ভারতের কলকাতার আবাসিক হোটেলে মঙ্গলবার রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আজকের পত্রিকা ও চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাঁদের তিন বছর বয়সী ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং দেবাশীষ দত্তের শ্বশুর মো. আকরাম আলিসহ (৬৪) কয়েকজন বাংলাদেশী প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম. শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাহিত্য,সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুজ্জামান সুমন, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেসবিজ্ঞপ্তি
নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া গ্রামের ঐতিহাসিক শ্যামসুন্দর মঠ-মন্দির। দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলা ও জরাজীর্ণতা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে মন্দিরটির করুণ অবস্থা ও সংরক্ষণের দাবি তুলে ধরার পর এবার দৃশ্যমান উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর। প্রাথমিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পর মূল সংস্কারকাজ শুরুর প্রস্তুতি হিসেবে বুধবার সরেজমিনে মন্দিরটি পরিদর্শনে আসেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ঐতিহ্যবাহী শ্যামসুন্দর মন্দিরটি পরিদর্শনে অংশ নেন খুলনা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক মো. মহিদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি গবেষক এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শাপলা সিংহ, সমাজকর্মী ও সাংবাদিক মিলন বিশ্বাস, পরিবেশ সাংবাদিক মো. হোসেন আলী, মন্দিরের সেবায়েত সুবপ্রসাদ চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পরিদর্শনকালে বিশেষজ্ঞরা মন্দিরটির বর্তমান কাঠামোগত অবস্থা, দেয়াল, কার্নিশ, পোড়ামাটির অলংকরণ ও স্থাপনার বিভিন্ন জরাজীর্ণ অংশ ঘুরে দেখেন এবং সংস্কারের আগে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বৈজ্ঞানিক প্রস্তুতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে খুলনা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, শ্যামসুন্দর মন্দিরটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের গেজেটভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি। মন্দিরটির প্রাথমিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে ঐতিহ্য রক্ষায় কোনো ভুলভ্রান্তি এড়াতে মূল কাজের আগে ‘প্রি-ডকুমেন্টেশন’ বাধ্যতামূলক। প্রাচীন কোনো অবকাঠামো সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রি-ডকুমেন্টেশন ছাড়া কাজ করলে মূল রূপ ও ঐতিহ্যিক উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বড় ঝুঁকি থাকে। তাই বিশেষজ্ঞ টিম এনে বৈজ্ঞানিক উপায়ে বিস্তারিত নকশা ও উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে, যার পরপরই আমরা পূর্ণাঙ্গ সংস্কার শুরু করব।
তিনি আরও জানান, আগামী অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিয়ে মন্দিরটির স্থায়ী সংস্কার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি স্থাপনার গায়ে জমে থাকা পুরোনো গাছ ও পরগাছা অত্যন্ত সযত্নে ও ধীরে ধীরে অপসারণ করা হবে, যাতে মূল কাঠামোর কোনো ক্ষতি না হয়।
অন্যদিকে, পরিদর্শনের সময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি গবেষক এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শাপলা সিংহ স্থানটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের পাশাপাশি ডিজিটাল সংরক্ষণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, এখানে কেবল পূর্বে থাকা মূল ডিজাইন ফিরিয়ে আনলেই হবে না, বরং যেসব প্রয়োজনে একসময় এই সংস্কৃতির প্রচলন হয়েছিল সেই অতীত ইতিহাসকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। উপকূলীয় নোনা এলাকায় আর্দ্রতার কারণে ভবনটির ক্ষতি হচ্ছে। তাই শুধু ভবন সংস্কার নয়, ৬০ বছরের তদূর্ধ্ব প্রবীণ স্থানীয় অধিবাসীদের অভিজ্ঞতা ও মৌখিক ইতিহাস সংরক্ষণ করে একটি ‘ডিজিটাল আর্কাইভ’ তৈরি করা প্রয়োজন।
তিনি আরও প্রস্তাব করে বলেন, দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য এখানে ডিওরোমা বা আলোকচিত্রের মাধ্যমে প্রাচীনকালের বিদ্যুৎহীন রাতের আলো-আঁধারির পরিবেশ কেমন ছিল, তা ফুটিয়ে তোলা যেতে পারে। যা ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য প্রাচীন মন্দির বা মসজিদ সংরক্ষণেও একটি মডেল হয়ে থাকবে।
এদিকে ,সংবাদ প্রকাশের পর একের পর এক দ্রুত পদক্ষেপ এবং উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও গবেষকদের পরিদর্শনে স্থানীয় বাসিন্দা, পূজারী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের হাওয়া বইছে।
মন্দিরের সভাপতি দেবপ্রিয় চৌধুরী ও সেবাইত সুবপ্রসাদ চৌধুরী সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিন অবহেলা আর মাদকসেবীদের উপদ্ব্রেবে ঐতিহ্যটি ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। গণমাধ্যমে খবর আসার পর প্রাথমিক পরিষ্কারের কাজ হয়েছে, আর আজ পরিদর্শনের মাধ্যমে স্থায়ী সংস্কারের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মুখ দেখছে। এছাড়াও সার্বিক নিরাপত্তা ও পবিত্রতা রক্ষায় দ্রুত সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জোর দাবি জানান মন্দিরের সেবায়েত সুবপ্রসাদ চৌধুরী ও স্থানীয়রা।
ইতিহাসবিদ সতীশ চন্দ্র মিত্র ও অধ্যাপক মো. আবু নসরের গ্রন্থ অনুযায়ী, ১৭৬৭ খ্রিষ্টাব্দে হরিরাম দাশ (মতান্তরে দুর্গাপ্রিয় দাশ) প্রায় ৬০ ফুট উঁচু তিনতলা বিশিষ্ট এই শ্যামসুন্দর মন্দিরটি নির্মাণ করেন। মূল মন্দিরের পাশাপাশি এখানে দুর্গা ও শিব মন্দির এবং ‘জমির বিশ্বাসের পুকুর’ নামে ঐতিহাসিক দীঘি রয়েছে।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সরাসরি পরিদর্শন, প্রি-ডকুমেন্টেশনের সিদ্ধান্ত এবং আগামী অর্থবছরে সংস্কার বাস্তবায়নের আশ্বাসে স্থানীয় বাসিন্দা ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দ্রুত এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন ঘটে ঐতিহাসিক মন্দিরটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সচেতন মহল।
দেবহাটা প্রতিনিধি: ‘শিশু শ্রম নয়, শিশুর জীবন হোক স্বপ্নময়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার দেবহাটায় শিশুশ্রম প্রতিরোধ বিষয়ক শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) উপজেলার সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে এবং সুশীলন-এর বাস্তবায়নে দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের উদ্যোগে এ শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
৩নং সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামরুল, জামায়াত নেতা জিয়াউর রহমান, দেবহাটা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক এমএ মামুন, প্রকল্পের এমএন্ডই স্পেশালিস্ট মো. শরিফুজ্জামান, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো. মিজানুর রহমান, নিলাদ্রী বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মোখলেছুর রহমান, নূর মোহাম্মাদ, রবিউল ইসলাম, নাজিমউদ্দীন, শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ডা. নজরুল ইসলাম, আবুল হোসেন, কালাম সরদার, মোছা. সাজু পারভীন, রেহেনা খাতুন ও জুলেখা খাতুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম একটি শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করে। শিশুদের শ্রমে না পাঠিয়ে তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও স্বপ্নময় ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, শিশুদের শ্রম থেকে বিরত রেখে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং শিশুর অধিকার রক্ষায় পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আয়োজকরা জানান, শিশুশ্রম প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় লাইসেন্স ছাড়া অবৈধভাবে পরিচালিত ‘সাতক্ষীরা সার্জিক্যাল ক্লিনিক’-এ অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বুধবার দুপুর ৩টায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অননুমোদিতভাবে ক্লিনিক পরিচালনার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্লিনিকের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
র্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার জায়েন উদ্দিন মোহাম্মদ জিয়াদ জানান, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র ও স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই ক্লিনিকটি চালানো হচ্ছিল—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি মো. আক্কাস হোসেন কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে ২ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ প্রদান করেন আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম।
জনস্বার্থে অননুমোদিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ও র্যাবের এমন যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরায় বেসরকারি সংস্থাগুলোর সংগঠন এসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশ (এডাব)-এর জেলা শাখার উদ্যোগে “এনজিও পরিচালন ব্যবস্থায় সুশাসন জোরদারকরণ” বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার শহরের কামালনগরস্থ লেকভিউ রিসোর্টে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত।
এডাব সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ও পল্লী চেতনার নির্বাহী পরিচালক মোঃ আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এডাব কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের পরিচালক (কর্মসূচী)কাউসার আলম মুন্সি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এডাব সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব ও উষা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ শামসুজ্জোহা। কর্মশালার সার্বিক সমন্বয় করেন এডাব খুলনা বিভাগের সমন্বয়কারী মোঃ রেজাউল করিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি এনজিওদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সাতক্ষীরা জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এনজিওসমূহ লক্ষণীয় অবদান রেখে চলেছে।”
তথ্যকে বর্তমান সময়ের মূল শক্তি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই তথ্যের যথাযথ আদান-প্রদান ঘটে। এনজিও পরিচালনায় সুশাসন নিশ্চিত করতে এই সময়োপযোগী আয়োজন প্রশংসার দাবিদার। এনজিওগুলোর পারস্পরিক সমন্বয়, সুশাসন চর্চা এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে এডাব-এর এই উদ্যোগ জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে।”
উক্ত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় খুলনা, যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার এডাব তালিকাভুক্ত ২৬টি নিবন্ধিত এনজিওর প্রতিনিধিগণ অংশ নেন।
নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে আওয়ামী যুবলীগের চার নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী এলাকার চালতেতলা থেকে সদর থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার জাহাজঘাটা গ্রামের আকবর আলী খানের পুত্র ভুরুলিয়া ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, পরামন্দকাঠি গ্রামের মৃত মাহতাব উদ্দিনের পুত্র মৌতলা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাহীনুর ইসলাম, শ্রীরামপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের পুত্র বিষ্ণপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক এবং কালিগঞ্জের ফরিদপুর গ্রামের আ: জলিলের পুত্র ফরহাদ নাঈম।
সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত বা অপতৎপরতায় লিপ্ত সংগঠনের কর্মীরা যাতে এলাকায় কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাটকেখালীর চালতেতলা এলাকা থেকে মিছিলের প্রস্তুতিকালে এই চারজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ##
দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় পৃথক অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ দুইজন এবং চারটি জিআর পরোয়ানাভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিসহ মোট তিনজনকে আটক করেছে দেবহাটা থানা পুলিশ। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে ১৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে পারুলিয়া ইউনিয়নের ঘড়িয়াডাঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১৫ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন—ঘড়িয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত মান্দার মোড়লের ছেলে আব্দুল সাত্তার মোড়ল ওরফে জেলে খোকন (৫০) এবং একই এলাকার মৃত দুর্লভ ঢালীর ছেলে শামসুল ঢালী (৫৫)।
অভিযানে দেবহাটা থানার এসআই সাহিদুল আলমের সঙ্গে এসআই হান্নান মিয়া ও এএসআই সাগর আলীসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।
এদিকে, পৃথক আরেকটি অভিযানে ১৮ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দেবহাটা থানার পুলিশ খলিশাখালী এলাকা থেকে চারটি জিআর পরোয়ানাভুক্ত দীর্ঘদিনের পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাইফুল ইসলাম গাজী (৪০)কে আটক করে। তিনি খলিশাখালী গ্রামের মৃত আবু বক্কার গাজীর ছেলে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন দেবহাটা থানার এসআই (নিঃ) ইব্রাহিম মোল্লা। এ সময় এএসআই (নিঃ) হান্নান মিয়া, এএসআই (নিঃ) সাগর আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম জানান, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ঘড়িয়াডাঙ্গা এলাকা থেকে গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক অভিযানে জিআর পরোয়ানাভুক্ত দীর্ঘদিনের পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক তিনজনকেই প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ জাহাঙ্গীর আরিফ। বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় তিনি…
অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে দেওয়া হতে পারে…
অনলাইন ডেস্ক : পেরুর বিখ্যাত ‘নাজকা লাইন’ দেখার সময় একটি ছোট পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে বিমানে থাকা ১১…