সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে জনসভা- গণমিছিলের মধ্য দিয়ে গাজী নজরুল ইসলামের নির্বাচনী প্রচারণা শুরুতালা–কলারোয়ার উন্নয়নে ঐক্যের ডাক হাবিবুল ইসলাম হাবিবেরআদালত চত্বরে কেরোসিন ঢেলে মাটি চাপা দেওয়া হলো জব্দকৃত হরিণের মাংসসাংবাদিক আকরামুলের উপর হামলা : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দাপাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে দশ গ্রামের দুস্থদের মাঝে তিন সহস্রাধিক কম্বল বিতরণবিএনপি থেকে ডা: শহীদুল আলম বহিস্কারসংগ্রামের গল্পে ঢাবি জয় দিহানেরতালায় লার্নিং শেয়ারিং ওয়ার্কশপসাতক্ষীরায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৮সাতক্ষীরায় খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং প্রবিধানমালা চূড়ান্ত করার দাবিতে স্মারকলিপি

কালিগঞ্জের সীমান্ত নদী কালিন্দীতে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আব্দুল জলিল: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত নদী কালিন্দী থেকে অজ্ঞাত যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুওে কালিগঞ্জের উকশা বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন কালিন্দী নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কালিগঞ্জ থানার ওসি সুবীর দত্ত জানান, নদীতে ভাসমান মৃতদেহ দেখে স্থানীয় জনতা থানায় খবর দেয়। দুপুরের দিকে থানার উপ-পরিদর্শক সুধাংশু শেখর হালদারের নেতৃত্বে পুলিশ নদী থেকে অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। অজ্ঞাতনামা ওই যুবক বাংলাদেশের নাকি ভারতের নাগরিক তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রবীণদের সামাজিক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার

রাহাত রাজা : প্রবীণদের সামাজিক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জেলা সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ সুশান্ত ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারের উদ্বোধন করেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ কাজী হাবিবুর রহমান। এ সময় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা পবলিক হেলথ এ্যাডমিনিসট্রেশন এন্ড হাসপাতাল ম্যানেজমেন্টের প্রফেসর মেজর জেনারেল(অবঃ) ডাঃ এম শাহজাহান, ভারতের অব মেডিসিন এন্ড জেরিয়াট্রিসিয়ানের প্রফেসর জোর্তিময় পাল।
এ সময় বক্তারা বলেন, আমাদের গড় আয়ু বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের অবসরের বয়স ৫৯ বছর। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের মনোজগৎ পরিবর্তন হতে থাকে। আমরা যেভাবে বড় হয়েছি এখনকার ছেলে মেয়েরা সেভাবে হচ্ছে না। সামাজিক সুরক্ষার কারণে বয়স্কদের পাঠানো হচেছ বৃদ্ধাশ্রমে। এসকল বিষয়ে আমাদের আরো সচেতনতা প্রয়োজন। বেশিরভাগ মানুষের অসুখ হয় মানসিক সমস্যার কারণে। বৃদ্ধাশ্রম বন্ধ করতে হবে আর আমাদের অনেক মানবিক হতে হবে। মুল প্রবন্ধে ডাঃ শাহজাহান বলেন, উন্নত বিশ্বেব ১১/১২ ভাগ লোক প্রবীণ। আমাদের দেশে ৬ ভাগ লোক প্রবীণ। ১৯৭৭ সালে আমাদের দেশে কর্মক্ষম লোকের সংখ্যা ছিল ৯৩ ভাগ। বর্তমানে ৫২ ভাগ। কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাহিত্যিক শহিদুর রহমান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিগগিরই রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ, পর্যায়ক্রমে হবে বিচার

অনলাইন ডেস্ক: দেশের ৬৪ জেলায় অর্ধলাখের বেশি পাকিস্তানি হানাদার ও রাজাকারের নামের তালিকা পাওয়া গেছে। তবে মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে এখনও মেলেনি এ সংক্রান্ত তালিকা। ওই তালিকা হাতে পাওয়ার পর পাকিস্তানি হানাদার ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজাকারদের নামের তালিকা প্রকাশ করবে সরকার। জরুরি ভিত্তিতে এদের নামের তালিকা চেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থা। পাশাপাশি হানাদার ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতিত লোকের সংখ্যা ও নাম-ঠিকানা চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে আইসিটি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ প্রসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের সহযোগী আলবদর-রাজাকারদের তালিকা তৈরি হচ্ছে। সব জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি আইসিটির তদন্ত সংস্থা দেখভাল করছে। সারা দেশের তালিকা হাতে পাওয়ার পর তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে।’

আইসিটির তদন্ত সংস্থা থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী বাহিনীর আত্মসমর্পণের আগ পর্যন্ত ওই বাহিনীর কমান্ডার ও তাদের অন্য সদস্যদের মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রাথমিক তদন্তের জন্য তথ্য প্রয়োজন। তারা গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, ধর্মান্তরিতকরণ, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠনের মতো অপরাধ করেছে। সব জেলার তথ্য পাওয়া গেলেও মেট্রোপলিটন এলাকার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। জরুরি ভিত্তিতে তৎকালীন সেনা ক্যাম্পের নাম, স্থায়িত্বকাল, কমান্ডারের নাম, পদবি, সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মরত আনুমানিক সদস্য সংখ্যাসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক বিভিন্ন তথ্য দিতে বলা হয় চিঠিতে। কমান্ডার ছাড়াও অন্যান্য সিনিয়র অফিসার, জেলাওয়ারি আনসার ও রাজাকার ক্যাম্পের নাম দিতে বলা হয়। এছাড়া আনসার ও রাজাকার ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডজুটেন্ড/কমান্ডারদের নাম, ঠিকানা ও তাদের বর্তমান অবস্থান, জীবিত না মৃত- এমন তথ্যও চাওয়া হয়। তাদের হাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের নির্যাতন কেন্দ্রের নাম, স্থায়িত্বকাল, নির্যাতিত লোকের সংখ্যাও চাওয়া হয় চিঠিতে।

এ প্রসঙ্গে আইসিটির তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (আইজপি পদমর্যাদায়) মুহ. আবদুল হান্নান খান পিপিএম বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান দখলদার সেনাবাহিনী এবং তাদের সহযোগীদের দ্বারা সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছিল দুই বছর আগে। সব জেলার তথ্য পেলেও মেট্রোপলিটন এলাকার তথ্য এখনও মেলেনি। বিষয়টি অবহিত করে এবং এ সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। জেলাগুলো থেকে কী পরিমাণ স্বাধীনতাবিরোধীর নাম এসেছে জানতে চাইলে আবদুল হান্নান খান বলেন, ‘এখনও চূড়ান্তভাবে হিসাব করা হয়নি। তবে কোনো কোনো উপজেলায় একশ’ থেকে দেড়শ’ নামের তালিকা পাওয়া গেছে।’ তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইসিটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত স্বাধীনতাবিরোধীদের যে তালিকা পাওয়া গেছে তার সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধে জড়িত চিহ্নিত পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসরদের বিচার করছে আইসিটি। এর অংশ হিসেবে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসরদের মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাধ্যমে ডিসি ও কারা মহাপরিদর্শককে চিঠি দিয়েছিল আইসিটি। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত পাকিস্তানি সেনাদের নামের তালিকা তৈরি করা হবে। সেখানে আগে চিহ্নিত ১৯৫ জন ছাড়াও আরও নাম অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। একই সঙ্গে তৈরি করা হবে পাকিস্তানি হানাদারদের সহযোগী রাজাকারদের হালনাগাদ তালিকাও। পর্যায়ক্রমে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

রাজাকারের তালিকা প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বেসামরিক নাগরিক থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধকালীন চাকরিতে থাকা এবং বেতন-ভাতা গ্রহণকারীদের তথ্য নেয়া হয়েছে। এমনকি যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের সহায়তা দিয়েছিলেন, তাদেরও নাম থাকছে এ তালিকায়। আর তথ্য সংগ্রহের এ কাজটি সমন্বয় করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রশাসন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মাধ্যমে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এসব তথ্য সংরক্ষণ করছে। মোট ছয় ধরনের অপরাধীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর সদস্যদের নামের তালিকা। এসব বাহিনীর সদস্য কর্তৃক নিহত শহীদদের তালিকা। জেলার অধিক্ষেত্রে বধ্যভূমি, গণকবর, রাস্তা ও নদী চিহ্নিত করে প্রস্তুত মানচিত্র। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনার তালিকা। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে অগ্নিসংযোগকারী, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, সেতু-কালভার্ট ইত্যাদির তালিকা এবং ওই সময়ে রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর সদস্য কর্তৃক জেলা ট্রেজারি থেকে স্বাক্ষর করে বেতন-ভাতাদি উত্তোলনকারীদের তালিকা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আইসিটির সমন্বয়ক মুহ. আবদুল হান্নান খান বলেন, সংগৃহীত তালিকা ধরে মামলা করা হচ্ছে। তৃণমূলেও যদি রাজাকার, আলবদর, আলশামস বা তাদের সহযোগী কাউকে পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধেও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হবে। মেট্রোপলিটন এলাকার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এসব এলাকার বেশিরভাগ রাজাকারই ছিল ভাসমান। তাদের পরিচয় পাওয়া খুবই কঠিন। এ কারণেই সম্ভবত দেরি হচ্ছে।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কারা মহাপরিদর্শককে দেয়া আইসিটির এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগী শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশের সব এলাকায় যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা, হত্যা, ধর্ষণ, ধর্মান্তরিতকরণ, লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগসহ অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধ শেষে দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পণ করে। এ সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার বা অফিসার ও সদস্যদের অনেককেই গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। সে মোতাবেক তাদের ওই সময় যেসব কারাগারে আটক রাখা হয়েছিল, সেখানে তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। এমন বিবেচনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এসব পাকিস্তানি সেনার নাম-পরিচয় ও জেলখানার নাম, মামলা নম্বর ও অন্য তথ্যাদি চায় আইসিটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শামির বড় ভাই আমাকে ধর্ষণ করেছে : হাসিন

ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ শামির ব্যক্তি জীবনের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য বেরিয়ে আসছে ধীরে ধীরে। তার চরিত্রের অনেক গোমর ফাঁস করেছেন স্ত্রী হাসিন জাহান। এর মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর অভিযোগ শামির বড় ভাই হাসিব আহমেদের বিরুদ্ধে, ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ধর্ষণের।

হাসিনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শামির বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দিয়েছে পুলিশ। মামলাগুলো হলো- স্ত্রী নির্যাতন, মারধর, খুনের চেষ্টা, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন, বিষ দিয়ে হত্যার চেষ্টা, অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা এবং ধর্ষণ।

ধর্ষণ মামলাটি শামির বিরুদ্ধে নয়, তার বড় ভাই হাসিব আহমেদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার শামির স্ত্রী হাসিন এই অভিযোগটি তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘গত বছর যখন আমি উত্তর প্রদেশে শ্বশুর বাড়িতে যাই, স্বামীর বড় ভাই হাসিব আহমেদ আমাকে ধর্ষণ করেন।’

বৃহস্পতিবারই নিজের আইনজীবীকে নিয়ে পুলিশের কাছে হাজির হয়েছিলেন হাসিন। সেখানে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগে শামির একাধিক নারীর সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এর মধ্যে আরেকটি বড় অভিযোগ ছিল, স্ত্রীকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা। হাসিন কলকাতা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করেছিল শামির পরিবার। ভাগ্যের জোরে তিনি বেঁচে গেছেন বলে জানান হাসিন।

ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার। যখন হাসিন ফেসবুকে নাগপুরের এক মহিলার ছবি পোস্ট করে তাঁর সঙ্গে কিছু আপত্তিজনক মোবাইল বার্তার আদানপ্রদান তুলে দিয়ে দাবি করেন যে, এই কথোপকথন তিনি শামির মোবাইল থেকে পেয়েছেন। ফেসবুকে হাসিন লেখেন, ‘অনেক সহ্য করেছি। আর নয়।’

এরপর থেকেই একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে শামির বিতর্কিত কান্ডের খবর। ভারতীয় পেসার যদিও পরে টুইটারে সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি করেন। এটাকে ক্যারিয়ার ধ্বংসের ষড়যন্ত্র হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। এবার স্ত্রীর লিখিত অভিযোগের বিষয়ে শামি বলেছেন, ‘অনেক অভিযোগই তো ও করে চলেছে। সব কিছু প্রমাণ করার দায়ও ওর।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

১২০ বলের মধ্যে ৫৫টিই ডট! অর্থাৎ ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ৫৫ বলে কোনো রানই করতে পারেননি। বাকি ৬৫ বলে তারা করেছেন ১৩৯ রান। এই ৫৫ বলের মধ্যে ৪০ বলে সিঙ্গেল করে রান নিতে পারলেও তো স্কোর লাইনটা শেষ অবধি ১৭৯ রান হয়ে যেত! এই ডট বলের ফাঁদে আটকা পড়েই নিদাহাস ট্রফির প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ। আজ সন্ধ্যায় আবারও মাঠে নামছে টাইগাররা। এবার প্রতিপক্ষ প্রথম ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। টুর্নামেন্টে টিকে থাকার এই ম্যাচে আবার বাংলাদেশের জয়টাও বড় প্রয়োজন। আর সেদিক মাথায় রেখেই আজ মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

গত ম্যাচে বাংলাদেশের বাজে ব্যাটিং হলেও আজ এই জায়গায় কোনো পরিবর্তন নাও আসতে পারে। কারণ অফ ফর্মে থাকা সাব্বির গত ম্যাচের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। ফলে তাকে সরানোর কোনো সুযোগ নেই। লিটন দাস তিনটা লাইফ পেলেও দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানটাও এসেছে তার ব্যাট থেকে। বাকিদের মধ্যে কেবল সৌম্য সরকার, কিন্তু ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার জন্য তাকে সরানোরও আপাতত কোনো সুযোগ নেই।

তবে বোলিংয়ে একটা পরিবর্তন আসলেও আসতে পারে। তাসকিনের জায়গায় আবু হায়দার রনি কিংবা আবু জায়েদ রাহি। তবে গত ম্যাচে মার খেলেও বাংলাদেশি গতি তারকাকে আরও একটা সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

বাংলাদেশ সম্ভাব্য একাদশ:
১. তামিম ইকবাল
২. সৌম্য সরকার
৩. লিটন দাস
৪. মুশফিকুর রহিম
৫. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
৬. সাব্বির রহমান
৭. মেহেদী হাসান মিরাজ/আরিফুল হক
৮. নাজমুল ইসলাম অপু
৯. রুবেল হোসেন
১০. তাসকিন আহমেদ/আবু জায়েদ রাহি/আবু হায়দার রনি
১১. মুস্তাফিজুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশের লুকিয়ে রাখা ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার !

অনলাইন ডেস্ক: ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ২০০ কেজি গাঁজা গায়েবের যে অভিযোগ উঠেছিল তারমধ্যে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার  কসবা থানার একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার করা হয় এই বিপুল গাঁজা।

তবে উদ্ধারের তিনদিন পর গতকাল শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন সাংবাদিকদের এই গাঁজা উদ্ধারের কথা জানান। এর আগেই জানা গিয়েছিল, মাদক উদ্ধারে অনিয়মের দায়ে ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বহিষ্কারের কথা।

মো. ইকবাল হোসাইন আরো জানান, এ ঘটনায় রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের (আরআরএফ) চার সদস্যও জড়িত। তাঁরা হচ্ছেন কনস্টেবল মহিউদ্দিন, ইব্রাহিম, তাজুল ইসলাম ও আবদুল আজিজ। এদের চারজনকেও প্রত্যাহার করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরআরএফ পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। জানা গেছে, গায়েব করা এসব গাঁজা তারা পরে বিক্রি করত।

দায়িত্বে থাকা যেকোনো থানার কোনো পুলিশ সদস্য কোনো অন্যায় করলে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

এর আগে গত বুধবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয় কসবা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শ্যামল মজুমদার ও মো. মনির হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সালাহ উদ্দিন ও মো. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ কনস্টেবল মো. শাহজাহান ও কনস্টেবল আবুল কাশেমকে। গাঁজা আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর থেকেই পলাতক এই ছয় পুলিশ সদস্য।

পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে কসবা সীমান্ত থেকে দুটি প্রাইভেটকারে করে বিপুল গাঁজা নিয়ে ঢাকার পথে রওনা দেয় দুই মাদক ব্যবসায়ী। কসবা থানা পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে পৌর এলাকার টি আলী বাড়ি মোড়ে গাড়ি দুটি তল্লাশি করে। তারা বিপুল গাঁজা উদ্ধার এবং ওই দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। কিন্তু পরে এএসআই সালাউদ্দিন ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার দেখিয়ে একটি মামলা করেন।

এরপর বিপুল গাঁজা সরিয়ে ফেলার অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থলে যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন। তিনি থানার একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচারের আহ্বান

রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক নিপীড়নের অভিযোগে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) বিচারের মুখে দাঁড় করানোর আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষ জাতিসংঘ মানবাধিকার কর্মকর্তা জেইদ রাদ আল হুসাইন। সেখানে গণহত্যা হয়েছে বলে হুসাইন সন্দেহ প্রকাশ করেন।

এর আগে গত বছর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচও (এইচআরডাব্লিউ) মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে আইসিসি’তে অভিযোগ দায়েরের আহ্বান জানিয়েছিল।

গতকাল শুক্রবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কাছে হুসাইন আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা নির্যাতনে বিচারের আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার হুসাইন মিয়ানমার সরকারের কাছেও রাখাইনের পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখার জন্য পর্যবেক্ষকদেরকে সেখানে যেতে দেওয়ার আহ্বান জানান।

এর আগে জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা বলছি, সেখানে গণহত্যা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ ঘনীভূত হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি একমাত্র আদালতই নিশ্চিত করতে পারে।

গত বুধবার জেইদ রাদ আল-হুসাইন বলেছিলেন, রাখাইনে সেনাঅভিযান নিয়ে বিশ্বজুড়ে অভিযোগ ওঠার পরও মিয়ানমার সেনাবাহিনী তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে গড়িমসি করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিজেপিকে ঠেকাতে কৌশলী মমতা

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসকে পাশে চাইছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শুক্রবার রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণায় সেই আভাস দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান।

জি নিউজের খবর, পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যসভার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং একটি আসনে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন মমতা।

এদিকে, মমতার এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহল জোর গুঞ্জন ২০১৯ সালে বিজেপি বিরোধীজোটের পথ সুগম করতেই এই সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে বিরোধী জোটে রাখতে কংগ্রেসের হাইকম্যান্ডও আগ্রহী বলে সূত্র জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest