হায়দরাবাদকে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে ধোনির চেন্নাই

অনলাইন ডেস্ক: রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে একাদশ আইপিএলের ফাইনালে চলে গেল ধোনির দল৷ তাই বলা যায়, দুই বছরের নির্বাসন কাটিয়ে স্বমহিমায় আইপিএল মঞ্চে ফিরল চেন্নাই সুপার কিংস৷ শুক্রবার ইডেনে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার খেলতে নামবে সানরাইজার্স৷ প্রতিপক্ষ বুধবার কলকাতা-রাজস্থান ম্যাচের বিজয়ী৷

ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে মঙ্গলবার প্রথম কোয়ালিফায়ারে ১৪০ রান তাড়া করে ফাইনালের টিকিট ছিনিয়ে নিল ধোচেন্নাই৷ অল্প রান হলেও দারুণ লড়াই করেছেসানরাইজার্স বোলাররা৷ এক সময় ম্যাচ হাতের মুঠোয় নিয়ে চলে এসেছিল হায়দরাবাদ৷ কিন্তু ফ্যাফ ডু’প্লেসির দুরন্ত ব্যাটিংয়ে লড়াই জিতে রবিবার এখানেই ফাইনাল খেলতে নামবে চেন্নাই৷

এর আগে টস জিতে এদিন সানরাইজার্সকে ব্যাট করতে পাঠান সিএসকে অধিনায়ক মহন্দ্রে সিং ধোনি৷ প্রথম বলেই শিখর ধাওয়ানের স্টাম্প ছিটকে দেন দীপক চাহার৷ শুধু তাই নয়, নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় সানরাইজার্স৷ মাত্র ৬৯ রানে পাঁচ উইকেট হারায় তারা৷ শেষ দিকে একা লড়াই করে দলের স্কোর ভদ্রস্থ জায়গায় পৌঁছে দেন কার্লোস ব্রাথওয়েট৷ ২৯ বলে চার ছক্কায় ৪৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ব্রাথওয়েট৷ ক্যারিবিয়ান অল-রাউন্ডারের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত সাত উইকেটে ১৩৯ রান তোলে সানরাইজার্স৷

রশিদ খান, ভুবনেশ্বর কুমার , সিদ্ধার্থ কল, সাকিব আল হাসনের মত বোলারদের নিয়ে চলতি আইপিএলে সেরা বোলিং লাইন-আপ সানরাইজার্সের৷ কল-ভুবনেশ্বর জুটিতে প্রথম দু’ওভারেই ম্যাচ হায়দরাবাদের দিকে ঝুঁকিয়ে দেন৷ প্রথম ওভারেই ফর্মে থাকা চেন্নাই ওপেনার ওয়াটসনকে শূন্য রানে ফেরান ভুবনেশ্বর৷ পরে ২২ রানে ‘টি-টোয়েন্টির ব্র্যাডম্যান’ রায়নাকে ডাগ-আউটের রাস্তা দেখান কল৷ পরের বলেই চেন্নাইয়ে ব্যাটিং স্কোয়াডের সেরা ফর্মে থাকা রায়ডুকে আউট করে ধোনিদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেন সানরাইজর্সের এই তরুণ বোলার৷

তবে প্রথম ওভার বল করতে এসে চেন্নাইকে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা দেন সানরাইজার্সের সেরা স্পিন অস্ত্র রশিদ খান৷ আফগান স্পিনারের ভেল্কিতে ৯ রানে বোল্ড হন মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ অধিনায়ক ডাগ-আউটে ফেরার পর ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারায় চ্রন্নাই৷ একমাত্র লড়াই করেন ওপেনার ফ্যাফ ডু’প্লেসি৷ শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৭ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন ডু’প্লেসি৷ পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে অপ্রত্যাতিশ জয় এনে দেন সুপার কিংসের এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান৷ ১৯ নম্বর ওভারে তিন বলে দু’টি চারের সঙ্গে মোট নয় রান করে ধোনিদের জয়ের রাস্তা সহজ করেন শার্দুল ঠাকুর৷ শেষ ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে চেন্নাইকে ফাইনালে তোলেন ডু’প্লেসি৷

এর আগে ১০ বছরে পাঁচবার প্লে-অফের যোগ্যতা অর্জন করেছিল সিএসকে৷ এর মধ্যে মাত্র একবার ফাইনালে উঠতে পারেনি ধোনিরা৷ এ নিয়ে ছ’বারের মধ্যে পাাঁচবারই ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় নিল চেন্নাই৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ধর্ষণ ও পাচারের পৃথক দু’টি মামলায় ৩ ব্যক্তির সাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক : অপহরণের পর ধর্ষণ ও পাচারের পৃথক দু’টি মামলায় দু’ ব্যক্তির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এক ব্যক্তির ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এক জনাকীর্ণ আদালতে এসব রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আফছার আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম বাবু (৩৩), যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার উত্তর এনায়েতপুর গ্রামের মোজাম সরদারের ছেলে বেল্লাল সরদার (৪০) ও কলারোয়া উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের রুস্তুম আলী সরদারের ছেলে সিরাজুল সরদার (৪৮)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাতে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের খালেক ঢালী ও শাজাহান আলী চাকুরি দেওয়ার নামে প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে পাচারের জন্য কলারোয়া উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের সিরাজুল সরদারের বাড়িতে তিন মহিলা ও তিনজন পুরুষকে রাখা হয়। পরদিন ওই বাড়ি থেকে পুলিশ যশোর জেলার কোতোয়ালি উপজেলার গলদা গ্রামের মিনু ওরফে রিনা (২০), একই জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার ন’পাড়া গ্রামের নাজমা ওরফে দীপা (২২) একই জেলার মনিরামপুর উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের নার্গিস পারভিন ওরফে পারভিন (১৮)সহ তিনজন পুরুষকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় কলারোয়া থানার সহকারি উপপরিদর্শক আনিসুর রহমান বাদি হয়ে যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার উত্তর এনায়েতপুর গ্রামের মোজাম সরদারের ছেলে বেল্লাল সরদার(৪০), একই গ্রামের জয়নাল সরদারের ছেলে নজরুল সরদার(৪০) ও কলারোয়া উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের রুস্তুম আলী সরদারের ছেলে সিরাজুল সরদার (৪৮) এর নাম উল্লেখ করে ২০০৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কলারোয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৫(১)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০০৬ সালের ৯ ফেব্র“য়ারি এজাহারভুক্ত তিন আসামীসহ মনিরামপুরের এনায়েতপুর গ্রামের খালেক ঢালীর নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগত্র দাখিল করেন।
আটজনের সাক্ষীর জবানবন্দি ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ নারী পাচার ও পাচারে সহযোগিতা করার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিল্লাল সরদারকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাচারে সহযোগিতা করায় আসামী সিরাজুল সরদারকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা পলাতক রয়েছে।
অপরদিকে সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের একটি গ্রামের ও নুনগোলা দাখিল মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর বাড়ির পাশে কেনা আম বাগান পাহারা দিতো একই উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের আফছার আলী ও তার ছেলে আমিনুল ইসলাম বাবু। আম খাওানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাবু ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্যক্ত করতো। ২০০৭ সালের ৩ মে সকাল ৬টার দিকে ওই মাদ্রাসা ছাত্রী কোরআন শরিফ পড়ে বাড়ি ফেরার সময় ওই মাদ্রাসার সামনে থেকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায় বাবু। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে বাবুর নাম উল্লেখ করে ওই বছরের ১৭ মে সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যদিও অপহরণের পর ওই ছাত্রীকে আটক রেখে ধর্ষণ করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক খালিদ হাসান মুন্সি ওই বছরের ৩০ জুলাই বাদি এজাহারভুক্ত আসামীসহ একই গ্রামের আব্দুস সবুর, আজিজুল ও সাহেব আলীর নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৯(১)/৩০ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
১৩জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আসামী আমিনুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ সন্দোহতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামী আমিনুল ইসলাম বাবুকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় অপহরণের অভিযোগে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারামণ্ড দেন। একইসাথে ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগে তার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। দু’টি সাজা একইাসাথে চলবে বলে আদেশে বলা হয়েছে। আসামী আমিনুল ইসলাম বাবু পলাতক রয়েছে। উভয় মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. নাদিরা পারভিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌরসভার খসড়া বাজেট শীর্ষক সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন সক্ষম সাতক্ষীরা শহর উন্নয়নে অংশগ্রহণমূলক পৌর বাজেট ২০১৮-১৯ প্রণয়নে আরআইইউডি প্রকল্প জিআইজেডের সহায়তায় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্র্তক আসন্ন খসড়া বাজেট পর্যালোচনা ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করণীয় শীর্ষক শহর পর্যায়ের সমন্বয় কমিটির একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর মেয়র মোঃ তাজকিন আহমেদ চিশতী। এসময় পৌর মেয়র মোঃ তাজকিন আহমেদ বলেন পৌর-সেবাসমূহ নাগরিকদের কাছে সহজপ্রাপ্য করা, পৌরসভার কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ,পৌর সম্পদ সমূহের সুষম বন্টন ও সুষ্ঠ ব্যবহার নিশ্চিত করতে অংশগ্রহণমূলক পৌর-বাজেটের গুরুত্ব অপরিসীম। মেয়র জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে জিআইজেড বিভিন্ন কর্মসুচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাতক্ষীরা পৌরসভার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্যে জিআইজেড ও জার্মান সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি সাতক্ষীরা শহরকে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন সক্ষম একটি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে বলেন, নিউ মার্কেট থেকে রাজ্জাক পার্ক পর্যন্ত রাস্তার ডিভাইডার, রাজ্জাক পার্কের সৌন্দর্য বর্ধন, প্রাণ সায়ের খালের পাশের রাস্তার উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিকল্পনার কথা বলেন এবং বাস্তবায়নে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় সকল কাউন্সিলরগণ, টিএলসিসির অন্যান্য সকল সদস্যবৃন্দ সহ পৌরসভার সকল কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করে মতামত প্রদান করেন।সমগ্র অনুষ্টানটি পরিচালনা করেন আরআইইউডি প্রকল্প জিআইজেড’র উপদেষ্টা রতন মানিক সরকার। উল্লেখ্য গত ১৬ মে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে জিআইজেডের সহায়তায় সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক পৌর মেয়র এর সভাপতিত্বে সকল ওয়ার্ড কমিটির সদস্যদের সমন্বয়ে একটি প্রাক বাজেট সংলাপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি নিরসনে দরিদ্র এলাকা/বস্তি ভিত্তিক জলবায়ুপরিবর্তন অভিযোজনে অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের গনেশপুর, মিনহাজকাটী, রঘুরামপুর, তেঘরিয়া, উচ্ছেপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে বিদ্যুতের খুঁটি, তার ও মিটার বসানোর নাম করে এলাকার নিরীহ গরীব অসহায় মানুষদের কাছ থেকে হতে প্রায় ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই চাঁদা আদায়ের সঙ্গে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমাতসীন দলের কতিপয় দূর্ণীতিবাজ নেতা কর্মী ছাড়া বিদ্যুৎ অফিসের কতিপয় দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তা জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ।
গত পহেলা এপ্রিল এলাকাবাসীর পক্ষে সফিকুল ইসলামের সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাটকেলঘাটা জেনারেল ম্যানেজার বরাবর অভিযোগ থেকে জানা যায়, দেশ স্বাধীনের পর হইতে কালিগঞ্জ উপজেলার অবহেলিত ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের গনেশপুর, মিনাজকাটী, তেঘরিয়া, রঘুরামপুর উচ্ছেপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামে আজও পর্যন্ত বিদ্যুৎ পৌছাইনি। ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম,শওকত হোসেনের নির্দেশে ইউপি সদস্য আব্দুর রব, খায়রুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা লতিফুর রহমান লাভলু, মেহেদী হাসান, শাহাদাৎ হোসেন, শাহা নেওয়াজ মাষ্টারের নেতৃত্বে এলাকার অত্র ৫-৬ গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবারের কাছ থেকে বিদ্যুৎ দেওয়ার নাম করে খুঁটি, তার ও মিটারের নাম করে পরিবার প্রতি দুই বছর আগে থেকে মিটার প্রতি দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
গনেশপুর গ্রামের আনছার গাজীর কাছ থেকে রবিউল ইসলাম, সালাউদ্দিন, গনি সরদার, আলী শেখ ও শাজাহান আলী তিন হাজার, নেছার মোড়ল চার হাজার, রফু মোড়ল চার হাজার, গণি সরদার তিন হাজার, রহিমা খাতুন, মুনজুর গাজী, সিদ্দিক গাজী, নুর মোহাম্মাদ, দাউদ আলী, বসু গাজী, খোকন গাজী, জহুরা খাতুন দু’ হাজার টাকা , জোবাহার আলী মোড়ল ও অজেদ সরদার পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন।
দুই বছর আগে টাকা নিলেও এই পর্যন্ত চেয়ারম্যান বা মেম্বররা বিদ্যুৎ এর জন্য কিছুই করেননি। বরং ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ঘোষনার পর হইতে এলাকায় ইতি মধ্যে বিদ্যুতের খুঁটি, তার ও মিটার বসানো সম্পন্ন হয়েছে।
এ ব্যাপারে ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী শওকত হোসেনের নিকট জিজ্ঞাসা করলে তিনি অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে জানান। তবে মেম্বর খায়রুল ইসলাম টাকা উঠানোর বিষয়টি স্বীকার করে বলেন ৫০ হাজার টাকা আমার কাছে দেওয়ায় আমি সেটা সাথে সাথে চেয়ারম্যানের নিকট দিয়ে দিয়েছি। মেম্বর আব্দুর রব টাকা উঠানোর কথা স্বীকার করে বলেন চেয়ারম্যানের নির্দেশে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মত বিদ্যুৎ অফিসে দেওয়া হয়েছে। তবে যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান জানান চেয়ারম্যান এবং মেম্বরের নির্দেশে বিদ্যুতের খুঁটি, মিটার এবং তারের জন্য খরচ বাবদ টাকা উঠাতে বললে আমি ৫০ হাজার টাকা উঠাইয়ে মেম্বর খায়রুলের নিকট জমা দিয়েছেন।
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুত সমিতি কালিগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম আবু আশরাফ মোঃ সালেহ বলেন, নতুন যোগদান করায় এ সম্পর্কে তার কোন ধারণা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরাস্থল বন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোমরা স্থল বন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং ১১৫৯) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ২২ মে ২০১৮ তারিখ দুপুরে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আনারুল ইসলাম মৃধা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, গত ১২ মে ভোমরা স্থল বন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং ১১৫৯) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে সভাপতি পদে চেয়ার প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আনারুল ইসলাম মৃধা। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জাকির হোসেন নিজের ইচ্ছামত ৪টি বুথ তৈরি করেন। একটি বুথে পুলিং এজেন্ট নেন। বাকী বুথে পুলিং এজেন্ট নেননি এবং আনারুল ইসলাম মৃধাকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন। ভোট গননার সময় আনারুল ইসলাম মৃধা উপস্থিত ছিলেন না এবং কত ভোট কাস্ট হয়েছে ও কে কত ভোট পেয়েছে তার কোন রেজাল্টশীটও তিনি দেননি। পরিচালনা কমিটির সভাপতি তার পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য এধরনের কাজ করেছেন বলে ওই অভিযোগে উল্লেখ করেছেন আনারুল ইসলাম মৃধা। তিনি নতুন কমিটি শপথ গ্রহন বন্ধ রেখে ভোট কারচুপির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন জেলা প্রশাসকের কাছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্লুগোল্ড কর্মসূচির আওতায় প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের মাঠ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্লুগোল্ড কর্মসূচির আওতায় কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের আওতায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে চেলারডাঙ্গা মোড়ে দরবাস্তিয়া ও মেল্লেকপাড়া ডিএই ব্লুগোল্ড কৃষক মাঠ স্কুলে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। ট্রান্সফার অব টেকনোলজি ফর এগ্রিকালচারাল প্রোডাকশন আন্ডার ব্লুগোল্ড প্রোগ্রাম (ডিএই-কম্পোনেন্ট) ও সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রশিদ, ত্রাণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রঘুজিৎ গুহ, বিশ্বজিৎ দাস, সুমন সাহা, নীল কণ্ঠ সরকার প্রমুখ। মাঠ দিবসে ব্লুগোল্ড স্কুলে ভালো ফলাফলের জন্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্লুগোল্ড স্কুলে কৃষকদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সঠিক পদ্ধতিতে ফলের চারা রোপন, বিষমুক্ত ধান উৎপাদন, বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন বিষয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, এক সময় কৃষকদের সারের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থাকতো হতো। অনেকে সারাদিন দাড়িয়ে থেকে সার না পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। সারের জন্য জীবনও দিতে হয়েছে অনেকের। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আর কোন কৃষককে সারের জন্য হয়রানি হতে হয় না। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে গেছে। কৃষক নির্বিঘেœ পানি উত্তোলন করে ফসল ফলাতে পারছে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে শুধু রাস্তা,ঘাট,স্কুল কলেজের উন্নয়ন হয় না কৃষকদের ও উন্নয়ন হয়। কৃষকরা শান্তিতে থাকে। সুতরাং এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকায় ভরসা রাখার আহ্বান জানান।

২৩.৫.২০১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অকালে চলে গেলেন অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: অবশেষে হার্ট অ্যাটাক করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হার্ট অ্যাটাক করলে দ্রুত তাকে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় ৪টা ৩৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাজিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম। তিনি বলেন, ‌‘আমরা ৩টার দিকে খবরটি পেয়েছি তাজিন আহমেদ হার্ট অ্যাটাক করেছেন। যখন তার হার্ট অ্যাটাক হয় তখন বাসায় কেবলমাত্র একজন মেকাপ আর্টিস্ট ছিলেন। উনি তাজিনের সঙ্গেই থাকতেন। তিনিই তাজিনকে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার অবস্থা খুবই মুমূর্ষু ছিল।’

নাসিম আরও জানান, ‘তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। আমাদের সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তাজিন। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।’

তিনি আরও জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত তাজিন আহমেদের মরদেহ উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালেই রাখা হবে। ইফতারের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে তার মরদেহ কখন, কোথায় জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

এরই মধ্যে তাজিনের আত্মীয়দের খবর দেয়া হয়েছে। আর প্রিয় সহকর্মীর মৃত্যুর খবর পেয়েই শিল্পীরা ছুটে আসছেন তাজিনকে দেখতে। এই মুহূর্তে হাসপাতলে নাসিম ছাড়াও তাজিনের পাশে রয়েছেন রওনক হাসান, জাকিয়া বারী মম, হুমায়রা হিমু ও আরও অনেকে।

নাসিম বলেন, ‘তাজিন অনেকদিন ধরেই একা বসবাস করে আসছেন। তার সঙ্গে একজন মেকাপ আর্টিস্ট থাকেন। তিনি তাজিনের দেখাশোনা করতেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এমনটা আগে শুনিনি। হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যুু একেবারে হতবাক করে দিয়েছে আমাদের। দেশবাসীর কাছে তাজিনের বিদেহি আত্মার জন্য দোয়া চাই।’

প্রসঙ্গত, বিটিভির সোনালি দিনগুলোতে তাজিন আহমেদের উত্থান। জাহিদ হাসান, আজিজুল হাকিম, আজাদ আবুল কালাম, তৌকীর আহমেদ, টনি ডায়েসদের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিতই তিনি হাজির হতেন টিভি দর্শকদের সামনে। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিংয়েও সুনাম কামিয়েছেন তিনি। খুব ভালো তাজিন আহমেদের লেখার হাতও। অনেকদিন যুক্ত ছিলেন সাংবাদিকতার সঙ্গে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাজ শুরুর আগেই ব্যয় বাড়ল পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের

ন্যাশনাল ডেস্ক: পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ল ৪ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। যদিও প্রকল্পর মূল কাজ এখনও শুরুই হয়নি। ব্যয় বৃদ্ধির এই টাকা বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে। অন্যদিকে চীনের ঋণ সহায়তা কমেছে। এতে প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়াল ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের মূল বরাদ্দ ছিল ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটা টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সভায় প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকাল বাড়নো হয়েছে আরও দুই বছর।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে আসবে ১৮ হাজার ২২১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। যা আগে ছিল ১০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। এ হিসাবে জিওবি থেকে বরাদ্দ বাড়ল ৭ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে মোট ব্যয়ের মধ্যে ২১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা চায়না সরকারের জি টু জি পদ্ধিতে অাসবে। মূল প্রকল্প বরাদ্দ ছিল ২৪ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। এ হিসাবে এ প্রকল্পে বৈদেশিক সহায়তা কমলো ৩ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা। এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই চীনের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে।

বৈদেশিক সহায়তা কমার বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের ব্যয় বাড়ার অন্যতম কারণ হলো ভূমি অধিগ্রহণ। মূল দামের চেয়ে তিনগুণ বেশি দামে এই ভূমি অধিগ্রহণ করতে হচ্ছে- যাতে চীন রাজি হয়নি। তাই দেশীয় অর্থেই এই ব্যয় মেটানো হচ্ছে।

জানা গেছে, মূল এখনও কাজ শুরু হয়নি। শুধু ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন কাজ চলছে। এর ফলেই বাড়ছে সময় ও ব্যয়। রাজধানী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ১৬৯ কিলোমিটার নতুন রেলপথটি যশোরে মিলিত হবে। এর নির্মাণে ৪ হাজার ২৬৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ৩ মে পদ্মা সেতু হয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে নতুন রেলওয়ে স্থাপনের লক্ষ্যে ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছিল একনেক সভায়।

জানুয়ারি ২০১৬ থেকে জুন ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলে সময় বাড়ছে জুন ২০২৪ সাল পর্যন্ত। ফলে সময়ও বাড়ছে দুই বছর।

প্রকল্পের জন্য ৮৬ একর অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ খাতে ৩ হাজার ৩৭১ কোটি ৬৬ লাখ ব্যয় বাড়ছে। এছাড়া বেতন ও ভাতা খাতে ১২ কোটি ৯৮ লাখ, প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটের অন্যান্য ইনপুটের ব্যয় ১৩১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং একই সঙ্গে রেলপথ নির্মাণ খাতে ৯৫৯ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ছে। এই কাজগুলো বাড়তি বাস্তবায়ন করতে হবে বলেই ৪ হাজার ২৬৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত লাগবে। একই সঙ্গে আরও দুই বছর বাড়তি সময় লাগবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest