সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

photo-1473828015স্বাস্থ্য ও জীবন: ঈদ আসে, ঈদ চলে যায়। ঈদ হাসতে শেখায়, ভালোবাসতে শেখায়; ত্যাগের মহিমা শেখায়। তবে কোরবানির ঈদে অনেকের অতিভোজন ও অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। একটু সচেতনতা, একটু স্বাস্থ্যজ্ঞান আমাদের ঈদ-পরবর্তী বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে।

ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি যা হতে পারে
১. কোষ্ঠকাঠিন্য
২. ওজন বেড়ে যাওয়া
৩. ডায়রিয়া ও আমাশয়
৪. পেটে গ্যাস, এসিডিটি, ব্যথা ও বমি বমি ভাব
৫. রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া
৬. রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়া
৭. রক্তের চর্বি বেড়ে যাওয়া
৮. স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়া
৯. পায়খানার রাস্তায় জ্বালাপোড়াসহ রক্তক্ষরণ
১০. ভ্রমণজনিত শারীরিক দুর্বলতা
১১. পানিশূন্যতা
১২. খাবারে অরুচি
১৩. ঘুম কম হওয়া।

স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে বাঁচতে করণীয়
১. কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে মাংস কম খেয়ে সালাদ, লেবু, শসা, কাঁচামরিচসহ বেশি করে শাকসবজি খান।
২. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যালরি হিসাব করে খাবার খান।
৩. ডায়রিয়া, আমাশয় প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি ও বাইরের খাবার পরিহার করুন।
৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে লবণযুক্ত, চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
৫. রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ রাখতে কম চিনিযুক্ত খাবার খান।
৬. বাজারের কোমল পানীয় না খেয়ে বেশি করে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার, ডাবের পানি, বাসায় বানানো দেশি ফলের জুস খাবেন।
৭. হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য টক দই খেতে পারেন।
৮. মাংসের ফ্রাই ও বারবিকিউ খাবেন না। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
৯. ঈদের খুশিতে আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। ব্যায়াম চালিয়ে যান আগের মতোই।
১০. ঈদে খাবারে ক্ষতিকর রং, লবণ, ঘি, মাখন, পাম অয়েল ব্যবহারযুক্ত কোনো খাবার খাবেন না।
১১. ঈদ-পরবর্তী যেকোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খান এবং সুস্থ থাকুন।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ, সাভার, ঢাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1473860515প্রযুক্তি ডেস্ক: দক্ষিণ কোরীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং নিয়ে এসেছে নতুন একটি ট্যাব। ভারতের বাজারে স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব এ ১০.১ মডেলের ট্যাবটির দাম রাখা হয়েছে ২৯ হাজার ৫০০ রুপি। এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
এই ট্যাবটিতে রয়েছে এস পেন, যা গ্যালাক্সি নোট ৭-এর সঙ্গেও দেওয়া হয়। একটি সিমকার্ড স্লট রয়েছে এতে। ট্যাবটিতে ফোর জি কানেক্টিভিটি রয়েছে।
নতুন এই ট্যাবে রয়েছে ১০ দশমিক ১ ইঞ্চি ডব্লিউইউএক্সজিএ (১৯২০x১২০০ পিক্সেল) টিএফটি ডিসপ্লে। এটি চলবে ১ দশমিক ৬ গিগাহার্জের অক্টাকোর এক্সিনোস প্রসেসরে, সঙ্গে আছে ৩ জিবি র‍্যাম। ইন্টারনাল স্টোরেজ ৩২ জিবি। মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে আরো ২৫৬ জিবি স্টোরেজ বাড়িয়ে নেওয়া যাবে।

ট্যাবটি চলবে অ্যানড্রয়েড ৬ দশমিক ০ মার্শম্যালো অপারেটিং সিস্টেমে। এতে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা। এই ক্যামেরায় রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ ও এফ/১.৯ অ্যাপারচার। ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে ২ মেগাপিক্সেলের যাতে রয়েছে এফ/২.২ অ্যাপারচার।
ট্যাবটিতে রয়েছে ৭৩০০ এমএএইচের শক্তিশালী ব্যাটারি। কানেক্টিভিটির জন্য রয়েছে ওয়াই-ফাই ৮০২.১১ এ/বি/জি/এন/এসি, ব্লুটুথ ৪ দশমিক ২, জিপিএস, গ্লোনাস ও মাইক্রোইউএসবি কানেক্টিভিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexবিনোদন ডেস্ক: বলিউডে প্রতিদিনই বদলাচ্ছে কিছু না কিছু। কিন্তু তিনটি ব্যাপার সব সময়ের জন্যই চিরন্তন সত্য সেখানে—তারকাদের ক্ষমতা, ভক্ত-সংস্কৃতি আর মাদকাসক্তি। টিনসেল টাউনের তারারা মাদকের নেশায় কেমন বুঁদ, তার চিত্রায়ণ কিছুদিন আগের আলোচিত ‘উড়তা পাঞ্জাব’ ছবিতে দেখানো হয়েছে দারুণভাবে। কয়েক বছর আগেও বলিউডের মাদকাসক্তির ঘটনাগুলো ছিল ধরাছোঁয়ার কিংবা জানার বাইরে। কিন্তু ধীরে ধীরে গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে বেরিয়েছে খ্যাতিমান তারকাদের কালো অধ্যায়। তার পরও কিন্তু থেমে যায়নি বলিউড মাদক-সংস্কৃতি।
একসময় মাদকাসক্ত ছিলেন এ রকম ১০ বলিউড তারকার কথা থাকছে এই আয়োজনে।

সঞ্জয় দত্ত : সঞ্জয় দত্তের মাদকাসক্তির কথা কে না জানে! ১৯৮২ সালে মাদক বহনের কারণে গ্রেপ্তার পর্যন্ত হয়েছিলেন এই ‘মুন্না ভাই’ তারকা। অবশেষে নিজের পিতার উপদেশে আমেরিকার একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে গিয়ে মুক্তি পান মাদকের কবল থেকে। সঞ্জয়ের মাদক-অধ্যায় সেখানেই শেষ।

রণবীর কাপুর : ইন্ডিয়া টুডে’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রণবীর কাপুর স্বীকার করেন তাঁর একসময়কার মাদকাসক্তির কথা। জানান ফিল্ম স্কুলে অধ্যয়নের সময় তার গাঁজা সেবনের কথা। বলিউডে আসার পর ‘রকস্টার’ সিনেমায় অভিনয় করার সময় আবারও ফিরে গিয়েছিলেন পুরোনো অভ্যাসে, কিন্তু সেটি শুধুই অভিনয়ে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য করা—এমনই দাবি করেন এই অভিনেতা।

বিজয় রাজ : ২০০৫ সালে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহকারে দুবাই এয়ারপোর্টে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন এই ‘কাউয়া বিরিয়ানি’ অভিনেতা। ওই সময়টায় দুবাইয়ে ‘দিওয়ানে হুয়ে পাগল’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়েছিলেন বিজয়।

ফারদিন খান : একসময়কার এই ‘বি-টাউন প্রিন্স’ ২০০১ সালে কোকেনসহ গ্রেপ্তার হন মুম্বাইয়ের জুহু এলাকা থেকে। তাঁর সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ারের পতনের পেছনে বেশ কিছু কারণের একটি ছিল মাদক।

আফতাব শিবদাসানি : পুনের এক নাইট ক্লাব কর্তৃপক্ষের দাবি, ক্লাবের ভেতর মাদক সেবন করা অবস্থায় একবার আফতাবকে হাতেনাতে ধরেছেন তাঁরা। কিন্তু তাঁদের এই দাবি বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন তিনি। ক্লাব ম্যানেজমেন্টের তথ্যমতে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ক্লাব বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন আফতাব।

মমতা কুলকার্নি : নব্বইয়ের দশকের এই ‘গ্ল্যামার গার্ল’-এর অতীতে ছেয়ে রয়েছে মাদকের করাল থাবা। মাদক চোরাকারবারি স্বামী ভিকি গোস্বামীর সঙ্গে কেনিয়ার এক মাদক উৎপাদক এলাকায় একবার আটক হন মমতা।

অপূর্ব এবং শিল্পা অগ্নিহোত্রী : অন্যান্য আরো অনেক তারকার সঙ্গে প্রচুর জাঁকজমকপূর্ণ এক পার্টি থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জনপ্রিয় এই টিভি জুটি। অপরাধ, মাদক সেবন।

অঙ্গদ বেদি : সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার বিষাণ সিং বেদির ছেলে অঙ্গদ বেদিও আছেন এ তালিকায়। নেশা করা অবস্থায় এক পার্টিতে অন্য অনেক তারকার সঙ্গে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন এই তারকা।

ডি জে আকিল : অবৈধ মাদক পরিবহনের দায়ে দুবাই এয়ারপোর্টে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ভারতের বিখ্যাত এই ডিজে। ০.৪ গ্রাম ‘এক্সটেসি’ পাওয়া গিয়েছিল তাঁর কাছে। শেষ পর্যন্ত এই জগৎ থেকে বের হয়ে আসতে নিরাময় কেন্দ্রে পর্যন্ত যেতে হয়েছে আকিলের।

পারভিন ববি : পারভিন ববির ট্র্যাজিক জীবনে অনেক কিছুর মতো অনুষঙ্গ ছিল মাদকও। বলিউডে যে পরিমাণে খ্যাতি আর সাফল্য কুড়িয়েছেন, ব্যক্তিগত জীবনে ততটাই ডুবেছেন ব্যর্থতা আর হতাশায়। এলএসডিতে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যাই ছিল তাঁর পরিণতি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গরুর মাংসের যত গুণ

কর্তৃক Daily Satkhira

photo-1473765240স্বাস্থ্য ও জীবন: রেড মিট হিসেবে গরুর মাংস অনেক স্বাদের এবং অনেকের কাছেই খুব প্রিয় একটি খাবার। বাংলাদেশের মানুষ মাংসের মধ্যে গরুর মাংস খেতেই বেশি পছন্দ করেন। তবে বেশ কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ চিহ্নিত হওয়ায় খাবারটি প্রিয় হলেও অনেকে এড়িয়েও চলেন। গরুর মাংস স্বাদে অতুলনীয় এবং পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে যে কোনো খাবারই সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়। আর সেই কারণে খাবারের পুষ্টিমূল্য তার সঠিক রান্নার কৌশল, সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যের জন্য এর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

পুষ্টি : গরুর মাংস প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের অন্তর্ভুক্ত। প্রাণী থেকে সংগৃহীত হয় বলে এটি প্রাণিজ প্রোটিন। প্রোটিন ছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান গরুর মাংসে বিদ্যমান।
প্রোটিন : গরুর মাংস থেকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায়। মাংস ছাড়াও হাড়, কলিজা, মগজ ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন চলে আসে। গরুর মাংসের প্রোটিন থেকে যে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়, তা হাড় ও মাংসপেশির কাজে অনেক সাহায্য করে থাকে। ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়।
ফ্যাট : গরুর মাংসে অনেক সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। ফ্যাটের উপস্থিতির জন্য গরুর মাংস অনেক মজাদার হয়ে থাকে। কচি মাংসে এই ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ফ্যাট রয়েছে ২.৬ গ্রাম।
মিনারেলস : এক টুকরো গরুর মাংসে অনেক ধরনের মিনারেল পাওয়া যায়। বিশেষ করে জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও কপার। এই মিনারেলগুলো শরীরের অনেক প্রয়োজনীয় কাজ করে থাকে। জিংক আমাদের শরীরের কোষ রক্ষণাবেক্ষণ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। বলা হয় তিন আউন্স পরিমাণ গরুর মাংস দৈনিক জিংকের ৩৯% চাহিদা পূরণ করে থাকে।
ভিটামিন : গরুর মাংসে অনেক রকম ভিটামিন থাকে, বিশেষ করে বি১২ বি৬ রিবোফ্ল্যাবিন ও বি১২-এর প্রয়োজনীয়তা অনেক, মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের মতে, দৈনিক ২.৪ মিলিগ্রাম বি১২ লাগে। তিন আউন্স গরুর মাংস বি১২-এর দৈনিক ৩৭% চাহিদা পূরণ করতে পারে। তিন আউন্স গরুর মাংস ফসফরাস, ভিটামিন বি১২, প্রোটিন, জিংক ও সেলেনিয়ামের খুবই ভালো উৎস। তিন আউন্স কচি গরুর মাংসে আয়রন, নায়াসিন, বি৬ ও রিবোফ্ল্যাভিন পাওয়া যায়।
[উৎস : ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচার রিসার্চ সার্ভিস ২০০২]

গরুর মাংস ও স্বাস্থ্য
গরুর মাংসে অনেক পুষ্টি থাকার পরেও অতিরিক্ত খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে থাকে। গরুর মাংসের ক্যালরি ও পুষ্টি উপাদানের তারতম্য নির্ভর করে রান্নার পদ্ধতির ওপর। এ ছাড়া গরুর কোন অংশটি খাওয়া হবে তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। অতিরিক্ত গরুর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর—কারণ গরুর মাংসে থাকে কোলেস্টেরল, ফ্যাট ও সোডিয়াম। কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, তাঁদের অতিরিক্ত গরুর মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
গরুর মাংস থেকে অনেক প্রোটিন চলে আসে, তাই যাঁদের কিডনিতে সমস্যা রয়েছে তাঁদের অবশ্যই গরুর মাংস এড়িয়ে যেতে হবে। যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাঁদেরও গরুর মাংস এড়িয়ে চলা উচিত। এতে উপস্থিত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় বলে।
অতিরিক্ত না খাওয়াই ভালো। গবেষণায় দেখা গেছে যাঁরা অতিরিক্ত গরুর মাংস খান, তাঁদের ক্যানসার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কীভাবে খাবেন : কচি গরুর মাংসের চর্বি ভালোভাবে পরিষ্কার করে, প্রয়োজনে একটু সেদ্ধ করে পানিটা ফেলে রান্না করলে স্বাস্থ্যের জন্য তেমন ক্ষতিকর হয় না। এ ছাড়া গরুর মাংসের কিমা বা ছোট করে কাটা মাংস ও স্টেক ইত্যাদি ভালো। তবে গরুর মাংস আপনার জন্য কতটুকু ক্ষতিকর তা নির্ভর করে আপনি কতটুকু খাচ্ছেন তার ওপর। সপ্তাহে একবার বা মাসে দুবার খাওয়া যেতে পারে। গরুর মাংস রান্নায় তেল কম ব্যবহার করবেন। ঘি বা মাখন গরুর মাংস রান্নায় ব্যবহার করা উচিত নয়। সবজি যেমন বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, কচি কাঁঠাল বা অন্যান্য সবজি দিয়ে গরুর মাংস রান্না করে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
যে কোনো খাবার অতিরিক্ত খেলেই তা স্বাস্থ্যের জন্য অবশ্যই ক্ষতিকর। তাই পরিমিতভাবে সঠিক পদ্ধতিতে গরুর মাংস খেলে নিজেকে অনেক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যাবে এবং এই স্বাদের খাবারটি থেকে ভবিষ্যতে কাউকে বঞ্চিত হতে হবে।
লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1473848710ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দল থেকে মনোনীত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের হয়ে তাঁরই মতো দেখতে আরেক নারী কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  এই ‘নকল হিলারি’ সম্প্রতি জনসমক্ষে হাজির হয়ে হিলারির মতোই হাত নেড়ে সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, অভিযোগ রিপাবলিকান দলের লোকজনের।
বিতর্কের শুরু গত রোববার। যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে সেদিন নিউইয়র্ক শহরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রার্থী হিলারি। এর আগেই অবশ্য তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন। চিকিৎসা চলা অবস্থায়ই হিলারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর পানিশূন্যতায় দুর্বল হয়ে পড়েন হিলারি। তাঁকে ধরাধরি করে গাড়িতে উঠিয়ে নেন সহকর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীরা।
পরে মেয়ে চেলসি ক্লিনটনের নিউইয়র্কের বাসা থেকে বের হন হিলারি ক্লিনটন। এই সময় তাঁকে অনেকটাই উদ্দীপ্ত দেখা যায়। তিনি সেখানে অবস্থানরত তাঁর সমর্থক এবং সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। এমনকি এক শিশু এগিয়ে গেলে তাঁকে আদর করেন হিলারি।
রিপাবলিকান দল থেকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের মতে, চেলসির বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছিল টেরেসা বার্নওয়েল, যিনি দেখতে হিলারি ক্লিনটনের মতোই। এমন দাবির পক্ষে অনেক যুক্তি দাঁড় করেছেন তাঁরা। একটি যুক্তি হলো, নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারা হিলারিকে সব সময়ই ঘিরে রাখেন। তবে চেলসি বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সীমিত সংখ্যক নিরাপত্তারক্ষী দেখা যায়, যাঁরা দাঁড়িয়ে ছিলেন হিলারির কাছ থেকে বেশ দূরে। অনেকে আবার হিলারির কানের দুলের পার্থক্যের কথা বলেন। চেলসির বাড়ি থেকে বের হওয়া হিলারির কানের দুলটি ছিল আগের সময়ের চেয়ে বড়। এ ছাড়া হিলারির হাতের গঠনেও পার্থক্য খুঁজে পান অনেকে। তাদের মতে, হিলারির হাতের আঙুলগুলোর মধ্যে অনামিকা তর্জনীর চেয়ে বড়। নকল হিলারির আঙুলের গঠন এ রকম নয়। এ ছাড়া নকল হিলারির নাকের গঠনও ভিন্ন। অনেকের দাবি, হিলারির চেয়ে নকল হিলারির ওজন কম ছিলো, যা ছবিতেই বোঝা যায়।
৬৮ বছর বয়স্ক হিলারি ক্লিনটনের বক্তব্য হলো, ৯/১১ অনুষ্ঠানস্থলে অসুস্থ হলেও তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েননি। পরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে থেকে এবং পানি পান করে তাঁর অবস্থা ভালো হতে শুরু করে। পরে তিনি মেয়ে ও মেয়ের সন্তানকে দেখতে যান।
ডেমোক্রেটিক দলের প্রচারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অসুস্থ হিলারির পক্ষ থেকে এখন প্রচারণায় অংশ নেবেন তাঁর স্বামী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। এরই মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন ক্লিনটন। আর আজ নেভাদায় একটি প্রচারে অংশ নেওয়ার কথা তাঁর।
গত সোমবার বিল ক্লিনটন সাংবাদিকদের বলেন, কাজের চাপে এর আগেও হিলারি অনেকবারই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ৯/১১ অনুষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়ার আগে আড়াই দিন খুবই কঠিন সময় গেছে হিলারির।
তবে ‘অনুরূপ হিলারি’ প্রসঙ্গে ডেমোক্রেটিক দল অথবা হিলারির প্রচারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1473875452ডেস্ক রিপোর্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘একজন জাতীয় কলঙ্ক’ এবং ‘আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন’ ব্যক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল এভাবেই দেখেন এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকান এ প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে।
সম্প্রতি কলিন পাওয়েলের ফাঁস হয়ে যাওয়া ব্যক্তিগত ই-মেইল থেকে এসব কথা জানা যায়। কেবল এসব বলেই থেমে যাননি পাওয়েল। ট্রাম্প একজন ‘বর্ণবাদী’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। পাওয়েল লিখেছেন, ‘ট্রাম্প সম্পর্কে এটাই বিশ্বাস করে ৯৯ শতাংশ মানুষ।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ই-মেইলগুলো ডিক্লিকসে প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি এসব মেইল করেছিলেন পাওয়েল। রিপাবলিকানদের হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেটিক দলের হিলারি ক্লিনটন। পাওয়েলের ঘনিষ্ঠ পেজি সিফরিনো সিএনএনকে জানিয়েছেন, মেইলগুলো পাওয়েলেরই। তবে এ ব্যাপারে আর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পকে ‘জাতীয় কলঙ্ক’ উল্লেখ করে মেইলটি পাওয়েল লিখেছিলেন গত জুন মাস।
২০০১ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছিলেন কলিন পাওয়েল। জর্জ ডব্লিউ বুশ ছিলেন রিপাবলিকান। এবার রিপাবলিকানদের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করা ট্রাম্পকে তুলোধুনো করে ছেড়েছেন পাওয়েল।
ট্রাম্প আশাবাদী তিনি আফ্রো-আমেরিকানদের ভোট জিতে নেবেন। আর এ সম্ভাবনাকে একদমই উড়িয়ে দিয়েছেন পাওয়েল। কলিন পাওয়েলই প্রথম আফ্রো-আমেরিকান, যিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের শীর্ষপদে যান। তিনিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1473868356ডেস্ক রিপোর্ট: প্রথমদিকে নাগরিকরা জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) গুরুত্ব সম্পর্কে খুব বেশি সচেতন ছিলেন না। কিন্তু দিন দিন নাগরিকদের কাছে এনআইডির গুরুত্ব বাড়ছে। এখন ব্যাংক হিসাব থেকে শুরু করে পাসপোর্ট, জমিজমা বিক্রি করাসহ নানা কাজে এর ব্যবহার হচ্ছে। আর এসব কাজ করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে অনেকের এনআইডিতেই বিভিন্ন তথ্য ভুল রয়েছে, যা সংশোধন করার প্রয়োজন পড়ছে।
এখন এনআইডির সংশোধন নিয়ে একেকজনের মনে একেক ধরনের প্রশ্ন আসে। এনআইডির কোনো তথ্য সংশোধনের জন্য কী করতে হবে এসব প্রশ্ন ও উত্তর নিচে দেওয়া হলো—

প্রশ্ন : কার্ডের তথ্য কীভাবে সংশোধন করা যায়?
উত্তর : এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

প্রশ্ন : কার্ডে কোনো সংশোধন করা হলে তার কি কোনো রেকর্ড রাখা হবে?
উত্তর : সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

প্রশ্ন : ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কী কী সনদ দাখিল করতে হবে?
উত্তর : জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

প্রশ্ন : ‘আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে’- এ ক্ষেত্রে কীভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তর : সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন : বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কী?
উত্তর : নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ডের ফটোকপি সংযুক্ত করে এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন কার্যালয় বরাবর আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন : বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে স্বামীর নাম কীভাবে বাদ দিতে হবে?
উত্তর : বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন : বিবাহবিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ যাঁরা করেছেন, তাঁরা আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কীভাবে সংযুক্ত করবেন?
উত্তর : প্রথম বিবাহবিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ের কাবিননামাসহ সংশোধন ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন : জাতীয় পরিচয়পত্রে লেখা পেশা পরিবর্তন করতে হলে কী করতে হবে?
উত্তর : এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উল্লেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

প্রশ্ন : জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কী করতে হবে?
উত্তর : এ ক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন : নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সঙ্গে কী কী দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তর : এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকরির প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

প্রশ্ন : নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সঙ্গে কী কী দলিল জমা দিতে হবে?
উত্তর : এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, হাকিম আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট) সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, ওয়ারিশ সনদ, ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি করপোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

প্রশ্ন : পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কী কী সনদ দাখিল করতে হয়?
উত্তর : পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে তাদের মৃত্যুর সনদ দাখিল করতে হবে।

প্রশ্ন : ঠিকানা কীভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?
উত্তর : শুধু আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন কার্যালয়ে ফরম নম্বর ১৩-এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোনো ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

প্রশ্ন : বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্রদের বয়স্কভাতা বা অন্য কোনো ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোনো সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন না। লোকে যে বলে, জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়সটা বাড়ালে ওই সব ভাতা পাওয়া যাবে?
উত্তর : জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতীত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামাণিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

প্রশ্ন : একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে, কীভাবে তা সংশোধন করা যায়?
উত্তর : সবার কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন : পাস না করেও অজ্ঞতাবশত শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদূর্ধ্ব লিখেছেন, এখন বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কী?
উত্তর : হাকিম আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট) এসএসসি পাস করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

প্রশ্ন : জাতীয় পরিচয়পত্রে অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কীভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তর : ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

প্রশ্ন : রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধনের জন্য কী করতে হয়?
উত্তর : রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনস্টিক প্রতিবেদন দাখিল করতে হয়।

প্রশ্ন : বয়স/জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কী?
উত্তর : এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদপ্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সব দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারি পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

প্রশ্ন : স্বাক্ষর পরিবর্তন কীভাবে করতে হবে?
উত্তর : নতুন স্বাক্ষরের নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

প্রশ্ন : জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, প্রামাণিক কোনো দলিল নেই, তারপরও কীভাবে সংশোধন করা যাবে?
উত্তর : সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশ্ন : একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?
উত্তর : এক তথ্য শুধু একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে সংশোধন হবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1473874873ডেস্ক রিপোর্ট: মুহূর্তেই যেন ঈদ আনন্দ, আপ্যায়ন-পরিবেশন সবই থমকে গেল। নানা রঙের ঝিকিমিকি আলোকসজ্জায় হঠাৎ চমকে দেওয়া আলো আঁধারের মধ্যে একটি বহুল পরিচিত মুখ। লম্বা ও পাতলা দেহ নিয়ে দণ্ডায়মান বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের আতঙ্ক কাটার-মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।
সবার মুখে তখন ‘মুস্তাফিজ এসেছেন’। এগিয়ে গেলেন সবাই। তারপর কোলাকুলি আর শুভেচ্ছা বিনিময়ের পালা। বুধবার রাত ৯টার এ খবর মুহূর্তে চাউর হয়ে গেল। শুরু হলো ছবি তোলার পালা। সেলফি তোলার ধুম। মুস্তাফিজ তাদের শুধুই হাসি উপহার দিলেন। প্রথমেই মুস্তাফিজকে স্বাগত জানালেন পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন ও তাঁর স্ত্রী।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনে নিমন্ত্রণ নিয়ে বসেছিল এক মিলনমেলা।
সাতক্ষীরার চারজন সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে প্রশাসনের সব পর্যায়ের অতিথি, আওয়ামী লীগের নেতা, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, পৌর মেয়র, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক নেতা, ক্রীড়ামোদী, শিক্ষাবিদ, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা,  সমাজসেবক, ধর্মীয় নেতা সবার মুখে তখন একই হাসি। মুস্তাফিজ আমাদের ছেলে। একই হাসি হাসলেন সাতক্ষীরার আরেক ক্রিকেট তারকা সৌম্য সরকারের বাবা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কিশোরী মোহন সরকার।
আপ্যায়ন টেবিলে শ্বেতশুভ্র বসনে উপবেশন করলেন মুস্তাফিজ। সেই শিশুসুলভ হাসি আর এদিক ওদিক তাকানো। এভাবেই শুভেচ্ছা বিনিময়। কথায় কথায় বললেন, ঢাকায় যাব তাড়াতাড়িই। কারণ অনুশীলনে নামতে হবে। সামনেই খেলা। এরপর খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে অনেক কথা বললেন কাটার-মাস্টার। গ্রামে মায়ের পরশে এসে খুব ভালো লাগছে। কিন্তু বেশি সময় মাকে দিতে পারেন না।
বিশ্বজয়ী এই ক্রিকেটার মঙ্গলবার নিজ বাড়িতে গরু কোরবানি দিয়েছেন ত্যাগের মহিমায়। একই সময়ে নিজ গ্রাম কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া পশ্চিমপাড়া ঈদগাহের উন্নয়নে এক লাখ টাকাও দিয়েছেন তিনি। কোরবানির পর নিজ হাতে মাংস বিলিয়েছেন। আর সবার দোয়া চেয়েছেন ‘ফিজ’। পুলিশ সুপারের বাসভবনেও সবার কাছে বললেন, ‘আমার জন্য দোয়া করবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest