সর্বশেষ সংবাদ-
হত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যুপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সেজেছে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্টহত্যা, ধর্ষণ, জুয়া ও মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক ‘ক্রসফায়ার’: প্রধানমন্ত্রীকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আবেদনদুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালাশহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিংকালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তালায় গাঁজা সেবনের সময় আটক দিদার মোড়ল : ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডসাতক্ষীরায় পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অবহিতকরণ

হত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : তিনটি হত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি অ্যাড আব্দুল লতিফ মারা গেছেন। সোমবার রাত ৪টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি সদর উপজেলার কামার বায়সা গ্রামের মৃত মুনসুর সরদারের ছেলে। তিনি সাতক্ষীরা জজ কোর্টের সাবেক পিপি, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের জেলা কমিটির উপদেষ্টা এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন।

গত ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বায়রা এলাকা থেকে ছেলে রাসেলসহ তাদের কে আটক করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনটি হত্যা মামলায় তিনি কারাগারে অন্তরীন ছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার দুলাল কর্মকার জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে কারাগারের মধ্যেই তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর রাত ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

আব্দুল লতিফের মেয়ে শাম্মি জানান, ২০২৫ সালে খুলনার বয়রা এলাকা থেকে তার পিতা ও ভাই রাসেল কে আটক করে পুলিশ।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুর রহমান জানান, রাত ৩.৩৫ মিনিটে জেল কর্তৃপক্ষ বুকে ব্যাথ্যা নিয়ে ভর্তি করে। রাত ৪টায় তিনি মারা যান।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের পরে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

​স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবির সুপারিশে আব্দুল লতিফ জেলা জজ আদালতের পিপি নিযুক্ত হন। এই সময়ে আদালতপাড়া নিয়ন্ত্রণ, ভারতীয় গরুর খাটাল ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাত থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হন বলে অভিযোগ ওঠে।

​গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক এই পিপির বিরুদ্ধে আটটি হত্যা ও নাশকতা মামলা এবং তাঁর ছেলে রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই তাঁরা গ্রেপ্তার এড়াতে খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।

​পারিবারিকভাবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল লতিফ দীর্ঘ দিন ধরে শহরের রসুলপুর এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তাঁর একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে। আইনগত জটিলতা এড়াতে তিনি উকিল কমিশনের মাধ্যমে ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেন।

##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২২/৫/২০২৬ তারিখে ড্যাফ বাংলাদেশ এনজিও’র নামে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে যে প্রতারনা নামে সাতক্ষীরার কয়েকটি অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে ড্যাফ বাংলাদেশ মূলত বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কাজ করে চলেছে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জনবল দ্বারা সরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহে কাজ করে চলেছে।

 

এখানে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন করা হয় না। রিজিওয়ানাল অফিসার প্রিতীষ রায় সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত তিনি যে বক্তব্যটি দিয়েছেন সেটি তার একান্ত নিজস্ব বক্তব্য এটি অত্র সংস্থার প্রধান নির্বাহী বা জেলা সমন্বয়কারীর কোন বক্তব্য নয়। আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী : মাহবুবুল আলম মিন্টু, জেলা সমন্বয়কারী ড্যাফ, বাংলাদেশ,সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সেজেছে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার টাউনশ্রীপুরে অবস্থিত জনপ্রিয় পিকনিক স্পট ও পর্যটন কেন্দ্র “রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট” ঈদুল আজহা উপলক্ষে নতুন সাজে সেজে উঠেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইছামতি নদীর মনোমুগ্ধকর পরিবেশ এবং সীমান্তঘেঁষা নিরিবিলি আবহের কারণে ইতোমধ্যেই পর্যটকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে এই বিনোদন কেন্দ্রটি। ঈদকে ঘিরে দর্শনার্থীদের বাড়তি আগমন উপলক্ষে পুরো এলাকাজুড়ে নেয়া হয়েছে নানামুখী সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার উদ্যোগ।
এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী টাউনশ্রীপুরের সেই পুরনো জৌলুস অনেকটাই হারিয়ে গেলেও এখানকার বিখ্যাত ব্যক্তিদের বাসস্থান, পুরাতন স্থাপনা ও বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এখনো ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে শুধুমাত্র ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট নয়, পুরো টাউনশ্রীপুর এলাকাকে ঘিরেই গড়ে উঠতে পারে বিশাল পর্যটন সম্ভাবনা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পর্যটকরা জানান, রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ইছামতি নদীর তীরবর্তী মনোরম পরিবেশ। নদীর একপাশে বাংলাদেশ এবং অপরপাশে ভারত— মাঝখানে শান্ত ইছামতি নদী যেন ভ্রমণপিপাসুদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে সব বয়সী মানুষের কাছে জায়গাটি অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেছে।
দর্শনার্থীদের ভাষ্য, সুন্দরবনের আদলে তৈরি এই ম্যানগ্রোভ ফরেস্টে এসে স্বল্প খরচে সুন্দরবন ভ্রমণের অনুভূতি পাওয়া যায়। বিশেষ করে ঈদ, বিভিন্ন সরকারি ছুটি ও উৎসবের দিনগুলোতে দূরে না গিয়েও পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটানোর জন্য এটি এখন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

নারী ও শিশুদের জন্য স্থানটি অত্যন্ত নিরাপদ বলেও জানিয়েছেন ভ্রমণকারীরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পরিবারবান্ধব আবহের কারণে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি। কর্তৃপক্ষ জানায়, সাধারণ দিনেও এখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। আর ঈদ, পূজা কিংবা সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ থেকে ৪ হাজারে।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, “রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বর্তমানে জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে এটি অন্যরকম অনুভূতির একটি জায়গা। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় পর্যটকদের জন্য কেন্দ্রটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক করতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হত্যা, ধর্ষণ, জুয়া ও মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক ‘ক্রসফায়ার’: প্রধানমন্ত্রীকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আবেদন

দেশে প্রতিনিয়ত আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলা হত্যা, ধর্ষণ এবং সমাজ ধ্বংসকারী জুয়া ও মাদকের মতো জঘন্য অপরাধের লাগাম টানতে প্রচলিত আইন পরিবর্তনের দাবি উঠেছে। অপরাধীদের মনে আইনের কঠোর শাসন ও তীব্র ভয় তৈরি করতে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে বিদ্যমান ফাঁসি বা অন্যান্য সাজার পরিবর্তে সরাসরি ‘ক্রসফায়ার তথা গুলি করে মৃত্যুদণ্ড’ কার্যকর করার নিয়ম প্রবর্তনের দাবি জানানো হয়েছে।

​মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি গভীর আস্থা রেখে এই আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোল্ল্যা মুহাম্মদ শাহাজুদ্দীন।

​এক বিবৃতিতে ছাত্রনেতা শাহাজুদ্দীন বলেন, “টেকসই, নিরাপদ ও যুবসমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় বর্তমান সরকারের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে সমাজে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া কিছু বর্বর অপরাধ এবং মাদক ও জুয়ার নীল দংশনে তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বর্তমান প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের মনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি করতে শাস্তির ধরনে আমূল পরিবর্তন আনা আজ সময়ের দাবি।”

​তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে জোর দাবি জানিয়ে বলেন, দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সংশোধন ও আধুনিকায়ন করা জরুরি। বিশেষ করে—হত্যাকাণ্ড, পাশবিক ধর্ষণ এবং সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া জুয়া ও যুবসমাজ ধ্বংসকারী মাদক সিন্ডিকেটের মামলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তে ‘সরাসরি গুলি করে মৃত্যুদণ্ড’ প্রবর্তন করা হোক।

​বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অপরাধী ও মাদক কারবারিদের জন্য এমন কঠোর ও তাৎক্ষণিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আইনি বিধান করা হলে সমাজ থেকে অপরাধের প্রবণতা চিরতরে হ্রাস পাবে এবং কোনো অপরাধীই এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার সাহস পাবে না।

​সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোল্ল্যা মুহাম্মদ শাহাজুদ্দীন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের আপামর জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা ও একটি অপরাধমুক্ত-মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণেতা এবং নীতি-নির্ধারকগণ এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ও জাপান সরকারের আর্থিক সহায়তায় এবং সুশীলনের বাস্তবায়নে ডিআরআর (দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস) কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ মহোদয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল ও ডব্লিউএফপি সাব-অফিস প্রধান আল মামুন আজাদ ও প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট মোঃ গিয়াস উদ্দিন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন।

কর্মশালায় জেলা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা, মোঃ আমিরুল ইসলাম এবং উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী, আশাশুনি উপজেলার কর্মকর্তা, প্রতাপনগর, শ্রীউলা ও আনুলিয়া ইউনিয়নের ইউডিএমসি সদস্য, মাঠ পর্যায়ের ঠিকাদার, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীলনের কর্মীরা অংশ নেন। কর্মশালায় প্রকল্প কার্যক্রম উপস্থাপন করেন জি এম মনিরুজ্জামান, উপ পরিচালক, সুশীলন।

অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে প্রধান ও বিশেষ অতিথিরা ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন জোরদার করতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন। তাঁরা কার্যক্রমে আরও বেশি জনসম্পৃক্ততা সৃষ্টি ও প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ মহোদয় বলেন, মৎস্য চাষিদের আরও সতর্ক করার জন্য তারা যেন মাছের ঘের নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করেন এবং নবনির্মিত রাস্তা ভালো রাখেন।

পাশাপাশি স্থানীয় প্রেক্ষাপট পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউডিএমসিগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উল্লেখ, ডিআরআর কার্যক্রমের মাধ্যমে সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে সুশীলন। মাঠ পর্যায়ে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি (ইউডিএমসি) এবং কারিগরি সকল সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহরের কুখরালী থেকে সোহানা নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা শহরের কুখরালী এলাকা থেকে সোহানা পারভীন নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে শহরের কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন তার স্বামীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সোহানা পারভীন (১৯) সদর উপজেলার দহাকুলা গ্রামের মোঃ আব্দুল খলিলের মেয়ে এবং সাতক্ষীরা শহরের কুখরালী গ্রামের শেখ সাকিব হোসেনের স্ত্রী। দাম্পত্য জীবনে তাদের ফাইয়াজ হোসেন নামে তিন বছরের একটি শিশু সন্তান রয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, নিহত সোহানার স্বামী সাকিবের সাথে প্রতিবেশী এক তরুনীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। এরই জেরে রাতের কোন এক সময় সোহানা অভিমানে আতœহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। তবে, নিহতের স্বজনদের দাবি, সোহানাকে হত্যার পর গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলিয়ে রেখে আতœহত্যা বলে প্রচার দেয়া হচ্ছে। এদিকে, খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর গৃহবধূ সোহানার মৃত্যুর আসল রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেননি। তবে, এ ঘটনায় নিহতের স্বামী শেখ সাকিব হোসেনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরায় রোড শো, ও পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিং

নিজস্ব প্রতিনিধি : “আসন্ন ঈদ উল আযহা ২০২৬” উদযাপন উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে ঢাকাগামী পরিবহণ কাউন্টার গুলোতে মনিটারিং এবং রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে ‘২৬) বিকালে শহরের সঙ্গীতার মোড়ে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএ সাতক্ষীরার যৌথ আয়োজনে ঘরেফেরা/ঘরমুখো মানুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে ঢাকাগামী বিভিন্ন পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিং এবং রোড শো’র আয়োজন করা হয়।

বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জিয়াউর রহমান এর দিক নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিং ও রোড শোতে পথচারী, চালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

রোড শো’তে সকলের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক সঞ্চালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) উসমান সরওয়ার আলম।

কাউন্টার মনিটারিং ও রোড শো’ তে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিআরটিএ’র সাতক্ষীরার সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক মোঃ ওমর ফারুক, মেকানিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারী মোঃ নাসির উদ্দিন, ট্রাফিক বিভাগের সদস্য, পরিবহণ মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি।

পরিবহণ কাউন্টারে মনিটারিং ও রোড শোতে স্থানীয় জনগণ ও পথচারীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। বিআরটিএ এধরনের উদ্যোগকে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, স্থানীয় মানুষ ও সাধারণ জনগণ এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহরাব হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
নিজস্ব প্রতিনিধি:  চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে সোহরাব হোসেন সরদার নামের এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ-,৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেওয়া হয়েছে।
২১ মে বৃহষ্পতিবার সাতক্ষীরার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আবু বক্কর ছিদ্দিক এক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষনা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামী সোহরাব হোসেন আদালতের কাঠগোড়ায় হাজির ছিলেন।
আসামী সোহরাব হোসেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী গ্রামের মৃত মহব্বত আলী সরদারের ছেলে।
মামলার বিবরনে জানা যায়, সম্পর্কে দাদা হওয়ায় কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী গ্রামের সোহরাব হোসেন চার বছর বয়সী ভিকটিমের সাথে মাঝে মাঝে খেলাধুলা করতেন। ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা ২০ মিনিট পর্যন্ত নিজেদের উঠানে খেলা করার একপর্যায়ে আসামী ভিকটিমকে কৌশলে তার ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে গলা চেপে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে সোহরাব।
বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য আবারো ভয় দেখায় সোহরাব।  সন্ধ্যায় যৌনাঙ্গে যন্ত্রণা শুরু হলে জানতে চাইলে ওই ভিকটিম বিষয়টি তার মাকে জানায়। একপর্যায়ে তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওই বছরের  ৪ মার্চ ভিকটিমের মা বাদি হয়ে সোহরাব হোসেনকে আসামী শ্রেণীভুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২০০০ সালের সংশোধিত ২০০৩ এর ৯(১) ধারায় কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। একই দিনে সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম মাসুমা আক্তার ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
একই দিনে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কালিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক জাহিদুল আলম এজাহারভুক্ত আসামীর নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তবে আসামী গ্রেপ্তারের পর থেকে জামিনে মুক্তি পাননি।
 ১৩ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি এবং মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আসামী সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ-, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা , অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেন।
আসামী মামলার রায় শোনার পর তার কাছে জানতে চাইলে তিনি আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে উচ্চ আদালতে যাবেন বলে জানান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest