সর্বশেষ সংবাদ-
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণবৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীসাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসিরবিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জেলা মৎস্যজীবী দলের মাছের পোনা অবমুক্তদেবহাটায় ৪০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তআশাশুনিতে ৭৫৫জন নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণপারুলিয়ায় ব্যাংকের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে গোরস্থান ও মাদ্রাসার জায়গা দখলের চেষ্টাদেবহাটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সৌদি প্রিন্স তালালের মুক্তিপণ ৬০০ কোটি ডলার!

প্রিন্স আল-ওয়াহেদ বিন তালাল বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। বিশ্বজুড়ে যিনি ‘অ্যারাবিয়ান ওয়ারেন বাফেট’ নামে পরিচিত। মূলত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়াতেই এমন উপাধি পেয়েছেন তালাল।

গেল নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সৌদি আরব দুর্নীতির অভিযোগে যে কয়জন প্রিন্স ও মন্ত্রীকে আটক করেছে তার মধ্যে তালালও রয়েছেন। আটকের পর থেকে বিশ্ব মিডিয়াতে তাকে নিয়ে হচ্ছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। এবার সৌদি প্রিন্স ওয়ালিদকে মুক্তির বিনিময়ে ছয় বিলিয়ন বা ৬০০ কোটি ডলার দাবি করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে দেশটির কারাগার ‘বিলাসবহুল রিজ কার্লটন হোটেলে’ দুই মাস ধরে বন্দি রয়েছেন ওয়ালিদ।

ওয়ালিদের মুক্তির জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি নিয়ে দেনদরবার এখনও চলছে। যাদের আটক করা হয়েছে তাদের মধ্যে ওয়ালিদের কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এর আগে সাবেক সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহর পুত্র মিতেব বিন আবদুল্লাহ ১০০ কোটি ডলারের বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছেন।

জানা গেছে, ওয়ালিদ অর্থের বিনিময়ে মুক্তি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তার বদলে রিয়াদের শেয়ার মার্কেটের তালিকায় থাকা কিংডোম হোল্ডিংসের একটি গুরুত্বপূর্ণ শেয়ার কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।

তালালের জন্ম ১৯৫৫ সালের ৭ মার্চ। তিনি একাধারে সৌদি রাজ পরিবারের সদস্য, একজন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং সমাজকর্মী।

২০০৮ সালে প্রভাবশালী ও ঐতিহ্যবাহী মার্কিন সাময়িকী টাইম বিশ্বের শীর্ষ একশ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যে তালিকা করে তাতে স্থান করে নেন তালাল বিন আবদুল আজিজ।

সৌদি রাজ পরিবারের সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তালাল সৌদি আরবের প্রথম রাজা ইবনে সৌদের নাতি এবং তারপর সৌদি আরবের সিংহাসনে বসা সব রাজাদের সৎ ভাইপো। তার আর একটি পরিচয় হচ্ছে তিনি লেবাননের প্রথম প্রধানমন্ত্রী রিয়াদ আল সোলহ’র ও নাতি।

তালাল রাজকীয় পরিবারের বাইরে একজন সফল ব্যবসায়ী। তিনি রিয়াদভিত্তিক বিনিয়োগ বিষয়ক হোল্ডিং প্রতিষ্ঠান ‘কিংডম হোল্ডিং কোম্পানি’র প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান এবং ৯৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক।

বাণিজ্য সাময়িকী ফোর্বসের তৈরি করা বিশ্বের শীর্ষ ২ হাজার কোম্পানির তালিকাতে থাকা কিংডম হোল্ডিং কোম্পানি বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার বিনিয়োগ করেছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে অর্থনৈতিক সেবা, পর্যটন, গণমাধ্যম, বিনোদন, খুচরা ব্যবসায়, কৃষি, পেট্রোক্যামিকেলস, এভিয়েশন, প্রযুক্তি এবং নির্মাণ শিল্প।

আল-ওয়ালিদ মার্কিন বহুজাতিক আর্থিক, ব্যাংকিং, বিনিয়োগ সেবা প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিগত শেয়ারের মালিক, মার্কিন গণমাধ্যম কোম্পানি টোয়েনটি ফাস্ট সেঞ্চুরি ফক্সের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শেয়ারের মালিক, প্যারিসে অবস্থিত পাঁচ তারকা হোটেল ‘ফোর সিজনস হোটেল জর্জ ভি’র মালিক এবং নিউইয়র্কে অবস্থিত অপর পাঁচ তারকা হোটেল ‘প্লাজা হোটেল’র আংশিক মালিক। তাছাড়া তালাল বিনিয়োগ করেছেন টুইটার,অ্যাপল, রুপার্টি মার্ডকের নিউজ কর্পোরেশনস এবং রাইড শেয়ারিং কোম্পানি লিফট এ।

২০১৩ সালের এক হিসেবে দেখা গেছে তালালের কোম্পানির মূলধনের বাজার মূল্য ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। তবে বর্তমানে তা আরও অনেক বেশি।

২০১৭ সালের নভেম্বরে ফোর্বস তালাল বিন আবদুল আজিজকে বিশ্বের শীর্ষ ৪৫তম ধনী ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ সময় তার সম্পত্তির নেট মূল্যমান ছিল ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। টাইম ম্যাগাজিন তালাল বিন আবদুল আজিজকে ‘অ্যারাবিয়ান ওয়ারেন বাফেট’ নামে আখ্যায়িত করে।

গত বছর তালাল বিন আবদুল আজিজ ভবিষৎতে তার সম্পত্তি মানবসেবায় দান করে দেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সাথে তিনি নারী ক্ষমতায়ন ও সাংস্কৃতিক বুদ্ধি বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাওয়ারও অঙ্গীকার করেন। এতকিছুর পর তাকে কেন আটক করা হয়েছে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রিন্স তালালের প্রতিষ্ঠান কিংবা নিকটাত্মীরাও এখনও মুখ খোলেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবশেষে ৫০০ বছরের রহস্য উন্মোচন!

১৫২০ সাল থেকে ২০১৭ সাল এর মধ্যে পেরিয়ে গেছে ৪৯৭টি বছর। পৃথিবীর ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে নানা উত্থান-পতনের ঘটনা। তবে এরই মধ্যে অক্ষত ছিল ভ্যাটিক্যান জাদুঘরের দুটি চিত্রকর্ম কিন্তু এগুলো সম্পর্কে কিছু রহস্য ও প্রশ্নের কোনও উত্তর খোঁজে মেলেনি এতোদিন। অবশেষে ভ্যাটিকানের প্রায় ৫০০ বছর ধরে অন্ধকারে থাকা কিছু প্রশ্ন আলোর মুখ দেখলো।

রেঁনেসা যুগের বিখ্যাত চিত্রকর রাফায়েলের দুটো ছবি খুঁজে পাওয়া গেছে। ভ্যাটিকান জাদুঘরের একটি কক্ষ পরিষ্কারের সময় এগুলোর দেখা মেলে। মাত্র ৩৭ বছর বয়সে ১৫২০ সালে মৃত্যুবরণ করেন রাফায়েল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মৃত্যুর পূর্বকালে এগুলোই তার আঁকা শেষ ছবি।

এ প্রসঙ্গে ভ্যাটিকানের প্রধান সংরক্ষক ফাবিও পিয়াসেনিতি জানা ন, এটা একটা বড় ধরনের আবিষ্কার বলা যায়। দীর্ঘ ৫০০ বছরের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। তার শেষ দুটো চিত্রকর্ম এগুলো। এক মহান চিত্রশিল্পীর অমূল্য সম্পদ এগুলো।

দুটো নারী চরিত্র আঁকা হয়েছে চিত্রকর্মে। একজন তুলে ধরেছেন ন্যায়বিচার, আরেকজন বন্ধুত্ব।

১৫১৯ সালের দিকে এগুলো আঁকা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই কক্ষের কিছু কাজ পেয়েছিলেন তিনি। অন্যান্য কাজ মৃত্যুর আগে শেষ করতে পারেননি রাফায়েল। তবে তার মৃত্যুর পর অন্যান্য চিত্রকররা কক্ষের বাকি কাজ শেষ করেন এবং পরে এই দুই চিত্রকর্মের কথা ভুলে যান।

১৫০৮ সালে পোপ জুলিয়াস দ্বিতীয় তার ব্যক্তিগত অ্যাপার্টমেন্টের তিনটি কক্ষের পেইন্টিংয়ের কাজ পেয়েছিলেন রাফায়েল। আজ এই তিনটি কক্ষ ‘রাফায়েলস রুমস’ হিসেবে পরিচিত। এসব কক্ষের দেয়াল চিত্র ‘স্কুল অব এথেন্স’ নামেও পরিচিত।

ওই অ্যাপার্টমেন্টের সবচেয়ে বড় ও চতুর্থ কক্ষে কাজ শুরুর চিন্তা করেছিলেন তিনি। সেখানে তিনি সেই সময় প্রচলিত ফ্রেস্কো পদ্ধতির পরিবর্তে তেল রং ব্যবহারের চিন্তা করেছিলেন।

১৫৫০ সালে জর্জিও ভাসারির লেখা ‘লাইভস অব দ্য মোস্ট এক্সেলেনরট পেইন্টার্স, স্কাল্পচার্স অ্যান্ড আর্কিটেকচার্স’ বইয়ের রেখা রয়েছে যে, রাফায়েল তেল রং নিয়ে নতুন ধরনের গবেষণা শুরু করেছেন। এই তথ্যটি রাফায়েলের চিত্রকর্ম খুঁজে বের করার সূত্র হিসেবে কাজ করছিল। যে দুটো ছবি মিলেছে সেগুলো তেল রংয়ের আঁকা হয়েছে। দেয়ালের বাকি চিত্র ফ্রেস্কো পদ্ধতিতে আঁকা। আল্ট্রা-ভায়োলেট এবং ইনফ্রারেডের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ছবিগুলো রাফায়েলের আঁকা এবং তেল রংয়ে আঁকা হয়েছিল।

ফাবিও জানান, সেই সময় ব্রাশওয়ার্কের সাহস একমাত্রা রাফায়েরই ছিল। দেয়ালে ব্রাশওয়ার্কের কাজও রয়েছে। আরো কিছু অনন্য পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন তিনি এগুলো আঁকতে।

রাফায়েলের ছবি দুটো মেরামত করতে হবে। দুটো ছবির মেরামতের কাজ করতে ২০২২ সাল লেগে যাবে। এতে খরচ ধরা হয়েছে ২.৭ মিলিয়ন ইউরো। এর জন্য ফান্ড গঠন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৬ বলে বাবর আজমের সেঞ্চুরি!

ক্রিকেটের ক্ষুদ্র আসর টি-টেন। প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের এই ক্ষুদ্র আসর বসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। আর এই আসর ক্রিকেট বিশ্বে তুমুল আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে এ আসরের রেশ কাটতে না কাটতেই পাকিস্তানের মাটিতে টি-টেন ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

শহিদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন আয়োজিত চ্যারিটি ম্যাচে রবিবার ফয়সালাবাদে মুখোমুখি হয় এসএএফ রেডস ও এসএএফ গ্রিন। আর সেই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন বাবর আজম। পাকিস্তান জাতীয় দলের এই তরুণ ব্যাটসম্যান সংক্ষিপ্ত এই ক্রিকেটে মাত্র ২৬ বলেই শতকের দেখা পান।

ব্যাটিংয়ে নেমে ১০ ওভারে ২০১ রানের পাহাড় গড়ে এসএএফ রেডস। ২০২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাবরের দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এসএএফ গ্রিন। ১১টি ছক্কা এবং ৭টি চারে মাত্র ২৬ বলে সেঞ্চুরি করেন বাবর। এছাড়াও ব্যাট হাতে ঝড় তুলেন শোয়েব মালিক ও ফখর জামান। শোয়েব ২০ বলে ৮৪ ও ফখর জামান ২৩ বলে ৭৬ রান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মঞ্চ মাতালেন পূর্ণিমা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। অভিনয় জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অনেক সুপার হিট ছবি দর্শকদের উপহার দিলেও অনেক দিন ধরেই চলচ্চিত্র থেকে দূরে তিনি। তবে সরব আছেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা আর মঞ্চে পারফর্মে।

গতকাল রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো (ব্যাট) একটি কর্পোরেট ইভেন্ট এর আয়োজন করেছিল। আর সে অনুষ্ঠানেই নেচে গেয়ে মঞ্চ মাতান পূর্ণিমা। আর তেমন কিছু ছবিই তিন তার ফেসবুকের দেয়ালে শেয়ার করেছেন।

জানা গেছে, এটি ছিল ব্যাটের ইন্টারনাল কর্পোরেট অনুষ্ঠান। আর যেখানে দেশ সেরা অন্যান তারকাদের পাশাপাশি পারফর্ম করেন পূর্ণিমা।

উল্লেখ্য, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত এই নায়িকার চলচ্চিত্র জগতে পথচলা শুরু হয়েছিল জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমার ছবির মাধ্যমে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ২০১০ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
না খেয়ে থাকতে পারলেও যৌনতা ছাড়া থাকতে পারবেন না সামান্থা !

না খেয়ে থাকতে পারলেও যৌনতা ছাড়া থাকতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন তামিল ও তেলেগু ছবির জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু।

একটি ম্যাগাজিনের জন্য চলতি বছর ফটোশুট করেন তিনি। সেখানে এক সাক্ষাৎকারে যৌনতা বিষয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন নায়িকা। সম্প্রতি সামান্থার সেই বিস্ফোরণ মন্তব্যটি ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়ায়।

সাক্ষাৎকারে সামান্থাকে প্রশ্ন করা হয়, যৌনতা ও খাবার এর মধ্যে কোনটাকে বেছে নেবেন। কোনও চিন্তা না করে সামান্থার অকপট উত্তর, ‘অবশ্যই যৌনতা। না খেয়ে আমি থাকতে পারি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঘুষ খান, কিন্তু সহনীয় মাত্রায় খান- শিক্ষামন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক: পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) কর্মকর্তারা ঘুষ নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে ভালো প্রতিবেদন জমা দেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি আরও বলেছেন, ‘আপনারা ঘুষ খান, কিন্তু সহনীয় মাত্রায় খান।’
রবিবার শিক্ষাভবনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) সম্মেলনকক্ষে অধিদফতেরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ল্যাপটপ ও প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
এক উদাহরণ দিতে গিয়ে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) কর্মকর্তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে ঘুষের বিনিময়ে তারা ওই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে ভালো প্রতিবেদন দেন। স্কুল পরিদর্শনে গেলে খাম রেডি করাই থাকে। তবে আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ, আপনারা ঘুষ খান, কিন্তু সহনীয় হয়ে খান। কেননা, আমার এটা বলার সাহসই নেই যে, ঘুষ খাবেন না। তা অর্থহীন হবে।’
প্রায় সবখানেই ঘুষ লেনদেন হচ্ছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘খালি যে অফিসাররা চোর, তা না। মন্ত্রীরাও চোর। আমিও চোর। এ জগতে এমনই চলে আসছে। তবে এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।’ বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি কমেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের এমন বক্তব্যের ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি রবিবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘যারা ওইসব রিপোর্ট করেন, তারা কথাই বোঝেন না। আমি বলেছি, কর্মকর্তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে গিয়ে একসময় মাত্রাতিরিক্ত ঘুষ খেতেন। স্কুলে গেলেই খাম ধরিয়ে দিতেন। তখন থেকে তাদেরকে হুঁশিয়ারি দিয়েছি, জিরো টলারেন্স নিয়েছি। আমরা তখন বলেছিলাম, ঘুষ খেলেও সহনশীল মাত্রায় নামিয়ে আনেন। কিন্তু এখন আমরা আরও কঠোর হয়েছি। তাদের ঘুষ খাওয়াসহ বিভিন্ন দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছি। এই কথাটিই আমি উদাহরণ হিসেবে বলেছি। তারপর তাদের হাতে ল্যাপটপ তুলে দিলাম। এখন যদি এটা নিয়ে আবার রিপোর্ট করা হয়, তাহলে তো কথাই বলা যাবে না দেখছি।’
ডিআইএ’র পরিচালক অধ্যাপক আহমদ সাজ্জাদ রশিদ এ বিষয়ে বলেন, ‘মন্ত্রী আগের একটি বিষয়কে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তিনি তো মজা করে অনেক সময় অনেক কথাই বলেন। তিনি আসলে ঘুষ খাওয়ার কথা বলেননি। তিনি উদাহরণ দিয়েছেন মাত্র।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মির্জাপুর বাজারে অবৈধ ইঞ্জিন ভ্যান তৈরির কারখানা, প্রশাসন নিরব

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটা থানার খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মির্জাপুর বাজারের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ইঞ্জিন চালিত নছিমন, সমিরন, আছিরন, করিমন, পাগলাঘন্টা কারখানা গড়ে উঠেছে। ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা। প্রশাসন জানলেও কোন অদৃশ্য কারনে এসকল অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাটকেলঘাটার মির্জাপুর বাজারের দুই ধারে ছোটবড় ৭টি ওয়ার্কশপে শিশু শ্রমিক দ্বারা সরকারের কোন অনুমতি ছাড়াই দিনরাত অবৈধ ইঞ্জিন ভ্যান তৈরির কাজ চলছে। এর ফলে একদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে আইনের নিয়মনীতি উপেক্ষা করে হোল্ডিং ঝালাই এবং ব্যাপক শব্দ দুষনে পরিবেশ নষ্ট করছে। এ প্রতিবেদকের সাথে কারখানার এক শ্রমিক নাম না প্রকাশ করার স্বার্থে জানায়, আমরা সপ্তায় ১০/১৫টা এবং মাসে ১থেকে দেড়শ ইঞ্জিন ভ্যান বানিয়ে থাকি। এক একটা ইঞ্জিন ভ্যান বানাতে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ হয়। আমাদের মালিক নিয়মিত প্রশাসনকে ম্যানেজ করে করার ফলে আমরা ইঞ্জিন ভ্যান তৈরি করলেও আমাদের কোন সমস্যায় পড়তে হয় না। এদিকে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের নাকের ডগায় সরকারের অনুমতি ছাড়াই এ সব অবৈধ নছিমন, করিমন, পাগলা ঘন্টা, ইনজিন ভ্যান তৈরি হলেও প্রশাসনের কোন মাথা ব্যাথা নেই। অবৈধ ইঞ্জিন ভ্যানের চলাচলের কারণে ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত সড়ক দূর্ঘটনা। ইঞ্জিন ভ্যান চলাচলের কারণে বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সময় অবরোধ ধর্মঘট পালন করলে সাময়িক ভাবে ভ্রাম্যমান আদালত দিয়ে জরিমানা করা হয়। এছাড়া মির্জাপুর বাজারে বেশ কয়েকবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এসকল অবৈধ কারখানাগুলোতে সীলগালা করে দিলেও গোপন পথ তৈরি করে ভিতরে অনাসয়ে তাদের অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এসব মরণ যন্ত্র দানবের কারনে প্রতি মাসেই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রানহানির মত বড় দূর্ঘটনা ঘটে চলেছে। এসকল ইঞ্জিনভ্যান তৈরির কারখানায় অধিকাংশ নেই কোন পরিবেশ লাইসেন্স। এক কথায় সককারের সকল নিয়মনীতির প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে এসকল ইঞ্জিন দানব তৈরির কারখানা। এলাকার সচেতন মহল অবৈধ ইঞ্জিন ভ্যানের শব্দ এবং পরিবেশ দুষনের হাত থেকে বাচার জন্য উর্দ্ধতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনাসহ সাথে সাথে এসকল অবৈধ কারখানা আশুবন্ধের জন্য প্রশাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে জলবায়ু মেলা উদ্বোধন

শ্যামনগর ব্যুরো : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি হিসাবে জনগণের সেবায় কাজ করে যাচ্ছি। সরকারের উন্নয়নের কর্মকান্ড তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের মধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আইলার আঘাতে উপকূলীয় জনপথ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। জানমালের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়Ñ যা আজও পূরণ হয়নি। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর উচ্চাভিলাসী কর্মকান্ডের ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত। দেশের অপূরণীয় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছুটে চলেছেন। উপকূলীয় জনপদের উন্নয়নে ইতিমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাউবো বেড়িবাঁধ সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলবদ্ধ দূরীকরণে সরকারি খালগুলো উন্মুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা, কর্মক্ষেত্র, কৃষি ও সুপেয় পানির উপরে ব্যপক প্রভাব পড়েছে। ২ লক্ষাধিক মানুষ কাজের জন্য এলাকা থেকে অন্যত্র পাড়ি জমিয়েছে। আসুন সবাই কাধে কাধ মিলেয়ে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে এলাকার উন্নয়নে কাজ করি।
২৪ ডিসেম্বর হতে ২৬ ডিসেম্বর তিন দিনব্যাপী জলবায়ু মেলা রোববার সকাল ১০ টায় উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সংশ্লিষ্ট আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। উপাধ্যক্ষ নাজিম উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তেব্যে সিএসআরএল এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক মুক্তা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি এক্ষণে উদ্যোগ না নিলে এ অঞ্চল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এসময় সকল সরকারি কর্মকর্তা, বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মুক্তিযোদ্ধা ও সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবি মানুষ জলবায়ু মেলায় অংশগ্রহণ করেন।
সকাল ৯.৩০ টায় মেলা উপলক্ষ্যে এক শোভাযাত্রা উপজেলা চত্ত্বর থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে। বিকাল ৩ টায় মেলায় জলবায়ু পরিবর্তনের উপরে চিত্রাংকন, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জলবায়ু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশেক-ই-এলাহী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest