সর্বশেষ সংবাদ-
বল্লী মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধনশাখরা কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গঠনসাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ : ডিসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশকালীগঞ্জে তাঁতীদলের বিক্ষোভ মিছিলহাওয়ালখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের নিয়ে পিআইবির তিনদিনব্যাপি প্রশিক্ষণ শুরুনিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ কর্মীদের প্রতিহত করতে সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের মোটর সাইকেল শোডাউনসাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের জেলা কমিটি গঠনএবার সাতক্ষীরায় ২লক্ষ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবেতালায় খাল সংস্কার, পাইপ স্থাপন ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের উদ্বোধন

দেবহাটায় ৪০ পিচ ইয়াবাসহ এক মহিলা আটক

কে.এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ইয়াবা সহ মহিলা আটক হয়েছে। আটককৃতের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। আটককৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, শনিবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবহাটা থানার ওসি কাজী কামাল হোসেনের নির্দেশনা মোতাবেক এসআই ইয়ামিন, এসআই উজ্জ্বল কুমার দত্ত ও এসআই রাজিব কুমার রায়ের নেতৃত্বে এএসআই আব্দুল গনি, এএসআই স্বরজিৎ কুমার ও এএসআই শামীম হোসেন সহ একদল পুলিশ ফোর্স উপজেলার মাঝ পারুলিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার বাবলা দত্ত বাড়ি এলাকার মৃত রবিউল ইসলামের স্ত্রী রানু বেগম (৫০) কে ৪০ পিচ ইয়াবা সহ আটক করেন। এ ব্যাপারে এসআই রাজিব কুমার রায় বাদী হয়ে আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং- ০৯। আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ সাতক্ষীরা থেকে প্রথম দফায় ৪ মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে গাছ থেকে পাকা আম পাড়া। নানা জাতের বাহারি আমে ছেয়ে গেছে সাতক্ষীরার বাগান।
চাষীরা এবারও বিষমুক্ত ও বালাইমুক্ত আম উৎপাদন করেছেন। দেশের চাহিদা মিটিয়েও বিদেশে সাতক্ষীরার মিষ্টি আমের চাহিদা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে বাজারে উঠছে সাতক্ষীরার হিমসাগর জাতের আম। এরপরই আসছে ল্যাংড়া ও আ¤্রপালি জাতের আম।
শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহযোগ্য বালাইমুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন ও বিপণন শীর্ষক এক কর্মশালায় এই তথ্য প্রকাশ করেন আয়োজকরা। তারা বলেন, এবার সাতক্ষীরার ৪১ শ’ হেক্টর জমিতে আমচাষ হয়েছে। এর থেকে উৎপাদন পাওয়া যাবে ৪০ হাজার মেট্রিক টন। আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে সাতক্ষীরা থেকে মোট ২০০ মেট্রিক টন বিষ ও বালাইমুক্ত নিরাপদ আম রফতানি হবে। প্রথম দফায় আজ এ জেলা থেকে ৪ মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানী করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মহসীন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন, উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ পরিচালক মো. আজহার আলি, অতিরিক্ত পরিচালক নিত্যরঞ্জন বিশ্বাস, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কৃষিবিদ মো. আনোয়ার হোসেন, সাতক্ষীরা কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী আবদুল মান্নান প্রমূখ।
পরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রক্ষ্মরাজপুর ইউনিয়নের বড়খামারে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহযোগ্য বালাইমুক্ত নিরাপদ আম রপ্তানির লক্ষে গাছ থেকে হিমসাগর জাতের পাকা আম সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মহসীন। এ সময় তিনি বলেন, সাতক্ষীরার আম স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয়। বিশ্বের বাজারে এর চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন চাষীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে রফতানিযোগ্য আম উৎপাদনে কৃষি বিভিাগ ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সহায়তা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বালাইমুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন ও বিপণন বিষয়ক কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহযোগ্য বালাইমুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন ও বিপণন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকালে সদর উপজেলা মিলনায়তনে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকা মহাপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ মহাসীন। এসময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের আমের রাজ্য সাতক্ষীরা। দেশে ও বিদেশে চিংড়ির পাশা পাশি আমে যে সুনাম অর্জন করেছে এটা ধরে রাখতে হবে। সাতক্ষীরার আম দেশ ও দেশের বাহিরে আমের চাইতে বেশি সুস্বাদু ও মিষ্টি এবং বিভিন্ন প্রজাতির হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার আমের চাহিদা অনেক বেশি। সঠিক সময়ে এবং বালাই কীটনাশকমুক্ত আম উৎপাদন করতে হবে আম চাষীদের।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ কাজী আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকা উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং, পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. আজহার আলী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক নিত্যরঞ্জন বিশ^াস, সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকা কৃষিবিদ আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সলিডারিডাড এর কান্ট্রি ম্যানেজার সেলিম রেজা হাসান, উত্তণের পরিচালক শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কহিনুর ইসলাম, উপসহকারি কৃষি অফিসার রঘুজিৎ গুহ, আম রপ্তানীকারক মো. আবুল হোসেন, আম চাষী শিখা রাণী, শাহীন বিশ^াস প্রমুখ। কর্মশালায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহযোগ্য বালাইমুক্ত নিরাপদ আম উৎপাদন ও বিপণন বিষয় উপাস্থাপন করেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আমজাদ হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কালিগজ্ঞ উপজেলা কৃষি অফিসার ফজলুল হক মনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমি আর সুস্থ হব না -অবর্ণনীয় যন্ত্রণা নিয়ে মুক্তামনি

নিজস্ব প্রতিবেদক: “আমি আর সুস্থ হব না। ডাক্তার স্যাররা অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আমাকে সুস্থ করতে পারেননি। জানি না কতদিন এভাবে বেঁচে থাকব আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।” কান্নাজড়ানো কণ্ঠে কথাগুলো বলছিল সাতক্ষীরার সেই মুক্তামনি। যার চিকিৎসা নিয়ে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল, দায়িত্ব নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়ার সময় মুক্তার হাতে টাইট ব্যান্ডেজ করে দেয়া হয়েছিল। এটা মাঝে মাঝে খুলে পরিষ্কার করার নিয়মও দেখিয়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। এখন দুইদিন পর পর পরিষ্কার না করলে হাতটিতে দুর্গন্ধ হয় আবার বেশিক্ষণ খুলে রাখলেও হাত অনেক ফুলে যায়। মনে হয় পুরো হাতটি পচে গেছে। আমরা মুক্তামনির আশা ছেড়ে দিয়েছি। এখন আল্লাহ ভরসা।’ কথাগুলো বলছিলেন মুক্তামনির বাবা ইব্রাহিম গাজী।
তিনি আরও বলেন, ডাক্তারদের চেষ্টা আর আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না। প্রধানমন্ত্রীও মুক্তার ব্যাপারে খোঁজ নিয়েছেন। সবাই আমার মেয়েকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছেন। এতে দুনিয়ার মানুষের আর কোনো হাত নেই।

এদিকে নিয়মিত মুক্তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক ডা. সামন্ত লাল সেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুক্তার ছবিও দেখছেন তারা। ছবি দেখে হাতের অবস্থা খারাপ বলে জানিয়েছেন সেখানকার চিকিৎসকরা।

মুক্তামনির হাত আগের থেকে অনেক ফুলে গেছে। ব্যান্ডেজ খুলে পরিষ্কার করার সময় হাত থেকে বেরিয়ে আসছে বড় বড় পোকা। তার সুস্থতার ভরসা রাখতে পারছেন না চিকিৎসকরাও। চিকিৎসকের নির্দেশমতো বন্ধ আছে সব ধরনের ওষুধ সেবন। হাতটি কয়েকগুণ ফুলে যাওয়ায় দুই-এক ঘণ্টা ছাড়া সারাদিনই শুয়ে থাকতে হয় তাকে। দুর্গন্ধ বেড়েছে অনেক বেশি। রোগের বিস্তার এখন হাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বুক, পেট আর পায়েও ছড়িয়ে গেছে।

২০১৭ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে আসা হয় মুক্তামনিকে। প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়ার পর তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়ারও উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে সেখানকার চিকিৎসকরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুক্তামনির হাত দেখে আঁতকে ওঠেন। একইসঙ্গে হাত অপারেশনের জন্য অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা দেশেই অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কয়েক দফা অপারেশনও করেন। তবে হাতের কোনো পরিবর্তন আনতে পারেননি।

অবশেষে দীর্ঘ ৬ মাস চিকিৎসা সেবার পর এক মাসের ছুটিতে বাড়িতে আসে মুক্তামনি। তবে পরবর্তীতে মুক্তামনি আর ঢাকায় যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। একইসঙ্গে মুক্তামনির অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় ঢাকায় যেতে নিরুৎসাহী হয়ে পড়ে তার পরিবারও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফিরছে দেশের বিখ্যাত ব্যান্ড বিপ্লবের ‘প্রমিথিউস’

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড দলগুলোর মধ্যে ‘প্রমিথিউস’ একটি। এই ব্যান্ডের গান শুনেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। তবে অনেক দিন থেকেই আলোচনার বাইরে এই ব্যান্ড। নতুন গান প্রকাশ নেই, কোনো স্টেজ পারফর্মও নেই তাদের। কিন্তু ভক্তরা তো আছেন। ইউটিউবে ভেসে বেড়ানো প্রমিথিউসের কোনো গান সামনে এলেই শুনে নেন। নস্টালজিয়ায় ভেসে যান।

মনে পড়ে যায় ব্যান্ড দলটির সোনালি সময়ের কথা। নিত্যনতুন ধাঁচের গান আর অভিনব স্টাইলের বাহারি সাজে হাজির হয়ে ব্যান্ডটির দল-প্রধান ও ভোকাল বিপ্লব মাতিয়ে দিতেন ভক্তদের। শুধু গানের জগতে নয়, নিজেকে তিনি প্রমাণ করেছেন অভিনয়েও। তবে অভিনয়টা তিনি করতেন শখে। শুধু তাই নয়, অনলাইন অডিও প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতে কাজ করে গেছেন এই শিল্পী। এই গানটাকে বাঁচিয়ে রাখতে বেশ কষ্ট করেছিলেন বিপ্লব।

তিনি বলেন, ‘যদি এই ইন্ডাস্ট্রি না বাঁচে আমরা বাঁচব কী করে। আমাদের আধুনিকতাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আর এ জন্য আমার এই ছোট্ট প্রয়াস।’

সবকিছু ঠিক আছে, কিন্তু হঠাৎ করেই জীবনের প্রয়োজনে বুঝি ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছেন তারা। ব্যান্ডটির ভোকাল বিপ্লব পাড়ি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। নতুন গান নিয়ে আসব আসছি করে আসা হয়নি অনেক দিন। প্রিয় ব্যান্ডটি কি হারিয়ে গেছে? আর কখনো কি স্টেজে হাজির হবেন না তারা? নানা প্রশ্ন ঘুরেফিরে বেড়াচ্ছে চারদিকে। ঠিক এমন সময় হঠাৎ করেই ফিরছেন বলে আভাস দিলেন বিপ্লব।

বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক ওয়ালে জানান দিলেন হারিয়ে যাননি তারা। বিপ্লব ভক্তদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, ‘নিন্দুকের কথায় ‘প্রমিথিউস’র কিছু আসে-যায় না। চিন্তা করবেন না প্রিয় ভক্তরা, আমরা খুব তাড়াতাড়িই ফিরছি।’

গ্রিক পুরাণের দেবতা প্রমিথিউসের নামানুসারে ১৯৮৬ সালে জন্ম হয় ব্যান্ডটির। ৩০ বছরে প্রমিথিউসের ১৮টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। অ্যালবামগুলো হচ্ছে- ‘স্বাধীনতা চাই’, ‘মুক্তির প্রত্যাশায়’, ‘প্রজন্মের সংগ্রাম’, ‘স্লোগান’, ‘যোদ্ধা’, ‘প্রমিথিউস ২০০০’, ‘স্মৃতির কপাট’, ‘অ-আ’, ‘পাঠশালা’, ‘ঢোল’, ‘টাকা’, ‘নাগরদোলা’, ‘রাজপথ’, ‘প্রমিথিউস আনবাউন্ড’, ‘প্রমিথিউস আনবাউন্ড ওয়ান’, ‘ছায়াপথ’, ‘আমাদের পথ’ ইত্যাদি। বেশির ভাগ অ্যালবামের মধ্যে দেশের সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা ও দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। সেইসঙ্গে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল বিপ্লবের কণ্ঠে রোমান্টিক সব গান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এক দো তিন’ নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মাধুরী

বলিউডের মাধুরী দীক্ষিতের সুপারহিট ‘এক দো তিন’ গানের রিমেকে নেচে বিতর্কের জন্ম দেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও অনিল কাপুররা জ্যাকুলিনের প্রশংসা করলেও এটাকে জঘন্য বলছেন ‘তেজাব’ সিনেমার পরিচালক এন. চন্দ্র। ওই ছবিতে প্রথম এই গানটিতে সঙ্গে নেচেছিলন মাধুরী দীক্ষিত। আর ‘বাগী ২’ সিনেমার জন্য এই গানে নাচতে দেখা গেছে জ্যাকুলিনকে।

তবে শত বিতর্কের পরও এতদিন মুখে কুলুপ এঁটে বসে ছিলেন মাধুরী। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন। বললেন, জ্যাকুলিন তার খুবই পছন্দের অভিনেত্রী। মাধুরী বলেছেন, আমার জ্যাকলিনকে খুব ভালো লাগে। সে মিষ্টি একটা মেয়ে। তার নাচও খুব ভালো লাগে।

‘তেজাব’ সিনেমার গানের রিমেক নিয়ে বিতর্ক সম্পর্কে মাধুরী বলেছেন, আসলে অনেকেরই মূল গানটির সঙ্গে আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। তাই কোনো কোনো ব্যক্তি রিমেক দেখতে চান না। এ জন্য নির্মাতাদের দায়ী করা যায় না। জ্যাকুলিন যেভাবে নেচেছে, তা তার ভালোই লেগেছে বলেও মন্তব্য করেন অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাটির নিচে সুড়ঙ্গ দিয়ে বাংলাদেশে গরু আসছে!

ন্যাশনাল ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচার একটি নিয়মিত ঘটনা। এই গরু পাচারের ঘটনায় প্রায়ই শোনা যায় বিএসএফ এর গুলিতে বাংলাদেশিদের মৃত্যুর খবর। তবে এবার দুই দেশের পাচারকারীরা তাদের পাচারের ধরনটা একটু বদলিয়েছেন। গরু পাচারের ক্ষেত্রে তারা এখন সীমান্তে মাটির নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গ পথ ব্যবহার করছেন।

ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এ তৎপরতা আরো বেড়েছে। কারণ উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন স্থান থেকে যে গরু মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার রুপিতে কেনা হয়, সেই গরু বাংলাদেশে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

ভারতের শিলচরে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীরা মাটির নিচে গরু চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত একটি গোপন সুড়ঙ্গ আবিষ্কার করার পরই টনক নড়ে প্রশাসনের। গতকাল ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, কথিত ওই সিক্রেট টানেল বা গোপন সুরঙ্গটি ভারতের করিমগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত। টানেলটি বিএসএফের মদনপুর সীমান্ত ফাঁড়ির কয়েক মিটার দূর থেকে গহীন অরণ্যের ভূগর্ভে অবস্থিত। করিমগঞ্জের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত ৯২ কিলোমিটার।

গত মাসে করিমগঞ্জের পুলিশ ১০ চোরাচালনিকে গ্রেফতার করেছে। তারা এই গোপন সুড়ঙ্গ দলের নতুন সদস্য বলেই মনে করা হচ্ছে।

করিমগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌরব উপাধ্যায় বলেছেন, এ সপ্তাহের গোড়ায় বাংলাদেশী গরু চোর বিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশ ওই সুরঙ্গের হদিস পেয়েছে। দুই গরুচোরকে জিজ্ঞাসাবাদকালে ওই সুরঙ্গে বিষয় পুলিশকে চিনিয়ে দিয়েছে বলে পুলিশ সুপার দাবি করেন।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশী গরু চোরাচালানিরা চোরাচালানকে নির্বিঘ্ন করতে ভারতীয় স্থানীয়দের নিয়োগ দিয়ে থাকে। কালভার্টের পাইপগুলো ১০ থেকে ১৫ ফুট নিচে প্রোথিত। টহল দেয়ার সড়কগুলো সাধারণত ৩ ফুট ব্যাসের। করিমগঞ্জের এ রকম রাস্তা আছে ১০৬ কি.মি.। এর মধ্যে এরকম প্রায় ৬৩টি ‘প্রাকৃতিক শূণ্যতা’ রয়েছে। আর দুটি অংশের বড় দুটি জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। চোরাচালানি আগের চেয়ে কমেছে। কারণ বিএসএফ নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। তাই বিএসএফকে ফাঁকি দিতে এখন সুড়ঙ্গ পথও কাজে লাগানো হচ্ছে। তারা এটা প্রতিহত করতে সুড়ঙ্গগুলোতে আলোর ব্যবস্থা করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভূমি ও বন্দর দখল করছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের দেওয়া বড় অংকের ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছে ঋণগ্রহীতা দেশগুলো। ফলে দেশগুলোর ঘাড়ে চেপে বসছে ঋণের বোঝা। ‘চেক বুক কূটনীতি’র কাছে ধরা খেয়ে দেশগুলো চীনের হাতে তুলে দিচ্ছে ভূমি, বন্দর, এমনকি বিমানবন্দর। এতে করে চীনের বিস্তৃত কৌশলগত ও সামরিক উচ্চাকাঙ্খা বাস্তবায়নের পথ সুগম হচ্ছে। হার্ভার্ভ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের ১৬টি দেশ চীনের কাছ থেকে বড় অংকের ঋণ নিয়েছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, কম্বোডিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি ও মালয়েশিয়া। চীনের কাছ থেকে বড় অংকের ঋণ গ্রহণে শীর্ষে রয়েছে ভারতের প্রতিবেশী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর প্রকল্পের মাধ্যমে পাকিস্তানে ৬২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চীনের কাছে একটি বন্দর হস্তান্তর করেছে ইসলামাবাদ। একই সঙ্গে পাশেই একটি নৌঁঘাটি নির্মাণের জন্য ভূমি সমর্পণ করেছে।

পাকিস্তানের অনেক বিশেষজ্ঞ এই বড় অংকের ঋণ সুদসহ কিভাবে ইসলামাবাদ শোধ করবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন খাতে এরই মধ্যে চীনের কাছ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছে।

বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্পে শ্রীলঙ্কাকে ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে চীন। পাকিস্তানের মতোই শ্রীলঙ্কা দেশটির হাম্বানতোতা বন্দর চীনকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দিয়েছে। এরই মধ্যে বন্দরটিতে দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে চীনা জাহাজ নোংর করা শুরু করেছে।

গত বছরের ডিসেম্বরেই কম্বোডিয়ায় চীন ৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া গত দুই দশকে চীনের কাছ থেকে নেওয়া ঋণতো রয়েছেই। দেশটির বিদেশি ঋণের ৬০ শতাংশই নেওয়া হয়েছে বেইজিংয়ের কাছ থেকে। চীনের প্রতি এই নির্ভরতার ফলেই যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের সঙ্গে সামরিক মহড়া বাতিল করেছে কম্বোডিয়া। ঋণে জর্জরিত কম্বোডিয়ার কাছ থেকে চীনা অভিবাসীরা দেশটির কৃষি জমির বড় অংশের মালিকানা নিয়েছেন। চীন দেশটির নতুন রেলওয়ে লাইনের জন্য ৬.৭ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। এটা স্পষ্ট নয়, ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে কম্বোডিয়ার কাছে কী চাইবে চীন।

অস্ট্রেলিয়ার কাছের দেশ পাপুয়া নিউ গিনির সরকার হয়ত চীনের কাছে তেল, সোনা, কপার ও কফি ক্ষেত্র তুলে দিতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। চীন এরই মধ্যে দেশটির নিকেল খনির বড় অংশের মালিকানা পেয়ে গেছে এবং সড়ক, বন্দর ও উচ্চগতির ইন্টারেনেটে বিনিয়োগ করছে। গত পাঁচ বছরে চীনের কাছ থেকে নেওয়া অংশ দাঁড়িয়েছে ২০ মিলিয়ন ডলার।

এক সময় চীনের সমালোচক হিসেবে পরিচিত মালয়েশিয়াও দেশটির প্রভাবের কাছে হার মানছে। দেশের উন্নয়নের ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পর দক্ষিণ চীন সাগর থেকে আপত্তি প্রত্যাহার করে নিয়েছে মালয়েশিয়া। দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের হস্তক্ষেপের ফলে ফিলিপাইনের কলা রফতানি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ বানুয়াতুর বিদেশি ঋণের অর্ধেকই দিয়েছে চীন। সেখানে একটি নৌঘাঁটি নির্মাণ করতে পারে বেইজিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest