সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

কলারোয়া ডেস্ক : ‘শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’- শীর্ষক স্লোগানে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকালে কলারোয়া মডেল হাইস্কুলে ওই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ছাত্র-ছাত্রীরা যেন মাদকাসক্ত না হয় সে বিষয়ে শিক্ষক-অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে ওই সভার আয়োজন করে কলারোয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কাজী আসাদুজ্জামান সাহাজাদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল হামিদ, একাডেমিক সুপারভাইজার তাপস কুমার দাস, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আমানুল্লাহ আমান, পিটিএ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, স্কুলের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন, সহকারী শিক্ষক রুহুল কুদ্দুস ও সিনিয়র শিক্ষক মোস্তফা বাকি বিল্লাহ শাহী।
এসময় শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে মাদকবিরোধী রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মাদকের বিরুদ্ধে শপথবাক্য পাঠ করান উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন। এসময় দুই জন প্রতিবন্দ্বি শিক্ষার্থীকে ৪হাজার ৫’শ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রেকর্ড পরিমাণ মূল্যে ইতিহাস গড়েই স্প্যানিশ ক্লাব পিএসজি’তে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমার। মাঠে নামেননি এখনও। তবে এরইমধ্যে তার নামে জার্সি বাজারে ছেড়েছে পিএসজি। আর একদিনেই ১০ হাজার পিস জার্সি বিক্রি হয়েছে। যা থেকে ক্লাবটি আয় করেছে এক লাখ ইউরো। প্রতিটি জার্সি ১০০ ইউরো করে বিক্রি হচ্ছে।

বলা হচ্ছে, আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত এভাবে যদি বিক্রি হয় তবে নেইমারকে কিনতে বার্সাকে যে ট্রান্সফার ফি দিতে হয়েছে তা উঠে আসবে পিএসজির।

রেকর্ড ট্রান্সফার ফি ২২২ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে পাঁচ বছরের জন্য বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে এসেছেন নেইমার। ১০ নম্বর জার্সি তাকে দেয়া হয়েছে। পিএসজির দুটি শপেই নেইমারের সব জার্সি বিক্রি হয়ে গেছে। ক্লাব ও জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বাজারে আরও জার্সি আনার কথাও ভাবছেন।

উল্লেখ্য, ২৫ বছর বয়সী নেইমার বার্সেলোনা থেকে এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোতে ২২২ মিলিয়ন ইউরোর রেকর্ড চুক্তিতে ৫ বছরের জন্য পিএসজিতে যোগ দিয়েছেন। ১০ নম্বর জার্সি পড়েই পিএসজিতে অভিষেক হতে যাচ্ছে এই ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকারের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিদেশে নতুনভাবে সাতটি শহরে বাংলাদেশি মিশন স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে বিদেশে স্থাপিত ১৭টি বাংলাদেশি মিশন ভূতাপেক্ষভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অনুমোদনের কথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন সাত মিশন হবে আফগানিস্তানের কাবুল, সুদানের খার্তুম, সিয়েরালিওনের ফ্রিটাউন, রোমানিয়ার বুখারেস্ট, ভারতের চেন্নাই, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও কানাডার টরেন্টোতে।

শফিউল আলম বলেন, ‘ইতোমধ্যে চালু হওয়া ১৭টি মিশন হলো এথেন্স, মিলান, মুম্বাই, ইস্তাম্বুল, লিসবন, কুনমিং, বৈরুত, মেক্সিকো সিটি, ব্রাসিলিয়া, পোর্ট লুইস, কোপেনহেগেন, ওয়ারশ, ভিয়েনা, আদ্দিসআবাবা, আবুজা, আলজিয়ার্স ও গৌহাটি।’

তিনি বলেন, ‘২০১৪ সাল থেকে এসব মিশনে কাজ চলছে। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী নিয়ম হলো, এই অফিসগুলো খোলার আগে মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু ভুলক্রমে এই ১৭ কূটনৈতিক অফিস স্থাপনের অনুমোদন নেয়া হয়নি। এজন্য ১৭টির ভূতাপেক্ষ অনুমোদন নেয়া হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এর মধ্যে (ইতোমধ্যে চালু ও নতুনগুলো) কয়েকটি মিশন আগে থাকলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। এখন আবার চালু করা হলো।’

ব্রাসিলিয়া, ওয়ারশ, বুখারেস্ট, সিডনিতে বাংলাদেশি মিশন আগে ছিল বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) প্রথম ম্যাচে সুবিধা করতে পারেননি না সাকিব। দলও হেরেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে সাকিবের অলরাউন্ডার নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তার দল জ্যামাইকা তালাওয়াস।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে গতকাল রাতে মুখোমুখি হয় জ্যামাইকা ও বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস। টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জ্যামাইকা। আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান করে সাকিবরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৪২ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় ট্রাইডেন্টস। ফলে ১২ রানে জয় পায় জ্যামাইকা।

১৫৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে ৫১ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারান ট্রাইডেন্টস। এরপর ১০২ রানে পৌঁছাতেই ৬ উইকেট নেই। কাইরান পোলার্ডের ৬২ রানের ইনিংসটিও শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি। কারণ ১৪২ রানেই আটকে যায় বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস।

জ্যামাইকার হয়ে ব্যাট করতে নেমে সাকিব ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৩২ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কা মেরে তিনি এই ইনিংসটি গড়েন। তবে জ্যামাইকার সর্বোচ্চ ইনিংসটি খেলেছেন ম্যাকার্থি। তিনি করেছেন ৬০।

ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও আলো ছড়িয়েছেন সাকিব। বল হাতে ওয়াইন পার্নেলের উইকেটটি পেয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে একটি করে উইকেট পাওয়া অন্য বোলাররা হলেন সান্তকি, কেসরিক উইলিয়ামস এবং ইমাদ ওয়াসিম। তবে মোহাম্মদ সামি একাই ৪ উইকেট নিয়ে বার্বাডোসের ব্যাটিংয়ে বড় ধ্বস আনেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ও ভারতে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার অভিযুক্ত জেএমবির সালাউদ্দিন সালেহীনকে নিয়ে দুশ্চিতায় ভারতীয় গোয়েন্দারা। তারা বলছে, সালাউদ্দিন সালেহীনই এখন জেএমবি আমির তথা সর্বময় প্রধান এবং তিনি দক্ষিণ ভারতে কোনো এক জায়গায় অবস্থান করছেন।

গত জুলাইয়ে সোহেল মাহফুজ ওরফে হাতকাটা নাসিরুল্লা বাংলাদেশে গ্রেফতার হওয়ার পর কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ও এনআইএ -এর অফিসাররা ঢাকায় এসে পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করেন। তখনই সালাউদ্দিন সালেহীনের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন ভারতীয় গোয়েন্দারা।

এদিকে এনআইএ-এর এক সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় বলা হয়েছে, সালাউদ্দিন এখন দক্ষিণ ভারতে পলাতক রয়েছেন। তবে কোথায়, সেটা এনআইএ নির্দিষ্টভাবে জানতে পারছেন না।

গত বছর সেপ্টেম্বরে কলকাতা পুলিশের এসটিএফের হাতে জেএমবির ছয় সদস্য ধরা পড়ে। তাদের জেরা করে সালাউদ্দিনের বেঙ্গালুরুর একটি ডেরার সন্ধান পান। তবে গোয়েন্দারা সেখানে পৌঁছনোর আগেই সালাউদ্দিন পালিয়ে যায়। এনআইএ -এর দাবি, সালাউদ্দিনের সঙ্গে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলার আর এক অভিযুক্ত রয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এনআইএ-এর এক কর্তা বলেছেন, সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করতে না পারলে ভয় শুধু আমাদের (ভারতের)। কারণ হিসেবে বলেন, গত বছর সেপ্টেম্বরে জেএমবির ছয়জনকে গ্রেফতার করার পর কলকাতা পুলিশ জানতে পারে, তারা উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল। ফলে সালাউদ্দিন অধরা থাকা মানে এখানে নাশকতার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে ময়মনসিংহ আদালতে নেওয়ার পথে হামলা চালিয়ে জঙ্গিরা সালাউদ্দিন সালেহীনসহ তিন জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেয়। এর পর থেকেই তিনি ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছেন। বলা হচ্ছে, এক সময়ের জেএমবির শূরাসদস্য সালাউদ্দিন সালেহীন বর্তমানে আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, গত রোববার ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগর থেকে ‘আনসারুল্লা বাংলা টিম’র সদস্য সন্দেহে আবদুল্লাহ নামের এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের জঙ্গি দমন শাখা এটিএস’র সন্দেহ, আবদুল্লাহ আল-কায়দার আদর্শে অনুপ্রাণিত বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চাকরি না ছাড়ায় পাকিস্তানের করাচিতে স্ত্রীর শিরশ্ছেদ করেছেন স্বামী। করাচির সাদ্দার ডিভিশনের মঙ্গা মন্ডি এলাকায় রোববার নির্মম এ ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক সম্মান রক্ষায় ওই ব্যক্তি স্ত্রীকে চাকরি ছাড়ার আহ্বান জানালেও এতে সাড়া দেয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীর শিরশ্ছেদ করেন তিনি।

পুলিশ বলছে, নিহত ৩৭ বছর বয়সী নাসরিন; তিন সন্তানের মা। সাদ্দার ডিভিশনের শ্যামকে ভাট্টিয়ান এলাকার একটি বাড়িতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এসময় তার শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন ছিল।

খুনের তথ্য পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহরের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সাদ্দার ডিভিশনের পুলিশ সুপার (এসপি) মাহের মুমতাজ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই নারীকে তার স্বামী আফরাহিম সম্মান রক্ষার নামে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, রাইউইন্ড এলাকার একটি পোশাক তৈরির কারখানায় চাকরি করতেন ওই নারী। কিন্তু তার স্বামী এটি পছন্দ করতেন না এবং তাকে চাকরি ছাড়তে বলেছিলেন। স্বামীর বিরোধিতা সত্ত্বেও, নাসরিন চাকরি অব্যাহত রেখেছিলেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা নিহত নারীর সন্তানের বরাত দিয়ে বলেন, বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন ওই নারী। এ সময় তার স্বামী রুমের দরজা বন্ধ করে দা দিয়ে কুপিয়ে শিরশ্ছেদ করে।

এ ঘটনার পর ওই ব্যক্তি বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে তার প্রতিবেশিদের সহায়তায় রুমের দরজা খুলে নাসরিনের মরদেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় শরীর থেকে তার মাথা বিচ্ছিন্ন ছিল। অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশের দুটি দল কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি।

সূত্র : ডন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের নার্সিং ৩৭তম ব্যাচ এবং মিডওয়াইফারী ৫ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শিরা বরণ, প্রতিক ধারণ ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৭ আগষ্ট) সকালে সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের হলরুমে সেবা ইনস্টিটিউটের নার্সিং ইনট্রাক্টর ইনচার্জ মঞ্জুরাণী দেবনাথের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ তওহীদুর রহমান।
এসময় তিনি বলেন, ‘সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট একটি পরিবার। একই সূত্রে গাঁথা এ প্রতিষ্ঠানের সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সেবার মানসিকতার নিয়ে কাজ করবে। আগামী দিনে সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট একটি মডেল ইনস্টিটিউট হিসেবে গড়ে উঠবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নার্সদের উন্নয়নে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা দিতে তিনি সচেষ্ট আছেন। সকলকে দক্ষ নার্স হিসেবে গড়ে উঠার আহবান জানান তিনি।’
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেডিকেল অফিসার (এমওডিসি) ডাঃ আশিকুর রহমান, নার্সিং সুপারভাইজার আনোয়ারা খাতুন, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী আশেক নেওয়াজ, মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট (ল্যাব) রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, সিনিয়র স্টাফ নার্স শিরিন সুলতানা, রোকেয়া খাতুন, দিথিকা রাণী মাধুকা, লাভলী ইয়াসমিন, সেলিনা খাতুন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চঞ্চলা রাণী সরকার, দিপালী সরকার, আমিনা আখতার বানু, সুরাইয়া ইয়াসমিন, অর্চনা প্রভাসহ নার্সিং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নার্সিং ও মিডওয়াইফারী কোর্সের শিক্ষার্থীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদের ১৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল করার লক্ষ্যে এবং ৫ দফা দাবিতে সংগঠনটির সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালিত হয়। হরিজন ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বাবু লাল হেলার সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, উপদেষ্টা চন্দন হেলা, সাধারণ সম্পাদক জঙ্গি লাল ডোম, সাংগঠনিক বাবু লাল, সহ-সভাপতি বাদল ডোম, যুগ্ন-সম্পাদক জীবন কুমার প্রমুখ।
বক্তারা এ সময় বলেন, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ বাংলাদেশে বসবাসরত হতদরিদ্র পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক হরিজন জন গোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক, জীবন মান ও মানবাধিকার মর্যাদা উন্নয়নের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। এই জনগোষ্ঠী বংশ পরস্পরায় আদি পেশাজীবী হিসেবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জাত-পেশা হিসেবে বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। এই জনগোষ্টির মানউন্নয়নে জাতীয় বাজেটে ৮০ পার্সেন্ট কোটা বরাদ্দ দিলেও বাস্তবায়নে তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। তাই হরিজন সম্প্রদায়ের মান উন্নয়নে তাদের স্থায়ী নিয়োগ, ৮০ পার্সেন্ট কোটা বরাদ্দসহ ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।
মানববন্ধন শেষে বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest