সর্বশেষ সংবাদ-
বাগেরহাটে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর ও নববধূসহ প্রাণ গেল ১৪ জনেরসখিপুর হাসপাতালে অনিয়মের অভিযোগ: রোগীদের পচা খাবার- সময়মতো মিলছে না খাবারসাতক্ষীরা জেলা মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভাসাতক্ষীরায় কর্মের প্রতিশ্রুতি: বাংলাদেশে সরাসরি তহবিল এবং ঝুঁকি ভাগাভাগি এগিয়ে নেওয়া শীর্ষক সেমিনারশ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপবিশিষ্টজনদের নিয়ে সাতক্ষীরা জামায়াতের ইফতার মাহফিলকালিগঞ্জে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ১০ লাখ টাকা ছিনতায়ের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিড়ির ইফতারজেনেভায় প্রবীনদের অধিকার সংক্রান্ত ওয়াকিং গ্রপের সভার অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় আশেক-ই-এলাহীসাতক্ষীরা ল স্টুডেন্টস ফোরাম এর ইফতার

নেকড়ের সঙ্গে সালমান খানের লড়াই!

বিনোদন ডেস্ক : সিনেমার পর্দায় দর্শকদের আনন্দ দিতে কত কসরতই তো করেন তারকারা। কিন্তু তাই বলে সত্যিকারের নেকড়ের সাথে লড়াইয়ের মতো দুঃসাহস কেউ করেন? কেউ না করলেও এমন দুঃসাহস করেছেন বলিউড ভাইজান খ্যাত তারকা সালমান খান।
তার নতুন ছবি ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’- এর একটি দৃশ্য ছিলো নেকড়ের সঙ্গে লড়াইয়ের। সেই দৃশ্যের একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন পরিচালক আলি আব্বাস জাফর। তিনি বলেন, ভেবেছিলেন প্রযুক্তির মাধ্যমেই সেই দৃশ্যটি করবেন। কিন্তু দর্শকদের কাছে যেনো খুঁত না থাকে তার জন্যে প্রযুক্তির নেকড়ে নয়, দৃশ্যায়নের জন্যে বন্দোবস্ত করা হয়েছিলো একেবারে জীবন্ত রক্ত পিপাসু নেকড়ে।
অস্ট্রিয়ার তুষার ঢাকা সে জঙ্গলে কয়েকটি নেকড়ের ব্যবস্থা করেছিলেন অ্যাকশন দৃশ্যের পরিচালক টম স্ট্রাথার। এই দৃশ্যধারণ সম্পর্কে ছবির পরিচালক আলী আব্বাস জাফর বলেন, ‘বলিউডের রুপালি পর্দায় এ ধরনের অ্যাকশন দৃশ্য প্রথমবারের মতো দেখবেন দর্শক। জীবন্ত নেকড়ের সঙ্গে অ্যাকশন দৃশ্য করে অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজেকে অন্যস্থানে নিয়ে গেলেন সালমান।’
আগামী ২২ ডিসেম্বরে রুপালি পর্দায় মুক্তি দেয়া হবে সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ ছবিটি। ছবিটিতে একজন ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্টের ভূমিকায় দেখা যাবে সালমান খানকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অভিনয়ে ফিরলেন শারমিন শীলা

বিনোদন ডেস্ক : পাঁচ বছর পর অভিনয়ে ফিরলেন শারমিন শিলা। মীর সাব্বিরের পরিচালনায় ধারাবাহিক নাটক ‘নোয়াশাল’-এ দেখা যাবে তাঁকে।
এর মধ্যে শুরু করেছেন শুটিং। সাব্বির বলেন, “বন্ধু শিলাকে আমার নাটকে পেয়ে ভালো লাগছে। একদিন সে-ই বলেছিল, ভালো কোনো চরিত্র হলে আবার অভিনয়ে ফিরবে। ‘নোয়াশাল’ নাটকটি অঞ্চলভিত্তিক ভাষায় নির্মিত হচ্ছে। শিলার বাড়ি নোয়াখালী। সে নোয়াখালীর ভাষা ভালো বলতে পারে। তাই ওকেই নাটকটিতে কাস্ট করেছি। এর মধ্যে নাটকটির ৬০০তম পর্ব প্রচারিত হয়েছে। ৬১০ পর্ব থেকে দেখা যাবে শিলাকে। সে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর খালার চরিত্রে অভিনয় করছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাসের ‘কন্ডাক্টর’ থেকে সুপারস্টার রজনীকান্ত

বিনোদন ডেস্ক : শিবাজি রাও গাওকায়াদ। বলিউডে যিনি রজনীকান্ত নামেই পরিচিত। ১৯৫০ সালে ভারতের বেঙ্গালুরু রাজ্যে তার জন্ম। নিজ অভিনয় গুণ ও দক্ষতা দিয়ে পুরো ভারত বটেই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছেন তিনি। হয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেতা।
কিন্ত এই রজনীকান্তের নায়ক হিসেবে উত্থান ঠিক যেন সিনেমার গল্পের মতোই। এই কিংবদন্তীর জীবনটা এতটা মসৃণ ছিল না। আজকের এই রজনীকান্ত জীবনের এক সময় কাজ করেছেন বেঙ্গালুরুর বাসের কনডাক্টর হিসেবে। সেখান থেকে চলে যান মাদ্রাজ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে। কিন্তু তার এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি তার বাবা। তার এই দুর্দিনে এগিয়ে এলেন তার বন্ধু রাজ বাহাদুর।
রজনীর সিনেমা জীবনটা শুরু হয় মঞ্চ নাটক দিয়ে। তারপর ডাক পান তামিল পরিচালক কে বালাচরনদারের ছবিতে। শুরু হল নতুন পথ চলা। এরপর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রজনীকে।
ভারতের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকের অভিনেতা রজনীকান্ত। শিবাজি ছবির জন্য তিনি পারিশ্রমিক নিয়েছেন ২৬ কোটি রুপি-যা এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এশিয়ার প্রথম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকের অভিনেতা জ্যাকি চ্যান।
রজনীকান্তই প্রথম ভারতীয় অভিনেতা যিনি বিভিন্ন প্রযুক্তির ক্যামেরায় কাজ করেছেন। রজনীকান্ত প্রতিটি ছবির শ্যুটিং শেষে চেন্নাই থেকে হিমালয়ে হাওয়া খেতে যান। একবার চেন্নাইতে তার জন্ম দিনের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে তার এক ভক্ত সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। এরপর থেকে চেন্নাইতে নিজের জন্ম দিন আর কোনদিনই পালন করেননি তিনি। রজনীকান্ত অভিনীত সায়েন্স ফিকশন ধর্মী তামিল ছবি এনথিরান ২০১০ সালে বিশ্বে টপ ৫০ এর মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল।
শুধু তাই নয়, তার এই ছবিটি একটি স্নাতকোত্তর কোর্সের কেস স্টাডিতে জায়গা পেয়েছিল। এই কিংবদন্তী অভিনেতা তামিল, তেলেগু, কান্নাদা, মালায়াম, হিন্দী এমনকি বাংলা ছবিতেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু কোনটিতেই তিনি মাতৃভাষা ব্যবহার করেননি।
রজনীর জনপ্রিয়তা এতই তুঙ্গে যে, ২০১৪ সালের ৫ মে যখন প্রথম তিনি টুইটারে আসেন, প্রথম দিনেই তার ফলোয়ার সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়ে যায়। উত্তরের ভক্তরা তাকে দেবতার সাথে তুলনা করেন।
বুধবার রজনীকান্তের ৬৭ তম জন্মদিন ছিল। ভক্ত ও অনুরাগীদের থেকে পেয়েছেন শুভেচ্ছা। বয়স বাড়লেও, সিনেমার পর্দায় তা বুঝতে দেননি। আগামী বছরই তাঁর ২.০ ছবিটি মুক্তি পাবে। সেখানেও তাঁকে দেখা যাবে এক অন্য অবতারে। রোবট ছবির সিকুয়ালে রজনীর পাশাপাশি দেখা যাবে অক্ষয় কুমারকেও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পানির সঙ্গে লেবু ও মধু, ওজন কমায়?

লেবু, মধু আর পানি—এই তরল পানীয়টি অনেকের কাছে অতি পরিচিত। ওজন কমাতে অনেকেই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করে থাকে এই পানীয়।

আসলেই কি এই পানীয় ওজন কমায়? লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রভাব। এটি শরীরের জন্য উপকার। বলা হয়, লেবু-মধু একসঙ্গে হালকা গরম পানি দিয়ে খেলে বিপাক (মেটাবলিজম) সক্রিয় হয়। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

এই মিশ্রণ ওজন কমাতে পারে—এটি গবেষণায় সেভাবে প্রমাণ না হলেও এই মিশ্রণ ত্বককে ভালো রাখতে ও ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে খুবই উপকারী। এই মিশ্রণটি কোনো মহৌষধ নয় যে পান করলেই ওজন কমে যাবে। সঠিক জীবনযাত্রা, হাঁটা ও ক্যালরি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুষম খাবার গ্রহণ করা ছাড়া শুধু লেবু-মধু-পানি খেয়ে ওজন কমানো সম্ভব নয়। বরং অতিরিক্ত লেবু খেলে তা কিডনির জন্য ঝুঁকি। আবার বেশি লেবু খেলে বুক জ্বালাপোড়া, এসিডিটি, এমনকি পেটে ব্যথাও হতে পারে।

আবার বেশি মধু খেলে ক্যালরি বেশি হলে তাও ঠিক নয়। ওজন কমাতে সকালে খালি পেটে মধু-লেবু-পানির ওপর নির্ভর না করে সঠিক ডায়েটের মাধ্যমে ওজন কমাতে হবে। তবে হ্যাঁ, লেবু-মধু-পানি তাতে সহায়ক হয়ে কাজ করবে।

এক গ্লাস গরম পানি (যতটুকু গরম মুখে সইবে), তার সঙ্গে একটি মাঝারি লেবুর অর্ধেক, আর ক্যালরিভেদে আধা বা এক চা চামচ মধু মিশিয়ে সকালে ডায়টিশিয়ান বা এক্সপার্ট পরামর্শমতে পান করলে ভালো। মধু কতটুকু খাঁটি, তা জানাও অনেক জরুরি।

তবে এটা ঠিক, আমি তাদের এই মিশ্রণ খেতে বলি, যারা অনেক ক্লান্ত বোধ করে। এ ছাড়া যাদের মাইগ্রেন রয়েছে, তারা বাইরের রোদে বের হওয়ার সময় এবং রোদ থেকে ফিরে এই মিশ্রণটি খেলে অনেক উপকার পাবে।

আবার যারা ব্রেনের কাজ বেশি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তারা এই মিশ্রণ খেলে অনেক উপকার পাবে। খুব কাশি-ঠান্ডা লাগলেও এটি উপকারী।

তাই না জেনে অতি স্বাস্থ্যকর একটি তরলকে অস্বাস্থ্যকর না করে তোলাই ভালো।

লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তার

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সেখানে কর্মরত লন্ডনভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুই সাংবাদিক ওয়া লন ও কিঁয় সোয়ে ও-কে গ্রেপ্তার করেছে।

এ দুই সাংবাদিক সম্প্রতি সেনাবাহিনীর হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতনের মুখে রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর প্রতিবেদন তৈরির কাজ করছিলেন।

মিয়ানমারের তথ্য মন্ত্রণালয় তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে গতকাল বুধবার জানিয়েছে, এ দুই সাংবাদিক ছাড়াও কর্তৃপক্ষ আরো দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের ১৯২৩ সালের ব্রিটিশ উপনিবেশিক যে আইনের আওতায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, তাতে দোষী প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সাজা হতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা ‘বেআইনিভাবে পাওয়া তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিদেশি গণমাধ্যমের কাছে শেয়ার’ করেছেন। তার সঙ্গে দুই সাংবাদিকের হাতকড়া অবস্থায় তোলা ছবিও যুক্ত করা হয়েছে।

মিয়ানমারের অন্যতম প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের বাইরে একটি পুলিশ স্টেশনে তাদের আটক রাখার তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

সাংবাদিক ওয়া লন ও কিঁয় সোয়েও গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশের আমন্ত্রণে একটি ডিনারে অংশ নিতে গিয়ে নিখোঁজ হন। রয়টার্সের গাড়িচালক মাঁয়োথান্ট তুন ওই রাতে ৮টার দিকে দুই সাংবাদিককে নিয়ে পুলিশের আট ব্যাটালিয়নের কম্পাউন্ডে নামিয়ে দেন। তারপর দুই সাংবাদিক ও দুই পুলিশ কর্মকর্তা কাছাকাছি একটি রেস্তোরাঁয় যান। কিন্তু দুই সাংবাদিক সে রাতে আর গাড়িতে ফিরে আসেননি। তার পর থেকেই তাঁরা নিখোঁজ ছিলেন।

নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে গত ২৫ আগস্টের পর থেকে সাড়ে ছয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম বাস্তুচ্যুত হয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গারা ভয়াবহতার বিবরণ দিতে গিয়ে বলেছেন, দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুরুষ সদস্যদের ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করছে, নারীরা প্রতিনিয়ত সেখানে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে আর তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতার এ ঘটনাকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। যদিও মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষ এবং দেশটির নেত্রী নোবেলজয়ী অং সান সু চির পক্ষ থেকে তা বরাবরই অস্বীকার করা হয়েছে।

‘রয়টার্সের দুই সাংবাদিক ওয়া লন ও কিঁয় সোয়ে ও মিয়ানমারের বৈশ্বিক গুরুত্ব নিয়ে লিখেন এবং আজকের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের শিক্ষা হচ্ছে, তাঁরা তাদের কাজে যুক্ত থাকার কারণেই গ্রেপ্তার হয়েছেন’, এক বিবৃতিতে বলেন রয়টার্সের প্রেসিডেন্ট ও এডিটর-ইন-চিফ স্টিফেন জে অ্যাডলার।

রয়টার্সপ্রধান আরো বলেন, ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর এই ধরনের নির্লজ্জ আক্রমণে আমরা ক্ষুব্ধ। দুই সাংবাদিককে অবিলম্বে মুক্তির জন্য আমরা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির মুখপাত্র জ তাই। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু আপনাদের দুই সাংবাদিককেই গ্রেপ্তার করিনি, এ মামলার সঙ্গে যুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা পুলিশ ও সাংবাদিক উভয়ের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেব।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হেদার নাওয়েট দুই সাংবাদিককে আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, তাঁর দেশ বিষয়টি ‘নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ’ করছে। তিনি দুই সাংবাদিকের নিরাপত্তার বিষয়টি কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘তারা সেখানে শুধু তাঁদের নির্ধারিত পেশাগত দায়িত্বই পালন করছিলেন।’

এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নিউইয়র্কভিত্তিক কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে রিয়াল

প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব আলজাজিরা। তাদের বিপক্ষে জয় পেতেই ঘাম ঝরাতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। অবশ্য এই জয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি। গতকাল বুধবার রাতে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা জিতেছে ২-১ গোলে।

জায়েদ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও গ্যারেথ বেল একটি করে গোল করে রিয়ালের জয়ে মূল অবদান রাখেন। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলের ক্লাব গ্রেমিও।

ম্যাচে হারলেও প্রথমে এগিয়ে যায় আলজাজিরা। ৪৩ মিনিটে ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার রোমারিনিয়ো লক্ষ্য ভেদে করেন। কিন্তু এই ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি আরব আমিরাতের ক্লাবটি। দুই মিনিট পর ম্যাচে সমতায় ফিরে রিয়াল। আর গোলদাতা দলটির সবচেয়ে বড় তারকা রোনালদো। ডি-বক্সে বল পেয়ে কোনাকুনি শটে জালে জড়াতে মোটেও ভুল করেননি সদ্য ব্যালন ডি’অর জেতা এই তারকা।

প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। তবে রিয়ালকে দ্বিতীয় গোলের দেখা পেতে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। ৮১ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে গ্যারেথ বেল দলকে সাফল্য এনে দেন। লুকাস ভাসকেজের বাড়ানো বল ধরে দলের পক্ষে দ্বিতীয় এবং জয়সূচক গোলটি করেন তিনি।

আগামী শনিবার ফাইনালে ব্রাজিলীয় ক্লাব গ্রেমিও মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদের। এ আগে গত মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে মেক্সিকোর ক্লাব পাচুকাকে ১-০ গোলে হারিয়ে গ্রেমিও ফাইনালে ওঠে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাগরপারে সংসার পাতবেন তাঁরা

বিনোদন ডেস্ক : বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মাইতালির ফ্লোরেন্সে গত সোমবার চুপিচুপি বিয়ের কাজটা সেরেছেন বলিউড তারকা আনুশকা শর্মা আর ভারতের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সংসার সেই অর্থে এখনো শুরু করেননি। দেশে ফিরেই নিজেদের বাড়িতে উঠবেন। কিন্তু কোন শহরে থাকবেন ‘বিরুশকা’ জুটি? কোহলি থাকেন নয়াদিল্লিতে আর আনুশকা তাঁর পরিবারসহ এত দিন ছিলেন মুম্বাইয়ের ভারসোভায়। আনুশকার মুখপাত্র প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধিকে জানান, বিরাট-আনুশকা দেশে ফিরে মুম্বাইয়ের ওরলি এলাকায় নিজেদের নতুন অ্যাপার্টমেন্টে উঠবেন। ‘আর্কিটেকচারাল ডাইজেস্ট’ সম্প্রতি এই নবদম্পতির বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের বিস্তারিত প্রকাশ করেছে।
আরব সাগরের তীরে এই ফ্ল্যাটটি বিরাট কোহলি কিনেছেন গত বছর। চার বেডরুমের এই ফ্ল্যাটের আয়তন ৭ হাজার ১১৭ বর্গফুট। বিলাসবহুল এই ফ্ল্যাটের প্রতিটি শোয়ার ঘরের সঙ্গে রয়েছে বিশাল বারান্দা, আর সেখান থেকে দেখা যায় সমুদ্র। বিরাট-আনুশকার বাড়িতে আরও আছে ইনডোর টেনিস কোট, পোষা প্রাণীর চিকিৎসার জন্য ক্লিনিক, স্পা, জিম আর খেলাধুলার জায়গা। ছাদে পার্টি করার জন্য আলাদা জায়গার ব্যবস্থা আছে। শিশুদের খেলার জন্য সেখানে রাখা হয়েছে আলাদা জায়গা। আর আছে বিশাল একটি পুল। বিয়ের পর সাধারণত মেয়েরা বরের বাড়ি যান। শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে না থাকলেও সাধারণত স্বামীর শহরেই সংসার পাতেন মেয়েরা। তবে বিরাট এবার সেই প্রথা ভাঙতে চলেছেন। স্ত্রী আনুশকার অভিনয়, প্রযোজনা, পোশাক ব্যবসাÑ সব কাজ মুম্বাই শহরে। তাই সেখানেই ঘর বাঁধার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দুজন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

ন্যাশনাল ডেস্ক : উদয়ের পথে শুনি কার বাণী/ভয় নাই ওরে ভয় নাই/নিঃশেষে প্রাণ, যে করিবে দান/ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই অমর পঙক্তির চেতনায় উজ্জীবিত জাতি আজ পালন করবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
জাতি স্মরণ করবে তার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। ভোর থেকে জনতার ঢল নামবে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ আর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যাবে তাঁদের স্মরণে নির্মিত সৌধ।
মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতি যখন আসন্ন বিজয়ের আনন্দে উন্মুখ, ঠিক তখন দখলদার পাকিস্তানিদের এদেশীয় দোসর আলবদর, রাজাকার, আলশামস-ঘাতকরা রাতের অন্ধকারে মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী নিধনযজ্ঞে। তারা হত্যা করে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের।
মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর কাছে পরাজয় স্বীকার করে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দুদিন আগে ১৪ ডিসেম্বর সারা দেশ থেকে সহস্রাধিক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে পৈশাচিকভাবে হত্যা করে তারা। অনেকের লাশই পাওয়া যায়নি। এভাবে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার হীন চক্রান্তে মেতে ওঠে নির্মম ঘাতক-দালালরা। দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের মহান মুক্তি সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে নিজ কর্মের মাধ্যমে স্বাধীনতার সংগঠকদের প্রভূত প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। মুক্তিকামী জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে।
হানাদাররা সেদিন কেবল ঢাকাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিসেবী, পদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় দেড়শ বুদ্ধিজীবী-কৃতী সন্তানকে অপহরণ করে মিরপুর ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করে। সেই থেকে ১৪ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে এক শোকাবহ দিন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মরণে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।
একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হানাদাররা সে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে হত্যার মাধ্যমে শুরু করে বাঙালি নিধনযজ্ঞ। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস হানাদাররা বাংলাদেশে গণহত্যা, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ অব্যাহত রাখে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নিজেদের পরাজয় অনিবার্য জেনে দখলদাররা বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার গোপন নীলনকশা করে। বুদ্ধিজীবীদের তালিকা তৈরি করে তা তুলে দেয় আলবদর, আলশামস ও রাজাকার বাহিনীর হাতে। ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই তালিকা অনুযায়ী পাকবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘৃণ্যতম অপকর্মে এ তিনটি ঘাতক গ্রুপ মেতে ওঠে। কারফিউর মধ্যে রাতের অন্ধকারে বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে ধরে এনে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার ও মিরপুরের বধ্যভূমিতে নির্মম-নৃশংসভাবে হত্যা করে। ১৩ ডিসেম্বর মধ্যরাতের পর সারা দেশে একযোগে সর্বাধিক সংখ্যক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত সারা দেশে ৪৬৭টি বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া গেছে। কেবল ঢাকা ও এর আশপাশে ৪৭টি বধ্যভূমি চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে দখলদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা বুদ্ধিজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা, অধ্যাপক রাশিদুল হাসান, ড. সন্তোষ ভট্টাচার্য, ডা. মোহাম্মদ শফি, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, নিজামউদ্দিন আহমেদ, খন্দকার আবু তালেব, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, সৈয়দ নাজমুল হক, চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান, সুরকার আলতাফ মাহমুদ, ড. আবদুল খায়ের, ড. সিরাজুল হক খান, ড. ফয়জল মহী, ডা. আবদুল আলীম চৌধুরী, সাংবাদিক সেলিনা পারভীন, হবিবুর রহমান, মেহেরুন্নেসা, গিয়াস উদ্দীন আহমদ প্রমুখ।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণা, চিত্রপ্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ বেতার, বিটিভি, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও এফএম রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। জাতীয় দৈনিকগুলোতেও বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest