সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big TechSoftware de Trading para Inversores en Españaসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

আব্দুল জলিল : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আবারও শুরু হয়েছে উঠাও বাচ্ছা লটারি খেলা। আর এই লটারি খেলার অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা। ফলে কোন বাধা নিষেধ ছাড়াই কলারোয়ার চন্দনপুর ফুটবল মাঠে চলছে লটারির নামে জমজমাট জুয়া আর জুয়ার আসরের নাম দেওয়া হয়েছে ঈদ আনন্দ মেলা। ঈদের ১৬ দিন পরে গত ১২ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে আনন্দ মেলা। আর এই মেলার প্রধান আকর্ষণ দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল ড্র ও দ্যা এল এন সার্কাস। আর র‌্যাফেল ড্র মঞ্চে নাচ পরিবেশন করছেন ঢাকা, খুলনা, যশোরের মেয়েরা। তবে কিভাবে এই লটারির নামে জুয়া চলছে এর সদুত্তোর দিতে পারিনি কেউ। ২০ টাকার টিকিটে টিভি ফ্রিজ, স্বর্ণের অলংকার, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন পুরুস্কার দেওয়ার কথা প্রচার করে প্রতিদিন শতাধিক ভ্যান, ইজবাইক লটারির টিকিট নিয়ে সাতক্ষীরা ও যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করছে। বিক্রি হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার লটারি টিকিট। আর পুরুস্কার দেওয়া হয় মাত্র এক থেকে দুই লক্ষ টাকার। মেলা কমিটি ও র‌্যাফেল ড্র পরিচালকরা এভাবে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। আর রাত ১০টার সময় শুরু হয় দৈনিক স্বর্প্নের ঠিকানা র‌্যাফেল ড্র। আর র‌্যাফেল ড্র শুরু হওয়ার আগেই এই মঞ্চে চলে কৌতুক আর নৃত্য। আর কলারোয়ার একটি স্যাটেলাইট টিভি’র অবৈধ চ্যানেলে এই খেলা নিয়মিত দেখাচ্ছে।
কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি গ্রামের মিলন, মদনপুর গ্রামের সিরাজ, বুচতলার গফুর জানান, ১২ জুলাই এই দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল ড্র শুরু হয়। আর প্রতিটি টিকিটের মুল্য ২০ টাকা। ইতিমধ্যে একজন সেলুন কর্মচারী একটি ফ্রিজ ও নৈশ প্রহরী একটি টেলিভিশন পুরুস্কার পেয়েছেন। আর টিকিট বিক্রি করার সময় প্রচার মাইকে এসব কথা বলে টিকিট বিক্রি করছে। আজকের পুরুস্কার জামাই বাবুর উপহার, শশুর বাড়ির হোন্ডা মোটর সাইকেল, বউয়ের স্বপ্ন স্বর্ণের অলংকারসহ একাধিক পুরুস্কারের কথা বলে প্রতিদিন শতাধিক ভ্যান, ইজিবাইক শহরে, গ্রামে, হাট, বাজারে সকাল থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি করে। এভাবে প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে কয়েক লাখ লাখ টাকার টিকিটি। অথচ পুরুস্কার দেওয়া হয় দুই থেকে তিন লাখ টাকার। বাকি টাকা জনপ্রতিনিধি-প্রশাসন-রাজনৈতিক নেতা- দুর্নীতিগ্রস্ত সাংবাদিক থেকে শুরু করে যার যার ভাগ ঠিকমত পৌছে যাচ্ছে। পুরুস্কারের আশায় সর্বস্ব হরাচ্ছে ভ্যান চালক, বউ-ঝি, সাধারণ মানুষ ও স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা গ্রামের আহম্মদ আলী, কলারোযার গোয়াল চাতর গ্রামের আরশাদ, ফাইন জানান, একি শুরু হল, সারাদিন ভ্যান চালিয়ে যে টাকা হচ্ছে সেই টাকা দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য না কিনে, কিনছে লটারির টিকিট। আর যখন পুরুস্কার পাচ্ছে না তখন উঠছে মাথায় হাত। বউছিরা হাঁস মুরগি বিক্রি করে আবার কেই কেউ ঘরের চাউল বিক্রি করে এই লটারির টিকিট কিনছে। জানাজানি হয়ে যাওয়ায় সংসারে ঘটছে অশান্তি। স্কুল কলেজেরর ছেলে মেযেরা বিভিন্ন অজুহাতে পিতা মাতার নিকট থেকে টাকা নিয়ে লটারি টিকিট কিনছে।
এই তথ্য সংগ্রহ কালে গয়রা বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ি এই প্রতিবেদককে জানায়, জেলা প্রশাসন কীভাবে এই সব জুযার অনুমোদন দেয় এটা কল্পনা করা যায় না। একমাস যাবত এই মেলা চললে মানুষের কাছে আর টাকা থাকবে না। এলাকায় অপরাধ বেড়ে যাবে। সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। করো কিছু করার থাকবে না।
কলারোয়ার এলাকার মোশারাফ, সোনাবাড়িয়ার সমসুর, শহিদুল ডাক্তার জানান, শুনেছি জেলা প্রশাসক কলারোয়া উপজেলার মধ্যে দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাপেল ড্র টিকিট বিক্রি করতে অনুমতি দিয়েছে। অথচ সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় ১শ একটি ব্যারেলে টিকিট বিক্রি হচ্ছে নিয়মিত।
এদিকে সার্কাস দেখতে আসা দর্শকরা জানাই, সার্কাস মানে কিছু জীব জন্তু থাকবে। তারা একটু খেলা দেখাবে। সার্কাসের লোকজন কিছু খেলা দেখাবে। সব শ্রেণির লোকজন খেলা দেখতে পারবে। জীবজন্তু কিছু আছে তবে সে দিকে আকর্ষণ কম। কিন্তু যুবতি মেয়েদের নগ্ন নাচ মানে কি সার্কাস ? এমন সার্কাস আগে দেখা তো দূরের কথা নামও শুনেনি।
চন্দনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনছার আলী জানান, রমজান মাসে ম্যানেজিং মিটির লোকজন এসে আনন্দ মেলার নামে তার নিকট থেকে একটা ছাড় পত্র নেয়। কমিটির অন্যতম সদস্য শওকাত খা ও অলিয়ার মেম্বর এই মেলার প্রধান। তবে মেলার কথা বলে মেলার নামে দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল ড্র বা সার্কাসের নামে অশ্লীল নিত্য হবে এটা জানতাম না। তবে পরে ম্যানেজিং কমিটির মিটিংয়ে স্কুলের কিছু জিনিসপত্র কিনে দেবেন বলে জানিয়েছেন।
চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান জানান, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানা ইনচার্জ অনুমতি দেওয়ার পর তিনি অনুমতি দিয়েছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ আনন্দ মেলার অনুমতি না দিলে তো আর মেলা বসতো না। ওলিয়ার মেম্বর, শওকাত আলী খাঁ আর প্রধান শিক্ষক আনছার আলীর নেতৃত্বে চলছে এই মেলা। তিনি এর মধ্যে নেই।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথ জানান, অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসক। দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল ড্র বৈধ কি না তিনি বলতে পারবেন। তিনি আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ের প্রধান।
কলারোয়া উপজেলা আ ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু জানান, দৈনিক স্বপ্নের ঠিকানা র‌্যাফেল ড্র অনুমতি আছে কিনা বলতে পারবো না। তবে অশ্লীল নিত্য হচ্ছে না। সার্কাস শুরু হয়েছে।

এদিকে সাতক্ষীরার নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আবু সাঈদ জানান, মেলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে শর্ত সাপেক্ষে। সেখানে অবৈধ লটারি, জুয়া বা অশ্লীলতার কোন সুযোগ নেই।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দীন জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম. বেলাল হোসাইন : “রাজনীতি করে ব্যক্তিগতভাবে কে কি পেলাম তা বড় কথা নয়, শেখ হাসিনার সরকার পেয়েছি, দেশের অগ্রগতি হচ্ছে, দেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছেÑ এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া। আগামী নির্বাচনেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করার জন্য সকলকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে।” বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আফম রুহুল হক এমপি মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে এক তাৎক্ষণিক মতবিনিময় সাধারণ মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে যাত্রা বিরতিকালে এক তাৎক্ষণিক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন।
উল্লেখ্য, ৩ দিনের এক সফরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আ ’লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপ-কমিটির সভাপতি প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি মঙ্গলবার সাতক্ষীরার এসেছেন। যশোর বিমানবন্দর থেকে গ্রামের বাড়ি নলতায় যাওয়ার পথে যাত্রা বিরতিকালে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে উপস্থিত দলীয় নেতা-কর্মী, শুভানুধ্যায়ী, সাংবাদিক ও সুধী সমাজের সাথে তাৎক্ষণিক এক মতবিনিময় সভা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জী, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ও ডেইলি সাতক্ষীরা’র সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহমুদুল হক লাভলু, সাতক্ষীরা পৌর ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন মির্জাসহ জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সদর উপজেলা আ ’লীগের প্রচার ও প্রকাশন সম্পাদক সাংবাদিক হাসান হাদীর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় ডা: আফম রুহুল এমপি আরও বলেন, “আমরা সাতক্ষীরার উন্নয়নে কাজ করবো। সাতক্ষীরার মানুষের উন্নয়নে কাজ করবো। কে কি বললো সেটা নিয়ে পিছনে তাকানোর সময় নেই। ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসবে। আমি মন্ত্রিত্ব চাই না, সাতক্ষীরার উন্নয়ন চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাতক্ষীরায় স্বপ্নের মেডিকেল কলেজ হয়েছে। সদর হাসপাতাল আধুনিকায়ন করা হয়েছে। বাইপাস সড়ক হচ্ছে। কিন্তু কিছু ব্যক্তি সাতক্ষীরার এ উন্নয়ন সহ্য করতে পারছে না। যে কারণে তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরা কখনো মাথা নোয়াবার নয়। তারা মাথা উঁচু করে বাঁচবে।” এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে নিজের মধ্যে সকল দ্বন্দ্ব ভুলে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করার জন্য সকল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রিবেকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বিশ্বের শীর্ষ দশ অভিনেত্রীর তালিকায় জায়গা পেলেন ইরানী অভিনেত্রী তারানেহ আলিদুস্তি। অস্কার বিজয়ী ছবি ‘দ্য সেলসম্যানে’ দারুণ অভিনয়ের মাধ্যমে এ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পেলেন আলিদুস্তি। ছবিটি নির্মাতা প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আসগর ফরহাদি।

২০১৭ সালের প্রথম ছয়মাসে একজন অভিনেত্রী হিসেবে ভাল অভিনয় করেছেন এমন দশজনকে বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ৩৩ বছর বয়সি অভিনেত্রী তারানেহ অন্যতম।

মার্কিন এই চলচ্চিত্র উৎসবে চলতি বছরের প্রথম ছয়মাসে একজন অভিনেত্রী হিসেবে দারুণ পারফরমেন্স করেছেন তাদের মধ্য থেকে প্রথম দশজনকে বাছাই করা হয়। এ তালিকায় বিশ্বখ্যাত তারকাদের পাশে জায়গা করে নেন তারানেহ। অন্যদের মধ্যে তার সঙ্গে তালিকায় রয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী কিরস্টেন ডান্স্ট, (ছবি ‘দ্য বিগাইলড’), হলিউড তারকা সালমা হায়েক (বিট্রিজ এট ডিনার), মার্কিন অভিনেত্রী ও প্রযোজক হোলি হান্টার (দ্য বিগ শিক) ও মার্কিন অভিনেত্রী ও মডেল ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট।

‘দ্য সেলসম্যানে’ রানা নামের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তারানেহ। ছবিটিতে তিনি একজন বিবাহিতা নারীর চরিত্রে অভিনয় করেন। এক রাতে নতুন একটি অ্যাপার্টমেন্টে তিনি এক অপরিচিত ব্যক্তির হাতে নিপীড়নের শিকার হন। তার স্বামী ইমাদ ওই হামলাকারীর পরিচয় শনাক্ত করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালান এবং মানসিক আঘাত পরবর্তী সময়ে খাপ খাওয়ে নেওয়ার জন্য তিনি লড়াই করেন।

তারানেহ চমকপ্রদভাবে ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি ব্যতিক্রমীভাবে নিজের ওপর অরোপিত চরিত্রে দারুণ অভিনয় করে চলচ্চিত্রটিতে অপ্রতীকির অবস্থাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। এ পর্যন্ত ১৭টি ছবি ও ১টি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন ইরানের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

উল্লেখ্য, গেল ফেব্রুয়ারিতে অস্কারে বিদেশি ভাষায় নির্মিত ছবির বিভাগে মনোনীত হয় আসগার ফরহাদি নির্মিত দ্য সেলসম্যান। সেসময় নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানসহ সাতটি আরব দেশ থেকে মুসলিমদের ভিসা দেওয়ার ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করায় অস্কার বয়কট করেন ইরানের জনপ্রিয় এই তারকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঘানার একটি ছোট্ট গ্রাম আমানকরম, সেখানকার বাসিন্দা কফি আসিলেনু। বয়স ৮০ বছর, তার স্ত্রীর সংখ্যা ১২ জন। আর সন্তান-সন্ততির সংখ্যা ১০০ এর চেয়েও বেশি। কিন্তু আরও সন্তানের বাবা হতে চান কফি।

কফি অাসিলেনু যে গ্রামে থাকেন সেখানে মোট জনসংখ্যা ৬০০ জনের মতো। সেই হিসাবে গ্রামটির মোট জনসংখ্যার ছয় ভাগের এক ভাগেরও বেশি কফির সন্তান। শতাধিক সন্তানের বাবা কফিকে শারীরিকভাবে এখনও শক্ত সামর্থ্যই মনে হয়। তিনি এখানেই থামতে চান না। আরও সন্তান জন্ম দেয়ার আশায় আছেন তিনি। সংসার বড় হওয়া সত্ত্বেও কফির ১২ স্ত্রী ভালোই আছেন। তারা সবাই সুখী।

কফির ভাষ্য, তার কোনো ভাইবোন বা চাচা নেই। এ কারণে বড় পরিবার চেয়েছিলেন তিনি। তার জন্মস্থানে সন্তান জন্ম দেয়ার বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়। এসব কারণে বেশি সন্তানের জনক হতে চেয়েছেন তিনি।

কফির প্রথম স্ত্রী নিয়োমে আসিলেনু বলেন, ‘আমাদের বিয়ের পর তিনি আবার বিয়ে করতে চাইলেন। আমি তাকে বাধা দিইনি। কারণ আমাদের সবাইকে দেখভাল করার সামর্থ্য আছে তার। সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালাতে পারেন। সবাই স্বাস্থ্যবান ও শক্তিশালী। তাই তার একাধিক বিয়েতে ভুল কিছু দেখছি না। ’

কফির পরিবারে স্বভাবতই বহু খরচ। তার সম্পদের বড় অংশ ব্যয় হয়েছে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে। কফি জানান, সন্তান লালন-পালনের মতো সামর্থ্য রয়েছে তার। সন্তানরাও বড় হয়ে তাকে বেশ সাপোর্ট দিচ্ছে। তাই আরও সন্তান জন্ম দিলেও সমস্যা হবে না।

প্রসঙ্গত, ঘানায় বহুবিবাহের প্রচলন আছে। দেশটিতে বহু সন্তানকে সম্পদের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের ১৮টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত চলচ্চিত্র পরিবার। এই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিত্রনায়ক শাকিব খান অভিনীত ‘নতুন এবং পুরাতন’ কোনো ছবির শুটিংয়ের কাজে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবারের অন্তর্ভুক্ত সংগঠনসমূহের কোনো সদস্যই অংশগ্রহণ করবে না।

সংগঠনের আহ্বায়ক আকবর হোসেন পাঠান ওরফে অভিনেতা ফারুক ও সদস্য সচিব বদিউল আলম খোকন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চিত্রনায়ক শাকিব খান সংশ্লিষ্ট সকল চলচ্চিত্র নির্মাণ সংক্রান্ত কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখবেন।

সোমবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় চলচ্চিত্র পরিবারের এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান নেন নেতারা।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘গেল ২৩ জুন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবারের আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয়েছে, যৌথ প্রযোজনা নিয়ে শাকিব খান বীর মুক্তিযোদ্ধা চিত্রনায়ক ফারুকসহ অন্যদের উদ্দেশ্য করে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা গুরুতর অপরাধ। যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবার এমন সিন্ধান্ত নিয়েছে।’

এ বিষয়ে চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক ফারুক বলেন, ‘চলচ্চিত্র পরিবারের সংগঠনগুলো কেউ শাকিবের সঙ্গে কাজ করবে না। তাই এটা এক প্রকার বয়কট বলা যায়। যদি চলচ্চিত্র পরিবারের আওতাভুক্ত সংগঠনের কেউ শাকিবের সঙ্গে কাজ করেন তাহলে আমরা তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।’

চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্য সচিব ও চিত্রপরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘পরবর্তী সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত শাকিবের উপর চলচ্চিত্র পরিবারের এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। তার নির্মাণাধীন ছবিতেও কাজ করবে না।’

চলচ্চিত্র পরিবারের এমন সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে শাকিব খান বলেন, ‘এটা প্রযোজকদের ব্যাপার। এখানে আমার কিছু বলা নেই। প্রযোজক ও দর্শক চাইলে আমি ছবি করব।’

এদিকে দু’একদিনের মধ্যে শিল্পী সমিতিতে শাকিবের সদস্যপদ বাতিল করা হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাওয়া প্রান্তে পাইলিংয়ের জটিলতা কাটাতে পদ্মা সেতুর নকশায় আনা হচ্ছে পরিবর্তন। পাইলের দৈর্ঘ্য কমিয়ে সংখ্যা বাড়ানোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এখন। এতে প্রকল্পের মেয়াদ ছয় মাস বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন পদ্মাসেতু বিশেষজ্ঞ কমিটির। সংশোধিত কর্মপরিকল্পনার কথা স্বীকার করছে সেতু কর্তৃপক্ষও।

আমাজনের পর বিশ্বের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী পদ্মা। প্রতি বর্ষায় পলি জমে বদলাচ্ছে এর গতি-প্রকৃতি। নদীর তলদেশে দেখা দিচ্ছে পরিবর্তন। মাটির ধরন ও স্রোত বিবেচনায় শুরুতে পাইলের গভীরতা ১২২ মিটার ঠিক করা হয়েছিল।

কিন্তু মাওয়া পাড়ে মাটির স্তরে পরিবর্তনে বালুর জায়গায় মিলছে কাঁদামাটি। তাই মাওয়ায় পাইলের গভীরতা কমিয়ে সংখ্যা বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

দেড় বছরে সোয়া ৬ কিলোমিটার দ্বিতল সেতু তৈরিতে পদ্মার দু’পাড়ে এখন বিশাল কর্মযজ্ঞ। ১০ হাজার বিদেশিসহ অসংখ্য শ্রমিক কাজ করছেন দিনরাত। তবে এরপরেও নির্ধারিত পরিকল্পনা থেকে ১০ ভাগ পিছিয়ে প্রকল্পের কাজ।

পদ্মার এ গতি-প্রকৃতি চীনা ঠিকাদারের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা। তাই আনা হয়েছে জার্মান বিশেষজ্ঞ। তবে এরপরেও প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান। অবশ্য তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ১শ বছর দীর্ঘস্থায়ী সেতুর গুণগত মানে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জিম্বাবুয়েতে শুক্রাণুর জন্য এক পুরুষ শিক্ষককে অপহরণ করেছে তিন নারী। শুক্রাণু সংগ্রহের পর ৩৯ বছর বয়সী ওই শিক্ষককে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তারা। এ সময় তার গোপনাঙ্গ থেঁতলানো অবস্থায় ছিল।

খবর ডেইলি মেইলের খবরে বলা হয়েছে, আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের মেচেক নামক গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ জানায়, ওই তিন নারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তারা মূলত ‘শুক্রাণু চোর’ দলের সদস্য। তারা পর্যটকদের অপহরণ করে থাকে। এরপর তাদের শরীর থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ করে বিক্রি করে।

পুলিশ আরও জানায়, জিম্বাবুয়ের মেচেক গ্রামে যাওয়ার জন্য ওই শিক্ষককে একটি নীল রঙের বিএমডব্লিউ গাড়িতে ওঠার জন্য আহ্বান জানান কয়েকজন নারী। এরপর ওই শিক্ষককে এক ধরনের কোমল পানীয় পান করতে দেয় তারা। সেটি পান করার পর থেকেই তিনি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন এবং ঘুমিয়ে পড়েন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : “সাতক্ষীরা জেলা (বাংলাদেশ) দিয়ে কারা জামায়াতকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে? কারা তাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে? তারা (জামায়াতে ইসলাম) হাসিনার (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) বিরোধী এবং তারা পশ্চিমবঙ্গে দাঙ্গা সৃষ্টি করতে চেয়েছিলো। কিন্তু এই রাজ্যের ভালো মানুষরা এই অপচেষ্টা রুখে দিয়েছিলো। সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে তারা (জামায়াতে ইসলাম) দাঙ্গা ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলো।”
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বসিরহাটের দাঙ্গায় বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির প্রতি অভিযোগ তুলে এমন মন্তব্য করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার ভারতের রাষ্ট্রপতি পদে ভোটদানের পর এ কথা বলেন তিনি।
এমাসের শুরুর দিকে বসিরহাট থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বাদুরিয়ায় এক কিশোরের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে স্থানীয় মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠলে দাঙ্গার সুত্রপাত। এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উত্তর চব্বিশ পরগনার অন্যান্য এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়ে।
প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ, নেপাল এবং চীনের সাথে সম্পর্কের অবনতির জন্য ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের পররাষ্ট্রনীতির ব্যর্থতাকে দায়ী করেন মমতা। এরজন্য তার রাজ্যকে ভুগতে হচ্ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মমতার দাবি, গত কয়েক বছরে ভুটান ও নেপালে চিনের সক্রিয়তা অনেক বেড়েছে। যার ছায়া পড়ছে দার্জিলিঙেও।
মমতার হুঁশিয়ারি, ‘‘জেলে পাঠাতে চাইলেও আমরা ভয় পাই না। লড়াই ছেড়ে এক পা-ও সরে আসবে না তৃণমূল কংগ্রেস।’’
গত কয়েকদিন ধরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করে আসছিলেন, বাদুড়িয়া-বসিরহাটের দাঙ্গায় বাইরের লোকর হাত রয়েছে। তবে গতকাল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পর সাংবাদিকদের সরাসরিই বলেন, ওই দাঙ্গায় বাংলাদেশের জামায়াতের হাত রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তাঁর সরকারের কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে তথ্যপ্রমাণও রয়েছে।
মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, বিজেপি রাজ্যে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। সেই চেষ্টায় তারা সফল হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
২০১৪ সালে বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের পরেই পশ্চিমবঙ্গে জামায়াতের কার্যকলাপ প্রথম প্রকাশ্যে এসেছিল। সেই ঘটনার তদন্ত করে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ জানতে পেরেছে যে, ভারতের তিন রাজ্যে জামায়াত তাদের সংগঠন তৈরি করেছিল।
রাষ্ট্রপতি পদে মীরা কুমারকে ভোট দেন মমতা। রাজ্যে মোট ২৯৪ জন বিধায়ক। তার মধ্যে ২৮৮ জনই রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন করেছেন মীরা কুমারকে। বিধানসভায় ভোট দিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস মীরা কুমারকেই সমর্থন করছে। এটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভোট। প্রতিবাদ, প্রতিরোধের ভোট।’’ বিজেপির বিরুদ্ধে সব শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, লোকসভায় আসন সংখ্যার জোরে মানুষকে হেয় করছে শাসক দল।
ভারতের এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ’র প্রার্থী ও বিহারের সাবেক রাজ্যপাল রামনাথ কোবিন্দ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ’র প্রার্থী, লোকসভার সাবেক স্পিকার মীরা কুমার।
আগাম জরিপে এগিয়ে আছেন বিজেপি মনোনীত প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দ। তবে ২০ জুলাই ভোট গণনা শেষে জানা যাবে কে হচ্ছেন ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। দেশটির প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৪ জুলাই। এর পরদিনই শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest