নিজেদের আঙিনা থেকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির প্রতিকৃতি সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট হিউজ কলেজে সু চির একটি প্রতিকৃতি ছিল।

বৃহস্পতিবার বিবিসিসহ যুক্তরাজ্যের একাধিক গণমাধ্যম এ তথ্য দেয়।

সু চি ১৯৬৭ সালে ওই সেন্ট হিউজ কলেজ থেকেই স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ওই কলেজ ২০১২ সালে তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়।

বিবিসি জানায়, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে সু চির প্রতিকৃতি সরিয়ে নিল সেন্ট হিউজ কলেজ।

তবে কলেজটির কমিউনিকেশন বেনজামিন জোনস জানিয়েছেন, কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে প্রতিকৃতিটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, সেখানে হত্যা, ধর্ষণ, আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো অপরাধ করছে সেনাবাহিনী।

জাতিসংঘ এরই মধ্যে বলেছে, মিয়ানমারে চলছে ‘জাতিগত নিধন’। প্রাণ বাঁচাতে গত এক মাসে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

অং সান সু চি বর্তমানে মিয়ানমারের উপদেষ্টা। এতকিছুর পরও রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে বা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি সু চি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞের ব্যাপারে নিজ দেশের সেনাদের বিরুদ্ধে কোনো কথাই বলেননি সু চি।

১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সু চি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথম দিন শেষ করেছিল ১ উইকেট হারিয়ে ২৯৮ রান তুলে নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। একমাত্র উইকেটে পতন হয়েছিল রান আউটের মাধ্যমে।

শুক্রবার দ্বিতীয় দিন আরও দুটি উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রানে হঠাৎ ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সে সময় তামিম মাঠের বাইরে থাকায় উদ্বোধনী জুটিতে ব্যাট করতে নামতে পারেননি বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার। তার পরিবর্তে ইমরুল কায়েস ও লিটন কুমার দাস ব্যাট করতে নামেন।

ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৯৬ রান তুলেছে সেখানে বাংলাদেশ ১০৩ রান তুলতেই হারিয়েছে ৩ উইকেট। মুমিনুল হক ও তামিম ইকবাল চতুর্থ উইকেট জুটিতে ২৪ রান তোলায় দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান।

তামিম ২২ ও মুমিনুল ২৮ রানে অপরাজিত আছেন। তারা দুজন তৃতীয় দিনে ব্যাট করতে নামবেন। দক্ষিণ আফ্রিকার চেয়ে এখনো ৩৬৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে। ফলোঅন এড়াতে এখনো ১৬৯ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের।

দলীয় ১৬ রানে ইমরুল কায়েস ফিরে যাওয়ার পর ৩৬ রানের মাথায় ফিরে গেছেন লিটন দাস। এই দুজন এসেছিলেন ইনিংস উদ্বোধন করতে। টি ব্রেকের আগে নির্দিষ্ট সময় ফিল্ডিং করেননি বলে ওপেন করতে পারেন নি তামিম ইকবাল। কিন্তু প্রথমবার ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ লিটন।

ব্যর্থ ইমরুল কায়েসও। দেখে শুনে এগোলেও নিজের ইনিংস খুব বেশি বড় করতে পারেনি অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ৫৭ বলে ৪৪ রান করে সাঁঝঘরে ফিরেন রহিম।

এর আগে প্রথম ইনিংসে গতকাল পুরো দিনে উইকেটের পতন ঘটেছিল একটি, দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে পতন ঘটল দুটি উইকেটের। প্রথম ইনিংসে চালকের আসনে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা চলার রাস্তাটা আরও প্রশস্ত করলেও এগোয়নি আর, নিজেদের প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে ৩ উইকেটে ৪৯৬ রান করেই। এতো ভালো একটি দলীয় ইনিংসের পরও অবশ্য প্রোটিয়াদের কিছুটা পোড়াচ্ছে একটি সেঞ্চুরি ও একটি ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ।

প্রথম দিন ৯৭ রানে সাজঘরে ফিরেছিলেন অভিষিক্ত অ্যাইডেন মারক্রাম। দ্বিতীয় দিন আরেক ওপেনার ডিন এলগার মুস্তাফিজের বলে ফিরলেন ১৯৯ রান করে, ডাবল সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থেকে। ১৩৭ রানে আউট হওয়ার আমলার দেড়শ-র মাইলফলক না ছোঁয়ার আক্ষেপেও চাইলে পুড়তে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা, যে সুযোগ এনে দিয়েছিলেন শফিউল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ পাইকগাছার বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বৃহস্পতিবার মহাষ্টমীতে পাইকগাছা পৌরসভার বাতিখালী হরিতলা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বাজার মন্দির সহ বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন এবং ভক্তবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কৃষ্ণ পদ দাশ, সিনিয়র সহ-সভাপতি রবীন্দ্র নাথ দত্ত, সহ-সভাপতি রতন মিত্র, যুগ্ম সম্পাদক সাধন কুমার ভদ্র, সহ-কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অজিত কুমার হালদার, পাইকগাছা উপজেলা সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, পরিষদ নেতা কৃষ্ণপদ ম-ল, হেমেশ চন্দ্র ম-ল, দীপক কুমার ম-ল, বাবুরাম ম-ল, সাংবাদিক বি সরকার, ¯েœহেন্দু বিকাশ ও প্রমথ সানা, শংকর দত্ত, উজ্জ্বল ম-ল, গৌতম ম-ল, কার্তিক দেবনাথ, শংকর দত্ত, বিভুতি বিশ্বাস, পিযুষ সাধু প্রমুখ। অপর দিকে বৃহস্পতিবার দিনভোর পৌরসভাসহ লস্কর, গড়ইখালী, চাঁদখালীর বিভিন্ন দূর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন উপজেলা সংগঠণের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ ম-ল, ¯েœহেন্দু বিকাশ, খগেন্দ্রনাথ রায়, বাবুরাম ম-ল, জগদীশ রায়, পিযুষ সাধু, মৃত্যুঞ্জয় সরদার, শ্যামাপদ ম-ল, প্রণব কান্তি রায়, অমলেন্দু বাছাড়, অপূর্ব ম-ল, সুজয় রায়, পংকোজ রায়, নবতোষ ম-ল, কৃষ্ণকান্ত ম-ল সহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সম্পাদক সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের হরিতলা পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন এম পি জগলুল হায়দার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহা নবমীর দিনে এম পি জগলুল হায়দার পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করে কমিটির সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাৎ করেন। সনাতন ধর্মাবলম্বী ভক্তদের কাছে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এম পি জগলুল হায়দার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আবু ইউসুফ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আশাশুনিতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। গতকাল বিকালে আশাশুনি সাংবাদিক কার্যালয়ে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. আব্দুল্লাহ বলেন, আমি একজন শিক্ষক। শিক্ষার আলোয় সমাজ গড়াই আমার ব্রত। তাই সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাড়ানোর জন্য, সমাজ ও সমাজের মানুষের বৃহৎ কল্যানের জন্য আমি কাজ করতে চাই। আর এজন্য শিক্ষকতার পাশাপাশি জনসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে চাই।

প্রেস ক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক প্রভাষক মাসুদুর রহমান মাসুদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা একেএম এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক জি এম আল ফারুক, দপ্তর সম্পাদক আলী নেওয়াজ, কোষাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা, প্রচার সম্পাদক বাহবুল হাসনাইন, ক্রীড়া সম্পাদক এসকে হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য এম. হাবিবুল্লাহ বিলালী, আশাশুনি রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সেক্রেটারী সোহরাব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ বাদশা, দপ্তর সম্পাদক এ এম নূর আলম, সাংবাদিক এম,এম সাহেব আলী, ফায়জুল কবীর, শেখ আরাফাত হোসেন, সমাজ সেবক এমএনবি রাশেদ সরোয়ার শেলী, উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সেক্রেটারি বদরুদ্দোজা সানা, প্রধান অতিথির ব্যক্তিগত সহকারী এস, কে মাসুদসহ তার অন্যান্য সফরসঙ্গীবৃন্দ। মতবিনিময় শেষে তিনি উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : সাহিত্য কর্মের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য দিক এবং নানা স্মৃতিচারণ করে বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক গাজী আজিজুর রহমানের ৭০তম জন্মদিন পালন করেছে সাতক্ষীরার কবি-সাহিত্যিকরা।
এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা শহরের হোসেন মার্কেট চত্বরে গাজী আজিজুর রহমানের ৭০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন কমিটি আয়োজন করে ‘দুরন্ত সত্তর’ শীর্ষক আলোচনা সভা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাহিত্যিক ও নাট্যজন খায়রুল বাসার।
আলোচনায় অংশ নেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, প্রাবন্ধিক কবির রায়হান, আবৃত্তিকার মনিরুজ্জামান ছট্টু, কবি পল্টু বাসার, প্রাবন্ধিক শুভ্র আহমেদ, কবি স ম তুহিন, বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী, কবি গাজী শাহজাহান সিরাজ, মঞ্জুরুল হক, মন্ময় মনির প্রমুখ।
বক্তারা বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক গাজী আজিজুর রহমানের জীবন এবং কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, প্রতিভার সপ্তপর্ণা মণি ধারণ করে বাংলা সাহিত্যের রস ভা-ার পূর্ণ করে চলেছেন দেশের অন্যতম এই লেখক ও প্রাবন্ধিক। তিনি খুব কম লিখলেও যা লেখেন ভেবেচিন্তে লেখেন। মৃত্যু, আত্মহত্যা এবং কবিতাবিষয়ক তার লেখাগুলো পাঠককে বার বার ভাবিত করে, প্রশ্নমুখী করে তোলে। এছাড়া বিশ্বসাহিত্য, ইতিহাস, আধুনিকতা তার লেখালেখির অন্যতম বিষয়। সাহিত্য-সংস্কৃতি নিয়ে তার দীর্ঘ আড়াই দশকের লেখা পাঠককে জুগিয়েছে নবভাবনার খোরাক।
অনুষ্ঠানে ‘দুরন্ত সত্তর’ শীর্ষক একটি স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রসঙ্গত, গাজী আজিজুর রহমান-এর জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের দার্জিলিংয়ে। পিতা কাসেম আলী গাজী, মা করিমন্নেসা। তিনি ১৯৬৪ সালে সাতক্ষীরা কালীগঞ্জের নলতা হাই স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৬৬ সালে সাতক্ষীরা কলেজ থেকে এইচএসসি, ১৯৬৯ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ এবং ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। কালীগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন ১৯৭৫ সালে এবং অধ্যাপক পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন ২০১০ সালে।
দেশের সুদূর দক্ষিণ প্রান্তে সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘ পঁয়ত্রিশ বছর কাজ করেছেন তিনি। ইত্যবসরে নিজেকে সম্পূর্ণ নিয়োজিত করেছেন গবেষণাকর্ম ও সংস্কৃতিসেবায়। সাতক্ষীরা কালীগঞ্জে বসে কাজ করলেও তার গবেষণাকর্ম ঢাকা-কোলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত এবং সমাদৃত। পরিশ্রমী কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকটি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: সাতক্ষীরা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার (১৯৯৫); ম্যান অব দি ইয়ার, বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট, যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯৮); কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার (২০০১); শিমুল-পলাশ সাহিত্য পুরস্কার, কলকাতা (২০০৪); বাংলা ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র পুরস্কার (২০০৭); লিনট পদক পুরস্কার (২০০৮); সিকানদার আবু জাফর পদক (২০১২); কবি সুকান্ত পুরস্কার (কলকাতা ২০১৫)।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ: প্রবন্ধ গবেষণা : সাহিত্যে সমাজবাস্তবতার ধারা (১৯৯২, পুনর্মুদ্রণ ২০১৪); স্বেচ্ছামৃত্যুর করতলে কবি (১৯৯৬, পুনর্মুদ্রণ ২০১৫); সাহিত্য ও সিংহাসন (১৯৯৯); নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের শতবর্ষ (২০০১); সাতক্ষীরার ভাষা ও শব্দকোষ (২০০৪); আধুনিক বাংলা উপন্যাসের বিষয় ও শিল্পরূপ (২০০৯); কবিদের কবি (২০১০); কালীগঞ্জের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ (২০১৪)।
সম্পাদনা: মরণরে তুহু মম (২০০৪) এবং খান আনসার উদ্দীন আহমেদ রচনাবলী (১৯৯৯)।
অন্যান্য প্রকাশনা: বজ্রের বাঁশি (উপন্যাস), কালো সূর্যের নীচে (নাটক), সক্রেটিস (নাটক), যোদ্ধার জতুগৃহ (উপন্যাস)।
সম্পাদনার কাজেও তার মুন্সিয়ানা রয়েছে। ১৯৮৩ সাল থেকে সম্পাদনা করে যাচ্ছেন ‘নদী’ নামের একটি সাহিত্যপত্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজারবাগান দাশপাড়া কালিমন্দির পরিদর্শন করেছেন করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজার মহা নবমীর দিনে আরতীর সময় পরিদশনে যান নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, বাংলা ভিশন টিভি’র সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান, ডেইলি সাতক্ষীরার সহ-সম্পাদক তহিদুর রহমান ডাবলু, সাংবাদিক আমির হোসেন খান চৌধুরী, জেলা ছাত্র লীগের সহ-সভাপতি সাংবাদিক বশির আহম্মেদ, অহিদুজ্জামান টিটু, এম. বেলাল হোসাইন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মন্দির সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক এক প্রবন্ধ লেখেন। যা গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’-এর ডিসেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। ওই প্রবন্ধের বিরুদ্ধে ‘চৌর্যবৃত্তি’র অভিযোগ এনেছে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

শিকাগো প্রেসের অভিযোগ, প্রবন্ধের সিংহভাগ নেওয়া হয়েছে প্রখ্যাত দার্শনিক মিশেল ফুকোর প্রবন্ধ ‘The Subject and Power’ থেকে। ১৯৮২ সালে তা শিকাগো জার্নালে প্রকাশিত হয়। এর প্রকাশক ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

অভিযুক্ত দুই শিক্ষক হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া রহমান ও অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের (ক্রিমিনোলজি) বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজান।

ওই দুই শিক্ষকের লেখা প্রবন্ধটির নাম হচ্ছে, ‘A New dimension of Colonialism and Pop Culture: A case study of the Cultural Imperialism’.

গবেষণায় ‘চৌর্যবৃত্তির’ অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এই তদন্ত কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য।

সিন্ডিকেটের এক সদস্য জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই দুই শিক্ষকের প্রবন্ধ আট পৃষ্ঠার। ওই আট পৃষ্ঠার প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠাই মিশেল ফুকোর ওই প্রবন্ধ থেকে হুবহু নেওয়া। সেই হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই দুই শিক্ষকের প্রবন্ধের ৬২ শতাংশই নকল। শিকাগো জার্নালে প্রকাশিত মিশেল ফুকোর ওই প্রবন্ধ ছিল ১০ পৃষ্ঠার।

সিন্ডিকেট সূত্রে জানা যায়, এমন অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যার প্রতিবেদন আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।

সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল জানান, দার্শনিক মিশেল ফুকোর লেখা “The Subject and Power” শীর্ষক প্রবন্ধ, প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস (১৯৮২), থেকে লেখা পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ করেছে স্বয়ং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

মাকসুদ কামাল জানান, এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই চুরির অভিযোগের কথা জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস। তিনি জানান, শিকাগো জার্নালের সম্পাদক ওই অভিযোগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পাঠিয়েছে।

শিকাগো জার্নাল জানায়, Critical Inquiry জার্নালের ১৯৮২ সালের অষ্টম ভলিউমের ৪ নম্বর সংখ্যায় মিশেল ফুকোর ওই প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি সামিয়া রহমান বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টুয়েন্টিফোরের ‘হেড অব কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স’-এর দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সামিয়া রহমান অস্বীকার করেন।

অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক রুহুল আমিন, নুসরাত জাহান ও বদরুজ্জামান ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির দুটি অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ একজন শিক্ষক উপাচার্যকে চিঠি দিয়ে রুহুল আমিন ও নুসরাত জাহানের প্রকাশিত প্রবন্ধগুলোর মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়ার অভিযোগ করেন। বদরুজ্জামানের বিরুদ্ধে পিএইচডি গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ করেন নুসরাত জাহান।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদ বলেন, ‘ওই পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গবেষণা চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ পেয়েছে। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর আমাকে তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest