শ্যামনগরে ভাব-বাংলাদেশের শিক্ষা উপকরণ উপহার

শ্যামনরগর ব্যুরো : ভলান্টিয়ার্স এসোসিয়েশন ফর বাংলাদেশ (ভাব-বাংলাদেশ) এর ভাব মাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রকল্পের আয়োজনে মাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ আনুষ্ঠানিক ভাবে বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বেলা ১২ টায় শ্যামনগর উপজেলার কাঁঠালবাড়ীয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম রফিকুজ্জামান এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে রাখেন কাঁঠাল বাড়ীয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ উপহার দেন সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভাব-বাংলাদেশ এর সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম এ আলিম খান, সুজনের সাধারণ সম্পাদক ঈশ্বরীপুর এ সোহবান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহিন উদ্দীন। বক্তব্য রাখেন জোবেদা সোহরাব মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার, হেঞ্চী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফুল আলম, চিংড়ীখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়দেব বিশ্বাস। এসময় ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র/ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কাঁঠাল বাড়ীয়া এ,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শিক্ষক ও সাংবাদিক রনজিৎ কুমার বর্মন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের সহায়ক উপকরণ বিতরণ

শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগর উপজেলা শিক্ষা অফিসের ব্যবস্থাপনায় উপজেলার ৬টি বিদ্যালয়ের বিশেষ ভাবে সক্ষম শিশুদের মাঝে গতকাল আনুষ্ঠানিক ভাবে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিশুদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করেন সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। শ্যামনগর উপজেলা চত্বরে হুইল চেয়ার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মহসীন উল মূলক, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার দেবনাথ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বৃন্দ, বিশেষ ভাবে সক্ষম শিশু ও অভিভাবক বৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শ্যামনগর শিশু শিক্ষা নিকেতন এর প্রধান শিক্ষক পরিমল কর্মকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকটে স্বাস্থ্য সেবার সঙ্কট

শ্যামনগর প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের বঙ্গপসাগর উপকূলবর্তি সুন্দরবন বেষ্টিত দেশের সর্ববৃহত উপজেলা শ্যামনগর। এখানে ঘনবসতি কম থাকলেও জনসংখ্যা কম নয়। এ উপজেলায় প্রায় আড়াই লক্ষাধিক মানুষের বাস। দুর্যোগ প্রবণ বাংলাদেশের মধ্যে এটি একটি অন্যতম দুর্যোগ প্রবণ এলাকা হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে বেঁচে থাকতে হয় সাধারণ মানুষদের।
তাছাড়া এই এলাকায় দারিদ্রতার হার অনেক বেশি। প্রকৃতির নানান বেখেয়ালি বৈশিষ্ট্যের কারনে এই এলাকার মানুষের মধ্যে রোগ ব্যাধির প্রকোপ দেশের অন্য উপজেলা গুলোর তুলনায় একটু বেশি। চিকিৎসার জন্য এই উপজেলায় কোন উন্নত ব্যবস্থা না থাকার কারণে এখানকার অল্পসংখ্যক বিত্তশালীরা দেশের বা বিদেশের উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্র গুলোর দারস্থ হন। কিন্তু সমস্যার কথা হলো শ্যামনগরের বৃহত্তর নিম্ন আয়ের দারিদ্র শ্রেণির মানুষের একমাত্র আশা ভরসার স্থান শ্যামনগর সদর হাসপাতালে নেই তেমন কোন উন্নত ব্যবস্থা আর না থাকলেও নেই যথাযথ ব্যবহার। শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ডাক্তার শুন্যতাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। প্রয়োজনীয় ডাক্তার ও লোকবলের অভাবে ভেঙে পড়েছে এখানকার চিকিৎসা ব্যবস্থা। এখানকার চিকিৎসা সেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সঙ্কা দেখা দিয়েছে। আইলা বিধ্বস্ত অবহেলিত এ জনপদের সাধারণ মানুষ তাই তাদের নূনতম স্বাস্থ্যসেবা অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২০০৮ সালের ১৫ মে ৩০ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয়। হাসপাতালটি ৩০ শয্যা থাকাকালীন যে সুবিধা ছিল ৫০ শয্যার ক্ষেত্রেও একই সুবিধা। হাসপাতালে প্রতিনিয়তই শতাধিক রোগী ভর্তি থাকতে দেখা যায়। চিকিৎসা সেবার জন্য এখানে কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতির সুবিধা থাকলেও ডাক্তার ও লোকবলের অভাবে সেগুলো চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবহার না হওয়ার আগেই তা নস্ট হওয়ার উপক্রম। হাসপাতালে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় গরীব রোগীদের বিভিন্ন ক্লিনিকসহ জেলা শহরে ছুটতে হয়। সে ক্ষেত্রে অর্থনৈতিকসহ নানা বিড়ম্বনার শিকার হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করতে হয় অনেক রোগীকে। পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য এখানে কিছু সুবিধা থাকলেও সেগুলো অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। ডাক্তার ও লোকবলের অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে হাসপাতালটি।
শ্যামনগর হাসপাতালে ডাক্তারদের পদসংখ্যা ৩৪ হলেও আছেন মাত্র চারজন। এর মধ্যে দু’জন আছেন প্রেষণে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিভাগে নির্ধারিত কোনো ডাক্তার নেই। আর সেবিকা ২৫ জনের স্থলে আছেন ২২ জন। তারমধ্যে তিনজন আছেন প্রেষণে। ওয়ার্ড বয় তিনজনের স্থলে আছে দু’জন। ল্যাবরেটরি এটেনডেন্ট পদটি বরাবরই প্রেষণে আছে। অপারেশন থিয়েটার বয় প্রেষণে আছে। মালি পদটিও প্রেষণে আছে। সুইপার মাত্র পাঁচজন। আয়া দু’জনের স্থলে আছে একজন। এছাড়া শ্যামনগর হাসপাতালে বিভিন্ন শ্রেণিতে শূন্য পদ খালি আছে ৮৬জন। উপজেলা সদরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ শতাধিক রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। এলাকার সাধারণ মানুষ শ্যামনগর সদর হাসপাতালের এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা টিএইচএ ডা. আব্দুল গফুর জানান, লোকবলের অভাবে সঠিক সেবা দেওয়া কষ্টকর। তারপরও আমরা সীমিত ডাক্তার ও আনুসঙ্গিক জনবল নিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সেবা দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সার্বিক বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. তওহিদুর রহমান বলেন, সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সময় লাগবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা প্রশাসককে শিল্পকলা একাডেমির শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দীনের সফলভাবে ২ বছর পূর্তিতে এবং ৩য় বর্ষে পদার্পন উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের বাসভবনে উপস্থিত হয়ে এ শুভেচ্ছা প্রদান করেন শিল্পকলা একাডেমির নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক পতিœ সেলিনা আফরোজ, শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, চিত্রশিল্পী এম এ জলিল, প্রশিক্ষক শ্যামল কুমার সরকার, বিশ্বজিৎ শাহা, শহিদুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফারহা দিবা খান সাথী, প্রশিক্ষণার্থী সুম্মিতা শাহা, প্রশিক্ষক নয়ন কুমার ভট্টচার্জ, টি আই বি সাতক্ষীরার ম্যানেজার আবুল ফজল মোঃ আব্দুল আহাদ, প্রবল কুমার সাহা, নির্বাহী কমিটির সদস্য সদর উপজেলা অফিসার তহমিনা খাতুন, খুলনা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শাহ আব্দুল সাদী, জেলা নাজীর শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পারুলিয়া এসএস হাইস্কুলে নবীনবরণ ও বিদায়

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটা পারুলিয়া এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবীনদের বরণ, এসএসসি পরীক্ষার্থী ও ধর্মীয় শিক্ষকের বিদায়ীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১১ টায় বিদ্যালয়ের মাঠে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীদের বরণ, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় এবং ধর্মীয় শিক্ষক শামিম আব্দুল লতিফ এর বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ, সদস্য আলহাজ্ব মোসলেউদ্দীন মুকুল, আলহাজ্ব আনিছুর রহমান, সুমন পারভেজ, ইউপি সদস্য সাহেব আলী। বিদ্যালয়ের শিক্ষক অজয় কুমার ঘোষের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র শিক্ষক মোরর্শেদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, আমেনা জেসমিন, ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নুসরাত জাহান (দিয়া), ৮ম শ্রেণির ছাত্র তানভির হোসেন, ১০ শ্রেণির ছাত্রী তাজিয়া তাসনিম ও সমাপ্ত ঘোষ, বিদায়ী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে অংশুয়া সরকার, রুহুল কুদ্দুস, শাওন হোসেন প্রমূখ। অনুষ্ঠানে ৬ষ্ঠ শ্রেণির নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের বরণ ও এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। একই সাথে বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক শামিম আব্দুল লতিফ এর বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য যে, ধর্মীয় শিক্ষক ১৯৮৬ সালে যোগদান করেন এবং ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান। এ বছর উক্ত বিদ্যালয় থেকে ১৩৬ জন ছাত্র-ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে। অনুষ্ঠান শেষে পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ’র মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের এক দফা দাবিতে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা স্বাশিপ এর সভাপতি প্রভাষক এম সুশান্ত। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাশিপের সহ-সভাপতি লায়লা পারভীন সেঁজুতি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মীম সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক প্রভাষক ফিরোজ কবির মিলন, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মোঃ আকবর হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মন্ময় মনির, আশাশুনি উপজেলা সভাপতি প্রভাষক মাহবুবুল হক ডাবলু, কলারোয়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ পাল, দেবহাটা উপজেলা সভাপতি সহঃ অধ্যাপক আব্দুল আজিজ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকমন্ডলী অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বর্তমান সরকারের শিক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভুমিকা ও অভুতপুর্ব উন্নয়নের প্রশংসা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। জাতীয়করণের এক দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্নভাবে মানববন্ধন ও অন্যান্য কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে বক্তারা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি সরকারের কাছে জাতীয়করণের আবশ্যিকতা তুলে ধরে এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পথ নির্দেশনায় স্বাশিপের জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ খুবই আন্তরিকতা ও বিচক্ষনতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বলে নেতৃবৃন্দ জানান। সে লক্ষে জেলার সকল শিক্ষক কর্মচারীদের স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সকল কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের আহবান জানান। মানবন্ধন শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন মহোদয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক মহোদয় স্মারকলিপিটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এসআই রাজ্জাক জেলার চৌকশ পুলিশ অফিসার

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি থানার চৌকস পুলিশ অফিসার এসআই আব্দুর রাজ্জাককে পুরস্কৃৃত করলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান। পলিশ সুত্রে জানাগেছে, রোববার জেলা পলিশ সুপারের কার্যালয়ে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় জেলা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমানের সভাপতিত্ব্ েজেলা পুলিশের সকল কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে মাদক সেবক ও ব্যবসায়ী, নাশকতা, দাগী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথে গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধারে অগ্রণি ভূমিকা রাখায় জেলায় পুলিশ অফিসারদের তালিকায় এসআই আব্দুর রাজ্জাক চৌকশ পুলিশ অফিসার হিসাবে মনোনীত হয়েছেন। ওই দিন পুলিশ সুপার আনুষ্ঠানিকভাবে এসআই আব্দুর রাজ্জাকের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন পুলিশ সুপার সজ্জাদুর রহমান। এসআই আব্দুর রাজ্জাক আগামী দিনে নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য ন্যায় নিষ্ঠার সাথে পালন করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেষ টি-টোয়েন্টি জয়ে র‍্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে পাকিস্তান

নিউজিল্যান্ড সফরের শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানের। ওয়ানডে সিরিজের পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরে হতে হয়েছে হোয়াইটওয়াশ। তবে, সফরের শেষটা সাফল্যেই মুড়ে রাখল সরফরাজ আহমেদের দল। টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে ১৮ রানের জয় দিয়ে ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজটাও জিতে নিয়েছে পাকিস্তান।

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ছয় উইকেটে ১৮১ রান। সমান ৬ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ১৬৩ রান। সিরিজটাই নয় শুধু, এই জয়ে পাকিস্তান উঠে গেছে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানেও।

প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া পাকিস্তানকে এই ম্যাচেও ভিতটা গড়ে দিয়েছেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ফখর জামান। জামানের ৩৬ বলে ৪৬ রানের ঝড়ো ইনিংসের সাথে দলনায়ক সরফরাজের ২৯ রান সফরকারীদের এনে দেয় চ্যালেঞ্জিং স্কোর। দুই কিউই স্পিনার ইশ সোধি এবং মিচেল স্যান্টনার নেন দুটি করে উইকেট।

জবাব দিতে নেমে মার্টিন গাপটিলের অর্ধশতকে রানটা বেশ ভালোই তাড়া করছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু ৫৯ রানে গাপটিল ফিরে যাওয়ার পর নিউজিল্যান্ড আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। রস টেলর ও টম ব্রুসের চেষ্টা শুধু পরাজয়ের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে।

শাদাব খানের জোড়া উইকেটের দিন পাকিস্তানি কোনো বোলারকেই ফিরতে হয়নি খালি হাতে। দারুণ বোলিংয়ে কিউইদের রানের চাকা মন্থর করে দেওয়া শাদাব খানই নির্বাচিত হন ম্যাচসেরা হিসেবে। সিরিজ সেরার পুরস্কার যায় মোহাম্মদ আমিরের হাতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest