সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ি ৭ বছরে পদার্পন করেছে। করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষকে সহযোগিতার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা স্বপ্নসিঁড়ি সংগঠনটি ৩দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের সোমবার ছিলো শেষ দিন।

সন্ধ্যা ৭টায় শহরের কফিভিলাতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ সরকারি মহিলা কলেজে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও স্বপ্নসিঁড়ির উপদেষ্ঠা প্রফেসর আজিজুর রহমান পলাশ। স্বপ্নসিঁড়ির সভাপতি নাজমুল হক এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা রোভার স্কাউট এর কমিশনার রেজাউল করিম, সম্পাদক আবু তালেব, সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক আশরাফ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বপ্নসিঁড়ির সিনিয়র সহ সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রফেসর আজিজুর রহমান পলাশ বলেন, স্বপ্নসিঁড়ি রোভার স্কাউটদের স্বপ্ন বিনির্মানে কাজ করছে।

বিভিন্ন সময়ে আর্ত মানবতা, বৃক্ষ রোপনসহ অসহায় মানুষকে সহায়তা করেন। তিনি আরো বলেন, সংগঠনের মাধ্যমে রোভার স্কাউটদের সাথে সাথে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে। তিনি স্বপ্নসিঁড়ির কার্যক্রমকে সামনে আরো এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট বায়োজিদ রনি, ব্যাংক কর্মকর্তা মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জয়,

সাংবাদিক এম বেলাল হোসেন, ল স্টুডেন্টস ফোরামের সিনিয়র সহ সভাপতি বেলাল হোসেন, স্বপ্নসিড়ির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সেলিম হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবু সাঈদ, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আল মামুন বাবু, জাহারুল হুদা, আনারুল ইসলাম, সিয়াম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস এম বিপ্লব হেসেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর উদ্যোগে মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতা ও বিটুবি নেটওয়ার্কিং- এর এক্সক্লুসিভ পার্টনার মিটআপ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১ টায় সাতক্ষীরা শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এইচসিজি ক্যান্সার কেয়ার হাসপাতালের সহযোগিতায় এ এক্সক্লুসিভ পার্টনার মিটআপ অনুষ্ঠিত হয়। মেডিকেল ভিসা প্রসেসর সমির এর সভাপতিত্বে মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতা ও বিটুবি নেটওয়ার্কিং এর উপর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

উপস্থাপন করেন,মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নাজমুল ইসলাম রাফি। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন “মুসকান এন্টারপ্রাইজ “এর স্বত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, এইচ সিজি ক্যান্সার হাসপাতাল কলকাতা ইউনিটের হেড অব ইন্টারন্যাশনাল সৌভিক স্যাম,মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মেহেদী হাসান।

এসময় অনুষ্ঠানে মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর ৩০ জন্য পার্টনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং উপকূলীয় নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘নারী-নেতৃত্বাধীন জলবায়ু সহনশীলতা, সুরক্ষা ও অ্যাডভোকেসি’ শীর্ষক এক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে হিউম্যান রাইটস এন্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন ডেভেলপমেন্ট (হেড)-এর আয়োজনে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

‘ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ড’ এবং ‘সম্প্রতি এইড ফাউন্ডেশন’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় তৃণমূল পর্যায়ের ৩০ জন নারী প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বহুমুখী সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষকগণ সাতক্ষীরা অঞ্চলের প্রধান সমস্যা হিসেবে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড় ও নদী ভাঙনের কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয় জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সামাজিক সমস্যার আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে, যার মধ্যে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি এবং মানব পাচারের ঝুঁকির বিষয়টি উঠে আসে।
‘নারীর প্রতি সহিংসতা ও দুর্যোগকালীন নারী সুরক্ষার বিষয়ে আলোকপাত করেন প্রশিক্ষকরা। এছাড়া দুর্যোগ মোকাবিলায় ‘জেন্ডার সংবেদনশীল অভিযোজন কৌশল’ এবং স্থানীয় পর্যায়ে ‘কমিউনিটি সুরক্ষা পরিকল্পনা’ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় নারীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই তাদের নেতৃত্বে এই সুরক্ষা কার্যক্রম অত্যন্ত সময়োপযোগী।
হেড সংস্থার নির্বাহী পরিচালক লুইস রানা গাইন প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহর সমাজসেবা অফিসার মশিদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা এবং সম্প্রতি এইড ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মলি শিকদার।

নারী উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্প্রতি এইড ফাউন্ডেশনের মলি শিকদারকে অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার তরিকুল ইসলাম অন্তর এবং আরিজা সুলতানা আখি। প্রশিক্ষক হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন রেহানা পারভীন ও সোনিয়া পারভীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে সুপেয় পানির দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী ম্যারাথন ‘রান ফর ওয়াটার-২.o’।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দুই শতাধিক তরুণ-তরুণী ও পরিবেশকর্মী উপকূলের মানুষের পানি সংগ্রহের সংগ্রামকে ফুটিয়ে তুলতে মাটির কলস নিয়ে এই ম্যারাথনে অংশ নেন।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্যারেজ বাজার থেকে শুরু হয়ে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে গিয়ে শেষ হয় এই ম্যারাথন।

সুপেয় পানি নিশ্চিতের দাবিতে স্থানীয় যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিম এই ম্যারাথনের আয়োজন করে।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে একশনএইড বাংলাদেশ। এছাড়া ৩০টিরও বেশি যুব সংগঠন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেয়। আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দ্য এডিটরস।

ম্যারাথনে প্রথম স্থান অধিকার করেন গাবুরার জি.কে সাব্বির হোসেন, দ্বিতীয় হন বুড়িগোয়ালিনীর সাগর হোসেন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন সাতক্ষীরা সদরের ওয়াছিমুল ইসলাম তপু।

ম্যারাথন শেষে আবাদচন্ডিপুর গাজী বাড়ি ঈদগাহ মাঠে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য দেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর ডেপুটি ম্যানাজার (ইয়ুথ অ্যান্ড জাস্ট সোসাইটি) মুসতাহিদ জামি, ডেপুটি ম্যানাজার (পার্টনারশিপ এবং প্রোগ্রাম) আরিফ সিদ্দিকী, সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস, বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মোঃ শাহিন আলম, বাধন সংস্থার প্রতিনিধি শেখ ইমরান ও এসসিএফ এর সহকারী নির্বাহী পরিচালক হাবিবুল্ল্যাহ আল মামুন।

তারা পানি সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বক্তারা বলেন, এই ম্যারাথন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি উপকূলীয় জনপদের পানির অধিকার ও জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরির এক অনন্য প্রচেষ্টা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদরের শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সাতক্ষীরার আয়োজনে এ হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার।

এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, হাম রুবেলা টিকা নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, কোন কুসংস্কার যেন এই টিকাদান থেকে কাউকে যেন টিকাদান থেকে বিরত না রাখে। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি মসজিদ, মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতদের টিকা নিতে জনগনকে সচেতন করার ভূমিকা রাখার আহবান জানান।

সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম টুটুল, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফরহাদ জামিল, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিচালক মো. সাঈদুজ্জামান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ডা: রাশেদ উদ্দিন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী প্রমুখ।

উল্লেখ্য ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদেরকে ২০ এপ্রিল সোমবার থেকে ১০ মে পর্যন্ত টানা ১১ কর্মদিবসের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

এর মধ্যে ১ম ৮দিন কমিউনিটিতে এবং শেষের ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ টিকা প্রদান করা হবে। জেলায় মোট ২ হাজার ৪১৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া যে সকল শিশু এমআর বা হামের টিকা পেয়ে থাকলে অথবা হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ঐ বয়সের সকল শিশুকে ক্যাম্পেইনে এমআর টিকা দিতে নিতে পারবে। তবে একটি শিশু টিকা প্রদানের ২৮ দিন পূর্ণ হলেই সেই শিশু টিকা নিতে পারবে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিং

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারাদেশব্যাপী হাম-রুবেলা নির্মূল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সাতক্ষীরায় “হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬” উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ান্ত সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমত জাহান সুমনা, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সাতক্ষীরা জেলায় এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হবে। নির্ধারিত এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জেলাজুড়ে মোট ২ হাজার ৪১৭টি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, হাম ও রুবেলা রোগ নির্মূলে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাম্পেইন চলাকালে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হবে। তিনি অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সফলভাবে ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকির

​নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় এবং শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ান দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল নিয়ে পূর্ণ উদ্যমে সম্প্রচারে ফিরে আসছে। বর্ণাঢ্য এই প্রত্যাবর্তনের গর্বিত অংশীদার হিসেবে সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক নাজমুল শাহাদাৎ জাকির। শনিবার (১৮ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গিয়াস উদ্দিন আল-মামুন স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নাজমুল শাহাদাৎ জাকির গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সাতক্ষীরা অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা করছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক ‘খবরের কাগজ’ এবং সাতক্ষীরার স্থানীয় দৈনিক ‘পত্রদূত’-এ কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উপকূলীয় মানুষের জীবনসংগ্রাম, পরিবেশ এবং স্থানীয় নানা ইস্যু নিয়ে নিয়মিত কাজ করেছেন। টেলিভিশনের পর্দায় এবার সাতক্ষীরার প্রান্তিক মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরাই তার প্রধান লক্ষ্য।

​নতুন এই দায়িত্ব প্রসঙ্গে নাজমুল শাহাদাৎ জাকির বলেন, চ্যানেল ওয়ান-এর এই নতুন যাত্রায় যুক্ত হওয়া তার পেশাগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি জনমানুষের কথা তুলে ধরতে চান। নিজের দায়িত্ব পালনে তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ি ইউনিয়নের ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের দুটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। পহেলা বৈশাখ বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারি কমিশনারের নেতৃত্বে ওই দুটি পরিবারকে উচ্ছেদের পর তারা খোলা আকাশের নীচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার দৃশ্য ভিডিও ধারণ করায় এক গ্রাম ডাক্তারসহ একাধিক ব্যক্তির মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। দুধের বাচ্চাকে নিয়ে পায়ে ধরলেও কোন সহযোগিতা মেলেনি ওই দুই পরিবারের।

ফয়জুল্লাহপুর ঋষিপাড়ার মৃত আবু সাঈদ সরদারের ছেলে ভ্যানচালক মোঃ আলাউদ্দিন সরদার জানান, ফয়জুল্লাহপুর- থেকে ফিংড়িগামি পাকা সড়কের পূর্বপাশে ঋষিপাড়ায় এসএ ২৪২ ও ১ নং খাস খতিয়ানের বিআরএস ৫৯৯ দাগের পাঁচ শতক নীচু জমিতে মাটি ভরাট করে ৩৫ বছর আগে থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে তিনি সেখানে বসবাস করে আসছেন। একইভাবে তারই পাশে রমা কুমার ম-ল চার শতক জমিতে একটি বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি সন্তানসহ স্বপরিবারে বসবাস করে আসছেন। ছয় বছর আগে তাদের বসবাসকৃত জমির পূর্ব দিকে একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ে মনিরুল ইসলাম মিনি শহরের সুলতানপুরের আবু মুছার কাছ থেকে ২৫ শতক জমি কেনেন। এক বছর পর তিনি আরো দুটি প্লট কেনেন। নিজের কেনা জমি ছাড়াও তিনি পাঁচ শতকের বেশি খাস জমি দখলে রেখেছেন। মনিরুল ইসলাম মিনির জমিতে যাওয়ার জন্য তার জমির উত্তর পাশ দিয়ে সরকারি জায়গার উপর দিয়ে আট ফুট রাস্তা রয়েছে। জমি কেনার পর মনিরুল ইসলাম মিনির জমি ও ফসল তিনি দেখভাল করতেন। দুই বছর আগে মনিরুল ইসলাম মিনি তাকে অন্যত্র সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে সেখান থেকে চলে যাওয়ার কথা বলেন। তিনি রাজী হননি। একপর্যায়ে তাকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেওয়া হয়। দেড় বছর আগে মনিরুল ইসলাম মিনির অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় ফিংড়ি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা তাকে ও রমা কুমার ম-লকে নোটিশ করেন। বিষয়টি নিয়ে তারা সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোয়াইব আহম্মদ ও সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) অতিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলার পর তাদের উচ্ছেদ না করার ব্যাপারে আশ^স্ত করেন তারা। এরপরও মনিরুল ইসলাম মিনি সম্প্রতি নিজেকে প্রেসক্লাবের একাংশের সভাপতি সেজে তাদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য প্রশাসনে প্রভাব খটিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে তাদেরকে উঠে যাওয়ার জন্য দরজার গায়ে নোটিশ লটকে যাওয়া হয়।

আলাউদ্দিন সরদার আরো জানান, গত পহেলা বৈশাখ বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় তহশীলদারসহ কয়েকজন এসে কোর্টের আদেশ আছে, ম্যাজিষ্ট্রেট আসছেন। ১০ মিনিটের মধ্যে তাদের ঘরবাড়ি থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়। এ সময় তাদের সঙ্গে বুধহাটার লাল বাহিনীর প্রধান যুবলীগ নেতা সাদ্দামসহ ১০/১২জন হাজির হন। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ও একদল পুলিশ হাজির হতেই সাদ্দাম বাহিনীর সদস্যরা তাদের টিনের বেড়াসহ ঘরের মধ্যে সকল জিনিসপত্র বের করে এনে ফেলে দেন। তার ও তার (আলাউদ্দিন) চাচা রফিকুলের নামে থাকা দুটি বৈদ্যুতিক মিটার ও রমা কুমার ম-লের বৈদ্যুতিক মিটার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। তার ছেলে আল আমিনের চার মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে ম্যাজিষ্্্রটে সাহেবের পায়ে ধরলেও কোন কথা শুনতে চাননি তিনি। একইভাবে রমা ও তার স্ত্রী প্রতিবন্ধি ছেলে বিধান ম-লকে নিয়ে হাতে পায়ে ধরলেও সাইফুল ইসলামের মন গলেনি। লক্ষাধিক টাকার মালামাল নষ্ট করার পর আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে তাদেরকে ঘরের চাল সরিয়ে নিতে বলা হয়। এর ব্যত্তয় হলে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার হুশিয়ারি দেওয়া হয়। এরপর থেকে পরিবার পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নীচে থাকার বিষয়টি তারা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। বৃহষ্পতিবার রাতে তাদের রান্না করার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ফলে তারা অন্যের বাড়ি থেকে হাঁড়ি যোগাড় করে রান্না করছেন। শুক্রবার বিকেলে পুলিশ যেয়ে তাদেরকে চলে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেছেন।

ভূমিহীন আলাউদ্দিনসহ স্থানীয় উত্তম ম-ল, সামছুর রহমানসহ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিক পরিচয়ে মিনি তার জমির শ্রীবৃদ্ধি করে বাজারমূল্য বাড়াতে জেলা প্রশাসনে প্রভাব বিস্তার করে রাস্তার পাশে থাকা (আলাউদ্দিনের পাশে) আবু সাঈদের মালিকানাধীন সিয়াম ফার্মসহ বেশ কয়েকটি দোকান, একটি মন্দির ও বসতি উচ্ছেদের আবেদন না করে শুধুমাত্র আলাউদ্দিন ও রমা কুমার ম-লের বিরুদ্ধে উচ্ছেদের আবেদন করেছেন। একদিকে প্রেসক্লাবে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের পাশে বসে নববর্ষের অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন, অপরদিকে ভূমিহীন পরিবারের উচ্ছেদ করার সংবাদ মুঠোফোনে বারবার খোঁজ নিয়েছেন মনিরুল ইসলাম মিনি।

রমা কুমার ম-ল বলেন, তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর সেখানে বসবাস করছেন। ওই জমি বন্দোবস্ত দলিলের জন্য তিনি ২০১৩ সালে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন।

সাতক্ষীরার অবসরপ্রাপ্ত এক ভূমি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাস্তা বা অন্য কোন সরকারি প্রকল্পের সুবিধাথে সরকারি খাস জমি প্রয়োজনে কাউকে উচ্ছেদ করতে হলে তাকে পূর্ণবাসন করার মানবিক বিধান রয়েছে। সেটা না করে শুধুমাত্র ১৯৭০ সালের সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমি ও ইমারত দখল পূণঃদখল আইনের ৪ ও ৫ ধারা অনুযায়ি বা ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ ও প্রতিকার আইন ব্যবহার করে একই জায়গার প্রভাবশালীদের পাকা ঘর বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাদ দিয়ে শুধুমাত্র দুটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করা ন্যয়বিচার পরিপন্থি। সেক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধানগণ ১৯৭০ সালের সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ভূমি ও ইমারত দখল পূণঃদখল আইনের ৬ ধারা মোতাবেক জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করে প্রতিকার চাইতে পারবেন।

এ ব্যাপারে সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মিনি শনিবার সকালে এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি আলাউদ্দিন সরদার ও রমা কুমার ম-লকে সরকারি খাস জমি থেকে উচ্ছেদের জন্য এক বছরের বেশি সময় আগে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন। সে অনুযায়ি তাদেরকে বুধবার উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। তবে তার কেনা জমির মধ্যে ৫ শতকের বেশি সরকারি খাস জমি রয়েছে কিনা বা নিজের জমির অবস্থানের শ্রীবৃদ্ধি ঘটাতে বেশ কয়েকটি দোকান ও প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে সাংবাদিকের প্রভাব বিস্তার করে দুটি ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করানোর উদ্যোগ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার মধ্যে খাস জমি থাকলে সরকার বের করে নিক। তার যেটুকু প্রয়োজন মনে হয়েছে সেইটুকু উচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন তিনি।

ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক উত্তম ম-ল জানান, বুধবার সকাল ১১টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে মটর সাইেেকলে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে যাওয়ার সময় উচ্ছেদ অভিযান থেকে দাঁড়িয়ে যান। ্রে সময় তিনি অভিযানের দৃশ্য মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করায় ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফুল ইসলাম তা কেড়ে নেন। কিছুক্ষণ পর ফুটেজ মুছে দিয়ে ফোন ফেরৎ দেওয়া হয়।
ফিংড়ি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শেখ ফরিদ হাসান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি প্রতিবেদন দিয়েছেন। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি বুধবার উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। নির্দেশ অনুযায়ি তিনি কয়েকজন শ্রমিককে উচ্ছেদের সময় ডেকে এনেছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারি কমিশনার সাইফুল ইসলাম কারো ফোন কেড়ে নেওয়া ও কারো সঙ্গে অসদাচরনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন। আলাউদ্দিন ভূমিহীন হলেও ভূমিহীন রমা কুমারকে এল্লারচরে আবাসন প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেখানে রমা কুমার ম-ল যাননি।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে পরবর্তীতে নিশ্চিত করা যাবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest