সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতাদেবহাটা থানার নতুন ওসি আব্দুল আলিমের দায়িত্ব গ্রহণবস্তুনিষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের কারনেই দেশের শীর্ষ গণমাধ্যম সময় টিভিশ্যামনগরে কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা, জলবায়ু ন্যায্যতা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসাংবাদিক জিন্নাহর উপর হামলাকারী মামুনকে কারাগারে পাঠালো আদালত

আনিসুল হক; এলেন দেখলেন জয় করলেন

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দুই ভাগ হওয়ার পর থেকেই মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা পোস্টারে পোস্টারে ছেঁয়ে দেয় রাজধানীর অলিগলি। তার এমন পোস্টার চোখে দেখেনি রাজধানীবাসী। সরব কোনো আয়োজনও ছিল না। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই নাকি ফোন করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সে নির্দেশনা আশীর্বাদ ছিল বলে একাধিক প্রোগ্রামে উল্লেখ করেছিলেন। আশীর্বাদ জেনে উন্নয়নের পথে এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন। স্বপ্নজয়ের সিঁড়িতে ভর করেছিলেন সবে। স্থবির হয়ে পড়া রাজধানীর গতিও ফিরিয়েছিলেন খানিক। কিন্তু এই অবেলায় তার গতি থেমে যাবে, তা কে জানতো?

পেশীশক্তির রাজনীতিতে পা রাখেননি। নষ্ট রাজনীতির কাদা গায়েও লাগননি তিনি। বরং রাজনীতির নামে যারা অপরাজনীতি করছেন, তাদের জন্যও ইতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মেয়র আনিসুল হক। তার চলে যাওয়ায় কাদঁছেন নগরবাসী। কাঁদছেন অরাজনৈতিক-রাজনৈতিক মঞ্চের মানুষেরাও।

ভয়কে জয় করে উন্নয়নের মাঠ প্রসারিত করার নাম আনিসুল হক। যে দলের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে জিতলেন, উন্নয়ন প্রশ্নে সেই দলের মানুষেরাই পথ আগলে ধরেন। অবরুদ্ধও হলেন। তবে নিরাশ হননি। সব বাধা পায়ে মাড়িয়েই স্বস্তি দিতে চেয়েছিলেন নগরে। দৃঢ় মনোবল আর সাহসিকতা দিয়েই তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ডের রাস্তা দখলমুক্ত করেছিলেন। দায়িত্ব নেয়ার দুই বছরেই ঢাকা উত্তরের রূপ বদলে দেন। সততা আর সাহসিকতার জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন নানা মহলের।

মেয়র আনিসুল হকের প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল সিটি কর্পোরেশন কেন্দ্রিক টেন্ডার বাণিজ্য বন্ধ করে ক্রয় খাতে স্বচ্ছতা আনা। তাতে সক্ষমও হয়েছিলেন। আর তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ, গাবতলীতে অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা এবং সর্বশেষ দূতাবাসপাড়ায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা তার যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করা হয়।

সদ্য প্রয়াত এই মেয়রের আরও কিছু সফল পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন; উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ; সড়কবাতি স্থাপন, সড়ক ও ফুটপাত নির্মাণ, সংস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা, জলাবদ্ধতা নিরসনে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনা।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নানা রংবেরঙের বিলবোর্ড সরানো ছিল যে কোনো মেয়রের জন্য চ্যালেঞ্জ। রাস্তার পাশে, ভবনের ছাদে কিংবা দেয়ালে হাজার হাজার বিলবোর্ড শহরের সৌন্দর্য ম্লান করে দিয়েছিল। সেই চিরচেনা রূপ বদলে দিয়েছিলেন আনিসুল হক। প্রায় ২০ হাজার বিলবোর্ড অপসারণ করে তিনি। গাবতলী আর আমিনবাজারের অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ করে গতি দিয়েছিলেন এখানকার সড়কে।

আনিসুল হকের আমলেই চলন্ত সিঁড়ি দেখতে পেলেন রাজধানীবাসী। গত দুই বছরে দুটি চলন্ত সিঁড়িসহ ৫৫টি ফুট ওভারব্রিজ, দুটি আন্ডারপাস এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক জেব্রা ক্রসিং নির্মাণ করা হয়েছে। ১০টি উন্নতমানের আধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে, যা সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ব্যবহার করতে পারবে।

উন্নত নাগরিকসেবার জন্য ‘নগর’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু হয়েছে তার সময়ই। নিরাপদ ঢাকা গড়ার প্রত্যয়ে এরই মধ্যে ৬৪২টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এতে জননিরাপত্তা বেড়েছে বহুগুণ। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে তার এলাকায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশেষ বাস সার্ভিস ‘ঢাকা চাকা’ চালু করেন। উত্তরায় ৩২ হাজার গাছের চারা রোপণ করেন। আরও ১০ লাখ গাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা চলছে।

আনিসুল হক ৬৬টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণ করেছিলেন, যেখান থেকে গড়ে প্রতিদিন দুই হাজার ৪০০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে সফলতার সিঁড়িতে হাঁটতে গিয়ে বারবার বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল মেয়র আনিসুল হককে। মোটেও সহজ ছিল না রাজনীতির আকাশে অরাজনীতিক এই ব্যক্তির কেতন উড়ানো। ‘ইচ্ছা থাকলেও নগরের উন্নয়ন করা যাচ্ছে না’ এমন অতৃপ্তির কথাও শুনিয়েছিলেন বারবার। তবুও থেমে থাকেননি। সরকারের সর্বোচ্চ মহলের সহযোগিতাই তাকে অনুপ্রাণিত করেছিল বারবার।

এত স্বপ্ন নিয়েও মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন হস্যময়ী আনিসুল হক। তবে মৃত্যুর মধ্য দিয়েই তিনি চিরঞ্জীব হয়ে বেঁচে থাকবেন নগরবাসীর মাঝে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যে শার্ট গায়ে নেট দুনিয়ায় ভাইরাল কারিনা!

কারিনা কাপুর খান। বলিউডের হার্টথ্রুব অভিনেত্রীদের একজন।
পতৌদি নবাবের পুত্রবধূ এবার ১৪০০ মার্কিন ডলারের শার্ট গায়ে ঝড় তুললেন। আর তার এ দামি শার্ট পরিহিত ছবি ভাইরাল হয়ে গেছে নেট দুনিয়ায়।

সাধারণত ছিমছাম ক্যাজুয়্যাল পোশাকেই দেখা যায় কারিনা কাপুর খানকে। সম্প্রতি একটি পার্টিতে গিয়েছিলেন কারিনা কাপুর। যেখানে ইটালিয়ান ফ্যাশান ব্রান্ড গুসির একটি হলুদ রঙের প্রিন্টেড রেশম শার্ট পরতে দেখা যায় নায়িকাকে।

কারিনার এই শার্টের দাম শুনলে আপনিও হয়ত আঁতকে উঠবেন। ১৪০০ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় এক লাখ ১৭ হাজার টাকা।

এর আগে, একবার মুম্বাই এয়ারপোর্টে হালকা আকাশি রঙের সমুদ্র সৈকতের ছবি আঁকা একটা টি-শার্ট ও হলুদ টি-শার্ট পরতে দেখা গিয়েছিল সাইফ আলী খানের স্ত্রীকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্ত্রী ও তার প্রেমিকের মাথা কেটে জেলে স্বামী

প্রতিবেশি যুবকের সঙ্গে গোপনে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল পশ্চিম বঙ্গের বাকুড়া জেলার ভৈরব কুণ্ডুর স্ত্রী। স্বামীর চোখে ধুলো দিয়েই চলছিল সম্পর্ক।
তা গড়ায় যৌনতাতেও। বাড়ির চৌহদ্দি ছেড়ে গোয়াল ঘরে বয়সে ৪ বছরের ছোট প্রেমিকের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয় ওই নারী। কিন্তু ওইদিন হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্বামী। তারপরই নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি ওই ব্যক্তি। স্ত্রী ও তার প্রেমিকের মুণ্ডচ্ছেদ করেন।

বাকুড়া গঙ্গাজল ঘাঁটি থানা এলাকার ঘটক গ্রামের এই ঘটনায় বছর দুয়েক আগে বেশ শোরগোল ফেলেছিল। অবশেষে বাঁকুড়া আদালত আজীবন কারাবাসের সাজা দিল ওই ব্যক্তিকে।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ভৈরব কুণ্ডু। স্ত্রী জ্যোৎস্নার সঙ্গে সুখের সংসারই ছিল বলা যায়।
কিন্তু তাতে বিষ ঢালে স্ত্রীর অবৈধ প্রেম। স্ত্রী যে প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল, তা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি ওই ব্যক্তি। এদিকে ভেতরে ভেতরে সম্পর্ক গড়িয়েছিল অনেকটাই।

জানা গিয়েছিল, পথিক ঢাং নামে ওই যুবক বয়সে জ্যোৎস্নার থেকে বছর তিনেকের ছোট ছিল। কিন্তু বয়স সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। স্বামীকে অন্ধকারে রেখেই গোপনে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল জ্যোৎস্না। একসময় তা গড়ায় যৌনতাতে। ঘটনার সূত্রপাত সেখানেই।

ভৈরবের অভিযোগ ছিল, পথিকের সঙ্গে জ্যোৎস্নাকে যৌনমিলনের সময় হাতনাতে ধরে ফেলে সে। স্বামীর চোখে ধুলো দিতে বাড়ির গোয়ালঘরকে যৌনতার জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছিল অবৈধ প্রেমিক যুগল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ধরা পড়ে যায় ভৈরবের হাতে। স্ত্রীকে ওই অবস্থায় দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি ভৈরব। ধারাল অস্ত্রের কোপে হত্যা করেন স্ত্রীকে। তাঁর রোষ থেকে রেহাই পায়নি পথিকও। তারও একই পরিণতি হয়।

ঘটনার পর থেকে বেশ কিছুদিন পলাতক ছিল ভৈরব। তদন্তে নেমে ভৈরবকে খুঁজতে থাকে পুলিশ। বেশিদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকতে পারেনি ভৈরব। ধরা পড়ে পুলিশের জালে। শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। প্রায় বছর দুয়েক পর সাজা ঘোষণা হল ভৈরব কুণ্ডুর। স্ত্রী ও প্রতিবেশী যুবককে খুনের দায়ে ভৈরবকে দোষী সাব্যস্ত করে বাঁকুড়া আদালতের বিচারক সুকুমার সূত্রধর। আজবীন কারাবাসের দণ্ড দেওয়া হয়েছে ওই ব্যক্তিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বার্সেলোনার নজর এবার উইলিয়ানের দিকে

ব্রাজিল আইকন নেইমার চলে যাওয়ার পর থেকে খেলোয়াড় কিনতে মরিয়া বার্সেলোনা। জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে বার্সার নজর অনেকের দিকেই আছে।
কখনো পিএসজির ডি মারিয়া, কখনো লিভারপুলের কুতিনহো আবার কখনো জুভেন্টাসের দিবালার কথা শোনা গেছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় এবার শোনা গেল আগামী ট্রান্সফার উইন্ডোতে চেলসির ব্রাজিলিয়ান তারকা উইলিয়ানের জন্য মাঠে নামতে যাচ্ছে বার্সেলোনা।

উইলিয়ানের সঙ্গে ইংলিশ জায়ান্ট চেলসির চুক্তি রয়েছে ২০২০ সাল পর্যন্ত। তবে, ২৯ বছর বয়সী এই তারকা সম্প্রতি চেলসির হয়ে খুব একটা নিয়মিত খেলছেন না। চেলসির জার্সিতে উইলিয়ান খেলেছেন ২০ ম্যাচ। অনিয়মিত হয়ে পড়া এই ব্রাজিলিয়ান গোল করেছেন এই মৌসুমে মোটে চারটি।

উইলিয়ানের রিপ্লেসমেন্ট পেয়ে গেলে চেলসি তাকে আগামী ট্রান্সফার উইন্ডোতে ছেড়ে দিতে পারে। এদিকে, লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান তারকা কুতিনহোকে না পেলে তার জায়গায় আরেক ব্রাজিলিয়ান উইলিয়ানের পিছু যে বার্সা ছাড়বে না সেটাও বলা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৫০০ বোতল ফেনসিডিলসহ ১ ব্যক্তি আটক

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে ৫০০ বোতল ফেনসিডিল আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ৪৫ ঘটিকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে বিভাগীয় উপ-পরিদর্শক বিজয় কুমার মজুমদার ও সহকারী উপ-পরিচালক মদন মোহন সাহার নের্তৃত্বে সখিপুর গ্রামের রজব আলী গাজীর পুত্র আমির হোসেন (২১) এর বাড়ি থেকে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল সহ তাকে আটক করা হয়। জব্দ কৃত ফেনসিডিলের মুল্য ২,৮০,০০০ টাকা। এসময় আমির হোসেনকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা গেলেও একই গ্রামের মৃত মিয়ারাজ গাজীর পুত্র আমিরুল ইসলাম পালিয়ে যায়।
অপর অভিযানে বিকাল ৪টার সময় বিভাগীয় পরিদর্শক লাকিয়া খানমের নের্তৃত্বে নারিকেলী গ্রামের মৃত আহম্মদ সরদারের পুত্র সবুর সরদারের ঘর থেকে ১০০ বোতল জব্দ করা হয়। এসময় সবুর সরদার ও সখিপুর গ্রামের আবু বক্কারের পুত্র আশরাফ আলী দ্রুত পালিয়ে যায়। জব্দ কৃত ফেনসিডিলের মুল্য ৭০,০০০ টাকা। এ বিষয়ে দেবহাটা থানায় মামলা দায়েরের করা হয়েছে। মামলা নং- ১২ ও ১৩।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনিসুল হক আর নেই

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসকেরা তাঁর কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসযন্ত্র (ভেনটিলেশন যন্ত্র) খুলে নেন। এরপর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে মেয়রের পারিবারিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পারিবারিক ওই সূত্র জানায়, আনিসুল হক লন্ডনের স্থানীয় সময় ৪টা ২৩ মিনিটে এবং বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ২৩ মিনিটে পরলোক গমন করেছেন। তাঁর পাশে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী, পুত্র ও কন্যারা। আগামী শনিবার বেলা ১১টা ৪০মিনিটে আনিসুল হকের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহ তাঁর বাসায় নেওয়া হবে। ওই দিন বাদ আসর তাঁকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে মেয়র আনিসুল হক চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১৩ আগস্ট তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর শরীরে মস্তিষ্কের প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকেরা। এরপর তাঁকে দীর্ঘদিন আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে মেয়রের শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় তাঁর কৃত্রিম শ্বাসযন্ত্র খুলে নেওয়া হয়। কিন্তু মঙ্গলবার মেয়রের পরিবারের একজন সদস্য বলেন, রক্তে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাঁকে আবার আইসিইউতে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে মেয়রকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি, ব্যবসায়ী ও একসময়কার টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব আনিসুল হক ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৫২ সালে চট্টগ্রামের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর শৈশবের একটি বড় সময় কাটে ফেনীর সোনাগাজীর নানার বাড়িতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ মানবতার পক্ষে দাঁড়িয়েছে : পোপ ফ্রান্সিস

সফররত রোমান ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস বলেন, বিশাল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশাল ত্যাগ স্বীকার করছে। আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে তাঁর সৌজন্যে দেওয়া সংবর্ধনায় তিনি একথা বলেন।

পোপ ফ্রান্সিস আরো বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসা অসহায় মানুষদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ মানবতার পক্ষে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে পোপের বক্তব্য এ সমস্যা সমাধানে সবাইকে আশান্বিত করেছে।

অনুষ্ঠানে সারা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষ বিশেষ করে শরণার্থী এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে পোপের জোরালো অবস্থানের কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও পোপের এযাবৎকালের বক্তব্য বিশ্বনেতাদের আরো তৎপর করে তুলবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিমানবন্দর থেকে পোপ ফ্রান্সিস বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁকে স্বাগত জানান। তাঁরা দুজন এ সময় বৈঠক করেন। বাংলাদেশ ও ভ্যাটিকানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেন।

পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ক্যাথলিক ধর্মীয় গুরু ও সার্বভৌম ভ্যাটিকান সিটির প্রধান তাঁর তিনদিনের মিয়ানমার সফর শেষে বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করলে ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ভিভিআইপি টারমাকের কাছে পোপকে স্বাগত জানান। এ সময় দুটি ছোট শিশু পোপকে ফুলের তোড়া উপহার দেয়। পোপকে গার্ড অব অনার ও রাষ্ট্রীয় অভিবাদন প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পোপ ফ্রান্সিস অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ সময় বাংলাদেশ ও ভ্যাটিকান সিটির জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এটাই হচ্ছে ক্যাথলিক কোনো পোপের দ্বিতীয় বাংলাদেশ সফর। এর আগে ১৯৮৬ সালে পোপ দ্বিতীয় জন পল বাংলাদেশ সফর করেন।

এরপর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ উপস্থিত মন্ত্রিবর্গ ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে পোপের পরিচয় করিয়ে দেন।

পোপকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, তিন বাহিনীর প্রধানরা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, বাংলাদেশে ভ্যাটিকান সিটি রাষ্ট্রদূত জর্জ কোচেরি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

বিমানবন্দর থেকে পোপ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান। এরপর তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পোপ ফ্রান্সিস ৮০ বছর আগে ১৯৩৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এইরেসে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ ২৬৬তম পোপ হিসেবে নির্বাচিত হন। একই সঙ্গে ৩১৯ একর আয়তনের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটির রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় থানার ওসির কাছে পাঠানো হয়েছে তাঁতীলীগের কমিটি গঠনের অনুলিপি !

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ তাঁতীলীগ সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২৯ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি মীর আজাহার আলী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তৌহিদ হাসান স্বাক্ষরিত একপত্রে আংশিক কমিটি অনুমোদন দেন। আর এই কমিটির অনুলিপি সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট পাঠানো হয়েছে বলে সংগঠনের প্যাডে উল্লেখ করা হয়েছ। রাজনীতি সচেতন মানুষ এবিষয়টি অত্যন্ত দৃষ্টিকটু ও হাস্যকর বলে মন্তব্য করছেন। তারা বলছেন আ ’লীগের একটি সহযোগী সংগঠনের একটি ইউনিটের কমিটি গঠন করা হয়েছে, কিন্তু এর অনুলিপি কেন থানার ওসিকে প্রেরণ করতে হবে তা তাদের বোধগম্য নয়! অনেকেই এটাকে দেখছেন সাতক্ষীরায় বর্তমান রাজনীতির দেউলিয়াপনার অংশ হিসেবে।

কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন, সভাপতি শেখ এনামুজ্জামান নিপ্পন, সহ-সভাপতি নাজমুল হোসেন, পলাশ কুমার সানা, সাধারণ সম্পাদক উজ্জল কুমার সানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম। উক্ত আংশিক কমিটি আগামী ৩ মাসের মধ্যে সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন কমিটির দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় উক্ত পত্রে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest