সর্বশেষ সংবাদ-
Digital Fairness in the Age of Big Techসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যুপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সেজেছে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্টহত্যা, ধর্ষণ, জুয়া ও মাদকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক ‘ক্রসফায়ার’: প্রধানমন্ত্রীকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আবেদনদুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা

Digital Fairness in the Age of Big Tech

কর্তৃক phpWpAdmin

Why regulators, consumers and smaller companies are demanding change now

1. The Current Landscape

In many countries around the world, questions are mounting about how large digital platforms and big tech companies operate. A recent survey by Ipsos across 30 countries found that “digital fairness” is a growing concern—unfair practices in digital markets are seen as a serious challenge. :contentReference[oaicite:2]{index=2}

What this means in practice: issues such as platform dominance, opaque algorithms, data-privacy practices, and unequal access for smaller players. These are no longer niche tech concerns—they are moving into the public policy arena.

2. Why It Matters Now

Trust in digital markets is eroding. When people believe that platforms favour themselves or unfairly disadvantage others, the incentives to participate fairly decline. This can suppress innovation and reduce competition.

Additionally, digital technology is increasingly entwined with everyday life—from shopping and work to social connection and civic engagement. Hence, how the rules are framed has large societal implications.

Regulators are responding. For example, in the European Union, newer laws are being proposed or enforced to ensure fairness in digital markets. The survey by Ipsos helps illustrate how the public perceives these issues globally. :contentReference[oaicite:3]{index=3}

3. Key Challenges and Tensions

  • Platform power vs. free competition: When a few platforms control large portions of the ecosystem (apps, marketplaces, ad services), smaller companies may struggle to compete on equal terms.
  • Transparency and algorithmic fairness: How do we ensure that the decisions made by algorithms (e.g., content ranking, recommendation, ad targeting) are fair and explainable?
  • Global vs. local regulation: Digital platforms operate across borders. National regulation may not be sufficient; global coordination is difficult.
  • User data and privacy: Fairness also intersects with how user data is collected, used and monetised. Are users aware? Are they treated equitably?

4. What This Means for You (and Me)

From a consumer or user perspective, this trend means you should be more aware of:

  • Which platforms you use and how they treat your data.
  • Whether smaller or alternative services could offer better value or fairness.
  • How to engage critically: ask questions like “Why is this product recommended to me?” or “What business model is behind this service?”

For professionals (including those working in digital marketing, SEO, content or tech), the implications are also big: strategy may need to adapt to new rules on platform access, data usage, and competition. Understanding the shift toward fairness could create opportunities for differentiation.

5. Looking Ahead

We are likely to see several developments:

  1. More regulatory action internationally, especially in regions like the EU and possibly Asia-Pacific.
  2. Increased pressure on big tech companies to demonstrate fairness, transparency and enable smaller players.
  3. Emergence of new platforms and services that promote fairness as a core value (which might appeal to users tired of being “just another data point”).
  4. Growing public expectation that digital participation comes with rights and responsibilities—fair access, choice, and clarity.

For anyone interested in digital culture, business trends or societal change, this is a moment to watch: the era of “unquestioned platform power” may be shifting toward a more balanced model.

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৫ মে) রাতে হাদিপুর এলাকার একটি ইট ভাটার পিছন থেকে উক্ত ফেনসিডিল উদ্ধার হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ওহিদুজ্জামান বলেন, আমি রাস্তার পাশে একা বসেছিলাম। হঠাৎ দেখি ৭/৮ জন লোক মাথায় বস্তা নিয়ে মেইন রাস্তার দিকে যাচ্ছে। আমি তাদের উদ্দেশ্য করে কে কে বললে তারা আমাকে ইট তুলে মারার চেষ্টা করে। পরে আমি বন্ধুদের ফোন করে ডাক দিলে তারা দুটি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আসমতুল্লাহ গাজী বলেন, স্থানীয় যুবকদের ফোন কল পেয়ে থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পরে মাদক উদ্ধার স্থলে গিয়ে থানা পুলিশের সহযোগিতায় গননা করলে ২৩৪ বোতল ফেন্সিডিল পাওয়া যায়।

দেবহাটা থানার এসআই নকীব বলেন, স্থানীয় মেম্বারের ফোন পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করি। জব্দকৃত মালামাল থানায় নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় পিকআপ ভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দাদা-নাতীর মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলেন মোটরসাইকেল চালক নাসিম ফকির (৩৬) ও আরোহী মেহেদী (১৮)।

উভয়ই তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর ৬টার দিকে খুলনা-পাইকগাছা সড়কের তালা উপজেলার তেতুলিয়া জামে মসজিদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাসিম ফকির প্রসাদপুর গ্রামের খোকন ফকিরের ছেলে এবং মেহেদী একই গ্রামের হাফিজুল ফকিরের ছেলে। তারা দু জন সর্ম্পকে দাদা-নাতী।

স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, নাসিম ভোরে তার খামারের জন্য মাছ আনতে চুকনগরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। মোটরসাইকেলে তার সঙ্গে আরোহী ছিলেন মেহেদী। পথে তেতুলিয়া এলাকায় ১৮ মাইলের দিক থেকে আসা ঢাকা মেট্রো-অ১৪-১৫৫৪ নম্বরের একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলটি পিকআপের নিচে চলে যায় বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা ফয়সাল। ঘটনাস্থলেই নাসিমের মৃত্যু হয়।

আহত মেহেদীকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুল ইসলাম হাওলাদার জানান, ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেদী হাসানকে খুলনা নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী

নিজস্ব প্রতিনিধি : নদীর চরে বসবাসকারী ১৭টি অসহায় হিন্দু পরিবারকে উচ্ছেদ এবং তিন শতাধিক গাছ হত্যার প্রতিবাদ করে বিপাকে পড়েছেন বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম। হিন্দু অধ্যুাষিত এলাকার আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হওয়া এই জামায়াত নেতা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে পরিকল্পিত চাঁদাবাজির মামলাও। এঘটনায় উপজেলা জুড়ে চলছে নানা গুঞ্জন। তিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদের জেরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়েছে বলে মনে করেন স্থানীরা।
বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর-রাদ কর্পোরেশনের আইন কর্মকর্তা পরিচয়ে মোঃ জালাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি রোববার রাতে শ্যামনগর থানায় উক্ত মামলা করেন। যার নং- ৪৪। উপজেলা জামায়াতের সদস্য নজরুল ইসলাম শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন তীরবর্তী বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। উক্ত মামলায় নজরুল ইসলামের ছেলে আব্দুর রহমান, বিশ^জিৎ মন্ডল ও মোঃ সবুজের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামীয় ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল রাতে সুন্দরবনসংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীর দুর্গাবটি এলাকার চরে বেড়ে ওঠা মানগ্রোভ প্রজাতির নানা ধরনের প্রায় তিন শতাধিক গাছ কেটে ফেলে একদল দুর্র্বৃত্ত। এসময় রাতারাতি তারা তিনটি এসকেভেটর দিয়ে তদসংলগ্ন চরের প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে ভেড়ী আকারে রি-বাঁধ গড়ে তুলে নদীর সাথে ঐ অংশে জোয়ার-ভাটার পানি ওঠানামার সুযোগ বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে পরদিন সকালে স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পরির্দশন শেষে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। পরক্ষনে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) রাশেদ হোসাইন সেখানে পৌছে রাতে নির্মিত ভেড়ী অপসারণ করে পুনরায় সেখানে জোয়ার-ভাটার পানি ওঠানার সুযোগ করে দেন। তারপর থেকে উক্ত অংশে বাঁধের সংস্কার কাজ বন্ধ রাখে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। একপর্যায়ে রোববার রাতে গাছ কর্তনপুর্বক চর দখলের প্রতিবাদকারী চেয়ারম্যানসহ তার লোকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়।
আব্দুল আজিজ ও আইয়ুব আলীসহ স্থানীয়দের ভাষ্য আর-রাদ কপোর্রেশন নামীয় প্রতিষ্ঠানটি বুড়িগোয়ালীনি ও গাবুরা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কারের কাজ করছে। যার অংশ হিসেবে ইতিপুর্বে তারা খোলপেটুয়া নদীর অপর একটি অংশের চর দখলে নিয়ে ব্লক নির্মানের ইয়ার্ড তৈরি করেছেন। নুতন করে আরও একটি ব্লক তৈরির ইয়ার্ড গড়ার জন্য তারা রাতারাতি খোলপেটুয়া নদীর দুর্গাবাটি এলাকার চর দখল করে। এসময় সেখানে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনায়নের প্রায় তিন শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে সাবাড় করে। এছাড়া চুনকুড়ি এলাকায় নদীর চরে বসবাসকারী ১৭টি ভূমিহীন হিন্দু পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। দখল করা হয়েছে তাদের শ্মাশান। এসব বিষয় নিয়ে মানববন্ধন করে প্রতিবাদ জানানোর প্রেক্ষিতে আওয়ামীলীগ সরকারের সময়কালের পানি সম্পদ মন্ত্রীর “আপনজন’ পরিচয় দিয়ে দাপিয়ে বেড়ানো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক সবুজ খান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে হয়রানী করতেই আইন কর্মকর্তাকে দিয়ে মামলা করেছেন।
এসব গ্রামবাসী আরও জানান আর-রাদ কর্পোরেশন ২০২২ সাল থেকে শ্যামনগরের উপকুলীয় এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কারের কাজ করছে। ইতিপুর্বে তিনি তৎকালীন সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীর ভাগ্নে পরিচয় দিয়ে অবৈধভাবে খোলপেটুয়া নদীর চর দখলসহ কলবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার প্রায় ৯০ একর জমি নামমাত্র মুল্যে লিজ নিয়ে চিংড়ি প্রকল্প গড়ে তুলেছিলেন।
এবিষয়ে মামলার বাদি জালাল উদ্দিন জানান নজরুল ইসলাম ৫ আগষ্টের পর থেকে চাঁদা দাবি করছে। বাধ্য হয়ে গত ১৩ মে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। তিনি আরও বলেন জাইকার অর্থায়নে বাঁধে সংস্কারের কাজের জন্য সরকার চর আর-রাদ কর্পোরেশনকে লিজ দিয়েছে। তবে লিজ নিলেও গাছ কাটতে পারেন কিনা-জানতে চাইলে ‘গাছগুলো একেবারে ছোট আর কেউ লাগ্য়ানি’। তিনি আরও জানান, গত চার/পাচ দিন পুর্বে তিনি ইয়ার্ডে এসে চাঁদা দাবিসহ নানাভাবে হুমকি দিয়েছেন। সবকিছুর রেকর্ড রয়েছে।
তবে ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কাটার প্রতিবাদ করা এবং ভূমিহীনদের উচ্ছেদে বাধা দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। মামলায় উল্লেখিত সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে বাজেট মিটিং ছিলো। সে সময় বাজেট মিটিং ছিলাম।
সত্যতা নিশ্চিত করে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান চাঁদা দাবিসহ হামলা ভাংচুরের বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। তদন্তে সবকিছু বেরিয়ে আসবে।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা ওই মিথ্যা মামলার প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় থানার গনেশপুর গ্রামে তালগাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্য খাইরুল কাগজীর (৪৯) করুন মৃত্যু হয়েছে। সে খলিষখালি ইউনিয়ন শাখা জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

সোমবার বিকালে খলিশখালী ইউনিয়নের গণেশ পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খাইরুল ইসলাম কাজী ঘটনার সময় বাড়ির পাশে তালগাছ উঠে তাল কাটছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবসত গাছ থেকে পড়ে যায়।

স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রতি মধ্যে তার মৃত্যু হয়।

খায়রুল ইসলাম কাগজী তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত সাবেক ইউপি সদস্য ও গনেশপুর গ্রামের খালেক কাগজীর ছেলে।

খলিষখালি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক ওবায়দুল্লাহ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : তিনটি হত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি অ্যাড আব্দুল লতিফ মারা গেছেন। সোমবার রাত ৪টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি সদর উপজেলার কামার বায়সা গ্রামের মৃত মুনসুর সরদারের ছেলে। তিনি সাতক্ষীরা জজ কোর্টের সাবেক পিপি, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের জেলা কমিটির উপদেষ্টা এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন।

গত ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর খুলনার বায়রা এলাকা থেকে ছেলে রাসেলসহ তাদের কে আটক করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনটি হত্যা মামলায় তিনি কারাগারে অন্তরীন ছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের জেলার দুলাল কর্মকার জানান, সোমবার রাত ৩টার দিকে কারাগারের মধ্যেই তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। দ্রুত তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর রাত ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

আব্দুল লতিফের মেয়ে শাম্মি জানান, ২০২৫ সালে খুলনার বয়রা এলাকা থেকে তার পিতা ও ভাই রাসেল কে আটক করে পুলিশ।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুর রহমান জানান, রাত ৩.৩৫ মিনিটে জেল কর্তৃপক্ষ বুকে ব্যাথ্যা নিয়ে ভর্তি করে। রাত ৪টায় তিনি মারা যান।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের পরে তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

​স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাতক্ষীরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবির সুপারিশে আব্দুল লতিফ জেলা জজ আদালতের পিপি নিযুক্ত হন। এই সময়ে আদালতপাড়া নিয়ন্ত্রণ, ভারতীয় গরুর খাটাল ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাত থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হন বলে অভিযোগ ওঠে।

​গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক এই পিপির বিরুদ্ধে আটটি হত্যা ও নাশকতা মামলা এবং তাঁর ছেলে রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই তাঁরা গ্রেপ্তার এড়াতে খুলনায় আত্মগোপনে ছিলেন।

​পারিবারিকভাবে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল লতিফ দীর্ঘ দিন ধরে শহরের রসুলপুর এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তাঁর একটি পাঁচতলা ভবন রয়েছে। আইনগত জটিলতা এড়াতে তিনি উকিল কমিশনের মাধ্যমে ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাট বিক্রি করেন।

##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২২/৫/২০২৬ তারিখে ড্যাফ বাংলাদেশ এনজিও’র নামে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে যে প্রতারনা নামে সাতক্ষীরার কয়েকটি অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। প্রকৃতপক্ষে ড্যাফ বাংলাদেশ মূলত বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে কাজ করে চলেছে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জনবল দ্বারা সরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহে কাজ করে চলেছে।

 

এখানে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন করা হয় না। রিজিওয়ানাল অফিসার প্রিতীষ রায় সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত তিনি যে বক্তব্যটি দিয়েছেন সেটি তার একান্ত নিজস্ব বক্তব্য এটি অত্র সংস্থার প্রধান নির্বাহী বা জেলা সমন্বয়কারীর কোন বক্তব্য নয়। আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী : মাহবুবুল আলম মিন্টু, জেলা সমন্বয়কারী ড্যাফ, বাংলাদেশ,সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদকে সামনে রেখে অপরূপ সাজে সেজেছে দেবহাটার রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার টাউনশ্রীপুরে অবস্থিত জনপ্রিয় পিকনিক স্পট ও পর্যটন কেন্দ্র “রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট” ঈদুল আজহা উপলক্ষে নতুন সাজে সেজে উঠেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইছামতি নদীর মনোমুগ্ধকর পরিবেশ এবং সীমান্তঘেঁষা নিরিবিলি আবহের কারণে ইতোমধ্যেই পর্যটকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে এই বিনোদন কেন্দ্রটি। ঈদকে ঘিরে দর্শনার্থীদের বাড়তি আগমন উপলক্ষে পুরো এলাকাজুড়ে নেয়া হয়েছে নানামুখী সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার উদ্যোগ।
এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী টাউনশ্রীপুরের সেই পুরনো জৌলুস অনেকটাই হারিয়ে গেলেও এখানকার বিখ্যাত ব্যক্তিদের বাসস্থান, পুরাতন স্থাপনা ও বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এখনো ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফলে শুধুমাত্র ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট নয়, পুরো টাউনশ্রীপুর এলাকাকে ঘিরেই গড়ে উঠতে পারে বিশাল পর্যটন সম্ভাবনা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পর্যটকরা জানান, রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ইছামতি নদীর তীরবর্তী মনোরম পরিবেশ। নদীর একপাশে বাংলাদেশ এবং অপরপাশে ভারত— মাঝখানে শান্ত ইছামতি নদী যেন ভ্রমণপিপাসুদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে সব বয়সী মানুষের কাছে জায়গাটি অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেছে।
দর্শনার্থীদের ভাষ্য, সুন্দরবনের আদলে তৈরি এই ম্যানগ্রোভ ফরেস্টে এসে স্বল্প খরচে সুন্দরবন ভ্রমণের অনুভূতি পাওয়া যায়। বিশেষ করে ঈদ, বিভিন্ন সরকারি ছুটি ও উৎসবের দিনগুলোতে দূরে না গিয়েও পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটানোর জন্য এটি এখন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

নারী ও শিশুদের জন্য স্থানটি অত্যন্ত নিরাপদ বলেও জানিয়েছেন ভ্রমণকারীরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পরিবারবান্ধব আবহের কারণে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি। কর্তৃপক্ষ জানায়, সাধারণ দিনেও এখানে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। আর ঈদ, পূজা কিংবা সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ থেকে ৪ হাজারে।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, “রূপসী ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বর্তমানে জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে এটি অন্যরকম অনুভূতির একটি জায়গা। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় পর্যটকদের জন্য কেন্দ্রটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক করতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest