ভারত-পাকিস্তান প্রথম যৌথ সামরিক মহড়া! থাকবেন মোদি

দেশের খবর: সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই ইউরেশিয়ার ৮টি দেশের সংগঠন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিএ)-এর সদস্যপদ পেয়েছে। আগস্ট মাসে এসসিও-র উদ্যোগে একটি সামরিক মহড়া হতে যাচ্ছে। রাশিয়ায় উড়াল পর্বতের পাদদেশে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। আর এই প্রথমবার একসঙ্গে সামরিক মহড়ার দিতে চলেছে ভারত ও পাকিস্তান। ওই মহড়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

ওই মহড়ায় ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও এসসিও-র অন্যান্য সদস্য দেশের (ভারত, পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, কাজাকস্তানসহ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্র) সেনারাও অংশ নেবে। স্বাভাবিকভাবেই পুরো দুনিয়ার নজর থাকবে ভারত-পাকিস্তানের যৌথ মহড়ার দিকেই। কারণ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে একসঙ্গে কাজ করা ছাড়া এই দুদেশ কখনোই যৌথ সামরিক মহড়া দেয়নি।

এসসিও-র এই উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসসিও সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ চীন। চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম চায়না ডেইলি জানিয়েছে, বিবদমান দুই দেশের সেনা একসঙ্গে মহড়া দিলে সংঘাতের পরিবেশ কিছুটা কম হতে পারে।
জানা গেছে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সমন্বয় ও সহযোগিতা গড়ে তোলাই তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই সামরিক মহড়ার মূল লক্ষ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসিতে আবেদন করা নতুন ৭৬ দলের, কেউই নিবন্ধন পায়নি

রাজনীতির খবর: এবার নির্বাচন কমিশনে (ইসিতে) কোনও নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পায়নি। নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা ৭৬টি দলের মধ্যে দু’টি রাজনৈতিক দল প্রাথমিক বাছাইয়ে যোগ্য হলেও চূড়ান্ত বিচারে অযোগ্য প্রমাণিত হয়েছে। দল দুটির মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদন্তে নিবন্ধনের শর্ত পূরণ না হওয়ায়, তাদের নিবন্ধনের আবেদন নাকচ করা হয়। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদও দল দুটির নিবন্ধন আবেদন নাকচ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, ইসিতে আবেদন করা দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কংগ্রেস ও গণআজাদী লীগের আবেদন আমলে নিয়ে মাঠপর্যায়ে খোঁজ নেয় ইসি। ইসি তার নিজস্ব কর্মকর্তাদের দিয়ে দল দুটির মাঠ পর্যায়ের অফিস ও কমিটিসহ যাবতীয় কার্যক্রম তদন্ত করে। নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে যে সংখ্যক অফিস থাকার কথা, তদন্তকালে দলটির সেই সংখ্যক অফিস খুঁজে পাননি ইসির কর্মকর্তারা। মাঠ প্রশাসন থেকে নেতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন দল দুটির নিবন্ধন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন গত অক্টোবরে নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদন চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দেয়। এতে সাড়া দিয়ে নিবন্ধন পেতে ৭৬টি দল আবেদন করে। এর মধ্যে প্রাথমিক তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রথম দফায় ১৯টি আবেদন বাতিল করা হয়। এরপর বাকি দলগুলোর কাছে আরও তথ্য চেয়ে চিঠি দেয় ইসি। এতে সাড়া না দেওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আরও আটটি দলের আবেদন নাকচ করে ইসি। পরে ৪৯টি দলের তথ্য যাচাই করে মাত্র দুটি দল প্রাথমিকভাবে যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। এরপর দল দুটির মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদন্ত করে ইসি। কিন্তু আবেদনপত্রে তাদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল না পেয়ে দল দুটির নিবন্ধন প্রস্তাব নাকচ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আমরা আবেদিত ৭৬টি দলের মধ্যে প্রাথমিকভাবে যোগ্য মনে করে, দুটি দলের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম তদন্ত করিয়েছি। তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের হাতে এসেছে। তাতে দেখা গেছে, নিবন্ধনের জন্য যেসব শর্ত পূরণ করার কথা রয়েছে, দল দুটির ক্ষেত্রে তা হয়নি। বিষয়টি আমরা কমিশনে তুলেছিলাম। কমিশন দল দুটিকে নিবন্ধন না দিতে নির্দেশনা দিয়েছে।’
২০০৮ সালে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ব্যবস্থা চালুর পর ৩৮টি দল নিবন্ধিত হয়। এরপর নবম সংসদে দুটি এবং দশম সংসদে দুটি দল নিবন্ধন পায়। এছাড়া, শর্ত পূরণ না হওয়ায় একটি দলের নিবন্ধন বাতিল ও আদালতের আদেশে আরেকটি দলের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। এছাড়া, বর্তমান কমিশন সম্প্রতি কাজী ফারুকের নেতৃত্বাধীন ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল করেছে। সব মিলিয়ে এখন বাংলাদেশে ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে, যারা নিজস্ব প্রতীক নিয়ে দলীয়ভাবে নির্বাচন করতে পারে।

নিবন্ধনের শর্ত: নিবন্ধন পেতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা-২০০৮ এর শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো— ১. আগ্রহী দলটিতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেকোনও জাতীয় নির্বাচনে যদি অন্তত একজন সংসদ সদস্য থাকেন। ২. যে কোনও একটি নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের অংশ নেওয়া আসনগুলোতে যদি মোট প্রদত্ত ভোটের পাঁচ শতাংশ পায়। এবং ৩. দলটির যদি একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়, দেশের কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ (২১টি) প্রশাসনিক জেলায় কার্যকর কমিটি এবং অন্তত ১০০টি উপজেলা/মেট্রোপলিটন থানায় কমপক্ষে ২০০ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত দলিল থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা কলেজ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটা কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজনে সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে বিক্ষোভ মিছিলটি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ রাসেল। কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আহছানউল্লাহ কল্লোলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা দেবহাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি অমিত হাসান সবুজ, দেবহাটা কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম হোসেন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আকরাম হোসেন সেতু, ছাত্রলীগ নেতা আলিম হোসেন, আরাবিল ও ফরহাদ হোসেন প্রমুখ। সমাবেশে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন প্রকৃত সৈনিক উল্লেখ করে এই ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা জানান এবং ষড়যন্ত্রকারীদের সকল ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সোলার প্যানেল বিতরণ

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরা সদরের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ০৯টি ওয়ার্ডে ২০১৩ সালের জামায়াত-শিবিরের সহিংসতায় নিহত ও আহত পরিবারবর্গের মাঝে সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সৌরবিদ্যুতের সোলার প্যানেল বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা ডিজিটাল কনফারেন্স রুমে এ সোলার প্যানেল বিতরন করা হয়। উপজেলা পরিষদের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে এ সৌরবিদ্যুতের সোলার প্যানেল বিতরণ করেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, আগরদাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, ভোমরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী আব্দুল গফুর, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. রমজান আলী বিশ্বাসসহ সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ০৯টি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যৌন কেলেঙ্কারির অডিও ফাঁস নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্প

বিদেশের খবর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সম্প্রতি ফাঁস হওয়া অডিও টেপকে কেন্দ্র করে যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনা অস্বীকার করে বলেছেন, আমি খারাপ কিছু করিনি।

চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী মাইকেল কোহেনের কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) একটি গোপন অডিও টেপ হস্তগত করার সূত্র ধরে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

রয়টার্স জানায়, গতকাল শনিবার ফাঁস হওয়া ওই অডিও টেপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে লেখা এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘ভাবাই যায় না যে প্রশাসন কোনো আইনজীবীর কার্যালয় ভেঙে তল্লাশি চালাতে পারে, কখনো এমন শুনিনি।’

আরো যোগ করে ট্রাম্প লেখেন, ‘এর চেয়েও অবাক করা বিষয় হচ্ছে, কী করে কোনো আইনজীবী তাঁর মক্কেলের কথা গোপনে রেকর্ড করতে পারেন! এটি অবৈধ।’

এর পর মার্কিন জনগণের উদ্দেশে ট্রাম্প লেখেন, ‘তবে আনন্দের সংবাদ হচ্ছে যে আপনাদের প্রিয় প্রেসিডেন্ট খারাপ কিছু করেননি।’

ব্যাংক ও ট্যাক্স জালিয়াতি এবং ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে নির্বাচনী আইনভঙ্গের অভিযোগে ট্রাম্পের সাবেক ওই আইনজীবীর অফিসে গোপন তল্লাশির সময় অডিও টেপটি পায় এফবিআই।

জানা যায়, নির্বাচনের দুই মাস আগে সেপ্টেম্বরে রেকর্ড করা ওই অডিও টেপে ‘প্লেবয় ম্যাগাজিন’-এর সাবেক মডেল ক্যারেন ম্যাকডোগালের একটি সাক্ষাৎকারের স্বত্ব কিনে নেওয়ার ব্যাপারে আলাপ করছিলেন ট্রাম্প ও তাঁর সাবেক আইনজীবী কোহেন।

ক্যারেনের দাবি, ২০০৬ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে এক বছর দীর্ঘস্থায়ী একটি প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁর। সেই সম্পর্কের বিস্তারিত নিয়ে মার্কিন ম্যাগাজিন ‘ন্যাশনাল ইনকোয়্যারার’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের স্বত্ব কিনে নেওয়া এবং তা ট্রাম্পের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বিধায় প্রকাশিত হতে না দেওয়া নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছিল তখন।

এদিকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘নিউ ইয়র্কার ম্যাগাজিন’ এক প্রতিবেদনে জানায়, পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার সময়ই ক্যারেনের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল ট্রাম্পের।

হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে স্টর্মি ড্যানিয়েলসের সঙ্গে কোনো রকম সম্পর্কের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। ক্যারেনের ব্যাপারে এখনও সেখান থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। এ ব্যাপারে ক্যারেনের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্পের আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি বলেছেন, ‘অডিওতে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে আলাপ থাকা মানেই এই নয় যে, তা সত্য ঘটনা। ট্রাম্পের ব্যাপারে ক্যারেনের মিথ্যা দোষারোপ ক্ষতিকর হতে পারে ভেবে সে ধাক্কা থেকে কিভাবে বাঁচা যায় তা নিয়েই আলাপ হচ্ছিল সে সময়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বর্ণবাদের অভিযোগ এনে অবসরের ঘোষণা জার্মানির ওজিলের!

খেলার খবর: জার্মানির ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ে অন্যতম অবদান রেখেছিলেন মেসুত ওজিল। দলটির এই সাফল্যের পেছনের কারিগরও বলা হয়ে থাকে তাঁকে। দীর্ঘদিন ধরেই দলটির মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা তিনি। কিন্তু এবারের রাশিয়া বিশ্বকাপে জার্মানি যেমন ব্যর্থ হয়েছে, তেমনি উজ্জ্বলতা ছড়াতে পারেননি ওজিল। তাই তাঁকে শুনতে হচ্ছে বর্ণবাদী কথাবার্তা। আর এ কারণে রাগে-ক্ষোভে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ফেললেন তিনি।

গত মে মাসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন। সে সময় তাঁর সঙ্গে তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মানির দুই খেলোয়াড় ওজিল ও গুন্ডোগান দেখা করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে আর্সেনালের জার্সিও উপহার দিয়েছিলেন তিনি।

আর এ কারণে জার্মানিতে তীব্র সমালোচনার শিকার হন ওজিল। কারণ, তুরস্কের সঙ্গে জার্মানির কূটনৈতিক সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। তাই জার্মানির খেলোয়াড় হয়েও তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করা তাঁদের ঠিক হয়নি।

কড়া সমালোচনা শুনেও এত দিন ওজিল নীরব ছিলেন। রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরে মুখ খুলেছেন তিনি। ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে বিবৃতি দিয়ে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন।

বিবৃতিতে ওজিল বলেন, ‘সাফল্য পেলে আমাদের জার্মান বলা হয় আর হারলে বলে অনুপ্রবেশকারী! এমন কথা আমাদের বহুবার শুনতে হয়েছে। জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের মুখ থেকেও এমন কথা শুনতে হয়েছে আমাদের। এমন বর্ণবাদী আচরণের শিকার হতে হয়েছে আমাদের।’

অবসরের কারণ ব্যাখ্যা দিয়ে আরো বলেন, ‘অনেক কষ্ট নিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।কারণ এমন বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছি, যা মেনে নেওয়া কঠিনই।’

তাই এখন জার্মানির হয়ে করা অর্জনগুলোও ভুলে যেতে চান আর্সেনালে খেলা এই ফুটবলার, ‘জার্মানির জাতীয় দলে আমি সুযোগ পেয়েছি ২০০৯ সালে। গর্ব করেই জার্মানির জার্সি পরতাম, কিন্তু এখন নিজেকে অবাঞ্ছিত মনে হচ্ছে। তাই এখন সব অর্জনের কথা ভুলে যাওয়া উচিত বলে মনে হচ্ছে।’

জার্মানির হয়ে ওজিল ৯২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে ২০১০, ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প্রশাসক সম্মেলন শুরু হচ্ছে আগামিকাল

দেশের খবর: জেলা প্রশাসক সম্মেলন (ডিসি সম্মেলন) আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় শুরু হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলন শেষ হবে ২৬ জুলাই।

আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম এ কথা জানান।

তিনি জানান, আগামী ২৪ থেকে ২৬ জুলাই ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ জুলাই সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, ডিসি সম্মেলনে মোট ২২টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ অংশগ্রহণকারী ৫২টি মন্ত্রণালয়ের ১৮টি কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও ডিসিদের পাঠানো ৩৪৭টি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে।

এবারও সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব ও সচিবরা অংশ নেবেন। কার্য অধিবেশনগুলোতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মাঠ প্রশাসনকে চাঙ্গা রাখা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে গতি আনা, তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের নীতি ও দর্শনের বাস্তবায়ন এবং পর্যালোচনা, সরকারের নীতিনির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেয়ার জন্য প্রতি বছর জেলা প্রশাসক সম্মেলনের আয়োজন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এবছর ডিসি সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় প্রসঙ্গে জিয়াউল আলম বলেন, এবছর ডিসি সম্মেলনের প্রধান প্রধান অলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম জোরদারকরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম,সামাজিত নিরাপত্তা বেষ্টনি কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ই-গভর্নেন্স, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুষণ রোধ, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও সমন্বয়।

এর আগে ২০১৭ সালের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কিত ৩৪৯টি প্রস্তাব দিয়েছিলেন ডিসিরা। এর মধ্যে ১৫০টি স্বল্পমেয়াদি, ১৩২টি মধ্যমেয়াদি এবং ১৪৭টি দীর্ঘমেয়াদি মোট ৪২৯টি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুকে শৃঙ্খলা শেখাবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য কণিকা: সন্তানকে যথাযথভাবে গড়ে তুলতে শৃঙ্খলা শেখানোর ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে শৃঙ্খলা মানেই কিন্তু শুধু কড়া ধমক বা শাস্তি নয়। এতে হতে পারে হিতে বিপরীত। সন্তানকে শৃঙ্খলা শেখাতে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখবেন। ভেরি ওয়েল ফ্যামিলির পক্ষ থেকে রইল কিছু পরামর্শ।

১। মনে রাখবেন, শিশুরা সব সময় মা-বাবাকেই বেশি অনুকরণ করে। নিজেকে তাই সন্তানের রোল মডেল করে তুলুন। আপনি সন্তানের জন্য যা নিয়ম করবেন, নিজেও তা মেনে চলুন। আপনি যদি সময়ে-অসময়ে টিভি চালিয়ে রাখেন কিংবা ফোনে গল্প করেন বা ইন্টারনেট চালান, তাহলে আপনার সন্তানও নিয়ম মেনে পড়তে বসবে না। সময়ের কাজ সময়ে করুন, সন্তান আপনাকে দেখেই শিখবে।

২। সন্তানকে শাসন করার সময় বাবা-মা দুজনই একটা ইউনিট হিসেবে কাজ করুন। একজন শাসন করলেন আর একজন আদর করলেন, এমন করলে চলবে না। শিশুকে বোঝান ভুলটা ভুলই। সন্তান যেন বুঝতে পারে অন্যায় করলে মা ও বাবা দুজনেই রাগ করেন।

৩। সন্তান যতই ছোট হোক না কেন, ওকে সম্মান করুন। ওর মতামতের গুরুত্ব দিন। ওর মতামত যদি মানার মতো না হয়, তাহলে ওকে যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে বলুন কেন তা মানা সম্ভব নয়।

৪। সন্তানকে শাসন করার সময় কোনো মন্দ বাক্য প্রয়োগ করবেন না। বা অনেকে গালাগালি করেন, সেটা একেবারেই করা যাবে না।

৫। অন্য কারো সঙ্গে সন্তানের তুলনা করে তাকে শোধরাতে বলবেন না। এতে ওর আত্মবিশ্বাস কমে যাবে।

৬। নেতিবাচকভাবে না বলে ইতিবাচকভাবে বলুন। যেমন ‘তোমার মাথায় একেবারেই বুদ্ধি নেই’ এমনটা না বলে বলতে পারেন, ‘এটা কি একটা বুদ্ধিমানের মতো কাজ হয়েছে?’

৭। কখনই শৃঙ্খলা চাপিয়ে দেবেন না। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ওর পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব দিন।

৮। একেকজন শিশুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য একেক রকম। তাই আপনার শিশু কীভাবে সময় কাটাতে ভালোবাসে, কোন সময়ে পড়তে স্বচ্ছন্দ বোধ করে, এগুলো মাথায় রেখে তবেই রুটিন বেঁধে দিন। স্কুল থেকে ফিরেই আবার পড়ার টেবিলে বসার জন্য চাপ দেবেন না। কিছুটা সময় ওকে খেলতে দিন। ছবি আঁকা কিংবা ওর শখের কাজে ওকে উৎসাহ দিন।

৯। কোনো অন্যায় করলে প্রথমে বুঝিয়ে বলুন। তারপর সাবধান করুন। আবার একই কাজ করলে কিছুদিনের জন্য ওর পছন্দের কোনো জিনিস দেওয়া বন্ধ করে দিন কিংবা ওর সঙ্গে কথা বলা কমিয়ে দিন। কিন্তু গায়ে হাত তোলা একেবারেই উচিত নয়।

১০। সবার সামনে সন্তানের সমালোচনা বা নিন্দা করবেন না। এতে ওর আত্মবিশ্বাস কমে যায়।

১১। সন্তান যদি নিয়ম মেনে চলে, তাহলে মাঝেমধ্যে ওকে ছোট উপহার দিন। ও যেন বুঝতে পারে ওর আচরণে আপনারা খুশি হচ্ছেন।

সন্তানকে সময় দিন। পরিবারের সবাই একসঙ্গে প্রতিদিন কিছুটা সময় কাটান। নিজেদের ছোটবেলার গল্প ওর সঙ্গে করুন। সব সময় মনে রাখবেন, সন্তান ছোট বয়সে এক-আধটু দুষ্টুমি করবেই। খেয়াল রাখবেন আপনার শৃঙ্খলার চাপ যেন অতিরিক্ত না হয়ে যায়। কারণ তাতে ওর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হবে। মাঝেমধ্যে রুটিন ভাঙার মজাটাও ওকে উপভোগ করতে দিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest