সর্বশেষ সংবাদ-

নিজ ভিটেই ফিরতে চায় বৃদ্ধা জরিনা খাতুন

নিজস্ব প্রতিনিধি : আমার বাড়ি ঘর থাকতেও আমি দেড় বছর ধরে বাড়ি ছাড়া। বাড়িতে গেলেই ধারালো ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করা হয়। দুই ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে বিদেশে থাকে। কিন্তু তারপরও অন্যের বাড়ির বারান্দায় কাটে এখন আমার জীবন। কান্না জড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলেন সদর উপজেলার বাঁশদহা গ্রামের কামারবয়সা গ্রামের মৃত. কওছার আলীর স্ত্রী বৃদ্ধা জরিনা খাতুন।
বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এধরনের অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
ষাটোর্দ্ধ বৃদ্ধা জরিনা খাতুন বলেন, আমার ছোট ছেলে আলমগীর হোসেন বিদেশে কাজ করে। বড় ছেলে অন্যত্র স্ত্রী সন্তান নিয়ে থাকে। স্বামীর ভিটেই একাই বসবাস করি। কিন্তু সম্প্রতি একই এলাকার রফিকুল ইসলামের কন্যা রেকসানা খাতুন নিজেকে আমার প্রবাসী পুত্র আলমগীরকে নিজের স্বামী দাবি করে বাড়িতে ওঠার চেষ্টা করেন। এতে আমি বাধা দিতে গেলে তার পিতা রফিকুলসহ কয়েকজন আমাকে মারপিট করে। এঘটনায় আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানা পুলিশ উভয়পক্ষকে ডেকে রেকসানাকে বিয়ের স্বপক্ষে প্রমান দেখাতে বললে সে কোন প্রমান দেখাতে পারেনি। এরপর বাড়ি গিয়ে আমাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এবিষয়ে আমার পুত্র আলমগীরের সাথে কথা বললে রেকসানার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই মর্মে জানায়। অথচ অনলাইনে বিবাহ হয়ে মর্মে দাবি করে ওই রেকসানা ও তার পিতা আমার বাড়ী দখল করে রেখেছে। এদিকে আমাকে বাড়িতে তুলে দেওয়ার শর্তে টাকা দাবি করে আসছে কামারবায়সা গ্রামের আব্দুল লতিফের পুত্র রাসেল। টাকা না দেওয়ায় বাড়িতে উঠতেও সহযোগিতা করছেন রাসেল। ভুক্তভোগী বৃদ্ধা জরিনা খাতুন নিজের বাড়িতে উঠতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে শিক্ষানুরাগী আশরাফ আলীর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার গর্ব আমেরিকা প্রবাসী গবেষক বিশিষ্ট অনুজীব বিজ্ঞানী ড. আবু সিদ্দীকির পিতা সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও শ্রীফলকাটি আশরাফ ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতালের ভূমিদাতা আলহাজ্ব আশরাফ আলী গাজীর মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ শে নভেম্বর বধুবার বাদ জোহর নামাজ শেষে আবাদ চন্ডিপুর গাজীবাড়ী পাঞ্জেগানা মসজিদে বেলা ২ টায় ওলামাকেরাম, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, এলাকাবাসী ও স্বজনদের উপস্থিতেতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শ্রীফলকাটী আজিজিয়া হাফিজিয়া দাওরা হাদিস মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি মাওলানা জিয়াউর রহমান।
উল্লেখ্য, গত ২১ নভেম্বর শনিবার রাত ১০ টায় নিজ বাড়িতে সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব গাজী আশরাফ আলী।
মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে সেজপুত্র স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক গুলশান শাখার ফাইন্যান্স বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার জি, এম, ইয়াসিন দোয়া অনুষ্ঠানে পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলের কাছে তার মরহুম পিতার জন্য দোয়া চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিংড়ীতে অবৈধ ভাবে মরিচ্চাপ নদীতে দেওয়া বাধ কেটে দিল জনসাধারণ

আবু ছালেক: বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের দক্ষীন পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত মরিচ্চাপ নদীতে অবৈধ ভাবে দেওয়া ছিল বাধ।যার ফলে পানি নিষ্কাষন হতে পারেনা,অনেক প্রচেষ্টা করেও ব্যার্থ হয় জনগন।অবশেষে জনগন একাত্ব ভাবে একত্রিত হয়ে দ্রত পানি নিষ্কাষনের জন্য বাধ কেটে দেয়।যার ফলে দ্রত নিষ্কাষন হচ্চে পানি,খুশি হল জনগন, দ্রত মরিচ্চাপ নদীতে দেওয়া সকল বাধ কেটে দেওয়ার জন্য এলাকা বাসি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে করোনায় ৩৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২১৫৬

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪৮৭ জনে। বুধবার (২৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২ হাজার ১৫৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত হলো মোট ৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৪৬ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৩০২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৯ জন। মারা যাওয়া ৩৯ জনের মধ্যে ২৭ জন পুরুষ ও ১২ জন নারী। সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন।

বিভিন্ন বিভাগে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকায় ২৬ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, রাজশাহীতে ৩ জন, খুলনায় ২ জন, সিলেটে ১ জন ও রংপুরে ২ জন রয়েছেন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪১ থেকে ৫০ বয়সের মধ্যে ৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৬০ বছরের ওপরে ২২ জন রয়েছেন।

এদিকে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএইচইউ) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী-বুধবার (২৫ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৭১ হাজার ২০২ জনে।

এছাড়া কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৪ লাখ ৭ হাজার ৫৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। জেএইচইউ এর তথ্য অনুযায়ী- এদিন সকাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৮১ লাখ ৮৯ হাজার ৫১০ ব্যক্তি।

গত বছর চীনের ‍উহানে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। পরে চলতি বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)করোনাকে মহামারি ঘোষণা করে। এর আগে ২০ জানুয়ারি জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

এদিকে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। করোনা শনাক্তের পাশাপাশি সমানতালে বেড়ে চলেছে মৃত্যু।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ১ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ২২১ জনে দাঁড়িয়েছে এবং ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৭৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ ভারত রয়েছে করোনা আক্রান্ত দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে। ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল আক্রান্ত দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকলেও সর্বাধিক মৃতের সংখ্যায় রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে মোট আক্রান্ত ৯১ লাখ ৭৭ হাজারেরও বেশি মানুষ এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ২১৮ জন। ব্রাজিলে মোট শনাক্ত রোগী ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪৮৫ জনের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে ৭ কোটি ভ্যাকসিন দেবে গ্যাভি, প্রতি ডোজ ১৩৮-১৭০ টাকা

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন দেবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ইমিউনাইজেশনে অর্থায়ন করা দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স-গ্যাভি। একজন মানুষ দুই ডোজ করে এই ভ্যাকসিন পাবেন। প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১৩৮ থেকে ১৭০ টাকা।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কোভ্যাক্স-কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটির উদ্যোগে ২০২১ সালে এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসবে। গ্যাভির পাশাপাশি এ উদ্যোগের যৌথ নেতৃত্বে আছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং দ্য কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস।

সংবাদ সম্মেলনের প্রধান বক্তা ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

এর আগে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সেরামের সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ। সেখান থেকে ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। এই ভ্যাকসিনের দাম অনেক বেশি। প্রতি ডোজ ৫ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৪২৫ টাকা। প্রত্যেকের দুই ডোজ করে টিকা লাগবে। একটি ডোজের ২৮ দিন পর আরেকটি ডোজ দিতে হবে।

সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কোটি মানুষের ভ্যাকসিনের (দুই ডোজ করে) জন্য সরকার চুক্তি করেছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, দেশের ১৬ কোটি ৫০ লাখ মানুষের জন্য করোনা ভ্যাকসিন কিনতে প্রয়োজন ২১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। করোনা ভ্যাকসিন কিনতে দাতা সংস্থাগুলোর কাছে ঋণ সহযোগিতা চেয়ে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচন : মাঠে প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি :  আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে সাতক্ষীরায় পৌরসভার মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। কাকডাকা ভোর হতে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ছুটে চলেছেন।
এবার সাতক্ষীরা পৌরসভায় বিভিন্ন দলের মোট ১০জন মেয়র প্রার্থী বেশ জোরে শোরে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের অধিকাংশই দলীয় সমর্থ পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় সমর্থন না পেলে প্রচারণা চালানো প্রার্থীদের মধ্যেই অনেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বলে জানা গেছে।
ইতোমধ্যে প্রশাসনের চাপ উপেক্ষা করেও জামায়াত ইসলাম দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছেন। যদিও তার স্বাতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচার দিচ্ছেন।
প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামীলীগের মূল মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেন- সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদৎ হোসেন।
এছাড়াও জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যো¯œা আরা, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেত্রী আয়েশা সিদ্দিকা এবং প্রবাসী মাহমুদুল আলম বিবিসিও আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে নিজ নিজ সমর্থকদের দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এখন পর্যন্ত বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছে বর্তমান মেয়র সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য তাজকিন আহমেদ চিশতী। জাতীয় পার্টির কোন প্রার্থীকে মাঠে দেখা না গেলেও সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নূরুল হুদা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যে প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। এছাড়াও গত পৌর নির্বাচনের উল্লেখ্যযোগ্য ভোট পাওয়া সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠুও স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন মাঠে রয়েছে।
করোনা পরিস্থিতির কারণে যথাসময়ে পৌর নির্বাচন সম্পন্ন নিয়েও রয়েছে সংশয়। যদিও নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হচ্ছে ডিসেম্বর মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্নের সম্ভবনা রয়েছে। কিন্তু শীত মৌসুমে করোনার প্রভাব বাড়লে নির্বাচন পিছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রথম দফায় দেশের যেসব পৌরসভায় নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে সাতক্ষীরার নাম নেই।
আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষ্যে মাঠ চষে বেড়ানো প্রার্থীদের মধ্যে অনেক প্রার্থীই শেষ সময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামীলগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মনোনয়ন না পেয়ে যিনি নৌকা প্রতীক পাবেন তাকেই সমর্থন দিবেন বলেও প্রচার রয়েছে। তবে হঠাৎ করে সাতক্ষীরার রাজনীতিতে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠা জামাতের সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এবং মেয়র পদে প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন। জামায়াতের প্রার্থীরা প্রকাশ্যে প্রচারণা না চালালেও রাতে এবং ভোরে বাড়িতে বাড়িতে লিফলেট পৌঁছে দিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।
আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের মধ্যে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নাসেরুল হক এর পিতা সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক মেয়র মরহুম শেখ আশরাফুল হক। অন্যদিকে শাহাদাৎ হোসেন গত পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়েছিলেন। এখন কে নৌকা প্রতীক পাবেন এটা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।
সাতক্ষীরা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ইতোপূর্বে সাতক্ষীরা পৌরসভায় কাজের নামে অনেক অনিয়ম হয়েছে। প্রতিশ্রুতি দিয়েও অনেকই কাজ করেনি। আমরা অযুহাত নয়, কাজ চাই। যিনি কাজ করতে পারবেন। আমরা তাকেই নির্বাচিত করবো।
সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, সাতক্ষীরা পৌরবাসী একজন স’ যোগ্য মেয়র চায়। যিনি পৌরসভাকে ঢেলে সাজাবেন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা করবেন, জলাবদ্ধতার হাত থেকে মানুষকে মুক্তি দিবেন। সর্বপরি আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবেন। এমন একজন ব্যক্তিকেই পৌর পিতা হিসেবে প্রত্যাশা করেন পৌরবাসী।
৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মঞ্জুরুল আহছান বলেন, প্রায় সারা বছরই আমাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা থাকে। পৌর কর্তৃপক্ষ এবিষয়ে উদাসীন। পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্ব না নিয়ে নিরব থাকেন। যে প্রার্থী আমাদের জলাবদ্ধতার হাত থেকে মুক্তি দিতে পারবেন আমরা তাকেই নির্বাচিত করবো।
এবিষয়ে মেয়র প্রার্থী শেখ আবু নাসের বলেন, আমি যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সাতক্ষীরা পৌরসভার উন্নয়নে সকল ভেদাভেদ ভুল সকলকে নিয়ে একসাথে কাজ করবো।
অন্যদিকে শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আমি গতবারও নৌকা প্রতীক পেয়েছিলাম। এবারও মনোনয়ন পেলে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারবো এবং সাতক্ষীরা পৌরসভাকে ডিজিটাল পৌরসভায় রূপান্তর করবো।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে আসা সাতক্ষীরা জেলা শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের করতে প্রাণ বাঁচাতে হবে পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনের দায়িত্ব পৌরসভাকেই নিতে হবে। এছাড়া শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণ করতেই হবে না। নির্বাচিত হতে পারলে পৌরসভার সৌন্দয্য বর্ধন করা, পৌর প্রতিষ্ঠান এবং পৌর সম্পত্তি গুলোর সঠিক ব্যবহার করে একটি আধুনিক পৌরসভা গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবো।
এবিষয়ে জামায়াতের প্রার্থীদের কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০ টাকার বাদাম পারে ডায়াবেটিস-ক্যান্সার রোধ করতে

অনলাইন ডেস্ক : শীতের এই সময়কে খাবার ও পানীয়ের সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে অনেকেই বাদাম খায়। এতে রয়েছে বেশ কিছু পুষ্টি উপাদান। একে সস্তা বাদামও বলা হয়। আসলে এই বাদামের মধ্যে স্বাস্থ্যর জন্য দরকারি গুপ্তধন লুকিয়ে রয়েছে। আসুন জেনে নিই কেন শীতে চিনাবাদাম খাওয়া উচিত।

প্রোটিন সমৃদ্ধ: বাদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায় যা শারীরিক বৃদ্ধির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি কোনও কারণে দুধ পান করতে না পারেন তবে চিনাবাদাম খাওয়া আরও ভালো বিকল্প।

ওজন কমে: চিনাবাদাম ওজন কমাতে খুব সহায়ক। চিনাবাদাম খাওয়ার পরে অনেকক্ষণ তা পেটে থাকে। যার ফলে অনেকক্ষণ খাবার খেতে হয় না, ফলে ওজন কমে।

হৃদরোগ দূর করে: চিনাবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজগুলি পরিপূর্ণ থাকে। এটি স্ট্রোক এবং হার্টের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করে। চিনাবাদামে উপস্থিত ট্রাইপটোফান হতাশা থেকে মুক্তি পেতেও সহায়ক।

ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস: চিনাবাদামে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্টেরল থাকে যা বিটা-সিটোস্টেরল নামে পরিচিত। এই ফাইটোস্টেরল ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে কার্যকর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সপ্তাহে কমপক্ষে ২ বার চিনাবাদাম খাওয়া নারী এবং পুরুষদের মধ্যে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কম।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে: বাদামে প্রচুর মাত্রায় খনিজপদার্থ থাকে। এই খনিজগুলি ফ্যাট, শর্করা, বিপাক, ক্যালসিয়াম শোষণ এবং রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় জানা গেছে, চিনাবাদাম খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২১ শতাংশ কমে যায়। তবে যদি কারোর আগে থেকে ডায়বেটিস থাকে, তবে কিন্তু বাদাম খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।

চেহারায় গ্লো: ত্বকের পাশাপাশি চিনাবাদাম স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। চিনাবাদামে উপস্থিত মনোস্যাচুরেটেড অ্যাসিড ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে এবং ত্বকে গ্লো এনে দেয়। সূত্র: কলকাতা২৪

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার বদলে লটারি: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : দেশের বিদ্যালয়গুলোতে এ বছর ভর্তি পরীক্ষার বদলে লটারিতে ভর্তি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী একথা জানান।

তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে সামনে রেখে এছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না। অনেকে হয়তো বলতে পারেন, ভর্তি পরীক্ষায় মেধাবৃত্তির বদলে ভাগ্য ভিত্তি করে যাচ্ছে। এবার করোনার কারণে হলেও বিদ্যালয়গুলোতে সাম্য তৈরি হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও দু’টি সিদ্ধান্তের কথা জানান। তা হলো, বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে রাজধানী ঢাকায় ক্যাচমেন্ট এরিয়া ৪০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। দ্বিতীয়ত, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে আগে শিক্ষার্থীদের একটি স্কুল ক্লাস্টার পছন্দ করতে হতো, এখন পাঁচটি স্কুল পছন্দ করতে পারবে।

আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে সব বিদ্যালয়ের লটারি প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলেও এ সময় জানান শিক্ষামন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছর প্রথম শ্রেণির ভর্তিতে লটারি এবং দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা হয়। তবে করোনাভাইরাসজনিত (কভিড-১৯) পরিস্থিতির কারণে ২০২১ সালে অনলাইনের মাধ্যমে সব ক্লাসেই শিক্ষার্থী ভর্তির ফরম বিক্রি করা হবে; এরপর তা যাচাই-বাছাই করে লটারির জন্য নির্বাচন করবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। একাধিক ধাপে লটারি করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এর ফলাফল নিজ নিজ বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও কয়েকজন অভিভাবক নিয়ে গঠিত ভর্তি কমিটি এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

সন্তানের ভর্তি লটারিতে সব অভিভাবকের উপস্থিত হওয়ার সুযোগ না থাকলেও তাদের ভেতরের পাঁচ থেকে সাতজনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। তাদের ভর্তিচ্ছু সব অভিভাবকের প্রতিনিধি হিসেবে ভর্তি কমিটিতে যুক্ত করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে ৬৮৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতে আছে ৪২টি। বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে ১৯ হাজার ৪২১টি। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৭৭৫টি এমপিওভুক্ত, বাকি দুই হাজার ৬৪৬টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest