সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার বরসা রিসোর্ট হলরুমে উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার উদ্বোধন করেন গ্রীণ কোয়ালিশন সাতক্ষীরার সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবু। প্রশিক্ষণের মূল প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বারসিক এর পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস।

বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান বারসিক এর সহযোগিতায় এবং গ্রীণ কোয়ালিশন আয়োজিত প্রশিক্ষণে স্থানীয় কৃষক, সংগঠক, পরিবেশকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করেন।

বারসিক এর উপকূলীয় আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা গ্রীণ কোয়ালিশন এর উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, নাগরিক নেতা অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, শ্যামনগর পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক কিরণ শংকর চট্টোপাধ্যায়, প্রবীণ নাগরিক নেতা আব্দুল মান্নান, কবি দিলরুবা রুবি, ডিবিসি নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম.বেলাল হোসাইন, গ্লোবাল টেলিভিশনের রাহাত রাজা, বনজীবি নারী শেফালী বিবি, যুব সংগঠক জান্নাতুল নাঈম, হাবিবুর রহমান, পরিবেশকর্মী রাজু আহমেদ, উন্নয়ন কর্মী নাজমুস সাদাত পলাশ, বারসিক এর সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি-জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বিকল্প জৈব পদ্ধতিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, রাসায়নিক নির্ভরতা হ্রাস এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্বের আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করাও এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

কর্মশালা শেষে গ্রীণ কোয়ালিশন নেতৃবৃন্দ কৃষিপ্রতিবেশ, প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় আগামী অর্থবছরের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে আমমোক্তারনামা দলিল সৃষ্টিতে বাধা দিয়ে সাংবাদিক এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহর উপর হামলা, মারপিট ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) এ মামলার ছয়জন আসামির মধ্যে ৪নং আসামি ব্যতীত পাঁচজন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন জানালে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডল জামিন নামঞ্জুর করে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং বাকী চারজনের জামিন মঞ্জুর করেন।

বাদীপক্ষে মামলার শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট পিন্টু। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট তোজামসহ অন্যান্যরা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা সোনাডাঙা থানার পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার মোকসুদার রশিদের লক্ষীদাঁড়ি মৌজার ১৮ শতক জমি আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসারের এজলাসে আসেন। ওই জমির আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য মাকসুদার রশিদকে ইতোপূর্বে কয়েক দফায় ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকী পাঁচ লাখ টাকা রেজিস্ট্রি সম্পাদনের সময় দেওয়ার কথা।

রেজিস্ট্রারের এজলাসে আমমোক্তারনামা রেজিস্ট্রির সময় আসামিরা চাঁদা বাবদ ৫০ লাখ টাকা চাইলে আসামিদের সাথে জুলফিকার আলি জিন্নাহ’র কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রেজিস্ট্রারের এজলাস থেকে আসামিরা জিন্নাহকে ঘাড় ধরে মারতে মারতে বাইরে আনে। এ সময় তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে তাকে অ্যাড. আজাদ হোসেন বেলালের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে আবার এজলাসের মধ্যে এনে আটকে রেখে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। তাকে ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য ভয় দেখানো হয়। পরে আবারো তাকে মারপিট করা হয়। এ সময় আসামি শেখ মাহাবুব উল্লাহ তার ডান পকেটে থাকা দুই লাখ টাকা ও আসামি টুটুল তার বাম পকেটে থাকা তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে স্বজনরা জিন্নাহকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়।

এ ঘটনায় এনটিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, শহরের কাটিয়া লস্করপাড়ার সৈয়দ শাখাওয়াত আলীর ছেলে সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল, তার ছেলে মোঃ শিহাব, শহরের মুনজিতপুরের ইশারত আলী পান্নার ছেলে শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, কাটিয়ার শেখ মোশাররফ হোসেনের ছেলে শেখ মাহাবুব উল্লাহ, সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে তরিকুল ইসলাম ও শহরের পলাশপোলের সাইফুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলার প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা এবং সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন হতে বরাদ্দকৃত আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল ৪ টায়

জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় শ্রম দপ্তর, খুলনার আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ চেক বিতরণ করা হয়। খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়ন এর পরিচালক মো. হাফেজ আহাম্মাদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের মাঝে চেক বিতরণ করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিঞ্চুপদ পাল। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের উপপরিচালক এস এম ফারুক আহমেদ, সহকারী পরিচালক, অসিম কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে তালিকাভূক্ত ২৭ জন শ্রমিকের মাঝে ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার বলেন, সরকার দূর্ঘটনা কবলিত শ্রমিকদের ও সন্তানদের চিকিৎসা ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন উক্ত চেক বিতরণ করছেন। এটি সরকারের একটি মহত উদ্যোগ, যার অনুদান পেয়ে শ্রমিকরা উপকৃত হচ্ছে। এই অনুদান পেতে জেলার শ্রমিকরা আবেদন করে স্বাবলম্বী হতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে মোশাররফ হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) বিকালে শহরের বাঙ্গালের মোড় এলাকায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসতিয়াক আহমেদ অপু এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। আদালত মোশাররফ হোসেনকে ১ মাসের কারাদণ্ড এবং নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এসময় তার কাছে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ১৭০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অনুমোদন ছাড়াই জ্বালানি তেল মজুদ করে আসছিলেন, যা আইনবিরোধী।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসতিয়াক আহমেদ অপু জানান, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জনস্বার্থে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে “লবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশের প্রভাব প্রতিরোধ” শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বারসিক এনগেজ প্রকল্প(BARCIK-ENGAGE)-এর উদ্যোগে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু। সংলাপে উপস্থিত ছিলেন বারসিক এনগেজ প্রকল্পের এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভীন, ইউপি সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় শিক্ষক, চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সুশীল সমাজ সংগঠনের সদস্যরা।
সংলাপে বক্তারা আটুলিয়া ইউনিয়নের ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা সমস্যার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণ পানি অনুপ্রবেশের ফলে কৃষিজমি, পানীয় জলের উৎস এবং স্থানীয় জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠছে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, লবণাক্ততা সমস্যা শুধুমাত্র একটি পরিবেশগত সংকট নয়, বরং এটি একটি গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে কৃষক, জেলে ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠী এ সমস্যার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সংলাপে লবণ পানি অনুপ্রবেশ রোধে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
টেকসই ও পরিবেশবান্ধব কৃষি পদ্ধতি চালু করা ,মিঠা পানির উৎস সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার, অবৈধভাবে লবণ পানি উত্তোলন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ ,স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ।
সভাপতির বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু বলেন, “সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।”
বারসিকের এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভীন তার বক্তব্যে বলেন, “লবণাক্ততা দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা সতর্ক করে বলেন, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এ অঞ্চলের মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রা হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে। তাই দ্রুত ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বারসিকের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো. শরিফুল ইসলাম।
সংলাপ শেষে অংশগ্রহণকারীরা লবণাক্ততা সমস্যা মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

পহেলা বৈশাখের আমেজে সাজানো স্কুল প্রাঙ্গণে শুরুতেই ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের নাচ, গান ও আবৃত্তি উপস্থিত সবার মন জয় করে নেয়। রঙিন পোশাকে সজ্জিত সোনামণিদের পরিবেশনায় বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চিত্র ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্না চক্রবর্তী ও কেয়া চৌধুরী। তাদের সুরেলা কণ্ঠে পরিবেশিত গান পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে এবং দর্শকদের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে।

সবশেষে পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্য ধরে রাখতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অতিথিদের মাঝে চিড়া, কলা, দই ও বাতাসা পরিবেশন করা হয়।

বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান কাজল জানান, নতুন প্রজন্মের মাঝে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দিতে এবং পহেলা বৈশাখের গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধন

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেছেন, খাল কাটা প্রকল্প সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প। খাল কাটা কর্মসূচীর মাধ্যমে সাধারন মানুষ অধিক ফসল উৎপাদন করতে পারে এবং এলাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।

মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সোমবার ১৩ এপ্রিল বিকাল ৪টায় দেবহাটা সদর ইউনিয়নের গোপাখালী এলাকায় ১০ফুটের খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, আমরা যে যাই দল করিনা কেন দেশ, জাতি ও এলাকার উন্নয়নে সর্বদা একসাথে কাজ করবো।

তিনি এই খালসহ জেলার একাধিক খাল কাটা হবে উল্লেখ করে জানান, এই কাজে কোন গাফিলতি বা দূর্নীতি কেউ করবেনা আর এজন্য সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান তিনি। দেবহাটার গোপাখালী গ্রামে উপজেলা প্রশাসন ও সাতক্ষীরা বিএডিসি (সেচ) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী,

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক হাফেজ মাওলানা এমদাদুল হক, সাতক্ষীরা বিএনডিসির সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইবনেসিনা, উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু, সাবেক দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু তালেব বুলবুল, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা বিএডিসি(সেচ) এর বাস্তবায়নে ১.৮৫ কিলোমিটার উক্ত খালটি প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দে খনন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর সানাপাড়া গ্রামে মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় ওমর ফারুক (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বেলা এগারটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওমর ফারুক সানাপাড়া গ্রামের মোঃ আরাফাত গাজীর ছেলে।

সানাপাড়া গ্রামের আতাউর গাজী জানান, বেলা এগারটার দিকে বাড়ির পাশে রাস্তার ধারে খেলা করছিল ওমর ফারুক। এসময় মাটি বহনকারী দ্রুতগতির একটি ট্রলি শিশুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে কিছুক্ষণের মধ্যে সে মারা যায়।

সাতক্ষীরা সদর থানার আওতাধীন ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সোহরাব হোসেন জানান, ট্রলিটি জব্দ করা হলেও চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে এঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, কিছু অসাধু ঠিকাদার দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরার ধুলিহর এলাকায় বেতনা নদী খননের মাটি অবৈধভাবে উত্তোলন ও পরিবহন করে আসছে। এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাধা দিলে গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা করে দুর্বৃত্তরা।

এঘটনায় সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা জামিন পান। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামিন পেয়ে জেলহাজত থেকে বের হয়ে আবারও তারা বেপরোয়া ভাবে মাটি পরিবহন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ মাটি বহনকারী ট্রলির বেপরোয়া চলাচলের কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা হরহামেশা ঘটছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest