দেবহাটায় প্রধান মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেবিএ কলেজের শুভেচ্ছা মিছিল

দেবহাটা প্রতিনিধি: ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি মেনে নেওয়ায় প্রধান মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে শুভেচ্ছা মিছিল ও পথসভা করেছেন দেবহাটার খান বাহাদুর আহছান উল্লা কলেজ। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলার সখিপুরস্থ কেবিএ কলেজের আয়োজনে শুভেচ্ছা র‌্যালী শেষে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে শুভেচ্ছা র‌্যালীটি কলেজ ক্যাম্পাস হতে বের হয়ে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সখিপুর মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কলেজের অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, সাধারণ সম্পাদক বিজয় ঘোষ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, কেবিএ কলেজ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আসিফ মাহমুদ, জাকির হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলেজের শিক্ষক আকরম হোসেন, শাহনুর রহমান, সঞ্জয় কুমার, শচিন্দ্র নাথ, হাসান কবীর, তৌহিদুজ্জামান, আবু তালেবসহ বিভিন্ন বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিআরটিএতে উপচেপড়া ভিড়, সক্রিয় দালাল চক্র

দেশের খবর: যানবাহনের লাইসেন্স, ফিটনেস সনদসহ বিভিন্ন কাগজপত্র ঠিক করাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে এখন গাড়ির চালক ও মালিকদের উপচেপড়া ভিড়।
মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় সেবা নিতে বুথগুলোতে লম্বা লাইন ধরে আছেন সেবাপ্রার্থীরা। কথা বললে তাঁরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। জানান, কার্যালয়ের সামনে সক্রিয় দালাল চক্রের কথাও।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি বলেন, ‘ভাই আমরা তো অনেক কাজ ফালাইয়া রাইখা আসি। আমাদের যদি আর দুইটা কাউন্টার বাড়াইয়া দিত, তাইলে তো আমাদের এই সিরিয়ালে পড়তে হকো না।’
আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার কারণে ভিড় বাড়ছে, সবাই সচেতন হচ্ছে। বাট মনে হয়, আধা ঘণ্টা অলরেডি হয়ে গেছে। সামনে অন্তত হাজার খানেক লোক আছে সামনে।’
এদিকে, শুধু নতুন লাইসেন্স নয় গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নবায়নেরও ধুম পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিড় যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট গ্রহণের জন্য। বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকারসহ ফিটনেসের লাইনে এখন সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের যানবাহন।গাড়ির ফিটনেস ঠিক করতে আসা খাজা বাবা পরিবহনের এক বাসচালক বললেন, ‘আমরা আসছি ফিটনেস করার জন্য গাড়ির। গাড়ির ফিটনেসের ডেটটা ঠিক ছিল না। ওইডা আরকি ঠিক করানোর জন্য আসছি।‘
তবে বিআরটিএতে সেবাগ্রহীতাদের ভিড় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দালালদের তৎপড়তাও। বাড়তি টাকা দিলেই দ্রুত কাজ হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন সাধারণ লোকজন।
একজন বলেন, ‘যত ভালো ড্রাইভার হোক, সে যদি ১০০ বছর বয়স্কও হয়, ফেল। পাস করে ওই যে যারা টাকা দেয়। ওই ভাবে দালাল আছে।’
কার্যালয় ঘুরে দেখা যায়, দালালদের সক্রিয় অবস্থান। কেউ কেউ দাঁড়িয়ে থাকা অতিষ্ঠ মানুষদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন নিজেই। কেউ আবার প্রকাশ্যেই চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে গেছেন। টাকা খরচ করে দ্রুত কাজ করিয়ে নিতে মানুষই চলে যাচ্ছে তাদের কাছে।
চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে থাকা একজনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, তারা মানুষের কাজগুলো সহজ করে দিয়ে বিনিময়ে কিছু বকশিশ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘মনে করেন, ব্যাংকের টাকা জমা দিয়া যেইভাবে যেইভাবে সিস্টেম হয়। ওইটা তো বললামই। সাড়ে তিন হাজার পরীক্ষা-টরীক্ষা ওইখানে লাগে তো। ওই জন্য।’
তবে, জানতে চাওয়া হলে দালালদের বিরুদ্ধে কাজ করছেন বলে দাবি করেন বিআরটিএর মিরপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাসুদ আলম।
মাসুদ আলম বলেন, ‘দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আমরা কিন্তু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতেছি। দালালের কাছ থেকে সতর্ক থাকার জন্য সবাইকে সর্বোচ্চ ইয়া দিছি। পাশাপাশি দালাল, বা দালালের সঙ্গে সখ্যতা কোনো আনসার বা কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে আমরা তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিব।’
তবে, লম্বা সময় লাগলেও কেউ কেউ টাকা ছাড়াই কাজ করিয়ে নিচ্ছেন বিআরটিএ থেকে।
এক নারী বলেন, ‘দালাল ধরলে এক মাসের মধ্যে করা যায়, সেটা আমরা করি নাই। আমরা লিগ্যাল ওয়েতে করছি। আট মাস লাগছে।’
এদিকে, বাড়তি চাপ সামলাতে এখন শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে বিআরটিএ কার্যালয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে চার কিশোরকে

দেশের খবর: চারজন বাংলাদেশি কিশোরকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর ধরা পড়ে ওই চার কিশোর।
মঙ্গলবার হিলি সীমান্ত দিয়ে ওই চার কিশোরকে দেশে আনা হয়। ধরা পড়ার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের সরকারি শুভায়ন হোমে ছিল ওই চার কিশোর।
জানা যায়, বাংলাদেশি ওই চার কিশোরই অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের। তারা মূলত কাজের সন্ধানে দালালের হাত ধরে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। ওই চার কিশোর হচ্ছে, মহম্মদ আরিফ, উজ্জ্বল বর্মণ ওরফে মহম্মদ আজাদ, চঞ্চল মালি এবং মুহম্মদ হাবিব। তাদের প্রত্যেকের বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।
মুহম্মদ আরিফ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার হবিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। উজ্জ্বল বর্মণ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সন্যাসীবাজার গ্রামের বাসিন্দা। চঞ্চলের বাড়ি বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার চাকনিরকিন গ্রামে। হাবিবের বাড়ি বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার ময়ুরবাগ গ্রামে। তারা প্রত্যেকে ২০১৬ এবং ২০১৭ সালের বিভিন্ন সময়ে ভারতে কাজের খোঁজে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) উপস্থিতিতে ওই চার কিশোরকে তাদের পরিবারের হাতে তুলে ধরা হয়।
ভারতেরে দিনাজপুর জেলার ‘চাইন্ড লাইনে’র সমন্বয়ক সুরজ দাস বলেন, ‘আমরা ওই নাবালকদের সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশের তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারপর দুই দেশের সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের নিজের দেশের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো। এখনো পশ্চিমবঙ্গের শুভায়ন হোমে ২২ জন বাংলাদেশি কিশোর আছে বলে জানান সুরজ দাস। তাদেরকেও বাংলাদেশে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। দুই দেশের মধ্যে আইনি জটিলতা মিটলেই ঘরে ফিরবে তারা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগ কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে সদর উপজেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামাত-শিবির ও বিএনপি দ্বারা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শহরের কামালনগর এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নিউ মার্কেটস্থ শহীদ আলাউদ্দিন চত্বরে এক প্রতিবাদে সমাবেশের আয়োজন করেন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান। সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ময়নুল ইসলামের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, আগরদাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সামসুর রহমান, আলীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহিবুল্লাহ সরদার, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইনজামুল হক, খোরশেদ আলম রিপন, সোহাগ হোসেন প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশকে আবারো অশান্ত করার উদ্দেশ্যে কমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আর ওই অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করার জন্য তারা কমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে রেখে জামায়াত-বিএনপির ক্যাডাররা আওয়ামীলীগের অফিসে হামলা করেছিলো। কিন্তু বাংলাদেশে যতদিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন রয়েছে ততদিন ওই স্বাধীনতা বিরোধীরা তাদের অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে পারবে না। অবিলম্বে ওই হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রমাণ না পাওয়ায় ছাড়া পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

দেশের খবর: ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে অংশগ্রহণ ও ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে থানায় সোপর্দ করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে ছয় শিক্ষার্থীকে মারধর করেন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
এঁদের মধ্যে রয়েছেন গণিত বিভাগের তারিকুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের মশিউর রহমান সাদিক, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের সাদ্দাম হোসেন, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের প্রথম বর্ষের ওমর ফারুক, প্রাণ রসায়ণ ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের জাহিদ এবং পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের জোবাইদুল হক রনি।
এর মধ্যে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে তারিকুল, সাদ্দাম ও রনিকে পুলিশে দেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
ওসি আবুল হাসান বলেন, ‘ছাত্রলীগ তাদের আজ সকালে আমাদের থানায় তুলে দেয়। তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ছেড়ে দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল না তেমন।’
মারধরকারী নেতাকর্মীরা হলেন ফজলুল হক মুসলিম হল শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সুফি, শামীম ও নাঈম। তাঁরা হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিমের অনুসারী বলে জানা যায়।
পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পেয়ে ছেড়ে দিয়েছে। তাহলে ছাত্রলীগ কিসের ভিত্তিতে তাদের মারধর করল- এমন প্রশ্ন করা হলে ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিম বলেন, ‘আমি তো সেখানে ছিলাম না। তবে শুনেছি রাতের অন্ধকারে কার্জন হলের সব লাইট বন্ধ করে হল দখল করবে, এই খবর পাওয়ার পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তাদের ম্যাসেঞ্জারে কার্জন হল দখলের পরিকল্পনার কথা দেখতে পাওয়া যায়। সেই সময় তাদের থানায় তুলে দেওয়া হয়। একটি হল দখলের খবরও যদি পুলিশের কাছে তেমন কিছু না মনে হয় তাহলে আর কি করার। তবে অন্যায়ভাবে তাদের মারা হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে মারধরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহরিয়ার সিদ্দিক সিসিম বলেছিলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর প্রমাণ পেয়েছি। তাই তাদের পুলিশে দেওয়া হয়েছে। গুজবের বিষয়টি তাঁরা স্বীকার না করায় তাদের মারধর করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘বয়ফ্রেন্ড’ এর মূল ভূমিকায় তাসকিন

বিনোদনের খবর: নিরঞ্জন বিশ্বাস পরিচালিত ‘বয়ফ্রেন্ড’ ছবির মূল ভূমিকায় অভিনয় করছেন ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত বাংলাদেশি অভিনেতা তাসকিন রহমান। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন নবাগত নায়িকা সেমন্তী সৌমি। সোমবার থেকে এফডিসিতে শুরু হয়েছে ছবির গানের শুটিং। এই ছবি দিয়ে তাসকিন পর্দায় আসছেন নায়ক হিসেবে।
নিরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের ছবির কাজ শেষের পথে। সিক্যুয়েন্স এবং গানের কাজ এক সাথেই চালিয়ে যাচ্ছি। সৌমি ও তাসকিন দুজনই অনেক ভালো কাজ করছেন। আমি বিশ্বাস করি ছবিটি দর্শক পছন্দ করবে।’
তাসকিনকে এর আগে দর্শক খলচরিত্রে পছন্দ করেছে, নায়ক চরিত্রে কতটা পছন্দ করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে নিরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘আমি আসলে চরিত্রের প্রয়োজনে শিল্পী নিয়ে কাজ করছি। একজন ভালো অভিনেতা সব সমসয়ই ভালো অভিনয় করেন। ঢাকা অ্যাটাক ছবিতে যেমন খল চরিত্রে সুন্দর অভিনয় করে সবার মন জয় করেছেন, তেমনি এই ছবিতে অভিনয় করে নায়ক হিসেবে নিজের অবস্থান করে নেবেন তাসকিন।’
ছবিতে তাসকিনের চরিত্র নিয়ে পরিচালক বলেন, ‘এই ছবিতে তাসকিনকে একজন ক্রিকেট প্লেয়ার হিসেবে দেখা যাবে। যে অনেক ভালো খেলে। তার উপর নির্ভর করে খেলায় অংশ নেয় এলাকার ক্লাবগুলো। কিন্তু একটা সময় দেখা যাবে সে আর আগের মতো খেলায় মন দিতে পারছে না। কারণ হিসেবে দেখা যায় সে নায়িকা সৌমির সাথে প্রেম করছে। এভাবেই এগিয়ে যায় ছবির গল্প। এখানেই ছবির গল্প শেষ নয়, বরং এখান থেকে গল্পের শুরু। একেবারেই ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আমরা ছবিটি নির্মাণ করছি। আশা করি সবাই ছবিটি পছন্দ করবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না সাকিবের!

খেলার খবর: উত্তেজিত আচরণে ভাইরাল সাকিব   টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরে সাকিবের নেতৃত্ব কতটুকু উপযোগী তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার নতুন করে বিতর্কে এসেছেন এক সমর্থকের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ চলাকালে একজন ভক্তের সঙ্গে ক্ষুব্ধ আচরণ করছেন সাকিব, এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সিরিজ জিতে এবং ম্যান অব দ্য সিরিজ হয়ে অধিনায়কত্বের যথার্থতা প্রমাণ করলেও এ বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত মুখ খোলেননি সাকিব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়, প্ল্যাকার্ড হাতে থাকা একজন ভক্তের সঙ্গে ক্রোধান্বিত আচরণ করছেন সাকিব। সেখানে উপস্থিত থাকা ভক্তরা পরে সরিয়ে নিয়ে যেতে চায়। একটু পরে আবারও ফিরে আসেন সাকিব, ভক্তটির কথার জবাব দিতে গিয়ে আবারও উত্তেজিত আচরণ করেন তিনি।
সাকিবের এমন আচরণ নতুন নয়। বেশ কিছুদিন আগে তাঁর স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় মাঠের দুজন দর্শকের উপর চড়াও হন। এর জন্য তাঁকে শাস্তিও পেতে হয়েছিল। অবশ্য এবারের ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ বলছেন, নিরাপদ সড়কের দাবির ব্যাপারে এক ভক্ত কিছু বলতে বললে, তাঁকে নাকি তেড়ে যান সাকিব। অবশ্য শেখ মিনহাজ হোসেন নামের ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিজেরে ফেসবুকে লিখেছেন, তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন এবং সাকিব আল হাসানকে মোটেও নিরাপদ সড়কের ব্যাপারে কিছু বলতে বলা হয়নি। সেই ভক্ত সাকিবের সঙ্গে ছবি তোলার পর ভিডিওতে অংশ নেওয়ার জন্য বললে ক্লান্ত সাকিব তাঁর প্রস্তাব নাকচ করে সামনে এগিয়ে যান। কিন্তু ভক্তটি নাকি সাকিবকে বাজে ভাষা ব্যবহার করে কথা বললে সাকিব রেগে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আসেন।
অবশ্য প্রকৃত ঘটনা কী, সেটা এখনো জানা যায়নি। বাংলাদেশ দল দেশে ফারার পরই সাকিবের মুখ থেকে শোনা যাবে আসলে কী ঘটেছিল সেদিন। আর তা জানার জন্য আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

দেশের খবর: ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা।আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ১৭ মিনিটে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে বৈঠক শেষ হয়।
বৈঠকে বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান ও ড. আবদুল মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন, এ জে মোহাম্মদ আলী ও মীর হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য রুমিন ফারহানা, জেবা খান ও তাবিথ আওয়াল।
কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, স্পেন, কুয়েত, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য ও জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা।
বৈঠকে সদ্য শেষ হওয়া তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ছাত্র আন্দোলনের বিষয়ে কূটনীতিকদের অবহিত করেন বিএনপির নেতারা। দলীয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest