প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ১১দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের সাতক্ষীরা জেলা শাখার শিক্ষক কর্মচারীর সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সমাবেশে সভাপতি করেন জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের আহবায়ক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান। সমাবেশে বক্তারা তাদের দাবি তুলে ধরেন। দাবি গুলো হলো- সুনিদিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষা জাতীয় করণ, কল্যান ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের অতিরিক্ত কর্তন প্রত্যাহার, ৫% প্রবৃদ্ধি, ইনক্রিমেন্ট, বৈশাখী ভাতা, পুর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ভাতা, পূর্ণাঙ্গ বাড়ি ভাড়া, পূর্ণাঙ্গ পেনশন, নন এমপিও শিক্ষকদের এমপিও ভুক্ত করণ, অনুপাত প্রথা বিলুপ্ত করে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি, কর্মচারীদের চাকরি বিধি বাস্তবায়ন, কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষায় বৈষম্য দুর, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্ট সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সকাল ১০টায় শিক্ষক কর্মচারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ফ্রন্টের সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ এ আর এম মোবাশ্বেরুল হক জ্যোতির সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ খান আশরাফ আলী, অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, অধ্যক্ষ ইনামুল ইসলাম, অধ্যক্ষ জাফর আলম বাবু, উপাধ্যক্ষ ময়নুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ সিদ্দিক, আব্দুল মালেক, নূর মোহাম্মদ পাড়, ইদ্রীস আলী, আবুল খায়ের, সালেহা আক্তার, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, প্রভাষক তপন কুমার, আব্দুস সালাম, কর্মচারী ফেডারেশনের জেলা সভাপতি আব্দুল ওহাব আজাদ প্রমুখ। শিক্ষকবৃন্দ সমাবেশ শেষে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিল সহকারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারক লিপি গ্রহণ করেন আরডিসি মোঃ ময়নুল ইসলাম।

ডেস্ক রিপোর্ট : “বিরোধী দলীয় নেতা থাকাকালীন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় জড়িতরা নতুন করে সংগঠিত হচ্ছেন। এ ঘটনা নিয়ে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। মামলা চলাকালে বিভ্রান্ত হচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আইনজীবীরাও।” রোববার সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব একথা বলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার আবুবকর সিদ্দিক। এ সময় তার সাথে অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারাও উপস্থিত ছিলেন।
আসাদুজ্জামান : মেহেদির রং না শুকাতেই চিরদিনের মতো হারিয়ে গেলেন স্বামী নাজমুল ও তার স্ত্রী আরিফা। ওমান থেকে দীর্ঘদিন পর স্বদেশে আসা খালা খায়রুন বিবিও আর কোনোদিন হাসিমুখে কথা বলবেন না।
জার্মানির কনসটান্স শহরের একটি নাইটক্লাবে বন্দুকধারীর হামলায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছে। পরে পুলিশের গুলিতে বন্দুকধারীও নিহত হয়। জার্মান পুলিশের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ ঘটনায় সব মিলে দুইজন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে।
বগুড়ায় ছাত্রীকে ধর্ষণের পর বিচারের কথা বলে মারপিট এবং নির্যাতনের পর ধর্ষিতা ও তার মা’র মাথা ন্যাড়ার ঘটনায় শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকারসহ গ্রেফতার তিনজনকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
জানা যায়, বগুড়া শহরের নামাজগড় এলাকায় মা ও বাবার সাথে ভাড়া বাসায় বসাবাস করে ধর্ষিতা ওই কিশোরী। সে এবার বগুড়া শহরের জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেছে। তার বাবা একজন ড়্গুদে ব্যবসায়ী। জেলার শাজাহানপুর উপজেলার রাতাইল বন্দরে তার একটি খাবারের ছোট হোটেল রয়েছে। এসএসসিতে এ প্লাস না পাওয়ার কারণে ভাল কলেজে ভর্তি হতে পারবে না বলে কিশোরীর বাড়ির পাশেই বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুরের বাসিন্দা বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহবায়ক প্রভাবশালী নেতা তুফান সরকারের (২৪) সাথে যোগাযোগ করে। তুফান সরকার কিশোরীকে ভাল কলেজে ভর্তি করে দেওয়ার কথা বলে ১৭ জুলাই সকালে নিজ বাড়িতে ডেকে পাঠায়। সেখানে সুযোগ পেয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে তুফান সরকার। এ ঘটনার পর ২৮ জুলাই রাতে তুফান সরকারের স্ত্রী মোছা. আশা ও আশার বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি বিচারের কথা বলে ধর্ষিত ওই কিশোরী এবং তার মাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আটক রেখে ধর্ষিত কিশোরী ও তার মাকে নির্যাতন, মারপিট করে মাথার চুল কেটে নেড়ে করে দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ রাতে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। ২৮ জুলাই শুক্রবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তুফান সরকারসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের অভিযানের সংবাদ পাওয়ার পর থেকে তুফান সরকারের স্ত্রী আশা ও তার বোন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি পলাতক রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় ধর্ষিতা কিশোরীর মা বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় নারী নির্যাতন ও অপহরণের অভিযোগে পৃথক ধারায় দুইটি মামলা দায়ের করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাস করে। এটা স্বাভাবিক প্রতিবেশীদের সঙ্গে সমস্যা থাকতেই পারে। কিন্তু বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতাও চলমান থাকবে এবং যে কোন সমস্যাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।
আসাদুজ্জামান : অনেকটাই ‘সতিদাহ প্রথা’র মতো বাঘের আক্রমণে স্বামী নিহত হলে তার দায় ভার গ্রহণ করা লাগে নারীদের। এর ফলে তার আ্র ঠাই হয়না স্বামীর সংসারে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মানুষেরা এ রকম নানা কুসংস্কার পালন করে থাকে। এসব কুসংস্কারের কারণে বাঘের আক্রমণে স্বামী নিহত হলে সেই দায় যেয়ে পড়ে নিহতের স্ত্রীর উপর।
জানা গেছে, বাঘের আক্রমণে সেসব নারীদের স্বামী হারা হয় গণমাধ্যমে তাদের বাঘবিধবা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের অনেক সময় সামাজিক কুসংস্কারের কারণে অপায়া, অলহ্মী, স্বামী খেগো-অপবাদ দিয়ে স্বামীর ভিটা থেকে বিতাড়িত করা হয়। স্বামীর সংসাওে তাদেও আর ঠাই মেলেনা। সুন্দরবনের বাঘ বিধবাদের সামাজিক মর্যাদা ও পুনবাসন সংরক্ষনে কাজ করে যাচ্ছে সেরকারী উন্নয়ন সংগঠন অনিবাণ, দুর্জয়, জাগ্রত, বাঘ বিধবা নারী সংঠগন লির্ডাস। তারপরও অনেকে বাঘ বিধবা নারী এখনও অবহেলিত।
