সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!

সাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪

শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জমিজায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে দুই পক্ষের গুরুতর আহত ১৪ জন চিকিৎসাধীন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে ৮ টার সময় উপজেলার পৌরসভার গুমানতলি এলাকায় বসতবাড়ির সীমানা বেড়া নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এতে ১৪জন গুরতর আহত হয়েছে।

আহতরা হলেন, গুমানতলী গ্রামের মৃত: আব্দুল আজীজ গাজীর পুত্র মোঃ আজিজুল গাজী, আজবাহার গাজী, আকবর আলী গাজী, সিরদিক গাজী, জাহানারা বেগম, স্বামী আজিজুল গাজী, তাসলিমা খাতুন, স্বামী সিদ্দিক গাজী, আজগার আলী। আজিজুল গাজীর কন্যা আমেনা খাতুন, পুত্র ফজলুর রহমান ও নাছিম হোসাইন, সিদ্দিক গাজী পুত্র আবু ইছা। ১৪ জনের মধ্যে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১ জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। চারজন শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয় আবু হাসান জানায় আজিজুল গাজীদের সাথে নজরুল গাজীদের দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলছে তার জের ধরে বুধবার সকালে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে আইজুল গাজীদের পক্ষের ১১জন নজরুল গাজীদের পক্ষের ৩জন গুরুতর আহত অবস্থায় শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি হয়।

আহত ফজলু গাজী বলেন, নজরুল গাজী ও মোশারাফ সহ দেশীয় অস্ত্রধারী ১০-১২ জনের একটি দল আকবর গাজী ও সিদ্দিক গাজীকে গুমানতলি গাজী বাড়ি মসজিদের সামনে ফেলে বেধড়ক মারধর করে। এরপর রাস্তার উপর এসে আজিজুল গাজী ও আজবাহার গাজীকেও ব্যাপক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেয় হাত ভেঙে দেয়। সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে এবং পর্যায়ক্রমে ১১ জনকে মারধর করে, দা, সাবল, চায়নিচ কুরাল দিয়ে ৫ জনের মাথায় বিভিন্ন অংশে কোপ মারে, কয়েক জনের হাত ভেঙ্গেচুরে যায় স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে কেটে যাওয়ায় ওর না তো চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠিয়ে দেয়।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর দায়িত্ব চিকিৎসক ডাঃ স্নিগ্ধা বলেন, মারামারি সংক্রান্ত ১৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছিল, গুরুতর অবস্থা হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ১০ জনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে মর্জিনা ও মোশাররফ বাদে অন্যদের কয়েজনের হেড ইনজুরি সহ গুরুতর আহত। বাকি ৪জন এখানে চিকিৎসাধীন আছেন।

এবিষয়ে শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান বলেন, জমি জমা সংক্রান্ত মারামারির বিষয়টি শুনেছি এ বিষয়ে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ

কালিগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অন্যের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন কালিগঞ্জ উপজেলার দাদপুর গ্রামের আব্দুল জব্বারের পুত্র আব্দুস সাত্তার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা তিন ভাই যথাক্রমে হাজী আনিসুর রহমান, নজরুল ইসলাম ও জাফর আলী ২০০৭ সালে কালিগঞ্জ থানার দমদমা মৌজার খতিয়ান নম্বর: ১৩৭, দাগ নম্বর: ২৫, জমিটি এস এ রেকর্ডীয় মালিক কুলসুম বিবির নিকট হতে ক্রয় করি।

ক্রয়কৃত জমির মালিকানা স্বত্ব দাবি করে একই সালে আদম আলী গাজীর পুত্র বিএনপি নেতা আফসার গাজী বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে আমরা আদালতের শরণাপন্ন হলে ২০১১ সালে বিজ্ঞ কালিগঞ্জ আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেন।

উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে একসময়ে (২০০১-২০০৫) ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও বর্তমানে কালীগঞ্জ থানাধীন ভাড়া শিমলা ইউনিয়নের বিএনপি সভাপতি আফসার উদ্দিন গাজী পুনরায় মামলা দায়ের করে কালীগঞ্জ জজ আদালতে এবং জমিটি জবর দখলের অপ্রচেষ্টা করে। ২০১৭ সালে বিজ্ঞ আদালত আফসারের আনীত অভিযোগে মামলাটি ভিত্তিহীন ও আইনবিরুদ্ধ বলে উল্লেখ করে জমির ক্রয়কৃত মালিকগণের জমির মালিকানা প্রদানের রায় দেন। রায়ের প্রেক্ষিতে জমির মালিকগণ জমির নামজারি ও খাজনা প্রদানের নিমিত্তে দ্বারস্থ হলে উক্ত তহসিল অফিস সে সময় উভয়পক্ষের শুনানের মাধ্যমে, তাহসিল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জমির ক্রয়কৃত মালিক গণের পক্ষে রায় প্রদান করে উক্ত জমির মিউটেশন সম্পন্ন ও খাজনা পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলে আছি।
দীর্ঘদিন পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আফসার আলী গাজী তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে অবৈধভাবে জবর দখলের চেষ্টা করে এবং উল্টো আদালতের মাধ্যমে পুনরায় ১৪৫ ধারায় মামলা করে। উক্ত আদালত কালীগঞ্জ থানায় তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন পেশ করার দায়িত্ব প্রদান করেন। তার প্রেক্ষিতে কালীগঞ্জ থানা থেকে তদন্ত কর্মকর্তা সরজমিনে উক্ত জমিতে পরিদর্শন করে মালিকগণের পক্ষে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উক্ত জমিতে আপাতত প্রবেশাধিকার নিষেধ করেন। উক্ত জমিতে দখল গ্রহণের মাধ্যমে মালিকগণ দীর্ঘদিণ ধরে ঘেরের প্রজেক্ট পরিচালনা করে আসছে।

এদিকে আফসার মেম্বার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মালিকগণের ঘেরে চাষকৃত কোরাল, টেংরা, বাগদা, পারশে ও তেলাপিয়া মাছ সহ এক লক্ষ আশি হাজার টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায় এবং ঘেরের বাসা ভাংচুর করে ও লুটপাট চালায়। এছাড়া ঘেরের বেড়ীবাধ কেটে দিয়ে ক্যানেলের বাকি মাছ উন্মুক্ত করে দেয়।

এতে আমাদের আরো প্রায় ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকার অতিরিক্ত ক্ষতিসাধন করে। উক্ত তাদের লুটপাটে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ক্ষিপ্ত হয়ে আফসার এবং তারা ভাড়াটিয়া লোকজন আমাদের মারপিট করতে উদ্যত হয় এবং জমির পুনরায় জবরদখল করবে ও খুন জখমের হুমকি ও প্রদান করে। উক্ত ঘটনার সাক্ষী হিসেবে এলাকাবাসী আজিজুল ইসলাম ও লিটন পাড় বিষয়টি নিশ্চিত করে। এঘটনায় মালিকমালিকগণ আফসার আলী গাজীসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

জমির মালিকগণ এলাকার নিরীহ এবং শান্তিপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। অন্যদিকে আফসার আলী গাজী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকার মানুষের জমি জবর দখলের নেশায় মেতে উঠেছে। আফসার আলী একাধিক মানুষের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। ভুক্তভোগীরা ওই জবর দখলকারী আফসারের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা করে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ি ৭ বছরে পদার্পন করেছে। করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষকে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা স্বপ্নসিঁড়ি সংগঠনটি ৩দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের সোমবার ছিলো শেষ দিন।

সন্ধ্যা ৭টায় শহরের কফিভিলাতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ সরকারি মহিলা কলেজে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও স্বপ্নসিঁড়ির উপদেষ্ঠা প্রফেসর আজিজুর রহমান পলাশ। স্বপ্নসিঁড়ির সভাপতি নাজমুল হক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা রোভার স্কাউট এর কমিশনার রেজাউল করিম, সম্পাদক আবু তালেব, সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক আশরাফ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বপ্নসিঁড়ির সিনিয়র সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর আজিজুর রহমান পলাশ বলেন, স্বপ্নসিঁড়ি রোভার স্কাউটদের স্বপ্ন বিনির্মানে কাজ করছে।

বিভিন্ন সময়ে আর্ত মানবতা, বৃক্ষ রোপনসহ অসহায় মানুষকে সহায়তা করেন। তিনি আরো বলেন, সংগঠনের মাধ্যমে রোভার স্কাউটদের সাথে সাথে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে। তিনি স্বপ্নসিঁড়ির কার্যক্রমকে সামনে আরো এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট বায়োজিদ রনি, ব্যাংক কর্মকর্তা মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জয়,

সাংবাদিক এম বেলাল হোসেন, ল স্টুডেন্টস ফোরামের সিনিয়র সহ সভাপতি বেলাল হোসেন, স্বপ্নসিড়ির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সেলিম হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবু সাঈদ, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আল মামুন বাবু, জাহারুল হুদা, আনারুল ইসলাম, সিয়াম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস এম বিপ্লব হেসেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর উদ্যোগে মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতা ও বিটুবি নেটওয়ার্কিং- এর এক্সক্লুসিভ পার্টনার মিটআপ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১ টায় সাতক্ষীরা শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এইচসিজি ক্যান্সার কেয়ার হাসপাতালের সহযোগিতায় এ এক্সক্লুসিভ পার্টনার মিটআপ অনুষ্ঠিত হয়। মেডিকেল ভিসা প্রসেসর সমির এর সভাপতিত্বে মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতা ও বিটুবি নেটওয়ার্কিং এর উপর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

উপস্থাপন করেন,মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নাজমুল ইসলাম রাফি। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন “মুসকান এন্টারপ্রাইজ “এর স্বত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, এইচ সিজি ক্যান্সার হাসপাতাল কলকাতা ইউনিটের হেড অব ইন্টারন্যাশনাল সৌভিক স্যাম,মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মেহেদী হাসান।

এসময় অনুষ্ঠানে মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর ৩০ জন্য পার্টনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং উপকূলীয় নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘নারী-নেতৃত্বাধীন জলবায়ু সহনশীলতা, সুরক্ষা ও অ্যাডভোকেসি’ শীর্ষক এক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে হিউম্যান রাইটস এন্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন ডেভেলপমেন্ট (হেড)-এর আয়োজনে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

‘ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ড’ এবং ‘সম্প্রতি এইড ফাউন্ডেশন’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় তৃণমূল পর্যায়ের ৩০ জন নারী প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বহুমুখী সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষকগণ সাতক্ষীরা অঞ্চলের প্রধান সমস্যা হিসেবে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড় ও নদী ভাঙনের কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয় জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সামাজিক সমস্যার আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে, যার মধ্যে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি এবং মানব পাচারের ঝুঁকির বিষয়টি উঠে আসে।
‘নারীর প্রতি সহিংসতা ও দুর্যোগকালীন নারী সুরক্ষার বিষয়ে আলোকপাত করেন প্রশিক্ষকরা। এছাড়া দুর্যোগ মোকাবিলায় ‘জেন্ডার সংবেদনশীল অভিযোজন কৌশল’ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ‘কমিউনিটি সুরক্ষা পরিকল্পনা’ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় নারীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই তাদের নেতৃত্বে এই সুরক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত সময়োপযোগী।
হেড সংস্থার নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহর সমাজসেবা অফিসার মশিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা এবং সম্প্রতি এইড ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মলি শিকদার।

নারী উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি এইড ফাউন্ডেশনের মলি শিকদারকে অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার তরিকুল ইসলাম অন্তর এবং আরিজা সুলতানা আখি। প্রশিক্ষক হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন রেহানা পারভীন ও সোনিয়া পারভীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে সুপেয় পানির দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী ম্যারাথন ‘রান ফর ওয়াটার-২.o’।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দুই শতাধিক তরুণ-তরুণী ও পরিবেশকর্মী উপকূলের মানুষের পানি সংগ্রহের সংগ্রামকে ফুটিয়ে তুলতে মাটির কলস নিয়ে এই ম্যারাথনে অংশ নেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্যারেজ বাজার থেকে শুরু হয়ে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে গিয়ে শেষ হয় এই ম্যারাথন।

সুপেয় পানি নিশ্চিতের দাবিতে স্থানীয় যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিম এই ম্যারাথনের আয়োজন করে।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে একশনএইড বাংলাদেশ। এছাড়া ৩০টিরও বেশি যুব সংগঠন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেয়। আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দ্য এডিটরস।

ম্যারাথনে প্রথম স্থান অধিকার করেন গাবুরার জি.কে সাব্বির হোসেন, দ্বিতীয় হন বুড়িগোয়ালিনীর সাগর হোসেন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন সাতক্ষীরা সদরের ওয়াছিমুল ইসলাম তপু।

ম্যারাথন শেষে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য দেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর ডেপুটি ম্যানাজার (ইয়ুথ অ্যান্ড জাস্ট সোসাইটি) মুসতাহিদ জামি, ডেপুটি ম্যানাজার (পার্টনারশিপ এবং প্রোগ্রাম) আরিফ সিদ্দিকী, সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মোঃ শাহিন আলম, বাধন সংস্থার প্রতিনিধি শেখ ইমরান ও এসসিএফ এর সহকারী নির্বাহী পরিচালক হাবিবুল্ল্যাহ আল মামুন।

তারা পানি সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বক্তারা বলেন, এই ম্যারাথন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি উপকূলীয় জনপদের পানির অধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরির এক অনন্য প্রচেষ্টা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদরের শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সাতক্ষীরার আয়োজনে এ হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, হাম রুবেলা টিকা নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, কোন কুসংস্কার যেন এই টিকাদান থেকে কাউকে যেন টিকাদান থেকে বিরত না রাখে। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি মসজিদ, মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতদের টিকা নিতে জনগনকে সচেতন করার ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরহাদ জামিল, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিচালক মো. সাঈদুজ্জামান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ডা: রাশেদ উদ্দিন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী প্রমুখ।

উল্লেখ্য ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদেরকে ২০ এপ্রিল সোমবার থেকে ১০ মে পর্যন্ত টানা ১১ কর্মদিবসের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

এর মধ্যে ১ম ৮দিন কমিউনিটিতে এবং শেষের ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ টিকা প্রদান করা হবে। জেলায় মোট ২ হাজার ৪১৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া যে সকল শিশু এমআর বা হামের টিকা পেয়ে থাকলে অথবা হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ঐ বয়সের সকল শিশুকে ক্যাম্পেইনে এমআর টিকা দিতে নিতে পারবে। তবে একটি শিশু টিকা প্রদানের ২৮ দিন পূর্ণ হলেই সেই শিশু টিকা নিতে পারবে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিং

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারাদেশব্যাপী হাম-রুবেলা নির্মূল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সাতক্ষীরায় “হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬” উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ান্ত সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমত জাহান সুমনা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সাতক্ষীরা জেলায় এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হবে। নির্ধারিত এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জেলাজুড়ে মোট ২ হাজার ৪১৭টি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, হাম ও রুবেলা রোগ নির্মূলে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাম্পেইন চলাকালে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হবে। তিনি অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সফলভাবে ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest