সর্বশেষ সংবাদ-
ঢাকা থেকে গ্রামে ফেরা এক পরিবারের ৫ জন করোনা আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালেগণকর্মচারীরা কেন গণমানুষের বিরুদ্ধে? —আমীন আল রশীদজনসমাগম ঠেকানোর নামে ছাত্রলীগ নেতা ও ইউপি সদস্যকে পিটুনিনলতা শরীফে’র খাদেমের মৃত্যুর গুজব ছড়ানোয় থানায় অভিযোগমুজিব বর্ষে অঙ্গীকার, সুন্দরবন সুরক্ষার —–সুভাষ চৌধুরীমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে লাঞ্ছিত বৃদ্ধদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইউএনওদেবহাটায় করোনা প্রতিরোধে আ’লীগের সম্পাদকের  মাস্ক বিতরন  দেবহাটায় করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসুচী দেবহাটা নওয়াপাড়ায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাস্ক বিতরণ ও জীবানু নাশক ঔষধ স্প্রেসাতক্ষীরায় পর্ণোগ্রাফি মামলা তুলে নিতে ভিকটিম ও তার পরিবারের সদস্যদের পিটিয়ে জখম

সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম করা হয়েছে। শনিবার ২৮ মার্চ ২০২০ সকাল ১১ টা থেকে সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়ন, কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ও যুগিখালী ইউনিয়ন এবং সাতক্ষীরা পৌর এলাকার কাটিয়া ঝুটিতলায় দলিত আদিবাসী ও নি¤œ আয়ের মানুষের মধ্যে ৩৪০ পরিবারকে সাবান, ব্লিচিং, মাস্ক, বেবী ফুডস বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, সাধারণ সম্পাদক ফাহিমুল হক কিসলু, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক মহিবুল্লাহ মোড়ল, প্রকৌশলী আবেদুর রহমান, সদর উপজেলার সভাপতি স্বপন কুমার শীল, সাধারণ সম্পাদক মফিজুল হক জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

এসময় এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি বলেন, সাতক্ষীরা জেলার ৪৩ ভাগ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করেন। করোনার পরিস্থিতির কারণে তারা কর্মহীন হয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে দশ হাজার দলিত আদিবাসী ও নি¤œ আয়ের মানুষের মধ্যে সাবান, ব্লিচিং, মাস্ক, বেবী ফুডস বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে আমরা বিতরণ সম্পন্ন করবো। ২০০০ সালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে সমাজের বিত্তবানরা যেভাবে সহায়তা করেছেন। বর্তমানে করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরকে গরিব অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ধর্ষণ চেষ্টায় মামলা, আটক ১

কে.এম রেজাউল করিম: দেবহাটার পল্লীতে ৩য় শ্রেনীর ১ ছাত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগে দেবহাটা থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ঐ ঘটনার অভিযুক্তকে আটক করেছে। আটককৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন ঐ শিক্ষার্থীর মা। মামলার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মাওলা বক্সের ছেলে শফিকুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে একই গ্রামের বহেরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীতে পড়–য়া ঐ ছাত্রী তার বাড়ির পাশের এক বান্ধবীর বাড়িতে খেলতে গেলে শফিকুল ঐ ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। পরে ঐ শিক্ষার্থীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে শফিকুলকে আটক করে দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহাকে বিষয়টি জানালে ওসি তাৎক্ষনিক কর্তব্যরত পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠালে ঘটনাস্থল থেকে এসআই হুমায়ুন কবীর শফিকুলকে আটক করেন। ওসি বিপ্লব কুমার সাহা থানায় এ ঘটনায় ভিকটিমের মা গত ২৭-০৩-২০২০ ইং তারিখে ১৩ নং মামলা দায়ের করেছেন নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমকে মেডিকেলের জন্য সাতক্ষীরা প্রেরন করা হয়েছে। ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে ওসি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেনের উদ্যোগে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী-দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও প্রসাধনী বিতরণ করা হয়েছে।
করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ২৮ মার্চ বিকাল ৫ টায় নারকেলতলাস্থ কস্তুরী হোটেল এর সামনে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।
খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৫ কেজি চাউল, ৫০০ গ্রাম ডাউল, ১ কেজি লবণ ও ২টি করে স্যাভলন সাবান।
এ সময় তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে সচেতনার বিকল্প নেই। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হওয়া। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাসহ ঘন ঘন দুই হাতে সাবান পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত পরিস্কার করা। হাঁচি, কাশির সময়ে টিস্যু অথবা কাপড় দিয়ে বা বাহুর ভাঁজে নাক মুখ ঢেকে ফেলুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন ও হাত পরিস্কার করুন। হ্যান্ড সেক কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন। জন বহুল স্থানে বা গণ পরিবহনে মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। রান্নার আগে খাবার ভালো করে ধুয়ে নিন এবং সিদ্ধ করুন। ময়লা কাপড় বেশিদিন জমিয়ে রাখবেন না। দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। বিশেষ করে সমাজের স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনাভাইরাস:  জেরুজালেমে মুসলমান-ইহুদি-খ্রিস্টানদের  প্রার্থনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস থেকে মানবজাতিকে বাঁচাতে একসঙ্গে প্রার্থনায় বসেছিলেন ইসলাম, খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মের নেতারা। সেমেটিক এ তিন ধর্মাবলম্বীরা জেরুজালেমকে পবিত্র শহর হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এই সম্মিলিত প্রার্থনা হয়েছে। জেরুজালেমের সিটি হলে হওয়া এ প্রার্থনায় তিন ধর্মের নেতারা ছাড়াও দ্রুজ ও বাহাইদের প্রতিনিধিরাও ছিলেন।-খবর ভ্যাটিকান নিউজের

কোভিড-১৯ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক চলছে। সারা দুনিয়ায় উদ্বেগের মধ্যেই শহরটির মেয়র এ মিলিত প্রার্থনার উদ্যোগ নেন।

প্রার্থনার আগে ভ্যাটিকান রেডিওতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিন ধর্মের আত্মিক বন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরেন ফ্রান্সিসকান কাস্টোডিয়ান অব দ্য হোলি ল্যান্ড ফাদার ফ্রান্সেসকো প্যাটন।

তিনি বলেন, মহামারি ঠেকাতে সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে আমরা একসঙ্গে প্রার্থনা করবো। আমাদের ধর্মবিশ্বাসের উৎস এক, এ কারণে এ ধরনের প্রার্থনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

‘একই উৎসকে ধন্যবাদ জানিয়েই নিজেদের বিশ্বাস ও আস্থা নিয়ে আমরা ঈশ্বর ও সর্বশক্তিমানের কাছে প্রার্থনা করবো।’

এর আগে গত ২১ মার্চ চার্চ অব দ্য হোলি সেপুলক্রের নেতারা (লাতিন, গ্রিক অর্থোডক্স ও আর্মেনিয়ান) এক যৌথ বিবৃতিতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় একসঙ্গে প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

তারা বলেন, বিপজ্জনক এ পরিস্থিতিতে ইব্রাহিমের সন্তানরা একসঙ্গে প্রার্থনা করে সর্বশক্তিমানের কাছে ক্ষমা ও সুরক্ষা চাইতে পারে।

চীনের উহান থেকে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব শুরু হলেও সে দেশে ভাইরাসটির প্রকোপ কমছে। ইউরোপে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে ভাইরাসটি।

এদিকে বিশ্বে শনিবার পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৭ হাজার ছাড়িয়েছে। এর বেশির ভাগ মৃত্যু হয়েছে ইটালি ও স্পেনে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নভেল করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৭২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ।

এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৭ হাজার ৩৬০ জন। আর চিকিৎসা নিয়ে সেরে উঠেছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৯৮ জন।

বিশ্বের ১৯৯টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট ১ লাখের বেশি জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৭০৬ জনের।

তবে মৃতের হিসেবে শীর্ষে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ১৩৪। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৯৮ জন।

মৃতের হিসাবে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ১৩৮। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৭১৯।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনা : চাই মোক্ষম অস্ত্র ―বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী

ধরো, করোনা ভাইরাস আকারে যদি কুকুর বা শিয়ালের মতো হত, আর পাগলা কুকুরের মত তাড়িয়ে তাড়িয়ে এখনকার মত মানুষ মারত, তাহলে মানুষ কী করত? যত রাষ্ট্রে যত মারণাস্ত্র আছে, যত বন্দুক, যত কামান, যত গুলি, যুদ্ধ জাহাজ, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, প্রয়োজনে পারমানবিক বোমা এনে আক্রমণ করে ভাইরাসের দফা শেষ করে ফেলত। কারণ এই ভাইরাসের ওপর ভিষণ ক্ষেপে আছে মানুষ। আজ পর্যন্ত যে খবর, পঁচিশ হাজারের বেশি মানুষ ইতিমধ্যে মেরে ফেলেছে এই ভাইরাস। এখনও মারতেই আছে। ১৭৭ টি দেশে হানা দিয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। শুধু তাই নয়, বিশ্বজুড়ে তিনশ কোটি মানুষ ঘরে আটকে আছে। অজস্র শহর ফাঁকা হয়ে গেছে। কাজ-কর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ডকে উঠেছে। টাকা পয়সা খাবার-দাবার শেষ হতে চলেছে। বিশ্বের সব পন্ডিত, সব বড় বড় নেতাদের গালে মাছি গেছে। কিন্তু মানুষের এত অস্ত্র, সব গুদাম ঘরে। সব অকেজো। এখন কী করছে মানুষ ? প্রাকৃতিক প্রতিরোধের উপর ভরসা করছে। সেটা কী রকম? আমরা জানি, ভাইরাসকে যদি দেখা যেত, অস্ত্র দিয়ে তার নাড়ি-ভুড়ি চটকিয়ে দেয়া যেত। মানুষের তৈরী অস্ত্র, তাই সেটা মনুষ্য প্রতিরোধ। কিন্তু তা তো আর হচ্ছে না। ভাইরাস তো খুব ছোট। খালি চোখে দেখা যায় না। একেবারে শরীরের মধ্যে ঢুকে থাকে। যদি শরীরের বাইরেও থাকত, তাহলেও তো পিঁপড়ের মত ডলা দিয়ে মারা যেত, তাও যাচ্ছে না। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তির উপর ভরসা করতে হচ্ছে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি প্রকৃতিগত। তাই সেটা প্রাকৃতিক প্রতিরোধ। একটুখানি ভুল বলেছি, শরীরের মধ্যে না, শরীরের শরীরের মধ্যে, মানে কোষের মধ্যে। দেখো তো কী ভয়ানক যুদ্ধ কৌশল ! এখন যদি ভাইরাসেরা গল্প করতে পারত, তাহলে কী বলত ? আমার মনে হয়, এক ভাইরাস আরেক ভাইরাসকে বলত, “দেখ ভাই ! মানুষেরা রাস্তায় আর্মি আর পুলিশ নামিয়েছে, ওগুলো কী হবে?” আরেক ভাইরাস বলত , “ওগুলো মাছ না পেয়ে ছিপে কামড়, মানুষ তো ! দর্প ভারী ! খালি শক্তি দেখায়, বুক ফোলায়,আর অস্ত্র নামায়, আর্মি নামায়…ওগুলো হচ্ছে―’দাঁড়া ! এই করতে পারি, ও্ই করতে পারি, এক্ষুনি শেষ করব’ ইত্যাদি টাইপের গর্ব।” এর মধ্যে ধরো, একটা পুলিশ একটা মানুষকে ঠ্যাঙাচ্ছে, মাস্ক পরেনি তাই; অথবা চারটে আয়ের জন্য পথে নেমেছে তাই। তাই দেখে একটা ভাইরাস হাসছে আর বলছে, “হায় হায় এ ভাই ! মানুষ মানুষকে মারছে কেন !” আরেক ভাইরাস বলবে, “বললাম না মাছ না পেয়ে ছিপে কামড়, মাস্কে-ফাস্কে কী আমরা আটকাই! আমাদেরকে মারতে পারছে না তো, তাই নিজেদেরকে মেরে ঝাল জুড়িয়ে নিচ্ছে হিহিহি!” আবার সব করোনা ভাইরাস তো বুদ্ধিমান না, কিছু ন্যাকা ভাইরাসও আছে। তা সেরকম একটা ন্যাকা ভাইরাস তখন এসে বলবে, “কেন? আমাদেরকে মারবে কেন? আমরা কী করেছি?”

“কী করছ বুঝতে পারছ না ! পঁচিশ হাজার যে মেরে ফেলেছ, এখনও যত বাঁচবে, ওরা তত মরবে !”

“ওমা তাই নাকি ! তা তো জানিনে!” বলেই ন্যাকা ভাইরাস মানুষের ফুসফুস কোষে সুড়সুড় করে সেঁধিয়ে যাবে।

তা যাই হোক, তাহলে বোঝো ! মানুষের সব অস্ত্র বস্তা পচা। প্রয়োজনে কোন কাজে লাগে না। শুধু কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা নষ্ট। কেন বলোতো ? মানুষ ব্যবসা করে। তাই নিজেদের মধ্যে মারামারি জিইয়ে রাখে। একটা ইয়া বড় যুদ্ধ বিমান বিক্রি করলে কোটি কোটি টাকা পায়। ওরা জানে, প্রকৃতির নিষেধ অমান্য করে ওরা যুদ্ধ করে। সে বেলায় প্রাকৃতিক প্রতিরোধের তোয়াক্কা করে না। তাই নিজেদের সামলানোর জন্য অস্ত্র বানায়। কিন্তু যখন বিপদে পড়ে, এই যেমন এখন, তখন সুড়সুড় করে প্রাকৃতিক প্রতিরোধে ভরসা করে। বাঁচার অধিকার সবার আছে। প্রকৃতিই এটা দেয়। কিন্তু ওরা কী করে? অকাতরে গাছ কাটে, কীট পতঙ্গ মারে। আবার নিজেদেরকেও মারে। জানো? ওদের রোহিঙ্গা বলে এক জাত আছে। খুব নিরীহ জাত! তাদের ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলে দেয় সাগরে! কী কারণ? বাপ-দাদাদের আমল থেকে বাস-করা জায়গা নাকি ওদের না ! কী নৃশংস তাই না?

মানুষ কিন্তু বোঝে সব। কিন্তু দেরিতে। ওরা কিন্তু জানে, ক্ষুদ্র শত্রু শক্তিমান বেশি। কিন্তু ক্ষুদ্রকে কি কেউ দাম দেয়? তাহলে হেরে যেতে হবে না? এমন গোয়ার ওরা। এখন বুঝতে পারছে। তাই এবার অস্ত্র বানাবে। কী করে জানো ? ওই যে শরীর যেভাবে প্রতিরোধ গড়ে, সেটা শিখে তাই বানাবে। সে অস্ত্রের নাম কী জানো ? ওষুধ। এ এমন অস্ত্র যে, খেতে হয়। ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ভ্যাকসিন, স্যালাইনের মাধ্যমে নিজের শরীরের মধ্যে ঢালতে হয়। তাহলে বোঝো, এমন অস্ত্র যে, খেতে হবে। এখন আমার এই কথোপকথন যদি ভিনগ্রহী কেউ শুনতে পায়, তাহলে তারা কী করবে বলো তো ? ভিষণ হাসবে। ধরো, ভিনগ্রহীদের একটা মেয়ে আছে। তার নাম-টিংকু। টিংকু যদি শোনে, মানুষেরা ভাইরাসের এমন অস্ত্র বানায় যে, তা খেতে হয়। তাহলে সে হেসে গড়াগাড়ি যাবে।

টিংকু মায়ের কাছে শুনবে, “মা, অস্ত্র আবার খায় নাকি !’’

টিংকুর মা হাসি চেপে বলবে, “মানুষেরা খায়।’’

টিংকু হয়ত তখন কৌতুহলের বশে বলবে, ‘‘আমরা কেন অস্ত্র বানিয়ে খাই না?’’

টিংকুর মা বলবে, “ওসব আমাদের এই ভিনগ্রহীরা পনেরশ বছর আগে বানাত, পৃথিবীর মানুষেরা অত বুদ্ধিমান নয়, এখন আমরা…এই যে এটা বানিয়েছি।’ বলেই টিংকুর মা মাইক্রোফোনের মত দেখতে কী একটা টিংকুর হাতে বেধে দেবে।

সেটা কী হতে পারে জানো ? সেটাই ওদের ভাইরাস তাড়ানোর অস্ত্র। ঘড়ির মত হাতে বেধে রাখতে হবে। অদৃশ্য কোন শত্রু দেখলেই চুম্বকের মতো টেনে নেবে, আর ফিনিশ করে ফেলবে।

যা হোক, মানুষেরা ওষুধ-অস্ত্র বানাবে। আর সে খবর যদি করোনা ভাইরাস জানতে পারে, তবে কী হবে বলো তো ? প্রথম প্রথম বুঝতে পারবে না। দুম-দাম করে মরবে দু একটা। যে ক’টা বাঁচবে, ঘাপটি মেরে বসে বসে ভাববে, ‘‘তাই তো ! এখন কী করি ?’’

কিন্তু ওদেরও তো প্রাকৃতিক প্রতিরোধ আছে। তা যে শুধু মানুষের আছে তা তো নয়। ওরা সেই প্রাকৃতিক প্রতিরোধের শক্তিতে ওষুধ-অস্ত্রের মধ্যে ঢুকে যাবে। যেমন করে এখন শরীরের মধ্যে ঢুকছে। তাহলে কী হবে ? সেই অস্ত্রেও আর কাজ হবে না পরে। আবার তখন সব ফেলে-টেলে দিয়ে হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকবে মানুষ।

Email : bablujbl@gmail.com

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে নাগরিক মঞ্চের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার নাগরিক অধিকার আদায়ের আপোষহীন গণ সংগঠন নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের উদ্যোগে করোনাভাইরাস ঠেকাতে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও জীবানুনাশক স্প্রে বিতরণ শুরু হয়েছে।
শনিবার বেলা ১২টায় নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের নিজস্ব কার্যালয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সভাপতি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, যুগ্ম সম্পাদক শিব পদ গাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম ফেরদৌস মিতুল, মেহেদীআলী সুজয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মশিউর রহমান পলাশ, দপ্তর সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন, সদস্য মাসুদ রানা মনা, কামরুল ইসলামসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ।
নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ সাতক্ষীরার আয়োজনে এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশন সাতক্ষীরার সহযোগিতায় গত কয়েক দিনে প্রায় ২ হাজার লিটার জীবাণু নাশক স্প্রে, প্রায় ১ হাজার বোতল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ১ হাজার লিডার লিকুইড সোপ, ৩৫ হাজার মাস্কসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ধারাবাহিকভাবে বিতরণ করে যাচ্ছে।
এবিষয়ে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা প্রতিরোধে সচেতনার বিকল্প নেই। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হওয়া। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাসহ ঘন ঘন দুই হাতে সাবান পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড যাবত পরিস্কার করা। হাঁচি, কাশির সময়ে টিস্যু অথবা কাপড় দিয়ে বা বাহুর ভাঁজে নাক মুখ ঢেকে ফেলুন। ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনা যুক্ত ময়লার পাত্রে ফেলুন ও হাত পরিস্কার করুন। হ্যান্ড সেক কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন। জন বহুল স্থানে বা গণ পরিবহনে মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। জ্বর,সর্দি, শুকনা কাশি, মাথা ব্যাথা, গলা ব্যাথা ও শরীর ব্যাথা হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যে খানে সেখানে থুতু ফেলবেন না। রান্নার আগে খাবার ভালো করে ধুয়ে নিন এবং সিদ্ধ করুন। ময়লা কাপড় বেশিদিন জমিয়ে রাখবেন না। দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। তাছাড়া সাতক্ষীরার সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান খাদ্য পণ্যসহ যাবতীয় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য কোন ক্রমেই অতিরিক্ত মূল্য নেবেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় জেলা ছাত্রলীগ নেতা আশিকের মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরায় সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এস.এম আশিকুর রহমানের উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন স্থানে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে।
বর্তমানে সারাবিশ্বে আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। নভেল করোনাভাইরাস (সিওভি) হলো করোনাভাইরাসের এক নতুন প্রজাতি। করোনাভাইরাসের মাধ্যমে সৃষ্ট এই রোগটি প্রথম চীনের উহানে চিহ্নিত হযয়েছিল। তখন থেকেই রোগটির নাম করা হয়েছিল করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯ (কোভিড-১৯)। করোনা থেকে ‘কো’ , ভাইরাস থেকে ‘ভি’, এবং ‘ডিজিজ’ বা ‘রোগ’ থেকে ‘ডি’ নিয়ে এর সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয়। আগে, এই রোগকে ‘২০১৯ নভেল করোনাভাইরাস’ বা ‘২০১৯-এনসিওভি’ বলা হতো। কোভিড-১৯ হলো একটি নতুন ভাইরাস যা অতীতের সার্স ভাইরাস এবং কয়েক ধরনের সাধারণ সর্দি-জ্বর জাতীয় ভাইরাসের পরিবারভুক্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড ১৯-কে মহামারী হিসাবে উল্লেখ করেছে। কোভিড-১৯-কে মহামারী হিসাবে চিহ্নিত করার অর্থ এই নয় যে এই ভাইরাসের ভয়াবহতা বেড়েছে। মূলত এর ভৌগলিক বিড়ম্বনার স্বীকৃতিস্বরূপ একে মহামারী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেহেতু কোভিড-১৯ ভাইরাসটি যে কোন দেশে এবং যে কোন সম্প্রদায়ের শিশু ও পরিবারের মধ্যে বিস্তার লাভ করতে পারে, সেহেতু ইউনিসেফ এর প্রশমনে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহন করছে। পরিবার ও শিশুদের এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে ইউনিসেফ বিভিন্ন দেশের সরকার ও সহযোগী সংস্থাগুলোর সাথে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্বের ১৯৯টি দেশে এখন পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে এই ভাইরাসটি। করোনা সংক্রমণ থেকে বাদ যায়নি বাংলাদেশও।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সতর্ক করার লক্ষে ২৮ মার্চ শনিবার দুপুরে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নিশান হাসান, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান, মুন্তাসির সাজিদ প্রমূখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃদ্ধদের কান ধরানো সেই এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক : যশোরের মনিরামপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিন বৃদ্ধকে কান ধরিয়ে উঠবস করানোর ঘটনায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসানকে প্রত্যাহারের পর তাকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইউসুফ হারুন আরও বলেন, অফিস খোলার পর এ ঘটনার তদন্ত করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া করোনা প্রাদুর্ভাবের সময় মাঠ পর্যায়ে সব কর্মকর্তাকে সরকারি আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান জনপ্রশাসন সচিব।

প্রসঙ্গত নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যশোরের মনিরামপুরে গত শুক্রবার বিকালে এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে মাস্ক না পরায় তিন বৃদ্ধকে কান ধরিয়ে উঠবস করান সাইয়েমা হাসান। সাজা দেয়ার ঘটনাটি নিজের মোবাইল ফোনে ছবিও তুলে রাখেন তিনি।

ঘটনার দিন রাতে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন অমানবিক কর্মকাণ্ডে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest