সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবকে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের শুভেচ্ছাদেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলনদেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণঅস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটকনবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছাদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলাআশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনউন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

খুলনায় ‘মাদক সম্রাজ্ঞী দুই বোন জানু ও হোসনে আরা আটক

খুলনা ডেস্ক: খুলনায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ খ্যাত দুই মাদক সম্রাজ্ঞী জাহানারা বেগম জানু (৫০) ও হোসনে আরাকে (৪৭) আটক করেছে র‌্যাব। তবে তাদের বড় বোন লুৎফুন্নেসা ওরফে লুতুকে আটক করা যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা র‌্যাব-৬ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের আটকের তথ্য জানান র‌্যাবের স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার মো. এনায়েত হোসেন মান্নান।

র‌্যাব জানিয়েছে, বিগত ২০/২২ বছর ধরে এই তিন বোন ও তাদের পরিবার মাদক ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। তারা নগরীর সোনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও গাঁজা পাইকারি হিসেবে চালান দিতো। মাদক ব্যবসায় অপ্রতিরোধ্য বলে এই তিন বোন এলাকায় ‘থ্রি-সিস্টার্স’ নামে পরিচিত। এর মধ্যে জাহানারার বিরুদ্ধে নগরীর খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা, বটিয়াঘাটা ও হরিণটানা থানায় ৮টি ও হোসনে আরার বিরুদ্ধে ৬টি মাদকের মামলা রয়েছে।

এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, সোমবার রাতে আড়ংঘাটা পূর্ব বিল পাবলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাহানারা ও হোসনে আরাকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫১০ গ্রাম গাঁজা ও ৪৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আড়ংঘাটা থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯ (১) এর ৭ (ক) ও ৯ (ক) ধারায় মামলা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশের কতিপয় সদস্যের সাথে আঁতাত করে এই চক্রটি খুলনায় মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করতো। তাদের কাছে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপাল ভাঁড় আসলে কে?

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: যে মানুষটির নাম শুনলেই অনেকে হেসে ফেলে। হাসতে হাসতে অনেকের আজও পেটে খিল ধরে যায়। যার কথা শুনলেই মনে পড়ে উদ্ভট কীর্তিকলাপ আর তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কথা। সেই সাথে মনে পড়ে ষড়যন্ত্রের রহস্য উদঘাটন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তার বিভিন্ন চোরাগোপ্তা অন্তর্ঘাতের কথা। সেই গোপাল ভাঁড় বলে কি সত্যিই কেউ ছিলেন?

তার সম্পর্কে বাঙ্গালির আগ্রহের শেষ নেই। যেই মানুষটা এতটা চালাক আর রহস্যময়ী আসলেই মানুষটা কে? এই প্রশ্নটা গোপাল ভাঁড় ভক্তদের মনে সবসময়ই আগ্রহই রয়ে গেছে। গোপাল ভাঁড় কি শুধুই গল্প কাহিনি? না তার কোন বাস্তব চিত্র রয়েছে? এ সম্পর্কে ঐতিহাসিকরাও সঠিক কোন তথ্য দিতে পারে নি।

তবে মানুষের ধারণা আর অনুমান বলে। গোপাল ভাঁড় আসলেও একজন বাস্তবেই ছিলেন। যিনি কি না ছিলেন নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভার একজন পরিহাসকারী। যার কাজ ছিল সভাকে প্রানবন্ত রাখা। এমনটাই ধারণা করেন অনেকে।

আবার অনেকে বলেন, গোপাল নামে কেউ-ই ছিলেন না, কিন্তু কৃষ্ণচন্দ্রের সভায় ছিলেন অতি সুচতুর একাধিক ব্যক্তি। তাঁদের সম্মিলিত রূপই মানুষের কাছে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে গোপাল ভাঁড় হিসেবে।

তবে এই বিতর্কের মাঝেই নগেন্দ্রনাথ দাস নামের এক ব্যাক্তি নিজেকে গোপাল ভাঁড়ের বংশধর বলে দাবি করে বসেন। এবং ‘নবদ্বীপ-কাহিনী বা মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র ও গোপাল ভাঁড়’ নামে একটি বইও লিখে ফেলেন তিনি।

এই বইয়ে নগেন্দ্রনাথ দাস দাবি করেন, ‘ভাঁড়’ নয়, গোপালের পদবি ছিল ‘নাই’। তাঁর দাদা ছিলেন ‘আনন্দরাম নাই নামে এক পরম তান্ত্রিক সাধক।’ আর গোপালের বাবা দুলালচন্দ্র নাই, পেশায় ছিলেন নাপিত। তবে, গোপালের বুদ্ধিতে মুগ্ধ হয়েই নদিয়ারাজ তাঁকে সভার অন্যতম রত্ন হিসেবে স্থান দেন। তখন গোপালের উপাধি হয় ‘ভাণ্ডারী’। ‘ভাণ্ডারী’ থেকে অপভ্রংশেই ‘ভাঁড়’ গোপাল ভাঁড়!

সে আরও দাবি করেন, কোনও পুত্রসন্তান না থাকলেও গোপাল ভাঁড়ের একটি মেয়ে ছিল। তাঁর নাম ‘রাধারাণী’। গোপাল ভাঁড়ের বংশ লতিকাও তিনি এই বইয়ে রেখেছেন।
নগেন্দ্রনাথের বক্তব্য, তিনি গোপালের ভাই কল্যাণের উত্তরসূরি। সেই অর্থে গোপালের একমাত্র বংশধর। তবে এই মত যে সব ঐতিহাসিক সন্দেহাতীত ভাবে মেনে নিচ্ছেন, তা বলা যায় না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিমানবাহিনীর নতুন প্রধান মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত

ন্যাশনাল ডেস্ক: এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতকে এয়ার মার্শাল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে বিমানবাহিনীর প্রধান নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

মাসিহুজ্জামানকে আগামী তিন বছরের জন্য ওই পদে নিয়োগ দিয়ে সোমবার আদেশ জারি করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, যা ১২ জুন থেকে কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতকে এয়ার মার্শাল পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরারের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাতের জীবনবৃত্তান্ত :

এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত ১৯৬২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৬ মার্চ ১৯৮০ তারিখে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী একাডেমিতে ফ্লাইট ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯ জুন ১৯৮২ তারিখে জিডি(পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন। এভিএম মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত একজন ফাইটার পাইলট এবং কোয়ালিফাইড ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর। একজন পেশাদার সুদক্ষ বৈমানিক হিসেবে তিনি পিটি-৬, ফুগা, এফ-৬, এফ-৭, এফ-৭বিজি, এফ-৭এমবি, এ-৫, মিগ-২৯, ইয়াক-১৩০ এবং সু-৩০ এমকেআই(এ) বিমান উড্ডয়ন করেছেন। তিনি মিগ-২৯ ফাইটার স্কোয়াড্রনের প্রথম কমান্ডারের দায়িত্ব পালনসহ বিমানবাহিনীর তিনটি ফাইটার স্কোয়াড্রনের অধিনায়ক হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

এই কর্মকর্তা সামরিক বাহিনীর দীর্ঘ চাকরিজীবনে দেশে ও বিদেশে পেশাগত বিভিন্ন কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৬ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুর থেকে এয়ার স্টাফ কোর্স, ১৯৯৭ সালে রয়্যাল মালয়েশিয়ান আর্মড ফোর্সেস স্টাফ কলেজ হতে দ্বিতীয় স্টাফ কোর্স এবং ২০০৬ সালে চীনের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি হতে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বিমানবাহিনীর বিভিন্ন কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুরে ডাইরেক্টিং স্টাফ এবং সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (এয়ার), বিমান সদরের বিমান প্রশিক্ষণ পরিদপ্তর, বিমান পরিচালন পরিদপ্তর, পরিকল্পনা পরিদপ্তরের পরিচালক এবং বিমান সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটির অধিনায়ক, বিমানবাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুর এয়ার অধিনায়ক এবং সহকারী বিমানবাহিনী প্রধান (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে পালন করেছেন। পেশাগত জীবনে কর্মদক্ষতা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘বিমানবাহিনী পদক’ ও ‘অসামান্য সেবা পদক’ লাভ করেন।

এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত পেশাগত কারণে বুলগেরিয়া, চীন, চেক প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো, জর্জিয়া, ভারত, সৌদি আরব, লাইবেরিয়া, মালয়েশিয়া, মালি, পাকিস্তান, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউক্রেনসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন।

বিমানবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগের পূর্বে তিনি সহকারী বিমানবাহিনীর প্রধানের (পরিচালন) দায়িত্ব পালনরত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি বিনষ্ট ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির কাদাকাটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে পুশকৃত বাগদা চিংড়ি বিনষ্ট ও চিংড়িতে অপদ্রব পুশের কারণে এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলার কাদাকাটি বাজার মৎস্য সেটে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত। এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাথে ছিলেন।
জানা গেছে, বছরের প্রথম থেকে কাদাকাটি বাজার মৎস্য সেটে বাগদা চিংড়িতে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির তরল পদার্থ পুশ করে আসছিলো কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। একাধিক মৎস্য ব্যবসায়ীর বক্তব্য তারা স্থানীয় জনৈক ব্যক্তিকে মাসিক টাকা দিতেন প্রশাসনকে ম্যানেজ করার জন্য। মঙ্গলবার সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী গফ্ফার শেখের পুত্র শিমুল শেখকে পুশকৃত ২৫ কেজি বাগদাসহ আটক করা হয়। পরে ২৫ কেজি মাছের মধ্যে কিছু মাছ গাড়ির চাকার তলায় দিয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং মৎস্য ব্যবসায়ী শিমুল শেখকে ২০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজাবে রহমত জানান, কাদাকাটি বাজার মৎস্য সেটে অভিযান চালিয়ে পুশকৃত ২৫ কেজি বাগদাসহ মৎস্য ব্যবসায়ী শিমুল শেখকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে পুশকৃত ২৫ কেজি বাগদা বিনষ্ট ও শিমুল শেখকে ২০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে এক যু্বকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জে গলায় দড়ি দেয়া এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের সংবাদ পাওয়া গেছে। সে উপজেলার মৌতলা গ্রামের আব্দুর রউফ শেখের পুত্র আল মামুন (২৩)। মঙ্গলবার (৫ জুন) সকালে পুকুর পাড়ে গাবগাছ থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মৌতলা ইউপির গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।
পরিবার ও স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে, আল মামুন পিতা মাতার সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারাদেশে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

অনলাইন ডেস্ক: সারাদেশে বিছিন্নভাবে বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহওয়া অধিদফতর। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিরিক্ত প্রোটিন পুরুষদের হার্টের ক্ষতি করে

স্বাস্থ্য ডেস্ক: অতিরিক্ত প্রোটিনে মধ্যবয়সি পুরুষদের হার্ট ফেইলিয়রের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে স্বস্তির খবর হল এটাই, মাছ বা ডিম থেকে যে প্রোটিন আমরা পাই, তা হার্টের ক্ষতি করে না বলেই আশ্বস্ত করছে ইউনিভার্সিটি অফ ইস্টার্ন ফিনল্যান্ডের এক দল গবেষক।

তারা জানান, পরীক্ষায় তারা নিশ্চিত হয়েছেন, অতিরিক্ত প্রোটিন পুরুষদের হার্টের ক্ষতি করছে। বিশেষত মধ্যবয়সি পুরুষদের। এই গবেষকদলটি প্রোটিন খেতে কখনোই নিষেধ করেনি। তাদের উপদেশ, বয়স বাড়ার সঙ্গে খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের পরিমাণ কমিয়ে আনুন। উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন।

গবেষক দলের অন্যতম জিরকি ভিরতানেন বলেন, অনেকেই স্বাস্থ্যের কথা ভেবে উচ্চপ্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গুরুত্ব দেন। কিন্তু, পুরুষদের জেনে রাখা উচিত উচ্চ প্রোটিনের ক্ষতিকারক দিক রয়েছে।

৪২ থেকে ৬০-এর মধ্যে বয়স এমন ২,৪৪১ পুরুষের উপর ২২ বছর ধরে এই গবেষণা চলে। এর মধ্যে ৩৩৪ জনের হার্ট ফেলিওর ধরা পড়ে। গবেষকরা জানাচ্ছেন, এদের খাদ্যতালিকায় প্রাণীজ প্রোটিন থাকত ৭০ শতাংশ, ২৭.৭ শতাংশ প্রোটিনের উৎস উদ্ভিজ।

চারটে ভাগে এই গবেষণা চালানো হয়। একদলকে সবরকম প্রোটিন দেওয়া হয়েছিল। দেখা গেছে, তাদের ক্ষেত্রে হার্ট ফেইলিয়রের ঝুঁকি ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। প্রাণীজ প্রোটিনে ঝুঁকি বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। উদ্ভিজ প্রোটিনে ঝুঁকি সবথেকে কম, ১৭ শতাংশ। তবে, ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দুগ্ধজাত খাবারে।

সাম্প্রতিক আরও একটি গবেষণাতেও দাবি করা হয়েছে, প্রাণিজ প্রোটিন বেশি খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের আশঙ্কা বাড়ে। এমনকি মৃত্যুও ত্বরাণ্বিত করে প্রাণীজ প্রোটিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইফতারে পেয়ারার শরবত

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ইফতারে তাজা ফলের শরবত রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। তাই ইফতারে রেসিপিতে রাখতে পারেন পেয়ারার শরবত।

বড় সাইজের কাজী পেয়ারা সারা বছরই পাওয়া যায়। তাই ঘরেই তৈরি করতে পারেন পেয়ারার শরবত। খেতে দারুণ সুস্বাদু এই শরবত সারাদিনের রোজার শেষে দেবে প্রশান্তি। আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন পেয়ারার শরবত-

উপকরণ
বড় পেয়ারা- ২টি, চিনি- এক কাপ, পুদিনা পাতা- ১ মুঠো, ১টি লেবুর রস, মধু- ১টেবিল চামচ, ঠান্ডা পানি, আইস কিউব, লবণ স্বাদমতো, কাঁচামরিচ- ১টি।

প্রণালি
পেয়ারা কেটে ভেতরের বীজ ফেলে দিন। ছোট টুকরো করে একটি বোলে নিয়ে চিনি নিয়ে মাখিয়ে ৫ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন চিনি গলে মেশা না পর্যন্ত।

১ ঘণ্টা পর পর নেড়ে দিতে হবে চামচ দিয়ে। এবার তাতে লেবুর রস, কাঁচামরিচ, মধু ও পুদিনা পাতা মেশান ভালো করে। ব্লেন্ডারে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন পানি ছাড়া।

ছেঁকে একটি বোলে রসটি নিন। খুব ঘন হবে এটি, যা আপনি ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

এবার একটি ছোট গ্লাসে ২টি আইস কিউব ও ২-৩ টেবিল চামচ এই ঘন রসটি নিয়ে তাতে ঠাণ্ডা পানি ঢেলে ভালো করে মেশান এবং ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest