সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

সাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের লাবসায় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সেবা নিয়ে ‘পাবলিক হেয়ারিং’ (গণশুনানি) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় লাবসা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত পাবলিক হেয়ারিংয়ে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুর রাজ্জাক।

সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের দিশা প্রকল্পের আয়োজনে এবং “নাগরিক সংগঠনের অংশগ্রহণে জবাবদিহিতা সম্প্রসারণ ও সুশাসন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠানে

অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেবা গ্রহিতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ইউনিয়ন সমাজকর্মী টিপু সুলতান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (লাবসা ইউনিয়ন) আমিনুর রহমানসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় নাগরিক সমাজ, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং সাধারণ জনগণের সুশাসন ও অধিকার নিশ্চিতকরণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গের অভিগম্যতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সংগঠনের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে এ ধরনের পাবলিক হেয়ারিং বা গণশুনানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্থানীয় নাগরিক সংগঠনগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে নাগরিক সেবার মান আরো উন্নত হবে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সংরক্ষিত হবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক :

সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করার পর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (পৌর-১ শাখা) পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত চিঠিটি সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কল্যাণ ব্যানার্জি’ নামের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক আইডির পোস্টের মাধ্যমে সাতক্ষীরা শহীদ রীমু সরণির সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

উত্থাপিত এই অভিযোগের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব ড. শাহেদ মোস্তফা। অনুলিপি পাঠানো হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে।

স্থানীয়দের আশা, এই তদন্তের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং জনগণের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব হবে।

সাতক্ষীরা পৌরসভার আওতাধীন ‘শহীদ রীমু সরণি’ (সরকারি কলেজ সড়ক-পোস্ট অফিস থেকে পুরাতন সাতক্ষীরা) সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করা হয়। বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর অভিযুক্ত সড়কটির বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

উল্লেখ্য: গত ২৭ তারিখে সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যনার্জি নিজের ফেসবুক পেজে “দেশটা রসাতলে যাক, আমরা সবাই নন্দলাল হই!” শিরোনামে একটি পোস্ট করেন। সেখানে এসব অনিয়মের কথা উল্লেখ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির প্রতাপনগরে বেড়িবাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে : এমপির ঘটনাস্থল পরিদর্শন

আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রায় ১০০ মিটার বেড়িবাঁধের বড় অংশ হঠাৎ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪টার দিকে আকস্মিক ভাবে এ ভাঙনে বাঁধের বড় একটি অংশ নদীতে চলে যায়। ফলে পুরো বাঁধটি এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধ ও বাঁধ সংস্কার না করা হলে প্রতাপনগর ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের প্রায় ৬ হাজার বিঘা মাছের ঘের ও ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভাঙনের পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীর প্রবল স্রোতে ভাঙনস্থল আরও বিস্তৃত হলে আশপাশের এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকার মাছের ঘের,ধানের জমি ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ রিয়াছাত আলী জানান,কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশের বাঁধের ভাঙনস্থল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঁধের অবশিষ্ট অংশও নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। এতে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়,প্রতাপনগরের বিস্তীর্ণ জনপদও প্লাবনের ঝুঁকিতে পড়বে।

ভাঙনের খবর পেয়ে স্থানীয় জনগণ তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধ রক্ষার কাজে হাত দিয়েছেন। মাটি ভর্তি বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ করা হচ্ছে। উপজেলা জামায়াতের সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওঃ রিয়াছাত আলী এবং ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওঃ ওহিদুজ্জামান স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করান। স্থানীয়দের পাশাপাশি পাউবোর উদ্যোগে চার শতাধিক মানুষ বাঁধ রক্ষা ও সংস্কারকাজে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে ভাঙনের খবর পেয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় পাউবো’র এসডিই রাশিদুজ্জামান,উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওঃ নুরুল আফসার মর্তুজা,উপজেলা আমির আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষারসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা ভাঙনস্থলের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এলাকাবাসী জানান,জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নদীর স্রোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে ১৪ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রায় ৬ হাজার বিঘা মাছের ঘের ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

এলাকাবাসী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কার এবং স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডিই রাশেদুজ্জামান জানান, আমরা ঘটনাস্থলে সকাল ৮ টা থেকে কাজ করে যাচ্ছি। তাৎক্ষিক ভাবে বাঁশের পাইলিং করে ভিতরে জিও ব্যাগে মাটি ভরে ডাম্পিং করা হচ্ছে। যত রাত হোক কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি আশ্বস্থ করেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভা

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসতিয়াক আহমেদ অপু, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল বারী মোল্ল্যা, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম,

মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি চন্দ্র কান্ত মল্লিক, দেবহাটা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নুরুল ইসলাম, দেবহাটা বিবিএমপি ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মাছুম বিল্লাহ, কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ চন্দ্র মন্ডলসহ সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধ, চোরাচালান দমন এবং আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে শহরের তালতলা সোনার বাংলা চাইনিজ কমিউনিটি সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আরা’র আয়োজনে ‘রেসপন্স, এনগেজমেন্ট অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ফর এক্সক্লুডেড উইমেন’ প্রকল্পের আওতায় এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও ক্রিশ্চিয়ান এইডের সহযোগিতায় এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান।

আরা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শেখ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক এসএম রফিকুল ইসলাম, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জিত কুমার দাস, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, পৌরসভা সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান সহ আরো অনেকে।

এছাড়া সম্মেলনে তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সদস্য, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে কালজয়ী গানের মূর্ছনা, মুগ্ধ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  জ্যোৎস্নামাখা রাত। নীরব আকাশের নিচে চারদিকে সুরের আবেশ। কখনো প্রেম, কখনো বিরহ, কখনো পুরোনো দিনের স্মৃতির মায়া—কণ্ঠশিল্পী চৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে একের পর এক কালজয়ী গান যেন ছুঁয়ে যায় শ্রোতাদের হৃদয়। তাঁর কণ্ঠের মাধুর্যে শনিবার রাতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ছাদ হয়ে ওঠে এক মায়াবী সংগীতমঞ্চ।

২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে ঐতিহ্যবাহী বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দক্ষিণ পাশের ছাদে ‘আলোর ইশকুল—চৈতন্যের আলোকযাত্রা’র বিশেষ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় কণ্ঠশিল্পী চৈতালী মুখার্জির একক সংগীত সন্ধ্যা। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সদস্যবৃন্দের আয়োজনে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এই সংগীতের আয়োজন।

তিন ঘণ্টার এই সুরেলা সন্ধ্যায় চৈতালী মুখার্জির কণ্ঠে প্রাণ পায় বাংলা গানের বহু জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান। ‘এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়’, ‘এ শুধু গানের দিন’, ‘এ লগন গান শোনাবার’, ‘ঘুম ঘুম চাঁদ ঝিকিমিকি তারা’, ‘মরমী গো, আজি মনের কথাটি বলোনা’, ‘আর দেখো না সেই মধু নামে’, ‘এই মন জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে’ এবং ‘অলিরও কথা শুনে বকুল হাসে’—এমন সব গানে ভরে ওঠে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ছাদ।

এরপর একে একে পরিবেশন করেন ‘আমায় প্রশ্ন করে নীল ধ্রুবতারা’, ‘তারা ঝিলমিল স্বপ্ন মিছিল’, ‘তখন তোমার একুশ বছর বোধহয়’, ‘নিশি রাত বাঁকা চাঁদ’, ‘ও চাঁদ সামলে রাখো জোছনাকে’, ‘যদি কাগজে লেখ নাম মুছে যাবে’, ‘নদীর যেমন ঝরনা আছে, আমার আছে তুমি’ এবং ‘আমার সন্ধ্যায় প্রান্ত পাখিরা’সহ আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় গান।

চৈতালীর কণ্ঠে কখনো ছিল নরম প্রেমের আবেশ, কখনো বিরহের বিষণ্নতা, আবার কখনো ছিল পুরোনো দিনের স্মৃতিমেদুরতা। গানের সঙ্গে তাঁর কণ্ঠের আবেগ আর জ্যোৎস্নামাখা রাতের পরিবেশ মিলে তৈরি করে এক অনন্য অনুভূতি। উপস্থিত শ্রোতারা গভীর মনোযোগে উপভোগ করেন প্রতিটি পরিবেশনা। গান শেষে করতালি আর ভালোবাসায় শিল্পীকে অভিবাদন জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন অঙ্গনের গুণীজনসহ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি এবং শ্রোতাদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সংগীতসন্ধ্যাটি হয়ে ওঠে আরও প্রাণময়।

চৈতালী মুখার্জির সংগীত পরিবেশনে মুগ্ধ হয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব, লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ আলী খান শিল্পীর হাতে তাঁর সংকলন ও সম্পাদনায় প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি ও Song Offerings’ এবং তাঁর নিজের লেখা ‘৫০১ টাকা ও অন্যান্য গল্প’—এই দুটি বই উপহার দেন। সংগীতের প্রতি ভালোবাসা ও শিল্পীর পরিবেশনার প্রতি সম্মান হিসেবে দেওয়া এই উপহার মুহূর্তটি অনুষ্ঠানে ভিন্ন আবেগের জন্ম দেয়।

অনুষ্ঠান শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে চৈতালী মুখার্জি বলেন, “এটি আমার সংগীত জীবনের একটি বড় অর্জন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মতো একটি জায়গায় একক সংগীত অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। এমন একটি আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননশীলতার চর্চার মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছে। ‘আলোকিত মানুষ চাই’—এই দর্শনকে ধারণ করে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির আঙিনায় সংগীতের এমন আয়োজন যেন সাহিত্য ও সংস্কৃতির সেই আলোর সঙ্গে সুরেরও এক সুন্দর সংযোগ তৈরি করে।

রাত যত গভীর হয়েছে, আকাশের জ্যোৎস্না ততই মিশে গেছে চৈতালীর কণ্ঠের সুরে। তিন ঘণ্টার পরিবেশনা শেষে অনুষ্ঠান শেষ হলেও শ্রোতাদের মনে থেকে যায় গানের রেশ। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ছাদে সেই রাত যেন হয়ে ওঠে এমন এক স্মরণীয় সন্ধ্যা—যেখানে জ্যোৎস্নার সঙ্গে মিশে ছিল সুর, আর সুরের সঙ্গে মিশে ছিল চৈতালীর কণ্ঠের মায়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সমন্বয় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :  প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিতকরণ, বৈষম্যহীন সেবা প্রদান এবং সামাজিক কলঙ্ক নিরসনের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় উপজেলা সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার ম্যানগ্রোভ সভাঘরে সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায়, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও ক্রিশ্চিয়ান এইড-এর সহযোগিতায় পরিচালিত “প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি ও প্রবেশগম্যতা জোরদারকরণ দিশা প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।

সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মলি শিকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার প্লাবনী সরকার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম, উন্নয়কর্মী মাধবচন্দ্র দত্ত।

বক্তব্য রাখেন, প্রতিবন্ধী কল্যান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান, হেড এর প্রতিনিধি রেহেনা পারভীন, সিডোর প্রতিনিধি তৌহিদুজ্জামানসহ অন্যরা।

বক্তারা বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা সুযোগ পেলে নিজেদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। সাতক্ষীরার দুটি স্কুলের প্রতিবন্ধী শিক্ষকের উদাহরন টেনে বক্তারা বলেন একটু সহযোগিতা পেলে তারাও সম্পদে পরিণত হতে পারবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুঞ্জয় বাছাড় (২৯) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত্যুঞ্জয় পার্শ্ববর্তী কালীগঞ্জ উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের চিত্তরঞ্জন বাছাড়ের ছেলে। পেশায় তিনি মৌসুমি ফল ক্রয়-বিক্রয়কারী।

বুড়িগোয়ালিনী ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে মৃত্যুঞ্জয় বাছাড়সহ তার এক সহযোগী বেল পাড়ার জন্য বুড়িগোয়ালিনী এলাকার একটি বাগানে যান। বেলা ১১টার দিকে গাছে ওঠার পর অসাবধানতাবশত তিনি পড়ে যান। পাশেই কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। গাছ থেকে পড়ে যাওয়ার শব্দ পেয়ে তাঁরা ছুটে গিয়ে মৃত্যুঞ্জয়কে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার সঙ্গে থাকা শ্রমিক শোকর আলী বলেন, সকালে আমরা দুইজন এই বাগানে আসি বেল পাড়তে। পরে মৃত্যুঞ্জয় একটি গাছে উঠে এবং আমি অন্য আরেকটি গাছে উঠে বেল পারতে থাকি। পড়ে যাওয়ার শব্দ ও তাঁর চিৎকার শুনে গাছ থেকে দ্রুত নেমে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি মৃত্যুঞ্জয় মাটিতে পড়ে আছেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় একজন চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি মারা গেছেন।’

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest