সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালতসাতক্ষীরায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ১১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার চেক বিতরণসাতক্ষীরায় জ্বালানি তেল মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীর জেল জরিমানালবণাক্ততা দূরীকরণ ও লবণ পানি অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আটুলিয়ায় গণতান্ত্রিক সংলাপসাতক্ষীরায় পহেলা বৈশাখে মর্নিং সান প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বর্ণাঢ্য আয়োজনদেবহাটার ১০ ফুটের খাল কাটার উদ্বোধনসাতক্ষীরায় মাটি বহনকারী ট্রলির ধাক্কায় শিশুর মৃত্যুErfahrungen und Bewertungen von Spielern über das Casino Spinnandoইছামতি নদীতে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা রেজাউলের জীবন যুদ্ধ

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের ত্রিশমাইল এলাকায় রাস্তা সংস্কারের কাজে ব্যবহারিত বালি ও মাটি রাস্তার ধারে ফেলে রেখে যান চলাচলালে বিঘœ ঘটানোসহ সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের তালা উপজেলার ত্রিশমাইল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

জানা যায়, সড়কের উপর বালি রেখে যান চলাচলের অনুপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এস্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ত্রিশমাইল শাখার দায়িত্বে থাকা হাসানুর রহমানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পী দত্ত রনি।

এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, এলজিইডি সাতক্ষীরার উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলী জিয়া উদ্দিনসহ অন্যান্যরা।
উল্লেখ্য ঃ সোমবার রাতে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের ত্রিশমাইলের ওই স্থানেই মটর সাইকেলের চাকা পিছলে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে সাতক্ষীরার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নিলকন্ঠ সরকার (৪৫) নিহত হন। এরপর আজ দুপুরে যান চলাচলালে অনুপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি ও সড়ক দূর্ঘটনা রোধে সেখানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালানো হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : সাতক্ষীরার দেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষ করে অনেক বেকার যুবক, শিক্ষার্থী ও কৃষক স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেবহাটা উপজেলায় প্রথমবারের মতো এই অপসিজন তরমুজের চাষ করে একদিকে যেমন বেকার ও কৃষকরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন অন্যদিকে নতুন এই কৃষি পন্য চাষে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। ঘেরের জমিতে ভেড়ির পাশে মাচান তৈরি করে এই তরমুজের চাষ করা হচ্ছে। যার কারনে বাড়তি কোন জমিরও প্রয়োজন পড়ছেনা। দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দেবহাটা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২টি প্রকল্পে গত ৩ মাস পূর্বে কৃষক ও বেকার যুবকদেরকে বিনামূল্যে অপসিজন তরমুজের বীজ সরবরাহ করা হয়। বীজের সাথে সাথে তরমুজের মাচান তৈরি ও সার প্রদান করাসহ সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করা হয়। এছাড়া কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে উপ- সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ৫টি প্রদর্শনীসহ ১০বিঘা জমিতে মোট চারটি জাতের বীজ সেগুলো হলো তৃপ্তি, ব্লাক বেবি, সুগারকুইন ও বাংলালিংক নামের বীজ প্রদান করা হয়। প্রতি বিঘা জমিতে ১০০ গ্রাম থেকে ১শত ২০ গ্রাম বীজ রোপন করা যায়।

এই অপসিজন তরমুজ প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীরাও পড়াশুনার পাশাপাশি তাদের ঘেরের নিজস্ব জমিতে এই তরমুজের চাষে ঝুকছে। এবছর আশানুরুপ ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামীতে বেশি করে এই তরমুজ চাষে কৃষকরা উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন বলে কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এবিষয়ে উপজেলার ঘলঘলিয়া গ্রামের কলেজ পড়ুয়া ছাত্র রনি ইসলাম বলেন, সে বেকার থাকায় পড়াশুনার পাশাপাশি দেবহাটা কষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ তাকে এই অপসিজন তরমুজ চাষে উদ্বুদ্ধ করে। মোস্তাক আহম্মেদের পরামর্শে সে তার নিজস্ব ১ বিঘা জমিতে অপসিজন তরমুজের চাষ করেছে। রনি জানায়, প্রথমবারের মতো তরমুজ চাষে তার ফলন খুবই ভাল হয়েছে। সে খুব খুশী এবং আগামী বছর আরো বড় করে সে এই চাষ করবে বলে জানিয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহম্মেদ জানান, দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তিনি সার্বক্ষনিক কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়েছেন।

এই অপসিজন তরমুজ চাষের পদ্ধতি ও বিভিন্ন নিয়ম সম্পর্কে কৃষকদেরকে অবহিত করেছেন। দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর দেবহাটা উপজেলায় এই তরমুজের আশানুরুপ ফলন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আগামীতে আরো বৃহৎ আকারে এই তরমুজ চাষে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হবে। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়ানুর রহমান জানান, দেবহাটার ভূমি কৃষি বান্ধব। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারনে কৃষিরও পরিবর্তন হচ্ছে।নতুন নতুন এই ধরনের ফসল ফলানোর মাধ্যমেই আমাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ইউএনও বলেন, সরকার কৃষকদের কল্যানে বিভিন্ন প্রকারের উদ্ভাবনীমূলক কাজ করছে। আগামীতে এই এলাকার কৃষকদেরকে এই তরমুজ চাষে আরো বড় আকারে করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি সীমান্ত এলাকা থেকে তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যের তিন বোতল ভারতীয় এলএসডি (লাইসার্জিক এসিড ডাইথ্যালামাইড) মাদকসহ আতাউর রহমান ওরফে রানা নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার কেড়াগাছি সীমান্তের বালিয়াডাঙ্গা বাজারের তিন রাস্তার মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়
গ্রেপ্তারকৃত চোরাকারবারী আতারউর রহমান ওরফে রানা (২২) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সাতানী ঘোষ পাড়া গ্রামের মৃত আশরাফুল ইসলামের পুত্র।

পুলিশ জানায়, ভারত থেকে অবৈধ পথে কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি সীমান্ত দিয়ে ভয়ঙ্কর মাদক এলএসডির একটি বড় চালান আনা হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলারোয়ার থানা পুলিশের এসআই নুর ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় সীমান্তের বালিয়াডাঙ্গা বাজারের তিন রাস্তার মোড় থেকে ১০০ মিলি গ্রামের তিন বোতল ভয়ঙ্কর এলএসডি মাদকসহ চোরকারবারী আতাউর রহামানকে হাতে নাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে, এ সময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় যশোর জেলার শার্শা থানার পারকায়বা গ্রামের আমজেদ হোসেনের পুত্র মাদক চোরাকারবারি সুজন হোসেন (২৪)। পুলিশ আরো জানায়, জব্দকৃত এলএসডি মাদকের বাজার মূল্য তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তবে, গ্রেপ্তারকৃত চোরাকারবারি আতাউর রহমান জানান, উক্ত এলএসডি মাদক গুলো সে পলাতক চোরাকারবারি সুজন হোসেনের কাছ থেকে ক্রয় করেছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আতাউর রহমান ও পলাতক আসামী সুজন হোসেনের বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালি শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়। র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম, বিদায়ী প্রধান নির্বাহী রেজা রশিদ, জেলা পরিষদের সদস্য শাহনেওয়াজ পারভীন মিলি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা খলিলুর রহমান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় বধ্যভূমি স্মৃতি সৌধের স্থান নির্ধারণ ও নির্মাণে অগ্রগতির বিষয়ে বধ্যভূমি সংরক্ষণ কমিটির সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিয়মসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরার ‘৭১্এর বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরার ‘৭১্এর বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র সরকার।
সদস্য সচিব অ্যাড. ফাহিমুল হকের সঞ্চলনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।
সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল অহেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজি রিয়াজ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি, বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. মোস্তফা নূরুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. ইউনুচ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোমিন, উন্নয়নকর্মী মাধব দত্ত ছাড়াও রাজনৈতিক নেতা আশেক-ই-এলাহি, আবু কাজি, স্বপন কুমার শীল, ওবায়দুস সুলতান, অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, নিত্যানন্দ সরকার, অ্যাড: ওসমান গণি, এড. খগেন্দ্র নাথ ঘোষ, সনাক সভাপতি হেনরি সরদার, এড. ইকবাল লোদী, নদী বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সভাপতি আদিত্য মল্লিক, সুরেশ পান্ডে ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, প্রফুল্ল সরকার, মফিজুর রহমান, কালিপদ মন্ডল, ডা: সুব্রত ঘোষ, সালাউদ্দীন রানা, মকবুল হোসেন, জাসদ নেতা রুবেল প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে ২০ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসে হাজার খানেক মুক্তিকামী মানুষ সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনে আশ্রয় নেয়। পরদিন ভবন থেকে নামিয়ে পাক বাহিনী তাদের গুলি করে হত্যা করে। তাদের মরদেহ বিদ্যালয়ের পাশে দীনেশ কর্মকারের বাড়ির আঙ্গিনায় মাটি চাপা দেওয়া হয়। ওই স্থানটিতে একটি স্মৃতি সৌধ নির্মাণের জন্য দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রাম করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে একটি মহল ওই স্থানটি দখলকরে নিয়েছে। যে টুকু ফাঁকা স্থান রয়েছে তাও দখলের পায়তারা চলছে। অবিলম্ব সাতক্ষীরা শহরের ওই স্থানে স্মৃতি সৌধ নির্মাণের দাবি জানান বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজাড়িত সাতক্ষীরা শহরের সরকারি কিম্বা বেসরকারিভাবে কোনো মুক্তিযুদ্ধের কোনো স্মৃতি সৌধ নির্মিত হয়নি। স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় পরবর্তী প্রজন্ম ধিক্কার দেবে। অবিলম্বে সাতক্ষীরার শ্যামনগর, আশাশুনি, কালীগঞ্জ, দেবহাটা, সাতক্ষীরা সদর, তালা ও কলারোয়ার বধ্যভূমির স্থান গুলো চিহ্নিত করে সেখানে স্মৃতি সৌধ নির্মাণের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাতক্ষীরা শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বাধীনতা বিরোধীদের ধিক্কার জানানোর জন্য একটি ঘৃণা স্তম্ভ নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির তার বক্তব্যে বলেন, ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা শহরের দিনেশ কর্মকারের বাড়ির আঙ্গিনায় স্মৃতি সৌধ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় চিঠি দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় সাতক্ষীরা শহরের দিনেশ কর্মকারের বাড়ির আঙ্গিনা, ঝাউডাঙ্গা, মাহমুদপুর ও হরিনগরের চারটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য স্থানগুলোতেও পর্যায়ক্রমে স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করাহবে। এছাড়া তালা উপজেলার দুই স্থানে সরকারি ভাবে ইতিমধ্যে স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। সাতক্ষীরা শহরের ঢুকতে বিনেরপোতায় তৈরি করা হবে সাতক্ষীরা গেট। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ, সাতক্ষীরার ইতিহাস ও ঐতিহ্য স্থান পাবে। যা দেখে সাতক্ষীরাকে চেনা যাবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ভাবে ইতোমধ্যে ঢাকায় একটি ঘৃণা স্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ঢাকায় নির্মিত হওয়ার পর সাতক্ষীরা ঘৃণা স্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
আন্তর্জাতিক মানের কসমেটিক্স ও প্রসাধনী প্রতিষ্ঠান হারল্যান স্টোর এর দ্বার উন্মোচন হয়েছে সাতক্ষীরায়। রবিবার বিকাল ৫টায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ রোড এলাকায় ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন, চিত্র নায়িকা অপু বিশ^াস।

প্রতিষ্ঠানটির সত্ত¡াধিকারী এসএম শরিফুজ্জামান রুমি’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, হারল্যান স্টোর এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আলিম শিমুল।

উদ্বোধনের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অপু বিশ^াস বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে হারল্যান প্রোডাক্ট লাইনআপ করেছে আধুনিক ও ট্রেন্ডি। এছাড়া প্রিমিয়াম প্যাকেজিং আর কোয়ালিটি প্রোডাক্ট নিয়ে এই ব্র্যান্ড লাইনআপে রেখেছে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন, কনসিলার, লিপস্টিক, জেল আইলাইনার, মাসকারা ও নেইলপলিশের মত সাজ সজ্জার নানা রকম অনুষঙ্গ। যার সবকটি পাওয়া যাবে হারল্যান নিউ ইয়র্ক স্টোরে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় সরকার দিবসের উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২৩ ইং সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত উক্ত মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি অধ্যাপক ডাঃ রুহুল হক। স্থানীয় সরকারের মাঠ পর্যায়ের উন্নয়নমূলক এ মেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মুজিবর রহমান এর সভাপতিত্বে।

প্রধান অতিথি রুহুল হক সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা “শেখ হাসিনার সরকার, জনগনের সরকার“ একথাটি গ্রাম পর্যায়ের সাধারন মানুষকে জানাতে হবে। সরকারের বিগত সময়ে যে উন্নয়ন হয়েছে সেটা স্বাধীনতার পরে কোন সরকারই করতে পারেনি। রুহুল হক সরকারের পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, বঙ্গবন্ধু টানেলসহ বিভিন্ন মেঘা প্রকল্পের বিস্তর বর্ননা দিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামকে শেখ হাসিনা শহরে পরিনত করতে সকল প্রকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড করে যাচ্ছে। এবিষয়ে তিনি রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজ, মসজিদ মাদ্রাসা মন্দির বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে আলোকপাত করেন। আর এ উন্নয়ন যাতে কেউ নস্যাৎ করতে না পারে সেজন্য সকলকে আবারো শেখ হাসিনার সরকারকে নির্বাচিত করতে আহবান জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইয়ানুর রহমান, দেবহাটা থানার ওসি বাবুল আক্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী শোভন সরকার, দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জুয়েল হোসেন,

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. আব্দুল গনি, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুস শাহাদাত নফর বিশ্বাস, দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, সখিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : “সেবা উন্নতির দক্ষ রুপকার উন্নয়নে উদ্ভাবনে স্থানীয় সরকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন-২০২৩ উপলক্ষে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে সদর উপজেলা পরিষদের আয়োজনে ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. আসাদুজ্জামান বাবু’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে ৩দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, “সাতক্ষীরা সদরের ১৪টি ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যা দৃশ্যমান। ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা ভালো বলতে পারবে। তিনি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা যে স্বপ্ন দেখান তা পূরণ করে দেখান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সদর সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুমনা আইরিন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এস.এম মারুফ তানভীর হুসাইন সুজন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম প্রমুখ। এসময় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইয়াকুব আলী, সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশল মো. মফিজুর রহমান, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মনির হোসেন, সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, বাঁশদাহ ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার মো. মফিজুর রহমান, ঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাদের প্রমুখ। ১৭-১৯ তারিখ পর্যন্ত ৩ দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলায় ১৪ টি ইউনিয়ন পরিষদের মানুষকে তথ্য ও বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হবে। এ মেলায় ১৮টি স্টল স্থান পেয়েছে। এসময় সকল ইউপি চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা ও সদর উপজেলা পরিষদের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইয়ারুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest