করোনা : টিকা কার্যক্রম থমকে যাওয়ায় ঝুঁকিতে আড়াই লাখ মা ও শিশু

অনলাইন ডেস্ক : বৈশ্বিক করোনায় তৈরি হওয় অচলাবস্থায় টিকা কার্যক্রম থমকে গেছে। এপ্রিল থেকে জুন, টানা তিন মাস দেশের প্রায় আড়াই লাখ মা ও শিশু ১০ ধরনের টিকা নেয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এতে বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখোমুখি তারা।

নিয়মিত টিকা না নেওয়ায় বেড়ে যাতে পারে ১০টি রোগের প্রকোপ। এগুলো হচ্ছে- যক্ষ্মা, ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি, মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, নিউমোনিয়া, পোলিও মাইলাইটিস, হাম ও রুবেলা। যদিও স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ঝরে পড়া মা-শিশুর টিকা পর্যায়ক্রমে পরে দিলেও অসুবিধা হবে না। ইতোমধ্যে সে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

শূন্য থেকে ১৮ মাস বয়সী সব শিশু এবং ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী সন্তান ধারণক্ষম সব নারীকে প্রয়োজনীয় টিকা নেয়ার গুরুত্বের কথা বলে আসছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।সম্পূর্ণ টিকার ডোজ নেয়ার পর মা-শিশু নিরাপদ থাকে। যদি তিনটি ডোজের দুটি সম্পন্ন হওয়ার পর একটা বাদ পড়ে খুব বড় সমস্যা হবে না। তবে দ্রুত সেই টিকা গ্রহণ করাটা ভালো। এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, টিকা না দেয়ার সময়টা দীর্ঘ হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ত। ইতোমধ্যে আমরা প্রত্যেকটা টিকাদান কেন্দ্র চালু করেছি। ভয় পাওয়ার কিছু নেই, যারা গত তিন মাসে শিশুদের টিকা দেননি তারা পরেও দিতে পারবেন। বাদ পড়াদের সংখ্যাটি মোট মা ও শিশুর ১৫-২০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে জুন মাসে টিকাদান প্রক্রিয়া থেকে ঝরে পড়েছে প্রায় ২ থেকে আড়াই লাখ মা এবং শিশু। অর্থাৎ স্বাভাবিক সময় ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশ মা-শিশুকে টিকা দেয়া সম্ভব হতো। করোনার কারণে গত ২ মাসে তা ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মা, শিশু ও কৈশোর স্বাস্থ্য কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর মো. শামসুল হক বলেন, টিকাদান কর্মসূচির কিছুটা ছন্দপতন ঘটেছে। সেটার বাস্তব কারণও আছে। তা হল করোনাভাইরাস। সে কারণে টিকাদান টার্গেটের ১০ শতাংশ কমেছে। যদি টিকা কর্মসূচি ভেঙে পড়ে তাহলে নিউমোনিয়া হামের মতো রোগগুলোর কারণে শিশুমৃত্যু বাড়বে। কিন্তু সেটা তখনই ভয়ের হতো যখন বছরের পর বছর টিকা দেয়া সম্ভব না হতো। আমাদের ক্ষেত্রে তা হয়নি। এপ্রিল থেকে জুন তিন মাসে প্রায় আড়াই লাখ শিশু নিয়মিত টিকা পায়নি কিন্তু চলতি মাসে তা আবারও চালু করা গেছে।

তিনি আরও বলেন, তিনি মাসে যেসব শিশু বাদ পড়েছে তাদের তালিকা আছে। মাকে সচেতন হতে হবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এ পরিচালক বলেন, অনেকে ঢাকা শহর ছেড়ে চলে গেছেন। তারা চলে যাওয়ার সময় টিকার কাগজটিও হয়তো নিয়ে যাননি। ফলে তারা ফিরে এলেই আবারও তাদের নিয়মিত করে নেয়া যাবে। কেন্দ্রের পরামর্শকদের কাছে গেলেই সেটি সম্ভব হবে। তিনি বলেন, আমাদের ভ্যাকসিনের কমতি নেই। আগামীতিন মাসের স্টক আছে।

জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) বলছে, শুধু এপ্রিলে নিয়মিত টিকাদান থেকে প্রায় অর্ধেক শিশু বাদ পড়ে। করোনা প্রতিরোধে দেয়া সাধারণ ছুটির সময় বাসায় অবরুদ্ধ থাকার কারণে শিশুরা টিকা পায়নি। ইউনিসেফের হিসেবে এপ্রিলে প্রায় ১ লাখ ৪১ হাজার মা-শিশু টিকা পায়নি। মে মাসেও টিকা বঞ্চিতের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। সরকারি হিসাবের চেয়ে ইউনিসেফের হিসাবের পার্থক্য আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে খেতে পারেন যষ্টিমধু

স্বাস্থ্য ও জীবন : সর্দি-কাশির সমস্যায় আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি খেয়ে থাকি আমরা। তবে ঠাণ্ডা-কাশি, ফুসফুসে সংক্রমণ, শ্বাসকষ্ট ঠেকাতে ও কণ্ঠের যত্ন নিতে খেতে পারেন গরম পানীয়। এসব সমস্যায় উপকার পেতে যষ্টিমধুর শিকড় চায়ের সঙ্গে পান করতে পারেন।

আয়ুর্বেদ চিকিৎসক বাদল বলেন, যষ্টিমধু একটা গাছের শিকড়, যা কফের সমস্যা দূর করে। এ ছাড়া শ্বাসনালি পরিষ্কার রাখতে বা হালকা সর্দি-কাশি হলে যষ্টিমধু চা বা গরম পানির সঙ্গে খেলে উপকার পাবেন।

তিনি বলেন, যষ্টিমধু অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সমৃদ্ধ, যা প্রদাহ সারাতে এবং ব্যাক্টেরিয়া বা জীবাণু ধ্বংস করে।

যষ্টিমধুতে রয়েছে গ্লাইসিরজ়িন, যা হাঁপানি, চোখ ও পেপটিক আলসারের সমস্যায় আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরা ব্যবহার করেন।

ল্যান্সেটে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র বলছে, ৬০ জন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ওপর ১৪ দিনের একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওরাল মিউকোসাইটিসে এই শিকড় কার্যকর।

ফুসফুসে সংক্রমণ, শ্বাসকষ্ট ঠেকাতে কণ্ঠের যত্ন, যষ্টিমধুর শিকড় চায়ের সঙ্গে পান করতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাহাতুল্যাহ আর নেই

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী  ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী রাহাতুল্যাহ (৯৫) আর নেই।
শনিবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে শ্বাসকষ্ট রোগে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রবিবার দুপুরের পর তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনা : পুলিশে আক্রান্ত ১১৪৩১ জন, মৃত্যু ৪৪

দেশের খবর : বাংলাদেশ পুলিশে এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৪৩১ জন সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার এ সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ৩০২ জন। সে হিসাবে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৯ জন। সংক্রমণের শুরু থেকে একক পেশা হিসেবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন পুলিশের সদস্যরা।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান করোনাযুদ্ধে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ও সংযুক্ত মোট ৪৪ সদস্য মারা গেছেন।

করোনায় আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দুই হাজার ৩৩০ জন সদস্য রয়েছেন। সুচিকিৎসা ও সুনিবিড় পরিচর্যায় শনিবার পর্যন্ত পুলিশের সাত হাজার ৪৬৩ জন সদস্য করোনাজয় করে সুস্থ হয়েছেন।

করোনার উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি চার হাজার ৭৮১ জন। আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১১ হাজার ৫০৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা।

পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, ‘মাঠে নিয়োজিত সদস্যরা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ও সুরক্ষিত থাকতে পারেন, সে জন্য সচেতনতার পাশাপাশি সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি জানানো হচ্ছে। সিনিয়র অফিসাররাও বিভিন্ন ইউনিটে গিয়ে তাদের সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলছেন। সুরক্ষাসামগ্রী ও পর্যাপ্ত জীবাণুনাশক সরবরাহে এবং ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।’

পুলিশ সদস্যদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি কমাতে মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদের নির্দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে আক্রান্ত পুলিশদের জন্য সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ভাড়া করাসহ সব পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত উন্নত সরঞ্জামাদি সংযোজন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে গভীর রাতে ডাকাতি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে গভীর রাতে গ্রিল কেটে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার কুল্যা ইউনিয়নের কুল্যা গ্রামের শিবপদ সাধুর ছেলে নিলকান্ত সাধুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তিন বুধহাটা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী। বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার সকালে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দেবহাটা-আশাশুনি সার্কেল) শেখ ইয়াছিন আলী, আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবিরকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে এবং অতি দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। নিলকান্ত সাধু জানান, শুক্রবার রাতে ৫/৬ জনের একটি ডাকাত দল পেছনের জানালার গ্রিল ভেঙে বাড়ির ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আমাদের হাত ও পা বেঁধে ফেলে। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তারা ঘরের আসবাবপত্র লন্ডভন্ড করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও ৩টি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। নিলকান্ত সাধুর ছেলে প্রণব সাধু জানান, ডাকাত দল আমাদের হাত-পা বেঁধে ঘর থেকে স্বর্ণালংকার লুট করে বাড়ির গেটের চাবি নিয়ে গেট খুলে চলে যায়। যাবার সময় বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য হত্যার হুমকি দিয়ে গেছে। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। পুলিশি তদন্তকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক শুম্ভুজিত কুমার মোন্ডল, কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাছেদ আল হারুন চৌধুরী, শ্রমিকলীগের সভাপতি ঢালী শামসুল আলম, ইউপি সদস্য আব্দুল মাজেদ গাজী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতির মায়ের মৃত‌্যু
 দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার সখিপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমিন খোকনের মাতা আনোয়ারা খাতুন (৬০) মৃত্যুবরণ করছেনে (ইন্না লিল্লাহি———–রাজিউন)। জানা যায়, শনিবার সন্ধা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি ঘরের বাহিরে কয়েকজনের সাথে কথা বলছিলেন। হঠাৎ তিনি বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারকে ফোন করবেন বলে ঘরের ভিতরের যান। এর কিছু সময়ের তিনি মৃত্যুবরন করেন। তবে তিনি পূর্ব থেকে হার্ডের সমস্যায় ভ‚গছিলেন বলে জানা যায়। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী ও এক পুত্র, এক কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, সাধারণ সম্পাদক লোকমান কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আগম্মেদ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নের্তৃবৃন্দরা।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহর ও ব্রহ্মরাজপুরে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ও ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৪’ই জুন) সকালে সদর উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে উপজেলার দুই ইউনিয়নের শতাধিক পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এসকল উপহার সামগ্রী (নগদ অর্থ) বিতরণ করেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে থমকে গেছে জনজীবন। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে অসহায় দরিদ্র দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ। দেশে এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সম্পর্কিত নির্দেশনা মেনে চলার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর হুসাইন সুজন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক বাবু গণেশ চন্দ্র মণ্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শফিউদ্দীন, ধূলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাবু সানা প্রমুখ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক মামুনের মায়ের মৃত্যু

দৈনিক যুগের বার্তার স্টাফ রিপোর্টার ও রেডিও নলতার সাতক্ষীরা সদর প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মাতা কোহিনুর বেগম(৫৫) আর নেই।
শনিবার রাত ৮টার দিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। (ইন্নালিল্লাহি—-রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ২ পুত্র ও ২ কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহি রেখে গেছেন। রোববার বাদ যোহর দেবহাটার খানজিয়া নওয়াপাড়ায় মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest