সর্বশেষ সংবাদ-
গড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিতশাহজাতপুর বাজার বণিক সমিতির আহ্বায়ক আকরাম – সদস্য সচিব শফিকুলইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার২৪ ঘন্টা ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবারপুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেনএটা হতে পারে না, বললেন হাসনাতচতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে বাহুবলে এনসিপি নেতারাদেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ : তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানাশ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা : কৃষকের মাথায় হাত

জেল থেকে ৪০০ বন্দি উধাও

বিদেশের খবর: লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির দক্ষিণীয় শহরের ‘আইন জারা’ নামক একটি কারাগার থেকে অন্তত ৪৪০ বন্দি গেছেন। এ ঘটনার জেরে লিবিয়ার সরকার শহরটিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সুযোগে কারাগারের বন্দিরা জেলখানার দরজা ভেঙে সদলবলে বেরিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, কারাগারের নিরাপত্তারক্ষীরা প্রাণভয়ে পলায়নরত বন্দিদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করেননি। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে লিবিয়ার জাতিসংঘ-সমর্থিত সরকার নগরীতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।
আইন জারা কারাগারে আটক বন্দিদের বেশিরভাগ সাবেক লিবীয় নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির অনুসারী বলে জানা গেছে। ২০১১ সালে গাদ্দাফি বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের সময় এসব ব্যক্তি বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
২০১১ সালের শেষ দিকে গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর থেকে লিবিয়ায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর দেশটিতে বহু সশস্ত্র গোষ্ঠীর জন্ম হয় এবং এসব গোষ্ঠী এক একটি এলাকার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। বর্তমানে জাতিসংঘ-সমর্থিত একটি সরকার রাজধানী ত্রিপোলির ক্ষমতায় থাকলেও লিবিয়ার বেশিরভাগ এলাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে। -বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ওভাল টেস্ট শেষে অবসরে অ্যালিস্টার কুক

খেলার খবর: ভারতের বিপক্ষে ওভাল টেস্ট শেষেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অ্যালিস্টার কুক। ফলে মাত্র ৩৩ বছর বয়সেই ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছেন কুক।
আগামী ৭ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে ওভালে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। ইতোমধ্যেই ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে ইংলিশরা। তবে কুকের ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচে জয় উপহার দিতে পারে কি না সেটাই দেখার বিষয়।
অ্যালিস্টার কুক ইংল্যান্ডের হয়ে এ পর্যন্ত ১৬০ টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। ক্যারিয়ারে ৩২টি সেঞ্চুরিসহ ১২ হাজার ২৫৪ রান করেছেন কুক। টেস্টে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও তিনি।দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন রেকর্ড ৫৯ টেস্টে।
বিদায়বেলায় কুক বলেন, ‘আমার আর কিছু দেয়ার বাকি নেই। যতটা অর্জন করতে পেরেছি, সেটা আমার ভাবনারও বাইরে। দীর্ঘ সময় ধরে ইংল্যান্ডের কয়েকজন গ্রেটের সঙ্গে খেলতে পেরেছি, এটা আমার জন্য সম্মানের।’
শুধু ইংল্যান্ডের নয়। টেস্ট ইতিহাসেরই সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে আছেন কুক। ওপেনার হিসেবে টেস্টে ১১ হাজার ৬২৭ রান করেছেন, যেটিও আবার এক রেকর্ড।
তবে চলতি বছরটা একদমই ভালো কাটেনি কুকের। ১৬ ইনিংসে রান করেছেন মাত্র ১৮.৬২ গড়ে। ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজে একটি ফিফটিও পাননি। সমালোচকদের মুখটা তিনি বন্ধ করলেন অবসরের মতো কঠিন সিদ্ধান্তে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেসব খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়

স্বাস্থ্য কণিকা: মরণব্যাধি ক্যানসারকে ভয় পায় সবাই। সাধারণত ডাক্তাররা ক্যানসার প্রতিরোধের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। জেনে রাখা ভালো আমরা বিভিন্ন ধরনের খাবার খেয়ে থাকি যা থেকে হতে পারে ক্যানসার।

ক্যানসার কেন হয়?
শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং অনেক খাবার আবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

আলুর চিপস
চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই
আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময় উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়।

প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার
বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে।

সফট ড্রিংকস
বাজারের কোমল পানীয়তে থাকে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম চিনি। এটি রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

কৃত্রিম চিনি
কৃত্রিম চিনি অ্যাসপার্টের চিনির চেয়ে ১০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালোরি শূন্য। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই খুব জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিতভাবে কৃত্রিম চিনি খেলে ব্রেইন ক্যানসার হতে পারে।

অ্যালকোহল
অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে।

গ্রিল, বারবিকিউ
গ্রিল, বারবিকিউ এ ধরনের মাংসে উচ্চ তাপে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইন তৈরি হয়। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে।

বিষাক্ত কীটনাশক ও ক্যামিক্যাল যুক্ত ফলমূল
আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

খোলা বাজারের শরবত
বাজারের শরবতে থাকে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং। এগুলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

পুরোনো তেল
পুরোনো তেল দিয়ে বারবার খাবার রান্না করলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়ে ডিএনএ কে ভেঙে ক্যানসার হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে আপেল

স্বাস্থ্য কণিকা: ছোট-বড় সবার পরিচিত ফল আপেল। নিয়মিত তাজা ও বিষমুক্ত আপেল খাওয়া দারুণ উপকারী। ওজন কমাতে আমাদের চেষ্টার শেষ নেই। আবার মরণব্যাধি ক্যান্সারের কথাও আমরা জানি। ক্যান্সার মানেই তো মৃত্যুর কাছে পৌঁছে যাওয়া। এমনই মরণঘাতী রোগ যে রোগাক্রান্ত শরীরের অংশ কেটে ফেলেও রেহাই নেই। অথচ ক্যান্সার প্রতিরোধেও দারুণ উপকারী আপেল। নিয়মিত আপেল খেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতেও আপেল উপকারী।

সবল হার্টের জন্য
হার্টের জন্য আপেলকে কার্যকরী ওষুধ বলা যায়। তা ছাড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কম রাখতে আপেল যথেষ্ট উপকারী। যারা প্রতিদিন দুটি আপেল খায় তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্যদের চেয়ে কম থাকে।

ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ
ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধেও আপেল যথেষ্ট কার্যকরী। যারা বেশি বেশি আপেল খায় তাদের ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অর্ধেক কমে যায়।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধক
আপেল ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়ক। এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব মহিলা প্রতিদিন একটি আপেল খায় অন্যদের চেয়ে তাদের এই রোগটি হওয়ার আশঙ্কা ১৭ শতাংশ কমে যায়। আপেলের সংখ্যা যত বাড়বে স্তন ক্যান্সার হওয়ার শঙ্কাও তত কমবে। প্রতিদিন তিনটি আপেল খেলে এই আশঙ্কা ৩৯ শতাংশ কমে যায়। সংখ্যাটা যদি ছয় হয় তাহলে সেই শঙ্কাটা নেমে আসে ৪৪ শতাংশে।

ওজন কমানো
ওজন কমাতে অনেকেই খাওয়াদাওয়া কমিয়ে দেয়। কিন্তু আপেল তাদের জন্য একটু হলেও স্বস্তির বিষয় হয়ে আসতে পারে। কেননা আপেল ওজন কমানোর লড়াইয়ে দারুণ কার্যকরী। বিশেষ করে যেসব মহিলা ওজন কমাতে চায় তারা দৈনিক তিনটি আপেল খেলে ডায়েট করার চেয়ে ভালো ফল পাবে।

অ্যাজমা প্রতিরোধে
এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব শিশু প্রতিদিন আপেলের রস খায় অন্যদের চেয়ে তাদের এই রোগটি হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। একই গবেষণায় দেখা যায়, যেসব মা সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় বেশি আপেল খায় সেসব মায়ের সন্তানেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিয়েতনামে বন্যা ও ভূমিধস; নিহত ১৩, নিখোঁজ ৩

বিদেশের খবর: কয়েকদিনে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভিয়েতনামের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরো ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে। আজ সোমবার দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটির বরাত দিয়ে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, বাড়িঘর, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে রাস্তা ও ফসলের বেশি ক্ষতি হয়েছে। আজ সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় থানহ হোয়া প্রদেশে বন্যায় নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরো তিনজন নিখোঁজ রয়েছে। এদিকে উত্তরাঞ্চলীয় হোয়া বিনহ, ইয়েন বাই, সোন লা এবং লং সোন প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে একজন করে মারা গেছে। এখন পর্যন্ত, বন্যা ও ভূমিধসে ৩৬৪টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত ও ৬ হাজার ৫২৩ হেক্টর জমির ধান ও অন্যান্য শস্য ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মন্ত্রিসভায় শ্রমআইন- ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন

দেশের খবর: দুর্ঘটনায় শ্রমিক হতাহতের ঘটনায় দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ ও বাধ্যতামূলক উৎসব ভাতা প্রদানসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন এনে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন- ২০১৮ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে বৈঠকে বিভিন্ন শ্রম ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের বিধান রেখে খসড়াটির অনুমোদন দেয়া হয়।
সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, সংশোধিত শ্রমআইনে বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্য রয়েছে শ্রমিকদের উৎসব ভাতা বাধ্যতামূলক; কিশোররা কাজ করতে পারবে, শিশুরা নয়; দুর্ঘটনায় কোনও শ্রমিক নিহত হলে তার ক্ষতিপূরণ দ্বিগুণ দিতে হবে।
বাংলাদেশে ২০০৬ সালের শ্রমআইন কার্যকর রয়েছে। বিভিন্ন শ্রম সংস্থা ও শ্রমিক সংগঠনের দাবির মুখে ২০১৩ সালে শ্রমআইন সংশোধন করা হলেও তা যথেষ্ট হয়নি বলে আলোচনা ছিল।
এরপর থেকেই আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), আন্তর্জাতিক ক্রেতা জোট এবং বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন শ্রমআইন ফের সংশোধনের দাবি তোলে।
এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকার দেশে-বিদেশে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে। এরপর শ্রমআইন সংশোধনের খসড়া করে তা আইএলওতে পাঠানো হয়। আইএলওর পর্যবেক্ষণ আমলে নিয়ে মালিক, শ্রমিক ও সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় কমিটি আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করে।
প্রচলিত আইনে দুর্ঘটনায় মৃত্যুজনিত কারণে শ্রমিকের উত্তরাধিকারীরা এক লাখ টাকা এবং স্থায়ী সম্পূর্ণ অক্ষমতার জন্য এক লাখ ২৫ হাজার টাকা পাওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষতিপূরণ বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী, আইএলওসহ সব দেশীয় শ্রমিক সংগঠনের অব্যাহত দাবি ছিল।
নতুন আইনে এই অর্থ দ্বিগুণ করে দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ ২ লাখ টাকা, স্থায়ীভাবে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়ে পড়লে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হচ্ছে।
নতুন আইন অনুযায়ী, কেউ যদি শিশুশ্রমিক নিয়োগ করে, তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হবে। ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত কিশোররা হালকা কাজ করতে পারবে। আগে ১২ বছরের শিশুরা হালকা কাজের এ সুযোগ পেত।
প্রস্তাবিত আইনে ট্রেড ইউনিয়নের কথাও বলা হয়েছে। আগে ট্রেড ইউনিয়ন করার জন্য ৩০ শতাংশ শ্রমিকের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল। এখন তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে। আগে ট্রেড ইউনিয়ন করার জন্য ধর্মঘট ডাকার জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের মত গ্রহণের বিধান ছিল। এখন সেটা কমিয়ে ৫১ শতাংশ করা হয়েছে।
শ্রম আদালতে মামলা নিষ্পত্তির জন্য (রায়ের সময়) নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এখন প্রস্তাবিত আইনে ৯০ দিনের মধ্যে রায় দিতে হবে। কোনো কারণে এই ৯০ দিনের মধ্যে রায় দেওয়া না গেলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এই রায় অবশ্যই দিতে হবে।
প্রস্তাবিত আইনে নারী শ্রমিকদের প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রস্তাবিত আইনে অসদাচরণের জন্য মালিক ও শ্রমিকের আগে যে সাজা ছিল তা কমানো হয়েছে। আগে সাজা ছিল দুই বছর এখন করা হয়েছে এক বছর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভয়’

বিনোদনের খবর: আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এর ৭ম আসর। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এ উৎসবে প্রদর্শনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ভয় – দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’।
নবারুণ ভট্টাচার্য্যের ‘মৃতদেহ দর্শন’ গল্পের ছায়া অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন জুয়েইরিযাহ মৌ। সরকারি অর্থায়নে নির্মিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট-এর প্রযোজনা ‘ভয়-দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’।
‘দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ প্রদর্শনীর খবরে উচ্ছ্বসিত নির্মাতা জুয়েইরিযাহ মৌ। তিনি বলেন, দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভয়-দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’ প্রদর্শনীর মাধ্যমে চলচ্চিত্রটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে। এ খবর আমার এবং আমার ‘ভয়’-এর গোটা টিমের জন্য আনন্দের।
সমাজ ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত জীবনেও অস্থিরতা আসে। সারাদেশ জুড়ে ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের যখন কুপিয়ে হত্যা করা হচ্ছে তখন একজন লেখক নিজের ভেতরে অনুভব করেন তার আঁচ। মনস্তাত্বিক জগতে তোলপাড় শুরু হয়। চেনা-আধ চেনা মুখ রক্তে ভেসে যাচ্ছে এই দৃশ্য দেখে। টিভি স্ক্রিনে সে খবর শুনে। শান্ত, স্বাভাবিক সংসারের চিত্র বদলে দেয় দেশের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন। যার খবর হয়তো কোন নিউজে কোন মিডিয়ায় আসে না। কিন্তু লেখক নিলয় আর সহজ-সরল অপর্ণার স্বাভাবিক দিনযাপন আর স্বাভাবিক থাকে না। এরকম ভাবেই এগিয়ে যায় ‘ভয়-দ্য ফেয়ার অব সাইলেন্স’ এর কাহিনী।
২২ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি নিয়ে নির্মাতা জুয়েইরিযাহ মৌ বলেন, অনেক বড় কোন রাজনৈতিক বা সামাজিক ইস্যু কি করে স্বতঃস্ফূর্ত গতিতে চলতে থাকা ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলে এ নিয়ে এ গল্প বলে যেতে চেয়েছি আমরা। আমি নিজেই ব্যক্তিগতভাবে এরকমটা ভাবি, আমরা ইস্যুদের এড়িয়ে যাই, আমরা অনেকেই। কিন্তু সেই ইস্যুই হয়তো আমার বা আমার খুব কাছের কারও ব্যক্তিগত জীবনের একটা অন্ধকার অংশ!
‘ভয়’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক মিতুল আহমেদ। সিনেমাটোগ্রাফার রাওয়ান সায়েমা এবং সম্পাদনা করেছেন চৈতালি সমাদ্দর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ’লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত, বিএনপি মজেছে খালেদার মুক্তি নিয়ে

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করা হলেও বিএনপির নির্বাচনের অংশগ্রহণ নিয়ে চলছে দো’টানা। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এতে তারা অংশ নেবেন, নয়তো নয়।
তবে বর্তমানে নির্বাচন আর খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনায় মজেছেন দলের সিনিয়র নেতারা। বিএনপির পক্ষ থেকে সংলাপের কথা বলা হলেও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বার বার বলা হচ্ছে সুযোগ নেই সংলাপের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের কিছু সিনিয়র নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে কয়েকটি সংস্থার রিপোর্ট জমা পড়েছে। রিপোর্টে বিতর্কিত এমপিদের আমলনামা এবং মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের ভালো-মন্দ দু’টায় ঠাঁই পেয়েছে। দলের কর্মকাণ্ড কিংবা জনপ্রিয়তার দিক থেকে কোন এমপির কি আমলনামা সবই লেখা রয়েছে সেই রিপোর্টগুলোতে।

আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, প্রতিটি আসনে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছে। এ মুহূর্তে প্রকাশ্যে কারো নাম ঘোষণা করা যাবে না। নাম ঘোষণা করলে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। সংঘাতও হতে পারে। নাম ঘোষণার সময় এখনো হয়নি। সময় বলে দেবে কে মনোনয়ন পাবে। যেই মনোনয়ন পাবে তার পক্ষ নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। যাদের ব্যক্তি ইমেজ ভালো। দলের সুনাম কুড়াবে। তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইতোমধ্যে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে তৃণমূলের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। দলের সভানেত্রী বিভিন্ন উইংস থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হবে।
এই তালিকাও মোটামুটি প্রস্তুত, প্রার্থিতা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে। তবে তফসিল ঘোষণার পরই মনোনয়ন কারা পাচ্ছেন, তা চূড়ান্তভাবে বলা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্য দিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বিএনপি। দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়া-না পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে বিএনপির নির্বাচনী সমীকরণ। ইতোমধ্যে বিএনপি নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবেন না তারা। বিএনপির সমস্ত মনোযোগ এখন খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে। তারা কি করবে তা নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ চলছে দলে। নেতারা বৈঠক করছেন, কথা বলছেন। খালেদা জিয়ার দিক-নির্দেশনাও পেয়েছেন।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। এটা তারা পারবে না। সেই চ্যালেঞ্জই এখন আমরা মোকাবিলা করছি। শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে। তবে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য থাকলে বিএনপি বসে থাকবে না।
তিনি বলেন, চেয়ারপারসনের মুক্তির পাশাপাশি এবার নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আদায় করে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারও বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে যা যা করার সবই করবেন তারা।

দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, চার শর্ত পূরণ না হলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। শর্তগুলো হচ্ছে- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নির্বাচন হতে হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক, শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ২০ দলের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম বলেন, অগণতান্ত্রিক প্রহসনের মধ্য দিয়ে আরেকটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে সরকার। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারকে বাধ্য করা। যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা যায়। আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। মুক্ত খালেদা জিয়া ছাড়া বিএনপি বা ২০ দল কোনও নির্বাচনে যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest