সর্বশেষ সংবাদ-
প্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসাংবাদিক জিন্নাহ’র মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শোকলেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতমHogyan segíti a Boabet magyar felület a játékosokat a könnyebb használatban?সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর আবহে এশিয়া পোস্টের যাত্রা শুরুসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের প্রতিবাদে তালায় বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ  কোমরপুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন  

প্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জন

নিজস্ব প্রতিনিধি : পেশাদার সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরার নবাগত জেলা প্রশাসক কাওসার আজিজের অসৌজন্য মূলক আচরণে হতবাক হয়েছেন মুলধারার সাংবাদিক সমাজ। তাঁরা বিস্ময় প্রকাশ করে জানিয়েছেন,জেলা প্রশাসকের মতো দয়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরণের আচরণ রাস্ট্রের জন্য কল্যাণকর নয়।

জেলা তথ্য অফিস সূত্রে জানা যায়,বর্তমান নির্বাচিত সরকারের যুগান্তকারী উদ্যোগ বাস্তবায়নের আওতায় প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নিতে বুধবার সাড়ে এগারটার দিকে কমপক্ষে ৬০ জন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যান। এসময় তাঁরা প্রায় সব হলূদ ও ভূইফোড় সাংবাদিকদের চেয়ার দখল করে বসে থাকতে দেখেন। এমতাবস্থায় নবাগত জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ সম্মেলন কক্ষে প্রবেশ করেন। মুলধারার সাংবাদিকদের দাড়িয়ে রেখে তিনি ব্রিফিং শুরু করতে থাকেন। এসময় দাড়িয়ে থাকা সিনিয়র সাংবাদিকরা চেয়ার না পাওয়ার কথা জেলা প্রশাসককে জানালে তিনি বলেন,‘‘আগে থেকে না আসলে চেয়ার পাওয়া যাবেনা। আগে যারা আসবে,তারা আগে বসবে। ‘’ তাঁর এ কথায় হতবাক হয়ে যান সাংবাদিকরা। সিনিয়র সাংবাদিকরা এসময় পরবর্তী সময়ে ব্রিফিংয়ের আবেদন জানালে তিনি রীতিমতো ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন,‘‘ ব্রিফিং এক বারই হবে। ‘’ বসার জায়গা না পেয়ে অগত্য সাংবাদিকরা সম্মেলন কক্ষ ত্যাগ করার উদ্যোগ নিলে জেলা প্রশাসক বলেন,‘ চলে যাওয়া সাংবাদিকরা সরকার বিরোধী লোক। ‘’

এবিষয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম বলেন,‘ বর্তমান নির্বাচিত সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিস্তারিত জানতে খুবই আগ্রহ নিয়ে আমরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গিয়েছিলাম। কিন্তু বসার জায়গা না পাওয়া ও জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণে আমাদের চলে আসা ছাড়া পথ ছিলনা। ‘’
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বলেন,‘‘ বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা মুলধারার সাংবাদিকরা সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডের সকল খবর প্রচার করে আসছি। ‘’’

তিনি আরও বলেন,‘‘ গত ১লা এপ্রিল বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের শ্যামনগর সফরের নিউজ মুলধারার সাংবাদিকরা সর্বোচ্চ কাভারেজ করেন। অথচ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত সাংবাদিকদের দেখা যায়নি। সুতরাং জেলা প্রশাসকের এ মন্তব্য সমর্থনযোগ্য নয়। ‘’

অসৌজন্যমুলক আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ সাংবাদিকদের বলেন,‘‘সাংবাদিকরা নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১৫ মিনিট পরে আসায় তারা আসন পাননি। ’’

আপনিও তো ৩০ মিনিট পরে এসেছেন সাংবাদিকদের-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘‘ আমি জানতাম অনুষ্ঠান সাড়ে বারোটায়, তথ্য অফিসার আমাকে সেভাবেই জানিয়েছে। ‘’ তবে ব্রিফিং থেকে চলে আসা সাংবাদিকরা সরকার বিরোধী লোক-এমন কথা বলেননি বলে জানান জেলা প্রশাসক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাতক্ষীরা জেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত এক পত্রে মঙ্গলবার (১২ মে) এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

ঘোষিত কমিটিতে এস কে এম আবু রায়হানকে সভাপতি এবং জে এম দুদায়েভ মাসুদ খান (অর্ঘ্য) কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মনজুরুল কবির বাপ্পী, সহ-সভাপতি হিসেবে মো. আসিফ ইকবাল, সোহেল রানা ও শেখ রিজভী আহমেদকে রাখা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ রিপন, শেখ ফারহান মাসুক ও মো. জুয়েল রানা। সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে মো. শাহীন ইসলামকে।

চিঠিতে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০১৮ সালের ১৩ জুন শেখ সজিবুজ্জামান সজিবকে সভাপতি এবং মমতাজুল ইসলাম চন্দনকে সাধারণ সম্পাদক করে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা পরিষদে জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। (১২ মে ২০২৬) সকাল ১১.০০ টায় ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়। উক্ত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শ্যামানন্দ কুন্ডু স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
সংলাপে আশাশুনি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার জনাব আফরোজ আক্তার রুমা, ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, নারী নেত্রী, যুব প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সুশীল সমাজের সদস্যরা বলেন, আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে, যার ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।
তারা আরও উল্লেখ করেন, অপরিকল্পিত জলাশয় ভরাট, খাল-নদীর নাব্যতা হ্রাস, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। এ সমস্যা সমাধানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলে তারা মত দেন।
সংলাপে সিএসও সদস্যরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
খাল ও জলাশয় পুনঃখনন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা, পানি নিষ্কাশনের জন্য কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, অবৈধ দখলমুক্ত করে পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখা,
স্থানীয় পর্যায়ে পানি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সাথে সমন্বয় বৃদ্ধি করা
উক্ত সংলাপে বারসিক এনগেজ প্রকল্পের এরিয়া অফিসার রোকসানা পারভীন আশা প্রকাশ করেন, এই সংলাপের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা হলে আশাশুনি উপজেলার জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।
তিনি আরো জানান, এ ধরনের গণতান্ত্রিক সংলাপ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যাতে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।
সংলাপ শেষে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শ্যামানন্দ কুন্ডু জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আইসক্রিম কারখানায় র‍্যাবের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় কাপড়ের রংসহ ক্ষতিকর পন্য দিয়ে আইসক্রিম তৈরির অভিযোগে দুইটি আইসক্রিম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১২ মে) উপজেলার উত্তর সখিপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, র‍্যাব-৬ এর সিপিসি-১ এর ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দিন মোহাম্মদ যিয়াদের নেতৃত্বে একটি দল উত্তর সখিপুরের শিলা আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালায়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির বিএসটিআই অনুমোদন না থাকা এবং আইসক্রিমে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪১ ও ৪২ ধারায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সুজিত বিশ্বাসকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম।

একই সময় পাশ্ববর্তী মদিনা আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে একই ধরনের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আব্দুল খালেককে আরও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান চলাকালে উভয় আইসক্রিম কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। র‍্যাব জানায়, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

টিভি চ্যানেল এনটিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জুলফিকার আলী জিন্নাহ’র মমতাময়ী মা আকলিমা খাতুন (৬৮) বার্ধক্যজনিত কারণে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার বিকেলে ইন্তেকাল করেছেন।(ইন্নালিল্লাহি-রাজেউন)।

মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন , সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন গোলদার,অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর জামান সুমন,

সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

নিজস্ব প্রতিনিধি : লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন সাতক্ষীরার তিন প্রবাসী বাংলাদেশি। তাঁদের মৃত্যুর খবরে সাতক্ষীরার তিনটি গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে আকাশ বাতাস। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষকে হারিয়ে এখন দিশেহারা শফিকুলের স্ত্রী-সন্তান ও বৃদ্ধ পিতা-মাতা। অন্যদিকে বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন সদ্য কৈশোর পেরোনো নাহিদের মাতা। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন নাহিদের পিতাও। একই অবস্থা নিহত শুভ দাসের বাড়িতেও। তিনটি পরিবারের মধ্যে চিন্তার ভাজ কিভাবে তারা তাদের ঋণ পরিশোধ করবেন। যদিও পরিবার গুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

নিহত তিনজন হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফসার আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫), আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে নাহিদুল ইসলাম নাহিদ (৪০) এবং কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামের সঞ্জয় দাসের পুত্র শুভ দাস (২৩)।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ জেলার জেবদিন এলাকায় একটি রুটি বহনকারী গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা হয়। ওই হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিন বাংলাদেশি কর্মী শফিকুল, নাহিদ এবং শুভ দাশ। তাঁরা একই এলাকায় বসবাস করতেন।

মঙ্গলবার সকালে শফিকুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, উঠানে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড়। ঘরের এক কোণে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন তাঁর স্ত্রী রুমা খাতুন। দুই সন্তানকে জড়িয়ে ধরে বিলাপ করছিলেন তিনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলছিলেন, “আমার স্বামী সংসারের হাল ধরতে বিদেশে গিয়েছিল। এত টাকা ঋণ করে গেল, এখন এই ঋণ আমি কীভাবে পরিশোধ করব? আমার দুই সন্তানকে নিয়ে কীভাবে বাঁচব?”
শফিকুলের মা আজেয়া খাতুন ছেলের নাম ধরে বারবার ডাকছিলেন। কখনো বিলাপ করছেন, কখনো নির্বাক হয়ে বসে থাকছেন। বৃদ্ধ বাবা আফসার আলীও শোকে বাকরুদ্ধ। ছেলের বিদেশযাত্রার স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, “ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে গরু বিক্রি করেছি। এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছি, আত্মীয়দের কাছ থেকেও ধার করেছি। ভেবেছিলাম, ছেলে উপার্জন করে সংসারের কষ্ট দূর করবে। এখন সে লাশ হয়ে ফিরবে।”

পরিবার জানায়, গত ঈদুল ফিতরের রোজার দুই দিন পর শফিকুল ইসলাম লেবাননের উদ্দেশে বাড়ি ছাড়েন। প্রতিবেশী নাহিদুল ইসলামের মাধ্যমে সেখানে যান তিনি। লেবাননে গিয়ে একটি ফলের বাগানের শ্রমিকের কাজ নেয়। বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রায় ১০লাখ টাকা খরচ হয়েছিল, যার বেশির ভাগই ঋণ।
স্থানীয় লোকজন জানান, শফিকুল ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। সংসারের অভাব ঘোচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে তাঁর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু পরিবারকে অসহায় করে দিয়েছে।

ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, “শফিকুলের পরিবার অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় আছে। আমরা তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।”

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত বলেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। মরদেহ দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, একই হামলায় নিহত নাহিদুল ইসলামের বাড়িতেও চলছে শোকের মাতম। স্বজনেরা বলছেন, পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে দুই প্রবাসী প্রাণ হারালেন যুদ্ধবিধ্বস্ত এক দেশে।

অপরদিকে, কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর গ্রামের শুভ দাসের ‌বাড়িতেও চলছে শোকের মাতম। জেলার তিন যুবককের মৃত্যুতে শুধু পরিবার নয়, পুরো এলাকা জুড়ে শোকাহত করেছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Hogyan segíti a Boabet magyar felület a játékosokat a könnyebb használatban?

A Boabet platformja a magyar játékosok számára kifejlesztett felületével kiemelkedő élményt nyújt. Cikkünkben bemutatjuk, hogyan segít a Boabet a játékosoknak a könnyebb használatban, legyen szó a bejelentkezésről, a bónuszokról, vagy a sportfogadásról. Fedezd fel, milyen funkciók teszik a Boabet alkalmazást különlegessé, és hogyan javíthatja a játékélményedet!

A Boabet bejelentkezés folyamata és annak egyszerűsítése

A Boabet bejelentkezés folyamata rendkívül egyszerű, ami nagyban hozzájárul a játékosok élményéhez. Az első lépés a boabet hu belépés gomb megnyomása, amely a főoldalon található. Itt a felhasználók megadhatják a regisztráció során megadott felhasználónevüket és jelszavukat. A Boabet platformja emellett lehetőséget biztosít a jelszó visszaállítására is, ha valaki elfelejtené azt. Ezzel a funkcióval a felhasználók könnyen hozzáférhetnek fiókjukhoz, és minimalizálhatják a belépési problémákat.

Az online játékosok számára az azonnali elérhetőség kulcsfontosságú, és a Boabet platformja ezt figyelembe vette. Az egyszerű regisztrációs folyamat, valamint a gyors bejelentkezés biztosítja, hogy a játékosok akár néhány kattintással élvezhessék kedvenc játékukat. A boabet bonus lehetőségekkel kombinálva ez a gyorsaság segít abban, hogy a felhasználók minél előbb elkezdhessék a játékot.

A Boabet bónuszok és promóciók előnyei a játékosok számára

A Boabet kiemelkedő bónuszai és promóciói minden játékos számára vonzó lehetőségeket kínálnak. Az új felhasználók számára elérhető üdvözlő bónuszok különösen népszerűek, mivel lehetővé teszik a kezdő tőke növelését, így a játékosok több lehetőséget kaptak a játékra. A Boabet bónuszok nemcsak a regisztráció során érhetők el, hanem a rendszeres promóciók, mint például a hétvégi bónuszok is folyamatosan frissítik a játékosok élményét.

A bónuszok és promóciók mellett a Boabet cashback rendszer is figyelemre méltó. Ez a funkció lehetővé teszi a játékosok számára, hogy visszakapjanak egy százalékot a veszteségeikből, ami különösen hasznos lehet a nagyobb tétekkel játszó felhasználók számára. Az ilyen típusú támogatás nemcsak a pénzügyi biztonságot növeli, hanem a játékélményt is fokozza, hiszen a játékosok tudják, hogy van egyfajta biztosítékuk a veszteségeikre.

Bónusz Típusa Elérhetőség Maximális Összeg
Üdvözlő Bónusz Új Felhasználóknak 100.000 HUF
Hétvégi Bónusz Aktív Felhasználóknak 50.000 HUF
Cashback Bónusz Hetente 10% Visszatérítés

A Boabet alkalmazás: Hogyan segíti a mobilos játék élményét?

A Boabet alkalmazás forradalmasítja a mobilos játékélményt, hiszen lehetővé teszi a felhasználók számára, hogy bárhol és bármikor élvezzék kedvenc játékukat. A mobilalkalmazás felülete intuitív, és a felhasználók könnyen navigálhatnak a különböző szekciók között, legyen szó sportfogadásról, kaszinójátékokról vagy póker játszmákról. A felhasználók a Boabet app segítségével gyorsan elérhetik fiókjukat, és egyszerűen lebonyolíthatják a szükséges tranzakciókat, mint például a befizetéseket és kifizetéseket.

A Boabet alkalmazás különleges előnye, hogy lehetőséget biztosít a push értesítések fogadására. Ezen értesítések informálják a játékosokat a legújabb promóciókról, valamint a kedvenc csapataik mérkőzéseiről, így soha nem maradnak le a fontos eseményekről. A játékosok saját preferenciáik szerint testre szabhatják, hogy milyen értesítéseket szeretnének kapni, így maximálisan kihasználhatják a platform adta lehetőségeket.

  1. Az alkalmazás letöltése a Boabet hivatalos weboldaláról.
  2. A regisztráció vagy bejelentkezés a már meglévő fiókkal.
  3. A kedvenc játékok gyors elérése a kezdőképernyőről.

Részletes útmutató a Boabet kifizetés és befizetés folyamatáról

A Boabet kifizetés és befizetés folyamata meglehetősen egyszerű és felhasználóbarát. A felhasználóknak először is be kell jelentkezniük a fiókjukba, majd a „Pénztár” vagy „Kifizetés” opcióra kell navigálniuk. Itt a felhasználók különböző fizetési módok közül választhatnak, mint például bankkártyák, e-pénztárcák vagy banki átutalások. A Boabet gyors kifizetési folyamatot garantál, ami különösen fontos a játékosok számára, akik gyorsan szeretnék megkapni a nyereményüket.

A befizetések során a Boabet számos lehetőséget kínál, hogy a felhasználók választhassanak a számukra legmegfelelőbb módszert. A minimum befizetési összeg általában alacsony, így a kezdők is könnyedén belevághatnak a játékba. A Boabet befizetés folyamata általában azonnali, tehát a játékosok azonnal élvezhetik a friss tőkét.

Pénzügyi Módszer Befizetés Ideje Kifizetés Ideje
Bankkártya Azonnali 1-3 Munkanap
E-pénztárca Azonnali 0-24 Óra
Banki Átutalás 1-2 Munkanap 2-5 Munkanap

A Boabet ügyfélszolgálat elérhetősége és támogatása

A Boabet ügyfélszolgálata kiemelkedően fontos része az oldal működésének, hiszen a játékosok bármilyen kérdéssel vagy problémával fordulhatnak hozzájuk. Az ügyfélszolgálat elérhetőségei könnyen megtalálhatók a weboldalon, ahol a felhasználók választhatnak az élő chat, az e-mail és a telefonos támogatás között. Az élő chat funkció különösen népszerű, hiszen azonnali válaszokat biztosít a kérdésekre, így a játékosok gyorsan megoldhatják a problémáikat.

A Boabet ügyfélszolgálat tapasztalt és segítőkész munkatársai mindig készen állnak arra, hogy támogassák a felhasználókat, legyen szó a regisztrációról, a betétekről, vagy a bónuszok igénybevételéről. A válaszok gyorsasága és a segítőkész hozzáállás nagyban növeli a játékosok elégedettségét. A Boabet gyakori kérdések szekciója is hasznos információkat nyújt, ezáltal a felhasználók könnyedén megtalálhatják a szükséges válaszokat.

  1. Élő chat: Azonnali válaszok bármikor.
  2. E-mail: Részletes kérdések esetén használható.
  3. Telefon: Közvetlen kapcsolat az ügyfélszolgálattal.

Gyakori kérdések a Boabet platform használatával kapcsolatban

A Boabet platform használata során számos kérdés merülhet fel, amelyekre a felhasználók gyorsan kereshetik a válaszokat. Az egyik leggyakoribb kérdés a regisztrációval kapcsolatos, hiszen sok új játékos nem biztos a folyamat menetében. A Boabet rendszerét úgy alakították ki, hogy a regisztráció gyors és intuitív legyen, így a felhasználók pár perc alatt létrehozhatják fiókjukat.

További gyakori kérdés a bónuszok igénybevételével kapcsolatos. A Boabet weboldalán található részletes útmutatók segítenek a felhasználóknak megérteni, hogyan használhatják ki a különböző promóciókat. Az ügyfélszolgálat is készségesen válaszol a bónuszokkal kapcsolatos kérdésekre, így a játékosok biztosak lehetnek abban, hogy a legjobb ajánlatokat kapják.

Végül, a kifizetésekkel kapcsolatos kérdések szintén gyakoriak, hiszen a felhasználók szeretnék tudni, mennyi idő alatt érkeznek meg a nyereményeik. A Boabet világos tájékoztatást nyújt a különböző kifizetési módok idejéről, így a játékosok pontosan tudják, mire számíthatnak.

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর আবহে এশিয়া পোস্টের যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি: অধিকাংশ সংবাদমাধ্যম যখন বেতন-ভাতার বিষয়টি আড়ালে রাখে, সেখানে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সম্মানজনক বেতনের ঘোষণা দিয়ে এশিয়া পোস্ট যে সাহসিকতা দেখিয়েছে, তা বাংলাদেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে এক বিরল এবং অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এই একটি পদক্ষেপই প্রমাণ করে তারা সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব এবং কর্মীদের মর্যাদাকে কতটা গুরুত্ব দেয়। এশিয়া পোস্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রালগ্নে আমন্ত্রিত অতিথিদের কণ্ঠে বারবার এভাবেই উঠে আসছিল প্রতিষ্ঠানটির শুরুর দিকের সেই সাহসী পদক্ষেপের কথা।

সোমবার (১১ মে) দিনব্যাপী সাতক্ষীরার আকাশ-বাতাস যেন মেতে ছিল এশিয়া পোস্টের উৎসবে। ফেসবুক স্ক্রল করলেই চোখে পড়ছিল নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, মাঠপর্যায়ের সাংবাদিক এবং তরুণ সমাজকর্মীদের অন্তহীন শুভকামনা। জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে দেয়, গণমাধ্যমের ভিড়ে একটি বস্তুনিষ্ঠ ও শক্তিশালী কণ্ঠস্বরের জন্য কতটা মুখিয়ে ছিল উপকূলীয় এই জনপদ।

রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি’র উদ্বোধনের রেশ কাটতে না কাটতেই সন্ধ্যা ৭টায় সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে শুরু হয় স্থানীয় পর্যায়ের উদযাপন। প্রথিতযশা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী এবং সুধী সমাজের উপস্থিতিতে সভাঘরটি পরিনত হয়েছিল এক মিলনমেলায়।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সভাপতি ও জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাছিম ফারুক খান মিঠু। ​সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ,প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক ফিফা রেফারি ও সনাক সাতক্ষীরার সভাপতি তৈয়ব হাসান শামসুজ্জামান বাবু, জেলা যুবদলের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আইনুল ইসলাম নান্টা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তির বাবা খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, দক্ষিণবঙ্গের প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী আবু আফফান রোজ বাবু, সঙ্গীত শিল্পী চৈতালী মুখার্জি, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাতক্ষীরার সাবেক প্রধান সমন্বয়ক আল ইমরান ইমু, বর্তমান আহ্বায়ক আরাফাত হোসাইন, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুস সামাদ।

​এসময় মানবজমিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি এসএম বিপ্লব হোসেনের পরিচালনায় আরও শুভেচ্ছা জানান, বাংলা নিউজের জেলা প্রতিনিধি তানজীর কচি, কালবেলা ও স্টার নিউজের গাজী ফারহাদ, দেবহাটা উপজেলা ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, পাটকেলঘাটা থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মোমেন, গ্লোবাল টিভির রাহাত রাজা, ঢাকা টাইমসের মো. হোসেন আলী, হৃদয় বার্তার আলী মুক্তাদা হৃদয়, টাইমস টুডের মিলন কুমার বিশ্বাস, সংবাদ প্রকাশের রেজাউল করিম, ঢাকা পোস্টের ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।

​এছাড়াও তরুণ ও সামাজিক নেতৃত্বের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভিবিডি সাতক্ষীরার সাবেক সভাপতি সুব্রত হালদার, বিডি ক্লিন সাতক্ষীরার সমন্বয়ক অর্পণ বসু, ল’ স্টুডেন্ট ফোরামের সভাপতি দেলোয়ার হোসাইন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মো: নাহিদ ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

উদ্বোধনী আলোচনায় বক্তারা এশিয়া পোস্টের সম্পাদক পলাশ মাহমুদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিবর্তিত বাংলাদেশে সাংবাদিকতা যখন নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে, তখন এমন একটি আধুনিক ও তারুণ্যনির্ভর প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত জরুরি ছিল। বিশেষ করে মফস্বল সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার এশিয়া পোস্ট দেখিয়েছে, তা দেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তা ও পাঠকদের কণ্ঠে বারবার ফিরে এসেছে একটিই দাবি, বর্তমান সময়ের সস্তা ‘ক্লিক-বেইট’ সাংবাদিকতার বিপরীতে এশিয়া পোস্ট যেন তথ্যের গুণগত মান বা ‘কোয়ালিটি জার্নালিজম’ বজায় রাখে। অভিজ্ঞতার ঝুলি আর তারুণ্যের উদ্যমকে এক সুতোয় গেঁথে এশিয়া পোস্ট মফস্বলের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরবে এবং কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার খুলবে এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

শেষে অতিথিবৃন্দ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কেক কেটে ‘এশিয়া পোস্ট’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন উদযাপন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest