সর্বশেষ সংবাদ-
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারেকাঁধে কফির ফ্লাস্ক, চোখে স্বপ্ন—রূপসী ম্যানগ্রোভে আকাশের জীবনসংগ্রামশ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সময় জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় শ্যামনগর উপজেলার নীলডুমুরস্থ ১৭ বিজিবি ব্যাটেলিয়নে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন যশোরেরর রিজিয়ন পিএসসি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী তৌফিকুল ইসলাম, খুলনা বিজিবির সেক্টর কমান্ডার পিএসসি কর্নেল এএসএম আনিসুল হক, ১৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল এনামুল আরিফ সুমনসহ বিজিবি কর্মকর্তারা।
১৭ বিজিবির উপ-পরিচালক রেজোয়ান-উল-ইসলাম জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ থেকে ২২ মে ২০১৭ তারিখ পর্যন্ত ১৭ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অভিযানে জব্দকৃত বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। এসব মাদক দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে, ১২’শ বোতল ভারতীয় বিভিন্ন প্রকারের মদ, ১.৯ কেজি গাজা, ১৮ হাজার ৫২ পিচ বিভিন্ন প্রকার নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ৩ লিটার দেশী চোরাই মদ, ২১৮ ক্যান ভারতীয় বিয়ার, ৩ হাজার ১৫০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল। এসব মাদকদ্রব্যের মূল্য আনুমানিক ৫৭ লাখ ২৪ হাজার ৩১০ টাকা। তিনি আরো বলেন, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে বিজিবির অভিযান এষনও অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌর সভায় নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানীর পশু জবেহ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা পৌর সভার আয়োজনে পৌরসভা মিলনায়তনে পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি’র সভাপতিত্বে এ সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আবু তালেব, ডিআইও-২ মোল্ল্যা মোজাহিদুর রহমান, জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুর রব, ইমাম মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, ইমাম আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি এ. এম আলাউদ্দিন প্রমুখ। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র মো. আব্দুস সেলিম, পৌরসভার সচিব সাইফুল ইসলাম বিশ্বাস, কাউন্সিলর সৈয়দ মাহমুদ পাপা, জ্যোৎন্সা আরা, শেখ শফিক উদ-দৌল্লা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথী, কাজী শেখ ফিরোজ হাসান, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালু, শফিকুল আলম বাবু, শাহিনুর রহমান শাহিন, শেখ আব্দুস সেলিম, অনিমা রানী মন্ডল, সেনেটারী ইন্সপেক্টর মো. রবিউল আলম, হিসাব রক্ষক আক্তার হোসেনসহ পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রস্তুতি সভায় সাতক্ষীরা পৌর সভায় নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানীর পশু জবেহ সংক্রান্ত বিষয়ে কাউন্সিলরদের নিয়ে কমিটি গঠন ও নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত এবং উক্ত কমিটির কাছে কোরবানীর জন্য নাম নিবন্ধন করতে হবে। রক্ত ও পশুর বর্জ্য অপসরণ করার লক্ষে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। ঈদের দিন পৌর এলাকায় আইন শৃংখলা রক্ষা এবং পরিবেশ দূষণ রোধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : ৫০ নম্বরের মধ্যে এক শিক্ষার্থী পেলো ৬৩ নম্বর! তাও আর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে। অতিসম্প্রতি ঘোষিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এমনই ঘটনা দেখা গেছে সাতক্ষীরার কলারোয়ার একজন পরীক্ষার্থীর মার্কসিটে বা গ্রেডসিটে। কলারোয়া সরকারি কলেজ থেকে সে ২০১৭সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪.১৭ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- কলারোয়া সরকারি কলেজে ছাত্র সুদিপ্ত কুমার সরদার ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নেয়। তার রোল নং- ৪০৮৬৩৯, রেজি:নং- ১২১৩৬৭৪০৭০। তার পিতার নাম- পূর্ণ চন্দ্র সরদার, মাতার নাম- প্রমিলা রানী সরদার। গত ২৩ জুলাই বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে ওই শিক্ষার্থী উচ্চতর গণিত বিষয়ের ২য় পত্রের রচনামূলক (সৃজনশীল) অংশে ৬৩ নম্বর পেয়েছে। অথচ ওই অংশের মোট নম্বর ৫০। অর্থাৎ ৫০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ৬৩নম্বর! সেখানে নৈব্যক্তিক অংশে ২৫নম্বরের মধ্যে সে পেয়েছে ৮নম্বর ও ২৫ নম্বরের ব্যবহারিক অংশে পেয়েছে ২৪নম্বর। সেখানে ২য়পত্রের ওই ৬৩নম্বরসহ উচ্চতর গণিতে ১ম ও ২য় পত্র মিলিয়ে সে মোট পেয়েছে ১৬৪নম্বর আর উচ্চতর গণিতে গ্রে এ+।
বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুকে ওই রেজাল্টসিটের স্ক্রিনশটও প্রকাশিত হয়েছে। যশোর শিক্ষাবোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলেও একই চিত্র- ৫০নম্বরের মধ্যে ৬৩!
এ বিষয়ে কলারোয়া সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক শাহনেওয়াজ করিম জানান- ‘উচ্চতর গণিতের ২য়পত্রের মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে রচনামূলক অংশে ৫০ নম্বর, নৈব্যক্তিক অংশে ২৫ ও ব্যবহারিক অংশে ২৫ নম্বর। সেখানে রচনামূলক অংশে ৬৩ নম্বর প্রাপ্তের বিষয়টি বোর্ডের ভুল হয়ে থাকতে পারে।’
কলারোয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু জানান- ‘বিষয়টি বোর্ডের এখতিয়ার। এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য নেই।’
এদিকে, ৫০ নম্বরের মধ্যে ৬৩ নম্বর প্রাপ্তকে বোর্ড কিংবা সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকের ভুল বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অনেকে। তাদের ধারণা হয়তোবা ৩৬ উল্টেগিয়ে ৬৩ হয়ে থাকতে পারে। তবে ওই বিষয়ে মোট যোগফল করা হয়েছে প্রাপ্ত ৬৩ নম্বর দিয়েই।
বিষয়টি কলারোয়ায় অনেকের মাঝে মুখরোচক বিষয়েও পরিণত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়ায় মাদকবিরোধী র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০১৭ উদযাপন উপলক্ষ্যে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‘আগে শুনুন: শিশু ও যুবাদের প্রতি মনোযোগ দেয়াই তাদের নিরাপদ বেড়ে উঠার প্রথম পদক্ষেপ’ শীর্ষক ওই অলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এমএ ফারুক, কলারোয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল হামিদ, সমবায় অফিসার নওশের আলী, কলারোয়া রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খাঁন চৌধুরী পলাশ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা, এনজিও কর্মীরাসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন বলেছেন, সামনে নির্বাচন। এ সময় সন্ত্রাসীরা প্রস্তুতি নেয়। এটা অস্ত্র আসার মৌসুম। গরুর সাথে অস্ত্র চোরাচালান হয়। আমাদেরও প্রস্তুত থাকতে হবে।

বুধবার বেলা ১১ টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাখের আলী সীমান্তে বিজিবির ৫৯ ব্যাটালিয়ন আয়োজিত ‘সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

গরু চোরাচালান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতে বিপুল পরিমাণ গরু পালিত হয়। ওই সব গরু তাদের দিতেই হবে। আমরাও চাই গরু আসুক। কিন্তু বাংলাদেশি রাখালরা যেন সীমান্ত অতিক্রম করে গরু আনতে না যায়। শূন্যরেখা থেকে গরু নিয়ে আসে। রাখালদের করিডোরের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। সীমান্তে কেউ হত্যার শিকার হলে করিডোর বন্ধ করে দিব।

সীমান্ত অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা দেবে বিজিবি পরিচালিত সীমান্ত ব্যাংক- এ আশ্বাস দিয়ে বিজিবি মহাপরিচালক আরো বলেন, সরকার সীমান্ত সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ সড়ক নির্মিত হলে এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

তিনি সীমান্তে অস্ত্র, মাদক চোরাচালান ও নারী-শিশু পাচার বন্ধে প্রশাসনসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতে ৫০ কোটির মত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শৌচাগার নেই, ফলে বিরাট সংখ্যক জনগোষ্ঠী মল-মূত্র ত্যাগ করেন খোলা জায়গায়, মাঠে, জঙ্গলে, ফসলের ক্ষেতে।

খোলা স্থানে মলত্যাগ করার কারণে অনেক নারীকেই দেশটিতে যৌন হয়রানির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ – এমনকি অনেকে ধর্ষণের শিকারও হয়েছেন।

এবার এই বিষয়টিকে নিয়ে একটি সিনেমা তৈরি হয়েছে দেশটিতে, যেটির নাম ‘টয়লেট-এক প্রেম কথা’।

এমন একটি সময়ে সিনেমাটি বানানো হয়েছে, যখন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাড়িতে বাড়িতে আরো শৌচাগার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন।

টয়লেট-এক প্রেম কথা’ একটি প্রেমের সিনেমা, আর এখানে খলনায়ক হচ্ছে টয়লেট।

“সিনেমাটি আসলে অনেক মজার। কিন্তু এর মধ্যেই সমাজের খুব বড় একটা সমস্যাকে তুলে ধরা হয়েছে”, বলছিলেন সিনেমাটির মূল নারী চরিত্র ভূমি পেডনেকার।

তিনি এই সিনেমায় অভিনয়ের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন, “অভিনয়ের জন্য খোলা স্থানে কাপড় তুলে মলমূত্র ত্যাগ করতে গিয়ে আমি বুঝতে পারলাম এটা কতখানি অস্বস্তিকর। আমার মনে হল আমার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘিত হচ্ছে”।

সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘স্বচ্ছ ভারত’ প্রচারণার প্রেক্ষাপটে।

২০১৪ সালে তিনি ঘোষণা করেন ভারতের লক্ষ লক্ষ বাড়িতে তিনি শৌচাগার নির্মাণ করে দেবেন।

এই সিনেমাটিকেও তিনি অনুমোদন দিয়েছেন।

সিনেমার অভিনেতা অক্ষয় কুমার জানান প্রধানমন্ত্রীর সাথে তার দেখা হয়েছে এবং এই সিনেমার বিষয়বস্তু শুনে খুশি হয়েছেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর প্রচারণা সফল করার জন্য বলিউডে সিনেমা বানানোর দরকার হল কেন?

অক্ষয় কুমার বলেন, “ভারতে একসময় ৬৩ শতাংশ মানুষের শৌচাগার ছিল না। এখন সেটা ৫৩ শতাংশ। অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে ধীরে ধীরে। এটা শুধু বলিউডের অন্য আরেকটা সিনেমার মত না। ভারতকে পরিষ্কার রাখতে একটা ছোট প্রয়াস বলতে পারেন”।

কিন্তু ভারতের মানুষ বাড়িতে টয়লেট বানায় না কেন?

অভিনেত্রী ভূমি দিচ্ছেন নিজের ব্যাখ্যা।

“আমাদের সিনেমার ট্রেলারে একটা ডায়লগ আছে .. যে বাড়িতে তুলসী গাছ আছে, সেই বাড়িতে শৌচাগার থাকবে কিভাবে। অর্থাৎ যেখানে প্রার্থনা করা হয়, সেখানে মলমুত্র ত্যাগ কেন”?

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আগস্ট মাসে দেশে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘এ বছরের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আগামী আগস্ট মাসে দেশে বড় ধরনের বন্যা হতে পারে। সেই আশঙ্কা আমাদের আছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বন্যার আগে বাঁধগুলো মেরামত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বুধবার সকাল সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয়দিনের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদমন্ত্র ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। অধিবেশন শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পানিসম্পদমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘প্রকৃত বন্যা বলতে যা বোঝায় সেটি এখনও আমাদের দেশে হয়নি। যখন পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদীর পানি এক সঙ্গে বাড়ে তখনই প্রকৃত বন্যা হয়। তবে বন্যা হয়েছে ভারতে, সেখানে মানুষ মারা গেছে। কিন্তু আমাদের দেশে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটেনি।’

ডিসিদের কী নির্দেশনা দিয়েছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ডিসিরা বন্যার বিষয়ে কোনও কথা বলেননি। তারা নদী ভাঙন রোধ নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমরা তাদের বলেছি, এখন থেকে মন্ত্রণালয়ের যে বরাদ্দ থাকে তার অর্ধেক ব্যয় করবো নদী শাসন কাজে। এ কাজ করতে ডিসিদের কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া পানি নেমে গেলে বাঁধ সংরক্ষণ করতে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় যে পানি বেড়েছে তা মূলত বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার পানি। আমাদের দেশে সাধারণত বন্যা হয় আগস্ট মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে। কিন্তু এবার যেটা হয়েছে তা মূলত বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির ফল। ইতোমধ্যে অন্য বছরের তুলনায় ২/৩ গুণ বৃষ্টি হয়েছে। সে কারণে অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অপ্রতিম রহমান : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনিকে প্রয়োজনে বিদেশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই জের ধরে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের সাথে যোযোগ শুরু করেছেন ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, মুক্তামনিকে যদি বিদেশ পাঠানোর দরকার হয় তবে যেন তাই করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মুক্তামনির ছবি দেখেছেন। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- ওর চিকিৎসায় যেন কোনও গাফিলতি না হয়।’
প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে বের হয়ে এরইমধ্যে ডা. সামন্ত লাল সেন সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে যোগাযোগও শুরু করেছেন বলেও জানান তিনি।
সামন্ত লাল বলেন, ‘আমরা সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে যোগাযোগ করেছি। সেখানে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারপর মুক্তামনিকে সেখানো পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
কবে নাগাদ পাঠানো হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েই তাকে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনিকে ১১ জুলাই ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest