‘হালদা’ চলচ্চিত্রের ট্রেলার প্রকাশ

আগামী ১ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে পরিচালক ও অভিনেতা তৌকির আহমেদের পঞ্চম চলচ্চিত্র ‘হালদা’। হালদা নদী ও সেখানকার প্রান্তিক মানুষের জীবনবৈচিত্র্যই চলচ্চিত্রটির বিষয়বস্তু।

এবার প্রকাশিত হলো সিনেমাটির ট্রেলার। দুই মিনিট ৪ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ট্রেলারেই দর্শকদের মাঝে আকর্ষণ তৈরি করেছেন নির্মাতা তৌকির।

এর আগে প্রচারণার অংশ হিসেবে চলচ্চিত্রটির ‘নোনাজন’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করা হয়েছিল। গানটি দর্শক-শ্রোতাদের নজর কেড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার ট্রেলারেও বাজিমাত করেছেন পরিচালক।

হালদা নদী ও সেখানকার প্রান্তিক মানুষের জীবনবৈচিত্র্যই চলচ্চিত্রটির বিষয়বস্তু। দেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এই হালদা নদী। মা মাছেরা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত অমাবস্যা বা পূর্ণিমার তিথিতে এখানে ডিম ছাড়ে। এই নদী ও নদীর গতি-প্রকৃতি, নদীর ক্ষয় ও নদীতীরবর্তী মানুষের জীবনের প্রবাহ ও জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে গল্পে।

এর গল্প লিখেছেন আজাদ বুলবুল। চিত্রনাট্য করেছেন তৌকির আহমেদ। চলচ্চিত্রটির প্রধান তিনটি চরিত্ররূপায়ন করেছেন জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম ও নুসরাত ইমরোজ তিশা।

চলচ্চিত্রটিতে খলচরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান। মোশাররফ থাকছেন জেলের ভূমিকায়। আর তাদের সঙ্গে নুসরাত ইমরোজ তিশা অভিনয় করেছেন স্বপ্নবাজ একজন তরুণীর চরিত্রে। এছাড়া আছেন দিলারা জামান, ফজলুর রহমান বাবু, শাহেদ আলী, রুনা খান প্রমুখ। প্রযোজনায় ‘আমরা ক’জন’। সংগীত পরিচালনা করেছেন পিন্টু ঘোষ।

দেখুন : ‘হালদা’ চলচ্চিত্রের ট্রেলার-

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিয়ের পিঁড়িতে রাজ-শুভশ্রী !

রাজ-শুভশ্রী জুটির প্রেম নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল বিস্তর। কারও মতে লোক দেখানো প্রেম।
কারও মতে একেবারে খাঁটি। সে যাই হোক, রাজ চক্রবর্তী আর শুভশ্রী যে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন এ কথা সত্য!

জানা গেছে, কিছুদিন আগে রাজ আর শুভশ্রীর পরিবারের লোকজনও নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করেছেন। শুভশ্রীর বর্ধমানের বাড়িতে ছেলে পক্ষের লোকজন গিয়েছিল। তাতে বোঝা যাচ্ছে, দুই পক্ষেরই বেশ আগ্রহ রয়েছে।

তবে টলিউড সূত্রে জানা যায়, পূজার পরে গোয়ায় ঘুরতে গিয়েই নাকি বিয়ের সিদ্ধান্তে পাকাপাকি সিলমোহর দিয়েছেন দু’জন। ফেব্রুয়ারিতে জুটি বাঁধছেন রাজ-শুভশ্রী, এমনই জল্পনা। রাজ-শুভশ্রীর বিয়ের খবর এর আগেও হইচই ফেলেছিল টলিউডে। মাঝে ত্রিকোণ প্রেমের খবরে পারদ আরও উপরে চড়েছে। জীবনের রোলার কোস্টারে টলি ইন্ডাস্ট্রির অনেক নায়িকার সঙ্গেই নাম জড়িয়েছিল রাজের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কী হচ্ছে সৌদি আরবে? হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে রাজপুত্রের রহস্যময় মৃত্যু

অবশেষে সৌদি আরবের রাজ পরিবারের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব অনেকটা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। মাত্র দিন কয়েক আগে বর্তমান সৌদি রাজা সালমান বিন আবদুল আজিজ তার ছেলে মুহাম্মদ বিন সালমানকে ক্রাউন প্রিন্স বা তার উত্তরসূরি হিসেবে মনোনীত করেন।
একই সঙ্গে পূর্ববর্তী যুবরাজ মুহাম্মদ বিন নায়েফকে তার পদ থেকে অপসারণ করেন। ধারণা করা হচ্ছে মুহাম্মদ বিন নায়েফকে বর্তমানে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। এই অবস্থা নিয়ে যখন বিচার বিশ্লেষণ চলছে তখনই গত পরশু সৌদি প্রশাসনে ব্যাপক ধরপাকড় ও ওলটপালট করা হয়েছে। ব্যবসায়ী বিলিনিয়র আলওয়ালিদ বিন তালালসহ ১১ যুবরাজ, চার মন্ত্রী এবং সাবেক আরও ১০ মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনার জের না কাটতেই গতকাল ইয়েমেন সীমান্তের কাছে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছেন এক রাজপুত্র। ঘটনার ধারাবাহিকতা মধ্যপ্রাচ্যের সবাইকে সৌদি আরবে নজর ফেরাতে তাড়িত করেছে। শুধু তাই নয়, গত পরশু সৌদি প্রশাসনে তোলপাড়ের আগে দাবি করা হয় ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে দেশটির বিমান বাহিনী। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে এসব ঘটনা নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর নেই। সৌদি বিষয়ক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটা বাণিজ্য উদারীকরণের মধ্য দিয়ে নতুন অর্থনীতিতে প্রবেশের রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়া। বিপরীতে অন্যরা একে দেখছেন রাজপরিবারের ক্ষমতাকেন্দ্রিক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব হিসেবে। সবমিলে সৌদি রাজতন্ত্রের সংকটকেই সামনে এনেছেন তারা। বিশ্লেষকদের দাবি, অশীতিপর বাবা বাদশাহ সালমান কার্যত দেশের ক্ষমতা প্রিয় ছেলের হাতেই তুলে দিয়েছেন। তাকে দেশটির ‘ডি ফ্যাক্টো’ নেতা হিসেবে মনে করছেন সেখানকার জনগণ। তারই ধারাবাহিকতায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে প্রধান করে শনিবার সৌদি বাদশাহ নিজে একটি দুর্নীতি দমন কমিটি গঠন করেন। যেখানে যুবরাজ চাইলে যে কাউকে গ্রেফতার করার এবং যে কারও ওপরে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ফলে দুর্নীতি দমনের এই কমিটি যে তার পথের কাঁটা দমনে ব্যবহার করা হবে তা সহজেই অনুমেয়। নতুন এই কমিটি গঠনের মাত্র করেক ঘণ্টার মধ্যেই ১১ জন রাজপুত্র গ্রেফতার ও ন্যাশনাল গার্ড এবং নৌবাহিনী প্রধানের পদেও রদবদল করা হয়। অবশ্য মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের ডেভিড কির্কপ্যাট্রিক বলেছেন, সৌদি আরবের নির্বাহী রাজতন্ত্রের কোনো লিখিত সংবিধান নেই। কিংবা পার্লামেন্ট বা আদালতের দ্বারা সিদ্ধ কোনো বিধিও নেই। তাই দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা এখানে খুবই কঠিন। তিনি বলেন, ‘জনগণের টাকা ও রাজপরিবারের সম্পদের সম্পর্ক এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। অন্যান্য দেশ এটা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও দুর্নীতি নিয়ে কথা বলার বিষয়টি কঠিন। ’

এদিকে কনজারভেটিভ আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট এর স্কলার অ্যান্ড্রু বাওয়েন এই ঘটনাকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। টুডের ওয়ার্ল্ডভিউকে তিনি বলেন, ‘শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে শুধু কমিউনিস্ট পার্টির দুর্নীতিই কমানো হয়নি বরং নিজের অবস্থান শক্ত করার জন্য অনেক প্রতিপক্ষকেও দমন করা হয়েছে। ’ সৌদির ঘটনা শুধু দেশেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের দিকেও মনোযোগী দেশটি। একদিকে সম্পদশালী কাতারকে একঘরে করে রাখার মিশন চলা অবস্থাতেই দুদিন আগে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ আল হারিরিকে পদত্যাগে বাধ্য করেছে। এই অভিযোগ করেছে ইরান। মজার বিষয় হলো হারিরির পদত্যাগের ঘোষণা করা হয়েছে সৌদি আরব থেকে। আর সৌদি আরব এর জন্য দায়ী করেছে ইরানকে। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে লেবাননে নতুন করে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া গ্রুপ হিজবুল্লাহকে দমন করার উদ্দেশ্যেই এই পদত্যাগ ‘নাটক’ করা হয়েছে।

যুবরাজের ক্ষমতার একচ্ছত্রকরণ, রাজপুত্র-মন্ত্রীদের ধরপাকড় আর নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্যেই যুদ্ধকবলিত ইয়েমেন সীমান্তের কাছে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে এক রাজপুত্র নিহত হয়েছেন। তার নাম মানসুর বিন মাকরান। তিনি সৌদি আরবের আসির প্রদেশের ডেপুটি গভর্নরের দায়িত্বে ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সজল-মেহজাবিনের হৃদয়স্পর্শী গল্প

বিয়ের বাসরের রাত। পারিবারিকভাবেই বিয়ে সজল-মেহজাবিনের।
সজল স্বপ্নে দেখে বউ মেহজাবিনের তার উপর নিষ্ঠুর অত্যাচার করছে। কিন্তু সকালে ঘটলো এক ভিন্ন ঘটনা।
ঘুম থেকে জেগে দেখে, মিষ্টি একটি সুন্দর মুখ তার উপর ঝুকে আছে। বোকা শুভ্র মায়ের পছন্দ করা এই বউয়ের প্রেমে পড়ে গেল বিয়ের পর দিন সকালেই। এরেঞ্জ ম্যারেজে অবিশ্বাসী সাজিয়াও বোকা স্বামীর প্রতি একসময় গভীর মমতা অনুভব করে। সুখে ভরে ওঠে দুজনের খুনসুটি আর ভালবাসার সংসার। দুজনের ভালবাসায় সন্তান সম্ভাবা হয়ে ওঠে সাজিয়া।
ডেলিভারির ঠিক আগ মুহুর্তে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, মা অথবা শিশু যেকোন একজনকে বাঁচাতে পারবেন তারা। সিদ্ধান্ত যা নেবার এখন এখন শুভ্রকে নিতে হবে। কাকে বাঁচাবে সে, স্ত্রী না সন্তান কে….. এমন হৃদয়স্পর্শী গল্প নিয়ে সম্প্রতি ‘যাতনা কাহারে বলে’ নাটকটি নির্মিত হলো। নাটকটির রচনা ও পরিচালনায় আদর সোহাগ। জুয়েল হক অপুর প্রযোজনায় এই নাটকে সাজিয়া ও শুভ্র চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবিন ও সজল।
জানা যায়, শীঘ্রই বেসরকারী যেকোন একটি চ্যানেলে এটি প্রচার হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন রসুন খান আর রোগ তাড়ান

রসুনের জুরি মেলা ভার। এর অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল গুণের জন্য রসুন সর্দি-কাশি সারাতে উপযোগী।
অন্যান্য বহু শারীরিক সমস্যারও সমাধান হয় রসুনের সাহায্যে। রসুনের বেশকিছু সাধারণ গুণাগুণ তুলে ধরা হলো-

ভেষজ গুণ
ভেষজ গুণ কৃমিনাশক, শ্বাসকষ্ট কমায়, হজমে সহায়তা করে, প্রস্রাবের বেগ বাড়ায়, শ্বাসনালীর মিউকাস বের করে দেয়, অ্যাজমা রোগীর উপশম দেয়, চুল পাকনো কমায়, হাড়ের বিভিন্ন রোগ সারায়।

শারীরিক সৌন্দর্যে রসুন
মুখে কালো ছোপ থাকলে, রসুনের রস গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত মাখলে ফল পাওয়া যাবে। ব্রণে রসুনের রস তুলোয় করে রাতে ঘুমনোর সময় লাগিয়ে পরে ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যাবে। অবাঞ্ছিত আঁচিলে রসুনের রস সপ্তাহ খানেক লাগালে তা খসে পড়ে। পায়ে কড়া পড়লে রাতে রসুনবাটা লাগিয়ে নিউকোপ্লাস্ট জাতীয় কিছু দিয়ে মুখে রাখতে হবে। এভাবে দিন কয়েক রাখলে তা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

সংক্রামক রোগ নিরাময়
সংক্রামক রোগ নিরাময়ে রসুনের বিশেষ ভূমিকা আছে। আগেকার দিনে টিবির রোগীকে রসুন খেতে বলা হত।
রসুন অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল গুণ যুক্ত ওযুধ।

মশা-মাছি তাড়াতে
কর্পুরের সঙ্গে পোড়া রসুন মেশানে মশা, মাছি, পোকামাকড়ের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। রসুন পিষে জলের সঙ্গে মিশিয়ে ঘর মুছলেও, পোকা মাকড়ের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

নানা কাজে রসুন
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জখন সেনাদের গ্যাংগ্রিনের চিকিৎসায় সালফারের অভাব পড়লে রসুন ব্যবহার করা হত। হাত থেকে রসুনের গন্ধ দূর করতে, ঠাণ্ডা জলের মধ্যে স্টিলের বাসনে হাত ঘষলে গন্ধ দূর হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কবে বিদায় নিচ্ছেন প্রধান বিচারপতি?

এক মাসের ছুটি নিয়ে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এস কে সিনহা) দেশে ফিরবেন কি? যদি ফিরেন, তবে কবে ফিরবেন—এই প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে ঘুরে ফিরে উপস্থাপিত হচ্ছে। সর্বশেষ অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম প্রধান বিচারপতির ছুটি শেষে দায়িত্ব গ্রহণকে ‘সুদূরপরাহত’ বলে আবারও মন্তব্য করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছুটি শেষে দায়িত্বে ফিরছেন না এস কে সিনহা। তিনি নতুন করে ছুটির আবেদন পাঠাতে পারেন। অথবা পদত্যাগপত্রও পাঠিয়ে দিতে পারেন। তার পারিবারিক সূত্রও এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে সরকারের সঙ্গে টানাপড়েনের মধ্যে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা এক মাসের ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যান। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত তার ছুটি আছে। ছুটি শেষে তার দায়িত্ব পালন করা না করা নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল আছে। কানাডাভিত্তিক একটি বাংলা অনলাইনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারপতি সিনহা সরকারকে পদত্যাগ পত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছেন। ছুটি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার পদত্যাগ কার্যকর করার অনুরোধ জানাবেন তিনি। এদিকে রবিবার সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ সাক্ষাৎ করেন। তারা বেলা সোয়া ৩টায় বঙ্গভবনে যান এবং বিকাল পৌনে ৫টার দিকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি আগামী ২ ডিসেম্বর জুডিশিয়াল সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। তিনি আগামী ২ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট দিবসের অনুষ্ঠানেও রাষ্ট্রপতিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, বিচার বিভাগ জনগণের বিচার পাওয়ার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুপ্রিম কোর্টসহ বিচার বিভাগের সব কর্মকর্তা ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে রবিবার সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, দেশে ফিরে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার দায়িত্ব গ্রহণ সুদূরপরাহত। অন্য বিচারপতিরা যদি উনার (এস কে সিনহা) সঙ্গে না বসতে চান, তাহলে তিনি কীভাবে বিচার করবেন? তিনি বলেন, ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউর সঙ্গে প্রধান বিচারপতির আসা না আসার কোনো সম্পর্ক নেই। এর আগে গত ১৪ অক্টোবরও এক ব্রিফিংয়ে মাহবুবে আলম প্রধান বিচারপতির পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেছিলেন।

গত ২ অক্টোবর এক মাসের ছুটির কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। পরে ১৩ অক্টোবর বা তার কাছাকাছি সময়ে তার বিদেশ যাওয়া এবং ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বিদেশে অবস্থান করার ইচ্ছা পোষণের বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সুপ্রিম কোর্ট থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আইন মন্ত্রণালয় ১২ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করে। সে হিসেবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ছুটি আছে।

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের ওপর অর্পণ করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেয় হাই কোর্ট। আপিল বিভাগ হাই কোর্টের সে রায় বহাল রাখেন। গত ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা তার লেখা রায়ে গণতন্ত্র, রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, সুশাসন, দুর্নীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দেন। এ পর্যবেক্ষণ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন সরকারের মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের নেতা ও সরকারপন্থি আইনজীবীরা। কেউ কেউ প্রধান বিচারপতির পদত্যাগও দাবি করেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং তার কিছু পর্যবেক্ষণ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে জাতীয় সংসদে একটি প্রস্তাব পাস হয়।

আপিল বিভাগের এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাষ্ট্রপক্ষ। এরইমধ্যে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিভিউ আবেদন করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি দেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তার চাকরির মেয়াদ আছে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। তিনি গত ১৩ অক্টোবর রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্যারাডাইস কেলেঙ্কারিতে কাঁপছে বিশ্ব

বিশ্বের ২৫ হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক লেনদেন ও মালিকানা সংক্রান্ত গোপন তথ্যভাণ্ডার ফাঁস হয়ে গেছে। ১৮০টি দেশের ধনী, সুপরিচিত ও প্রভাবশালীদের এই তথ্যভাণ্ডার তাদের গোপন বিনিয়োগ, অর্থ পাচারসহ কর ফাঁকির বিষয় প্রমাণ করে।
বেশির ভাগ তথ্যই বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদদের, যারা কর থেকে বাঁচার জন্য বিভিন্ন ট্যাক্স হ্যাভেনে (কর দিতে হয় না কিংবা খুবই নিম্ন হারে কর দেওয়া যায় এমন দেশ) বিনিয়োগ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তাই এই কেলেঙ্কারির নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যারাডাইস পেপারস’। স্থানীয় সময় রবিবার এই পেপারস সবার সামনে ফাঁস হওয়ার পর সারা বিশ্বেই হৈচৈ পড়ে গেছে। ফাঁস হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর অনেক ব্যক্তির গোপন তথ্য। গোপন নথিতে উঠে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর মতো হাইপ্রোফাইল মানুষের গোপন তথ্য। প্যারাডাইস পেপারসে ১৪ জন বর্তমান ও সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিশ্বের কমপক্ষে ৪৭টি দেশের ১২৭ জন রাজনীতিক এবং সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দলিল রয়েছে। স্থানীয় সময় রবিবার প্রকাশিত ওই নথিতে আরও উঠে এসেছে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মরিসিও ম্যাকরি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও আবুধাবির আমির খলিফা জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেত্রো প্রসেনকো, কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পল মার্টিন, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শওকত আজিজ, কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট এলেন জনসন সারলেফ, জর্দানের রানী নুর আল হুসেইন, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফ বিন আবদুল আজিজসহ শতাধিক ব্যক্তির নাম। শুধু তাই নয়, ভারতেরও সাত শতাধিক ব্যক্তির নাম রয়েছে এ তালিকায়। প্যারাডাইস পেপারসে বলা হয়েছে, করের হাত থেকে বাঁচতে দেশের বাইরের বিভিন্ন স্থানে অর্থ খাটিয়েছেন এই আলোচিত বিত্তশালীরা। কর দিতে হয় না বা নামমাত্র কর দিয়ে বিনিয়োগ করা যায় এমন স্থানগুলোই বেছে নিয়েছেন তারা। অনেকেই এসব লেনদেন করেছেন সবার চোখের আড়ালে। অর্থ আয়ের জন্য এমন গোপন বিনিয়োগের সঙ্গে জড়িত অনেকের নাম এরই মধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। সামনে আরও নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে। গত বছর ফাঁস হওয়া পানামা পেপারসের মতো এবারও এসব নথি প্রথমে আসে জার্মান দৈনিক সুইডয়চে সাইটংয়ের হাতে। পরে সেসব নথি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের (আইসিআইজে) হাতে তুলে দেয় তারা। ১ কোটি ৩৪ লাখ গোপন নথির এই ডাটাবেজে রয়েছে ১ হাজার ৪০০ গিগাবাইটেরও বেশি ডাটা। নথিগুলোর প্রায় ৬৮ লাখ এসেছে অফশোর আইনি সেবা সংস্থা অ্যাপলবাই এবং করপোরেট সেবা সংস্থা এস্টেরা থেকে। ২০১৬ সালে এস্টেরা আলাদা হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান দুটি একসঙ্গে অ্যাপলবাই নামে কর্মকাণ্ড চালাত। আরও ৬০ লাখ নথি ১৯টি আদালতের করপোরেট রেজিস্ট্রি থেকে বের করা হয়েছে। আদালতগুলোর বেশির ভাগই ক্যারিবীয় অঞ্চলের। বাকি অল্প কিছু নথি পাওয়া গেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক আন্তর্জাতিক ট্রাস্ট এবং করপোরেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান এশিয়া সিটি ট্রাস্ট থেকে। প্যারাডাইস পেপারসে ফাঁস করা নথিতে রয়েছে ১৯৫০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭০ বছরের তথ্য। এসব নথি পেয়েছে বিবিসি, গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন দেশের ১০০টি সংবাদমাধ্যম। ৫ নভেম্বর আইসিআইজে তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিলুপ্তির পথে দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেঁজুর গাছ!

তরিকুল ইসলাম লাভলু: ষড়ঋতুর দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। বছরের একেক সময় একেক ঋতুর রূপ ধারণ করে এই সোনার বাংলাদেশ। তেমনই একটি মিষ্টি ঋতুর নাম শীত কাল। এক সময় শীতের মৌসুমে গাছিরা খেঁজুর গাছ থেকে রস বের করার একটি মনমুগ্ধ সুন্দর দৃশ্য আমাদের নজর কেড়ে নিত। পল্লীগায়ের এমন মন জুড়ানো দৃশ্য এখন আর আগের মত চোঁখে পড়ে না।
সুষ্ঠ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ও উপর্যুপরী কর্তনের ফলে দিনে দিনে বিলুপ্ত হতে চলেছে দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেঁজুরের গাছ। খেঁজুরের গাছ মূলত এ দেশের একটি মূল্যবান বৃক্ষসম্পদ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের রসনা তৃপ্তিতে খেঁজুর গাছ থেকে আমরা প্রতি শীত মৌসুমে পেয়ে থাকি সুস্বাদু গুড় আর পাটালীসহ স্বাদে ভরা অনেক রকম খাদ্য। যার ভিতরে অন্যাতম খেঁজুরের রসের সুস্বাদু পায়েস আর রসে ভিজানো শীতের পিঠা। নবান্ন উৎসবে আকর্ষণীয় খাবার প্রস্তুতের অতি প্রয়োজনীয় উপাদান সর বা গুড়ে আমরা পেয়ে থাকি এই খেঁজুর গাছ থেকে। পিঠা-পুলি-পায়েস রাঁধতে খেঁজরের রস বা গুড়ের কোন জুড়ি নেই। খেঁজুরের রস বা গুড় বেশ অর্থকরী ফসল হিসেবেও বিবেচিত। বিশেষ করে খেঁজুরের রস দিয়ে তৈরি সুস্বাদু গুড়, পাটালী দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে শুরু করে বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়া ফল হিসেবে খেঁজুরও বেশ মজাদার ও সুস্বাদু খাদ্য। সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে শীত মৌসুমে অনেক পরিবার অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান হয় এই খেঁজুর গাছ থেকে। কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের রহমত উল্যাহ নামের এক খেঁজুরগাছী এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি প্রতি মৌসুমে খেজুরের রস এবং গুড় বিক্রি করে আর্থিকভাবে অনেক লাভবান হই এবং এখান থেকে আমার পরিবারের অনেক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আসে। অন্যর গাছ বর্গা নিয়ে তা থেকে উপার্জিত গুড় বা রস বাজরে বিক্রি করে বেশ স্বচ্ছন্দে সংসার চলে আমার। তবে গত কয়েক বছরে ইট ভাটা মালিকেরা খেঁজুর গাছ কেটে তাদের ভাটার জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে এখন আর খেঁজুর গাছের তেমন দেখা একটা মেলে না।
অতি প্রয়োজনীয় খেঁজুর গাছের রস ও গুড় দিয়ে এত সুস্বাদু খাবার তৈরি হলেও বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চল থেকে প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী খেঁজুর গাছ। নানা প্রয়োজনে উপর্যূপরী কর্তন করা হচ্ছে খেঁজুর গাছ। ইটের ভাটার জ্বালানি হিসেবে খেঁজুর গাছ কেটে উজাড় করে দেওয়া হচ্ছে, আবার কখনও বসতবাড়ি তৈরির উদ্দেশ্যে জাইগা স্বল্পতার কারণে কেটে ফেলা হচ্ছে খেঁজুর গাছ। নির্বিচারে খেঁজুর গাছ কাটা হলেও নতুন করে এর চারা পোপনের কোন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছেনা। প্রাকৃতিকভাবে যা জন্মাচ্ছে তাও আবার সুষ্ঠু রক্ষণা-বেক্ষণের অভাবে ছাগল-গরু খেয়ে নষ্ট করে ফেলছে। যার ফলে বর্তমানে এ গাছের সংখ্যা প্রায় শূণ্যেও কোটায় এসে দাড়িয়েছে। গ্রাম বাংলার অতি প্রয়োজনীয় এই বৃক্ষটি এভাবে নির্বিচারে নিধন হতে থাকলে এক সময় ঐতিহ্যবাহী এই খেঁজুর গাছ দক্ষিণাঞ্চল থেকে একেবারে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাই বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার উদ্যেগে নতুন করে চারা রোপনের উদ্যোগ গ্রহণসহ সুষ্ঠু সক্ষণা-বেক্ষণের মাধ্যমে এবং এর কর্তনের উপর আইনি বিধি নিষেধ আরো কওে গ্রাম বাংলার মানুষের অতি প্রয়োজনীয় এই বৃক্ষ সম্পদকে রক্ষা ও সম্প্রসারণ একান্ত আবশ্যক।
আসুন আমরা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্য খেঁজুর গাছ নিধন বন্ধ করি, খেঁজুর গাছ রোপণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest