সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

শ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের কুলতলী গ্রামে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী গায়েন (৫৫) নামের এক মৎস্যচাষির মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়াকুব আলী গায়েন কুলতলী গ্রামের মৃত আজিজ গায়েনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে নিজ মৎস্য ঘেরে কাজ করছিলেন ইয়াকুব আলী। এ সময় হঠাৎ আকাশে মেঘ জমে আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহত

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনের কলাগাছিয়া মুল্লি খালের ভারানির মুখ এলাকায় বনদস্যুর গুলিতে আতিয়ার রহমান (৬৫) নামে এক কাঁকড়া শিকারি আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আতিয়ার রহমান বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মৃত মান্দার গাজীর ছেলে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সকালে সুন্দরবনের নির্দিষ্ট এলাকায় কাঁকড়া আহরণ করতে যান আতিয়ার রহমান। এসময় হঠাৎ করে বনদস্যুদের একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আতিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।

সহযোগী জেলেরা দ্রুত তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আনুমানিক বেলা ১২ টার সময়, গুলি বৃদ্ধ অবস্থায় বুড়িগোয়ালিনী এলাকার জেলে আতিয়ার রহমান আমাদের অফিসে আসলে তাতক্ষনিক আমরা আহত জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে, এবং শ্যামনগর থানা পুলিশ ও কৈখালী কোষ্ট গাড কে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :  মিলন কসাই নামে এক ব্যক্তি রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের মাংস লোপাট ও তথ্য গোপন করার অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিনের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম খান।

কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের পশ্চিম নারায়নপুর গ্রামের নুর আলী গাজীর বাড়িতে সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ৩ টার দিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় এ ঘটনায় ঘটে।

এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শংকর কুমার দের নিকট জানতে চাইলে তিনি পাল্টা প্রশ্নে গরু মরা কিনা সাংবাদিকের নিকট জানতে ও হুমকি দিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

পশ্চিম নারায়ণপুর গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী আরমান, আব্দুল আলিম, নজরুল ,আবুল কালাম সহ একাধিক গ্রামবাসী সাংবাদিকদের জানান, পশ্চিম নারায়নপুর গ্রামের পিয়ার আলী সরদারের ছেলে কসাই মিলন সরদার কালিগঞ্জ বাজারের দোকানে মাংস বিক্রি করে থাকে। বর্তমান বাজারে গরুর মাংসের দাম বেশি থাকায় মিলন কসাই বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রোগাক্রান্ত মৃত্যুশয্যায় শায়িত গরু গুলো কম টাকায় কিনে রাতারাতি বাড়িতে জবাই করে ড্রামে, বস্তায় ,ভ্যানে ভরে দোকানে নিয়ে সদ্য জবাই করা গরুর মাংস বলে সাধারণ জনগণের নিকট বিক্রি করে আসছিল। সেই সূত্রে রবিবার রাতে তারালি থেকে একটি রোগাক্রান্ত গরু কিনে এনে রাতারাতি জবাই করে ফেলে। বিষয়টি স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক চাঁদাবাজরা সেখানে হাজির হয়ে পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকা আদায় করে ভাগ বাটোয়ারা করে নেয় বলে তারা সাংবাদিকদের জানান। ঐ সময় ওই স্থানে ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইউ পি সদস্য নিজামুদ্দিন ও উপস্থিত হওয়ায় স্থানীয় জনগণ জানতে পারায় মাংস লোপাট করে দেয়।

সকালে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনগণ বিষয়টি প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার নিকট জানায়। খবর পাওয়ার ৬ ঘন্টা পর কালিগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শংকর কুমার দে গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে কোন কিছু না পেয়ে উত্তেজিত জনতাকে আশ্বাস দিয়ে চলে আসে। ওই সময় বেলা আনুমানিক ২ টার দিকে কসাই মিলনসহ ওই গ্রুপটি প্যানেল চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য নিজামুদ্দিনকে সাথে নিয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে হাজির হলে সাংবাদিকরা জেনে যাওয়ায় মিশন ব্যর্থ হয়।

ওই সময় অবস্থা বেগতিক দেখে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শঙ্কর কুমার দে উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাইনুল ইসলাম খানকে খবর দেয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেড ও উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী কর্মকর্তা মইনুল ইসলাম খানের আদালতে তথ্য গোপন করে প্রশাসনকে না জানানোর অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যান নিজামুদ্দিনের নিকট থেকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। দীর্ঘদিন যাবত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে প্রতিনিয়ত এই অবৈধ অনৈতিক, কার্যকলাপ চালিয়ে আসলেও বলার কেউ ছিল না।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শংকর কুমার দের বিরুদ্ধে এর আগেও উপজেলার বিভিন্ন খামারিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার টাকা লুটপাট, আত্মসাতের খবর বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ফলাও ভাবে প্রকাশিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম সফিকুজ্জামান এর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে কলেজ মিলনায়তনে এক সভা ৬ এপ্রিল ২০২৬ বেলা ১২ টায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ ময়নুল হাসান। বক্তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন এবং অধ্যক্ষ মহোদয়ের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় পাল্টা মামলা, আসামিদের প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা এবং তা থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন, এ তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সাতক্ষীরা শহরে সদর দলিল লেখক সমিতির ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সমিতির নেতারা তাদের সভাপতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা’ দাবি করে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

তবে সাংবাদিক মহলের অভিযোগ, এনটিভির সাংবাদিক এস.এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ-এর ওপর হামলার ঘটনায় দায় এড়াতেই এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান। এতে গত ৩০ মার্চ সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস-এ ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য সাংবাদিক জিন্নাহকে দায়ী করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

তবে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে দেখছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তাদের দাবি, নির্ধারিত ‘সিন্ডিকেট’-এর বাইরে গিয়ে জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে সাংবাদিক জিন্নাহ ও জমির মালিকের ওপর হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধেই মামলা দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, মামলার আসামি হয়েও দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহবুবউল্লাহ জামিন ছাড়াই প্রকাশ্যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘোরাফেরা করছেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এদিকে, সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারে ‘সংবাদ’ শব্দটি ভুল করে ‘সাংবাদ’ লেখা হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা নিয়ে সমালোচনা ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে একই ঘটনায় রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব-এর উদ্যোগে মানববন্ধন থেকে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, মামলা ও কর্মসূচিকে ঘিরে সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা সদর সার্কেল শহীনুর রহমান বলেন, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর বিষয়টি আমরা অবগত নয়। বিষয়টি আমরা দেখবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গন

আশাশুনি প্রতিনিধি:  আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ফলে এলাকার হাজার হাজার পরিবার ভাঙন আতঙ্কে ভুগছে।
আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া খেয়াঘাটের কাছে পাউবো’র বাঁধে সম্প্রতি মাটি-বালি ভর্তি বালির বস্তা/জিএ ব্যাগ ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ করা হয়েছে। মানুষ ভেবেছিল বেশ কিছুকাল ভাঙ্গন আতঙ্ক থেকে তারা নিস্কৃতি পেতে যাচ্ছে। কিন্তু না বেশীদিন আনুলিয়ার জনসাধারণকে শান্তিতে থাকা হলোনা।

বাঁধটিতে কয়েকদিন আগে থেকে ফাটল শুরু হয়। কিন্তু তাৎক্ষণিক প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৮ টার দিকে খোলপেটুয়া নদীর প্রবল স্রোতের চাপে সবুর গাজীর বাড়ির কাছে ফাটলে বড় ধরনের ভাঙ্গন দেখা দেয়। এবং মুহুর্তের মধ্যে প্রায় ১০০ হাত বাঁধের মাটি ধ্বসে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গন ক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে বাঁধটি খুবই হুমকীগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি বাঁধে ডাম্পিয় করা স্থানে ডাম্পিং এর কাছ পর্যন্ত ভাঙ্গন চলে এসেছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে যে কোন মুহুর্তে বেড়ী বাঁধ ধ্বসে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে। বাঁধের ৫০ ফুট উত্তরে একটি পয়েন্টে এবং ১০০ ফুট দক্ষিণে একটি পয়েন্টে বাঁধের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়েছে। এসব স্থানে দ্রুত সংস্কার ও বাঁধ রক্ষার কাজে হাত দিতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

বাঁধ ভাঙ্গনের খবর শুনে আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছ, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওঃ হারুন অর রশিদ, শিক্ষক আবু দাউদ, মাওঃ শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল কুদ্দুছ জানান, বাঁধটির ভাঙ্গন খুবই ভয়াবহ। প্রতিনিয়ত কিছু কিছু অংশের মাটি নদীতে ধ্বসে পড়ছে। গত বছর ঈদের দিন নামাজ শুরুর সময় বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। আনুলিয়ার ১৫০০০ মানুষ জলমগ্ন ও ঘরবাড়ি, জমির ধান, অন্যান্য ফসল ও মৎস্য ঘের-পুকুরের মাছ ভেসে গিয়েছিল। আজকে রাতের জোয়ারের আগে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিলে বাঁধ রক্ষা করা যাবে কিনা বলা কঠিন। তিনি দ্রুত জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থান পরিদর্শন করে ডাম্পিং এর মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশন

নিজস্ব প্রতিনিধি: একটি কেক, কিছু হাসি আর ভাগাভাগি করা ভালোবাসা এভাবেই সাতক্ষীরায় উদযাপিত হলো যমুনা টেলিভিশনের একযুগ পূর্তি। উৎসবের রঙ ছড়াল এতিম শিশুদের মুখে, খাবার পৌঁছাল পথের শ্রমজীবী মানুষের হাতে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১০টায় সরকারি শিশু পরিবারে এতিম শিশুদের নিয়ে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনটির আয়োজন। শিশুদের উচ্ছ্বাস আর আনন্দঘন পরিবেশ যেন মুহূর্তেই উৎসবকে করে তোলে প্রাণবন্ত।

পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম। বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জী, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপ্পী, সরকারি শিশু পরিবারের উপ পরিচালক আয়েশা খাতুন, নিউ মার্কেট ক্লাবের সভাপতি মশিউর রহমান ফিরোজ, সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, সাংগঠণিক সম্পাদক তৌহিদুজ্জামান, সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুস সামাদসহ আরও অনেকে।

।স্বাগত বক্তব্যে যমুনা টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আকরামুল ইসলাম বলেন, মানুষের পাশে থেকে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের পথচলার মূল শক্তি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক হোসেন আলী।

আলোচনা শেষে যমুনা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলাম বাবুলের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সকল কলাকুশলীদের জন্য দোয়া করা হয়। দোয়ানুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা ইউনুচ আলী।

এরপর ভালোবাসার এই আয়োজন ছড়িয়ে পড়ে শহরের পথে। দরিদ্র ভ্যানচালকদের মাঝে বিতরণ করা হয় ফুড প্যাকেজ, তাদের মুখেও ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি।

একযুগের এই যাত্রা কেবল একটি গণমাধ্যমের নয় এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, ভালোবাসা ছড়িয়ে দেওয়ার এক নিরন্তর অঙ্গীকারের গল্প।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও পরবর্তীতে পাল্টা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় সাংবাদিকরা। কর্মসূচি থেকে প্রকৃত হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের জন্য ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় শহরের নিউ মার্কেট শহীদ আলাউদ্দীন চত্বরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সাংবাদিক এস.এম জুলফিকার আলী জিন্নাহর ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার না করে উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। মামলায় ঘটনা স্থলে উপস্থিত না থাকা মানবকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি মেহেদী আলী সুজয়কেও জড়ানো হয়েছে, যা ন্যায়ের পরিপন্থী ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে সেবা নিতে গেলেই হয়রানি ও হামলার শিকার হতে হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, এনটিভির এস.এম জুলফিকার আলী জিন্নাহ, কালবেলা ও স্টার নিউজের গাজী ফারহাদ, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, সরকারি অফিসে এমন নৈরাজ্য চলতে পারে না। দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। এ সময় তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ মার্চ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের একটি সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে কাজ করায় এ হামলা চালানো হয়। তবে পরবর্তীতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সাংবাদিকসহ কয়েকজনের নামে মামলা দায়ের হওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সাংবাদিক মহলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest