সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক কলেজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইফতেখার হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইফতেখার হোসেন। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে তিনি কলারোয়ায় সুন্দর মনোরম পরিবেশে অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে আসেন। সে সময় তাৎক্ষণিকভাবে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নিবাহী অফিসার মনিরা পারভীন। এ সময় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এমএ ফারুক, সাবেক কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু নসর, ডা: আশিকুর রহমান, ইউপি সদস্য ফেরদৌস আরা, প্রভাষক ডা: হাবিবুর রহমান, প্রভাষক ফাতেমা খাতুন, ডা: সেলিনা আক্তার, প্রভাষক ডা: মাহাবুবুর রহমান, প্রভাষক ডা: আব্দুল্লাহ আল ফারুক, প্রভাষক আফিফা খাতুন, প্রভাষক ডা: ফিরোজা খাতুন, প্রভাষক ডা: রাজিয়া সুলতানা, প্রভাষক ডা: নার্গিস সুলতানা, ডা: হাবিবুর রহমান ও ডা: সানজিদা আক্তার শিক্ষার্থী মর্জিনা খাতুন, ডা: আনিছুর রহমান, ডা: আশিকুর রহমান, ডা: সোমা খাতুন প্রমুখ, সাংবাদিক জুলফিকার আলী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. এম এ বারিক। পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ ইফতেখার হোসেন প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক বিষয় ঘুরে দিখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার ফাতেমা রহমান বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার উপজেলার স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ নাংলা ফাতেমা রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় স্কুল মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা উদ্বোধন করা হয়েছে। দুইদিনব্যাপী উক্ত ক্রীড়া প্রতিযোগীতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক বাবলু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল আসাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন দেবহাটা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলহাজ¦ ওয়াহেদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইসরাঈল আশেক মাগফুর, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আর.কে.বাপ্পা, সাংবাদিক আকতার হোসেন ডাবলু, সাংবাদিক কে.এম রেজাউল করিম, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মধ্যে শেখ আব্দুর রহিম, আমিরুল ইসলাম, মেহের আলী, ইমাদুল ইসলাম, ফারুকুজ্জামান, শিক্ষকদের মধ্যে শহিদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ, হাবিবুর রহমান ও আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও স্কুল কমিটির মধ্যে প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে উপজেলা প্রশাসন ২৬ রানে জয়লাভ করে। এছাড়া সারাদিনব্যাপী ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহনে বিভিন্ন খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহষ্পতিবার দিনব্যাপী সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলা শেষে বিকালে সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্যাপন

আশাশুনি ব্যুরো : “শেখ হাসিনার দর্শন, সব মানুষের উন্নয়ন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আশাশুনিতে উপজেলা পর্যায়ে ৩৯তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ-১৮ উদযাপিত হয়েছে। বুধবার সকালে আশাশুনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আশাশুনি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফ্ফারা তাসনীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম। এসময় বক্তব্য রাখেন আশাশুনি সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাকীবিল্লাহ, এলজিইডি কর্মকর্তা আকতার হোসেন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আজিজুল হক, ইউআরসি কর্মকর্তা মহিতোষ কমর্কার প্রমুখ। উপজেলা মাধ্যমিক সুপারভাইজার হাসানুজ্জামানের পরিচালনায় এসময় গুনাকারকাটি কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ নুরুল ইসলাম, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যাপক তৃপ্তিরঞ্জন সাহা, সেকায়েপ কর্মকর্তা নাসিরউদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে শিক্ষার্থীদের তৈরীকৃত বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার পারুলিয়ায় রেপরোয়া হাইব্রিড আ. লীগার নূর আমিন !

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক সময়কার চোরাচালানি হাইব্রিড আ. লীগার নূর আমিন এর অত্যাচারে জিম্মি সাধারণ মানুষ! অন্যের জমি, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করতে প্রতিপক্ষের চাঁদাবাজি মামলা ও নাশকতার মামলাসহ ভুয়া ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করানোর টেন্ডার নাকি তার হাতে। খোলস পাল্টে তিনি নব্য আ. লীগার সেজে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।
দেবহাটা উপজেলার কয়েকজন জানান, একই গ্রামের সাপামারা খালের পাশের কোরবান আলীর ছেলে নুর আমিন দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে চোরা পথে বিভিন্ন ধরণের পশুপাখি এনে বাজারে বিক্রি করতেন। এরসঙ্গে ছিল তার চোরাকারবারি ব্যবসা। বিএনপি’র রাজনীতিতে জড়িয়ে থেকে দলের অর্থযোগান দিতেন তিনি। তাই ২০০১ সালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাংসদ কাজী আলীউদ্দিন ও বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু তার বাড়িতে মাসের বড় একটা সময় কাটাতেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর নুর আমিন ভোল পাল্টে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কতিপয় প্রভাবশালী নেতার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। করছেন তাদের সঙ্গে ব্যবসাও। তবে ২০১৩ ও ২০১৪ সালে দেশজুড়ে জামাত বিএনপি’র নাশকতা চালানোর ব্যাপারে তিনি ছিলেন সংগঠক ও অর্থ যোগানদাতা। লুটপাট, ভাঙচুর, মারপিট করে অন্যের বাড়ি, জমি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল করতে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হয়রানি, ভুয়া ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশে ২০১৬ সালের ৩০ জুন দেবহাটা উপজেলার তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা খাতুনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, উত্তর পারুলিয়ার রফিকুল ইসলাম ও তার ভাইয়ের স্ত্রী রহিমা আফরোজার নামীয় বন্দক রাখা ৯৭ শতক জমি সোনালী ব্যাংক পারুলিয়া শাখা থেকে ২০০৮ সালের ৫ আগস্ট ছয় লাখ টাকায় নিলাম কেনেন নুর আমিন গাজী। ওই নিলাম খরিদের বিরুদ্ধে তার(রফিকুল) ছেলে সাহেদ ইকবাল ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রিয়েমশান মামলা করে। যা বর্তমানে বিচারাধীন। একই দাগে পার্টিশান বহির্ভূত আরো অন্যদের নামে অনেক জমি থাকায় ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জারিকারক ও পুলিশ নূর আমিনকে জমি বুঝিয়ে দিতে না পেরে ফিরে যান বলে ২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি দেবহাটা থানার সহকারি উপপরিদর্শক বসির আহম্মেদ আদালতকে অবহিত করেন। একপর্যায়ে নূর আমিন ২০১০ সালে দেওয়ানী আদালতে ৪১/১০ নং পার্টিশান মামলা করেন। একইভাবে ১৯৯০ সালের পর থেকে মানসিক ভারসাম্য হারানো ওহাব আলী মন্ডলের ছেলে শফিকুলের দানপত্র মূল্যে নেওয়া সাড়ে ছয় বিঘা জমি নিয়ে ভাইদের মামলা থাকালেও যথাযথ কাজজপত্র না থাকার পরও বিচারাধীন অবস্থায়(দেঃ ৫০/১৩) কিনে নেন নুর আমিন। কোন আইনি প্রক্রিয়ায় কোন জমির রেকর্ড, নামপত্তন ও খাজনা দিতে না পারায় দখল করতে মরিয়া হয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালান নূর আমিন। এমনকি রফিকুল ইসলামকে দু’টি চাঁদাবাজি ও তিনটি নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে রফিকুল ও তার শরীকদের জমির পাশে পাকা দেওয়াল তুলে জবর দখলের চেষ্টা করেন নুর আমিন। প্রতিবেদনে রফিকুল ইসলামের অভিযোগ সত্য বলে উল্লেখ করা হয়।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা খাতুনের ও একই বছরের ২১ অক্টোবর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন্নাহার এর পৃথক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে তপন বিশ্বাসের কাছ থেকে চার শতক জমি কেনার পরও সেটা এসএ খতিয়ান দেখিয়ে ডিপি ১৮০০ খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করে আবুল হোসেন। পরে হাল দাগ দেখিয়ে নূর হোসেন কৌশলে আবুল হোসেনকে দিয়ে আদালতে মামলা করিয়ে গায়ের জোরে তপন বিশ্বাসের আরো চার শতক জমির উপর নির্মিত ২৫ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ নেওয়া ৬০ লাখ টাকার জমি ও গুদামঘর দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এমনকি আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী কামালকে ম্যানেজ করে তপন বিশ্বাসের ভাড়াটিয়া মাছ ব্যবসায়ি মাহাবুব বিশ্বাসকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নূর আমিন। ২০১৫ সালে একইভাবে তপন বিশ্বাসের জমির একাংশ দখল করতে তপন বিশ্বাস ও তার ছেলেদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে আবুল হোসেন তপন বিশ্বাসের প্রায় এক শতক জমি ভবন নির্মাণ করে জবরদখলে রেখেছে বলে উল্লেখ করা হয়। একইভাবে উত্তর পারুলিয়ার মোবারক মোল্লার ছেলে মঞ্জুরুল ইসলামের কাছ থেকে ২০১৪ সালে ১০ কাঠা জমি ছয় লাখ টাকা দেওয়ার শর্তে ৮০ হাজার টাকা দিয়ে লিখে নেন নুর আমিন। টাকা চাওয়ায় মঞ্জরুলকে দেবাহাটা ও সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি নাশকতার মামলায় জেলে পাঠানো হয়। এ ছাড়া তপন বিশ্বাসের ছেলে অনুপ বিশ্বাস ও মঞ্জুরুলকে টেকনাফ থানার চাঁদাবাজি ও অপহরনের মামলার ভুয়া ওয়ারেন্টে ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর দেবহাটা পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করান নুর আমিন। ওয়ারেন্ট ভুয়া প্রমানিত হওয়ায় খালাস তারা দু’জন খালাস পায়। বর্তমানে জমির টাকা না পেয়ে ও মামলার খরচ যোগাড় করতে মঞ্জুরুল ভ্যান চালাচ্ছেন। আবারো মামলা দেওয়া হতে পারে এমন আশঙ্কায় নুর আমিনের কাছে টাকা চাওয়ার কথা ভুলে গেছেন তিনি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জানান, একমাত্র জামাতার প্রভাবে পুলিশ নুর আমিনের বিরোধিতা করতে চায় না। তাই নূর আমিনের বিরোধিতা করার লোক পাওয়া যায় না। তবে বিষয়টি গত রোববার জেলা আইন শৃঙ্খলা মাসিক সভায় উপস্থপিত হওয়ায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।
জানতে চাইলে নুর আমিন জানান, পুলিশ কাউকে ধরলে তার দায় তিনি নেবেন কেন। তাছাড়া রফিকুল ইসলাম ও তাদের শরীকদের কাছ থেকে কেনা ও নিলাম মূলে যে জমি পেয়েছেন তা নিয়ে মামলা আছে। রয়েছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। তার জামাতা বা প্রশাসনে কর্মরত ও কোন আত্মীয়র নাম ব্যবহার করে তিনি কোন সুবিধা আদায় করেন না। তিনি আবুল হোসেনের কাছ থেকে ১২ বছরের লিজ নিয়েছেন। তপন বিশ্বাসের পক্ষে মাহাবুব বিশ্বাস সেখানে আর ব্যবসা করেন না। দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুরেরর সঙ্গে মঙ্গলবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি রিসিভ করেননি।
পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান জানান, তপন বিশ্বাসের অভিযোগ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দেবহাটা সার্কেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী ইমরান ছিদ্দিককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা-৩ ও সাতক্ষীরা-৪ সহ ৩৮ সংসদীয় আসনে সীমানা পরিবর্তনের খসড়া প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরাসহ ১৬টি জেলার ৩৮টি সংসদীয় আসনে পরিবর্তন এনে খসড়া চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (১৪ মার্চ) কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
তিনি বলেন, ‘আজকেই এই তালিকা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হবে। কারো কোনো দাবি আপত্তি থাকলে ১ এপ্রিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।দাবি আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩০ এপ্রিল সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।’
হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘ঢাকার পাঁচটি, নারায়ণগঞ্জের দু’টি, নীলফামারীতে একটি, রংপুরে তিনটি, কুড়িগ্রামে দু’টি, পাবনায় দু’টি, মাগুরায় দু’টি, খুলনায় দু’টি, সাতক্ষীরায় দু’টি, জামালপুরের দু’টি, শরীয়তপুরের দু’টি, মৌলভীবাজারেরর দু’টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দু’টি, কুমিল্লার চারটি, নোয়াখালীর দু’টি এবং চট্টগ্রামের দু’টি আসনে পরিবর্তন আনা হয়েছে।’

যেসব আসনের সীমানা পরিবর্তন করা হচ্ছে-নীলফামারী-৩, নীলফামারী-৪, রংপুর-১, রংপুর-৩, রংপুর-৪, কুড়িগ্রাম-৩, কুড়িগ্রাম-৪, পাবনা-১, পাবনা-২, মাগুরা-১, মাগুরা-২, খুলনা-৩, খুলনা-৪, সাতক্ষীরা-৩, সাতক্ষীরা-৪, জামালপুর-৪, জামালপুর-৫, ঢাকা-২, ঢাকা-৩, ঢাকা-৭, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৯, নারায়ণগঞ্জ-৪, নারায়ণগঞ্জ-৫, শরীয়তপুর-২, শরীয়তপুর-৩, মৌলভীবাজার-২, মৌলভীবাজার-৪, বাহ্মণবাড়িয়া-৫, বাহ্মণবাড়িয়া-৬, কুমিল্লা-১, কুমিল্লা-২, কুমিল্লা-৬, কুমিল্লা-১০, নোয়াখালী-৪, নোয়াখালী-৫, চট্টগ্রাম-৭ ও চট্টগ্রাম-৮ আসন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভয় পাইনি আর এখনও পাচ্ছি না: জাফর ইকবাল

চিকিৎসার পর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে সিএমএইচ ছাড়লেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। বুধবার সকালে জাফর ইকবালের চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত সামরিকবাহিনীর কর্মকর্তারা তাকে সিএমএইচে বিদায় জানান। ছুরিকাহত হয়ে ১১ দিনের চিকিৎসা শেষে বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে কর্মস্থল শাবি ক্যাম্পাসে যাওয়ার সময় তিনি বলেছন, আমি ভালো আছি। আমি কখনও কোনো কিছুতে ভয় পাইনি এবং এখনও পাচ্ছি না।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি সবাইকে জানাতে চাই, এই পৃথিবীটা অনেক সুন্দর। এই পৃথিবীকে সবার ভালোবাসতে হবে। তা হলেই পৃথিবীটা অনেক সুন্দর হবে। তার সুস্থতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সেলাই কাটা হয়েছে। আমার হাতে ও পিঠে এখনও স্টিচ লাগানো রয়েছে। সেগুলোর জন্য আবার আমাকে হাসপাতালে যেতে হবে। আমি এখন সুস্থ আছি।

জাফর ইকবালকে মানসিক অবস্থার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ভালো আছি। আমি এসব বিষয়ে কোনোদিন ভয় পাইনি আর এখনও পাচ্ছি না। যে মঞ্চে আমার ওপর হামলা হয়েছিল আজ আবার সেখানেই আমার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করব।

গত ৩ মার্চ সন্ধ্যায় জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালায় ফয়জুল নামের এক দুষ্কৃতিকারী। হামলায় তিনি মারাত্মকভাবে আহত হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ওইদিনই ঢাকা সিএমইচে হেলিকপ্টার যোগে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং তার চিকিৎসা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মজীবী ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কর্মসূচির চেক বিতরণ

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচীর আওতায় উপকার ভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা অগ্রণী ব্যাংক কার্যালয়ে সাতক্ষীরা মহিলা সমিতির আয়োজনে সাতক্ষীরা মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিসেস খুরশীদ জাহান শিলার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বেগম রিফাত আমিন। এসময় তিনি বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার নারীর ক্ষমতায়নসহ নারী ও শিশুদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অগ্রণী ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক মো. সদর উদ্দিন, সহকারি শাখা ব্যবস্থাপক মো. কওছার আলী, মহিলা সমিতির কোষাধ্যক্ষ মহছেনা বেগম, প্রশিক্ষক শামীমা পারভীন ডেইজি প্রমুখ। পৌরসভার ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের ১শ’৮২ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মাদারকে চেক প্রদান করা হয়। কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা তহবিল কর্মসূচীর আওতায় সকল প্রশিক্ষনাথীদেরকে পর্যায়ক্রমে আর্থিক সহায়তার প্রদান করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংকে গ্রাহক মতবিনিময় সভা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড সাতক্ষীরা শাখার গ্রাহক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড সাতক্ষীরা শাখার আয়োজনে ব্যাংক কার্যালয়ে ভিপি ও সাতক্ষীরা শাখা ব্যবস্থাপক মো. ফেরদৌস হাসানের সভাপতিত্বে গ্রাহক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের এসভিপি ও খুলনা জোনাল হেড মো. মনজুরুল আলম। এসময় তিনি বলেন,‘ গ্রাহকদের সেবার মান উন্নয়নে আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড বদ্ধ পরিকর। গ্রাহকদের পরামর্শে কিভাবে সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে ব্যাংককে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায় সে লক্ষ্যে সারা দেশে আমরা গ্রাহক মতবিনিময় সভার আয়োজন করছি।’ গ্রাহক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড চুকনগর শাখার ম্যানেজার মো. আব্দুল মান্নান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আল-ফেরদৌস আলফা, সাবেক অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল অদুদ, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সেক্রেটারী অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম, আব্দুর রব ওয়ার্ছি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেলিম প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আল-আরাফাহ্ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড সাতক্ষীরা শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ রবিউল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest