তুরস্কে ব্যর্থ অভ্যুত্থানে জড়িত ১০৪ সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১০৪ সাবেক সেনা সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে মঙ্গলবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এরদোগানের বিরুদ্ধে ওই অভ্যুত্থানে জড়িত ২০৮ সাবেক সেনা সদস্যকে ইজমিরের একটি আদালতে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে।

২০৮ জনের মধ্যে ১০৪ সাবেক সেনা সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অপর ৫২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৫ জুলাইয়ের ওই ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে কমপক্ষে ২৬০ জন নিহত এবং আরো ২ হাজার ২শ মানুষ আহত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপিকে আবারো ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ বললো কানাডার আদালত

ন্যাশনাল ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’কে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে আগের দেয়া এক রায় বহাল রেখেছেন কানাডার ফেডারেল কোর্ট। দেশটিতে বিএনপির এক কর্মী ২০১৫ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। এ বিষয়ে শুনানি শেষে বিএনপিকে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও সরকার উৎখাতের চেষ্টার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার পর তার সেই আবেদন বাতিল করে দেয়া হয়।

পরে আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন বিএনপির ওই কর্মী। রিভিউ আবেদনের শুনানি গত ৪ মে অন্টারিওর ফেডারেল আদালতে অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়ে ‘বিএনপিকে সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে আদালতের দেয়া আগের রায় বহাল রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সোমবার কানাডার ফেডারেল কোর্টের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়।

কানাডায় বিএনপির যে কর্মী ২০১৫ সালে আশ্রয় প্রার্থীর আবেদন করেছিলেন তার নাম মো. মোস্তফা কামাল (৩১)। সেই সময় কানাডার সরকার অাদালতকে জানায়, মোস্তফা কামাল বিএনপির কর্মী হিসেবে কানাডায় আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু তার এ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। পরে তার আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন বাতিল করে দেয়া হয়।
আদালত জানান, তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার যৌক্তিক কোনো কারণ পাওয়া যায়নি। এটা বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট ভিত্তি আছে যে, মো. মোস্তফা কামাল এমন একটি সংগঠনের সদস্য যে সংগঠনটি দেশে সন্ত্রাসবাদ এবং বাংলাদেশ সরকারকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে উৎখাতের শক্তিগুলোকে উসকানি দেয়ার সঙ্গে জড়িত।

পরে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিএনপির এই কর্মী ফেডারেল কোর্টে তার আবেদন বাতিলের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। তবে তার এই রিভিউ আবেদনও বাতিল করে দিয়ে ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন কানাডার ফেডারেল কোর্ট।

কানাডার আদালত দেশটির জননিরাপত্তা ও জরুরি প্রস্তুতিবিষয়ক মন্ত্রীর সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে ওই রায় বহাল রেখেছেন। মন্ত্রী বলেছেন, এটা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে যে আবেদনকারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন সদস্য।
তিনি বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাত তৎপরতা অথবা উৎখাতে প্ররোচনা দেয়ার সঙ্গে জড়িত। যা কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা অাইনের এসসি-২০০১ এর সি-২৭ ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কানাডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি অ্যাজেন্সির (সিবিএসএ) এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি এ দাবি করেন।

বিএনপির ওই কর্মীর রিভিউ আবেদনের পর ফেডারেল কোর্ট দেশটির জননিরাপত্তা ও জরুরি প্রস্তুতিবিষয়ক মন্ত্রীর দাবির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নির্দেশ দেন। কানাডার অভিবাসন ও শরণার্থী বোর্ডের অভিবাসন বিভাগ এবিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর আদালতে তুলে ধরে। পরে সিবিএসএ’র প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই ও পুনর্বিবেচনা করে আগের দেয়া রায় যৌক্তিক বলে জানান ফেডারেল কোর্ট।

ফেডারেল কোর্ট আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন নাকচ করে দেয়ার পর ভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন মোস্তফা কামাল। তিনি এবার বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের কর্মী হিসেবে আশ্রয় প্রার্থনা পাওয়ার আবেদন করেন এবং এ আবেদনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আদালতের কাছে বিএনপির এই কর্মী বলেন, বিএনপি এবং যুবদল সম্পূর্ণ পৃথক দুটি রাজনৈতিক দল। তখন তার এই আবেদনের জন্য নতুন করে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের নির্দেশ দেন আদালত।
এ সময় কুমিল্লার বেশ কয়েকজন স্থানীয় যুবদল নেতার বক্তব্য রেকর্ড করে তা আদালতের কাছে উপস্থান করেন কামাল। ২০০৫-০৬ সালে তিনি যুবদলের কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক ছিলেন বলে দাবি করেন।

মোস্তফা কামালের এই দাবির পর আইডি তখন বাংলাদেশি এক মার্কিন অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়। তার দেয়া তথ্য আদালতের কাছে তুলে ধরে আইডি। বাংলাদেশি ওই অধ্যাপক বলেন, বিএনপি থেকে পৃথক একটি সংগঠন যুবদল। তবে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো ও নেতৃত্বের আদলে সংগঠনটির পৃথক নির্বাহী কমিটি রয়েছে। তবে দুটি সংগঠনের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।

পড়াশোনা শেষ হলে ছাত্রদল থেকে কর্মীরা যুবদলে যোগ দেন। পরে সেখান থেকে বিএনপিতে। বিএনপির নির্বাহী কমিটির পদমর্যাদা এবং দায়-দায়িত্বের অনুরূপ রয়েছে যুবদলের নির্বাহী কমিটিতে। পরে শুনানিতে যুবদলকে বিএনপির অঙ্গসংগঠন নয় বলে মোস্তফা যে দাবি করেছিলেন; সেই দাবির পক্ষে কোনো ধরনের প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তিন ফরম্যাটে তিন কোচ আসছে টাইগারদের!

স্পোর্টস ডেস্ক: অনেকেরই ধারণা ছিল এবং অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছিলো মঙ্গলবার দুপুরে বিসিবি সভাপতি ও বোর্ডের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকেই বুঝি বাংলাদেশের নতুন বিদেশি হেড ও ব্যাটিং কোচ চূড়ান্ত হয়ে যাবে। এবং বিকেলে প্রচার মাধ্যমের কাছে নতুন কোচের নাম ঘোষণা করতে পারেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন।

শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। কোচ চূড়ান্তই যেখানে হয়নি, সেখানে নাম ঘোষণার তাই প্রশ্নই আসে না। মঙ্গলবারতো নয়ই আগামী দু’একদিন কিংবা এক সপ্তাহর মধ্যেও কোচ ঠিক হবে না। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের আশা, আগামী ১৫ জুনের মধ্যে কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

তবে সেটাই শেষ কথা নয়। ১৫ জুনের ভিতর কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবার আশাই বিসিবি বিগ বসের শেষ সংলাপ নয়। তার আগে আরও কিছু হিসেব নিকেশ আছে। সেটাই আসল কথা। ওপরের ডেড লাইন বেঁধে দেয়া দেখে ভেবেন না ১৫ জুনের মধ্যে কোচ নিয়োগ হয়ে যাবে। নতুন বিদেশি হেড ও ব্যাটিং কোচ সুর সুর করে চলে আসবেন।

বিষয়টি মোটেই তেমন নয়। যার ওপর কোচ নিয়োগ এবং জাতীয় দল ব্যবস্থাপনার সমুদয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে, সেই গ্যারি কারস্টেনতো চান তিন ফরম্যাটে তিন কোচ। বিসিবি তাতে হ্যা না করলেও না করেনি। বরং বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও অন্য শীর্ষ কর্তাদের কথা বার্ত শুনে এবং শরীরি অভিব্যক্তি দেখে মনে হয়, টেস্ট আর সীমিত ওভারের ফরম্যাটের জন্য মানে লাল ও সাদা বলের জন্য আলাদা কোচ নিয়োগের সম্ভাবনাও আছে বেশ।

এর বাইরে আরও একটি সম্ভাবনার খবরও আছে। তাহলো একজন হেড কোচের অধীনে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটে ও ব্যাটিং-বোলিংয়ের জন্য পৃথক পৃথক কনসালটেন্ট নিয়োগের প্রস্তাবও এসেছে কারস্টেনের পক্ষ থেকে। আপাতত সেগুলোই আসল খবর। তবে এর কোনটাই চূড়ান্ত নয়।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল অবধী ধানমন্ডির বেক্সিমকো অফিসে বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন এবং বোর্ডের নীত নির্ধারক মহলের অন্যতম শীর্ষ কর্তা মাহবুব আনাম, জালাল ইউনুস, আকরাম খান, ইসমাইল হায়দার মল্লিক এবং সিইও নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজনের সঙ্গে গ্যারি কারস্টেনের একান্ত আলাপে এসব কথাই উঠে এসেছে।

যার কোনটাই চূড়ান্ত নয়। এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সবই প্রায় আলোচনা ও পর্যালোচনার মধ্যে আছে। এরপর কারস্টেন আবার আসবেন। তার মধ্যেই সব চূড়ান্ত করে ফেলা হবে। এরকম অবস্থায় রাতেই চলে যাচ্ছেন কারস্টেন।

পাঠকদের আগেই জানা, ভারতে আইপিএল চলাকালীন টেস্ট এবং টি টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে একান্তে কথা বলে রেখেছেন কারস্টেন।

এরপর গত দু’দিনে জাতীয় দলের আরও তিনজন সিনিয়র ক্রিকেটার মাশরাফি, মুশফিক ও তামিমসহ জাতীয় দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রায় সবার সঙ্গেই কথা হয়েছে তার। বাকি কেবল অস্থায়ী হেড কোচ কোর্টনি ওয়ালশ। তার সঙ্গেও আজ কথা হয়ে যাবে।

বিসিবি মিডিয়া কমিটি পরিচালক জালাল ইউনুস জানিয়েছেন, ‘সবার সঙ্গে মোটামুটি কথা হলেও হেড কোচ ওয়ালশের সঙ্গে কথা হয়নি কারস্টেনের। সেটা আজ হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে হয়ে যাবে। ওয়ালশ আজ ঢাকা আসছেন। প্রায় কাছাকছি সময় ফিরে যাবেন গ্যারি কারস্টেন। দুজনার মধ্যে এয়ারপাের্ট লাউঞ্জে কথা বার্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুজনই জানেন, তাদের মধ্যে বিমান বন্দরেই একটা ছোট খাট অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়ে যাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্রসফায়ারে ভীত নই : বদি

ন্যাশনাল ডেস্ক: কক্সবাজার-৪ (টেকনাফ-উখিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি, যার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে একটি অনলাইন সংবাদপত্রকে মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ থাকলেও কেউ প্রমাণ করতে পারবে না যে, আমি ইয়াবা বা অন্য কোনো মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিছু মিডিয়াও ইয়াবা ব্যবসা করছে। সাংবাদিকরাও ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমি যখন মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেই, তখনই মিডিয়ারা সিন্ডিকেট করে আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এ কারণে সংসদে আমি চ্যালেঞ্জ করে বক্তব্য দিয়েছি।’

‘ইয়াবা ব্যবসা এবং মানবপাচার করে শত শত কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন আপনি’- এমন অভিযোগের বিপরীতে বদি বলেন, ‘আমার এত টাকা কোথায়? টেকনাফে এসে দেখে যান। একটি শীর্ষ দৈনিকের এমন মনগড়া রিপোর্টের কারণে দুদক আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। সে মামলায় আমি জেল খেটেছি।’

মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিচারাধীন কোনো বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’

আপনার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ আছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও তা বলেছেন- এর জবাবে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ আপনার বিরুদ্ধেও করতে পারি। কিন্তু প্রমাণ তো লাগবে। আমার নির্বাচনী এলাকায় এসে খোঁজ নিন। মানুষ কী বলে, শুনুন।’

টেকনাফ-উখিয়া দিয়েই ইয়াবার বড় চালান আসে। এটিই আপনার নির্বাচনী এলাকা? এর জবাবে বদি বলেন, ‘বরিশাল বা গুলশানে যেসব ইয়াবার চালান ধরা পড়েছে, সেগুলো তো চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে আসা। ইয়াবা আকারে ছোট। বিভিন্ন রুট দিয়েই আসে। টেকনাফ বর্ডার অরক্ষিত। আমি কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার জন্য সংসদে বক্তব্য দিয়েছি।’

সরকারের মাদকবিরোধী চলমান অভিযানকে কীভাবে দেখছেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘অভিযান ভালো। যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। যুব সমাজকে বাঁচানোর জন্য এই ধরনের অভিযান আরও আগে করা উচিত ছিল।’

অভিযানে তৃণমূলপর্যায়ের ব্যবসায়ীরা মরছেন। অধরা মাদকের গডফাদাররা? এ প্রসঙ্গে বদি বলেন, ‘শুরু হয়েছে মাত্র। শেষ না দেখে মন্তব্য করা ঠিক নয়। শুরু দেখেই যদি বিএনপির মতো সমালোচনা করেন, তাহলে বিতর্ক তৈরি হয়।’

অভিযান নিয়ে আপনার মধ্যে কোনো আতঙ্ক কাজ করছে কি না- ‘মাদকবিরোধী চলমান অভিযানে গ্রেফতার বা ক্রসফায়ার আতঙ্কে আমি ভীত নই। আমি কোনো অবস্থাতেই ভয় পাই না। কেন ক্রসফায়ারের ভয় থাকবে আমার মধ্যে? কেন গ্রেফতার হবো? আমি কি এসবের সঙ্গে জড়িত? ইয়াবা ব্যবসায়ীরা গুটিয়ে নিচ্ছে নিজেদের। কিন্তু পালাতে পারবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন। পালানোর কোনো সুযোগ নেই। বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা ইয়াবা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে। অথচ অভিযোগের তালিকায় তাদের কোনো নাম নেই। মিডিয়া যাদের নাম বলছে তাদের বিরুদ্ধেই অভিযান হচ্ছে। জামায়াত-বিএনপির ইয়াবা ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা প্রশাসনকে দিয়ে ম্যানেজ করছে’- জবাবে বলেন বদি।

আপনারা জামায়াত-বিএনপির ব্যবসায়ীদের মোকাবেলা করছেন না কেন- এর জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি অনেক আগে থেকেই তাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছি। অভিযান শুরুর পর তারা এখন এলাকা ছাড়া।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদকবিরোধী অভিযানে দেশের মানুষ খুশি: কাদের

ন্যাশনাল ডেস্ক: মাদকের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে এক ইফতারের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এটা একটা সামাজিক সমস্যা। একটা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। এই বিষয়টায় অন্তত সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য গড়ে তোলা দরকার।
সরকারের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের কোনো ভালো কাজ বিএনপির ভালো লাগবে না, এটাই স্বাভাবিক। যারে দেখতে নারী, তার চলন বাঁকা। সারা দেশের মাদকবিরোধী যে অভিযান চলছে, তাতে দেশের মানুষ খুশি, মানুষ প্রশংসা করছে আর এটা বিএনপির ভালো লাগছে না।
সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে এটা জনগণের বহু প্রত্যাশিত অভিযান। আজকে সুনামির মতো ছড়িয়ে পড়ছে মাদক। তরুণ সমাজের একটা অংশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে মাদক। এই অবস্থায় এ ধরনের অভিযান শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই প্রশংসিত হচ্ছে। এটা সবার মুখে মুখে, যে সরকার জনগণের স্বার্থে এই বিষয়টিতে কঠোরভাবে অবস্থান নিয়েছে। এটা একটা সর্বনাশা ধ্বংসের পথ থেকে তরুণ সমাজকে ফিরিয়ে আনার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিষোদগার ছাড়া আর কি করছে? তারা এই পর্যন্ত মাদকের মতো, সন্ত্রাসের মতো, জঙ্গিবাদের মতো ঘটনা নিয়ে কখনো কোনো কথা বলেনি। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এই দেশে কোনো রাজনীতিক দল কথা বলেননি। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘাত হওয়াকে স্বাভাবিক ঘটনা উল্লেখ করে কাদের বলেন, মাদক ব্যবসা যারা করে তারা কিন্তু শক্তিশালী একটা চক্র। তাদের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে মুখোমুখি সংঘাত হতেই পারে। পরে ঢাকাস্থ নোয়াখালী সমিতির ইফতারে যোগ দেন ওবায়দুল কাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ফিলিস্তিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনি সরকার প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) ইসরাইলের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে।

এতে আইসিসির প্রসিকিউটরকে আহ্বান জানানো হয়েছে দখলকৃত ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইসরাইলি অপরাধের তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করার জন্য । খবর আল জাজিরা।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রশিদ আল-মালিকি মঙ্গলবার নেদারল্যান্ডের দ্য হেগভিত্তিক স্বাধীন আদালতে প্রসিকিউটর ফাতু বেনসুদাকে দেখা করার জন্য আসেন।

মালিকি প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য ন্যায়বিচারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। যারা চলমান, ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, নিহত ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের তামিলনাড়ুতে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হয়েছন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন। মঙ্গলবার তামিলনাড়ুর টুইটিকোরিন শহরে জেলা কালেক্টর অফিসের সামনে একটি বিক্ষোভ প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে খবর, মার্কিনভিত্তিক একটি তামার কারখানা বন্ধের দাবিতে এদিন রাস্তায় নামে কয়েক হাজার মানুষ। এরপর ১৪৪ ধারা অমান্য করে সেই মিছিল জেলা কালেক্টর কার্যালয়ের দিকে এগোতে থাকলে পুলিশ বাধা দিতে গেলেই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে গোটা চত্বর। বিক্ষোভকারীদের সাথে রীতিমতো সংষর্ষ বেধে যায় পুলিশের। এক সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে মিছিলে অংশ নেওয়া মানুষেরা ইট-পাথর ছুঁড়তে থাকে বলে অভিযোগ। কেবল তাই নয়, সরকারি গাড়ি ও সম্পত্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগও ঘটানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর বিক্ষুব্ধ মানুষকে থামাতে প্রথমে লাঠি পেটা, পরে গুলি ছুঁড়তে বাধ্য হয় পুলিশ। আর তাতেই মৃত্যু হয় ৯ জনের। আহত হয় ৩০ জনেরও বেশি মানুষ।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, ওই তামার কারখানা চালু হলে বাতাসে দূষণের মাত্র বাড়বে। ফলে সেই দূষণ থেকে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আর সেই কারণেই ওই কারখানা বন্ধের দাবিতে এদিন মিছিলে পা মেলায় কয়েক হাজার মানুষ। কারখানাটি বন্ধের দাবিতে ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন দল এআইএডিএমকে সরকারকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সক্রিয় উদ্যোগ না নেওয়ার কারণেই এদিন পথে নামতে বাধ্য হয় স্থানীয় মানুষ।

এদিকে, পুলিশের গুলিতে নিহত ও আহতদের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী ই.কে.পালানিস্বামী। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ‘এই ঘটনায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৯ জনের মৃত্যুতে আমি শোকাহত। বিক্ষোভকারীদের সহিংসতার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছিলেন… এরকম একটি অনিবার্য পরিস্থিতে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তি বাঁচাতে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না… পুলিশকে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছিল’।
যদিও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী এই ঘটনাকে ‘স্টেট স্পনসরড টেররিজম’ বলে মন্তব্য করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভেজাল দুধ উৎপাদনের দায়ে আফতাব মিল্ক বন্ধের নির্দেশ

ন্যাশনাল ডেস্ক: ভেজাল দুধ উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে আফতাব মিল্কের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বিএসটিআই। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় প্রতিষ্ঠানটির সেলস সেন্টারে অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানাসহ এই নির্দেশ দেয়া হয়।এসময় কয়েক লিটার দুধ নষ্ট করা হয়।

বিএসটিআই জানায়, আফতাব মিল্কে ভেজালের দায়ে বছর খানেক আগে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। তবে, মানের উন্নয়ন না করে, পুনরায় বিনা অনুমতিতে বাজারজাত শুরু করে আফতাব গ্রুপ কর্তৃপক্ষ। যা এখান থেকে পৌঁছে যায় রাজধানীর বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা দোকানে।

তবে, এ বিষয়ে আফতাব গ্রুপের উর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য মেলেনি। এদিকে রাজধানীর ভাটারায় অনুমোদনহীনভাবে জারের পানি বাজারজাতের অভিযোগে একটি কারখানার মালিককে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest