বেনাপোল ইমিগ্রেশনের প্রধান গেট সিলগালা

ইমিগ্রেশনে ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে  কাস্টমস ও পুলিশের মধ্যে  হাতাহাতি ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনার জেরে কাস্টমস-ইমিগ্রেশন ভবনের মূল প্রবেশ পথ সিলগালা করে দিয়েছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

গত  চার দিন ধরে উভয় পক্ষ একে অপরকে অভিযুক্ত করে পাল্টাপাল্টি তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। কাস্টমস সদস্যরা পুলিশের বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমে পথসভা-মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়া বাণিজ্যিক কাজে বিড়ম্বনা ও যাত্রীদের কাছ থেকে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে বন্দর রক্ষা কমিটি নামে একটি সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও কাস্টমসের বিপক্ষে বিক্ষোভ মিছিল করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ইমিগ্রেশন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গিয়ে প্রবেশ দ্বারে তালা ঝুলিয়ে সিলগালা অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।

এদিকে কাস্টমস আর ইমিগ্রেশন পুলিশের মধ্যে অভ্যন্তরীণ এই দ্বন্দ্বে ভোগান্তি বেড়েছে যাত্রীদের। বিশেষ করে কাস্টমস সদস্যদের কর্মবিরতিসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে তারা নিয়মিত অফিসে না  বসায় আরো বেড়ে চলেছে এ ভোগান্তি।

চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে  গিয়ে দেখা যায়, গত শনিবার দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ভারতে ঢুকতে না পারা যাত্রীরা রোববার ফের  ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।

ভারত ফেরত যাত্রী যশোরের ফজের আলী বলেন, কাস্টমস আর পুলিশের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। আগে যেখানে আধা ঘণ্টায় দু’পারের সব কাজ শেষ হতো, এখন সেখানে কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে দুর্ভোগের অন্ত থাকছে না।

যাত্রীরা বলেন, ইদানিং চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন-কাস্টমসে ঘুষ বাণিজ্যে  মারাত্মক হয়রানি বেড়েছে। সামান্য কেনাকাটা আর পাসপোর্টে সমস্যা দেখিয়ে কাস্টমস আর পুলিশ সদস্যরা প্রতিনিয়ত  টাকা আদায় করছে।

বেনাপোল বন্দর রক্ষা কমিটির সভাপতি ওহিদুজ্জামান ওহিদ বলেন, ঘুষ ছাড়া কাস্টমসে কোন কথা নেই। কোন নিয়ম নীতি না মেনে তারা জোরপূর্বক ঘুষ আদায় করে। ঘুষ বাণিজ্য বন্ধ না করলে আমরা আগামীতে আরো বড় কর্মসূচি দেবো।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর শরীফ জানান, গেট বন্ধ থাকায় বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে যাত্রীসেবাসহ প্রয়োজনীয় কাজে গাড়ির ভিতরে নেওয়া যাচ্ছে না। ভবনটি যেহেতু উভয়ের ব্যবহারের জন্য, তাই নির্দিষ্ট কোন কারণ ছাড়া আলোচনা না করে গেটটি বন্ধ করা অযৌক্তিক। আর যাত্রী সেবা বাড়াতে বর্তমানে রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালু  রয়েছে  বলে জানান তিনি।

কাস্টমস অফিসার্স ইউনিয়ন সভাপতি নজরুল ইসলাম বাঙালি জানান, অভিযুক্ত  পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবিতে  তারা রোববার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করেছেন। উপযুক্ত বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের একের পর এক কর্মসূচি  চলতে থাকবে।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, অনিয়ম বন্ধ আর শৃঙ্খলা ফেরাতে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই গেট  সিল করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত আপাতত বন্ধ থাকবে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজিত জানান, ইমিগ্রেশন এলাকায় যাতে আর কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য তারা সতর্ক রয়েছেন।

বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী শাখাওয়াত হোসেন গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভারত থেকে ফিরে ইমিগ্রেশন পার হওয়ার পথে কাস্টমসে আটকা পড়েন। কাস্টমস সদস্যরা কেনা-কাটার জন্য তার কাছে  ঘুষ দাবি করেন। শাখাওয়াত হোসেন পরে বিষয়টি ইমিগ্রেশন ওসিকে জানান। ওসি তখন কাস্টমস এর রাজস্ব কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে ওই কর্মকর্তা শাখাওয়াতকে লাঞ্ছিত করেন ও ওসিকে অপমান করেন। ইমিগ্রেশনের অন্য পুলিশ সদস্যরা প্রতিবাদ করলে কাস্টমস ও পুলিশের মধ্যে হাতাহাতি, ভবন ভাঙচুরসহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনায় যাত্রী কাস্টমসের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে বেনাপোল পোর্ট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আছাদুল ইসলামের ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের খুলনা আঞ্চলিক কেন্দ্রের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম উপমহাদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (আইবিএস) হতে ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর পিএইচডি অভিসন্দর্ভের শিরোনাম ছিল “Land Suitability Analysis for Sustainable Agricultural Development in Rajshahi District of Bangladesh”।

আসাদুল ইসলাম খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার লালুয়া বাগালী এম. এম. মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ১৯৮৬ সালে এসএসসি, খুলনার সুন্দরবন আদর্শ কলেজ হতে ১৯৮৮ সালে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ হতে ১৯৯৩ সালে বিএসসি (সম্মান) এবং ১৯৯৪ সালে এমএসসি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের আটানী বাগালী গ্রামের মৃত মোঃ আবুল হোসেন ও মৃত মোছাঃ জোহরা খাতুনের দ্বিতীয় পুত্র। ব্যক্তি জীবনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সানজিদা খাতুন তার সহধর্মিণী এবং দুই পুত্র আলিফ আছাদ সায়ান ও আফিফ আছাদ। তিনি ভবিষ্যতে সাতক্ষীরা জেলার কৃষি, নদী, পরিবেশ, সংস্কৃতি ও জেলার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাখিনিধন বন্ধে তালায় সচেতনতামূলক সভা

খেশরা(তালা) প্রতিনিধি: রবিবার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের শাহাপুর নিরিবিলি বাজারে পাখিনিধন বন্ধে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ হোসেন এর নিকট দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র খেশরা প্রতিনিধি প্রভাষক এস আর আওয়াল এর আবেদনের প্রেক্ষিতে ও খেশরা ইউনিয়নের সব জায়গায় ব্যাপক হারে পাখিনিধন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান শাহাপুর বাজারে এই জনসচেতনতামূলক সভা করেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তালা থানার ওসি ইন্সপেক্টর হাফিজুর রহমান বলেন, “শুধু মাত্র বেঁচে থাকার আশায় অতিথি পাখিগুলো আমাদের দেশে আসে। আমাদের উচিত তাদের হত্যা নয় অতিথির মত সেবা করা।” যারা এই পাখিগুলো শিকার করছে তাদের ব্যাপারে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়ার জন্য সকলকে নিজের ব্যক্তিগত মোবাইল নং দিয়ে তিনি আরও বলেন, “পাখি শিকারীদের দেখা মাত্রই আপনারা আমাকে যে কোন সময়ে ফোন দিবেন”। তিনি যোগ করেন- “যারা বন্দুক দিয়ে পাখি শিকার করছে প্রয়োজনে উপযুক্ত প্রমাণসাপেক্ষে তাদের বন্দুকের লাইন্সেন্স বাতিল করা হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রভাষক এস. আর আওয়াল, খেশরা পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই গোলাম রসুল, সাংবাদিক এস কে রায়হান, শিক্ষক রাশেদ বিশ্বাস প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি !

ইয়াবা ও পর্নোগ্রাফির পৃথক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হয়েছেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সমালোচিত সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান মনির মোল্লা। ইয়াবা ও পর্নোগ্রাফি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মনিরের বিরুদ্ধে গত শনিবার সংশ্লিষ্ট আদালতের নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর নগরীর রূপাতলীতে মনির মোল্লার দখলে থাকা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) রেস্ট হাউজ থেকে মাদক ও পর্নোগ্রাফি উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করলেও মনির মোল্লা প্রভাব খাটিয়ে এজাহার থেকে তার নাম বাদ দিয়েছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. জসিমউদ্দিন গত শনিবার আওয়ামী লীগ নেতা মনির মোল্লাসহ মোট ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেন। মনির মোল্লাকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ৪ নম্বর এবং পর্নোগ্রাফির মামলায় ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রের অপরাপর আসামিরা হলো বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম তালুকদার, আজিজুল হক, নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের নাসির মোল্লা, নাসির খান, সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের মিলন মিয়া, কক্সবাজার জেলার বাসিন্দা সৈয়দ মোর্শেদুর রহমান, রত্ন বড়ুয়া, জাহেদ হোসাইন, ঝালকাঠী জেলার রোকসানা বেগম, দিনাজপুর জেলার আব্দুস সালাম ও মো. সোহেল।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানান, অভিযানের সময় ওজোপাডিকোর’র রেস্ট হাউজ থেকে গ্রেফতার হওয়া আসামিরা আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে মনির মোল্লার নাম প্রকাশ করে। তারা জানায়, মনির মোল্লা নেপথ্যে থেকে ওই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ওই জবানবন্দীর ভিত্তিতে অভিযোগপত্রে তাকে আসামি করা হয়েছে।

জাহিদুর রহমান মনির মোল্লা নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ার পর রূপাতলীতে ওজোপাডিকোর রেস্ট দখল করে সেখানে তার আস্তানা গড়ে তোলে। গত ২২ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ওই আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ৪৫২ পিস ইয়াবা এবং পর্নোগ্রাফির সিডিসহ পুলিশ কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী জাহিদুল ইসলাম ও কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। ওই সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান মনির মোল্লাকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করলেও অদৃশ্য প্রভাবের মুখে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া গত ৬ ডিসেম্বর নগরীর রূপাতলী এ. ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর বিএনপি নেত্রী সেলিনা বেগমকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে মনির মোল্লার বিরুদ্ধে। মনির মোল্লার এহেন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বিব্রত এখানকার আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতকে হারিয়ে সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ভারতকে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপসে শিরোপা জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। রবিবার ১-০ গোলে অনূর্ধ্ব-১৫ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপসের ফাইনাল জিতেছে মারিয়া-তহুরারা।

লিগের শেষ ম্যাচে এই ভারতকে উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়বার একই ফলের পুনরাবৃত্তি করলো স্বাগতিকরা, হেরফের হলো কেবল জয়ের ব্যবধানে। ৪১ মিনিটে প্রথম গোল করে বাংলাদেশ। শামসুন্নাহার ছিলেন গোলদাতা। ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে তার বাড়ানো বলে আনুচিংয়ের শট ভারতীয় ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফেরে। এরপরই লক্ষ্যভেদী শট নেন শামসুন্নাহার।

এনিয়ে ফুটবলে বাংলাদেশের মেয়েদের শিরোপা হলো তিনটি। দুটিই এসেছে এএফসি আঞ্চলিক পর্ব থেকে। ২০১৫ সালে নেপালে ও ২০১৬ সালে তাজিকিস্তানে অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মেয়েরা। এবার তৃতীয় শিরোপা তারা জিতলো সাফের মতো আসরে। স্বাগতিকরা আধিপত্য দেখিয়ে এসেছে এতদূর। এর আগে সাফে রানার্সআপ হয়েছিল গোলাম রব্বানী ছোটনের দল।

সাফের মূল আসরে এই ভারতের কাছে হেরে গত বছর শিলিগুড়িতে শিরোপা জেতা হয়নি। এবার বাংলাদেশ নিলো প্রতিশোধ। অপরাজিত থেকে হলো চ্যাম্পিয়ন। লিগে নেপালকে ৬-০, ভুটান ও ভারতকে ৩-০ গোলে হারানোর পর ফাইনালেও শেষ বাধা পার করলো তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকার চেয়েছে চালের দাম বৃদ্ধি পাক- সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী

সরকার চেয়েছে চালের দাম বৃদ্ধি পাক। কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবে বলে চালের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় ছিল। কিন্তু প্রতি কেজি চালের দাম ৫০ টাকার বেশি হওয়াটা মানুষের জন্য বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ২০১৬ সালের ক্যালেন্ডার বছরের লভ্যাংশ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তার দফতরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

লভ্যাংশ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক রতন কুমার লাল অর্থমন্ত্রীর কাছে ৬ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা হস্তান্তর করে।

মন্ত্রী বলেন, গ্রামীন ব্যাংক আগের চেয়ে ভাল করছে। বাংলাদেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ব্যাংকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

‘সাড়ে পাঁচ লাখ বাংলাদেশি মানুষ দরিদ্র হচ্ছে’ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সানেম পত্রিকায় প্রকাশিত এমন খবরের বরাদ দিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তাদের নিজেদের পর্যবেক্ষণ, এটা সঠিক নয়। তবে চালের দাম বাড়ায় দেশের মানুষ কিছুটা বেকায়দায় আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইঁদুর-মাকড়সার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিবে পুদিনাগাছ

ইঁদুর, তেলাপোকা, মাকড়সার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। সব কেটেকুটে সাফ করে দিচ্ছে? দেখেও কিছু করতে পারছেন না। বিষ দিয়েও দমন হচ্ছে না ইঁদুর।

আর টিকটিকি-মাকড়সার ভয়ে তো বাথরুমে যেতেও ভয় লাগে। দেওয়াল বেয়ে টিকটিকির এমনই এদিক-ওদিক ছুটোছুটি ভয়ে শিউরে যাচ্ছেন। আপনার বাচ্চাও ভয়ে আঁতকে উঠছে।

জীববৈচিত্র্য, প্রকৃতির ভারসাম্য, ইকোসিস্টেম এসব বাদ দিন। ঘরে তো আর পোকামাকড়ের সঙ্গে থাকা যায় না। ইদানীং আবার মশার উত্‍‌পাতও খুব বেড়েছে।সন্ধ্যাবেলায় বাদ দিন, রাতেও মশার জ্বালায় ঠিকতে পারছেন না।

এত খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে প্রশ্নের একটাই কারণ, সমধান রয়েছে আপনার হাতের মুঠোতেই। পুদিনাগাছ চেনেন নিশ্চয়ই। এই পুদিনার গন্ধ আমাদের অস্বস্তির কারণ না-হলেও, ইঁদুর-মাকড়সাদের একদমই সহ্য হয় না। ঘরে পুদিনার পাতা থাকলে, এই কীটপতঙ্গ-পাল পালানোর পথ পাবে না।

কীভাবে কাজে লাগাবেন পুদিনা। খুবই সোজা। বাজার থেকে পুদিনা পাতা কিনে এনে ভালো করে বেটে পুদিনা-চা বানিয়ে ফেলুন। ঘরের চার কোণে, বাথরুমে, যেখানে ইঁদুর-মাকড়সা-আরশোলার উত্‍‌পাত বেশি, স্প্রে করুন। বিশেষত দরজা-জানলার চারপাশে। টবে বসানো পুদিনার গাছও ঘরে বসাতে পারেন। দেখুন কেমন ম্যাজিক কাজ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় কাঁচা টমেটো

রতিদিন দুটো করে কাঁচা টমেটো খেলে বায়ু দূষণ যতই বাড়ুক না কেন ফুসফুসের স্বাস্থ্য নিয়ে কোনও চিন্তাই করতে হবে। কারণ ফুসফুস-এর দেখাশোনার দায়িত্ব সেক্ষেত্রে নিয়ে নেবে এই রক্তিম সবজিটি। কিন্তু টমেটো কিভাবে ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়াবে? ব্লমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেল্থের গবেষকদের করা একটি স্টাডিতে দেখা গেছে টমেটোর ভেতরে এমন অনেক শক্তিশালী উপাদান রয়েছে, যা ধূমপান এবং বায়ু দূষণের কোনও প্রভাব যাতে ফুসফুসের উপর না পরে, সেদিকে খেয়াল রাখে।

সেই সঙ্গে ফুসফুসের কর্মক্ষমতাও মারাত্মক বৃদ্ধি করে। প্রসঙ্গত, জার্মানি, ইংল্যান্ড এবং নরওয়ের প্রায় ৬৮০ জন বাসিন্দার উপর প্রায় ১০ বছর ধরে এই গবেষণাটি চালানোর পর টমেটোর এইসব গুণাগুণ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। এই পরীক্ষাটি চলাকালীন গবেষকরা লক্ষ করেছিলেন যে নিয়মিত টমেটো খাওয়ার অভ্যাস করলে একদিকে যেমন ফুসফুসের ফাংশনের উন্নতি ঘটে, তেমনি ভঙ্গুর শরীরও বল ফিরে পায়। সেই সঙ্গে আরও সব শারীরিক উপকারিতা মিলতে শুরু করে, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

রান্নায় এই সবজিটির ব্যবহার বাঙালিরা প্রায়শই করেই থাকেন। কিন্তু কাঁচা টমাটো খাওয়ার অভ্যাস সচরাচর খুব একটা চোখে পরে না। একথা বলতে দ্বিধা নেই যে রান্নার পরিবর্তে যদি কাঁচা অবস্থায় নিয়মিত ২-৩ টা করে টমাটো খাওয়া যায় তাহলে দারুন উপকার মেলে। এক্ষেত্রে শরীরের যে যে উপাকার হয়…

১. ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর করে:
নিয়মিত যদি একটা করেও টমেটো খেতে পারেন তাহলে দেহের অন্দরে দিনের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে ভিটামিন এ, পটাশিয়াম এবং আয়রনের চাহিদাও পূরণ হয়। এবার ভাবুন তো যদি একটার জয়গায় দুটো করে টমাটো খেতে পারেন, তাহলে কতটাই না উপকার মেলে। প্রসঙ্গত, নার্ভের কর্মক্ষমতা বাড়াতে পটাশিয়াম বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অন্যদিকে আয়রন, রক্তাল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।

২. হাড় শক্তপোক্ত হয়:
ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন-কে সমৃদ্ধি হওয়ার কারণে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে টমাটোর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো বুড়ো বয়সে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের হাত থেকে বাঁচতে এখন থেকেই টমাটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৩. ক্যান্সার বিরোধী:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে টমাটোয় উপস্থিত লাইকোপেন প্রস্টেট, কলোরেকটাল এবং স্টমাক ক্যান্সার রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে লাইকোপেন হল একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা কোষের বিভাজন ঠিক মতো হতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমে। আর যদি একবার ক্যান্সার কোষ জন্ম নিয়েও নেয়, তাহলেও যাতে তার বৃদ্ধি দ্রুত গতিতে না হয়, সেদিকে টমাটো খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ শরীরকে ক্ষয় করার সুযোগ পায় না।

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
টমাটোয় উপস্থিত লাইকোপেন নামে একটি উপাদান ত্বকের সৌন্দর্যতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে আরেকভাবেও এই সবজিটিকে কাজে লাগাতে পারেন। কীভাবে? ১০-১২ টা টমাটো নিয়ে ভেতরটা পরিষ্কার করে নিন। তারপর টমনাটোর স্কিনটা ভুল করে সারা মুখে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। ১০ মিনিট পরে ভাল করে মুখটা ধুয়ে নিন। সপ্তাহে কয়েকবার এমনভাবে ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন বলিরেখা কমতে শুর করবে। সেই সঙ্গে স্কিনের ঔজ্জ্বল্যও বৃদ্ধি পাবে।

৫. ধূমপানের কুপ্রভাব থেকে বাঁচায়:
টমাটোয় রয়েছে কিউমেরিক এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, যা কার্সিনোজের প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। তাই যারা একান্তই ধূমপান ছাড়তে পারছেন না, তারা দয়া করে দিনে ২-৩ টে কাঁচা টমাটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৬. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
চুলের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতে ভিটামিন-এ-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে টমেটোতে। তাই দীর্ঘদিন যদি চুলকে সুন্দর রাখতে চান, তাহলে কী করণীয়, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না। প্রসঙ্গত, দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতেও ভিটামিন-এ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি দূর হয়:
কখনও খাবারের সঙ্গে তো কখনও অন্যভাবে আমাদের শরীরে টক্সিক উপাদানের প্রবেশ ঘটে। এই ক্ষতিকারক উপাদানগুলি যাতে শরীরের কোনও ক্ষতি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের হাত থেকেও রক্ষা করে। টমাটো যেহেতু অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, তাই তো শরীরকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত কাঁচা টমাটো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৮. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়:
টমেটোতে উপস্থিত ভিটামিন এ, ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের আশঙ্কা তো কমায়ই, সেই সঙ্গে রাত-কানার মতো রোগ দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি কমে যাক, এমনটা যদি না চান, তাহলে নিয়মিত টমাটো খেতে ভুলবেন না যেন!

৯. হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়:
টমাটোয় উপস্থিত ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম, শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। সেই সঙ্গে রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, যাদের পরিবারে হাই কোলেস্টেরল এবং ব্লাড প্রেসার রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা আজ থেকেই কাঁচা টমাটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন আয়ু বাড়বেই বাড়বে।

১০. কিডনি স্টোনের আশঙ্কা কমায়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বীজ সমেত টমাটো খেলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest