সরকারকে বিব্রত করতেই কবি ও কলামিস্ট ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করা হয়েছিল। আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এমন তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘সরকারকে বিব্রত করতেই আমাকে চোখ বেঁধে অপহরণ করা হয়েছিল। কে বা কারা অপহরণ করেছিল, আমি তাদের চিনি না।’
আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য মঙ্গলবার বেলা পৌনে ৩টায় ১৯ ঘণ্টা ধরে নিখোঁজ থাকা ফরহাদ মজহারকে আদালতে নেয়া হয়। এর আগে সোমবার রাত ১১টার দিকে যশোরের অভয়নগর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়া যাত্রীবাহী একটি বাস থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম মো. আহসান হাবিবের খাস কামরায় বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। একই আদালতে ‘নিজ জিম্মায়’ যাওয়ার আবেদনের ওপরও শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানিতে বিচারক মো. আহসান হাবিব ফরহাদ মজহারকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কি নিজ জিম্মায় যেতে চান? ‘হ্যাঁ’ বোধক সম্মতি জানালে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ফরহাদ মজহার জবানবন্দিতে বলেন, সোমবার ভোরে আমি ওষুধ কেনার জন্য বাসা থেকে বের হই। পথিমধ্যে কে বা কারা আমাকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এ সময় তারা আমার চোখ বেঁধে ফেলে। আমি তাদের কাউকে চিনতে পারিনি। তারা কতজন ছিল তাও সঠিক জানি না। অপহরণের পর তারা আমার কাছে কোনো চাঁদা দাবি করেনি। আমি নিজেই মুক্তি পাওয়ার জন্য তাদের টাকার অফার করি। এরপর টাকার জন্য বাসায় ফোন করি। তবে তারা আমার কাছ থেকে টাকা না নিয়েই ছেড়ে দেয়।
ফরহাদ মজহারের নিখোঁজের ঘটনায় সোমবার রাতে স্ত্রী ফরিদা আক্তার বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ০৪। এর আগে তিনি জিডি করেছিলেন। জিডি নং- ১০১।
ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার এবং পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের পর ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে ফরহাদ মজহার আমাদের জানিয়েছেন, সোমবার ভোরে বাসা থেকে বের হওয়ার পরপরই একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধরে চোখ বেঁধে একটি সাদা মাইক্রোতে তুলে নিয়ে যায়।’
তিনি স্বেচ্ছায় বাসা থেকে বের হয়েছিলেন, না কি ফোন করে তাকে বাসার বাইরে আনা হয়েছিল- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিবির এ কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি (ফরহাদ মজহার) আমাদের জানিয়েছেন, ওষুধ কেনার জন্য তিনি বাসা থেকে বের হন। তাকে কেউ ফোন করেননি। বাসা থেকে বের হওয়ার পরই তাকে জোর করে অপহরণ করা হয়।’
স্ত্রীর দায়ের করা ‘অপহরণ’ মামলা প্রসঙ্গে আব্দুল বাতেন বলেন, অপহরণ মামলার বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
ডিবির এ কর্মকর্তা আরও জানান, নিখোঁজের পর উদ্ধার হওয়া পর্যন্ত- পুরো বিষয়টি জবানবন্দি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। এ কারণে তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেয়া হচ্ছে।
সোমবার রাতে যশোরের অভয়নগরের একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধারের পর মঙ্গলবার সকালে তাকে নেয়া হয় আদাবর থানায়। সেখান থেকে তেজগাঁওয়ের ডিসি কার্যালয়ে নেয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করতে পরে তাকে নেয়া হয় মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে।
সোমবার ফরহাদ মজহার নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আদাবর থানায় এ সংক্রান্ত একটি অপহরণ মামলা হয়েছে বলে ডিসি বিপ্লব জানালেও পরিবার দাবি, তারা এখনও কোনো মামলা দায়ের করেননি। শুধু লিখিত অভিযোগ করেছেন।
সোমবার ভোরে শ্যামলীর রিং রোড ১ নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরবর্তীতে তিনি স্ত্রীকে মোবাইলে ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার ফোন করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ট্রাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরের একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

বাংলাদেশের সুন্দরবন ‘ন্যাচারাল ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বা বিশ্ব এতিহ্যের মার্যাদা হারানোর আশঙ্কায় রয়েছে। তবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবনকে মর্যাদার তালিকায় রাখতে সরকার আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটিকে কোনোক্রমেই যাতে বিশ্ব এতিহ্যের মর্যাদা থেকে বাদ দেয়া না হয় সে জন্য সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলো তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে জাতিসংঘের ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের কাউন্সিলের সভায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বহমান নদীকে মৃত দেখিয়ে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের কুলতলিতে কাকশিয়ালি নদীর ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করতে দেবেন না স্থানীয় জনগণ। তারা বলেন একশ্রেণির সুবিধাভোগী মানুষের স্বার্থে এ সাঁকো তৈরি হলে তা নদীকে যেমন অচল করে তুলবে তেমনি নদীর দুই প্রান্তের মানুষের একমাত্র ব্যবসা চিংড়ি ঘের মার খাবে। মঙ্গলবার সকালে কালিগঞ্জের কুলতলি খেয়াঘাটে আহুত এক সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার সরকার বলেন, তার ইউনিয়নের হিন্দু অধ্যুষিত গোবিন্দকাটি, ঘোজা, টোনা, বাঁশদহ ও বেড়াখালি গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত কাকশিয়ালী নদী। খরস্রোতা এ নদীর গোবিন্দকাটি বড়িবাঁধের পাশে রয়েছে কুলতলী খেয়াঘাট। এ খেয়াঘাটটি জেলা পরিষদের কাছ থেকে বাংলা ১৪২৪ সালের পহেলা বৈশাখ হতে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য ইজারা নিয়েছেন জেলা যুবলীগের সভাপতি শেখ আব্দুল মান্নান। এ খেয়াঘাটের উত্তর-পূর্ব পাশে উজিরপূর ত্রিমোহিনী নামকস্থানে একটি স্যাঁকো নির্মাণ করে আশাশুনি, কালিগঞ্জ সদর ও সাতক্ষীরার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য এলাকাবাসি দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলো। অথচ সেখানে স্যাঁকো নির্মাণ না করে গত ২০ জুন কাকশিয়ালী নদীকে মজা (মৃতপ্রায়) দেখিয়ে কুলতলী খেয়াঘাটে ইজারাগ্রহীতা শেখ আব্দুল মান্নানকে জনস্বার্থ বিরোধী ৩০ হাজার টাকার বাঁশের স্যাঁকো তৈরির অনুমোদন দিয়েছেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী এএনএম মঈনুল ইসলাম। অনুমোদনপত্রে বাঁশের স্যাঁকো নির্মাণে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তার লোকজন বিরোধিতা করেছেন বলে উলে¬খ রয়েছে। এরপরও গত রোববার থেকে কুলতলী খেয়াঘাটে বাঁশের স্যাঁকো তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে।
আশাশুনি ব্যুরো: পুরাতন কমিটিতে নাশকতা কর্মকা-ে দুই আসামি মোশারফ ঢালি ও আবুল কালাম সহ সকল সদস্যকে বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠণের দাবিতে আশাশুনির বিছট নিউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মানববন্ধন পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ছাত্র-ছাত্রীরা, অভিভাবক, মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামীলীগ, যুবলীগসহ শতশত এলাকাবাসী মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, কালিগঞ্জ: কালিগঞ্জের মৌতলা ইউনিয়নে ভিজিএফ’র গম বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং রশিদ বিহীন হোল্ডিং ট্যাক্সের টাকা আদায়ের ঘটনায় ভুক্তভোগীসহ এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এঘটনার প্রতিকার চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন ৬৫ জন ভুক্তভোগী দুঃস্থ ব্যক্তি। সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জÑশ্যামনগর (আংশিক) সাতক্ষীরা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেছেন। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীতাবাদী দল (বিএনপি) শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ দলীয় মনোয়নের প্রত্যাশায় কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন। মঙ্গলবার দুপুরে নলতার খানবাহাদুর আহছানউল্লার মাজার জিয়ারত শেষে মাজার শরীফের খাদেম মৌলভী আনছার উদ্দিনের সাথে মতবিনিময়কালে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে দোয়া প্রার্থনা করেন। এসয়ম তার সফর সঙ্গী ছিলেন শ্যামনগর উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খান আব্দুস সবুর, উপজেলা ছাত্র দলের দপ্তর সম্পাদক গাজি জহিরুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি‘র সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মোহাম্মাদ আলী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ লুৎফার রহমান, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, ছাত্র দলের সাবেক সভাপতি শেখ মনিরুজ্জামান মনি ও যুবনেতা মনিরুল ইসলাম মনি প্রমুখ। সন্ধ্যায় কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পরে মৌতলা ও শ্যামনগর বিএনপির নেতা কর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা মতবিনিময় করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় বিটিভির ক্যামেরা পার্সন মীর মোস্তফা আলীর মাতা মলুদা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা -০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। শোক বার্তার তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে বার্ধ্যক্য জনিত কারণে তিনি নিজস্ব বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠক জীবদ্দশায় অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিক হিসাবে সমাজ পরিবর্তনের ও দূর্ণীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বিপ্লবী আদর্শের বীর সৈনিক রুপে স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তাঁর আদর্শ ও জীবনাচরণে সকলকে উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করবে। ৭১’র অকুতোভয় বীর সেনানী মোড়ল আব্দুস সালাম জন্ম গ্রহন করেন ১৯৪৮ খ্রিঃ ১লা এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কৃষ্ণকাটি গ্রামে। তার পিতার নাম হাজী আবুল কাশেম মোড়ল, মাতা আশাফুন্নেছা বেগম। ৩ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ছোট বেলায় তাঁর বাবা মা ও গ্রামবাসী আদর করে তাকে ডাকতো বাচা। লেখাপড়ার হাতে খড়ি কৃষ্ণকাটি প্রাইমারী স্কুলে। এর পরবর্তীতে ভর্তি হন কপিলমুণি সহচরী বিদ্যামন্দিরে। এই স্কুলে লেখাপড়ার সময় ১৯৬২ সালে ৮ম শ্রেণীর ছাত্র থাকা অবস্থায় তদানীন্তন পাকিস্তান সরকারের হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন বাতিলের আন্দোলন ও ধর্মঘট পালনের মধ্যে দিয়েই মূলতঃ রাজনীতিতে হাতে খড়ি মোড়ল আব্দুস সালাম মোড়লের। তিনি ১৯৬৪ সালে কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাবার আন্দোলন, স্কুলের নির্বাচিত মণিটর এবং ছাত্র ইউনিয়ন শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৫ সালে ঐ স্কুল থেকে ২য় বিভাগে মেট্রিকুলেশন সম্পন্ন করেন। উচ্চ শিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে ভর্তি হন বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ দৌলতপুর ব্রজলাল (বি,এল কলেজ) মহাবিদ্যালয়ে এবং ১৯৬৬ সালে দৌলতপুর কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সালে এখান থেকে কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বাগেরহাটে আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র (পি,সি কলেজ) মহাবিদ্যালয়ে ¯œাতক শ্রেণীতে ভর্তি হন। সে সময়ে দেশে রাজনীতি তুঙ্গে, তিনিও সক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ১৯৬৮ থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত পর পর দু’বার বাগেরহাট মহাকুমায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী সরকার বিরোধী গণআন্দোলনে ক্যাম্পাস থেকে গ্রেফতার হন এবং ২১ শে ফেব্রুয়ারী সরকার আন্দোলন মুখে তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন। ঐ একই বছর তৎকালীণ পাকিস্তানের মন্ত্রী খান এ সবুর তার রাজনৈতিক সফরে তালায় এসে পরবর্তীতে কৃষ্ণকাটি হাইস্কুল পরিদর্শনে যান। এই সময় সবুর খানের আগমনের প্রতিবাদে পাড়া থেকে ছেড়া জুতা সংগ্রহ করে কৃষ্ণকাটি রাস্তায় রাস্তায় জুতার মালা টাঙ্গিয়ে দিয়ে প্রতিবাদ জানান।