সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

এক ডিসিসহ চারজনের বিরুদ্ধে রুল

দেশের খবর: বিনা কারণে ইউএনওর কার্যালয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক রাখা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাদের কেন ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিকালে এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি), ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদা আফসারী ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোনিয়া সুলতানাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান দুই ব্যক্তির আইনজীবী মো. মঈনুল ইসলাম।

তিনি জানান, ছাতকের নোয়ারাই গাজির মোকাম-জামে মসজিদ ভাঙতে এলাকার দুই ব্যক্তি মঞ্জুরুল ও আশিমশাকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসার আদেশ দেন। এ আদেশ পালন না করায় তাদের আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাখা হয়।

পরবর্তীতে এলাকার সাধারণ মানুষের আন্দোলনের কারণে এই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয় ইউএনও। এ ঘটনায় সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ লংঘন হওয়ার অভিযোগ এনে প্রথমে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়। পরবর্তীতে নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টের রিট করেন এই আইনজীবী। শুনানি শেষে মঙ্গলবার আদালত এ অদেশ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অংকের ভুলে স্বর্ণের মানে পার্থক্য : বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের খবর: ভল্টে স্বর্ণ যেভাবে রাখা হয়েছিল সেভাবেই আছে। কোনো প্রকার হেরফের হয়নি বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক রবিউল হাসান, ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্সের মহাব্যবস্থাপক জি এম আবুল কালাম আজাদ, কারেন্সি অফিসার আওলাদ হোসেন চৌধুরী, ও ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্টের মহাব্যবস্থাপক সুলতান মাসুদ আহমেদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভল্টে স্বর্ণ যেভাবে রাখা হয়েছিল সেভাবেই আছে। কোনো প্রকার হেরফের হয়নি। একটি করণিক ভুলের কারণে স্বর্ণের মানের পার্থক্য দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে এনবিআর ও শুল্ক গোয়েন্দাকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, একটি রিং মানের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব স্বর্ণকার যখন এটি পরিমাণ করেন তখন বলেছিলেন, সেই রিংয়ে ৪০ শতাংশ স্বর্ণ আছে। কিন্তু পরে প্রতিবেদন করার সময় ভুলে ৪০ কে ৮০ (ইরেজিতে শব্দ মনে করে) লিখা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ৯৬৩ কেজি স্বর্ণ জমা আছে। এর মধ্যে ১০ কেজি ৫৭ গ্রাম স্থায়ী স্বর্ণ, বাকিগুলো অস্থায়ী। আর সর্বশেষ ২০০৮ সালে নিলামে স্বর্ণ বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর আর নিলাম হয়নি।

উল্লেখ্য, আজ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়। এতে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক অনুসন্ধান প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছিল ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের চাকতি ও আংটি, তা হয়ে আছে মিশ্র বা সংকর ধাতু। ছিল ২২ ক্যারেট স্বর্ণ, হয়ে গেছে ১৮ ক্যারেট।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে আশা ভারতীয় হাই কমিশনারের

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। তিনি বলেন, ‘সব দলের অংশ গ্রহণে আগামীতে বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বারিধারা’র প্রেসিডেন্ট পার্কে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায় এবং ভারতীয় হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রাজেশ উখী।
জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সভায় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া রাজনৈতিক, আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি ও জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়।
ভারতীয় হাই কমিশনারের আশাবাদে সহমত প্রকাশ করেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেন, ‘একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান এ দেশের প্রতিটি মানুষ কৃতজ্ঞতাচিত্তে স্মরণ করে। দুই দেশের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।’
বৈঠকে প্রসঙ্গে জাপার প্রেসিডিয়ামের সদস্য সুনীল শুভরায় বলেন, ‘পুরো বৈঠকটি এক ঘণ্টার ছিল। শিডিউল করা এ বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট, রাজনৈতিক ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ৮ জুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া ব্লুম বার্নিকাটও এরশাদের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করেন। তাদের ওই বৈঠকটি প্রায় দেড়ঘণ্টার ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমি মনে-প্রাণে একজন ফিলিস্তিনি: ম্যারাদোনা

বিদেশের খবর: আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাদোনা ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকারের প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

রাশিয়ায় ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে ম্যারাডোনা এ কথা জানান।

রোববার রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ। আর সেই ম্যাচটি দেখার জন্য রাশিয়ায় উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল লিজেন্ড ডিয়াগো ম্যারাডোনা।

এদিকে এই ম্যাচটি দেখতে রাশিয়ায় ছিলেন ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। সেখানে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন ম্যারাডোনা ও প্রেসিডেন্ট আব্বাস।

দুই জনের এই সাক্ষাতে ম্যারাদোনা আব্বাসকে বলেন, আমি মনে প্রাণে একজন ফিলিস্তিনি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মস্কো গেছেন প্রেসিডেন্ট আব্বাস। বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় এবং আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে দুই নেতা বৈঠকে মিলিত হবেন বলে কথা রয়েছে।

ফুটবল জগতে কিংবদন্তি হিসেবে পরিচিত ম্যারাদোনা দীর্ঘ সময় থেকেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছেন।

ফিলিস্তিন একদিন চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে জানান ম্যারাডোনা।

নিজের ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে ম্যারাদোনা লিখেন, এই লোকটি ফিলিস্তিনে শান্তি চায়। জনাব আব্বাস, আপনার নিজের একটি পূর্ণাঙ্গ দেশ আছে।

এর আগে ২০১৪ সালেও ম্যারাদোনা বলেছিলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনের সঙ্গে যা করছে তা লজ্জার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তারের বিরুদ্ধে ডাক্তারি সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতিপক্ষদের কাছ থেকে মোট অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে ডাক্তারি সনদে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সিভিল সার্জনের কাছে অভিযোগ করে প্রতিকার না পাওয়ায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও দুদকের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার এনায়েতপুর শানতলা গ্রামের শাহাবাজ হোসেনের মেয়ে বেবী নাজমিম এর অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, গত ২৮ মে দুপুর দেড়টার দিকে পল্লী বিদ্যুতের লোকজন তাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে এলে বাধা দেয় প্রতিবেশী আব্দুর রহমান ফকির, আনারুল ফকির ও আলম ফকিরসহ তাদের পরিবারের মহিলা সদস্যরা। প্রতিবাদ করায় তাকে মাথায় কোপ মেরে ও বোন মারুফাকে মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে জখম করা হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
বেবি নাজমিম আরো জানান, তারা ভর্তি হওয়ার আগেই হাসপাতাল গেটে অবস্থান করা অফিস সহকারি কাম ভারপ্রাপ্ত ওয়ার্ড মাষ্টার আক্তার হোসেনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয় হাসপাতালের মাষ্টার রোলে কর্মরত তাদেরই গ্রামের রুবেল ওরফে শামীম। ভাল চিকিৎসা পাওয়ার জন্য তারাসহ মা সাবিনা পারভিন কয়েক দফায় আক্তার হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন। তবে ২৯ মে ডাঃ শরিফুল ইসলাম তাদের দু’ বোনকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা বললে তারা আপত্তি জানায়। তার মাথায় ছয়টি সেলাই ও বোন মারুফার মাথায় গভীর ক্ষতের ফলে চারটি সেলাই দেওয়া অবস্থায় ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই ছাড়পত্র দেওয়ার কথা বলায় তারা অসহায় হয়ে পড়েন। পরদিন একজন নার্স এসে তাদেরকে এক্স-রে করার জন্য দু’টি স্লিপ ধরিয়ে দিলে তারা আক্তার হোসেনের কাছে চলে যান। আক্তার হোসেন একজন নার্স বা আয়াকে ডেকে তাদেরকে নিয়ে ১২৫ নং কক্ষে এক্স-রে করে আসতে বলেন। আক্তার হোসেনের কথামত দু’জনের এক্স-রে বাবদ ৭০০ টাকাতাদের সঙ্গে থাকা নার্সকে দিয়ে দেয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই নার্স তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ১২৫ নং কক্ষে যেয়ে তাকে ও মারুফাকে পর্যায়ক্রমে এক্সরে ট্রলীতে তোলেন। কয়েকটি স্লুইজে চেপে আলো জ্বেলে এক্স-রে হয়ে গেছে, প্লেট বিকেলে তিনি নিয়ে যাবেন বলে ওয়ার্ডে যেতে বলেন। বিকেল ৬টার দিকে ওই নারী দু’টি প্লেট নিয়ে তাদের কাছে রেখে দেন। ৩১ মে সকালে ছাড়পত্র দেওয়ার পর তারা এক্স-রে প্লেট, এক্স-রে স্লিপ ও ছাড়পত্র নিয়ে আক্তার হোসেনের অফিসে যান। আক্তার হোসেন এক্স-রে প্লেট ও স্লিপ টি নিয়ে এমসি দেওয়ার সময় তা আদালতে পাঠিয়ে দেবেন বলে জানান। এ সময় আক্তার হোসেন ছাড়পত্রে লেখা ডাঃ শরিফুল ইসলামের স্বাক্ষরের নীচে থাকা তারিখটি কাটাকাটি করে ৩০ মে লিখে তাকে দেন। ওই দিন শামীম তাকে জানায় যে, হামলাকারি আব্দুর রহমান ফকিরের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে সে আক্তার হোসেনকে দিয়েছে। যে কারণে তাদেরকে তড়িঘড়ি করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আক্তার হোসেনের নির্দেশে। এমনকি এমসি দুর্বল করে তাদেরকে জামিনে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন আক্তার হোসেন। কয়েকদিন না যেতেই থানা থেকে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শাহাদাতুল আলম আবেদন করার আগেই তড়িঘড়ি করে আক্তার হোসেন ২৩ জুন এমসি পাঠিয়ে দেন। দু’ বোনের মাথায় গভীর ক্ষত হওয়ার কারণে কয়েকটি সেলাই দেওয়ার পরও এমসিতে ছেলা জখম বলে উল্লেখ করায় তারা অবাক হন। হাসপতালে তারা ডাঃ শরিফুল ইসলামের কাছে চিকিৎসা নিলেও তাকে বাদ দিয়ে এমসিতে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ পরিমল কুমার বিশ্বাস, ডাঃ মোঃ মাহাবুবর রহমান ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিল সাক্ষর করেছেন। এমসিতে এক্স-রে করা হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়। একপর্যায়ে তারা সোমবার একজন আইনজীবী ও একজন সাংবাদিককে নিয়ে সিভিল সার্জনের কাছে গেলে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তিনি সংশ্লিষ্ট ডাঃ শরিফুল ইসলামকে নিয়ে পর্যালোচনায় বসবেন বলে জানিয়ে তাদেরকেও ওই সময়ে আসতে বলেন।
বেবী অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তারা হাসপাতালে গেলে আক্তার হোসেন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারের সামনে তাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চান সিভিল সার্জন ডাঃ তওহিদুর রহমান। এ সময় ডাঃ শরিফফুল ইসলামকে থাকার জন্য বললে তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। উপরন্তু আক্তারকে ভাল লোক হিসেবে চিহ্নিত করে তাদেরকে মিথ্যাবাদি বলে প্রমাণ করানোর চেষ্টা করেন সিভিল সার্জন ও আরএমও। ৩০ মে সকাল ১০ টার দিকে ওই ওয়ার্ডে যে নার্স ডিউটি করেছে তাদেরকে আনলে চিনতে পারবো বলার পরও মাত্র একজনকে ডেকে আনা হয়।একপর্যায়ে হাসপাতালে রক্ষিত তাদের চিকিৎসা ফাইলে তারা এক্স-রে করবে না বলে তাদের দু’টি টিপসহি ও তাদের মায়ের টিপ সহি ও মোবাইল নম্বর দেখানো হয়। মারুফা মাষ্টার্স পড়ছে ও সে ইন্টারমিডিয়েট পড়ার পর কিভাবে তাদের টিপসহি দিয়েছে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন তাদেরকে মামলা করে টিপ সহি চ্যালেঞ্জ করতে বলেন।
এদিকে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, গত বছরের আশাশুনি উপজেলার সুভদ্রকাটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে শহরতলীর এল্লারচরে এনে গণধর্ষণ করা হয়। তাকে পুলিশ উদ্ধার করে পরদিনওই সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করায়। সদর হাসপাতালে পাঠানো এমসিতে ধর্ষণের কোন আলামত মেলেনি। অথচ মহাখালির ভিসেরা রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। সদর হাসপাতালের প্রতিবেদন পরিবর্তণ করতে প্রভাবশালী আসামী সোহরাব হোসেনের কাছ থেকে আক্তার হোসেন এক লাখ টাকা গ্রহণ করে বলে একধিক সূত্রে জানা যায়। এ ছাড়াও দুর্বল এমসি দেওয়ার জন্য ও এমসি গ্রিভিয়াস করার জন্য সদর হাসপাতালের সবচেয়ে বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে আক্তার হোসেন পরিচিতি লাভ করেছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্মী জানান।
আর্থিক সুবিধা নিয়ে বেবী, মারুফা ও সুভদ্রাকাটির অষ্টম শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রীর ডাক্তারি সনদসহ যে কোন ডাক্তারি সনদ জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করে সদর হাসপাতালের অফিস সহকারি আক্তার হোসেন বলেন, তাকে অহেতুক জড়ানো হচ্ছে। কারণ কোন ডাক্তারি সনদে তার সাক্ষর থাকে না।
তবে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাক্তার তওহিদুর রহমান ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফরহাদ জামিল জানান, বেবী ও মারুফার অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। তবে তারা এক্স-রে করবে না বলে যে টিপসহি দিয়েছে তা তাদেরই না হলে মামলা করতে পারে। কেবলমাত্র কেবিন পাওয়ার জন্য আক্তার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা লাগে বলে উল্লেখ করে তারা বলেন, শিক্ষিত মেয়েরা এধরণের ভুল করলে বিশ্বাস করবেন কিভাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাটরিনার বয়স ২১!

কাটরিনার বয়স ২১!

কর্তৃক daily satkhira

বিনোদন ডেস্ক: বলিউড তারকা কাটরিনা কাইফের জন্মদিন ছিল ১৬ই জুলাই। এই দিন ৩৫ বছর পূর্ণ হলো নায়িকার। কিন্তু কাটরিনা দাবি করেছেন তার বয়স নাকি ২১ বছর! নিজের জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমার ২১তম জন্মদিন। আচ্ছা ঠিক আছে। আরও কয়েকটি বছর না হয় যুক্ত রয়েছে। আর এই পুরো ক্রেডিট আমার মায়ের।’ অনেকটা মজার ছলেই এমন ক্যাপশন লিখেছেন এই অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, জরিমানা ২১ লাখ

অনলাইন ডেস্ক: অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহারসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর পল্টনের পাঁচ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাবে) ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-৩ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।
জরিমানা করা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো হলো- ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল, ইফতি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রয়েল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ইসলামী ব্যাংক স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
সারোয়ার আলম আমাদের সময়কে জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহার, টেস্ট না করে রিপোর্ট প্রদান ও অপারেশন থিয়েটারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এবং সার্জিক্যল সামগ্রী ব্যবহার করায় এই জরিমানা করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোমাঞ্চকর ম্যাচে লঙ্কানদের হারাল বাংলাদেশ ‘এ’

তিন ম্যাচের আনঅফিসিয়াল ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে ২ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ।’
সিলেটে মঙ্গলবার বাংলাদেশের ২৮০ রান তাড়ায় লঙ্কানরা গুটিয়ে যায় ২৭৮ রানে।
শেষ বলে লঙ্কানদের প্রয়োজন ছিল ৩ রান। স্ট্রাইকে ছিলেন তিন ছক্কায় দলকে জয়ের কাছে নিয়ে যাওয়া শেহান মাদুশঙ্কা। কিন্তু এই লঙ্কান পেসারকে আউট করেন সিলেটের পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ।
‌আনঅফিসিয়াল টেস্ট সিরিজে ভালো করা লাহিরু থিরিমান্নে, শেহান জয়াসুরিয়াদের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজে লঙ্কানরা আরও শক্তি বাড়িয়েছে থিসারা পেরেরা, উপুল থারাঙ্গা, দাসুন শানাকাদের মতো ক্রিকেটারদের যোগ করে। জয়টা শেষ পর্যন্ত কষ্টের হলেও তাই কৃতিত্ব প্রাপ্য বাংলাদেশের।
শেষ ভাগের মতো পুরো ম্যাচই ছিল উত্থান-পতন আর নাটকীয়তায় ঠাসা। ইনিংসের অর্ধেকের বেশি জুড়ে বাংলাদেশের ইনিংস ছিল গতিহারা। সেখান থেকে দল ঘুরে দাঁড়ায় মিডল অর্ডারে। শেষ দিকে ঝড় তোলেন আরিফুল হক। শেষ ৯ ওভারে ১০৬ রান তুলে বাংলাদেশ যেতে পারে ২৮০ পর্যন্ত।
লঙ্কানরা রান তাড়ায় ৭২ রানে হারিয়েছিল ৪ উইকেট। সেখান থেকে পরে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। তবে আবার খেই হারায় ৪০ ওভারের পর। শেষ দিকে আবার ম্যাচ জমিয়ে দেয় শেষ জুটি। তার পর শেষ বলে রূদ্ধশ্বাস সমাপ্তি।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ছিল মন্থর। সৌম্য সরকার ক্রিজে ছিলেন, উইকেট পড়েনি একটিও, তার পরও ১২ ওভারে রান ছিল ৪২।
সৌম্যর বিদায়েই ভেঙেছে জুটি। ১টি করে চার ও ছক্কায় ৩৪ বলে করেছেন ২৪।
মিজানের সঙ্গে জাকির হাসানের দ্বিতীয় উইকেট জুটিও খুব বাড়াতে পারেনি গতি। ২৬ বলে ১৮ রান করে ফেরেন বাঁহাতি জাকির।
ঘরোয়া লিগে দারুণ মৌসুম কাটানো মিজান এদিন হিমশিম খেয়েছেন রানের গতি বাড়াতে। চারটি চার ও তিনটি ছক্কা মারলেও ৬৭ রান করতে বল খেলেছেন ১০৭টি। মাদুশঙ্কার বলে যখন তিনি বিদায় নিলেন, দলের রান তখন ৩০ ওভারে ১২০।দলের ইনিংস গতিময় হয় চতুর্থ উইকেট জুটিতে। মোহাম্মদ মিঠুন ও ফজলে মাহমুদ রাব্বি ৯৫ রানের জুটি গড়েন ৮৭ বলে।
দুটি করে চার ও ছক্কায় ৬৩ বলে ৫৯ করে ফেরেন বাঁহাতি ফজলে রাব্বি। অধিনায়ক মিঠুন ৪৪ করেন ৪৪ বলে।
শেষ দিকে সহজাত আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে আরিফুল করেন ২২ বলে ৪৭। তিনটি চারের সঙ্গে ইনিংসে ছক্কা চারটি। শেষ ৫ ওভারে বাংলাদেশ ‘এ’ তোলে ৬২ রান।
শেষের ব্যাটিংয়ে উজ্জীবিত বাংলাদেশ বোলিংয়ে শুরুটাও করে ভালো। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে সাদিরা সামারাবিক্রমাকে ফেরান তরুণ বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। পরের ওভারেই অভিজ্ঞ উপুল থারাঙ্গাকে বোল্ড করে দেন খালেদ।
তৃতীয় ওভারে লাহিরু থিরিমান্নে ও শেহান জয়াসুরিয়ার ৫২ রানের জুটি ভাঙে জয়াসুরিয়ার রান আউটে।
থিরিমান্নে ও আশান প্রিয়াঞ্জন থিতু হয়ে গিয়েছিলেন। ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও জ্বলে ওঠা আরিফুল ফেরান এই দুজনকেই।
সেই চাপ সরিয়ে দলকে এগিয়ে নেন দাসুন শানাকা ও থিসারা পেরেরা। দুই আগ্রাসী ব্যাটসম্যান উল্টো চাপে ফেলে দেন বাংলাদেশকেই।থিসারার ঝড় অবশ্য খুব বেশি স্থায়ী হয়নি। ফিরেছেন দুই চার ও ১ ছক্কায় ২০ রান করে। তবে শানাকা ঘাম ঝরিয়ে ছাড়েন বাংলাদেশের। ৭৮ বলে ৭৮ করেছেন ৬টি ছক্কায়!
৪৬তম ওভারে তাকে থামান বোলিং আক্রমণে ফেরা খালেদ। পরের ওভারে শরিফুল তিন বলের মধ্যে নেন দুটি উইকেট। ২৪৪ রানে নেই শ্রীলঙ্কার ৯ উইকেট, বাংলাদেশ অপেক্ষায় আনুষ্ঠানিকতার।
কিন্তু মাদুশঙ্কা হাল ছাড়েননি। তিন ছক্কায় আশা দেখায় লঙ্কানদের। শেষ ব্যাটসম্যান নিশান পেইরিস সঙ্গ দিয়েছেন দারুণ। তবে শেষ পর্যন্ত শেষ বল স্বস্তি দিয়েছে বাংলাদেশকে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ ‘এ’: ৫০ ওভারে ২৮০/৭ (মিজানুর ৬৭, সৌম্য ২৪, জাকির ১৮, ফজলে রাব্বি ৫৯, মিঠুন ৪৪, আরিফুল ৪৭, আল আমিন ৮*, সানজামুল ০, নাঈম ১*; মাদুশাঙ্কা ১/৬১, শানাকা ০/২৪, জয়াসুরিয়া ১/৩৯, থিসারা ১/৪৪, পুস্পকুমারা ১/৪৪, পেইরিস ০/৬৭)।
শ্রীলঙ্কা ‘এ’: ৫০ ওভারে ২৭৮ (সামারাবিক্রমা ৩, থারাঙ্গা ১০, থিরিমান্নে ২৯, জয়াসুরিয়া ২০, প্রিয়াঞ্জন ৪২, শানাকা ৭৮, থিসারা ২০, শাম্মু ২৮, মাদুশঙ্কা ২১, পুস্পকুমারা ০, পেইরিস ১১*; খালেদ ১০-০-৭২-৪, শরিফুল ১০-০-৫৪-৩, আল আমিন ৩-১-১৩-০, নাঈম ৫-০-১৩-০, আরিফুল ৮-০-৪২-২, সানজামুল ৬-০-২৯-০, সৌম্য ৮-০-৫০-০)

ফল: বাংলাদেশ ‘এ’ ২ রান জয়ী
সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ‘এ’ ১-০তে এগিয়ে
ম্যান অব দা ম্যাচ: আরিফুল হক

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest