংলাদেশ বিগত বছরগুলিতে যেভাবে দ্রুত উন্নতি করেছে, কবে কীভাবে কাকে হারিয়ে ইন্দ্রপতন ঘটিয়েছে, সেইসব তথ্যও।

প্রবীণ ক্রীড়া সাংবাদিক জয়ন্ত চক্রবর্তী বলছিলেন, “ভারতের গণমাধ্যমে যেসব বিশ্লেষণ বেরচ্ছে বৃহস্পতিবারের ম্যাচ নিয়ে, তার মধ্যে অনেকগুলোই লিখছেন প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। শক্তির দিক থেকে ভারতকে তাঁরা এগিয়ে রাখছেন বটে কিন্তু বাংলাদেশকে কেউ রাইট-অফ করে দিচ্ছেন না। ”

“লেখকরা মোটেই বাংলাদেশকে হীনবল বলে মনে করছেন না। তারা লিখছেন যে ভারত যদি আত্মতুষ্টিতে ভোগে, তাহলে কালকের ম্যাচ বার করা কঠিন। বাংলাদেশের পোটেনশিয়ালের কথা সকলেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন বার বার। ”

মূল ধারার গণমাধ্যমে যখন ক্রিকেটীয় বিশ্লেষণ চলছে, তার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে মূলধারার মাধ্যমেও ব্যঙ্গ করার মতো খবরও বেরচ্ছে।

সামাজিক মাধ্যমে প্রচুর শেয়ার হওয়া একটি ব্যঙ্গচিত্র – যেখানে একটি বাঘ একটি কুকুরকে তাড়া করছে দুই দেশের পতাকা নিয়ে বলে দেখানো হয়েছে, সেটির সমালোচনাও বেরিয়েছে আজকের জাতীয় কয়েকটি দৈনিকে।

সামাজিক মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশের ম্যাচের আগে বা পরে সমর্থকদের মধ্যে যে ব্যঙ্গ করা ও একে অপরকে কটু কথা বলার চল, সেটা শুরু হয়েছে কয়েক বছর ধরে।

সামাজিক মাধ্যমের ওপরে নজর রাখেন কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিউটের শিক্ষক গর্গ চ্যাটার্জী।

তিনি বলছিলেন, “ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করা বা কটু কথা তো বলা হচ্ছেই কয়েক বছর ধরে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে ঠিক কী কী বলা হয় সামাজিক মাধ্যমে। একদিকে যেমন ইন্ডিয়া নামটিকে বিকৃত করে লেখা হয় বাংলাদেশের দিক থেকে, তেমনই ওদেশের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়াকে কটূক্তি করে বাংলাদেশের নামও বিকৃত করে অনেক ভারতীয়রা। ”

“এই সব মন্তব্য বা ছবি বা কার্টুন একটা নোংরা দিকে চলে যায় একেক সময়ে – একে অপরের নেতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে, গরীবের প্রতি ঘৃণা, নারীদের প্রতি ঘৃণা – সেগুলোর সঙ্গে যৌনতা মেশানো কমেন্ট করা হয়। তার সঙ্গে অবশ্যই সাম্প্রদায়িক এবং ধর্মীয় প্রসঙ্গও চলে আসে। ”

“আসলে এই উপমহাদেশের তিনটে দেশই তো সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে, তাই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে রাজনীতির ক্ষেত্রে যেমন, তেমনই রাষ্ট্রীয় স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতাগুলোর সময়েও ওই ধরনের মন্তব্য আসে। খেলার সময়ে যেসব কটূক্তি করা হয়, সেগুলোকে তাই আলাদা করে দেখলে হবে না,” বলছিলেন মি. চ্যাটার্জী।

বর্ষীয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক জয়ন্ত চক্রবর্তীরও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এইসব ব্যঙ্গ চিত্র বা কটু কথা নজর এড়ায় নি।

তিনি বলছিলেন, “একটা সিনেমা বা থিয়েটার হলে কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য দেখে অনেক দর্শক পয়সা ছোঁড়ে বা সিটি বাজায়। এই যারা সামাজিক মাধ্যমে কটু কথা বলতে থাকে খেলার সময়ে, বা খারাপ কার্টুন শেয়ার করে, তাদের আমি ওই সিটি বাজানো দর্শকদের পর্যায়ে ফেলি। এরা না বোঝে খেলা, না বোঝে দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক, না বোঝে ক্রীড়া বা সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের ইতিবাচক দিকগুলো। এরা সস্তা জনপ্রিয়তা আর উন্মাদনা খোঁজে। ”

ভারত-বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে যাই চলুক না কেন, মাঠে দুই দলই যে বেশ চাপে থাকবে, সেটাও লেখা হচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের মাঠ যদিও ভারতের পক্ষে পয়মন্ত, কিন্তু বৃহস্পতিবার দুই দলের মধ্যে যে সেই চাপ সহ্য করতে পারবে, সেই সফল হবে।

সূত্র:- বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

VBKRA8_2বার্মিংহামের এজবাস্টনে আজ অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় সেমি-ফাইনাল। ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হবে এটি। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়ে গিয়েছে দুই দলের কথার লড়াই। সব মিলিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে ম্যাচটি ঘিরে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ চারজন পেসার নিয়ে খেলেছিল। তবে আজ একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান নিয়ে মাঠে নামতে পারে টাইগাররা। সেক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজের একাদশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

তার আগে চলুন দেখে নেওয়া যাক ভারতের বিপক্ষে কেমন হতে পারে বাংলাদেশের একাদশ।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ :

১. তামিম ইকবাল
২. সৌম্য সরকার
৩. সাব্বির রহমান
৪. মুশফিকুর রহিম
৫. সাকিব আল হাসান
৬. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
৭. মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত
৮. তাসকিন আহমেদ/মেহেদী হাসান মিরাজ
৯. মাশরাফি বিন মুর্তজা
১০. রুবেল হোসেন
১১. মুস্তাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest