সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান চেয়ারম্যান আলিমেরএসএসসি ২০০০ সালের ব্যাচের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সাতক্ষীরায় সিলভার জুবিলি “মেঘা মিটআপ-২০২৫” অনুষ্ঠিততালার সুভাষিনী গ্রামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি : নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটসাতক্ষীরা জেলা আইনজীবি সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট্য আহবায়ক কমিটি গঠনপাইকগাছা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকলারোয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়াদেবহাটায় তীব্র শীতে ব্যাহত জীবন যাত্রাOntdek de wereld van Supergame: Alles wat u moet weten over online casino’s in Belgiëসাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধনদেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ

সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : বর্ণাঢ্য আয়োজনে ও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঐতিহ্যবাহী সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (৩ জানুয়ারী) বেলা ১২ টায় শহরের আমতলাস্থ সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের কো-চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাতক্ষীরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আজহার হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউর রহমান বাবু, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল খালেক, কলেজের পরিচালক) অর্থ সালাউদ্দিন আহমেদ, কলেজের উপাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম,

শিক্ষা পরিচালক হালিমুল আলম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান, এড. রবিউল ইসলাম, শেয়ার সদস্য মাওলানা নুরুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকগন উপস্থিত ছিলেন।

পিঠা উৎসবে পিঠা পুলির সমাহার নিয়ে ৫৩টি স্টল স্থান পেয়েছে। স্টলগুলোতে ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, পুলি ও নকশি, জামাই পিঠাসহ ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি ও প্রদর্শনীতে নানা ধরনের পিঠার পসরা সাজানো হয়েছে। যা বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সংস্কৃতির পরিচয় ঘটায়। এছাড়াও এই উৎসবে বিভিন্ন লোকনৃত্য ও দেশাত্মবোধক গান এবং পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের মিলনমেলা পরিনত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার বিস্তীর্ণ মাঠে এখন সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহ

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :  দেবহাটায় সরিষার হলুদ ফুলের গন্ধ মাতিয়ে তুলেছে পুরো এলাকা। রঙ আর সুবাসে প্রকৃতি সেজেছে অপরূপ সৌন্দর্যের নান্দনিক রূপে।

দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে এবার কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। সরিষা ফুলে ফুলে ভরে গেছে বিভিন্ন উপজেলার মাঠ। সেই সঙ্গে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে, এ বছর দেবহাটা উপজেলায় ১৮৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। ২২০০ কৃষক কে বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা আর কৃষি বিভাগের প্রণোদনা দেওয়ায় এবার আবাদ বেশি হয়েছে। সেই সঙ্গে পরিমিত পরিচর্যার কারণে ফলনও ভালো আশা করছেন তারা। দেবহাটা উপজেলার কাজীমহল্লা গ্রামের কৃষক আব্দুল মাজেদ বলেন,’এবার সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের সরিষার বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। যে কারণে এবার সরিষার ব্যাপক আবাদ হয়েছে। তেলের যে দাম কিনে খাওয়ার মতো নেই। এবার সরিষার ফলন হলে সয়াবিন তেলের উপর আমরা আর নির্ভর করব না। আমরা এবার নিজেদের জমির উৎপাদিত সরিষার তেল দিয়েই সারা বছর চলবে।

চক মোহাম্মদআলীপুর গ্রামের ভনু ভাই বলেন, এবার ঝড় বৃষ্টি হয়নি। যে কারণে সরিষার কোনো ক্ষতি হয়নি। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার ফলন ভালো হবে বলে আমরা আশা করছি।’ একই গ্রামের আলাউদ্দীন বলেন, সামনে কোনো প্রাকৃতি দুর্যোগ না হলে ৩৩ শতকের বিঘায় আমরা ৮-১০ মণ ফলন পাব বলে আশা করছি।’

সরিষা আবাদে আমাদের কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে। কোনো সমস্যা হলে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিচ্ছি।’

এ ব্যাপারে দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান বলেন, ‘ভোজ্য তেলের আমদানি নির্ভরতা কমানো, শস্য নিবিড়তা ও জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ বছর কৃষকদের পর্যাপ্ত সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে।

ফলন ভালো পেতে আমরা নিয়মিত কৃষক ভাইদের পরামর্শ দিচ্ছি। সেই সঙ্গে সরিষা খেতের পাশে মধু চাষ করাচ্ছি। এতে যেমন সরিষার ফলন বাড়ছে তেমন মধু উৎপাদন হচ্ছে। আমরা এবছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সরিষা পাব বলে আশা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৪ সংসদীয় আসনের ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের নেতা ও বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। জামায়াত ও বিএনপি সমর্থিত ৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধবলে বিবেচিত হয়েছে। শনিবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন জেলা রিটার্নিং অফিসার আফরোজা আক্তার।

ভোটার স্বাক্ষরে ত্রুটিজনিত কারণে সাতক্ষীরা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের নেতা এসএম মুজিবর রহান ওরফে সরদার মজিবের মনোনয়নপত্র বাতিল কর হয়েছে। সাতক্ষীরা-২ আসনে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত জাতীয় পার্টির মহাসচিব স্বাক্ষরিত দলীয় নমিনেশন প্রাপ্তির কপি না থাকায় শেখ মাতলুব হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা-৩ আসনে ভোটার স্বাক্ষরে ত্রুটিজনিত কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী ) বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. শহিদুল আলম, আসলাম আল মেহেদী,মো: আসাফউদ্দৌলা খান ও হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থী ওয়েজ কুরুনীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া সাতক্ষীরা-৪ আসনে ভোটার স্বাক্ষরে ত্রুটিজনিত কারণে স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো: আব্দুল ওয়াহেদ, জাতীয় পার্টির বৈধ মনোনয়নপত্র না থাকায় হুসেইন মো: মায়াজ,ঋণখেলাপী থাকায় তাঁর পিতা গণঅধিকার পরিষদের এইচ এম গোলাম রেজা,বিল খেলাপী হওয়ায় জাতীয় পার্টির মো: আব্দুর রশিদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আফরোজা আক্তার জানান, সাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনের প্রার্থীতা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়পত্র বাতিল ঘোষণা করা প্রার্থীরা আপীল করতে পারবেন। বাকী ১৯ জনের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির ২০২৬ সালের ক্যালেন্ডারের মোড়ক করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকালে জেলা স্কাউটস ভবনে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে স্বপ্নসিঁড়ির সভাপতি ও জেলা রোভার স্কাউটস এর সহকারী কমিশনার নাজমুল হক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক আশরাফ হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটস, খুলনা অঞ্চলের সহ-সভাপতি ঈদুজ্জামান ঈদ্রিস, স্বপ্নসিঁড়ির উপদেষ্টা জামাল উদ্দীন, প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ আহমেদ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন উপ কমিটির আহবায়ক সালাউদ্দীন রানা। স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন খুলনা বিভাগীয় সিনিয়র রোভার মেট প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান হাবিব, অর্থ সম্পাদক সেলিম হোসেন, জেলা সিনিয়র রোভার মেট প্রতিনিধি আল শাহরিয়ার অনিক, রোভার মাহবুবুর রহমান সিয়াম, আবির সরকার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় পুলিশ সদস্যের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের উদ্যোগে থানার পুলিশ সদস্য সমীর কুমার ঘোষের অবসরজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

পুলিশ সদস্য সমীর ঘোষ দীর্ঘদিন কিডনিজনিত রোগে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি দীর্ঘ ২৯ বছর ৩ মাস বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত কিছুদিন তিনি মারাত্মক অসুস্থ হলে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহনের আবেদন করেন। শুক্রবার ২ ডিসেম্বর বাদ জুমআ সমীর ঘোষের বিদায়ী সংবর্ধনা দেবহাটা থানার ওসির অফিস রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ওসি (তদন্ত) নজরুল ইসলাম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই লেলিন বিশ্বাস, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক কে.এম রেজাউল করিম, এসআই কওছার আলী, এসআই আদনান বিন আজাদ, এসআই তন্ময় সাহা, এএসআই শামীম হোসেন, এএসআই মেহেদি হাসান, বিদায়ী সমীর ঘোষের শ্যালক রামকৃষ্ণ ঘোষ প্রমুখ। এছাড়া সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে কনস্টেবল সমীর কুমার ঘোষ বক্তব্য রাখেন।

পরে তাকে ওসিসহ পুলিশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয় এবং অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেন নিজে সুসজ্জিত দেবহাটা থানার গাড়িতে সমীর ঘোষকে উঠিয়ে সাতক্ষীরা জেলা শহর পর্যন্ত পৌছিয়ে দেন। উল্লেখ্য, সমীর ঘোষের বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলাতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় দেবহাটায় এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী আকরাম-কালু বাহিনীর বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে দেবহাটা ৮শ বিঘা এলাকায় এঘটনা ঘটে।

আহত যুবক বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে অত্যন্ত সংকটাপূর্ণ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি দেবহাটার চালতেতলা এলাকার আব্দুল হালিমের পুত্র ওসমান হায়দার রনি(১৮)। তবে ঘটনার ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তার চেতনা না আসায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে খুলনায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও পারিবারিক অস্বাচ্ছলতার কারনে সেটি সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়ে তার পরিবার।

আহত যুবকের পিতা আব্দুল হালিম জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে দেবহাটার ৮শ বিঘা ব্রীজ এলাকা থেকে চিহ্নিত সন্ত্রাসী আকরাম-কালু নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী রনিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মহোদয়কে অবগত করলে দেবহাটা থানা পুলিশ সাথে সাথে একটি টীম নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। পরবর্তীতে রাত ১২টার দিকে আমার ছেলে রনিকে গুরুতর আহত অবস্থায় সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাওয়া যায়। ধারনা করা হচ্ছে রনিকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে অমানুষিক মারপিট করে ওই আকরাম-কালু এবং তার সন্ত্রাসীরা। তাকে হত্যার পর গুম করার পরিকল্পনাও তাদের ছিলো। কিন্তু পুলিশের তৎপরতার কারনে সেটি সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, খলিষাখালীর বিতর্কিত জমি নিয়ে ওই সন্ত্রাসীদের আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ইতোপূর্বে একাধিকবার ওই আকরাম-কালু বাহিনী আমাকেসহ আমার সন্তানদের হত্যা করে গুম করে দেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে আসছিল। তিনি অবিলম্বে ওই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন, গতকাল রাতে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার ফোন পেয়ে ভুক্তভোগির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, তার ছেলেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তুলে নিয়ে মারপিট করছে। সাথে সাথে আমি একটি টীম তৈরি করে তাদের অভিযানে পাঠিয়ে দেই। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েও কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে রাত ১২টার দিকে সখিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আরএমও ফোন করে জানান সেখানে গুরুতর আহত অবস্থায় এক যুবক পড়ে আছে। বিষয়টি ভুক্তভোগির পিতাকে জানালে তিনি হাসপাতালে গিয়ে নিজের ছেলেকে নিশ্চিত করেন। এঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বা যে কোন আইনী সহায়তার জন্য আসলে আমরা তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত আছি।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদান

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক চলতি (দায়িত্ব প্রাপ্ত) মো. কবির হোসেন আকন আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন এবং ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩৭.০০.০০০০.০৭১.১২.০২১.২৫-৫০১ নম্বর স্মারকের প্রজ্ঞাপনমূলে তালিকার ক্রমিক নং ১২, পিডিএস আইডি ২০১৬৭০২৯৮৫ মোঃ কবির হোসেন আকনকে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) পদে পদায়ন করা হয়। দায়িত্বভার হস্তান্তর কালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক (দিবা) অহিদা সুলতানা, সহকারি প্রধান শিক্ষক (প্রভাতী) শফিউল ইসলাম, সিনিয়র শিক্ষক মোস্তফা মনিরুজ্জামান, সিনিয়র শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ, সহকারী শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম, মো. মমতাজ হোসেন, মোঃ রবিউল ইসলাম, দীপা সিন্ধু তরফদার, সোনিয়া সুলতানা, মোঃ তাজুর হোসেন, মোঃ মনিরুজ্জামান, মোঃ হেদায়েতুল্লাহ সহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু

পলাশ দেবনাথ নূরনগর : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছেন সমাজসেবক মোঃ হাবিবুর রহমান লিটন। গতকাল পহেলা জানুয়ারি ২০২৬ নূরনগর নবীণ সংঘ ক্লাব চত্বরে এলাকাবাসী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতে উক্ত ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। অন্যদিকে তার এই মানবিক উদ্যোগে ইউনিয়নবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি দেখা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে নূরনগর ইউনিয়নে জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত অ্যাম্বুলেন্সের অভাব ছিল। বিশেষ করে রাতে কিংবা হঠাৎ অসুস্থতার সময় রোগীকে উপজেলা বা জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হতো সাধারণ মানুষকে। সেই সংকট নিরসনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্স সেবাটি চালু করেন লিটন।

জানা গেছে, এই অ্যাম্বুলেন্স সেবা নূরনগর ইউনিয়নের গরিব, অসহায় এবং সব শ্রেণীর মানুষের জন্য, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হবে। ২৪ ঘণ্টা এই সেবা চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা।

এ বিষয়ে সমাজসেবক মোঃ হাবিবুর রহমান লিটন বলেন, “মানুষের বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোই আমার মূল লক্ষ্য। নূরনগর ইউনিয়নের কেউ যেন শুধু পরিবহনের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই চিন্তা থেকেই এই অ্যাম্বুলেন্স সেবার উদ্যোগ নেওয়া।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই উদ্যোগ নূরনগর ইউনিয়নের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তারা বলেন, জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া অনেক বড় সহায়তা, যা বহু মানুষের জীবন বাঁচাতে ভূমিকা রাখবে।

এলাকাবাসী সমাজসেবক লিটনের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতেও তিনি এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন,এটাই তাদের প্রত্যাশা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest