সর্বশেষ সংবাদ-
বাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনেরসখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার- সময়মতো মিলছে না খাবারসাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভাসাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলকালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতার

দেশে গুগল অনুসন্ধানের শীর্ষে সাবিলা নূর, মিয়া খলিফা ও তাসকিন

দেশের মানুষ চলতি বছর সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে মডেল ও অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে। এরপরই আছে পর্নোতারকা মিয়া খলিফা! শীর্ষে দুই নারী থাকলেও তৃতীয় অবস্থানেই আছে একজন পুরুষ। তিনি ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ।

সার্চ ইঞ্জিন গুগল এ কথাই বলছে। বছর শেষে ওই সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে কী এবং কাদের সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে মানুষ তার একটি প্রতিবেদন দিয়েছে গুগল। ট্রেন্ডস ডট গুগল ডট কম জানিয়েছে ‘অনুসন্ধান’, ‘ব্যক্তিত্ব’, ‘খবর’ এই তিন ধরনের মাধ্যমে বের করা হয়েছে কী এবং কাদের সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে ব্যবহারকারীরা।

বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের তালিকায় শীর্ষে আছেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। এরপরই মিয়া খলিফা এবং তাসকিন। ব্যক্তিত্বদের তালিকার শীর্ষ দশে থাকা অন্যরা হচ্ছেন, অভিনেতা শাকিব খান, মোশাররফ করিম, সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী জান্নাতুল নাইম এভ্রিল, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা, ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদি, অভিনেত্রী শবনম বুবলি এবং গায়ক আতিফ আসলাম।

‘অনুসন্ধান’-এর তালিকায় এসেছে একাধিক বলিউড চলচ্চিত্রের নাম। এর মধ্যে আছে জাগ্গা জাসুস, দঙ্গল, হাফ গার্লফ্রেন্ড। এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলও আছে শীর্ষ দশে। আছে সদ্য শেষ হওয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)।

‘খবর’ এর তালিকায় ওপরের দিকে আছে ‘জেএসসির প্রশ্ন’, ‘রোহিঙ্গা’, ‘একটি বাড়ি একটি খামার’, ‘আর্জেন্টিনা সাবমেরিন’, ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’, ‘চিকনগুনিয়া’, ‘দুর্গাপূজা’, ‘সাইক্লোন মোরা’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রীকে ‘তালাক’ দিয়ে শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও!

ভারতের উত্তর প্রদেশের সহারানপুর জেলার দেববন্দ এলাকার পাঠানপুরা কলোনিতে অবাক করা ঘটনাটি ঘটে। এক ব্যক্তি স্ত্রীকে ‘তিন তালাক’ বলে স্ত্রীর ছোটবোনকে নিয়ে পালিয়েছে। ঘটনার শিকার নূরজাহান বেগম (২৭) অভিযোগ করেন, যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারায় স্বামী শুধু তাকে তিন তালাক বলে ত্যাগই করেনি একই সঙ্গে তার ছোট বোনকে নিয়ে পালিয়েছে।

থানায় দায়ের করা অভিযোগে নূরজাহান জানান, প্রতিবেশী এলাকার আরশাদ আহমদের সঙ্গে তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নূরজাহান বলেন, আরশাদ যৌতুকের জন্য সব সময়ই অত্যাচার করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ ডিসেম্বর তাকে বেদম মারধর করে এক পর্যায়ে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারতে চায়। কিন্তু প্রতিবেশীরা এসে তাকে রক্ষা করে। এরপর আরশাদ তাকে ‘তিন তালাক’ উচ্চারণের মাধ্যমে তালাক দেয় এবং তার স্বর্ণালংকারগুলোসহ তার ছোটবোনকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, দেশটির সুপ্রিম কোর্ট শুধু মুখে তিন তালাক বলে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের বহুল চর্চিত অপপ্রথার বিরুদ্ধে সম্প্রতি রায় দেয়। কিন্তু আইনে নিষেধ হলেও বাস্তবে এর চল এখনও রয়েই গেছে।
এরই সর্বশেষ উদাহরণ এ ঘটনা।

এ ব্যাপারে ভারতের সাহারানপুরের এএসপি বাবলু কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তদন্তের পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যাংক লকারের চাবির জন্য বাবা-মাকে পেটাল শিক্ষক ছেলে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানে বাবা-মায়ের কাছ থেকে ব্যাংকের লকারের চাবি ও ব্ল্যাঙ্ক চেকে সই না পেয়ে আক্রোশে বাবা ও মাকে লোহার রড দিয়ে পেটাল শিক্ষক ছেলে। গুণধর ছেলের এমন কর্মকাণ্ডে অবাক সাধারণ মানুষ।

বুধবার দুপুরে কাটোয়ার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাধবীতলায় এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় তাপস মল্লিক (৭৬) নামের ওই বৃদ্ধকে উদ্ধার করে স্থানীয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। আটক করা হয়েছে অভিযুক্তকে।

পুলিশ জানিয়েছে অভিযুক্ত ছেলের নাম অমিত মল্লিক (৪৮)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অমিতের মা বুলুরাণিদেবীও।

স্থানীয়রা জানান, অমিত নামে ওই ব্যক্তি তার বাবা মাকে প্রায়শই মারধর করত। কাটোয়া শহরে মাধবীতলায় তাপসবাবুদের বাড়ির নিচেই হার্ডওয়ারের দোকান। পৈতৃক ব্যবসা।

জানা গেছে, অগাধ সম্পত্তির মালিক তাপস মল্লিকরা।
তিনি বৃদ্ধ বয়সেও নিজেই দোকান চালান। দুজন কর্মচারী রয়েছেন দোকানে।

বুলুরাণি মল্লিক জানান, অমিত তাদের একমাত্র সন্তান। কেমিস্ট্রিতে এম এস সি। খুব মেধাবী ছাত্র ছিল। অল্প বয়সেই শিক্ষকতার চাকরি পায়। বীরভূম জেলার কীর্নাহারের সরডাঙ্গা আব্দুল হালিম স্মৃতি শিক্ষা নিকেতনের শিক্ষকতা করত। মাস চারেক আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অমিতের বিয়ে হয় মঙ্গলকোটের মাজিগ্রামে। একটি ছেলেও রয়েছে তার। তবে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তির কারণে অমিতের স্ত্রী তিনমাস আগে ছেলেকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে গেছেন।

আহত তাপসবাবু বলেন, ‘আমার ছেলে প্রায়ই আমাকে চাপ দিত সমস্ত সম্পত্তি তার নামে লিখে দেওয়ার জন্য। মারধরও করত। তবে পারিবারিক বিষয় বলে মুখ বুজে সব সহ্য করে এসেছি। ’

তিনি জানান, এদিন বুধবার সকালে ঘটনার সূত্রপাত। তাপস মল্লিকের কথায়, ‘অমিত আমার কাছে ব্যাংকের লকারের চাবি চায়। আর চেকবই নিয়ে বলছিল একটি ব্ল্যাংক চেকে সই করে দিতে। আমি রাজি হইনি। তখন ও আমাকে দোকানের লোহার রড নিয়ে এসে মারতে থাকে। আমাকে ছাড়াতে এলে ওর মাকেও মারে। ’

পরে পুলিশ এসে তাপসবাবুকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে দুজনকে। দুজনেরই মাথায় আঘাত লেগেছে।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় যুবলীগ নেতা জজ আলীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০১৩ সালের ১৩ই ডিসেম্বর বিএনপি- জামায়াত- শিবিরের নৃশংস হত্যার শিকার উপজেলার ১নং জয়নগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান জর্জ আলীর ৪র্থ শাহাদাৎ বাষির্কীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে সরসকাটি দাখিল মাদ্রাসার সামনে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে সন্তানহারা মা ও তার বিধবা স্ত্রী, সন্তানসহ হাজারও মানুষ মানববন্ধন করেন।পরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ১নং জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত ও গীতা পাঠের মধ্যে দিয়ে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিঃ শেখ মুজিবুর রহমান। এ সময় তিনি বলেন, বিগত ২০১৩ সালে বিএনপি- জামায়াত শিবিরের নৃশংস হামলায় নিহত শহীদ মেহেদী হাসান জর্জ আলীর হত্যাকারীদের এই সরকারের আমলেই বিচারের কার্যক্রম শেষ হবে। যারা দেশকে জঙ্গীবাদ বানিয়ে জর্জ আলীসহ উপজেলার ৪ নেতাকে হত্যা করেছেন তাদের ফাঁসির সকল কাজ শেষ পর্য্যায়ে। হত্যাকারীদের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আপনারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। পরে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ১নং জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্দ্যোগে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু তাপস পালের পরিচালনায় স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব নজরুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ কামাল শ্রভ্র, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আসাদুজ্জামান বাবু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব আরাফাত হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্জ্ব শেখ আমজাদ হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আসিফ সাবাজ খান, কলারোয়া পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম শফিউল আলম শফি, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগের সভাপতি শেখ আশিকুর রহমান মুন্না, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মইনুল রশিদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মাস্টার মোতালেব খা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান শেখ ফিরোজ আহম্মেদ, শফিকুর রহমান মালী, জর্জ আলীর স্ত্রী রিতা খাতুন, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এসএম আবু সাঈদ, উপজেলা তরুনলীগের সভাপতি রিপন হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা আব্দুস সালাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হিজড়াদের সমাজের মূল স্রোতে আনতে হবে – জেলা প্রশাসক এ.কে.এম মহিউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘বৈষম্য নয়, সামাজিক মর্যাদা হিজড়াদের প্রাপ্য’ হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা সমাজ সেবা অধিদফতরের আয়োজনে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক দেবাশিস সরদারের সভাপতিত্বে সেমিনারের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘হিজড়ারা সমাজের একটি অংশ। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি খুদ্র অংশ হলেও আবহমান কাল থেকে এ জনগোষ্ঠী অবহেলিত ও অনাগ্রসর গোষ্ঠীর হিসেবে পরিচিত। সমাজে বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার এ জনগোষ্ঠীর পারিবারিক, আর্থসামাজিক কোন শিক্ষা ব্যবস্থা, বাসস্থান, স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সর্বপরি তাদেরকে সমাজের মুল স্রোতধারায় এনে দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাদেরকে সম্পৃক্ত করণের লক্ষ্যে সরকার এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।’
সেমিনারের আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ, শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আশাশুনি উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এমদাদুল হক, কলারোয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ ফারুক হোসেন প্রমুখ। সেমিনারে জেলার ৩০ জন হিজড়া অংশ নেয়। আগামী ১৭ ডিসেম্বর রবিবার থেকে ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক ৫০ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠত হবে। এতে জেলার ৫০ জন হিজড়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচী (৭ম পর্ব) এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে সদর উপজেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। এসময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার যুবশক্তিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার অতীতে অগণতান্ত্রিক শাসকরা যুবসমাজকে সমাজবিরোধী কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে আর কেউ যাতে যুবসম্প্রদায়কে সমাজবিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। যুবকরা যাতে আত্মনির্ভরশীল হয়ে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে, সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার যুবসম্প্রদায়ের উন্নয়ন ও কল্যাণে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী যুবকদের কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে রূপকল্প ২০২১-এ বেকারত্বের হার শতকরা ৪০ ভাগ থেকে ১৫ ভাগে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় যুবকদের বিভিন্ন সেবা খাত ও তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষার পাশাপাশি জাতি গঠন, দেশপ্রেম, সততা ও নৈতিকতার বিষয়ে মৌলিক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করা হবে। দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচীর উল্লেখ করে এমপি রবি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরো বলেন, পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি উপজেলায় এই সার্ভিস চালুর মাধ্যমে বেকারদের কর্মক্ষেত্র তৈরি এবং কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা পযন্ত বিনা সুদে ঋণ দিয়ে তাদের আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিগত জোট সরকারের আমলে দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন এক মেগাওয়াটও বাড়েনি। বরং এর আগে বিগত আওয়াম লীগ সরকারের সময় যে বিদ্যুত উৎপাদন করা হযেছিল তাও বিএনপি-জামায়াতের আমলে কমে গিয়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আজ পরমানু বিদ্যুৎ উপাদন করছে এবং চলতি বছরের ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট উৎক্ষেপন করতে যাচ্ছে। ৪ দলীয় জোট সরকার বিদ্যুত খাতে দুর্নীতি ও লুটপাট ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ বিশাল ভোটের ব্যবধানে মহাজোটকে বিজয়ী করে তাদের বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসনের জবাব দিয়েছে। শেখ হাসিনার উন্নয়ন মানুষের নজর কেড়েছে। এজন্য বাংলার জনগণ আবারো একাদ্বশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসাবে। হিসেবে ব্যবহার করতে চায় না; বরং সরকার চায় তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখুক। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল কাদের, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আমজাদ হোসেন, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নকিবুল হাসান, সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ফরায়েজী বেনজীর আহমেদ, মো. আবুল কালাম আজাদসহ সদর উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজকে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পরাজিত করে কুমিরা মহিলা কলেজ জয়ী

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : ‘যুক্তির আলোয় আলোকিত হোক বাংলাদেশ’ শ্লোগানে ড্রীমটার্চ ইন্টারন্যাশনাল এর আয়োজনে ও চিলড্রেনস সোসাইটি বাংলাদেশের ইভেন্ট সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটার কুমিরা মহিলা ডিগ্রী কলেজ অডিটোরিয়ামে সাতক্ষীরা জেলা প্রথম আন্তঃ কলেজ বির্তক প্রতিযোগিতা-২০১৭ এর ফাইনাল পর্ব বুধবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়।

কুমিরা মহিলা ডিগ্রী কলেজের সভাপতি সাবেক এমপি আলহাজ্ব ইঞ্জিঃ শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতিত্বে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, কুমিরা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ লুৎফুন আরা জামান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান বাবু, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, জেলা পরিষদ সদস্য কাজী নজরুল ইসলাম হিল্লোল, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ সরদার, ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দীন ভূইয়া, প্রভাষক মোস্তাফিজুর রহমান, প্রভাষক আছাদুল ইসলাম প্রমূখ।

‘জঙ্গিবাদ নিরসনে প্রশাসন অপেক্ষা জনসেচতনতা শ্রেয়’ বিষয়ের আলোকে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ বির্তক প্রতিযোগিতায় বিপক্ষ দল কুমিরা মহিলা ডিগ্রী কলেজ ৭৭.৫ পয়েন্ট পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ একই বিষয়ের পক্ষে অংশ গ্রহণ করে ৭৭ পয়েন্ট পেয়ে রানার্স আপ হয়। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিমুল হোসেন শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন। এ প্রতিযোগিতায় মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন উপাধ্যক্ষ সেখ সহিদুল ইসলাম। বিচারক ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক অলিক পাল, প্রভাষক নাজমুল হক, প্রভাষক মেহেদী হাসান। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ড্রীম টার্চ ইন্টাঃ পরিচালক মশরেফুজ্জামান ইমন এবং চিলড্রেন সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি মেহেদী হাসান মিঠু। অনুষ্ঠানটির সঞ্চলনায় ছিলেন, প্রভাষক আলমগীর হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

মোস্তাফিজুর রহমান : আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ৩য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে র‌্যালি বের হয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সম্মেলন কক্ষ রঙিন ফানুস উড়িয়ে, কেক কেটে ও আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এসময় অনুষ্ঠানকে আনন্দময় করে তোলেন আগত অতিথিবৃন্দ। আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম অন্যান্য অতিথিবৃন্দকে সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটেন।

পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন, সাংবাদিকদেরকে বলা হয় জাতির বিবেক, সমাজের দর্পণ এবং সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। তাদের লেখনি’র মাধ্যমে জাতি জানতে পারে সত্য ঘটনা। তারা যে ঘটনার প্রতিছবি লেখনি’র মাধ্যমে উপস্থাপন করে থাকেন সেটিকে আমরা বাস্তব হিসাবে ধরে নিয়। সুতরাং সাংবাদিকদের কারও দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে , কারো তোষামোদী না করে সঠিক তথ্য তুলে ধরা নৈতিক দায়িত্ব। তিনি আশাশুনি উপজেলার গতিশীল ও সুশৃঙ্খল সাংবাদিক সংগঠন আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাব সাংবাদিকদের কাছে অবহেলিত আশাশুনি উপজেলার সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরে আরও বেশী লেখালেখি করার আহবান জানান। রিপোর্টার্স ক্লাব সহ-সভাপতি আইয়ুব হোসেন রানা ও নির্বাহী সদস্য প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ আ ব ম মোছাদ্দেক, শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান ম. মোনায়েম হোসেন, আশাশুনি প্রেসক্লাব উপদেষ্টা একেএম এমদাদুল হক, প্রেসক্লাব সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান, আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ প্রতিনিধি এস আই বিশ্বজিৎ অধিকারী, আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, বুধহাটা আঞ্চলিক প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম আমির হামজা, সাবেক সভাপতি সচ্চিদানন্দদে সদয়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসকে হাসান, বড়দল প্রেসক্লাব আহবায়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম, চাম্পাফুল আঞ্চলিক প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান মনি, ব্যাংদহা আঞ্চলিক প্রেসক্লাব সহ সভাপতি মানিক চন্দ্র বাছাড়, দরগাহপুর আঞ্চলিক প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি প্রভাষক শেখ আশিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলামসহ আশাশুনি প্রেসক্লাব ও রিপোটার্স ক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সাংবাদিক এস এম শাহিন আলম ও গীতা পাঠ করেন রিপোর্টার্স ক্লাব যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত দাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest