সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

নুরনগরে প্রাইমারি স্কুলে মিড ডে মিল উদ্বোধন

নুরনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের ৫৯নং রামজীবনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি জগলুল হায়দার। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধে ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করার লক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচি নিজ নির্বাচনী এলাকায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার দুপুর ১ টায় শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের রামজীবনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে “মিড ডে মিল” এর ব্যবস্থা করেন সাতক্ষীরা – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব এস, এম জগলুল হায়দার। তিনি স্কুলে পৌছানো মাত্রই ছোট ছোট কমলমতি শিশুরা দল বেঁধে এসে স্বাগত জানিয়ে তাকে গাড়ি থেকে নামায়। এমপি সাহেব প্রথমেই মঞ্চে না উঠে দর্শক সারিতে বাচ্চাদের সাথে কিছু সময় বসেন। এমপি তার বক্তৃতায় বলেন, সকলের উদ্যেশে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের শিশুদের মানুষের মত মানুষ করার দায়িত্ব নিলাম।”

অনুষ্ঠানের শেষে বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। ধারাবাহিকভাবে নিজ নির্বাচনী এলাকার ২০টি ইউনিয়নে এটি বাস্তবায়ন করবেন বলে জানান এমপি জগলুল হায়দার। এই মানবিক কর্মসূচিটিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে প্রত্যেক এলাকার বিত্তবানদের নিজ নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান মাননীয় সাংসদ। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুজন সরকার উপজেলা ভূমি অফিসার, সৈয়দ মান্নান আলী অফিসার ইনচার্জ শ্যামনগর থানা, আব্দুস ছাত্তার জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রভাষক মোশারাফ হোসেন, প্রভাষক জুলফিকার আল-মেহেদি লিটন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সাইফুল্ল্যাহসহ এলাকার গণযমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সোহেল রানা,নুরনগর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রহ্মরাজপুরে সাবেক ইউপি সদস্যের রুহের মাগফেরাতে দোয়ানুষ্ঠান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বর আজিজুল রহমানের পিতা মরহুম জোহর আলী মন্ডলের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে মরহুমের নিজস্ব বাসভবনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম, আলহাজ্ব রেজাউল ইসলাম, আলহাজ্ব পিয়ার আলী প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক ৪০

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের সন্ত্রাস, নাশকতা ও মাদক বিরোধী বিশেষ আভিযানে ৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৮ জন, কলারোয়া থানা ৪ জন, তালা থানা ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ৩ জন, শ্যামনগর থানা ৪ জন, আশাশুনি থানা ৩ জন, দেবহাটা থানা ১ পাটকেলঘাটা থানা থেকে ১ জনকে আটক করেছে ।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

গণতন্ত্রের মানসপুত্র, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা ও জনগণের সার্বিক কল্যাণে উদ্বুদ্ধ করবে। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শ্রমজীবীসহ এ অঞ্চলের অবহেলিত মুসলিম সম্প্রদায়ের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মেহনতি ও শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থে তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে নাবিক, রেলকর্মচারী, পাটকল ও সুতাকল কর্মচারী, রিক্সাচালক, গাড়িচালকসহ নানা শ্রেণীপেশার মেহনতি মানুষের স্বার্থরক্ষায় বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তোলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ও মানুষের কল্যাণে শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো মহান নেতার নেতৃত্ব, সংগ্রামী জীবন এবং আদর্শ আমাদেরকে সবসময় প্রেরণা জোগায়।মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি বিকাশে সারাজীবন কাজ করেছেন তিনি। তিনি সবসময় সমতার নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন।

১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে সোহরাওয়ার্দীর জন্ম। তিনি ছিলেন বিচারপতি স্যার জাহিদ সোহরাওয়ার্দীর কনিষ্ঠ সন্তান।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এ দেশের শান্তিপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ব্রিটিশ ভারতে মুসলমানদের সংগঠিত করতে ১৯২৬ সালে ইন্ডিপেন্ডেন্ট মুসলিম পার্টি, ১৯৩৭ সালে ইউনাইটেড মুসলিম পার্টি গঠন করেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিনি মুসলিম লীগ সরকারের একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করেন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ) প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাঙালির যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটেছিল তার অন্যতম নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূল নেতাদের অন্যতম।

১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয়ের পেছনেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

১৯৬৩ সালের এই দিনে লেবাননের একটি হোটেলে নিঃসঙ্গ অবস্থায় শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মারা যান। ঢাকার হাইকোর্টের পাশে তিন নেতার মাজারে প্রখ্যাত এই নেতার সমাধি।

সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৯ ঘণ্টা স্থায়ী তাইওয়ানের রংধনু রেকর্ড ভেঙেছে

আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে তাইওয়ানের আকাশে দেখা দেয়া রংধনু। গত সপ্তাহে তাইপে পর্বতে দেখা দেয়া এ রংধনু প্রায় ৯ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল। ওই এলাকাতেই চাইনিজ কালচার ইউনিভার্সিটি অবস্থিত। এত সময় ধরে রংধনু অবলোকন করতে পেরে এর শিক্ষাক ও শিক্ষার্থীরা ভীষণ উচ্ছ্বসিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক চৌ কুন-সুয়ানসাইদ বলেন, প্রথমে এক ঘণ্টা, পরে আরেক ঘণ্টা, রংধনু যেন কিছুতেই বিলীন হতে চাইছিল না। এমন করে চার ঘণ্টা কেটে যায়। পরে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের রংধনুর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে উৎসাহিত করি। ওই চার ঘণ্টার পর রংধনু আরও পাঁচ ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল।

সকাল ছয়টা থেকে বিকেল ৩.৫৫ মিনিট পর্যন্ত আট ঘন্টা ৫৮ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল রংধনু। যা ভেঙে দিয়েছে আগের বিশ্ব রেকর্ড। ১৯৯৪ সালের ১৪ মার্চ ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের আকাশে ছয় ঘণ্টা ব্যাপী রংধনু স্থায়ী হয়েছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাবার হাতে ২৮৮ বার ধর্ষণের শিকার, অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী মেয়ে

আরব দেশ জর্ডানে নিজ বাবার হাতে ২৮৮ বার ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক শিশুকন্যা। এ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই বাবার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত। জর্ডান টাইমস এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ৯ বছর বয়স থেকে মেয়েকে ধর্ষণ ও শারীরিকভাবে হয়রানি করে আসছেন ওই ব্যক্তি। বর্তমানে মেয়ের বয়স ১৭ বছর। আর এ সময়ের মধ্যে সে বাবার কাছে ২৮৮ বার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের শিকার হয়ে ওই কিশোরী মাত্র ১৩ বছর বয়সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ২০০৯ সালে একটি ছেলে সন্তানের জন্মও দেয় সে।

জর্ডান টাইমস আরও জানায়, ছয় বছর বয়সে ওই কিশোরীর মা মারা যায়। তখন তাকে খালার বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে নয় বছর বয়সে ওই কিশোরীকে বাড়িতে নিয়ে আসেন তার বাবা।
তখন থেকে মেয়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতেন তিনি। আর প্রতিরাতেই সে বাবার কাছে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতো। মেয়ের বয়স ১২ বছর হলে তাকে নিয়মিত ধর্ষণ শুরু করেন তিনি।

২০০৮ সালের ৩ অক্টোবর ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার ভাইকে জানায়। তার ভাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। আর অভিযোগের ভিত্তিতে তার বাবাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আর এ বিষয়টি তদন্তে নামে জর্ডানের পরিবার সুরক্ষা বিভাগ। ওই কিশোরীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে ধর্ষণের বিষয়টির প্রমাণিত হয়। এদিকে ধর্ষক ওই বাবার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল বলে জানান চিকিৎসকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আত্মসমর্পণ করতে আদালতের পথে খালেদা জিয়া

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আদালতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন খালেদা জিয়া।

এর আগে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে সময়মতো আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ৩০ নভেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালত। একই সঙ্গে আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ বাতিল করে ৫, ৬ ও ৭ ডিসেম্বর যুক্তিতর্কের জন্য দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানান, ৩০ নভেম্বর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম দলগুলোর ডাকা হরতালে নিরাপত্তার কারণে খালেদা জিয়া সময় অনুযায়ী আদালতে হাজির হতে পারেননি। তাই আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে থাকাবস্থায় একই আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দেশে ফিরেই তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এর পর থেকে প্রতি সপ্তাহেই তিনি আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছিলেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নেতাকর্মীদের ডাটাবেজ তৈরি করছে আওয়ামী লীগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সমন্বিত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে নিজ দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ তথ্য দিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি শক্তিশালী ‘ডাটাবেজ’ তৈরি করবে দলটি। দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর একাধিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, গত ২০ মে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত দলের বর্ধিত সভায় দফতর সম্পাদক একটা আবেদনপত্র তুলে দেন তৃণমূল নেতাদের হাতে। সে আবেদনপত্রে তথ্য-উপাত্ত সংযুক্ত করে দফতরে জমা দেয়ার কথা ছিল। তবে তথ্য সমন্বয়হীনতার কারণে বিষয়টি ধীর গতিতে চলছে। এ তথ্য ভাণ্ডার বা ডাটাবেজটি তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে দলের গবেষণা সেল হিসেবে পরিচিত সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)।

সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ শুরু হয়েছিল বেশ আগেই। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ভালো হওয়ায় এখন দেশব্যাপী এ কার্যক্রম চলছে। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, থানা/উপজেলা, পৌরসভা, জেলা এবং সিটি কর্পোরেশন থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সব নেতার জন্য আলাদা প্রোফাইল তৈরি হবে।

জানা গেছে, প্রত্যেকের ফাইলে নাম, পদের নাম, ছবি, মোবাইল নাম্বার, ই-মেইল অ্যাড্রেস, ফেসবুক আইডি, স্থায়ী ঠিকানা ও অস্থায়ী ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকবে।

সূত্র আরও জানায়, এখন রংপুর বিভাগের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহ চলছে। চলতি সপ্তাহে রংপুর বিভাগের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হবে। রংপুর বিভাগ শেষ হলে আরও দুটি বিভাগে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। আগামী মার্চের মধ্যে সারাদেশের নেতাকর্মীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।

তথ্য সংগ্রহ ও ডাটাবেজ তৈরিতে যুক্ত এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। কিন্তু নিজ দলেরই এখন পর্যন্ত কোনো ডাটাবেজ নেই। তাই সারাদেশের নেতাদের মধ্যে একটি নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ গড়ে তোলার জন্যই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিটি জেলায় ৭-১০ জনের একটি করে টিম যাবে। ইতোমধ্যে ১০০ জনের মতো সাবেক ছাত্র নেতাকে তথ্য সংগ্রহের কাজে বাছাই করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রথম দফায় ৬০ জনকে তথ্য সংগ্রহের কাজের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নেতাদের কাছ থেকে জানা গেছে, প্রত্যেকটি জেলার জন্য একজন টিম লিডার থাকবেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে একজনের জন্য একটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব থাকবে। তবে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক উপজেলার জন্য একাধিক তথ্য সংগ্রহকারীও নিযুক্ত হতে পারেন।

আওয়ামী লীগের অপর এক নেতা জানান, মোবাইল-ইন্টারনেটের এ যুগেও দলের কেন্দ্রীয় একটি নির্দেশনা তৃণমূলে পৌঁছাতে অনেক সমস্যা হয়। দেশের সব নেতাদের এক সুতোয় বাঁধতে এটা অনেক বড় একটি কাজ হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest